নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

উচ্চপ্রত্যাশী আবেগপ্রবণ এক তরুণ

খালিদ খান ৯৭

উচ্চপ্রত্যাশী আবেগপ্রবণ এক তরুণ

খালিদ খান ৯৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

দ্য একসরসিস্ট।

২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:৩০

দ্য একসরসিস্ট।
অনেকদিনের ইচ্ছা বাইটা পড়ার। কিন্তু পাচ্ছিলাম না। নেট ঘেটে, অসেকের কাছে চেয়েও পেলাম না শেষ পর্যন্ত।
অবশেষে একদিন বইটা সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে একজনের কাছে পিডিএফ পেলাম। আল্লাহ তাকে প্রতিদান দান করুন।
এখন প্রিন্টার আছে। বইটির ডকুমেন্ট কপিও তৈরি। বাকি শুধু পড়াটা।
আল্লাহ তাওফীক দাতা।
কেন পড়ছি?
কারণ, অনুবাদককে ভালবাসি। হুমায়ূন আহমাদ। তার লেখা অনুবাদ ধরতে গেলে নাইই। তাই মনে আশা ছিল, দেখা যাক, প্রিয় এই মানুষটার অনুবাদের হাত কেমন।
হুমায়ূন এই লেখার কথা তার আত্মজীবনীতে সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন।
এই লেখাটা তার অন্নের যোগান দিয়েছিল।
এই লেখা তার অনেক বিরোধীও গোপনে গোপনে পড়েছিল।
এই লেখা প্রচলিত ধারার অনুবাদ নয়। এটা ভাবানুবাদ। যার কিছু অংশ মূল লেখককেও হার মানায়।
অনুবাদক লেখার অশ্লীলতাকে দূর করার চেষ্টা করেছেন।
তাছাড়া অনুবাদকেরও এই উপন্যাসটি বিভিন্ন কারণে পছন্দ। তার পরবর্তী অনেক ভূত-জ্বিনের গল্পের শুরুটা এখান থেকেই হয়েছে।
এবার বইয়ের ভিতর মূল আলোচনা হলো- ওইজা বোর্ড নিয়ে।




• আইভি লতা। বাড়ির সামনে সাজানোর জন্য যেসব ফুল কেনা হয় সেগুলোকে বলে আইভি লতা।
• মানুষ জানতে চায় নিত্য। তার জানার শেষ নেই। সেই জানা যদি হয় পরকাল সম্পর্কে? যদি সেই কৌতূহল নিয়েই তাদের সাথে যোগাযোগের প্রচেষ্টাও করতে বসে যায়। টকিং বোর্ড বা ওইজা বোর্ড তারই নাম।
• উইজক্রাফটিং বা তন্ত্র সাধনা এরই এনালগ নিয়ম। এতে সময় খরচ হয় প্রচুর।
• ওইজা বোর্ড চর্চাকারীদের এমন কিছু ঘটনা রয়েছে যা আজো ব্যাখ্যাতীত রয়ে গেছে।
• খেলার নিয়ম- বাজার থেকে একটা ওইজা কিনে এসে বা নিজে বানিয়ে (বানানো বেশি কঠিন না) রাতে তা নিয়ে সাধনায় বসতে হায়। সাবই সেই বোর্ডে হাত রাখবে। আত্মাকে ডাকা শুরু করবে। একটু পরেই দেখা যাবে বোর্ডের মাঝে রাখা মিডিয়ামটা দ্রুত ঘুরছে, ছুটাছুটি করছে। তখন তাকে যে প্রশ্ন করা হবে সে সেই উত্তরই দিবে।
• বড় কয়েকজন বিজ্ঞানী এর সত্যতা স্বীকার করেছেন। কেউ কেউ অবশ্য বিভিন্ন ব্যাখ্যাও দাড় করিয়েছেন।
• তরপরেও কিছু ঘটনা আছে এমন যা যুগ যুগ ধরে ব্যাখ্যাতীত রয়ে গেছে।

• ওইজা বোর্ডের আবিষ্কার হয় মিশরে। প্রচার ঘটে ১ম বিশ্বযুদ্ধের সময়। তখন যেহেতু অনেকের আত্মীয় স্বজন মারা গিয়েছিল তাই তারা তাদের আত্মার সাথে যোগাযোগের প্রচেষ্টা চালায়।

পুরো বইটা একটানে পড়ে ফেললাম। এরপর বাংলা ডাবিংয়ে মুভিটাও পেয়ে গেলাম। এটা একটা হরর মুভি। বেশ লেগেছে দেখতে। কিছু জায়গা কয়েকবার দেখতে হয়েছে।
ধন্যবাদ হুমায়ুন স্যারকে। ধন্যবাদ এই মুভি ও উপন্যাস সংশ্লিষ্ট সবাইকে



মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই মে, ২০২১ রাত ১:০৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ব্লগে স্বাগতম।
হ্যাপি ব্লগিং..............

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.