নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

‘স্বর্ণামতি সেতু’ থেকে

৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

আমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে একটা নদী বয়ে গেছে। তার একটা আদুরে নাম আছে, ‘স্বর্ণামতি’। কে, কবে, কেন নদীটির এ নাম দিয়েছে, তা আমার অজানা। তবে নামটি আমার খুবই প্রিয়। এক সময় এটি একটি মোটামুটি বড় নদী ছিল। বাংলাদেশের আর সব অন্যান্য নদীর মত কালের পরিক্রমায় এটাও আজ হারিয়ে যাবার পথে। কেবলমাত্র বর্ষাকাল ছাড়া নদীটিকে এখন আর নদী মনে হয় না, যদিও নদীতে জল সারা বছরই থাকে।

আদিতমারি ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার প্রায় মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে প্রবাহিত এ নদীটিকে আমি ছোটবেলায় আষাঢ় শ্রাবনে বেশ প্রমত্তা হয়ে উঠতে দেখতাম। বহুদিন পরে গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখে আদিতমারি থেকে লালমনিরহাট যাবার পথে নদীটি অতিক্রম করার সময় এটির করুণ দশা দেখে মনটা খারাপ হয়ে গেল। ‘স্বর্ণামতি সেতু’র এক পাশে গাড়ি থেকে নেমে কয়েকটি ছবি তুললাম। তখন পশ্চিমাকাশে সূর্য কেবল অস্ত গিয়েছে। সেতুর একদিকে মাসজিদে আযান ধ্বনিত হচ্ছিল, অপরদিকে বাদ্য-বাজনাসহ আলো জ্বালিয়ে স্বর্ণামতির জলে বিসর্জন দেয়া হচ্ছিল কিছু পূজোর উপকরণ। গ্রাম বাংলায় এখনো উভয় সম্প্রদায়ের সহজ সরল মানসিকতার লোকজন সম্প্রীতির সাথে তাদের ধর্ম কর্ম পালন করে যাচ্ছে এটা দেখে খুব ভালো লাগল।

‘স্বর্ণামতি সেতু’ থেকে….
আদিতমারি
১৩ মে ২০২৬, সন্ধ্যা ১৮-৪০

(আজ অনেক রাত হয়ে গেল। আগামীকাল কিছু ছবি সংযোজনের আশা রাখছি।)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.