নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টুকটাকঝিজিবিজি লেখি

ইমরান

ইমরানসিড

আমি ইমরান

ইমরানসিড › বিস্তারিত পোস্টঃ

সালেহা ট্রাজেডি

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৮

রেললাইনের পাশের বস্তির ১৩ নং ঘরটা সালেহার। ঘরতো নয় খুপড়ি।পাড়াটা বেশ নিঝুম, তবে রাতের বেলা সরব হয়ে উঠে। কাপুরুষের দল ভীর করে । সবাই বলে পতিতা পল্লী।খাটি শুদ্ধ ভাবে বেশ্যালয় বলে।



আজো ভীর হয়েছে পল্লীতে,যার যার ইচ্ছা মত ঘরে গিয়েছে, রাত ধীরে ধীরে গভীর হয়ে যাচ্ছে।

সালের ঘরের বেড়ার দরজা টা হেচকা টানে খুলে ফেলে শাহীন, বাহিরের বের হয়ে গায়ের গেঞ্জি দিয়ে মুখ মোছে ।ঘামে একাকার হয়ে গেছে শরীর,ঘর থেকে বের হয়ে শীষ দিতে দিতে চলে যায় শামীম।শীষের শব্দ টা ফলার মত বাজে সালেহার কানে



যন্ত্রনায় কোকাতে থাকে সালেহা, খুব অসুস্থ সে, প্রচন্ড ব্যাথা হচ্ছে তলপেটে,কাথা টা অনেক কষ্টে টেনে নিয়ে ঢেকে দেয় নগ্ন দেহটার উপর। চোখের পানি গড়িয়ে পড়ে বালিশের উপর।



আজ শুক্রবার, মনে পড়ে সালেহার রাসেল আসবে আজ। রাসেল, সালেহার স্বামী নামের জানোয়ার, বিয়ের তিন মাস পর সালেহা কে রেখে গিয়েছে এখানে, প্রতি শুক্রবার আসে, টাকা নিয়ে যায়, মদ খায়, ফুর্তি করে।



অনেক সপ্ন নিয়ে বিয়ে নামের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিল সালেহা, কিন্তু বিয়ের রাতেই স্বামীর সোহাগ নামে হয়েছে ধর্ষিত, স্বতীত্ব হারিয়েছে ভালবাসা নয় এক হিংস্রতা র কাছে।

তবুও মেনে নিয়েছিল সে,তলপেটের যন্ত্রনাটা সহ্য করে গেছে সমাজের দাত কেলিয়ে হাসির কাছে। কিন্তু রাসেল তা বোঝে নি, তিন মাস যেতে না যেতেই রেখে গেছি যৌন পল্লীর কর্মী হিসেবে। সালেহা ডুকরে ডুকরে কেদেছে আর বলেছে,

"ওগো আমি তোমার ঘরে একবেলা খেয়ে,দাসীর মত থাকবো, তাও তুমি আমাকে রেখে যেও না" ।



সালেহা আছিস, ??

রাসেলের ডাকে ভাবনায় ছেদ পরে সালেহার, চোখের পানি মুছে নগ্ন দেহে দাড়িয়ে পড়ে সালেহা, সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই রাসেলের, সরাসরি বলে " কিরে টাকা কই " ??



দিচ্ছি বলে, বালিসের নিচে হাত রাখে সালেহা, টাকাগুলো বের করে সালেহা সাথে বালিশের নিচে রাখা ধারাল বস্তুটাও পরখ করে দেখে সন্তপনে, আজ যে একটা বিহীত করতেই হবে, কি দোষ ছিল তার ??



সালেহার হাতে টাকা দেখে চিকচিক করে রাসেলের চোখ,তর সয়না রাসেলের, বাজপাখির মত ছোঁ মেরে কেড়ে নেয় টাকাগুলো, এর হাতে থু থু ছিটিয়ে গুনতে থাকে সে।



এই সুযোগ টাই চাচ্ছিল সালেহা, বালিশের নিচ থেকে এক টানে বের করে ধারালো, চকচকে ঝিলিক দেওয়া চাকু, মুহুর্তেই বসিয়ে দেয় রাসেলের বুকে, চাপ দিয়ে পুরোপুরো ঢুকিয়ে দেয়। ককিয়ে উঠে রাসেল, উজ্জলদীপ্ত মুখ ফ্যাকাসে হয়ে যায়, ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হয়, ছিটকে গিয়ে সালেহার হাত,মুখ রাংগিয়ে দেয়, সালেহা জিহ্বায় কামর দিয়ে , মুচকি হাসে, তারপর ২০/২৫ টা কোপ বসিয়ে দেয় রাসেলের শরীরে, গলায়, বুকে।



নিস্তেজ হয়ে পরে রাসেল, লুটিয়ে পরে মাটিতে, নগ্ন দেহে রাসেলের বুকে চেপে বসে সালেহা, দু হাত দিয়ে রক্ত তুলে নিয়ে শরীরে মাখে, পবিত্র হতে চায় সে,নিঃকলংক।



বাইরে চাদ উঠেছে, কলংকীনি চাদ...........

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.