নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে মানব! আর নয়তো দেরী; জেগে তুলে বিবেকের তরী করো হিংসার বলিদান। জন্মান্ধ হয়ে থেকো নাকো তুমি;মানুষ বলে হও বলিয়ান ।

তুমি জীবন খুঁজো সুখের নীড়ে, আমি জীবন খুঁজি দুঃখের ভীরে।,,, রহমান লতিফ,,,,

› বিস্তারিত পোস্টঃ

মে দিবসে- কৃঞ্চবর্ণ চিঠি

০২ রা মে, ২০১৯ ভোর ৪:২৫


পারম্ভিকতাঃ
আজ মহান 'মে দিবস' বা May day। যাদের জন্য এই দিনটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়,যাদের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, শ্রম, ঘামের ফসল আজকের মে দিবস,সেই শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সংহতি এবং উৎসবের দিনটি শ্রমিক-শ্রেণির কাছে অজানাই রয়ে আছে।
শুরুর ঘটনাঃ
---------------
প্রতিটি প্রাপ্তির পিছনে থাকে আত্মদান,আত্মহুতি ও কঠিন সংগ্রামের ইতিহাস। আটার শতকের মাঝামাঝি ইউরোপে ছিলো শিল্প বিপ্লব ও পুঁজিবাদী বিকাশের প্রাথমিক যুগ। অমানবিক জুলুম, বিরতিহীন পরিশ্রম তখন শ্রমিকদের নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনা যেখানে ছিলো না কোনো নিদিষ্ট শ্রমঘণ্টা ও ন্যূনতম মজুরির নিশ্চয়তা। সেই অপ্রাপ্তি ও বঞ্চনা শুরু হয় দ্রোহ ও ক্ষোভ।
আন্দোলনের প্রক্রিয়াঃ
আমেরিকার কয়লা শ্রমিকরা অসংগঠিতভাবেই অনধিক ১০ ঘণ্টার শ্রমঘণ্টা নির্ধারণ ও আরো আনুষাঙ্গিক দাবিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রাথমিক আন্দোলন শুরু করে।
১৮৮০-৮১ সালের দিকে শ্রমিকরা প্রতিষ্ঠা করে Federation of Organized Trades and Labor Unions of the United States and Canada [১৮৮৬ সালে নাম পরিবর্তন করে করা হয় American Federation of Labor]। এই সংঘের মাধ্যমে শ্রমিকরা সংগঠিত হয়ে শক্তি অর্জন করতে থাকে। ১৮৮৪ সালে সংঘটি '৮ ঘন্টা দৈনিক মজুরি' নির্ধারনের প্রস্তাব পাশ করে এবং মালিকও বনিক শ্রেণীকে এই প্রস্তাব কার্যকরের জন্য ১৮৮৬ সালের ১লা মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়। 
১৮৭৫ খ্রিঃ যুক্তরাষ্ট্রেরপেনসেলভেনিয়ার কয়লা খনি শ্রমিকদের সংঘর্ষে ১০ শ্রমিক নিহত হন। ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১ মে আমেরিকার শিকাগো শহরে ১০ ঘণ্টার নীচে শ্রমঘণ্টা নির্ধারণের দাবিতে শ্রমিকদের একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি যেই মুহূর্তে শহরের কেন্দ্রস্থল 'হে' মার্কেটের কাছে পৌঁছলো ঠিক তখনি সৈনিকরা বাধায় তুমুল সংঘর্ষ বেধে যায়। সৈনিকদের বেপরোয়া মনোভাব ও মুহুমুহু গুলিতে বহুসংখ্যক শ্রমিক নিহত ও আহত হন। শ্রমিকদের রক্তে ভেজা শার্ট নিয়ে আন্দোলনের দাবানল তীব্র ছড়িয়ে পরে । শ্রমিকদের রক্তে রঞ্জিত পোশাক শোক শক্তিতে পরিণত হয় । ধর্মঘট ও প্রতিবাদ মিছিল চলে ৫ মে পর্যন্ত। ইতোমধ্যে ৩ মে ৬ জন এবং ৫ মে আরও ৪ জন শ্রমিক পুলিশের গুলিতে নিহত হন। গ্রেফতার হন শত শত শ্রমিক। পরবর্তীকালে যাদের অনেককেই মৃত্যুদন্ডের মাধ্যমে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয় ।
স্বীকৃতি -
১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকান American Federation of Labor উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সেন্ট লুইস শ্রমিক সম্মেলনে কাজের সময় ৮ ঘণ্টা নির্ধারণের দাবিতে ‘মে দিবস’ পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে প্যারিস সম্মেলনে ১ মে তারিখটিকে দেশে দেশে শ্রমিক-শ্রেণির আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত না হলেও ১৮৯০ সাল থেকে ইউরোপের দেশে দেশে শ্রমিক-শ্রেণী পহেলা মে। মে দিবস পালন করে আসছে।
প্রাথমিকভাবে গুটি কয়েক দেশে 'মে দিবস' পালন হলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘ পহেলা মে-কে সর্বজনীন শ্রমিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। অতঃপর অনেক দেশ এই দিনটিকে রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা করে। পরবর্তীতে, বিশ্বজুড়ে শ্রমিক সংগঠনগুলো পহেলা মে ‘বাধ্যতামূলকভাবে কাজ না করার’ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে পহেলা মে হয়ে উঠে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস।
আজকের পেক্ষাপটঃ
আজকের রানা প্লাজা, এম, আর টাওয়ার ও কয়লা খনি, গার্মেন্টস শিল্প সহ বিভিন্ন ছোট বড় কলকারখানা দুর্ঘটনা ঘটলে শ্রমিক পরিবার কতটুকু সাহায্য সহযোগীতা পেয়ে থাকে। বাংলাদেশের শ্রমিকরা কি নূনতম মজুরি ও কাজের সময়সীমা আজ পযর্ন্ত পেয়েছে। শ্রমিকদের আন্দোলনের মাধ্যমে মে দিবস পেলেও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আজও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়নি।
প্রস্তাবনাঃ
১) শ্রমিকদের প্রতি বৈষ্যমের মূলনীতি পরিহার করে শ্রমিকবান্ধব আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা।
২) শ্রমকদের নূন্যতম মজুরী প্রদান করতঃনূনতম মজুরির বিধান নিশ্চিত করার জন্য আইনের যথাযথ কার্যকর করা।
৩) শ্রমিক কল্যাণ তহবিল গঠন।
৪) শিশু শ্রম বন্ধ করা।
৫) সরকারী ও বেসরকারীভাবে মহিলাদের মাতৃকালীন ছুটি অবস্থায় ছয় মাস বেতনের পুরো অংশ প্রদান করা।
৬) কর্ম ক্ষেএে নারী বৈষম্য নিরোধ করতে হবে।
৭) কর্ম ক্ষেএে নারীদের জন্য আলাদা টয়লেটের ব্যবস্হা করতে হবে।
৮) শ্রমিকদের জন্য শক্তিশালী শ্রমিক সংঘ প্রতিষ্ঠাতা করে তাতে সরকারের খবরদারি বন্ধ করতে হবে।
৯) কোন শ্রমিকের আকস্মিক মৃত্যু ও দূর্ঘটনার শিকার হলে তার পোষ্যদের জন্য চাকরির সুবিধা, পেনশন,ভাতার সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।
১০) শ্রমিকদের অসুস্থতা, উৎসব, মেডিকেল লিভ সহ কাজে সাময়িক অনুপস্থিতে বেতন কর্তন রহিত করতে হবে।

যাদের ঘামে আজকের ইট পাথরের এ শহর, যাদের যাদুর পরশে আঁধার হয় আলোকিত, তাদেরকে আপন করে বুকে টেনে নেই,শেষ হোক বৈষম্য ও দৈন্যতার দিন, এটাই হোক মে দিবসের অঙ্গিকার।


হে মানুষ!
নৈতিক ও আদর্শিক চরিত্রের ভিত্তিতে চিন্তা ও পরস্পারিক সহযোগীতা বিকশিত করো,
সাম্য-মৈত্রীর কোমল স্পর্শে দূর হোক মনের কালিমা,বৈষম্য আর অন্ধকার জরা যত।
অজ্ঞতা,দুঃখ,গ্লানি ও বিভেদের আবর্তে নিমজ্জিত থাকা বর্বরের হিংস্রনীতি,
তা'যে অধিকার ও মর্যাদা হারানোর'সংকেত অশনি'।
সংকীর্নতা,অনাস্থা,অবিশ্বাস,স্বেচ্ছাচারী ও অহংকারের গভীর গর্ত থেকে বের হয়ে-
বাড়াও বর্ণিল সম্প্রীতির সৌন্দর্য।
দয়া-ভালোবাসার প্রবল খরা ছিন্ন করে - আলোকিত হোক প্রতিটি জীবন,
মানবতাবোধ জাগ্রত হোক প্রতিটি প্রাণে - বয়ে যাক শান্তির প্লাবন।
আজ বিরোধিতার স্বার্থে বিরোধিতা নয়!
বরং
জ্ঞান,চারিত্রিক মাধুর্যতা,বিনয়,ভদ্রতা,সমঝোতা,বোঝাপড়া ও আস্থাতেই---
ব্যক্তি,সমাজ,ও রাষ্ট্রের কল্যাণ নিহিত রয়।
''মানুষ আমি এটাই হোক আমার বড় পরিচয়'

--- রহমান লতিফ-----

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা মে, ২০১৯ সকাল ৮:২৯

হাবিব স্যার বলেছেন: শ্রমিকেরা অবহেলিতই রয়ে গেল..........

০২ রা মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১৯

বলেছেন: এটাই নিয়ম,
শাসক আর শোষিত এই দুটি দলই বিদ্যমান।
শোষিতরা আজীবন দিয়ে গেলো শ্রম পেলোনা কোম দাম।


পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

ভালো থাকুন।।

২| ০২ রা মে, ২০১৯ সকাল ৮:৫০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল প্রিয় লতিফ ভাই,

মে দিবসের জন্ম বৃত্তান্ত, দেশের প্রেক্ষাপটে তার সাযুজ্যতা এবং সুন্দর প্রস্তাবনা মুগ্ধ হলাম। খুব ভালো লাগলো যুক্তিতর্কের আঙ্গিকে লেখাটিকে আজকের দিনে প্রাসঙ্গিকতা করতে। সবশেষে থিম কবিতাটিও চমৎকার লাগলো। তবে ওটা আপনি পৃথকভাবে পোস্ট আকারে দিতে পারতেন।

জাতিসংঘ ঘোষণা করেছেন। বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই মে ডে সেলিব্রেট করা হয়। কিন্তু আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে কি মে দিবস পালন করা হয়?

অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা প্রিয় লতিফভাইকে।

০২ রা মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৩

বলেছেন: প্রিয় ভাই,

কবিতাটা আলাদা পোস্ট দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু সবশেষে এটা সংযুক্ত করে দিলাম।

কোন এক সময় কবিতটা আলাদা পোস্ট দিবো। সাজেশনের জন্য ধন্যবাদ।

৩| ০২ রা মে, ২০১৯ সকাল ৯:০৯

মুক্তা নীল বলেছেন: ল'ভাই,
শুভ সকাল।
এত সুন্দর পোস্ট গতকাল দিলেন না কেন?শ্রমজীবী মানুষের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে, অনেক শ্রমিককে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে তারপর এই মে দিবস । আর আপনার পোষ্টের মাধ্যমে পুরো ইতিহাস নতুন করে জানা হল আবার।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইল।

০২ রা মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৪

বলেছেন: হা হা,
আমাদের তো আজকে ১ লা মে তাই আজ দিলাম।


বরাবরের মতো সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

শুভ কামনা।

ভালো থাকুন।

৪| ০২ রা মে, ২০১৯ সকাল ৯:১৩

মুক্তা নীল বলেছেন:
হে মানুষ-- নিচের কবিতাটা অসাধারন সুন্দর।

০২ রা মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৫

বলেছেন: কবিতাটা তো তাহলে আলাদা পোস্ট দিতে- ই - হয়!!!

উৎসাহ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা।

শুভ কামনা।


৫| ০২ রা মে, ২০১৯ সকাল ১০:৪৯

পবিত্র হোসাইন বলেছেন:


গাহি সাম্যের গান–
মানুষের চেয়ে কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান ,
নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ
ধর্মজাতি,
সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের
জ্ঞাতি ।

-কাজী নজরুল ইসলাম

০২ রা মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৬

বলেছেন: সাম্যাবস্থা কি আর আছে শুধু গান ই গাই।
বিখ্যাত লাইনগুলি কোট করার জন্য ধন্যবাদ।



ভালো থাকুন।

৬| ০২ রা মে, ২০১৯ দুপুর ১২:১৬

নীল আকাশ বলেছেন: লতিফ ভাই,
চমৎকার পোস্ট। বেশ খাটাখাটনি করে লিখেছেন পড়ার পর মনে হলো।
নীচের কবিতাটা ভালো লেগেছে। তবে শেষে শ্রমিকের ঘাম শুকিয়ে যাবার আগে তার পাওনা শোধ করার
যে হাদিস আছে সেটা ভিতরে দিয়ে দিন।
ধন্যবাদ।

০২ রা মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৭

বলেছেন: প্রিয় ভাই,
ইসলামের দৃষ্টিতে শ্রমিক ও শ্রম আইন নিয়ে একটা লেখা পোস্ট করা যায়।


সময় করে পড়ার জন্যধন্যবাদ।


ভালো থাকুন।
গত পোস্টে একটা কবিতা দিয়েছিলাম আপনি পড়েছেন কি না জানাবেন!!

৭| ০২ রা মে, ২০১৯ দুপুর ১:৩৫

রাকু হাসান বলেছেন:

পোস্ট পড়ে তৃপ্তি পেয়েছি ভাইয়া । আপনার প্রস্তাবনা গুলো ভালো লাগছে । সুন্দর এবং আমি আপনার সাথে একমত । পটভূমি সম্পর্কেও ভালো ধারণা পেলাম পোস্ট থেকেও । ভোগের বাংলাদেশের এইগুলো বাস্তবায়ন হলে ভালো হত । শ্রদ্ধা রইলো অামার ্

০২ রা মে, ২০১৯ রাত ১০:০০

বলেছেন: সময় করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
আসলে গতকাল রেডি শুনছিলাম তাতে একটা অনুষ্ঠান চলছিল -- মে ডে, পে ' ডে, হলিডে এসব নিয়ে তারপর কিছু ঘাটাঘাটি করে এই পোস্টটা দিলাম।
তোমার এমন মূল্যায়নে আনন্দিত হলাম।
ভালো থেকো ভাই আমার।

শুভ কামনা।

৮| ০২ রা মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৩১

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: প্রিয় লতিফ ভাই, লেখা সুন্দর হয়েছে। প্রস্তাব ভাল লেগেছে।

কিন্তু জানেন কি...? আমাদের এই চিল্লানিতে কিছুই আসে যায় না....


অনেকেই দেখবেন শ্রমিক দিবস শ্রমিদ দিবস বলে চিল্লায়। বাস্তবে এরার শ্রমিকদের অধিকার বঞ্চিত করে নিজের ব্যাংক ব্যালেন্সে টাকার পাহার বানায়।

কাজী নজরুল ইসলাম এর সেই কুলি মজুর কবিতার কথা মনে পড়ে গেল। অনেক কিছুই বলার ছিল। বলতে পারছিনা কেন জানি...

০৩ রা মে, ২০১৯ রাত ৩:২০

বলেছেন:

প্রিয় ভাই
অনেক কথাই বলার ছিলো বলা হয় না
কেউ শুনুক আর না শুনুক আমরা বলি আমাদের কথা৷

।সময় করে পড়ে গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

ভালো থাকুন।

৯| ০২ রা মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: নজরুলের ভাষায় বলতে হয় "এমনি ক'রে কি জগৎ জুড়িয়া মার খাবে দুর্বল? "

০৩ রা মে, ২০১৯ রাত ৩:২০

বলেছেন: নজরুল কেন।
আপনার নিজের ভাষায় কিছু শুনতে চাই।


ভালো থাকুন।

১০| ০২ রা মে, ২০১৯ রাত ৯:১২

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: শ্রমিকদের কষ্ট দেখাও কষ্টের ব্যাপার।
আমি দোয়া করি পৃথিবীর সমস্ত শ্রমিকরা যেন সুখে ও সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করে যেভাবে রাসূল (সঃ) শিখিয়েছেন আমাদেরকে।

০৩ রা মে, ২০১৯ রাত ৩:২১

বলেছেন: আমি নিজেও শ্রমিক কে দেখবে আমার কষ্ট।
উপরওয়ালার হাতে সব ছেড়ে দিলাম।

ভালো থাকুন।

১১| ০৩ রা মে, ২০১৯ রাত ১২:৫৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



প্রিয় লতিফ ভাই;
মে দিবস নিয়ে চমৎকার এ লেখাটির জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব আমাদের জানা হলো। আমরা চাই সকল শ্রমজীবী মানুষ ন্যায্য অধিকার পাক। মালিকরা তাদের উপযুক্ত মজুরী নিশ্চিত করবেন এই প্রত্যাশা রইলো।

০৩ রা মে, ২০১৯ রাত ৩:২৩

বলেছেন: আমার অনেক লেখায় আপনার মন্তব্য সমালোচনা পাওনা।
আপনাদের মতো বড় লেখক গাইডলাইন না দিলে শিখবো কিভাবে।

সবগুলো লেখা সময় নিয়ে পড়বেন কিন্তু



ভালে থাকুন।

১২| ০৩ রা মে, ২০১৯ ভোর ৪:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


এই পোষ্টের ২য় বাক্যটি অসম্পুর্ণ বাক্য। আপনার প্রকাশিত বই কে লিখে দিয়েছেন?

০৩ রা মে, ২০১৯ ভোর ৪:১১

বলেছেন: প্রকাশিত বইতো পাঁচটি কোনটার কথা বলবো!!


এবারের টা কি আপনি লিখে দিবেন??

১৩| ০৩ রা মে, ২০১৯ সকাল ৯:৩৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


এই পোষ্টের ২য় বাক্য, "যাদের জন্য এই দিনটি পালিত হয়।"; এটি, একটি অসম্পুর্ণ বাক্য।

গত বছর মেলায়, শতকরা ৯০ ভাগ বই ছিলো গার্বেজ; এবারের মেলাতে শতকরা ৮০ ভাগ বই গার্বেজ ছিলো।

১৪| ০৩ রা মে, ২০১৯ সকাল ৯:৪০

চাঁদগাজী বলেছেন:



এই পোষ্টের ২য় বাক্য, "যাদের জন্য এই দিনটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়।"; এটি, একটি অসম্পুর্ণ বাক্য।

১৫| ০৩ রা মে, ২০১৯ সকাল ১০:২২

অর্পিতা মন্ডল বলেছেন: মুগ্ধতা রেখে গেলাম। খুব ভালো একটি পোস্ট। শুভকামনা রইলো ভাই।

০৩ রা মে, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় দিদি,

ভালো থাকুন

১৬| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫১

ইসিয়াক বলেছেন: দয়া -ভালোবাসার প্রবল খরা ছিন্ন করে - আলোকিত হোক প্রতিটি জীবন ,
মানবতাবোধ জাগ্রত হোক প্রতিটি প্রাণে ,বয়ে যাক শান্তির প্লাবন ।

এমন উচ্চারণ শুধু তার মুখেই মানায় ,
যার মন আকাশের মত সুবিশাল হয় ।।

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৬

বলেছেন: অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা প্রিয় ভাইকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.