নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাষ্ট্রের ভুলের মূল্য কি তবে শিশুদের জীবন ?

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৪


যেকোনো দেশে শিক্ষিত নাগরিককে রাষ্ট্রের সম্পদ মনে করা হয়। তাদের জ্ঞান, বুদ্ধি আর অভিজ্ঞতা দিয়ে রাষ্ট্র উপকৃত হবে, এটাই স্বাভাবিক প্রত্যাশা। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক সময় চিত্রটা যেন উল্টো। এখানে শিক্ষিত মানুষদের একটা অংশ রাষ্ট্রের জন্য কী করা যায়, তার চেয়ে রাষ্ট্রকে কীভাবে নিজের চিন্তা ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা যায়, সেটা নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকে।বাংলাদেশের মানুষের সমস্যার শেষ নেই। রোগ-শোক, দুর্ঘটনা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব আর হতাশা যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। এর মধ্যে রাষ্ট্রের কোনো ভুল সিদ্ধান্ত যদি সাধারণ মানুষের জীবনে নতুন করে বিপদ ডেকে আনে, সেই কষ্ট কোনো সরকারি ফাইলের মধ্যে আটকে থাকে না। সেই কষ্টের বোঝা টানতে হয় সাধারণ মানুষকেই।

জুলাইয়ের কোটা আন্দোলনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক ক্ষমতার বড় পরিবর্তন হলো। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিল। সেই সরকারের প্রধান হলেন মুহাম্মদ ইউনূস। বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন, স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে একটা আশা তৈরি হয়েছিল। মনে হয়েছিল, অন্তত শিক্ষিত মানুষদের নেতৃত্বে রাষ্ট্র হয়তো আরও যুক্তি, বিবেচনা আর দক্ষতার সঙ্গে চলবে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই আশায় অনেক জায়গাতেই ধাক্কা লেগেছে। কোথাও তৌহিদি জনতার চাপ, কোথাও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের নামে ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে টানাটানি, কোথাও আবার এমন সব সিদ্ধান্ত, যার সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

এসব নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে। কিন্তু হামের টিকার ঘটনাটা আমার কাছে একটু অন্যরকম। কারণ এখানে প্রশ্নটা কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শের নয়। প্রশ্নটা শিশুর জীবন নিয়ে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বছরের পর বছর আমরা ইউনিসেফ ও গ্যাভির মাধ্যমে হামের টিকা পেয়েছি। আওয়ামী লীগ সরকার ছিল, বিএনপি সরকার ছিল, সামরিক সরকার ছিল, ১/১১-এর সরকার ছিল। সরকার বদলেছে, মন্ত্রী বদলেছে, আমলা বদলেছে। কিন্তু এই জায়গাটায় বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। হঠাৎ অন্তর্বর্তী সরকারের কেন মনে হলো, এই পুরোনো ব্যবস্থাটা ভালো না? কেন দরপত্রের মাধ্যমে হামের টিকা কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো?

সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, ইউনিসেফ যদি এই সিদ্ধান্তের ঝুঁকি নিয়ে সরকারকে বারবার সতর্ক করে থাকে, তাহলে সেই সতর্কবার্তার পরও কেন সিদ্ধান্ত বদলানো হলো না? শুধু একবার না। মৌখিকভাবে বহুবার বলা হয়েছিল। লিখিতভাবেও চিঠি দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। তাহলে প্রশ্ন উঠবেই, সরকারকে কে বলেছিল যে এত বছর ধরে চলে আসা ব্যবস্থা বাদ দিয়ে নতুন করে টেন্ডারের মাধ্যমে টিকা কিনতে হবে? জুলাইয়ের আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত কোনো ছাত্র বলেছিল, আপনারা ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা কিনবেন না ? আমলারা বলেছিল, এত বছর ধরে যে পদ্ধতিতে টিকা কেনা হচ্ছে সেটা বাদ দিয়ে নতুন ব্যবস্থা করতে হবে? তাদের নাম প্রকাশ করা হোক ।

যদি কেউ না বলে থাকে, তাহলে এই বুদ্ধিটা এলো কোথা থেকে ? এখানেই সবচেয়ে বড় ঘাপলা তৈরি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ ছিল একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দেশ পরিচালনা করা এবং নির্বাচন পর্যন্ত রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেওয়া। তাহলে শিশুদের টিকা সরবরাহের মতো বছরের পর বছর ধরে চলে আসা একটা প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থায় হাত দেওয়ার প্রয়োজনটা কী ছিল? কোনো পুরোনো ব্যবস্থা নিখুঁত নয়। পরিবর্তন দরকার হলে পরিবর্তন করতেই হবে। কিন্তু যে ব্যবস্থাটা বছরের পর বছর ধরে চলছে, সেটার পরিবর্তনের আগে অন্তত ঝুঁকিগুলো বিবেচনা করা উচিত। আর সেই ঝুঁকি নিয়ে যদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আগেই সতর্ক করে, তাহলে বিষয়টা আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত ছিল।

কেউ বলতে পারেন, এটা তো একটা ভুল সিদ্ধান্ত মাত্র। ঠিক আছে। ভুল হতেই পারে। সরকারও ভুল করতে পারে, আমলাও ভুল করতে পারেন, মন্ত্রীরাও ভুল করতে পারেন। কিন্তু প্রতিটি ভুলের একটা মূল্য আছে। আর রাষ্ট্রের ভুলের মূল্য সাধারণত রাষ্ট্রের ক্ষমতাবানরা দেন না। দেন সাধারণ মানুষ। এই ভুলের মূল্য যদি হয় কয়েকশ শিশুর জীবন, তাহলে বিষয়টাকে শুধু ‘ভুল’ বলে শেষ করে দেওয়াটা খুব সহজ সমাধান মনে হয় না। জুলাইয়ের আন্দোলনে গত সরকারের সময় ৮০০-এর বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল। সেই আন্দোলনের পর ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যদি হামের প্রাদুর্ভাবে ৯০০-এর বেশি শিশুর মৃত্যু হয়ে থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন করবে, আরো মৃত্যু ঘটানো কি জরুরি ছিলো ?

দাবি করছি না, টিকার সংকটের কারণে সব শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এমন দাবি করার মতো তথ্য আমাদের হাতে নেই। কিন্তু প্রশ্নটা তো করাই যায় -টিকার সরবরাহ ঠিক থাকলে, সময়মতো টিকাদান কর্মসূচি চালানো গেলে, কতগুলো শিশুকে বাঁচানো যেত? এই প্রশ্নের উত্তর আমাদের জানা দরকার। আরেকটা বিষয়ও ভাবার মতো। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেট যদি ৪১ হাজার কোটি টাকার বেশি হয়ে থাকে, টিকা কেনার সুযোগ থাকে, বছরের পর বছর ধরে পরীক্ষিত একটা সরবরাহ ব্যবস্থা থাকে, এমনকি সেই ব্যবস্থা পরিবর্তনের ঝুঁকি নিয়েও আগেই সতর্ক করা হয়ে থাকে, তাহলে শেষ পর্যন্ত এমন পরিস্থিতি তৈরি হলো কেন?

আমরা যখন সরকারের কোনো প্রকল্প বা সিদ্ধান্তের ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলি, তখন খুব সহজেই বলে দিই, এটা আগের সরকারের ব্যর্থতা। কিন্তু রাষ্ট্র তো কোনো একটি সরকারের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। রাষ্ট্র একটা ধারাবাহিক ব্যবস্থা। আজকের সরকার এসে আগের সরকারের সবকিছু বদলে ফেললেই সেটা সংস্কার হয়ে যায় না। কিছু ব্যবস্থা বছরের পর বছর ধরে ভালোভাবে চলে আসছে বলেই সেগুলো ধরে রাখতে হয়। আর কোনো কারণে বদলাতে হলে তার কারণও পরিষ্কার থাকতে হয়। হামের টিকার ব্যবস্থাটা যদি এমনই একটা পরীক্ষিত ব্যবস্থা হয়ে থাকে, তাহলে সেটা বদলানোর প্রয়োজন কেন হলো?

শেষ পর্যন্ত তাই এটাকে শুধু একটা প্রশাসনিক ভুল বলে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এত বছরের একটা পরীক্ষিত ব্যবস্থা বদলানো হলো। সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করা হলো। তারপরও সিদ্ধান্ত বদলানো হলো না। এরপর যদি টিকার সংকট তৈরি হয় এবং তার মাশুল দিতে হয় শত শত শিশুকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্তের দায়ও নির্ধারণ করতে হবে। যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যারা সেই সিদ্ধান্তের ঝুঁকি সম্পর্কে জানতেন, যারা সতর্কবার্তা পেয়েও ব্যবস্থা নেননি, তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই হবে। কারণ প্রায় ৯০০ শিশুর মৃত্যু কোনো প্রশাসনিক ভুলের ফুটনোট হয়ে থাকতে পারে না।


হামের টিকা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ভুল নীতির বলি হয়েছে অসংখ্য শিশু-জাগো নিউজ । https://www.jagonews24.com/health/news/1154752

ফটোকার্ড ক্রেডিট : আরটিভি





মন্তব্য ১ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




পোস্টের মূল বক্তব্য যথা হামের টিকা সরবরাহব্যবস্থায় নীতিগত পরিবর্তন, সতর্কবার্তা উপেক্ষা, পরবর্তী টিকা-সংকট
এবং প্রায় এক হাজার শিশুর মৃত্যু—এসবের মধ্যে দায়-সম্পর্ক কতটা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়?
খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এখানে একটি বিষয় শুরুতেই পরিষ্কার করা জরুরি: কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এখনই ‘শিশু
মৃত্যুর জন্য দায়ী’ ঘোষণা করা আইনগতভাবে সঠিক হবে না। আগে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কার সিদ্ধান্ত কী ছিল,
তিনি কী জানতেন, কী করতে পারতেন এবং তাঁর কাজ/অকাজের সঙ্গে নির্দিষ্ট ক্ষতির causal link ছিল কি না তা
নির্ধারণ করতে হবে।

আপনার উদ্ধৃত জাগো নিউজের প্রতিবেদনটি ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত। সেখানে বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সংসদীয়
বক্তব্যের ভিত্তিতে বলা হয়েছে যে, অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দীর্ঘদিনের UNICEF/Gavi-নির্ভর
টিকা সংগ্রহব্যবস্থা পরিবর্তন করে মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। একই বক্তব্যে বলা হয়েছে,
UNICEF নাকি ৫–৬টি আনুষ্ঠানিক চিঠি এবং প্রায় ১০টি বৈঠকে এই পরিবর্তনের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল।
এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ; তাইসেই চিঠিগুলো, বৈঠকের কার্যবিবরণী, সিদ্ধান্তের নথি, টেন্ডার ফাইল ও সংশ্লিষ্ট
ব্যক্তিদের অনুমোদন এসব প্রকাশ্যে পরীক্ষা করা প্রয়োজন ।

যদি প্রমাণিত হয় যে ২০২৫ সালে UNICEF/Gavi-নির্ভর established procurement ব্যবস্থা বাতিল করে
open tender চালুর সিদ্ধান্তটি সচেতনভাবে নেওয়া হয়েছিল, তাহলে প্রথম প্রশ্ন হবে:
সিদ্ধান্তটি কে প্রস্তাব করেছিলেন?
কোন মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রস্তাবটি তৈরি করেছিল?
কে অনুমোদন করেছিলেন?
মন্ত্রিসভা/উপদেষ্টা পরিষদে বিষয়টি উঠেছিল কি না?
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কী মতামত দিয়েছিল?
DGHS কী মতামত দিয়েছিল?
অর্থ মন্ত্রণালয় কী বলেছিল?
আইন মন্ত্রণালয় বা procurement কর্তৃপক্ষ কী বলেছিল?
সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় UNICEF-এর সতর্কবার্তা হাতে ছিল কি না?

শুধু কোনো ব্যক্তি তখন সরকারপ্রধান/প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন বলে তাঁর ব্যক্তিগত অপরাধ প্রমাণিত হয় না।
আবার তিনি যদি নথিভুক্তভাবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে থাকেন যার ঝুঁকি তাঁকে জানানো হয়েছিল
এবং তিনি তা উপেক্ষা করেন, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই তদন্তের আওতায় আসবে এবং তদন্তে প্রমানীত হলে
দায় তার কাধে বর্তাবে ।

তাই এ বিষয়ে আমি একটি স্বাধীন Measles Vaccine Supply & Child Mortality তদন্ত Commission
গঠনের সুপারিশ করছি ।
তদন্ত শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিম্নোক্ত নথি preservation order দিয়ে সংরক্ষণ করা উচিত:
Procurement records
Tender notice , tender documents , technical specifications , evaluation reports ,comparative statements, procurement committee minutes , approval notes , purchase orders , contracts ,
invoices , payment records , Policy records

উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত
মন্ত্রণালয়ের file notes , DGHS correspondence , NITAG minutes,EPI programme documents ,
Health Ministry meeting minutes

UNICEF/WHO records
warning letters, emails , meeting minutes , vaccine availability notifications , shipment schedules , stock reports ,
Financial records
budget releases , fund-release orders , treasury documents , payment delays , re-appropriation documents , Epidemiological records, vaccination coverage
stockout periods , district-wise cases , district-wise deaths , age-wise mortality , vaccination status , hospital records , laboratory confirmation , nutritional status

এগুলো ছাড়া দায় নির্ধারণের চেষ্টা রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।

একটি বহু বছর পরীক্ষিত vaccine-supply system কেন পরিবর্তন করা হয়েছিল, কে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল,
সিদ্ধান্তের ঝুঁকি সম্পর্কে কারা আগে থেকেই জানতেন, UNICEF/WHO-এর সতর্কতা কীভাবে নথিভুক্ত হয়েছিল,
তারপর কোথায় procurement/fund-release/stock-management failure ঘটেছিল, এবং এসব ব্যর্থতার
ফলে বাস্তবে কতজন শিশুর মৃত্যু সম্ভাব্যভাবে প্রতিরোধ করা যেত?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি নথি ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে পাওয়া যায়, তাহলে রাজনৈতিক দায়, প্রশাসনিক দায়,
আর্থিক দায়, সাংবিধানিক দায় এবং যদি প্রমাণ যথেষ্ট হয় ফৌজদারি দায় আলাদা করে নির্ধারণ করে আইন
আদালতের মাধ্যমে দায়ীদেরকে জবাবদিহীতা ও শাস্তির আওতায় আনতে হবে ।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত অবস্থান আমি সমর্থন করব।
কোনো কর্মকর্তার ব্যক্তিগত অপরাধ প্রমাণিত না হলেও রাষ্ট্রের constitutional/public-law liability
নির্ধারণ করতে হবে ।
কারণ নাগরিকের জীবন, স্বাস্থ্য ও মৌলিক প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের প্রশ্ন আলাদা।
আর যদি আদালত মনে করে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে গুরুতর ব্যর্থতা হয়েছে, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে
compensation দেওয়ার প্রশ্ন উঠতে পারে।

একই সঙ্গে রাষ্ট্র পরে দায়ী কর্মকর্তার কাছ থেকে আইনসম্মতভাবে recovery করতে পারে যদি প্রযোজ্য
আইনে তার ভিত্তি থাকে।

মুল্যবান পোস্টটি দিয়ে এ বিষয়ে আলোচনা করার সুযোগ তৈরী করে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.