নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Find Me, Where the Wild Things Are!

ইমতিয়াজ সুহার্ত

আলোকে ঠিকই চিনে নেয় আমার অবাধ্য সাহস

ইমতিয়াজ সুহার্ত › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলামের দৃষ্টিতে এলিয়েন বা ভিনগ্রহী

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৪

বিজ্ঞানের একটি অতি আলোচিত বিষয় হলো ভিনগ্রহে প্রাণ, যাদের কে এলিয়েন বলা হয়ে থাকে।
পৃথিবী ছাড়াও অন্য গ্রহে এলিয়েন আছে কিনা এটি নিয়ে বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এলিয়েন যে আছে এর অনেক প্রমাণ ও পাওয়া গেছে। তবে এটি এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত কোনো ফ্যাক্ট না৷ তবে আমি বিশ্বাস করি, এটি একদিন আবিষ্কৃত হবেই ইনশাল্লাহ।

শুধুমাত্র ইসলাম ব্যতীত আর কোনো ধর্মেই ভিনগ্রহীদের সম্বন্ধে কোনো ইঙ্গিত বা ইশারা পাওয়া যায়নি৷
ইসলামের প্রধান ধর্মগ্রন্থ কুরআন যেটি ১৪০০ বছর আগে নাজিল হয়েছিলো, সেটিতে এমন কিছু আয়াত রয়েছে যারমাধ্যমে ভিনগ্রহীদের সম্বন্ধে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়েছে৷ তারমধ্য থেকে দুটি আয়াত নিচে তুলে ধরলামঃ

সূরা আশ্‌-শূরা (الشّورى), আয়াত: ২৯

وَمِنْ ءَايَٰتِهِۦ خَلْقُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَثَّ فِيهِمَا مِن دَآبَّةٍ وَهُوَ عَلَىٰ جَمْعِهِمْ إِذَا يَشَآءُ قَدِيرٌ


অর্থঃ তাঁর এক নিদর্শন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যেসব জীব-জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি যখন ইচ্ছা এগুলোকে একত্রিত করতে সক্ষম।

সূরা আত-তালাক (الطّلاق), আয়াত: ১২

ٱللَّهُ ٱلَّذِى خَلَقَ سَبْعَ سَمَٰوَٰتٍ وَمِنَ ٱلْأَرْضِ مِثْلَهُنَّ يَتَنَزَّلُ ٱلْأَمْرُ بَيْنَهُنَّ لِتَعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ وَأَنَّ ٱللَّهَ قَدْ أَحَاطَ بِكُلِّ شَىْءٍ عِلْمًۢا


অর্থঃ আল্লাহ সপ্তাকাশ সৃষ্টি করেছেন এবং পৃথিবীও সেই পরিমাণে, এসবের মধ্যে তাঁর আদেশ অবতীর্ণ হয়, যাতে তোমরা জানতে পার যে, আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং সবকিছু তাঁর গোচরীভূত।

ভালোভাবে আয়াত দুটি বোঝার চেষ্টা করুন। এই দুই আয়াতের মধ্যেই মহান আল্লাহ কি সুন্দরভাবে ভিনগ্রহীদের সম্পর্কে ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছেন।
কুরআন তো হলো এক মহারহস্য, যার সবকিছুর অর্থ মানুষের পক্ষে বোঝা সম্ভব না। এরমধ্য থেকে অনেক বৈজ্ঞানিক তথ্য আবিষ্কৃত হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও অনেক হবে। কুরআন এর মহান নির্ভেজালতা দেখেও কি অবিশ্বাসীরা ঈমান আনবে না?

কুরআন এর আয়াত ছাড়াও ভিনগ্রহীদের নিয়ে বিভিন্ন সহীহ হাদিস রয়েছে৷ তাহলে আমাদের মুসলমানদের ভিনগ্রহীদের সম্বন্ধে বিশ্বাস করা কর্তব্য।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, অনেক স্বল্পজ্ঞানী মুসলমানই এটি বিশ্বাস করতে চায় না৷ তাদের জন্য আমি কিছু লজিক তুলে ধরলাম।

মহাকাশ এর সীমা যে কতদূর তা আল্লাহই ভালো জানেন। বিজ্ঞান দ্বারা আবিষ্কৃত যে, একটি নক্ষত্র এবং কয়েকটি গ্রহ মিলে হয় একটি সৌরজগত। এভাবে করে কোটি কোটি সৌরজগত মিলে হয় একটি গ্যালাক্সি। আবার কোটি কোটি গ্যালাক্সি মিলে হয় মহাবিশ্ব বা ইউনিভার্স। আবার অসংখ্য ইউনিভার্স মিলে হয় মাল্টিভার্স।
একবার চিন্তা করে দেখুন এসবের মধ্যে কত বিলিয়ন-ট্রিলিয়ন সংখ্যক গ্রহ রয়েছে৷ আর আল্লাহ এতকিছু যেহেতু সৃষ্টি করেছেন, তাহলে এতকিছুর মাঝে কেনো শুধু পৃথিবীতেই  প্রাণ সৃষ্টি করবেন? নিশ্চয়ই অন্য গ্রহতেও প্রাণ সৃষ্টি করেছেন তিনি।
এছাড়া বিজ্ঞানীরা হুবহু পৃথিবীর মত দেখতে অনেক গ্রহ আবিষ্কার করেছেন। যেগুলোকে বলা হয় এক্সো প্ল্যানেট। সেসব গ্রহতেও প্রাণ বেচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপকরণই রয়েছে৷ কিন্তু ঐসব গ্রহ গুলো আমাদের পৃথিবী থেকে এতই আলোকবর্ষ দূরে যে, সেগুলোতে কখনও আমরা যেতে পারবো না।
এসব থেকে কি প্রমাণ হয় না যে, আল্লাহ শুধু পৃথিবীই নয় অন্য গ্রহতেও প্রাণ সৃষ্টি করেছেন।
তবে বেশিরভাগ বিজ্ঞানীরা এলিয়েন হিসেবে কল্পনা করে যে বিভৎস চেহারা আমাদের দেখিয়ে থাকে সেগুলোর সাথে আমি একমত না৷ কারন, আল্লাহ আমাদেরকে যেমন সুন্দর বানিয়ে সৃষ্টি করেছেন। অন্য গ্রহদের প্রাণীদেরকেও হয়তোবা সেভাবেই সৃষ্টি করেছেন। আমাদের উপর যেমন আল্লাহর আদেশ-নিষেধ অর্পিত হয়েছে, হয়তোবা তাদের উপরও তেমন অর্পিত হয়েছে। তারাও আল্লাহর আনুগত্য এবং ইবাদত করে। আমরা যেমন আমদের বিশ্বের জন্য সৃষ্টির সেরা জীব। তেমনিভাবে তারাও তাদের বিশ্বের সৃষ্টির সেরা জীব।

*Allah knows the best.

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.