| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অপূর্ব; বয়েস এর তুলনায় বড়ই কিউট
। পদার্থ বিজ্ঞান নিয়ে পড়া ছেলেটা বড়ই খেয়ালি। রোজ দাঁত ব্রাশ করা বা সময় মতো নাওয়া খাওয়া হয়ে উঠে না তার। সে ভালবাসে প্রকৃতি আর শখ একটা রেসিং বাই-সাইকেলের; এজন্য বছর দুয়েক ধরে টাকাও জমাচ্ছে সে।
অন্যদিকে লাবন্য; বয়েসের তুলনায় বড্ড বেশিই পাকা। পড়ছে বায়োলজি ডিপার্টমেন্টে। রোজকার রুটিন মাফিক চলাফেরা, খাওয়া-দাওয়া ওর চরিত্রের অন্যতম আকর্ষণীয় দিক। সব সময়ই ওর হ্যান্ড ব্যাগে খোঁজে পাওয়া যায় মেকাপ বক্স। সেখানে হয়ত থাকার কথা ছিল স্টোস্থোস্কোপ বা ম্যাগনেফাইং গøাস। আর হ্যাঁ, হ্যান্ড ব্যাগ ওর খুব ভালো লাগে।
পাঠক, জীবন যদি এভাবে নিরস ভাবে চলতে থাকত তবে বোধ হয় পৃথিবীর রূপ শোভা ছড়াতো না।
একদিনের কথা; পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রজালে আটকে পড়া সেই খচ্চরটা আনমনা হয়ে হাটছিল ক্যাম্পাসের সরু রাস্তাটায়। হঠাৎ দেখল সেই বায়োলজি নিয়ে পড়া মেয়েটি অন্যমনস্কতা হেতু হোচট খেয়ে চিরায়ত পদার্থ বিজ্ঞানের মহাকর্ষ সূত্রানুসারে ভ‚পাতিত হচ্ছে সিড়ি হতে। ঝাকড়া চুলের খচ্চর আর বোকা ছেলেটি ক্ষিপ্রগতিতে গিয়ে তাকে ধরে ফেলে সাত পাঁচ না ভেবেই।
আর কী! পাকা মেয়েটির চোখ অপরিপুষ্ট সেই কিউট খচ্চরটার মোটা ফ্রেমের গ্লাস ভেদ করে এক হয়ে গেল। বোকার হদ্দ ছেলেটি কতোক্ষণ সেই অথই নোনা জলের সরোবরে বৈঠাহীন মাঝির মতো ভাসছিল সে কথা আজ কারোরই মনে নেই।
সেই থেকেই শুরু;
গোছালো লাবণ্যের কাছে বায়োলজি ক্লাসের সব লেকচারার হয়ে গেল ক্যানভ্যাসার আর লেকচার গুলো সব শুনাল সাপের মন্ত্রের মত। অপর পক্ষে পদার্থ নিয়ে পড়া খচ্চরটাও নিয়ম ভেঙ্গে প্রতিদিন গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত সেই সিড়িটার গোড়ায়। কখন না আবার .............। কিন্তু না, নিউটন ব্যাটার গটবাঁধা সূত্র যে ততক্ষণে মূত্রালয়ে চলে গেছে।
মাস খানেক পর আবার দেখা - শাটল ট্রেনে। সে এক অবিশ্বাস্য মুহুর্ত। সেই দিন তো চোখাচোখি আর নিরবতা সমানুপাতিক হারে বেড়েই চলছিল, আর হার্ট বিট? সে তো ফর্মূলা ওয়ান রেস কারের পিস্টনের মতো উঠা নামা করছিল। পাঠক খুশি হওয়ার আবশ্যকতা নেই, গাধাটা সে দিন ও কিছু বলতে পারে নি।
আবার ও একদিন দেখা; একটা সুপার শপে। ছেলেটা গিয়েছিল কিছু ছোটখাটো যন্ত্রাংশ কিনতে আর মেয়েটা? সে কথা পাঠকের শুনার অধিকার নেই
। ফেরার পথে লিফ্টে মুখোমুখি দুজন।
পাকামোয় পরিপক্ক মেয়েটা বল্লো,
- তুমি অপূর্ব- সেদিন সিড়ির ......।
হ্যাঁ.. আ..মি...ই.. অপূর্ব।
আমি লাবণ্য, বলে হাত বাড়িয়ে দেয় মেয়েটি। সঙ্কোচে হাত বাড়ায় ছেলেটিও। টুকটাক কথা এগিয়ে যায়, সাথে লিফ্টও। পথ চলা শেষ হয় লিফটের, ওদেরও।
সেদিনের মতো বিদেয় হল দুজনেই।
পরের দিন থেকে; ক্লাসের গ্যাপে শুরু হয় ক্যান্টিনে সময় পার করা। ধীরে ধীরে পরিচয় আরো গাঢ়তর হয়। এক বন্ধুত্বের শুরু হয় অচেনা প্রণয়ের প্রত্যাশায়।
[গল্পের সাথে লেখকের সম্পৃক্ততা খোঁজে পাওয়াটা সম্পূর্ণ কাকতালীয়]

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩৮
করিমউল্লাহ বলেছেন: অসংখ্য ধন্যযোগ!
আসলে নির্বাচনী পরিক্ষার আগের দিন রাতে লিখেছি..তো! বেশি লিখতে পারিনি!! ![]()
২|
২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৩৪
রক্তিম দিগন্ত বলেছেন: মজা পাইলাম।
তবে শেষের লাইনটা কাল্পনিক ভাবতে দিচ্ছে না, বাস্তবিক বাস্তবিক লাগছে। ![]()
২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩৯
করিমউল্লাহ বলেছেন: যতোটা সম্ভব বাস্তবিক করার চেষ্টা লেখক করেছিলো বৈকি!! ![]()
৩|
২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৭
সুলতানা রহমান বলেছেন: মজা পাইলাম।
২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪০
করিমউল্লাহ বলেছেন: আমিও মজা পাইলাম সাথে মন্তব্যও!! ধন্যযোগ!! ![]()
৪|
২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:১৬
ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: হা হা হা মজা পেয়েছি।
তবে লেখকের নিজের কথা যে এটা বুঝতে আর বাকি রইল না।
২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪১
করিমউল্লাহ বলেছেন: আপনি যে বড্ড বেশি পাঁকা সেটা বুঝতেও আমার বাকি রইলো না!!
![]()
৫|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪৪
করিমউল্লাহ বলেছেন: সামু ব্লগে লিখা এটাই আমার প্রথম পোষ্ট..আর এই পোষ্টে এই প্রথম অগ্রজদের মন্তব্য সত্যিই আমাকে অনুপ্রাণিত করছে.. ধন্যবাদ!!
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:০৫
শাওন আকন্দ বলেছেন: ছেলেটা গিয়েছিল কিছু ছোটখাটো যন্ত্রাংশ কিনতে আর মেয়েটা? সে কথা পাঠকের শুনার অধিকার নেই ।
হাহাহাহাহা ভালো লিখছেন, লেখা টা আরেকটু বড় হলে মন্দ হতো না।