| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
খায়রুল আহসান
অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।
জানি,
তুমি ছড়িয়ে আছো চতুর্দিকেই,
তবুও,
মন খারাপে তাকাই আমি আকাশপানেই
দিনে তাকাই, রাতেও তাকাই,
আলোয় তাকাই , কালোয় তাকাই,
তাকাই মানে তোমায় খুঁজি,
খুঁজতে খুঁজতে চোখ বুঁজি।
মনে আছে সেই বিশ্বাস
খুঁজলে তোমায় পাওয়ার আশ্বাস।
সেই আশ্বাসই আমার পুঁজি
যার ভরসায় তোমায় খুঁজি।
এভাবেই,
দেখা তোমার পাই বা না পাই,
আশা নিরাশার দোল খেয়ে যাই।
যেমন দোলে হাওয়া এলে
গাছের পাতা চক্ষু মেলে,
লুটোপুটি খেতে খেতে
মেতে ওঠে নৃ্ত্য গীতে।
তেমন করেই চিত্তসুখে
আমিও দুলি তপোবনে
নিত্য তোমার অন্বেষণে।
ঢাকা
০৮ জুলাই ২০২৬
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪
খায়রুল আহসান বলেছেন: তাই? বেশ তো!
২|
০৮ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৬
ইসিয়াক বলেছেন:
সুন্দর অনুভূতির কবিতা। প্রকাশের ভঙ্গি চমৎকার, তবে শব্দ চয়নে আরেকটু যত্নশীল হলে এবং অন্ত্যমিলের মোহ কিছুটা কমিয়ে ভাবনার গভীরতায় জোর দিলে কবিতাটি আরও অনেক বেশি পরিপক্ক ও হৃদয়গ্রাহী হয়ে উঠতো।
কবিতাটি মূলত মাত্রাবৃত্ত বা স্বরবৃত্তের একটি মিশ্র আমেজে এগিয়েছে, তবে সব লাইনের মাত্রা সমান নয়। যেমন: "যার ভরসায় তোমায় খুঁজি" এবং "আমিও দুলি তপোবনে" লাইনগুলোর গতি আগের লাইনগুলোর চেয়ে কিছুটা আকস্মিক মনে হয়।
এছাড়া প্রথম স্তবকে 'তাকাই' শব্দটি পর পর চারবার এবং 'খুঁজি' শব্দটি একাধিকবার ব্যবহৃত হয়েছে। শব্দগুলোর পুনরাবৃত্তি না করে যদি সমার্থক বা ভিন্ন কোনো অভিব্যক্তি ব্যবহার করতেন, তবে কাব্যিক সৌন্দর্য আরও বাড়ত।
ওকে।
ভালো থাকুন। শুভকামনা রইলো।
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯
খায়রুল আহসান বলেছেন: যথার্থ!
আপনি ঠিক বলেছেন। একজন পাঠক হিসেবে আপনার জায়গায় থাকলে আমিও হয়তো একই কথা বলতাম। তবে আমি জানি, ‘অন্ত্যমিলের মোহ’ আমার নেই। একটি কবিতা নিয়েই এ ব্লগে আমি সর্বপ্রথম আবির্ভূত হয়েছিলাম। এখানে প্রকাশিত প্রায় সাড়ে সাত শত পোস্টের মধ্যে আমার লেখা শতাধিক কবিতা রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে খুব কম সংখ্যকই অন্ত্যমিলের কবিতা, বেশিরভাগই মুক্তগদ্যে রচিত। তবে মুক্তগদ্য কবিতা হলেই যে সেটা ছন্দহীন হবে, এমন কথাও বলছি না। মুক্তগদ্য কবিতার মাঝেও এক ধরণের ছন্দ থাকে, পড়ার সময়েই সেটা অনুভব করা যায়।
কবিতাটি আমার মনে যেভাবে ‘এসেছে’, সেভাবেই আপাততঃ প্রকাশ করেছি। যদি এটাকে কখনো মলাটবদ্ধ করার প্রয়াস পাই, তখন অবশ্যই আপনার পরামর্শ অনুযায়ী পদক্ষেপ নেব, প্রয়োজনে পরামর্শের জন্য আপনারই শরণাপন্ন হয়ে ভুল মাত্রা সংশোধন করে নেব।
“সব লাইনের মাত্রা সমান নয়”- জ্বী, কবিতা লিখার সময় আমি মাত্রার হিসেব রাখি না। এ বিষয়ে আমার কান দুটোই আমার মূল ভরসা। কানে শুনতে কোন বড় ব্যত্যয় মনে না হলে আমি লেখা চালিয়ে যাই। শেষ করার পরে আরও কয়েকবার পড়ে যতটুকু পারি, সম্পাদনা করে নেই। এখানেও নিয়েছি, তবে একথা অনস্বীকার্য যে আরও সম্পাদনার অবকাশ রয়েছে।
আপনার চুলচেরা বিশ্লেষণ এ পোস্টকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে এবং রচয়িতা হিসেবে আমার দুর্বলতাকে অঙুলি নির্দেশ করে আমাকে সতর্ক করেছে। আগে এ কাজটি মাঝে মাঝে করতেন ব্লগার সোনাবীজ। এখন উনি আর আমার পোস্টে আসেন না বলে তার প্রাজ্ঞ মতামত থেকে আমি বঞ্চিত হচ্ছি। অনেকদিন পরে কেউ আমার কবিতার ভুল ধরিয়ে দিল দেখে আমি তার নিকট কৃতজ্ঞ বোধ করছি। বেশ কিছুটা মূল্যবান সময় ব্যয় করে আপনি একটা আন্তরিক মন্তব্যের মাধ্যমে কবিতার যে সমালোচনাটুকু এখানে রেখে গেলেন, সেজন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আপনিও ভালো থাকবেন। অনেক, অনেক শুভকামনা রইলো।
৩|
০৮ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১
শায়মা বলেছেন: এটা কি পূজা পর্যায়ের নাকি প্রেম পর্যায়ের???
হা হা রাবিন্দ্রিক স্টাইলে বললাম মানে ইবাদত নাকি প্রেম কি বিষয় নিয়ে এই কবিতা ভাইয়ু??
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:২৯
খায়রুল আহসান বলেছেন: আমি তো মনে করি, কবিতা লিখার পর কবির নিজের কোন ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নাই। সবাই যার যার মতো করে বুঝে নেবে। এতেই কবির কবিতা সার্থকতা পায়।
কবিতা ও কৌতুক কখনো ব্যাখ্যা করতে হয় না।
৪|
০৮ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৯
রাজীব নুর বলেছেন: কবিতা পাঠ করিলাম।
১০ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:৩৯
খায়রুল আহসান বলেছেন: ওকে।
৫|
০৮ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১২
রাজীব নুর বলেছেন: কবিতা পাঠ করিলাম।
১৪ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১২
খায়রুল আহসান বলেছেন: একই কথা দু'বার লিখেছেন।
৬|
০৮ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪
শেরজা তপন বলেছেন: একরকম আধ্যাত্মবাদের ছোঁয়া পুরো কবিতায়। এটা মোটেই মানব মানবীর প্রেমকাব্য নয় নিশ্চিত।
* ইদানিং অনাভ্যাসের ফলে ও মানসিক টানাপোড়েনের জন্য আমার পছন্দের ব্লগারদের লেখা সামনে আসলেও পড়া হয় না কিংবা পড়লেও মন্তব্য করা হয়না।
১০ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭
খায়রুল আহসান বলেছেন: "একরকম আধ্যাত্মবাদের ছোঁয়া পুরো কবিতায়" - 'আধ্যাত্মবাদ' কথাটি বোধকরি আত্ম-অধ্যয়ন ও আত্ম-অন্বেষণ থেকে এসেছে। সেই অর্থে আপনার মন্তব্য সঠিক। স্রষ্টাকে খুঁজতে গেলে আগে নিজেকেই খুঁজতে ও চিনতে হয়।
আপনার পরের কথাটা নিয়ে কোন টেনশন নিবেন না। যখন সময় পাবেন এবং পড়তে ও লিখতে ভালো লাগবে, তখনই তা করবেন।
৭|
০৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:১৪
আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান,
শেরজা তপন বলেছেন: একরকম আধ্যাত্মবাদের ছোঁয়া পুরো কবিতায়।
আমিও বলি, তাই।
সহব্লগার ইসিয়াক এর কথাগুলো ভেবে দেখতে পারেন।
অনেকদিন পরে এলেন!
শুভেচ্ছান্তে।
১০ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৪১
খায়রুল আহসান বলেছেন: সহব্লগার ইসিয়াক এর কথাগুলো গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্যই ভেবে দেখবো।
৮|
০৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:১৫
করুণাধারা বলেছেন: আত্ম অন্বেষণের কবিতা! অন্তমিল দেয়ায় পড়তে ভালো লেগেছে।
শায়মার মন্তব্য পড়ে মনে হলো আমারই মাথার তার ছিড়ে গেল! পূজাকে রাবীন্দ্রিক স্টাইলে ইবাদত বলে!!
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৬
খায়রুল আহসান বলেছেন: অন্তমিল দেয়ায় পড়তে ভালো লেগেছে - যাক, প্রচেষ্টাটা সার্থক হলো। কথাটা জানাবার জন্য ধন্যবাদ জানবেন।
৯|
১০ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৫১
শায়মা বলেছেন: হা হা আপুনি!!!!!!! @করুণাধারা আপুনি রবিঠাকুরের পূজা পর্যায়, প্রেম পর্যায় এমন সব পর্যায়ে ভাগ করা না গানগুলো!!
ঠিক তেমনই এটা আধ্যাত্নিক না প্রেম কোন পর্যায়ের কাব্য জানতে চেয়েছিলাম!!
দুই প্রেমে বড়ই কনফিউসন!!! এক পার্থীব প্রেম আরেক অপার্থীব!
না বাবা বেশি কথা বললে আবার বিপদে পড়তে পারি!!!
১৪ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:২৪
খায়রুল আহসান বলেছেন: পার্থিব প্রেম ছাড়া অপার্থিব প্রেম অনুধাবন করা যায় না।
১০|
১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০৬
নতুন নকিব বলেছেন:
প্রিয় শ্রদ্ধেয়,
আপনার “নিত্য তোমার অন্বেষণে” কবিতাটি পড়ে মনে হলো, এটি শুধু কোনো সত্তার সন্ধানের কবিতা নয়, বরং মানুষের অন্তরের গভীরে লুকিয়ে থাকা এক চিরন্তন আকাঙ্ক্ষার মর্মস্পর্শী প্রকাশ।
“জানি, তুমি ছড়িয়ে আছো চতুর্দিকেই, তবুও মন খারাপে তাকাই আমি আকাশপানেই” -এই পংক্তিগুলোতে এক গভীর আধ্যাত্মিক অনুভব ফুটে উঠেছে। আমরা অনেক সময় জানি, প্রিয়তমের উপস্থিতি সর্বত্র বিরাজমান, তবুও হৃদয়ের অস্থিরতা তাকে বিশেষ কোনো ঠিকানায় খুঁজতে চায়। এই দ্বন্দ্বই হয়তো মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস ও প্রার্থনার সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশ।
কবিতার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো - আপনি অন্বেষণকে শুধু অনুসন্ধান হিসেবে দেখেননি, বরং এক আনন্দময় সাধনা হিসেবে তুলে ধরেছেন। “সেই আশ্বাসই আমার পুঁজি / যার ভরসায় তোমায় খুঁজি”-এই উপলব্ধি পাঠকের হৃদয়ে বিশ্বাসের এক শান্ত আলো জ্বালায়।
শেষ স্তবকে প্রকৃতির সঙ্গে মনের দোল খাওয়ার যে অপূর্ব মিলন ঘটিয়েছেন, তা কবিতাটিকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। বাতাসে দোল খাওয়া পাতার মতোই আপনার চিত্তও দোলে, তবে সেই দোল কোনো অস্থিরতার নয়-এ যেন প্রেম, ভক্তি ও প্রত্যাশার এক নীরব নৃত্য।
আপনার কবিতায় অন্বেষণের মধ্যেও যে প্রশান্তি, অপেক্ষার মধ্যেও যে আনন্দ-সেটিই এর সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য। “নিত্য তোমার অন্বেষণে” পাঠকের মনেও এক গভীর আত্মজিজ্ঞাসার সুর জাগিয়ে তোলে।
আপনার প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভকামনা রইল। আপনার কলমে এমন নির্মল অনুভবের প্রকাশ আরও সমৃদ্ধ হোক।
অফটপিক:
কোনো একটি পোস্টের মন্তব্যে আপনি উল্লেখ করেছিলেন যে, আমার একাধিক পোস্টে মন্তব্য করার পরেও সেগুলো প্রকাশিত হয়নি, কারণ মন্তব্যগুলো মডারেশনের আওতায় ছিল। বিষয়টি জানার পর আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত হয়েছি এবং উপলব্ধি করেছি যে, এর ফলে আপনার মূল্যবান সময় ও আগ্রহের প্রতি যথাযথ সম্মান দেখাতে পারিনি।
বিষয়টি বিবেচনা করে আমি আমার সকল পোস্টের মন্তব্য মডারেশন তুলে দিয়েছি। এখন ইনশাআল্লাহ যেকোনো পোস্টে পাঠকরা সরাসরি মন্তব্য করতে পারবেন।
মূলত অশালীন মন্তব্য, স্প্যাম ও ফ্লাডিং থেকে পোস্ট এবং সামহোয়্যারইন ব্লগের পরিবেশ সুরক্ষার উদ্দেশ্যেই একসময় কিছু পোস্ট মডারেশনের আওতায় রাখা হয়েছিল। তবে পাঠকদের স্বাভাবিক মতামত প্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ -এই বিষয়টি আমার উপলব্ধিতে রয়েছে।
আপনার আন্তরিকতা ও সহযোগিতার জন্য আবারও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
১৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:১৬
খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার এ কবিতাটির চমৎকার বিশ্লেষণের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১৮
বিজন রয় বলেছেন: ভরদুপুরে পেলাম তারে, মনের মাঝে, প্রেমের মাঝে।