নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার আবেগের জায়গা কবিতা। লিখে আনন্দ পাই। এগুলো কবিতা হয়ে ওঠে কিনা জানি না। তবে সত্যিই আনন্দ পাই। Don’t gain the world and lose your soul, wisdom is better than silver or gold... Bob Marley

তবুও আশায় বুক ভরা,আকাশ সমান স্বপন। গড়তে চাই পৃথিবী ব্যাপ্তি সম্পদ,দ্বীপ্ত শিকড়ে,প্রজন্ম ধরে চাই থাকুক, বিলাসিতা আকড়ে । মুমূর্ষু অবস্থায় আচ্ছন্ন, মোহ- মায়ার ইহকাল। ধরণীতে সুখ অন্বেষণে,বেমালুম ভুলে পরকাল। ,,,, রহমান লতিফ,,,,

› বিস্তারিত পোস্টঃ

বড় অবেলায় নীড়ে ফেরা

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৩১



প্রথমাংশ
(৪)
বাল্য বন্ধু শাহীন লন্ডন গেটউইক (Gatwick) বিমানবন্দরে মজনুকে রিসিভ করতে এলো।সেখান থেকে তাকে সোজা নিয়ে গেলো ইংল্যান্ডের কেন্টাবারী এলাকায়।
মজনু,লন্ডনে পা রেখে প্রথম প্রহরেই নিজে নিজেকে প্রশ্ন করলো,যে বয়সে বিয়ে করে সংসারী হওয়ার কথা সেই বয়সে আজ ভিন্ন পরিবেশে এসে নতুন করে সংগ্রাম করার কতটুকুই বা যৌক্তিকতা?বহিঃরাজ্যে জীবন সংগ্রামের মাধ্যমে সে কোন অভীষ্ট লক্ষ্যে গিয়ে পৌঁছবে?যে পথ বেছে নিয়েছে তা কি স্বেচ্ছায় আত্মাহুতির সমতুল্য নয়?

যাবার পথে কেন্টের(Kent) প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে বুঝলো কেন এই জায়গাটাকে ইংল্যান্ডের বাগান বলা হয়,কেন্টের রাস্তার চারদিকে ঢেউ তোলা পাহাড়ের দেয়ালে সবুজ আর সবুজ। গাছপালা ও পাহাড়ি পরিবেশে দিগন্ত ছোঁয়া সবুজের সমারোহ।চারিপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অসংখ্য স্কুল,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, দুর্গ,প্রাসাদ,ও গীর্জা যেন চোখ জুড়ানোর মতন স্বর্গীয় দৃশ্য।
বন্ধু শাহীন আরো যোগ করলো,ঐতিহাসিক মধ্যযুগীয় দুর্গ ডোভার ক্যাসেল কেন্টের অদূরে সমুদ্রতীরের খাঁড়া পাহাড়ের উপর অবস্থিত। আবার বিশ্বের দীর্ঘতম ইংলিশ চ্যানেল ট্যানেল এই কেন্টেই অবস্থিত।গভীর সমুদ্রের সুরঙ্গ পথ দিয়ে লন্ডন টু ফান্স ট্রেন চলাচল করে।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের দু' সপ্তাহের মধ্যে পরিচিত হলো কমর উদ্দীনের সাথে।অমায়িক ও বন্ধুবাৎসল কমর উদ্দীন কলকাতার তাড়াশংকর এলাকার ছেলে।সে বললো তার জানা মতে একটা (Pub)মদের বারে পার্ট টাইম কাজ আছে। মালিকে সপ্তাহে দু'দিনের জন্য ভালো লোক খোঁজছে।মজনুকে ঠিকানাটা দিয়ে বললো তুমি যোগাযোগ করে দেখতে পারো।
বিকালে ঠিকানা অনুযায়ী মজনু পৌঁছে গেলো সেই মদের বারে।ওয়েট্রেসের কাছে জানতে চাইলো মালিক আছে কি না?সে একটা কাজের জন্য এখনে এসেছে।ওয়েট্রেস তাকে অপেক্ষা করতে বলেই ভেতর দিকে চলে গেলো।

"কিছুক্ষণএকজন ভদ্রলোক এলেন যার ছিমছাম,শান্ত,বুদ্ধি-দীপ্ত চোখ,ছিপছিপে চেহারায় বাঙালীয়ানার ছাপ। বয়সের চেয়ে লোকটাকে অনেক বুড়ো দেখাচ্ছে।
আমার নাম সনজিত হাওলাদার সবাই আমাকে মিঃ হাওলাদার বলেই চিনে।
নিজের পরিচয় দিয়ে জানালেন এই মদের বারে সতের বছর থেকে শেফের কাজ করছেন।এরপর ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে মজনুকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলেন। মজনু সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দিলো ঠিকই কিন্ত মনে মনে বেশ বিরক্ত হলো আর ভাবছিলো বুড়োটা এখানকার শেফের কাজ করে সে কেন তার ইন্টারভিউ নিবে? যার সাথে দেখা করতে আসলাম সেই আসল মালিকের খবর নাই!
-এই লোকটা আবার কোন পার্ট নিতেছে নাতো?
পরক্ষনেই মজনু বেশ বিচলিত হয়ে ওঠে লোকটার পাল্টা প্রশ্ন শুনে,
-কার রেফারেন্সে এখানে কাজের জন্য এসেছো?
- জ্ঞী,কমর উদ্দীনে নামের কলকাতার একজন লোক।
- Oh Yes,He told me about you,
- তুমি বাংলাদেশ থেকে এসেছো! Right.
-জ্বী
- Lets speak in Bangla.
এই ব'লেই লোকটি তৃপ্তির হাসি দিলেন।বেশ শুদ্ধ বাংলায় পরিষ্কার কথা বলতে লাগলেন সেই সাথে তার রুক্ষ-সুক্ষ চেহারার আমূল পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলার প্রতি এত ভালোবাসা সাথে বাঙালীয়ানার বিন্যাস দেখে মিঃ হাওলাদার সাহেবের প্রতি মজনুর সম্মান বহুগুণে বেড়ে গেলে।
- শোনা চাচা,আমার পূর্ব পুরুষ এখানে আসেনি,আমার বয়স যখন বিশ তখন এদেশে আসি।দু মেয়ের দুজনেই ডাক্তার।মেয়ে দু'টো দু'জন ভিনদেশি ছেলে বিয়ে করে সুখেই আছে ৷
- আমি সতের বছর আগে এখানে কিচেন পটার হিসাবে কাজ শুরু করি।
- আচ্ছা,তারপর এখনো পর্যন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন!
- যদিও সতের বছর একটানা একি প্রতিষ্ঠানে কাজ করা খুবই কঠিন।
- তাতো অবশ্যই,
-সেই কঠোর পরিশ্রম ও অনেক সমালোচনা সহ্য করে আজ এখানকার পঁচিশ পাসেন্ট মালিক।
- যাক এই লোকটার তাহলে মালিকানা আছে।
- আমার পার্টনার একজন সম্মানিত ইহুদি ব্যক্তি যার আরো দশটি মদের বার আছে।মাঝে মাঝে এক-দুইবার দেখতে আসে।
- মূলত আমি ও ম্যানেজার এটার দায়িত্বে।
- তুমি কাল থেকে কাজ শুরু করো।
- কাল আমার ক্লাস আছে শেষ হবে বিকাল চারটায়।সপ্তাহে দুদিন আমার ক্লাস থাকে।
-কোন সমস্যা নেই ক্লাস শেষে করে আসো।
-বিকাল পাঁচটা থকে রাত এক ঘটিকা পযন্ত বিকেলের শিফট।
- যেহেতু তোমার ইংলিশে ভালো দখল আছে তাই তোমাকে ফুল টাইম কাজ দেওয়ার চেষ্টা করবো।
- আক্কেল আপনাকে কি বলে ধন্যবাদ দিবো কোন ভাষা জানা নেই।
- আপনাকে বিদেশের মাটিতে বাবার আসনে বসালাম।
- বড় বেশি ভালোবাসায় জড়িয়ে ফেললে মজনু।
- এসে ডিনার করে তারপর রুমে ফিরে যাও।আর যেহেতু বাবার আসনে বসালে তাই আগামী সপ্তাহ থেকে আমার এখানে চলে আসে।এই বারের উপরেই আমি থাকি।এখানে বিশাল রুম আছে।তোমার কোন ভাড়া দেওয়া লাগবে না যা লাগবে শুধু আমাকে মাঝেমধ্যে ইংলিশে থেকে বাংলায় কিছু অনুবাদ করে দিবে।
- কি অনুবাদ?
- তেমন এই কিছু না নিউজপেপার থেকে কিছু অনুবাদ করে দিবে।
(চলবে)

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৩৯

স্বপ্নীল ফিরোজ বলেছেন:
সুন্দর। আবারো পড়বো।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৪৬

বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

২| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৩৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: গত দিন এক মজনু পড়েছিলাম; আজকে আর এক মজনুর পরিচয় পেলাম। বেশ! পর্ব ভালোই আগাচ্ছে। আগামী অপেক্ষায় রইলাম। বেশ কিছু টাইপো আছে। আপনি আরো একবার পড়লে আশা করি সেগুলো ধরা পড়বে।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:২৫

বলেছেন: দাদা,
পর্ব টা বড় হয়ে গেছে শুধু চার নাম্বার রেখে বাকিটা এডিট করবো।

আপনার ই মেইলের জন্য ধন্যবাদ।।

৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: লেখায় একটু রসকষ দেন। পড়ে তো আরাম পেতে হবে।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৫৫

বলেছেন: প্রিয় ভাই,
বুঝতে পারছি আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন।

রসে ভরপুর এটি লেখা কোন একসময় লেখে ফেলবো।


ভালো থাকুন

৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:১৭

আরোগ্য বলেছেন: আচ্ছা প্রবাসী বাঙালিরা কি নতুন কোন বাঙালি দেখলেই কি এতো আন্তরিকতা দেখায়?
পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৩:২৩

বলেছেন: প্রিয় ভাই,
খুব সুন্দর একটা প্রশ্ন করেছো। আসলে বিদেশে কোন এক বাঙালি আরেক বাঙালির বিপদে যেভাবে সাহায্য করবে
বাংলাদেশ হলে মনে হয় সেই একি লোক সেইরকম সাহায্য করতো না।
মানুষ দূরে গেলে সম্পর্কে যেমন ফাটল ধরে
আর
ভিন দেশে দেশের মানুষ পেলে স্বভাবতই আন্তরিকতা বেড়ে যায়।

জীবন সুন্দর হোক। যেখানেই থাকি।

৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:২৮

রিম সাবরিনা জাহান সরকার বলেছেন: শুরুর আত্মপ্রশ্নটা আমারো প্রশ্ন।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৩:২৪

বলেছেন: এভাবেই হয়তো ভূল সময়ে ভূল সিদ্ধান্ত আমাদের জীবনকে বিষাদময় করে তুলে।

পাঠে ও মন্তব্য করার জন্য কৃতজ্ঞতা।

৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:৩৩

মুক্তা নীল বলেছেন: মজনু চরিত্রতে এসে হতাশ ও কস্ট লাগছে । দেশে-ই তো ভালো ছিলো বেশ। খুব ভালো লাগছে কাহিনীটা। দেখা যাক কি হয়।
অনেক রাত হয়ে গিয়েছে, কাল আবার পড়বো।
গল্পে ভালোলাগা এবং শুভ রাত্রি।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৩:৪২

বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম,

আশাকরি ভালো আছেন।

ভালো থাকুন সবসময়।

৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৩:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: চমৎকার গল্প , এর প্লটটিউ সুন্দর ।
শুভেচ্ছা রইল

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৩:৪৫

বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম মান্যবর,

আপনি গল্পটি পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা।

৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৬

জাহিদ অনিক বলেছেন: বাহ ! বিদেশ বিভুইতে জব মিলে গেল! এরপরের ঘটনা জানতে পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪১

বলেছেন: প্রিয় কবি,

সবকিছু মিলে যায় আবার অমিল থেকে যায় -


পাঠে ও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:২৪

জুন বলেছেন: সুন্দর ভুমিকা ল সেই সাথে কেন্টের নয়ন জুড়ানো প্রাকৃতিক দৃশ্য তুলে ধরেছেন অল্প কথায়। বুড়ো মিয়ার সাথে কি ভাবে ঘটনা এগিয়ে যাবে তার অপেক্ষায়।
+

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

বলেছেন: প্রকৃতির মেয়ে আপনার তো চোখ সবসময় প্রকৃতির রূপ খুজে!!


পাঠে ও সুন্দর করে মন্তব্য করারা জন্য একরাশ মুগ্ধতা।

ভালো থাকুন।

১০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৫

নতুন নকিব বলেছেন:



সুন্দর। +

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

বলেছেন: জুম্মা মোবারক প্রিয়াঙ্কা ভাই,


ভালোয় কাটুক আপনার দিনগুলো।

১১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৬

হাবিব স্যার বলেছেন:



গ্রামে একটা কথা আছে, "দেশের একটা কুকুরও যদি বিদেশে চোখে পড়ে তবুও নাকি শান্তি লাগে!"
খুব ভালো লাগলো এবারের পর্বটিও।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

বলেছেন: কবি আমার কবি,

কি দারুণ কাব্যিক মন্তব্য।


ভালোবাসা অবিরাম।

১২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: ল,




আসলে বিদেশে নিজের ভাষায় কথা বলা মানুষের দেখা পেলে মনটাই অন্যরকম হয়ে যায়!
সেরকমই কিছু এখানে। কারো জীবনের দিনপঞ্জী।
চলুক ..............

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

বলেছেন: শব্দের কারিগর আপনি পড়েছেন জেনে খুশি হলাম।


ভালল থাকুন প্রিয় কবি

১৩| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:২৩

নীল আকাশ বলেছেন: লতিফ ভাই,
শুভ সকাল।
কিছুটা ফ্রী হয়েছি।
আবার আপনার পর্ব গুলি পড়া শুরু করেছি।
কিছু বানান ঠিক করে দিতে হবে।
পরের পর্বে যাচ্ছি।
ধন্যবাদ

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৪৯

বলেছেন: আসলেই ইউ আর দ্যা গ্রেট।


লাভ ইউ।


ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন।

১৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৫১

অন্তরা রহমান বলেছেন: হুম। আসলেই কি বিদেশে অত সহজে কাজ পাওয়া যায়? মনে হয় না। একেবারে পারিবারিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা আছে কাজেই এটা একটু নাটকীয় হয়ে গেল। নাহ, এখানেই তো ভাবনা মিলল না। আর পোস্ট দিয়েছি তো তার পর (প্রথম পর্বের পূর্ব মন্তব্য দ্রষ্টব্য)। পড়েছেন আশা করি।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৩২

বলেছেন: আসলেই চাকরির বাজার সবজায়গায় কঠিন কিন্তু ইংল্যান্ডের ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট, মুদির দোকান, পাব, এগুলোতে Odd Job সহজেই পাওয়া যায় এটা সত্যি।

আপনার ভাবনা না মেলাতে পেরে লেখক দুঃখিত--- হা হা



ভালো থাকুন।

১৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বিশাল আশ্রয় !!
দেখা যাক কি হচ্ছে ......।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৩৪

বলেছেন: আপু,

আপনার মতো বিশাল কবির আগমন সবসময় ভালোলাগার।


নববর্ষের শুভেচ্ছা।

ভালো থাকুন।

১৬| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৪৫

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: লতিফ ভাই , না টুকরো গল্প পড়তেই মজা বেশী। গল্প এক সাথে কখনো শেষ করে উঠতে পারি না। গত বেশ কয়েকদিন থেকে ঠান্ড জনিত সমস্যা ভুগছি তাই পড়ায় তেমন মনো যোগী হতে পারিনি। আমি গল্প প্রিয় মানুষ। এবারের পর্বে প্রবাসীদের মানিবিক দিকটি লক্ষ্য করলাম। সবযায়গায় কিছু ভালো মানুষ দেখতে পাওয়া যায়। তাদের পিছনে আবার খারাপরাও কম নয়।

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:০৬

বলেছেন: ভাই আমার,

আপনি সময় করে এসেছেন জেনে খুশি হলাম।
টুকরো গল্প পড়তে আমারও ভালো লাগে চটজলদি শেষ করা যায় আর বড় গল্প সময় নিয়ে পড়তে হয়।

এখন তো সময়টা হলো যত দ্রুতগামী সম্ভব সবকিছু জানে নেয়া তবে বড় গল্প ছাড়া খুটিনাটি বিষয় উঠে আসে না

আপনার শারিরীক সুস্থতা কামমা করছি।

একসময় এ পৃথিবীতে থাকবো না আর লেখাগুলো থাকবে। এই ভাবনা থেকে এখন হলিডে চলছে সামনে রমজান ভাবছি বেশ কিছু লিখবো। আপনাদের মতো গুণীজনের উপদেশ পেলে ভালো লাগবে।

ধন্যবাদ,
ভালো থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.