নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ক্রিকেট পাগল

হারাতে বা ভেসে যেতে নয়,মিশে যেতে চাই সকল ভালোর মাঝে।

ফেলুদার বস্‌

কথায় নয়,কাজেই পরিচয়।

ফেলুদার বস্‌ › বিস্তারিত পোস্টঃ

খাজুর ছাড়া মুড়ি আলাপ : void(0);

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:০৭

এক সময় ছিল যখন মুড়ি খাবার হিসাবে সবার কাছে অবাদে মজাদার ও গ্রহণযোগ্য ছিল।যদি কোন দোস্তো তার আরেক দোস্তকে মুড়ি খেতে দেখত,তখন সে বলত কিরে একাই খাবি?তখন সেই দোস্তো বলতো আয় একসাথে মুড়ি খাই।আবার যদি কাউকে আপায়্যান করা হতো তাহলে মুড়ি অগ্রাধিকার হিসাবে রাখা হতো।সেই মুড়ি খেয়ে আবার তারা বলতেন ভাই আপনাদের মুড়িটা জটিল মজা।আহা...হা...কি মজা.........তাই গান গাইতে মুন চায় “গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু-মুসলমান......আগে কি সুন্দর মুড়ি খাইতাম আমরা...” void(0);void(0);



বর্তমান ফাস্টফুডের যুগে মুড়ি খাওয়া ব্যাপারটি হারিয়ে যাওয়া বা তার অস্তিত্তের সঙ্কটে পরেছে।আজকাল যুব-সমাজ বিশেষ করে মুড়ি খাওয়া ব্যাপারটি ইতিবাচক হিসাবে নিতে পারে না।মুড়ি খাওয়ার সাথে খুব আজেবাজে কথা যুক্ত করে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে টিটকারি মারে,যা খুবই দুঃখজনক।এখানকার পোলাপান একবস্তা মুড়ি পাইলেও এত খুশি হয় না,যতটা খুশি হয় একটা বার্গার পাইলে।তাই গান গাইতে মুন চায় “বোঝে না কেউতো চিনল না,বুঝে না মুড়ির কি বেথা......চেনার মত কেউতো চিনল না......এই মুড়িকে” void(0);



তাই “টুয়েন্টি নাইন” খেলার সাথে আজ আমরা ব্যাপক মুড়ি খাওয়া কর্মসূচী হাতে নেই।কিন্তু চিন্তার কথা হচ্ছে কেউ যদি মুড়ি খেয়ে বলে আমার কাছে ৬টা নাইন কার্ড আছে......তাহলে এইভাবে কর্মসূচী দিয়ে মুড়িকে কতটা টিকিয়ে রাখা যাবে তা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে চিন্তা-ভাবনা করা উচিত। void(0); void(0); javascript:void(0);

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:০৯

নুরুন নেসা বেগম বলেছেন: রোজা আসুক, দেখবেন মাইন্সে কেমনে মুড়ি খায়, বিক্রি /ব্যবসা করে!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.