নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার আবেগের জায়গা কবিতা। লিখে আনন্দ পাই। এগুলো কবিতা হয়ে ওঠে কিনা জানি না। তবে সত্যিই আনন্দ পাই। Don’t gain the world and lose your soul, wisdom is better than silver or gold... Bob Marley

তবুও আশায় বুক ভরা,আকাশ সমান স্বপন। গড়তে চাই পৃথিবী ব্যাপ্তি সম্পদ,দ্বীপ্ত শিকড়ে,প্রজন্ম ধরে চাই থাকুক, বিলাসিতা আকড়ে । মুমূর্ষু অবস্থায় আচ্ছন্ন, মোহ- মায়ার ইহকাল। ধরণীতে সুখ অন্বেষণে,বেমালুম ভুলে পরকাল। ,,,, রহমান লতিফ,,,,

› বিস্তারিত পোস্টঃ

দ্যা নোটবুক -৭

২৬ শে মে, ২০১৯ সকাল ৯:০১

টাচস্ক্রীন জেনারেশন ও পরিণতি,
----------------------------------
একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়,জ্ঞানচর্চা ও বিশ্বকে কাছে থেকে জানার একমাত্র উন্মুক্ত প্লাটফর্ম হলো তথ্য ও প্রযুক্তি। তবে প্রযুক্তি কি সবসময় মঙ্গল বয়ে আনছে নাকি পাশাপাশি অজানা আতংক ছড়িয়ে দিচ্ছে তা নিয়ে বহু তর্ক-বিতর্ক আছে।
লক্ষ্য করা যায় প্রযুক্তির ব্যবহারে মাত্রাতিরিক্ত আসক্ত হয়ে শিশু-কিশোররাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একটি শিশুর বিভিন্ন সামাজিক অপরাধে যুক্ত হওয়া ও বিকারগ্রস্ত মানসিকতা তৈরীতে মারাত্মক প্রভাবক হিসাবে কাজ করছে প্রযুক্তির অপব্যবহার। বিভিন্ন কার্টুন, ভিডিও গেমস, মোবাইল, এ্যাপস, ট্যাবসহ ডিভাইসগুলোর অতিরিক্ত ব্যবহার শিশুদের মাঝে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর ফলে তারা পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষা,আদব, শিষ্টাচার, ও ভ্যালুজ এডুকেশন অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

সিরিয়ার কথাই ধরা যাক, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার তরুণ-তরুণীর মগজে সুক্ষ হাতের ইনোভেটিভ ক্রাইমপ্ল্যান করে তাদের দলে যুক্ত করে। যার ফলে দেশে দেশে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মাদক,ইয়াবা,সাইবার ক্রাইম,শারিরীক, মানসিক ও স্নায়বিক সমস্যায় জর্জরিত হয়ে শিশু- কিশোররা অসহনীয় পরিণতি ভোগ করছে ।
২০১৭ সালে Birkbeck University of London ও King's College of London এক গবেষণা করে ৭১৫ জন মা-বাবা’র ওপর এক জরিপ চালায়। এতে দেখা যায়, যেসব শিশু টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের রাতে কম ঘুম হয়। আর প্রায় ৭৫ ভাগ শিশু প্রতিদিন টাচস্ক্রিন ব্যবহার করে তাদের ৫১ শতাংশ হলো ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশু।

অনেক সময় দেখা যায়, ছয় বছরের শিশু ষাটোর্ধ বৃদ্ধের ন্যায় চশমা ব্যবহার করছে। দীর্ঘ সময় ধরে ইলেকট্রনিকস ডিভাইস ব্যবহারের রেডিয়েশনের প্রভাবে ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি কমে যায়। শিশুর মস্তিষ্ক সঠিক সময়ে সঠিক উপাদান পায় না ফলে শিশু বিষাদগ্রস্হ ও বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। কায়িক পরিশ্রম কিংবা খেলাধুলা আগ্রহ হারিয়ে শরীরে বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটতে থাকে।

বছর খানেক আগে, এক নিকট আত্নীয় তার আড়াই বছরের ছেলেকে নিয়ে আমার বাসায় বেড়াতে আসেন। তখন ছোট্ট ছেলেটির চঞ্চলতা ও এক্টিভিটি দেখে মনে হলো সে বড় হলো একস্ট্রা বুদ্ধিমান কিছু একটা হবে। কিছুদিন পর ছেলেটার অসুস্থতা শুনে খুব মর্মাহত হলাম।ছেলেটার শ্রবণ শক্তি ও স্মৃতি শক্তি লোপ পাওয়াতে তাকে দেখতে যাই। গিয়ে দেখি ছেলেটি আড়াই বছর বয়সে যা একটু আব্বু - আম্মু বলতো এখন সাড়ে তিন বছর বয়সে তাও বলতে পারে না। অনেক আলাপচারিতায় জানলাম, মা বাবা শিশুটির দুষ্টমি সইতে না পেরে প্রায়ই মোবাইল ফোন হাতে দিয়ে দিতেন। আর সে ইচ্ছেমতো বিভিন্ন গেমস, কার্টুন ইত্যাদি দেখে শান্ত থাকতে। কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণে ডিভাইস ব্যবহার আস্তে আস্তে তার মানসিক বিকাশ লোপ পায়। এখন চিকিৎসা চলছে এর থেকে মুক্তি আদৌও মিলবে কি না জানা নেই। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এ ধরনের অপব্যবহার রোধ করতে পিতামাতার দায়িত্ববোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধি একান্ত জরুরী বলে মনে হলো।
ভারী মন নিয়ে বাড়ি ফিরে ভাবলাম,
হায় প্রযুক্তি!
তুমি কত সহজেই দাও কুযুক্তি,
সুযোগ পেলে গুড়িয়ে দাও--
আছে যত ধব্জাধারী সুযুক্তি।

নোট-
১) প্রযুক্তির অশুভ প্রভাবে অদূর ভবিষ্যতে ক্যন্সারের চেয়েও ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করবে।
২) আধুনিক প্রযুক্তি -ফ্যাশনের আগ্রাসনে আকৃষ্ট হয়ে শিশুরা বিকৃতমনা হয়ে গড়ে উঠেছে।
৩) আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশ যতটা হচ্ছে ঠিক ততটাই একটি পরিবারে মা-বাবা ও শিশুর মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হচ্ছে।

আরো পড়ুন -
গড ইজ স্মাইলিংং টু'ডে,নোট -০১
ইউ আর এ পাকি বয়, নোট -০২
একজন বিদেশীনীর বঙ্গ দর্শন,নোট-৩
বন্ধুর কৃতজ্ঞতাও থ্রি ডাব্লিউ,নোট-৪
পুত্রসন্তান ও লালবাতি, নোট-৫
জুলুমের যাতনা, নোট ৬

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে মে, ২০১৯ সকাল ৯:১২

মুক্তা নীল বলেছেন:
শুভ সকাল।
খুব ভালো একটি বিষয় নিয়ে লিখেছেন। ভাবতে অবাক লাগে,আমরা কত খেলাই না খেলেছি আর এখনকার বাচ্চারা এসব খেলার নামই জানে না। বাচ্চারা ডিভাইসে গেম খেলায় এক্সপার্ট। নোটের কথা না খুব ভালো লিখেছেন।

২৬ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫১

বলেছেন: ধন্যবাদ,
আপনি খুব সুন্দর করে বলেছেন,
আমাদের হাডুডুডু- গোল্লাছুট, টুপাটুপি, গান্ডুলি কতই খেলা না খেলতাম এখন সব চার দেয়ালের মধ্যে আবদ্ধ।

কিছুদিন আগে, বার বছরের এক ভাগিনাকে দেখলাম রুমের ভেতর বসে কি যেন করছে,
আামি বললালম কি করছো একা একা রুমে,?
সে বলে একা নয় আমরা চার বন্ধু অনলাইনে চ্যাট করছি।
এটা নাকি ফেন্ডস টাইম -- আবাক না হয়ে পারি না।
সম করে পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা।।
রমজান মোবারক।।।

২| ২৬ শে মে, ২০১৯ সকাল ৯:১৪

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: রেডিয়েশন শব্দটার সাথে দ্বিমত পোষণ করছি। স্ক্রিণের ব্লু -লাইট চোখের জন্য ক্ষতিকর। ঠিক কি ধরনের রেডিয়েশনের কথা আপনি লিখতে চেয়েছেন ?

ছোট্ট বাচ্চার বিকাশের জন্য খেলনা, খেলার মাঠ আর বন্ধু প্রয়োজন। অসময়ে উল্টা কাজের ফল তো ভয়াবহ ! আমি নিজে দেখেছি, ৪ বছরের বাচ্চার চোখে চশমা। ওর নাকি স্ক্রিন টাইমটা বড্ড বেশি !

প্রযুক্তির প্রয়োজন আছে, মাত্রাতিরিক্ত প্রযুক্তির দরকার নেই !

সময়োপযোগী লেখার জন্য কৃতজ্ঞতা। কারো কারো টনক তো নড়ুক !

২৬ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭

বলেছেন: রপডিয়েশন -
ব্যবহূত ফোনসেট ও নেটওয়ার্ক টাওয়ার থেকে অবিরত তড়িত্ চুম্বকীয় বল বিকিরিত হচ্ছে। মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন নন-আয়নাইজড, যা এক ধরনের তাপ সৃষ্টি করছে। বিকিরিত এ তাপ শরীরের জীবকোষ পুড়িয়ে দেয়। টাওয়ার থেকে রেডিয়েশনের কারণে প্রজননে সক্ষম প্রাণীরা হুমকির মুখে পড়ে।
শুধু পরিবেশই নয়, শক্তির বিকিরণ বা রেডিয়েশন গর্ভপাত, মস্তিষ্কে টিউমার, ক্যান্সারসহ মারাত্মক রোগের কারণ হতে পারে রেডিয়েশন।
মোদ্দাকথা, যেকোনো ধরনের রেডিয়েশনই পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ।
কিন্তু ক্ষতি জেনেও মোবাইল ফোন তো আর ব্যবহার করা ছেড়ে দেয়া যায় না।
তাই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে পরিবেশ ও আপন স্বাস্থ্য রক্ষার্থে।


সময় করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।।।
ভালোবাসা অবিরাম।।

৩| ২৬ শে মে, ২০১৯ সকাল ৯:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল প্রিয় লতিফ ভাই,

খুব ভালো একটি বিষয় নিয়ে আজকে আলোকপাত করলেন। আমার নিজেরই ঘরে এই সমস্যার মধ্যে পড়েছি। কর্মসূত্রে আমাদের দুজনের বার হতে হয়। আর বাচ্চা আমাদের অনুপস্থিতিতে সারাক্ষণ টিভি নিয়ে থাকে। কয়েক মাস টিভি রিচার্জ না করিয়েও ফলাফল ভালো পাইনি। খুব উদ্বিগ্ন আছি বিষয়টি নিয়ে। এখন উপরওয়ালাই ভরসা জানিনা কবে ওনার সুমতি হয়।


শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:০০

বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় ভাই,

বিষয়টি নিয়ে বিশদ লেখার ইচ্ছে ছিলো কিন্তু সময় ও পরিবেশে তেমন জরে লিখতে পারি নাই।।।
আমার মনে হয়, প্রযুক্তির এই অশুভ দিকটা সুক্ষভাবে পরিহার করা গেলে অনেক মঙ্গল বয়ে আনবে।

পরিবার, স্কুল, কলেজ, শিক্ষক, মিডিয়া এ ব্যপারে বিশাল ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে হয়।
আপনার বাবুদের জন্য শুভকামনা রইল।।
সময় নিয়ে পড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।।।। ভালো থাকুন।।।

৪| ২৬ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৯

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: বর্তমান সবাই এখন তথ্য প্রযুক্তিতে আসক্ত,যে কোন কাজেই তথ্য প্রযুক্তির সাহায্য,এটার পর পুরোপুরি ভাবে আমরা নির্ভর হয়ে পড়েছি। এই তথ্য প্রযুক্তির কারনে পড়ালেখায় অনেক ক্ষতি। আমরা পড়ার চাইতে নেটে টাইম দেই বেশি। যার কারনে দিন দিন মেধা হ্রাস পাচ্ছে।

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:০৪

বলেছেন: প্রিয় চিরকুটওয়ালা,


প্রযুক্তি আমাদের দিয়েছে বেগ আর কেড়ে নিয়েছে আবেগ। কিছুদিন আগে এক মহিলা দেখলাম এন্জোলিনা জোলি হতে গিয়ে সারা শরীর নষ্ট করে ফেলেছে, আরোকজন দেখলাৃ ট্যাটু দিতে গিয়ে বন্য প্রাণী হয়ে গেছে, আবার ব্লু হোয়েল নাকি নীল তিমি ডাঙায় এসে কিশোরদের গিলে খাচ্ছে।।। ফেবু আর নেট তো বাদ দিলাম।।।
সামনে কি হয় তার অপেক্ষায় রইলুম।।।। হা হা।

সময় করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।।। ভালো থাকুন।।

৫| ২৬ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১৩

দ্যা প্রেসিডেন্ট বলেছেন:
আমার দেশের নাগরিক তাদের পুলাপানগুলোরে কান্নায় নর্তকীর নৃত্য দেখায়, আর পুলাপানগুলোও ওদের সাথে পাছা দোলানোর চেষ্টা করে। মোমেন্ট দেখলে হাসি আসে; যদি আপনি মাথায় নষ্ট ডিম নিয়ে চলাচল করেন, তবেই হাসতে পারবেন। যাই হোক, আপনাগো বৃটিশ পুলাপানরাও কি টেন্স মারে! নাকি স্কিনে শুধু ডিশুমডাশুম... ;)

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:০৮

বলেছেন: হা হা হা -- অনেক জটিল ও মারাত্মক দিকটা রম্য আকারে খুব সাবলীলতা ভাবে বলে দিলেন।
আসলে সব সমাজে একি অবস্থা ---

মোবাইল দেখিয়ে শিশুদের খাবানো, কান্না থামানো, হাগু এসব করা হয় সাথে নৃত্য তো আছেই।।

দারুণ মন্তব্যে আবারো ধন্যবাদ প্রিয়।।।
ভালো থাকুন।।

৬| ২৬ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমার সবচেয়ে খারাপ লাগে ছোট ছোট বাচ্চারা ঘন্টার পর ঘন্টা হাতে টেব নিয়ে বসে থাকে।
ভয়ঙ্কর নেশা হয়েছে তাদের।

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:১০

বলেছেন: সত্যি বলেছেন,

বাচ্চাদের হাতে ডিভাইস দিয়ে দিলে তারা শান্তি পায় আর অভিভাবকরা কিছুটা উদাসীন হয়ে পড়েন।

এ ব্যপারে সচেতনতা জরুরি।।


সমস্যা করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।।

৭| ২৬ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: লিখাটা ভাল লাগলো।
( মন্তব্যের রিপ্লাই দিন। )

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:১১

বলেছেন:
ধন্যবাদ,,


ঘুমিয়ে পড়েছিলাম তাই মন্তব্য দিতে দেরি হলো।।।

সময় নিয়ে পড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।।
ভালো থাকুন সবসময়।।

৮| ২৬ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:


মানুষ একই সাথে অনেক কিছু করছে; ফলে, কিছু বিশৃংখলা ঘটবে

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:১২

বলেছেন: এক লাইনে অনেক কিছু বলে দিলেন - আসলেই মানতে হয় আপনি অনেক দক্ষতা রাখেন।

পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা।।

অনিঃশেষ শুভেচ্ছা।।

৯| ২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:০১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ব্যবহূত ফোনসেট ও নেটওয়ার্ক টাওয়ার থেকে অবিরত তড়িত্ চুম্বকীয় বল বিকিরিত হচ্ছে। মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন নন-আয়নাইজড, যা এক ধরনের তাপ সৃষ্টি করছে। বিকিরিত এ তাপ শরীরের জীবকোষ পুড়িয়ে দেয়। টাওয়ার থেকে রেডিয়েশনের কারণে প্রজননে সক্ষম প্রাণীরা হুমকির মুখে পড়ে।
শুধু পরিবেশই নয়, শক্তির বিকিরণ বা রেডিয়েশন গর্ভপাত, মস্তিষ্কে টিউমার, ক্যান্সারসহ মারাত্মক রোগের কারণ হতে পারে রেডিয়েশন।
- Mention Source Please !

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:১৩

বলেছেন: সনয় করে দিবো --- ধন্যবাদ প্রিয় পাখি ভাই

১০| ২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:২০

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: আপনার ধারণা ভুল। তাপ সৃষ্টির কথা আজই প্রথম শুনলাম। জীবকোষ পোড়ানোটাও নতুন শুনছি। তথ্যগুলো বোধহয় সঠিক নয় !
নিচে কিছু আর্টিকেল দিলামঃ
Cancer Risk From Cellphone Radiation Is Small, Studies Show
Electromagnetic fields and public health: mobile phones
Everything You Need to Know About 5G
Mobile phone radiation and health
Specific_absorption_rate

সময় করে উপরের লেখাগুলো পড়ে নেবেন :)

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:০৪

বলেছেন: In many of the studies on mobile phone radiation effects, it has been observed that people who use a cell phone for over an hour a day for over ten years have a significantly higher rate of brain cancer and many other detrimental effects and ailments in their bodies, such as dizziness, neurosis, insomnia, headaches, an increase in stress, lower bone density, possible changes in brain activity, and even infertility in some men. The biggest threat has been the possibility of developing brain cancer.

Cell phone radiation effects are very serious and further studies will have to be done to determine exactly how dangerous the effects of cell phone radiation can be. This is a relatively new field of study that has only been seriously pursued for about a decade or so since no one gave it much thought before the widespread use of cell phone technology took over.

national Health service NHS UK

Forbes - article

১১| ২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৬

সুমন কর বলেছেন: সময়োপযোগী গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট। আজকাল বাচ্চারা কোন ডিভাইস ছাড়া খেতে চায় না, এ বড় দুঃখের বিষয় !! আমার মেয়েটা মোবাইল না দিলে ভাতই খায় না !! অনেক চেষ্টা করেও বন্ধ করা যায় না। ২/৩ দিন পর আবার ঠিকই বায়না ধরে..... X(( পোস্ট পড়ে মনে পড়ল, তাই বললাম। কি করবেন বলুন, একটুও খোলা মাঠ/জায়গা নেই। সব ছোট বাচ্চাদের ইলেক্ট্রনিক্স জিনিস থেকে দূরে রাখতে হবে। পরে বয়স হলে, ঠিকই দেয়া যাবে।

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:১০

বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় ভাই,
আসলে এই সমস্যা সবার ক্ষেএে লক্ষণীয়।

সাম্রাজ্যবাদীরা ২০০ বছরে যে ক্ষতি করতে পারেনি তার চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের প্রজন্ম এই প্রযুক্তির অপব্যবহারে।
আশাকরি সবাই সচেতন হলে এমনটা এড়িয়ে চলা যাবে।
আপনার মেয়ের জন্য রইলো আদর ও শুভ কামনা।

মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

ভালো থাকুন।।।

১২| ২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:১৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ১০ নং কমেন্টের প্রতিউত্তরে দিলেন এই view this link লিংকের কয়েকটি লাইন আর নিচে লিংক দিলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন সাইটের লিংক। আসলে গুগলে সার্চ দিলে সবার আগে Airestech এর লিংকটাই আসে। যা শুধু SEO দ্বারা সম্ভব হয়েছে। উক্ত লিংকের তথ্যগত ভুল রয়েছে ।
আর আপনার দেওয়া লিংক দুটোতেই আপনার কমেন্টে বলা তথ্যগুলো ভুল বলা হয়েছে। আবারো পড়ুন। সেখানে মাইক্রোওয়েভ ওভেন এর ওয়েভ এর উদাহরণ দেওয়া হয়েছে । মাইক্রোওয়েভ কোষের জল কমিয়ে দেয়। আর্টিকেলগুলোতে এটার সাথে মোবাইল এর ওয়েভ এর তুলনা করা হয়েছে। তবে মোবাইলের টা হাজারো গুণ কম শক্তিশালী। কোষ পোড়াতে পারে মাইক্রোওয়েভ, মোবাইলের তরঙ্গ নয় ! আর ইনফার্টিলিটি নিয়েও গবেষকরা একমত হতে পারেননি। এসব কারনেই SAR এর ধারনার সৃষ্টি হয়েছে । যা সব মোবাইল ম্যানুফ্র্যাকচারার মেনে চলে।

আর মোবাইল বা ওয়াইফাই ব্যবহারে ক্যানসার কতজনের হয়েছে বলতে পারবেন কি ?

২৮ শে মে, ২০১৯ ভোর ৬:৩৫

বলেছেন: আমার লেখার মূল মেসেজটি হলো Negative impact of using electronic devices by children......

এ ব্যপারে বিস্তারিত এজটা পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছে রলো... আপনিও এজটা পোস্ট দেন,,


ধন্যবাদ।।।

১৩| ২৭ শে মে, ২০১৯ সকাল ৯:০৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সময়ের সাথে প্রযুক্তির আগ্রাসী পূজিবাদী বিবর্তনে আজ ভবিস্যত প্রজন্মই সে বিবর্তণের কঠিন স্বীকার!
পূজি চায় অর্থ। তা মানুষ মেরেই হোক বা সভ্যতা ধ্বংসী যুদ্ধ লাগিয়েই হোক!
আমাদেরও দীর্ঘমেয়াদী লাভে বদলে স্বল্পমেয়াদী আত্মঘাতি সূখে আমরা বিভোর! নাগরিক জীবনে দমবন্ধ শ্বাসে আটকে থাকি চিপায় চাপায় কোনমতে!
অথচ ২০-৩০ কিলো দূরেই মুক্ত হাওয়ারা ছুটোছুটি করে দূরন্তপনায়!
প্রকৃতির অবিরিত দ্বার অমিত সুস্থ এবং পূর্ণ বিকাশের সম্ভাবনায় দাড়িয়ে, হাতছানি দেয় নিত্য!
আমরা সাময়িক পরিকল্পনায় -স্থায়ী ভবিষ্যতকে করি ঝরঝরা!

এর বদল আনা দরকার। অনন্ত এই খাঁচা বদ্ধ ফার্মের প্রজন্মকে বছরের একটা সময় কিছূদিনের জন্য প্রকৃতির মাঝৈ নিয়ে ছেড়ে দেয়া দরকার। প্রথম প্রথম হামাগুড়ি দিলেও নিয়িত কিছুদিন গেলেই বোধকরি পাায়ে, মনে, দেহে প্রাণ ফিরে আসবে। আসবেই।

২৮ শে মে, ২০১৯ ভোর ৬:৪১

বলেছেন:

প্রিয় কবি,

সিদ্ধ হস্তে বিদ্রোহী রণহুংকার দিয়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে গেলেন।।।কথাগুলো যেন ইতিহাস।।
হ্যাঁ পুঁজিবাদি সমাজ ব্যবস্হায় মানুষের বিনোদন কেবলই যান্ত্রিক হয়ে গেছে।।


আমার দুটি লাইন দিলাম ---

বদলে যাওয়ার প্রতিযোগিতা শহর, নগর, গ্রাম, অরণ্যে ---
ডোরাকাটা বাঘের হয়নি ঠাঁই জঙ্গলের সরল উদ্যাণে ।।

অসম্ভব সুন্দর মন্তব্যে মুগ্ধতা।।। ভালো থাকুন।।।

১৪| ২৭ শে মে, ২০১৯ সকাল ৯:২৩

নীলপরি বলেছেন: ভালো বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন ।

২৮ শে মে, ২০১৯ ভোর ৬:৪৩

বলেছেন: সময় করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ প্রিয় কবি।


সময়ের সাথে অনেক কিছু বদলে যাও,,

চাওয়া পাওয়া, চাহিদা, যেগান, বিনোদন, আন্দোলন --- সবিই বদলে যাওয়ার প্রতিযোগিতায়।।
মানুষের মনুষ্যত্ব বিকাশের সুযোগ সুবিধা বদলে যাচ্ছে সেটা হয়তো স্বাভাবিক নয়তো জটি!!!

ভালো থাকুন।।

১৫| ২৭ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১২:০৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
কি যুগ আইলো
সব খাইলো।

হায় হায় হায় !!!

২৮ শে মে, ২০১৯ ভোর ৬:৪৪

বলেছেন: হা হা হা --; খাই খাই,, যা পাই হাপুস হুপুস করে খাই।।।


সময় নিয়ে মতামত দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।।।

ভালো থাকুন।।।

১৬| ২৭ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:৫৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বর্তমান সময়ের খুব ই জরুরী একটা টপিক !
ভালো লেখা।

২৮ শে মে, ২০১৯ ভোর ৬:৫১

বলেছেন: প্রিয় কবি,,

আসলেই খুব জরুরি ও আতংকিত বিষয়।।
আজকাল ছেলেমেয়েরা ডিভাইস ছাড়া কিচ্ছু বুঝে না।।।

আমরা যে বয়সে লেখাপড়া করেছি পাঠ্য পুস্তকে সোজাসুজি,
তোমার এখন সেই বয়সে ডিজিটাল ডিভাইসে থাক চোখমুখ গুঁজি।
আমাদের যুগে আমরা যখন কলের জাহাজ চালিয়েছি গগন জুড়ি,
তোমার এখন সেই বয়সে থাক মঙ্গল গৃহে গীতবাদ্য আমোদ-প্রমোদ করি।


হা হা হা ---


ভালো থাকুন।।

১৭| ২৭ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:০৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: ল,



এই প্রযুক্তির অপব্যবহার শিশুদের ঘরকুনো করে ফেলেছে, ফেলেছে "ইকসেনট্রিক" করে।
উপায়ও নেই। এই সব শিশুরা যাবেই বা কোথায়। কোথায় খোলা মাঠ? কোথায় নিরাপদ বিচরণ? কোথায় প্রকৃতি? কোথায় অভিভাবকদের তেমন মন-মানসিকতা আর সচেতনতা ?

২ এবং ৩ নম্বরের নোটের লেখাগুলো বাস্তব।

২৮ শে মে, ২০১৯ ভোর ৬:৫৬

বলেছেন: প্রিয় কবি,

শিশুদের জন্য নিরাপদ আবাস রেখে যাবো এ হোক আমার অঙ্গীকার --

- কি আকুল করা আহ্বান জানিয়ে গিয়েছেন আমাদের অগ্রজরা --
মনে হয় কবি আজকের দিনগুলি মনের আয়নায় দেখে এমন কথা বলে গেছেন।
।কই কেউ তো শুনে না!!! শুনবে বলে মনে হয় না।।।।

দু'টি নোট আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।।

সময় নিয়ে মতামত দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা।।। ভাল থাকুন সবসময়।।। শুভেচ্ছা নিরন্তর।।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.