নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

নিউ ইয়র্কের পথে.... ২

১৫ ই মে, ২০২৪ রাত ৯:০২


Almost at half distance, on flight CX830.

পূর্বের পর্ব এখানেঃ নিউ ইয়র্কের পথে.... ১

হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্লেন থেকে বোর্ডিং ব্রীজে নেমেই কানেক্টিং ফ্লাইট ধরার জন্য যাত্রীদের মাঝে নাভিশ্বাস উঠে গেল। গ্যাংওয়ের একেবারে শেষ মাথায় লাইন করে দাঁড়িয়ে ছিল ক্যাথে প্যাসিফিক এর কয়েকজন গ্রাউন্ড স্টাফ। তারা যাত্রীদের বোর্ডিং পাস চেক করে করে একেকজনের বাম বাহুতে একেক রঙের একেকটি স্টিকার লাগিয়ে দিচ্ছিল। আবার কারও হাতে কিছুই লাগাচ্ছিল না। পরে আরেকটু নিবিড়ভাবে লক্ষ্য করে বুঝলাম, তারা যাত্রীদেরকে মোট তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করে নিচ্ছিলঃ এক, যারা নিউ ইয়র্ক যাবে, দুই, যারা টরোন্টো যাবে, আর তিন, যারা আর কোথাও যাবেনা, ওখানেই নেমে যাবে। প্রথমোক্ত দুই শ্রেণির সামনে একজন করে স্টাফ এসে “ফলো মি” বলে হাঁটা শুরু করলো। আমাদের যিনি লীডার ছিলেন, তিনি লম্বায় প্রায় ছয় ফুট দুই ইঞ্চির মত হবেন, বয়স হয়তো বিশের শেষ অথবা ত্রিশের কোঠার শুরুতে হবে। তিনি কোন দিকে না তাকিয়ে লম্বা কদমে দ্রুত হেঁটে যাচ্ছিলেন। তার সাথে তাল মিলাতে গিয়ে অনেকেই হাঁপিয়ে উঠছিলেন। আমি এ বিষয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি সবিনয়ে বললেন, “sir, we are running behind schedule; just take a little longer and quicker steps”. যাহোক দূরত্বটা খুব বেশি ছিল না, তাই রক্ষা! সিকিউরিটি চেকপয়েন্টে এসে তিনি আমাদেরকে একজন মহিলার কাছে হস্তান্তর করলেন, যার তত্ত্বাবধানে খুব দ্রুতই আমাদের সিকিউরিটি চেক সম্পন্ন হলো। অবশেষে প্লেনে নির্দিষ্ট আসন গ্রহণ করে একটা লম্বা শ্বাস নিয়ে যেন হাঁফ ছেড়ে বাচলাম! মাত্র ত্রিশ মিনিটের মধ্যে নিউ ইয়র্কগামী সকল যাত্রীর ট্রান্সফার সুসম্পন্ন হলো।

এত দৌড়াদৌড়ি ও টেনশনের কারণে খুব ক্ষুধা পেয়েছিল। টিকেট কাটার সময়েই আমরা ফুড চয়েস দিয়ে রেখেছিলাম। নির্ধারিত সময়ের আধ ঘণ্টা বিলম্বে প্লেন টেক-অফ করলো। টেক-অফ এর কিছুক্ষণের মধ্যেই একজন বিমানবালা এসে আমাদের দু’জনের নাম ধরে পরিচয় নিশ্চিত হলেন এবং আমাদের দেয়া ফুড চয়েস অনুযায়ী দুটো ফুড ট্রে দিয়ে গেলেন, যেটার উপরে আমাদের নাম লেখা ছিল। সবার আগে তিনি আমাদেরকেই খাবার দিয়ে গেলেন, বাকিদের টেবিলে তখনো কিছু দেয়া হয়নি। তবে একটু পরেই বাকিদেরকেও লাইন ধরে দেয়া হলো। এরকমটি এর আগে আমি কখনো দেখিনি। এবারে দীর্ঘ একটানা ষোল ঘণ্টার ফ্লাইট। আগের ফ্লাইটে ঠিকমত ঘুম হয়নি। তাই এবারে খেয়ে দেয়ে ঘুমের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। তিন আসনের সারিতে আমার আসন জানালার পাশে, তারপরে আমার স্ত্রীর এবং তার পাশে অন্য একজন মহিলার। হঠাৎ মনে হলো, ওয়াশরুমে যাবার প্রয়োজন হলে এদের দুজনকে তাদের আসন থেকে উঠিয়ে আমাকে যেতে হবে। তাই ওরা জেগে থাকতে থাকতেই আমি ওয়াশরুম অভিমুখে রওনা হলাম। সেখানে গিয়ে দেখি লম্বা লাইন। লাইনের বাইরেও কয়েকজন যাত্রী এবং কেবিন ক্রুদের একটি ছোট দল কী নিয়ে যেন আলাপ করছিল। তাদের পাশে একজন বয়স্কা নারী দাঁড়িয়ে ছিলেন। মনে হলো, তাকে নিয়েই তাদের আলাপ চলছিল।

ওয়াশরুম থেকে ফিরে এসে আমি মনিটর অন করে প্লেনের যাত্রাপথ দেখছিলাম। প্লেনটি প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে উড়ছিল। যাত্রীরা যেন ঠিকমত ঘুমাতে পারেন, সেজন্য বিমানবালারা প্রত্যেক আসনের সারির পাশে এসে জানালার ব্লাইন্ড নামিয়ে দিতে বলে গেলেন। কাজেই দিনের বেলা হলেও বাইরের দৃশ্য দেখার জন্য জানালার ব্লাইন্ড ওঠানোর উপায় নেই। মনিটরে একবার রুটম্যাপ দেখি তো আরেকবার সুইচ করে ককপিট ভিউ দেখি। যাত্রাপথে আমার এগুলো দেখতেই ভালো লাগে, মুভি দেখতে কিংবা গান শুনতে ভালো লাগে না। একসময় ঘুমে চোখ লেগে এলো। নিরবিচ্ছিন্ন কিছুক্ষণ স্বস্তিদায়ক ঘুমের পর একজন বিমানবালার কণ্ঠে নিজের নাম উচ্চারিত হতে শুনে চোখ খুলে তাকালাম। দেখি একজন বিমানবালা আমাকে নাম ধরে ডাকছেন। আমি চোখ খুলে তাকাবার পর তিনি বললেন, “এক্সকিউজ মি, মিস্টার আহসান, আর ইউ ফ্রম দাকা?” আমি হ্যাঁসূচক জবাব দেয়াতে তিনি সংক্ষেপে আমাকে জানালেন যে তারা একজন বাংলাদেশি মহিলা যাত্রীর সাথে কিছুতেই কমিউনিকেট করতে পারছেন না। তিনি কেবিন ক্রুদের জন্য সংরক্ষিত জায়গায় এসে দাঁড়িয়ে আছেন, কিছুতেই সেখান থেকে নড়ছেন না এবং কিছু বলছেনও না। আমাকে তিনি অনুরোধ করলেন আমি যেন তাদের হয়ে তাকে একটু বাংলায় বুঝিয়ে বলি। আমি সম্মতি জানিয়ে বললাম তাকে আমার আসনের কাছে এগিয়ে আনার জন্য। তিনি তাই চেষ্টা করলেন, কিন্তু আমি দেখতে পাচ্ছিলাম যে মহিলা একেবারে ‘নট নড়ন নট চরণ’।

সেই বিমানবালা ছিলেন কেবিন ক্রুদের মধ্যে প্রধান। তিনি আবার আমার কাছে এসে অসহায়ের মত বললেন, “উনি একেবারেই নড়ছেন না”। আমি তাকে বললাম, “আপনি কি চান আমি তার কাছে গিয়ে কথা বলি?” উনি সাথে সাথে দুহাত তুলে করজোড়ে নমস্কারের ভঙ্গিতে আমাকে এবং আমার পাশের দুই যাত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন এবং মাথা নীচু করে কয়েকবার দুঃখ প্রকাশ করলেন (আসন ছেড়ে ওঠাউঠি করার অসুবিধার জন্য)। আমি উঠে গিয়ে সেই বাংলাদেশি মহিলাকে তার কী অসুবিধা হচ্ছে তা জিজ্ঞেস করলাম। উনি নিরুত্তর। আবার তাকে জিজ্ঞেস করলাম যে নিউ ইয়র্কের কোথায়, কার কাছে তিনি যাচ্ছেন। উনি অত্যন্ত ক্ষীণকণ্ঠে জানালেন, একজনের কাছে। এই বলে তিনি হাতের তালু মেলে ধরলেন, সেখানে একটি টেলিফোন নম্বর লেখা ছিল। আমি বিমানবালাকে বললাম সেই নম্বরটি টুকে রাখার জন্য। উনি হয়তো কিভাবে তার সাথে যোগাযোগ করবেন, সে দুশ্চিন্তায় কাতর। বিমানবালা জানালেন, তিনি ইতোমধ্যে সেই নম্বরটির ছবি তুলে স্ক্রীনশট যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে মেইল করে দিয়েছেন।

উনি আমাকে আরও বললেন তাকে আশ্বস্ত করতে যে প্লেন ল্যান্ড করার পর তাদের গ্রাউন্ডস্টাফ তাকে নিয়ে যেভাবেই হোক তার আত্মীয়ের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিবেন। এয়ারপোর্টে অনুবাদক থাকবে, তাই তাকে বুঝতে ও বুঝাতে কোন অসুবিধে হবেনা। আমি তাকে সেই কথাটি বুঝিয়ে বললাম, কিন্তু উনি দৃশ্যতঃ আনইম্প্রেসড! বিড়বিড় করে বললেন, ‘আমি কাইল সকালে ঢাকায় ফেরত যামু গা’। যদিও তখন দিন ছিল, প্লেনের ব্লাইন্ড নামানো থাকার কারণে উনি ভেবেছিলেন তখন রাত্রি। তারপর বিমানবালার দিকে তাকিয়ে বললেন, “আমার খুদা পাইছে, আমারে রুটি দাও”। আমি কথাটা অনুবাদ করে দিলাম। বিমানবালা আমাকে বলতে বললেন, তাদের কাছে কোন রুটি নেই, তবে বার্গার, চিকেন এন্ড রাইস, ফিস এন্ড রাইস ইত্যাদি আছে। আমি অনুবাদ করে দেয়াতে তিনি চিকেন চাইলেন। আমি আসনে ফিরে আসার আগে বিমানবালাকে বললাম, Probably she is not in the correct frame of mind for some reasons. So, as a sensitive passenger she might need special handling। বিমানবালা সম্মতিসূচক মাথা নাড়লেন।

অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্যাথে প্যাসিফিক এর সাথে সাথে আমাকেও এমন একটি অনাকাঙ্খিত সমস্যার সাথে জড়িত হতে হলো, তবে আমি সাধ্যমত চেষ্টা করেছি যেন উভয়ের সাহায্যে আসতে পারি। আসনে ফিরে এসেও আমি লক্ষ্য রাখছিলাম, পরবর্তীতে কী হয়, তা দেখার জন্য। প্রধান কেবিন ক্রু চরম ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিচ্ছিলেন এবং তাকে সাহায্য করার জন্য অন্যান্য বিমানবালারাও মহিলাকে সন্তুষ্ট করার লক্ষ্যে নানারকমের কুকিজ, চকলেট এবং ড্রিঙ্কস সামনে মেলে ধরছিলেন। অবশেষে তাদের বিনয় ও সুআচরণ জয়ী হয়েছিল, মহিলা আস্তে আস্তে তার আসনে গিয়ে বসেছিলেন। বিমানবালা ফিরে এসে পুনরায় মাথা নীচু করে আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে গেলেন। এমনকি JFK বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর যখন আমি বের হচ্ছিলাম, তখনও আরেকবার তিনি আমার সামনে এসে ঘটনাটির উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন।

এভাবেই নানা রকমের অভিজ্ঞতার মাঝ দিয়ে আমাদের আকাশযাত্রা প্রায় শেষ হয়ে এলো। ক্যাপ্টেন একসময় ফ্লাইট অবতরণের নোটিশ দিলেন। বিমানবালারা এসে সীটবেল্ট চেক করে ব্লাইন্ড ওঠাতে বললেন। অবতরণের সময় আমি ঝটপট কয়েকটা ছবি তুলে নিলাম। ছকে বাঁধা ক্রম অনুযায়ী একের পর এক পর্যায় পার হয়ে একসময় ইমিগ্রেশন অফিসারের সম্মুখীন হ’লাম। তিনি একজন ভারতীয় বংশোদভূত মহিলা ছিলেন। আমার দিকে কয়েকবার তাকিয়ে তিনি মাথার ক্যাপ সরাতে ও চশমা খুলতে বললেন। তার পাশে থাকা ক্যামেরায় চোখমুখের ছবি তুলে নিয়ে এবং কয়েকটি গৎবাধা প্রশ্ন করে পাসপোর্টে সীল দিয়ে দিলেন। ব্যাগেজ কালেকশন পয়েন্টে এসে দেখি আমার দুটি লাগেজের মধ্যে একটি কে যেন নামিয়ে রেখেছে। অপরটি যখন খুঁজছি, তখন একজন মহিলা পুলিশ (NYPD) এসে আমাকে জানালেন যে তারা একজন যাত্রীকে নিয়ে কিছুটা অসুবিধায় আছেন। আমি তাদেরকে একটু সাহায্য করতে পারি কিনা, তাদের হয়ে কিছু কথা অনুবাদ করে দিতে। আমি রাজী হ’লাম। তার সাথে গিয়ে দেখি প্লেনের সেই মহিলা সেখানে দাঁড়িয়ে আছেন।

পুলিশ তার কাছে পাসপোর্ট চাইছে, কিন্তু তিনি দেখাচ্ছেন না। আমি তাকে বললাম, উনি একজন পুলিশ অফিসার, আপনাকে সাহায্য করতে চাইছেন। আপনার পাসপোর্ট দেখতে চাইছেন, দেখান। তিনি বিড়বিড় করে বললেন, “প্লেনে যখন উঠছি, পাসপোর্ট তো আছেই। পাসপোর্ট ছাড়া কি হ্যারা আমারে প্লেনে উঠতে দিত”? এই বলে তিনি ব্যাগ থেকে বের করে পাসপোর্ট দেখালেন। পুলিশ তখন তাকে তার সাথে যেতে বললেন। মহিলা রেগে গিয়ে চীৎকার করে বললেন, “তরা আমারে মাইরালাবি? মাইরালা। কর, গুলি কর’! আমি আর এ কথাগুলো পুলিশকে বললাম না, পুলিশও জানতে চাইলো না তিনি কী বললেন। তবে পুলিশ দৃঢ়কণ্ঠে আমাকে তাকে বুঝিয়ে বলতে বললেন, “Tell her she doesn’t at all need to scream, that’s absolutely unnecessary”। আমি কথাটি মহিলাকে যেমন বুঝিয়ে বললাম, তেমনি পুলিশকেও বললাম সেই কথাটি, যেটি আমি বিমানবালাকে বলেছিলাম। পুলিশের পিছে পিছে মহিলা চলে গেলেন, আমি ফিরে এসে আমার বাকি লাগেজটি সংগ্রহ করে বহির্গমন গেইটের দিকে অগ্রসর হতে থাকলাম।

মনে মনে সেই মহিলার কথা ভেবে মায়া হচ্ছিল। না জানি তিনি কার কাছে যাবার জন্য প্লেনে উঠেছিলেন। কারা তাকে এভাবে একাকী ভ্রমণের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন! পুলিশের কাছেও মহিলা বারবার ঢাকা ফেরত যাবার কথা বলছিলেন। একবার তার বুকে ব্যথা ওঠার কথাও বলেছিলেন। হয়তো তার শারীরিক ব্যথার পেছনে বুকের গহীনে আরও অন্য অনেক ব্যথাও লুকায়িত ছিল, কে জানে!


নিউ ইয়র্ক, ইউএসএ
১৩ মে ২০২৪
শব্দ সংখ্যাঃ ১৩২৮


Almost at half distance, on flight CX830.


Atka, an island on the Pacific Ocean enroute our destination.


View from my window side seat, at an altitude of 37000+ feet.


Approaching JFK runway, @13:01, 10 May 2024.


Approaching JFK runway, @13:02, 10 May 2024.


Approaching JFK runway, @13:03, 10 May 2024.

মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০২৪ রাত ৯:১৯

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া........

ভ্রমন কাহিনীর প্লেন যাত্রাটুকু পড়ে মুগ্ধ হলাম!!! :)

১৫ ই মে, ২০২৪ রাত ৯:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: আশাকরি, এর পূর্বের পর্বটাও পড়বেন। পোস্ট খোঁজার সুবিধার্থে লিঙ্ক যোগ করে দিয়েছি।
মন্তব্য ও প্লাসের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

২| ১৫ ই মে, ২০২৪ রাত ৯:২৩

গেঁয়ো ভূত বলেছেন: চমৎকার সুখপাঠ্য লিখাটি পড়ে দারুন ভাল লাগলো। একদিকে পড়ে মজা পেলাম আবার অন্যদিকে মহিলার দুরাবস্থা দেখে খারাপও লাগলো।

আপনার সুসাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। অনেক অনেক ভাল থাকবেন

১৬ ই মে, ২০২৪ সকাল ১০:০৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: "একদিকে পড়ে মজা পেলাম আবার অন্যদিকে মহিলার দুরাবস্থা দেখে খারাপও লাগলো" - জ্বী, দুটো অনুভূতিই জেনুইন।
পোস্টে প্রশংসা ও 'লাইক' পেয়ে কৃতার্থ বোধ করছি।

৩| ১৫ ই মে, ২০২৪ রাত ৯:৫০

ঢাকার লোক বলেছেন: বরাবরের মতই সুন্দর লিখেছেন। বয়স্ক অল্প শিক্ষিত মহিলাদের এভাবে একা পাঠানো ঠিক না। আপনার সহৃদয় সহযোগিতা উক্ত মহিলাকে যেমন সাহায্য করেছে বিমানের ত্রুদের জন্যও হয়েছে হেল্পফুল। আশা করি ওই মহিলা তার আত্মীয়র কাছে ঠিক মতো পৌঁছাতে পেরেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে ! আপনাদের নিউ ইয়র্ক ভ্রমণ নিরাপদ ও আনন্দময় হোক, এই কামনা !

১৬ ই মে, ২০২৪ বিকাল ৫:০৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: "আশা করি ওই মহিলা তার আত্মীয়র কাছে ঠিক মতো পৌঁছাতে পেরেছেন" - আমিও সেটাই আশা করছি। তবে মহিলার মানসিক ভারসাম্যের ব্যাপারে আমার মনে কিছুটা সন্দেহের জন্ম হয়েছে। উনি যদি জিজ্ঞাসাকারীদের সাথে সহযোগিতে না করে দুর্ব্যবহার করেন, তাহলে বিরূপ অনেক কিছুই ঘটতে পারে। আর সহযোগিতে করলে অবশ্যই কর্তৃপক্ষ অতি সহজেই তার আত্মীয়কে খুঁজে বের করে যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারবেন।
আমার নিউ ইয়র্ক ভ্রমণ সংক্রান্ত উভয় পোস্টে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

৪| ১৫ ই মে, ২০২৪ রাত ১০:০৬

শায়মা বলেছেন: অবশ্যই এর আগেরটাও পড়বো!!! :)

লিঙ্ক দেবার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া! :০

১৬ ই মে, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৪১

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক, অনেক ধন্যবাদ। প্রীত হ'লাম।

৫| ১৫ ই মে, ২০২৪ রাত ১০:১০

শ্রাবণধারা বলেছেন: এই পর্বটা বেশি আনন্দদায়ক হয়েছে। যদিও বুঝতে পারছি পাঠকের জন্য যা আনন্দদায়ক, আপনার জন্য তা নিশ্চয়ই ঠিক আনন্দের বিষয় ছিল না। বিশেষ করে এই জায়গাটা পড়ে অনকেক্ষণ হাসলাম "তরা আমারে মাইরালাবি? মাইরালা। কর, গুলি কর"।

নিউ ইয়র্ক এয়ারপোর্ট পুলিশের সাথে সাথে আপনাকেও নিশ্চয়ই কিছুটা ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়েছে।

১৭ ই মে, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:২৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: "নিউ ইয়র্ক এয়ারপোর্ট পুলিশের সাথে সাথে আপনাকেও নিশ্চয়ই কিছুটা ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়েছে" - হ্যা, তা হয়েছে বৈকি। আমার কাছে মহিলাকে তার আচরণ দেখে কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন বলে মনে হয়েছে। অবশ্য ডাক্তারি সনদপত্র দেখা ছাড়া এমন কথাটা বলা হয়তো সমীচীন হলোনা। এটা নেহায়েতই আমার ব্যক্তিগত অভিমত।

তিনি যদি তা হয়েও থাকেন, আমার বিশ্বাস যে নিউ ইয়র্ক এয়ারপোর্ট পুলিশ তাকে সর্বাত্মক সাহায্য সহযগিতা করবে, যদি তারা সেটা বুঝতে পারে এবং মহিলা তাদেরকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করে থাকেন।

৬| ১৫ ই মে, ২০২৪ রাত ১০:২৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: মাত্র ত্রিশ মিনিটের মধ্যে নিউ ইয়র্কগামী সকল যাত্রীর ট্রান্সফার সুসম্পন্ন হলো।

যাক হাফ ছেড়ে বাঁচলাম যে কানেক্টিং ফ্লাইট মিস হয়নাই। তবে এই যে ত্রিশ মিনিটে সকল যাত্রী ট্রান্সফার ব্যাপারটা ভালো লাগছে।

অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্যাথে প্যাসিফিক এর সাথে সাথে আমাকেও এমন একটি অনাকাঙ্খিত সমস্যার সাথে জড়িত হতে হলো।
পুরো ঘটনাটাই কেমন অস্বস্তিকর লাগলো পড়তে, আপনার মানসিক অবস্থা ও বুঝতে পারছিলাম।

মনে মনে সেই মহিলার কথা ভেবে মায়া হচ্ছিল। না জানি তিনি কার কাছে যাবার জন্য প্লেনে উঠেছিলেন। কারা তাকে এভাবে একাকী ভ্রমণের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন! পুলিশের কাছেও মহিলা বারবার ঢাকা ফেরত যাবার কথা বলছিলেন। একবার তার বুকে ব্যথা ওঠার কথাও বলেছিলেন। হয়তো তার শারীরিক ব্যথার পেছনে বুকের গহীনে আরও অন্য অনেক ব্যথাও লুকায়িত ছিল, কে জানে!



ভ্রমণে এভাবে মনিটরে যাত্রাপথ দেখতে আমার বেশ লাগে।


প্রথম পর্বে যে আশা ব্যাক্ত করেছিলাম, বেশ ভালভাবেই তার মান রেখেছেন এত চমৎকার ভাবে সুলিখিত একটা পর্ব দিয়ে।

ধন্যবাদ আমাদের কে আপনার ভ্রমণ সঙ্গী করার জন্য।

১৮ ই মে, ২০২৪ রাত ১:৩৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: "যাক হাফ ছেড়ে বাঁচলাম যে কানেক্টিং ফ্লাইট মিস হয়নাই" - কানেক্টিং ফ্লাইটে বোর্ডিং এর পর আমারও ঠিক এরকমই মনে হচ্ছিল, "যাক হাফ ছেড়ে বাঁচলাম!"
অত্যন্ত প্রেরণাদায়ক মন্তব্য এবং লাইক এর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

৭| ১৫ ই মে, ২০২৪ রাত ১০:৪০

কামাল১৮ বলেছেন: সুন্দর অভিজ্ঞতা যে য়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

১৮ ই মে, ২০২৪ সকাল ৭:৩২

খায়রুল আহসান বলেছেন: পোস্ট পাঠ এবং মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

৮| ১৫ ই মে, ২০২৪ রাত ১০:৪৪

কামাল১৮ বলেছেন: শেয়ার হয়ে গেছে যে যার।

১৮ ই মে, ২০২৪ সকাল ১০:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: সহজেই বুঝতে পেরেছি সেটা।

৯| ১৫ ই মে, ২০২৪ রাত ১১:০৮

মুসাফির নামা বলেছেন: সুন্দর ও সাবলীল বর্ণণা,সাথে দারুণ কিছু ছবি। অসাধারণ!

১৮ ই মে, ২০২৪ বিকাল ৩:৫২

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, এতটা উদার প্রশংসার জন্য।
মন্তব্যে প্রীত ও প্রাণিত হ'লাম।
শুভকামনা....

১০| ১৫ ই মে, ২০২৪ রাত ১১:১৩

শেরজা তপন বলেছেন: হংকং বিমানবন্দরে আমি একবার বেশ বিপদে পড়েছিলাম- তখন এক পাকিস্তানি নিরক্ষর মহিলাকে সাহায্য করতে হয়েছিল।
ভেবেছিলাম আপনি কানেক্টিং ফ্লাইট ফেইল করবেন- যাক এযাত্রায় বেঁচে গেছেন। আপনার উল্লেখিত সেই ভদ্রমহিলার কপালে কি দুর্গতি আছে কে জানে?
ছবি সহ ভ্রমনের খুঁটিনাটি উল্লেখ মুগ্ধ হয়ে পড়লাম। সামনের দিনগুলো সুন্দর ও আনন্দময় কাটুক।

১৮ ই মে, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:০২

খায়রুল আহসান বলেছেন: "ভেবেছিলাম আপনি কানেক্টিং ফ্লাইট ফেইল করবেন- যাক এযাত্রায় বেঁচে গেছেন" - :)

"আপনার উল্লেখিত সেই ভদ্রমহিলার কপালে কি দুর্গতি আছে কে জানে?" - আমার কাছে মহিলাকে তার আচরণ দেখে কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন বলে মনে হয়েছে। অবশ্য ডাক্তারি সনদপত্র দেখা ছাড়া এমন কথাটা বলা হয়তো সমীচীন হলোনা। এটা নেহায়েতই আমার ব্যক্তিগত অভিমত। আর তিনি যদি তা হয়েও থাকেন, আমার বিশ্বাস যে নিউ ইয়র্ক এয়ারপোর্ট পুলিশ তাকে সর্বাত্মক সাহায্য সহযোগিতা করবে, যদি তারা সেটা বুঝতে পারে এবং মহিলা তাদেরকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করে থাকেন। অন্যথায়, কপালে দুর্গতি থাকাটা অবশ্যম্ভাবী। তবে তার আগে মনে প্রশ্ন জাগে, এমন একজন মহিলাকে এতটা পথ পাড়ি দেয়ার পেছনে কে সাহায্য করলো এবং তিনি কিভাবে এতটা পথ একাকী অগ্রসর হতে পারলেন?

১১| ১৬ ই মে, ২০২৪ রাত ১২:০৯

করুণাধারা বলেছেন: আপনার ভ্রমণ বৃত্তান্ত নিয়ে ভাববো নাকি সেই মহিলার কথা ভাববো সেটা ভেবে ঠিক করতে পারছিনা!! মহিলার কথা না ভেবে পারছিনা। এমন একজন মহিলা, যিনি কারো কথা বুঝতে পারেন না বা যার কথা কেউ বুঝতে পারে না তাকে কে প্লেনে তুলে দিল! তাঁর শেষ পর্যন্ত কি হলো কে জানে!!

আপনার ভ্রমণ বৃত্তান্ত ভালো লাগলো। মাত্র তিরিশ মিনিটের মধ্যে সকল যাত্রীকে প্লেনে তুলে দিতে পারলো!!

খাবার নিয়ে কোনো বিড়ম্বনা হয়নি, আমি এটা দেখার অপেক্ষায় ছিলাম। এবারের ছবিগুলো চমৎকার।

যাত্রা শেষ। এবার নিউইয়র্কের কাহিনীর অপেক্ষায় রইলাম।

১৯ শে মে, ২০২৪ সকাল ১০:০৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: "এমন একজন মহিলা, যিনি কারো কথা বুঝতে পারেন না বা যার কথা কেউ বুঝতে পারে না তাকে কে প্লেনে তুলে দিল!" - আমারও প্রশ্ন সেটাই। এছাড়া আমার কাছে সেই মহিলাকে কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন বলেও মনে হয়েছিল। এমতাবস্থায় কে বা কারা তাকে সেরকম একটা এ্যাডভেঞ্চারে পাঠিয়েছিল, সেটাই চিন্তার বিষয়। প্লেনের অভ্যন্তরে বিমানবালারা আর এ্যারাইভাল লাউঞ্জে এয়ারপোর্ট পুলিশ তার সাথে আচরণে যথেষ্ট ধৈর্য্য, বিনয় আর সহযোগিতার পরিচয় দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত তার কী হয়েছিল তা জানিনা, তবে আশা করছি সকলের সহযোগিতায় তিনি এ যাত্রায় হয়তো পার পেয়ে যাবেন।
না, খাবার নিয়ে কোনই বিড়ম্বনা হয়নি। এ ব্যাপারে কেবিন ক্রুগণ যথেষ্ট যত্নবান ছিলেন। তবে একই খাবার দু'বার খেতে হয়েছে, এটুকুতেই সামান্য আপত্তি ছিল। যাক, সেটা নিশ্চয়ই বড় কিছু নয়।

১২| ১৬ ই মে, ২০২৪ রাত ১২:৪৪

অহরহ বলেছেন: I lost myself in a dream of live broadcast while reading. Thanks, nice presentation.... @ Bhaiaa.

১৯ শে মে, ২০২৪ বিকাল ৪:৪২

খায়রুল আহসান বলেছেন: Thank you for the kind appreciation.

১৩| ১৬ ই মে, ২০২৪ রাত ২:৪১

রোকসানা লেইস বলেছেন: ভালোলাগল আপনার ভলানটারি করার অভিজ্ঞতা।
আমার এ রকম অভিজ্ঞতা হয়েছিল থাই এয়াপোর্টে।
আসলে প্লেনের ক্রুদের কত রকম অভিজ্ঞতার সম্মুখিন হতে হয় ভাবতেও রোমাঞ্চিত হই। এই গল্পগুলো আমরা খুব কম জানতে পারি।

১৯ শে মে, ২০২৪ বিকাল ৫:৪৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: "আসলে প্লেনের ক্রুদের কত রকম অভিজ্ঞতার সম্মুখিন হতে হয় ভাবতেও রোমাঞ্চিত হই। এই গল্পগুলো আমরা খুব কম জানতে পারি" - জ্বী, বিচিত্র অভিজ্ঞতায় ভরা থাকে তাদের কর্মজীবন।
থাই এয়াপোর্টে আপনার অভিজ্ঞতাটি কেমন ছিল? এ নিয়ে কি কোন পোস্ট লিখেছিলেন? লিখে থাকলে লিঙ্ক দিন।

১৪| ১৬ ই মে, ২০২৪ সকাল ৮:১৬

নীল-দর্পণ বলেছেন: আমিতো টেনশন নিয়ে পড়ছিলাম ফ্লাইট বুঝি মিস হয়েই গেল আপনাদের এই ভেবে!
ভদ্রমহিলার কথা ভেবে মনটা খারাপ হয়ে গেল…কেমন পরিস্থিতিতে এমন একজনকে এত দূরের পথ একা যেতে হয়, কতটা মানসিক কষ্টে আছেন কে জানে।

১৯ শে মে, ২০২৪ রাত ৮:১৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: "আমিতো টেনশন নিয়ে পড়ছিলাম ফ্লাইট বুঝি মিস হয়েই গেল আপনাদের এই ভেবে!" - ফ্লাইট মিস হয়ে যাবার কথাই ছিল; কিন্তু ক্যাথে প্যাসিফিক এয়ারলাইন্স এর দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে এ যাত্রায় সেই বিরাট হয়রানি-পেরেশানি থেকে বেঁচে গিয়েছি।

"ভদ্রমহিলার কথা ভেবে মনটা খারাপ হয়ে গেল…কেমন পরিস্থিতিতে এমন একজনকে এত দূরের পথ একা যেতে হয়...." - সেটাই, আমারও ভাবনা ছিল সেটাই।

মন্তব্য ও লাইক এর জন্য ধন্যবাদ।

১৫| ১৬ ই মে, ২০২৪ সকাল ১১:৩৬

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: এই মহিলাকে কেন একা ছেড়ে দিল কে জানে। মনটা খারাপ হলো উনার কথা ভেবে।

সুন্দর ভ্রমণ পোস্ট

২০ শে মে, ২০২৪ সকাল ৯:৩৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: সেই মহিলার আচরণ দেখে আমার কাছে তাকে কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন বলে মনে হয়েছে। এটা নেহায়েতই আমার ব্যক্তিগত অভিমত। আর তিনি যদি তা হয়েও থাকেন, আমার বিশ্বাস যে নিউ ইয়র্ক এয়ারপোর্ট পুলিশ তাকে সর্বাত্মক সাহায্য সহযোগিতা করবে, যদি তারা সেটা বুঝতে পারে এবং মহিলা তাদেরকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করে থাকেন। অন্যথায়, কপালে দুর্গতি থাকাটা অবশ্যম্ভাবী। তবে আমারও মনে প্রশ্ন জেগেছে, এমন একজন ভারসাম্যহীন মহিলাকে এতটা পথ পাড়ি দেয়ার পেছনে কে সাহায্য করলো এবং তিনি কিভাবে এতটা পথ একাকী অগ্রসর হতে পারলেন?

১৬| ১৬ ই মে, ২০২৪ সকাল ১১:৫১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:


চাকুরি জীবনে দেশের সেবা করার সুযোগ কতটুকু পেয়েছিলেন, পারলে আলাদাভাবে জানাবেন। অন্তত আমাদের একজন সহব্লগারের জন্য! কিন্তু ভ্রমণেও আপনি দেশের সেবা করেছেন, সেটার নমুনা দেখলাম। এটি আমার মতো অনেকের জন্য প্রশান্তির বিষয়। যা হোক, আনন্দময় হোক আপনার মার্কিন ভ্রমণ।

২০ শে মে, ২০২৪ বিকাল ৫:২৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
চাকুরি জীবনের কথা ব্লগে শেয়ার করতে চাই না। সেসব অভিজ্ঞতা থেকে যেসব শিক্ষণীয় বিষয় মনে ধারণ করেছি, তার কিছু কিছু নির্যাস এমনিতেই লেখায় চলে আসে। কথা প্রসঙ্গে কোন কথা চলে এলে সেটা মাঝে মাঝে বলে ফেলি। চাকুরি জীবনে দেশের সেবা করার সুযোগ কতটুকু পেয়েছি, তা বলতে গেলে হয়তো নিজের ঢাক-ঢোল নিজে পেটানোর মত শোনাবে।
শুভকামনায় প্রীত।

১৭| ১৬ ই মে, ২০২৪ রাত ৮:০১

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: বরাবরের মতো যে আরেকটা ভ্রমণ সিরিজ পাচ্ছি তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার যাত্রা শুব হউক। এই সিরিজের সাথে থাকতে থাকতে আরো কিছু জানতে পারবো আপনার চোখ দিয়ে। কিন্তু অসহায় যাত্রীটির বিষয়টা যদিও ভাবাচ্ছে। পরের পর্বে যদিও ওনার বিষয়ে কিছুই জানা সম্ভব না তার জন্য দোয়া রইল। আপনিও আমার জন্য দোয়ায় স্বরণ রাখবেন।

২১ শে মে, ২০২৪ বিকাল ৪:৪১

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেকদিন পরে আপনি আমার কোন পোস্টে এলেন। প্রত্যাবর্তনে সুস্বাগতম!
পোস্ট পড়ে 'অসহায় যাত্রীটির' কথা আপনি ভেবেছেন, এটা জেনে ভালো লাগল; প্রীত হ'লাম।
সিরিজের সাথে থাকবেন।
দোয়া ও শুভকামনা নিরন্তর।

১৮| ১৮ ই মে, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:১১

অধীতি বলেছেন: ওই মহিলার কথা ভেবে মন খারাপ হলো। বেচারী কি অসুবিধায় না পড়েছে। আপনার ভ্রমন যাত্রায় কাল্পনিক সঙ্গী হতে পেরে ভালই লাগছে।

২১ শে মে, ২০২৪ রাত ৮:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: "আপনার ভ্রমন যাত্রায় কাল্পনিক সঙ্গী হতে পেরে ভালই লাগছে" - সঙ্গী হবার জন্য ধন্যবাদ।
আর সে বেচারীর অসুবিধার ভাবনাগুলো মন থেকে যাচ্ছেই না!

১৯| ১৯ শে মে, ২০২৪ রাত ১২:২২

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: উক্ত মহিলাটি হয়তো পারিবারিক কোন ঝামেলায় পড়ে মানসিক ভারসম্যহীনতায় ভুগছে।

ওহ ভালো কথা, হুইল চেয়ারের সেই মহিলাটার কি হইলো? যার মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলছিলেন ঢাকা থেকে? মাত্র ৩০ মিনিটে তাকে কিভাবে কানেক্টিং ফ্লাইট ধরালেন?

২১ শে মে, ২০২৪ রাত ১০:২৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: "উক্ত মহিলাটি হয়তো পারিবারিক কোন ঝামেলায় পড়ে মানসিক ভারসম্যহীনতায় ভুগছে" - ঠিক বলেছেন। আমারও সেরকমটিই মনে হয়েছে।

ঢাকা বিমানবন্দরের বোর্ডিং লাউঞ্জে বসে পরিচিত হওয়া হুইল চেয়ারে উপবিষ্ট সেই মহিলার সাথে শেষ দেখা হয়েছিল জে এফ কে'র ব্যাগেজ কালেকশন পয়েন্টে। শেষ দেখা হওয়ার সময় তিনি হাসিমুখে আমাদেরকে 'বাই বাই' জানিয়ে বিদায় নিয়েছিলেন। তার ছেলের বিমানবন্দরে আসার কথা ছিল তাকে নিয়ে যাবার জন্য।

"মাত্র ৩০ মিনিটে তাকে কিভাবে কানেক্টিং ফ্লাইট ধরালেন?" - আমার কিছুই করতে হয় নি, শুধু তার কাছাকাছি থেকে হাঁটা ছাড়া, যেন দৃষ্টির আড়ালে তিনি চলে না যান। বাকিটা যা করার ছিল, তা হংকং বিমানবন্দরে ক্যাথে প্যাসিফিক এর স্টাফরাই করেছিল।

পোস্টের প্রথম পর্ব পড়ে সেই মহিলার এবং তার মেয়ের কথা স্মরণে রেখেছেন জেনে প্রীত হ'লাম, এবং দ্বিতীয় পর্বটা পড়ে তার কথা জিজ্ঞেস করাতে বলতেই হয়, একটু pleasantly surprised হ'লাম। ধন্যবাদ।

২০| ১৯ শে মে, ২০২৪ সকাল ১০:২২

অপু তানভীর বলেছেন: যাক, প্লেন যে মিস হয় নি সেটাই সব থেকে বড় কথা । তবে এটা আমাদের দেশের কোন এয়ারপোর্ট হত তাহলে নিশ্চিত প্লেন মিস হয়ে যেত!

২২ শে মে, ২০২৪ সকাল ১০:০৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: "যাক, প্লেন যে মিস হয় নি সেটাই সব থেকে বড় কথা" - জ্বী, আলহামদুলিল্লাহ!
"তবে এটা আমাদের দেশের কোন এয়ারপোর্ট হত তাহলে নিশ্চিত প্লেন মিস হয়ে যেত!" - এ কথাটা প্রায় নিশ্চিতভাবেই বলা যায় আমাদের দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোর ক্ষেত্রে।

মন্তব্য এবং 'লাইক' এর জন্য অশেষ ধন্যবাদ জানবেন।

২১| ১৯ শে মে, ২০২৪ রাত ৮:০৯

একলব্য২১ বলেছেন: অফ লাইনে থেকেই ২টি পর্বই পড়লাম। আনন্দের সাথে আপনার লেখা পড়লাম। সময়টা ভাল কাটলো। ধন্যবাদ, লাইক ও কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য লগ ইন করলাম। পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকবো।

২২ শে মে, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:২১

খায়রুল আহসান বলেছেন: "আনন্দের সাথে আপনার লেখা পড়লাম। সময়টা ভাল কাটলো। ধন্যবাদ, লাইক ও কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য লগ ইন করলাম" - এমন মন্তব্য পড়ে আমিও খুবই আনন্দিত।
আপনি সাধারণতঃ মন্তব্য করেন খুব কম, যদিও পোস্ট পড়েন হয়তো বা অনেক। তার পরেও আপনি আমার এই পোস্টে এসে এমন একটি প্রেরণাদায়ক মন্তব্য রেখে গেলেন, এজন্য আপনাকে জানাচ্ছি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

"পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকবো" - পরের পর্ব লিখার সময় পাচ্ছি না। আবার যখন কিছুটা সময় পাই, তখন লিখতে ইচ্ছে করে না। বিশেষ করে কোন ছবি পোস্ট করার সময় খুবই বিরক্ত বোধ করি। তবুও চেষ্টা করছি, শীঘ্রই নিউ ইয়র্ক সফর নিয়ে আরও কিছু লিখতে।

২২| ২১ শে মে, ২০২৪ বিকাল ৫:১৭

মিরোরডডল বলেছেন:




কি বলবো!!! ভদ্রমহিলার কথা শুনে আমি সত্যি অবাক হলাম, বিষয়টা খুব অমানবিক।
পরিবারের যে বা যারা তাকে বাংলাদেশ থেকে তুলে দিয়েছে তারা কোন লেভেলের উজবুক, কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন!!
এরকম প্যাসেঞ্জারকে ফুল এসিস্ট্যান্স দিয়ে আনতে হয়, সকল এয়ারলাইন্সে এই অপশন আছে।
ভদ্রমহিলার করুণ অবস্থার কথা চিন্তা করে মায়া লাগছে।
Anyway, you did good job.

২২ শে মে, ২০২৪ রাত ৯:২৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: "বিষয়টা খুব অমানবিক" - ইচ্ছাকৃত হলে তো অবশ্যই তা অমানবিক। আমার মনে হয়, যারা এ কাজটি করেছেন, তারা মহিলার কাছ থেকে কোন রকমে অব্যাহতি পাবার জন্যেই এমন কাজটি করেছেন।
"ভদ্রমহিলার করুণ অবস্থার কথা চিন্তা করে মায়া লাগছে" - আমারও।
"Anyway, you did good job" - মেনি থ্যাঙ্কস।

২৩| ২১ শে মে, ২০২৪ বিকাল ৫:৩৩

মিরোরডডল বলেছেন:





আমি এরকম দুইবার ফেইস করেছি, একবার সিডনি থেকে ঢাকা যাবার সময়, আরেকবার ঢাকা থেকে সিডনি।
সিনিয়র ভদ্রমহিলা একা ট্র্যাভেল করছেন, দুইবারই সেইম ঘটনা। ভাষার সীমাবদ্ধতা, আর লাগেজ হ্যান্ডেল করা।
মা খালাদের বয়সী অথচ চোখে মুখে কি আতংক!

দেখলেই মায়া লাগে। খুব স্বাভাবিক, এমনটা দেখেই আমি এগিয়ে যাই।
তারপর অল দ্যা ওয়ে সাথে থেকে, ট্রানজিটে গাইড করা, লাগেজ ক্যারি করা যতটা পসিবল হয়েছে করেছি।
এয়ারপোর্ট পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে তারপর আমি আমার পথে।

যে কোন সিনিয়র সিটিজেন যাদের সীমাবদ্ধতা আছে, তাদের সোলো ট্র্যাভেল করার সময় ফ্যামিলি মেম্বারদের সচেতন হওয়া উচিত। এভাবে ছেড়ে দিতে হয়না। স্ট্রেস থেকেইতো ওরা অসুস্থ হয়ে যায়।


২২ শে মে, ২০২৪ রাত ১০:২৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: "তারপর অল দ্যা ওয়ে সাথে থেকে, ট্রানজিটে গাইড করা, লাগেজ ক্যারি করা যতটা পসিবল হয়েছে করেছি। এয়ারপোর্ট পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে তারপর আমি আমার পথে" - খুব ভালো কাজ করেছেন। এটাই মানবিক আচরণ, যা (নিতান্ত অপারগতা না থাকলে) প্রতিটি সভ্য মানুষের কাছ থেকে কাম্য।

প্রথম পর্বটাতে বলার কিছু নেই?

২৪| ২১ শে মে, ২০২৪ রাত ৮:২৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



বাহ হংকং এয়ারপোষ্টের যাত্রী সহায়তাকারীর কথামালা ভাল লাগল ।
“sir, we are running behind schedule; just take a little longer and quicker steps”.
সকল এয়ারপোর্টে এমন যাত্রী সহায়তাকারী থাকলে ভাল হত ।

অপরদিকে নিউ ইয়র্ক এয়ারপোর্টের পুলিশের বলা কথাটিউ বেশ প্রনিধানযোগ্য -
Tell her she doesn’t at all need to scream, that’s absolutely unnecessary”
অপ্রযোজনীয় কথা সকলের কাছেই শুনতে খারাপ লাগে ।
কিছু কিছু জায়গা আছে যেখানে শুধু প্রয়োজনীয় কথাটাই বলতে হয় ।
অনেকে সেটা বুঝেও অবুঝের মত কাজ করে। তবে বয়স্ক বৃদ্ধদের কথা আলাদা।
বয়সকালে মানুষ এর মন মেজাজ স্বাভাবিক ভাবেই বাৎসল্যসুলভ হয়ে যায়।
তাদের প্রতি পুলিশের কোন কটাক্ষও কোন প্রকারে কাম্য নয় । কারণ
পুলিশদেরকে মানুষের বয়সভিত্তিক মনস্তাত্বিক প্রশিক্ষনও দেয়া হয় ।
কারণ পুলিশকে হতে হয় মানুষের বন্ধূ (অবশ্য দুস্কৃতি কারীদের জন্য
নয় )। অবশ্য সে দেশের কিছু পুলিশের বর্ণবাদী আচরণও কম নয়।

আপনার আকাশ পথে হংকং থেকে এখান পর্যন্ত কাহিনী পাঠে ও
বিমান হতে তোলা ছবি দেখে ভাল লাগল ।

মুল গন্তব্যে পৌঁছানোর পরে দেয়া পোষ্টে বাকী খবরাখবর জানার জন্য
উৎসুক হয়ে রইলাম ।

শুভেচ্ছা রইল

২৩ শে মে, ২০২৪ সকাল ৯:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: "বয়সকালে মানুষ এর মন মেজাজ স্বাভাবিক ভাবেই বাৎসল্যসুলভ হয়ে যায়। তাদের প্রতি পুলিশের কোন কটাক্ষও কোন প্রকারে কাম্য নয়" - জ্বী, ঠিক বলেছেন। তবে আমার সাথে কথা বলার আগেও উক্ত পুলিশ অফিসার একাই মহিলার সাথে কথা বলে কমিউনিকেট করতে চেয়েছিলেন। তখন হয়তো তিনি মহিলার কথা বার্তায় বা আচার আচরণে বিরক্ত বা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন।

বাকি খবরাখবর দিয়ে একটা পোস্ট সাজাতে চেষ্টা করছি, কিন্তু সেটা হয়তো অনেকটা ব্যক্তিগত রোজনামচার মত শোনাবে, যা অনেক পাঠকই শুনতে পছন্দ করবেন না। তাই এ নিয়ে একটু দ্বিধা-সংশয়ে আছি। ।

২৫| ২৪ শে মে, ২০২৪ সকাল ১০:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান ,




১ পর্বে উল্লেখ করা হুইলচেয়ারে বসা মহিলা যাত্রীর কথা, যাকে আপনি নিরাপদে তার মেয়ের কাছে (নিউ ইয়র্কে) পৌঁছে দেবেন বলে লিখেছিলেন এই পর্বে
তার কথা দেখলুম না। দেখলুম অন্য এক মহিলা যাত্রীর কথা যার অস্বাভাবিক আচরণের জন্যে খারাপ লাগলো।

যাই হোক, ভ্রমন কাহিনী প্লেনের মতোই বাঁধাহীন উড়াল দিয়েছে। এ পর্বে হয়তো আপনি নিজে নিউ ইয়র্কের মাটিতে পা রেখেছেন কিন্তু আপনার লেখা যেন উড়তেই থাকে............................

২৪ শে মে, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৩৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রথম পর্বে উল্লেখ করা হুইল চেয়ারে উপবিষ্ট সেই মহিলার সাথে শেষ দেখা হয়েছিল জে এফ কে'র ব্যাগেজ কালেকশন পয়েন্টে যাবার পথে। তার ছেলে তাকে নেয়ার জন্য বিমানবন্দরে আসবে বলে তিনি জানিয়েছিলেন। শেষ দেখা হওয়ার সময় তিনি হাসিমুখে আমাদেরকে 'বাই বাই' জানিয়ে বিদায় নিয়েছিলেন।

দ্বিতীয় পর্বে উল্লেখিত অস্বাভাবিক আচরণ করা বয়স্কা মহিলার জন্য কিছুটা চিন্তার অবকাশ রয়ে গেছে বৈকি।

লেখা আপাততঃ উড়ছে না। দেখি, কি করে উড়ানো যায়।

২৬| ০২ রা জুন, ২০২৪ রাত ৯:২৫

সোহানী বলেছেন: তাই নাকি?? আপনি নিউইয়র্ক?? এপারে আসার প্লান আছে???

০৪ ঠা জুন, ২০২৪ দুপুর ১২:১৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: নিউইয়র্ক সফর শেষ করে আমরা ইতোমধ্যে কানাডার রিজাইনা শহরে এসে পোঁছেছি। আপনার সহ অনেকের আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও এবারেও আর টরন্টো এয়ারপোর্ট থেকে বের হওয়া হলোনা। এত লটবহর নিয়ে পথে ট্রাঞ্জিট কোন স্টেশনে নামতে ইচ্ছে হয় না। উন্মুখ হয়ে থাকি, কখন গন্তব্যে পৌঁছবো!

২৭| ০৫ ই জুন, ২০২৪ বিকাল ৪:৪০

সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: অনেক সুন্দর লাগলো ভাই

০৬ ই জুন, ২০২৪ রাত ১:২৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: পোস্ট পাঠ এবং মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন, শুভকামনা....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.