নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

সরকার কি ইউনূস সাহেবকে ভয় পাচ্ছে ?

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৩


ব্যাপারটা এখন আর কোনো সন্দেহের অবকাশ রাখে না। বাংলাদেশে যে সরকারই আসুক, আওয়ামী লীগ হোক কিংবা বর্তমান সরকার, সবাই যেন একজন কমন করফাঁকিদাতা খুঁজে পেয়েছে। সেই করফাঁকিদাতার নাম অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আমাদের একমাত্র নোবেল বিজয়ী, তিন শূন্যের তত্ত্বের জনক, সামাজিক ব্যবসার মাস্টারমাইন্ড, ক্ষুদ্রঋণের কিংবদন্তি। একজন মানুষকে এত ভয় পাওয়ার কী আছে? পরপর দুইটা ভিন্ন সরকারই বা কেন তাকে নিয়ে এত ব্যস্ত হয়ে পড়ল?

শেখ হাসিনা তাকে রক্তচোষা বলতেন, নদীতে চুবানোর কথা বলতেন। তারপর একদিন দেখা গেল, শেখ হাসিনাই ক্ষমতায় নেই। ক্ষমতার কী অদ্ভুত পরিহাস! এরপর সেই ইউনূস সাহেবই দেশের হাল ধরলেন। প্রধান উপদেষ্টা হলেন। ক্ষমতায় বসে নিজের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংককে পাঁচ বছরের কর অব্যাহতি দিলেন, নিজের নোবেল পুরস্কারের অর্থও আইন করে করমুক্ত করার ব্যবস্থা হলো। মনে হলো, এবার বুঝি পুরনো সব ঝামেলার ইতি। নতুন সরকার এলো, নতুন প্রধানমন্ত্রী এলেন, আর সেই পুরনো ৬৬৬ কোটি টাকার কর মামলাটাও আবার সামনে চলে এলো। গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার নিয়েও রিট হলো। অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সিদ্ধান্তও এখন প্রশ্নের মুখে।

তাহলে শেখ হাসিনার ভূত কি নতুন সরকারের ঘাড়েও এসে বসেছে, নাকি এতদিনে আমরা বুঝতে পারছি যে করের মামলাটা আসলেই সহি ছিল? সন্দেহ হওয়াটা স্বাভাবিক। কারণ ইউনূস সাহেব তো আর যেমন তেমন মানুষ নন। পৃথিবীর কত বড় বড় মানুষ তার পক্ষে কথা বলেছেন। কত আন্তর্জাতিক চিঠি এসেছে। কতজন বলেছেন, এই মানুষটাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। সুতরাং তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা হলেই আগে আমাদের অবশ্যই ভাবতে হবে, নিশ্চয়ই কোথাও নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।

লীগের আমলে যতগুলো রায় দেওয়া হয়েছে, তার সবটাই তো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে করা হয়েছিল। এখন নতুন সরকারের আমলেও যদি একই রায় আসে, তাহলে সেটাকে নিছক কাকতালীয় বলা যাবে কি? অবশ্য একটা অসম্ভব ব্যাখ্যাও থাকতে পারে। ফাইলটা হয়তো আসলেই একটা ফাইল। তার কোনো দল নেই, কোনো আদর্শ নেই, কোনো নোবেল নেই। একটা নোটিশ হয়েছে, নিরীক্ষা হয়েছে, মামলা হয়েছে। ফলে সরকার বদলালেই সে হঠাৎ নিজের হিসাব পাল্টে ফেলবে, এমন তো হওয়ার কথা নয়।

কিন্তু ইউনূস সাহেবের ক্ষেত্রে আমরা সাধারণ হিসাব দিয়ে কীভাবে চলি? তিনি নোবেল বিজয়ী। কাজেই তার বেলায় একটু বিশেষ ধরনের হিসাব হওয়া উচিত। সাধারণ মানুষের করের হিসাব যেখানে শুধু টাকার অঙ্কে হয়, সেখানে ইউনূস সাহেবের হিসাবের পাশে নোবেল, আন্তর্জাতিক সম্মান আর বিশ্বনেতাদের চিঠিও রাখতে হবে। আর তিনি ক্ষমতায় গিয়ে নিজের প্রতিষ্ঠানকে কর সুবিধা দিয়েছেন বলেই বা এত প্রশ্ন কেন ? তিনি তো আর সাধারণ মানুষ নন। এতদিন যদি তাকে অন্যায়ভাবে করের মামলায় হয়রানি করা হয়ে থাকে, তাহলে ক্ষমতায় এসে নিজের প্রতিষ্ঠানকে একটু নিরাপদ করার অধিকার তার থাকতেই পারে। নিজের নোবেল পুরস্কারের অর্থটাও করমুক্ত করা হলো, সেটাও নিশ্চয়ই নিপীড়িত একজন মানুষের আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

সাধারণ মানুষ হলে বলা হতো, নিজের প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দিলেন কেন? কিন্তু নোবেল বিজয়ী হলে একই কাজকে একটু বড় দৃষ্টিতে দেখতে হয়। নোবেল পুরস্কার তো আর প্রতিদিন পাওয়া যায় না। শোনা যায়, শেখ হাসিনা অনেক তদবির করেও একটা নোবেল যোগাড় করতে পারেননি। সবাই আসলে সব পুরস্কার পায় না। তাই যারা নোবেল পুরস্কার পান, তাদের করফাঁকির মামলার অভিযোগে হয়রানি করা নিশ্চয়ই খুব একটা ভালো দেখায় না।

আমি অবশ্য সবসময় নিপীড়িত মানুষের পক্ষেই থাকতে চাই। ইউনূস সাহেবকেও একজন নিপীড়িত মানুষ মনে করি। শেখ হাসিনার আমলে যারাই জেলে গিয়েছেন, তারা সকলে নিপীড়িত ছিলেন। কেউ রাজাকার, কেউ জঙ্গি, কেউ সন্ত্রাসী, কেউ রাষ্ট্রের শত্রু। কত কুৎসিত ট্যাগ দিয়ে মানুষকে জেলে রাখা হয়েছিল। শেখ হাসিনার পতনের দিন যখন জেলের তালা ভেঙে অনেক মানুষকে বের করে আনা হলো, তখন মনে হয়েছিলো, অবশেষে নিপীড়নের অবসান হলো।

তাহলে ইউনূস সাহেবের ক্ষেত্রেও একই মানবিকতা দেখানো যায় না কেন? একজন প্রবীণ মানুষ, নোবেল বিজয়ী, পৃথিবীর এত মানুষের শ্রদ্ধার মানুষ। তার ঘাড়ে আবার ৬৬৬ কোটি টাকার করের বোঝা চাপিয়ে এত কষ্ট দেওয়ার কী দরকার? তার ওপর ৬৬৬ কোটি টাকা এমন কী টাকা! এই দেশে তো ১৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগও উঠেছে। এত বড় বড় অঙ্কের গল্প যেখানে ঘুরে বেড়ায়, সেখানে ইউনূস সাহেবের ৬৬৬ কোটি টাকা নিয়ে এত মাতামাতি কেন ?

বড় ডাকাতদের হিসাব বাদ দিয়ে একজন নিপীড়িত মানুষের আয়করের হিসাব নেয়ার পিছনে রাষ্ট্রের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে? মানুষটির বয়সও তো কম নয়। এই বয়সে এসে আদালত, কর, মামলা, রায় এসব নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে কেন? তিনি নোবেল পেয়েছেন, পৃথিবী তাকে চেনে, বিশ্বনেতারা তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমন একজন মানুষকে একটু সম্মান দেখিয়ে ৬৬৬ কোটির হিসাবটাকে নোবেলের মর্যাদা অনুযায়ী মাফ করে দিলেই তো হয় !


ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে: হাইকোর্ট-জাগো নিউজ

https://www.jagonews24.com/law-courts/news/1155788


ফটোকার্ড ক্রেডিট : বিবিসি বাংলা


মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৪৬

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: যেহেতু লোড শেডিং চলমান এবার কিন্তু নোবেল কুমারকে নিশ্চিত ভাবেই সংশ্লিষ্ট কোর্ট/এনবিআর~বিল্ডিংয়ের সিঁড়ি ভাঙ্গতে হবে।

শয়নে স্বপনে তাকে ধাওয়া করে বেড়াবে শেষ না হওয়া অসংখ্য ধাপের সিঁড়ি। যতই সে দৌড়াবে ততই বাড়তে থাকবে শরীর সিঁড়ির ধাপগুলো, যেন তাকে গিলে খেয়ে নেবে...........

বিশ্বাস করেন আমি খুব কষ্ট পাচ্ছি.....

যেহেতু লোড শেডিং চলমান এবার কিন্তু নোবেল কুমারকে নিশ্চিত ভাবেই সংশ্লিষ্ট কোর্ট/এনবিআর~বিল্ডিংয়ের সিঁড়ি ভাঙ্গতে হবে।

শয়নে স্বপনে তাকে ধাওয়া করে বেড়াবে শেষ না হওয়া অসংখ্য ধাপের সিঁড়ি। যতই সে দৌড়াবে ততই বাড়তে থাকবে শরীর সিঁড়ির ধাপগুলো, যেন তাকে গিলে খেয়ে নেবে...........

বিশ্বাস করেন আমি খুব কষ্ট পাচ্ছি.....

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আজকে লীগের খুশি আর ধরে না ।

২| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫১

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ৬৬৬ কোটি টাকার কর আদায় করে সেটা হামের মহামারীতের এ যাবৎ মৃত ১০০০ শিশুর পরিবারের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে দেয়া হোক।

প্রতি পরিবার ৬৬.৬০ লাখ টাকার ক্ষতিপূরন পাবে।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আগে ১৮ বিলিয়নের হিসাব দেন । পরে ৬৬৬ কোটি টাকা হামে মারা যাওয়াদের দিয়েন ।

৩| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



নিরপেক্ষভাবে দেখলে, এখানে মূল প্রশ্ন ড. ইউনূস নোবেলজয়ী কি না, কিংবা তাঁর প্রতি কারও শ্রদ্ধা আছে কি না
তা নয়; মূল প্রশ্ন হলো, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য কি না। হাইকোর্ট গ্রামীণ কল্যাণের রিট খারিজ করে
এনবিআরের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দাবির পথ উন্মুক্ত করেছেন; তবে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে আপিল করার
কথাও জানানো হয়েছে।

আদালতের রায়কে সম্মান করা যেমন জরুরি, তেমনি আপিলের সাংবিধানিক অধিকারকেও সম্মান করা জরুরি।
দেখেন আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তার উপর থেকে বিশেষ নিরাপত্তার চাদরখানি উঠে যাওয়ার পুর্বে আপিল
বিভাগের মাধ্যমে বিষয়টিকে দ্রুততার সাথে মিটিয়ে নেয়ার জন্য এটা তারই নিজস্ব কোন চাল কীনা!!!! কথায়
বলে ধুর্তের কলের অভাব হয়না । তার চালের কাছে সবাইতো কুপুকাত !!!!

যাহোক শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশা একটাইপ্রভাবশালী হোক বা সাধারণ মানুষ, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান হোক বা ব্যক্তি আইনের
দাঁড়িপাল্লায় যেন পরিচয়ের নয়, কেবল সত্য ও ন্যায়েরই জয় হয় ।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দেশে এত ঋণখেলাপি, অর্থপাচারকারী আর ব্যাংক লুটেরা থাকতে বারবার ড. ইউনূস খানকে নিয়েই কেন এই টানাহেঁচড়া? যে দেশে গুণীদের সম্মান দেওয়া হয় না, সে দেশে গুণী মানুষ জন্মায় না।

৪| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৩৯

মাথা পাগলা বলেছেন: আবারো প্রমাণ হলো শেখ হাসিনা সঠিক ছিলেন। ইউনুস অসাধু লোক।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জ্বালা অন্তর জ্বালা ।

৫| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

বাটপার

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দেশে এত ঋণখেলাপি, অর্থপাচারকারী আর ব্যাংক লুটেরা থাকতে বারবার ড. ইউনূস খানকে নিয়েই কেন এই টানাহেঁচড়া? যে দেশে গুণী মানুষকে সম্মান দেওয়া হয় না, সে দেশে গুণী মানুষ জন্মায় না।

৬| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:২২

এইচ এন নার্গিস বলেছেন: আইনের চোখে সবায় সমান। "নোবেল পেয়েছে" তাই সব অন্যায় মাফ হয়ে যাবে এটা কেমন কথা ?

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: একটা নোবেল পাওয়া কোনো সাধারণ ঘটনা না । সবাই এটা পায় না ।

৭| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



ডঃ এম এ আলী ভাই বলেছেন - "বিশেষ নিরাপত্তার চাদরখানি উঠে যাওয়ার পুর্বে আপিল বিভাগের মাধ্যমে বিষয়টিকে দ্রুততার সাথে মিটিয়ে নেয়ার জন্য এটা তারই নিজস্ব কোন চাল কীনা!"
------------------------

১) আপীল বিভাগ মামলার কোন পক্ষের সাথে আঁতাত করতে পারেন, এমনটা কি মনে হয়েছে আপনার?
২) অতিতে এমন নজির কি আছে?

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: উনার লজিক টা খারাপ না । এই দেশে সব পসিবল। সামনে বুঝা যাবে পুরো বিষয়টা ।

৮| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩১

শাহিন-৯৯ বলেছেন:


বিএনপি ড. ইউনুচের পিছে লাগার একমাত্র কারণ হতে পারে গোপন তথ্য ফাঁসের আশাঙ্কা!!
বাজারে প্রচলিত আছে গত নির্বাচনে বিএনপিকে কারচুপি করে জিতিয়েছে কিচেন ক্যাবিনেট এই ক্যাবিনেটের সদস্য ড. রেজোয়ানার বক্তব্যে কিছুটা আভাস পাওয়া যায়। সন্দেহ আরো প্রকট হয়েছে কারণ সেই কিচেন ক্যবিনেটের অন্যতম সদস্য বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রী!!
বিএনপি আর ড. ইউনুচের ভিতর ডিল সম্ভবত বিএনপি মানছে না তাই ড. ইউনুচ গংদের কাছে রাখা তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয় থেকে আগে ভাগে তাকে জনগনের মুখোমুখি করা হচ্ছে ভিলেন হিসাবে উপস্থাপন করে যাতে তথ্য ফাঁস হলে পাবলিক বিশ্বাস না করে।

কতকিছু হতে পারে :D

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার কথা সঠিক হতে পারে ।

৯| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৪

শাহিন-৯৯ বলেছেন:



আপনার পোষ্টে হাম্বালীগের হাম্বাদের হাম্বা হাম্বা ডাক দেখে ভালই লাগছে।
হাম্বালীগ কখনো মানুষ ছিল না এরা কখনো মানুষ হবে না।
এরা আমৃত্য হাম্বালীগ থেকেই যাবে।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: উনারা এখন পথে পথে ।

১০| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০১

নিমো বলেছেন: আপনার মত অতি বুদ্ধিমানের টসব বোকার নত পোস্ট দেয়া মানায় না।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনারা লিখলে খুব মানায় ।

১১| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার রসিকতাটা একটু বেশি গাঢ় হয়ে গেছে বলে আপনার রঙ্গ করে বলা কথাগুলো মানুষ ধরতে পারছে না।

আদালতের এই রায়টা ইউনূসের লিখে দেওয়া হতে পরে, এর পরে আপিলে সব মাফ হয়ে যাবে। ইউনূসের ক্রিমিনালি সাধারণ অসাধারণ কোন মানুষের পক্ষে বোঝা সহজ নয়।

হাসিনা ইউনূসকে গালি দিত বলে মানুষ ভাবতো, ইউনূস ডাক্তার নিশ্চয়ই সাদা মনের মানুষ, নইলে হাসিনার মত হিংসুটে মহিলা তাকে কটু কথা বলবে কেন! :)

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এভাবে সব গোমর ফাঁস করা ঠিক না ।

১২| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬

নিমো বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনারা লিখলে খুব মানায়
সবাইতো আর আপনার মত গিরগিটি না। তাই মানায়।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হা হা । আপনি নিমো ভাই আসলেই ফানি ।

১৩| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: ইউনুস একটা ইতর। বদ লোক।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জ্বালা অন্তর জ্বালা ।

১৪| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: জ্বালা অন্তর জ্বালা ।

ছোট ভাই জ্বালা নয়। সত্যটা মেনে নিতে পারেন না আপনারা। সমস্যা এখানেই।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সব দোষ শেখ হাসিনার । তিনি ইউনুস সাহেব কে হিংসা করতেন ।

১৫| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৬

অর্ক বলেছেন: আপনার লেখায় মন্তব্য করে লাভ নেই। টিপিকাল ভোতা বুদ্ধির বাঙ্গু মোমিন। চিন্তাভাবনা, বুদ্ধির জগৎ খুবই সীমিত। ইউনুস প্রথম থেকেই একজন উচ্চাভিলাষী বাটপার মন্দ লোক। ক্লিনটন দম্পত্তির চামচামি করে নোবেল একটা বাগিয়েছে। ওটা ধুয়ে পানি খেয়ে জীবন ধন্য করেন। ওর নোবেলের এক পয়সা মূল্য নেই। ওখানে আমি পেশাব করি। ইউনুস, মালালা’র নোবেল যে সম্পূর্ণ ভূয়া এটা যাদের জানার তারা সবাই জানে। এরকম আরও আছে। বিশেষভাবে শান্তিতে যেসব নোবেল দেয়া হয়েছে, সেগুলোর বেশকিছু চরমভাবে বিতর্কিত ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সামান্য কিছু দরিদ্র মানুষ লাভবান হয়েছে ইউনুসের প্রোগ্রামে। ও নিজেও দাবি করে না, আমি দেশের জন্য হাতিঘোড়া করছি। ওর ক্ষদ্রঋণ, দারিদ্র্য বিমোচনের প্রোগ্রাম একটা আইডিয়া, ধারনা। ধান্দাবাজী, বাটপারি করে বিরাট অর্থবিত্তের মালিক হয়েছে, নোবেল বাগিয়েছে। ও বাংলাদেশের জন্য একটা অভিশাপ। হুট করে মন্তব্য করলাম। খারাপ লাগলে দুঃখিত। মোট কথা ওর নোবেল ভুয়া, ষড়যন্ত্র।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমার লেখায় সবাই মন্তব্য করতে পারবেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ সবসময় লাভের জন্য লেখে না। অনেকে নিজের ফ্রাস্ট্রেশন থেকেও একটু রিলিফ পাওয়ার জন্য লেখে। আপনি চাইলে ফ্রাস্ট্রেশন থেকে রিলিফ পেতে এখানে মন্তব্য করতে পারেন ।

১৬| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমাদের একমাত্র নোবেল বিজয়ী, তিন শূন্যের তত্ত্বের জনক,
সামাজিক ব্যবসার মাস্টারমাইন্ড, ক্ষুদ্রঋণের কিংবদন্তি।
একজন মানুষকে এত ভয় পাওয়ার কী আছে?

.........................................................................................
অত্যন্ত দু:খিত একজন নবেল লরিয়েট আজ নিজ দেশে
বাটপার , প্রতারক, লুটেরা, অর্থ লোভী হিসাবে চিহ্নিত হলেন ।
বাংলার কোমলমতি জনগণ এই কষ্ট কোথায় রাখবেন ?

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৭| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনার লেখনির অভিমুখ যেটাই হোক তার মেরিট ডিমেরিটে যাচ্ছি না। কিন্তু প্রকাশভঙ্গি ভালো লেগেছে। পোস্টে লাইক।

তবে ভাই ভুল বুঝবেন না।অন্য একটি প্রসঙ্গে- যেহেতু ড.ইউনুস সাহেব বাংলাদেশের রাজনৈতিক জগতেও জড়িয়ে গেছেন কাজেই সেখানে অর্থনীতির সঙ্গে নিজ অনুসারিত রাজনৈতিক দলের ড. ইউনুসের সম্পর্ক স্বভাবতই লেখনিতে প্রতিফলিত হবে। সেখানে ভিন দেশে থেকে অপযোগিতা বা উপযোগিতা খুঁজতে যাওয়া আহম্মকের বলে আমার ধারণা। ঠিক একই ভাবে ভারতে দুদিন ঘুরতে এসে বা বিদেশে বসে ভারতের রাজনীতির কচকচানি করা বা মোদিজিকে একবিংশ শতকের অবতার হিসেবে জাহির করা নেহাত মর্দা হাঁসের সারাদিন ফ্যাস ফ্যাস করে প্যাক প্যাক করার সামিল।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, চিন্তার খোরাক পেলাম।

১৮| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:০৮

কিরকুট বলেছেন: যতো যাই করেন, নুনুস ৬টাকাও দেবে না। দরকার হলে সে ট্রাম্পের সাথে এক বিছানায় রাত্রী যাপন করবে। গরীব মানুষের রক্ত চোষা টাকা, এটা কি ফেরত দেয়া যায়!?

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যে দেশে গুণীদের সম্মান দেয়া হয় না , সে দেশে গুণী জন্মায় না ।

১৯| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩২

নাহল তরকারি বলেছেন: ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে না দেখে আইন, ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগের সত্যতা ও আইনি সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হওয়া উচিত।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:২৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার সাথে একমত ।

২০| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আব আর এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শুকরিয়া ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.