নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে মানব! আর নয়তো দেরী; জেগে তুলে বিবেকের তরী করো হিংসার বলিদান। জন্মান্ধ হয়ে থেকো নাকো তুমি;মানুষ বলে হও বলিয়ান ।

তুমি জীবন খুঁজো সুখের নীড়ে, আমি জীবন খুঁজি দুঃখের ভীরে।,,, রহমান লতিফ,,,,

› বিস্তারিত পোস্টঃ

সঞ্চিত অভিজ্ঞতার নোট -০৪

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:১১



বন্ধুর কৃতজ্ঞতা ও থ্রি ডাব্লিউ।
--------------------------------------
শিক্ষা একটি পণ্য নাকি সেবা (Product or Service) নাকি উভয়ই (Both) হিসাবে অভিহিত করা যায় ? সেটা নিয়ে দ্বিমত থাকতে পারে। পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি থাকতে পারে। আবার মেধা পাচার (Brain drain) নাকি মেধা অর্জন (Brain gain) সে নিয়ে তর্ক থাকতে পারে। তবে মোদ্দাকথা বর্তমানে মুক্ত অর্থনীতির (Open Economy) যুগে শিক্ষা যে কেবল বানিজ্যের (Profit Businesses) একটি লাভজনক শাখা সেটা নিঃসন্দেহে বলা যায়।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ২০০৯ সালে পুরো বিট্রেন জুড়ে অর্থনৈতিক মন্দ (Recession) শুরু হয়, আর মন্দা কাটাতে তৎকালীন লেবার সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে স্টুডেন্ট নিয়ে আসার রাস্তা সহজতর করে।
ভাবতে পারেন মন্দা কি? বৃটেনে পর পর দু'টি অর্থ বছরে বিরূপ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বা নিম্নমুখী প্রবৃদ্ধির হারকে অর্থনৈতিক মন্দা বুঝায়। যার ফলে মানুষের ক্রয়- ক্ষমতা,জিডিপির হার,সঞ্চয়,গৃহস্থালি আয়,ব্যবসায়ার মুনাফা হ্রাসের প্রভাবে ব্যাংকি খাতে দেউলিয়াত্ব ও কর্মহীনতার রেইট বেড়ে যায়।
মন্দার সাথে ইমিগ্রান্ট স্টুডেন্ট নিয়ে আসার সম্পর্ক বা কি? সরকারের আভ্যন্তরীণ পদক্ষেপ হিসাবে অর্থের যোগান ও ক্রয় ক্ষমতা বাড়াতে বিদেশি স্টুডেন্টের ব্যবহার করা হয়। স্টুডেন্টরা এদেশের কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি, ভিসার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন খাতে অনেক অর্থের যোগান দেয় সেই সাথে বাসাভাড়া, জিনিসপত্র ক্রয়ের মাধ্যম ব্যাবসায়িক কার্যক্রমে গতি সঞ্চার করে মন্দা দূর করতে সাহায্য করে। তাই বলি, শিক্ষাকে ব্যবসার লাভজনক শাখা হিসাবেে অভিহিত করা মোটেই অযৌক্তিক নয়।

সরকারের মন্দ দূর করার সেই পলিসির সুযোগে বাংলাদেশ থেকে মেডিকেল,বুয়েট,পাবলিক,বেসরকারি বিশ্বাবিদ্যালয় থেকে শুরু করে সাটিফিকেট সংগ্রহধারী (Collected) অনেকেই ব্রিটেনে পাড়ি জমায়। যাদের একাংশ মেধাবী শিক্ষার্থী আরেক অংশ সুযোগ সন্ধানী।
তাদের মধ্যে মেধাবী দলের একজন আমার এক বন্ধু সালেহ। যে কিনা সরকারি ব্যাংকের সিনিয়র অফিসারের কাজ ছেড়ে চলে আসে লন্ডন। ২০০৯ সালের কোন এক মাসে তাকে হিথরো বিমানবন্দর থেকে নিয়ে আসার জন্য যাই। ব্যাংক অফিসারের মতো শার্ট- পেন্ট পরিহিত অবস্থায় সাথে একটি ব্যাগ নিয়ে সে বিমানবন্দর অবতরণ করে। তার শরীরের কাঁপুনি দেখে নিজের জ্যাকেটি পরিয়ে দিয়ে উপদেশ বাণী দিলাম,এই লন্ডনে সবাই বলে, নেভার বিলিব ইন থ্রি ডাব্লিউ,(Never believe in three W) W- weather, W- work, W- Wife, যে কোনো সময় ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। যেকোন সময় আবহাওয়া পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে তাই সবসময় শীতের কাপড় সাথে রাখবি।
এরমধ্যে অনেকদিন অতিবাহিত হলো, সালেহ'র সাথে বন্ধু হিসাবে সুসম্পর্ক অটুট থাকলো। যেকোন প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে একে অন্যে সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করতাম।
কিছুদিন আগে সালেহ আমাকে ফোন করে বলে আমার অফিসে আসতেছে। কিছুক্ষণ পরে দেখি সে আমার সামনে উপস্থিত।একটি ব্রাউন খাম আমার হাতে তুলে দিয়ে বলে এটা খুলতে হবে। আমি বললাম কি এমন গুরুত্বপূর্ণ চিঠি বন্ধু ! (এদেশে গুরুত্বপূর্ণ সরকারী অফিস থেকে ব্রাউন খামে চিঠি আসে)। সে বললো এটা তুই ছাড়া আমি খুলি নাই যদিও সলিসিটর থেকে আমি জানি এটা কি। আমি খুলে দেখি তার ইনডিফিনেট লিভ টু রিমেইন ইন দ্য ইউ,কে'র পারমিট (ILR)। সালেহ বেশ অনুনয় করে বললো,লন্ডনের আসার সেই প্রথম দিন তুই যে তোর জ্যাকেট আমাকে খুলে দিয়েছিলে তা আমি ভুলি নাই। এই রেসিডেন্সি পাওয়ার মূলে তোর অনেক অবদান। অনেকদিন আগের ছোট্ট কর্মটি বন্ধুর মনে রেখাপাত করার দরুণ কৃতজ্ঞতার দায় স্বীকার করার জন্য আমার দ্বারে ছুটে আসাতে আমি 'ভালোবাসার সুখে' সুখ সাগরে ভাসতে থাকি।

"ইউরোপ,আমেরিকা, কানাডা সহ উন্নত দেশগুলোতে দীর্ঘদিন থাকলে সে দেশের সরকার ভিনদেশীদের নাগরিকত্ব প্রদান করে, কিন্তু আরব দেশগুলোতে সারাজীবন থাকলে নাগরিকত্ব দূরে থাক মিসকিন অপবাদ দূর হয় না। এটা কেমন মানবাধিকারের ধারণা আজও বুঝতে পারি না"!!!

নোট -
১) দিনে দিনে আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্হা দুর্বৃত্তদের কুক্ষিগত সম্পত্তিতে পরিণত হয়ে যাচ্ছে।
২) নিজের কোন কর্ম সাধন কার মনে কখন কিভাবে রেখাপাত করে তা অনেকসময় অজানাই থেকে যায়।
৩) ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে 'ফাইভ ডাব্লিউতে' বিশ্বাস করা যায় না-
W- Work, W- Workers,W- Wealthy,W- Weather,W- Women,

আরো পড়ুন -
গড ইজ স্মাইলিংং টু'ডে, নোট -০১
ইউ আর এ পাকি বয় নোট -০২
একজন বিদেশীনীর বঙ্গ দর্শন -নোট - ৩

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৫৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল প্রিয় লতিফভাই,

সালেহকে শুভকামনা। এখন তার অবস্থান কোথায় জানতে ইচ্ছে করছে। শিক্ষা যে বাণিজ্যিক পণ্য- যুক্তিতর্ক ব্যতিরেখে বলবো লেখাটা ভালো হয়েছে।

শুভকামনা প্রিয় লতিফ ভাইকে।

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:০২

বলেছেন: শুভ সকাল দাদা,
আপনার দিনগুলো সুখে কাটুক এই কামনা।
সালাহউদ্দীন সালেহ আমার বন্ধু এখন বউ বাচ্চা নিয়ে লন্ডন আছে।

২| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:০৬

কলাবাগান১ বলেছেন: আজ বিবিসিতে দেখলাম স্টুডেন্ট ভিসা দুর্নীতি নিয়ে একটা প্রতিবেদন
Student visa cheat claims in the UK

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৫৯

বলেছেন: ধন্যবাদ লিংক দেওয়ার জন্য --


যেখানে ব্যবসা সেখানেই জাল, ভেজাল।

৩| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৩৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: ল,




কেউ উপকার পেয়ে যদি উপকারীর কথা মনে রাখেন তবে তা আনন্দদায়ক বৈকি। আপনার ক্ষেত্রে যেমনটি ঘটেছে।

আপনার নোটের প্রথমটির সাথে সহমত এবং পাশাপাশি বলি, শিক্ষা নামের এ পণ্যটি এখন ভেজালে ভরপুর।

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:০৫

বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় কবি,

আজকাল উপকার কেউ মনে রাখে না তার মধ্যে দু একটা ব্যতিক্রম আছে।

শিক্ষা নামক পণ্যটিতে অসাধু ব্যবসা-সম্পৃক্ত মানুষের খবরদারী অন্যতম কারণ। আমাদের স্কুল কলেজের পরিচালক দেখা যায় সরকারি দলের নেতা যার কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা যোগ্যতা নেই।


ভালো থাকুন।

সময় করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৪| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৫৩

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: শিক্ষা আজ ব্যবসায় পর্যবসিত হয়েছে। সাধারণত মেধাবীরা দেশে থাকতে চায় না। শিক্ষা ক্ষেত্রেও দূর্নীতির প্রাদূর্ভাব দেখা যায়।

প্রত্যেকটা নোটের লাস্ট শব্দটা দেখলাম। এটা এখন সত্য হয়ে গেছে।

আপনার মূল্যবান অভিজ্ঞতা শেয়ারের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ :)

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:১০

বলেছেন: বাহ, অনেক সুন্দর করে মন্তব্য করারা জন্য একরাশ মুগ্ধতা।।



মানবিক শিক্ষা হোক সবার আগে।

ভালো থাকুন।

৫| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:২২

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: অনেক ভালো ব্যাপার নিয়ে লিখেছেন।

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:১১

বলেছেন: ব্যপারটি নিয়ে বড় একটা আর্টিকেল লেখা যায়।।
আপনার তো প্রবন্ধ লেখার হাত অনেক ভালো একটি লিখে ফেলুন।


ভালোবাসা রইলো।।

৬| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:০৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: শিক্ষা ব্যবসা বটে তবে আমাদের হাতে পড়ে হয়েছে নিম্নমানের প্রতারণায় পূর্ণ!
খাদ্যে ভেজাল, ঔষুধে ভেজাল এমনি সব কিছূর মতো শিক্ষাও হয়ে গেছে ভেজালে পূর্ণ!

আপনি ভাগ্যবান -কৃতজ্ঞ বন্ধু পেয়েছেন। :)

সবচে কষ্টের কি জানেন ভায়া? মানুষ হওয়ার শিক্ষা ছাড়া বুঝি এখন সবই পাওয়া যায়, পণ্যের মোড়কে!
সিরিজে ভাললাগা

++++++++++

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:১৪

বলেছেন: মানুষ হওয়ার শিক্ষা ছাড়া বুঝি এখন সবই পাওয়া যায়, পণ্যের মোড়কে! ---- আমার দেখা শিক্ষা নিয়ে সময়ের সেরা উক্তি।।


মাঝে মাঝে দু একজন কৃতজ্ঞতা দেখায় তাইতো পৃথিবী এত সুন্দর।

সিরিজের ভালোলাগা ও এতগুলো প্লাসে রাজীব নুর ভাইয়ের সম্পূর্ণ অবদান সাথে আপনাদের অনুপ্রেরণা।

ভালো থাকুন।

ধন্যবাদ নিরন্তর।।

৭| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:১০

নীল আকাশ বলেছেন: I also believe 3W, specially in 2 W out of 3.
আপনার আজকের লেখাটা পড়ে মন কিছুটা ভাল হলো। গতকালকে আমার দেয়া পোস্টটার কিছু মন্তব্য পড়ে
মন খুব খারাপ হয়েছিল।
বন্ধুত্ব চিরদিনের।
আপনার এত দারুন অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ারের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
শুভ কামনা রইল।

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৭

বলেছেন: অপ্রকৃতিস্থ লোকের সাথে তর্কে জড়ানোই বোকামি তাই মন খারাপ না করাটাই শ্রেয়।

একজন নীল আকাশের আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তা তার ভালো ব্যবহারের জন্য যা অনেকের কাছে ঈর্ষার কারণ।

লেখাটাতে আপনার মন ভালো হওয়াতে সার্থকতা।

ভালো থাকুন।

৮| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:২৮

করুণাধারা বলেছেন: শিক্ষা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন চমৎকার; বৃটেনের উদাহরণ দিয়ে এটা ভালোভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন।
আপনার বন্ধুর গল্প পড়ে একটা কথা মনে পড়ল। বিদ্যাসাগরের (সম্ভবত) একটা উক্তি আছে," আমিতো অমুকের কোন উপকার করি নাই, সে আমার এই ক্ষতিটা করল কেন?"......... সাধারণত উপকারীর ঋণ বেশিরভাগ মানুষই শোধ করে কোন ক্ষতি করে দিয়ে। আপনার বন্ধু ব্যতিক্রম।

বাংলাদেশের জন্য যে পাঁচটি ডব্লিউ বলেছেন, তার অধিকাংশের সাথেই আমি একমত...........

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪১

বলেছেন: শিক্ষা সম্পর্কে সামান্য যা উপলব্ধি ছিলো তাই শেয়ার করলাম।
আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
কেউ কেউ আঘাত করে অযাচিত
কেউ কেউ অবলীলাক্রমে দেয় উপদেশঘটিত বিবাদ
অহরহ ঘটে মনের বিচ্ছেদ ঘটে
তবুও বেঁচে থাকে বন্ধুত্বের বন্ধন।।।

ভালোবাসা অবিরাম।

৯| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৩৪

মুক্তা নীল বলেছেন: ল ভাই
কি পড়বো আর কি মন্তব্য করবো মনটাই ভালো নাই তা তো আপনি ভালো করেই জানেন। কিছু কিছু মানুষের মন মানসিকতা কোনদিনও বদলাবে না।
কৃতজ্ঞতা মানলাম, শিক্ষাব্যবস্থায় আচ্ছা কিন্তু ডব্লিউ এর ব্যাপারে আপনি নিজেই এত দ্বিধাহীন কেন ঘটনা কি?
সফলতা কামনা করে সাথেই আছি।

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৮

বলেছেন: কারো কোন কথায় মন খারাপ নয় বরং মনটাকে শক্ত করে শক্তি সঞ্চয় করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

কে কি বললো তাতে কি বা যায় আসে -
কে আমি তা জানি আমি নিজে।

হা হা --
কাজ - কখন কাজ যায় তার কোন ঠিক ঠিকানা নাই।
কাজের লোক - বাংলাদেশে আজকাল কাজের লোক পাওয়া যায় না যা দু একজন কাজ করে তারা নিজেকে নিয়েই ব্রত থাকে। কাজে গিয়ে ফেবু, আড্ডা এসব করে দিন শেষ।
সম্পদশালী - এসব লোক কখন যে পল্টি মারে তার কোন বাছবিচার নেই।
আবহাওয়া - এখন আর ছয়টি ঋতু দেখা যায় না, এই মেঘ, এই রৌদ্র।
রমনী - বহুরুপে বিরাজমান আর হিংসাত্মক নৈরাজ্যর রাণী।

নিজস্ব মতামত।
আপনি তাদের দলের নয় আমার বন্ধু সালেহ'র দলে ব্যতিক্রম।।।
মন ভালে হোক এই কামনা।।
নিরন্তর শুভেচ্ছা।

১০| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
জীবনের অভিজ্ঞতার মূল্য অনেক ।

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৯

বলেছেন: সময় করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ প্রিয় ভাই।

ভালো থাকুন।

১১| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:১২

নতুন নকিব বলেছেন:



খুবই সুন্দর লিখেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে। মন্তব্য প্রতিমন্তব্যগুলোও দেখলুম।

শিক্ষা ব্যবস্থার বানিজ্যিকিকরণচিত্র এখন সম্ভবত পৃথিবীর ধনী দরিদ্র সব দেশেরই অনাকাঙ্ক্ষিত বাস্তবতা। তবে এই বানিজ্যেও আমাদের স্বাতন্ত্র্য উল্লেখ করার মত। আমরা এখানেও ভেজাল মিশিয়ে দিয়েছি, বেশি লাভের আশায়। আমাদের বানিজ্যলোভী কিছু মানুষের হাতে পরে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাটাই আজ বিবিধ সমস্যার আবর্তে জর্জরিত, বহুধাবিভক্ত।

ভালো থাকুন সবসময়।

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:১৬

বলেছেন: আপনার মন্তব্য অবশ্যই প্রণিধানযোগ্য..

শিক্ষা ব্যবস্হার দুর্বিষহ বাস্তবতা হলো, বেশি মুনাফা লাভের আশায় হোক
আর ক্ষমতার পালাবদলের মাধ্যমে একটি অশিক্ষিত জাতি গড়ে তুলার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হোক আমাদের যে সেফুদা জেনারেশন তৈরি হচ্ছে তা অস্বীকার করারা জো নেই।



আপনার সুক্ষ ও সুচিন্তিত মতামতের জন্য কৃতজ্ঞতা।

ভালো থাকুন।

১২| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
উন্নত দেশগুলোতে দীর্ঘদিন থাকলে সে দেশের সরকার ভিনদেশীদের নাগরিকত্ব প্রদান করে, কিন্তু আরব দেশগুলোতে সারাজীবন থাকলে নাগরিকত্ব দূরে থাক মিসকিন অপবাদ দূর হয় না।

আরবরা বর্বরই রয়ে গেল।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:২০

বলেছেন: লন্ডনের অভিজাত এলাকায় প্রায় দেখা যায় আরবের বখরীরা দামী গাড়ির মহড়া দেয়। অনেক গাড়ির মূল্য ১০০ ২০০ হাজার পাউন্ড। আরবদের বিলাসিতা, নারী ও শুরা এগুলোতে মত্ত থাকতে দেখা যায়।

এদের হেদায়েত কি আদৌ হবে না -


পড়ার জন্য ধন্যবাদ প্রিয় ভাই।

ভালো থাকুন।

১৩| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:২৬

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন প্রিয় লতিফ ভাই।
আমরা শিক্ষা ব্যাবস্থাকে পন্য এবং সেবা উভয়ে হিসেবে অভিহিত করতে পারবো।আর এটা খুবই কমন যে বাংলাদেশে সেবা নামক শিক্ষা ব্যবস্থার পেছনে লুকিয়ে আছে পন্য নামক ভাইরাস।যার ফলে এদেশের স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আধিকাংশ হারে বের হয় সার্টিফিকেট এবং মেধা অক্ষির অগোচরেই রয়ে যায়। এদেশে মেধাবীদের মূল্যায়নই বা কতটুকু আছে আমার জানা নেই।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:২১

বলেছেন: আপনার মতো আমারও ধারণা তাই -- জানা নেই, জানা হবে না।

সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।


ভালো থাকুন।

১৪| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:০৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



লতিফ ভাই, আমার মন্তব্যটি পাচ্ছি না!! ভুলে হয়তো ডিলেট হয়ে গেছে।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:২২

বলেছেন: মনে হয় নেটের সমস্যার জন্য আপলোড হয় নাই।
আপনার মতামত জানাটা অপরিহার্য।

দয়াকরে আবার দিবেন।

১৫| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:৫০

আরোগ্য বলেছেন: বড় ভাই আপনার জন্য অনেক শ্রদ্ধা ও আপনার পরিবারের জন্য অনেক দোয়া রইলো।

সঞ্চিত অভিজ্ঞতার নোট চলুক।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:৫৭

বলেছেন: সেইম টু ইউ,,,।

ভালোবাসা অবিরাম অন্তহীন।।।


ধন্যবাদ নিরন্তর প্রিয় ভাই

১৬| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:০২

সুমন কর বলেছেন: 3 W থেকে 5 W !! সিরিজটি পড়ে অনেক কিছু জানা এবং উপলব্ধি করা যাচ্ছে। চলুক........
+।

০৩ রা মে, ২০১৯ ভোর ৬:১৬

বলেছেন: প্রিয় দাদা,

আপনার এমন সুমিষ্ট মন্তব্য পেয়ে নোটবুক লেখায় আরো উৎসাহিত হলাম।

সিরিজটি আপনিসহ অনেকেরই ভালোলাগায় মুগ্ধ।


আপনার কথা বন্ধু কাওসার চৌধুরীর কাছ থেকে জেনেছি আপনি একজন সাদা মনের মানুষ।

ভালোবাসা অবিরাম।
ভালো থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.