নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পরের বাড়ির পিঠা খাইতে বড়ই মিঠা ।

কিরকুট

আমি মানুষ, আমি বাঙালি। আমার মানবিকতা, আমার সংস্কৃতির উপর আঘাত হানতে চাওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাওয়া প্রাণী মাত্রই আমার কাছে পিশাচ। আমার দেশের উপর আঘাত হানতে চাওয়া প্রাণীদের পালনকারী, প্রশ্রয়দানকারী মাত্রই আমার কাছে পিশাচ, রাক্ষস। হোক সে যে কোনো সাম্প্রদায়িক কিংবা ঢেঁড়স চাষ পরামর্শক।

কিরকুট › বিস্তারিত পোস্টঃ

বেতন বৃদ্ধি ও আমজনতার উন্নয়ন

২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০০




উপরের এই ছবির বক্তব্যটা আসলে খুবই যুক্তিসঙ্গত , এই বক্তব্যের আড়ালে গভীর এক বাস্তবতার দিকে আঙুল তোলা হয়েছে।

উন্নয়ন কার জন্য, এই প্রশ্নটা আমরা প্রায়ই এড়িয়ে যাই। সংখ্যার আধিক্য , বড় প্রকল্প, জিডিপির রেখাচিত্র আমাদের চোখে পড়ে, কিন্তু যাদের জন্য এই এতোকিছু সেই মানুষটা কোথায় থাকে, সেটা অস্পষ্ট থেকেই যায়।

রাস্ট্রের মাত্র ২০ লাখ লোকের জীবনযাত্রা আরও আরামদায়ক করা তুলনামূলক বেশ সহজ। তারা আগে থেকেই বাজারে শক্ত অবস্থানে আছে। আয় বাড়ে, সঞ্চয় আছে, দাম একটু বাড়লেও সামলে নেওয়ার ক্ষমতা আছে। কিন্তু ১৯ কোটি ৮০ লাখ মানুষের বাস্তবতা সম্পুর্ন আলাদা। সামান্য চাল, তেল বা বিদ্যুতের দাম বাড়লেই জীবন অতিষ্ঠ হয়ে যায়।

উন্নয়ন যদি এই বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের নিত্যদিনের খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারে, তাহলে সেই উন্নয়ন কাগজে কলমেই ভালো বাস্তবে কেবল মুখ ফুটানো বুলি।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ শুধুমাত্র কেবল অর্থনীতির কোন টার্ম নয়, এটা সামাজিক স্থিতিশীলতার সব চেয়ে বড় প্রশ্ন। বাজার যখনই লাগামছাড়া হয়, তখন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত, প্রাত্যহিক মজুরি নির্ভর মানুষেরা। তাদের আয় মাসের শুরুতে হয়ত ঠিক থাকে, কিন্তু লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি ও অস্বাভাবিক খরচের মাত্রা প্রতিনিয়ত তাদের দরিদ্রতর করে তলে। ফলে ঋণ, মানসিক চাপ আর হতাশা জমতে থাকে। এই চাপ শেষ পর্যন্ত পুরো সমাজেই ছড়িয়ে পড়ে। সংগত কারনে আত্মহত্যার মতো বিবেক বর্জিত ঘটনার অশংকা বেরে যায়।

এর সঙ্গে আয় বৃদ্ধির বিষয়টা অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। শুধু দাম বেঁধে দিলেই হবে না, মানুষের কাজের মূল্য বাড়াতে হবে। উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, ছোট উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার সুযোগ দেওয়া, এসব না হলে আয় আর ব্যয়ের ফাঁটলটা আরও বাড়বে। উন্নয়ন তখন একপেশে হয়ে যাবে, মুস্টিমেয় কিছু মানুষের জন্য সুফল বয়ে আনবে, বাকিদের জন্য শুধু দুর্বিষহতা।

অধ্যাপক মোঃ মুজিবুর রহমানের ওই বক্তব্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়, রাষ্ট্রের আসল দায়িত্ব কোথায়। উন্নয়ন মানে কয়েকটা উঁচু ভবন, সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি বা চকচকে সূচক নয়। উন্নয়ন মানে হলো, সাধারণ মানুষ নিশ্চিন্তে পন্য ক্রয়ের নিশ্চয়তা , মাসের শেষে হিসাব মেলাতে পারা, ভবিষ্যৎ নিয়ে ন্যূনতম নিশ্চয়তা অনুভব করা। ২০ কোটি মানুষের এই স্বস্তিটাই যদি নিশ্চিত করা যায়, তাহলেই উন্নয়ন কথাটা সামগ্রিকভাবে সত্যিকারের অর্থ পায়।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:১৮

নিমো বলেছেন: সংস্কার, নূতন ভন্ডবস্তের ডামাডোল, নূত বাংলাদেশের অনেক গাল-গল্প শোনা গেলেও, আওয়ামী লীগের দেখানো পথ ছাড়া কেউই হা্টতে পারছেন না। আসলে ১৭ বছরের অভ্যাস কি আর দেড় বছরে বদলানো যায়-বয়ানে জা-শি, ছ্যাঁচড়া, ছাপড়ি সমর্থক গোষ্ঠী।

২| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নিমো@আওয়ামী লীগ কেন আর pay scale দিতে পারে নি ? জানেন এ বিষয়ে কিছু ? :)

৩| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: Pay scale ঘোষনা করলেই সেটা কারযকর হয়ে যায় না । হিংসা করিয়েন না । ;)

৪| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫০

নিমো বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নিমো@আওয়ামী লীগ কেন আর pay scale দিতে পারে নি ? জানেন এ বিষয়ে কিছু ? :)
জানি।

৫| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫২

নিমো বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: Pay scale ঘোষনা করলেই সেটা কারযকর হয়ে যায় না । হিংসা করিয়েন না । ;)
এই মুহূর্তে এটা ঘোষণার এমন কি দরকার হলো? হিংসার কিছু নাই,আমার দাদা, বাবা সবাইই সরকারি চাকুরে ছিল।

৬| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নিমো@আমলাদের হাতে না রাখলে খবর আছে । তাই এই ঘোষনা দিয়েছে। এটা কারযকর করা কারো পক্ষে পসিবল না। এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা লাগবে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.