| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কেউ লেখা বেচে খায়, কেউবা অন্য কিছু বেচে লেখে। অনেকে আছে এমনি এমনি লেখে। আমিও তেমনি। লেখি নিম্নমানের। ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজে একজন নিম্ন শ্রেণীর জীব। আমি আমাকে ব্যাকটেরিয়া বা এক কোষী জীবের সমগোত্রীয় মনেকরি। এর পেছনে আমার যুক্তি হলো--সৃষ্টির আদিতে মানুষ ছিল না। বিবর্তনের সাথে সাথে মানুষ নামের এই জীবটির সৃষ্টি। এটা সবার জানা। এই মানুষের মধ্যে কেউ কেউ সত্যিকার অর্থে মানুষ, আর কারো কাঠামো মানুষ হলেও মানসিকতা মানুষের নয়। সে রয়ে গেছে ব্যাকটেরিয়া গোছের জীবের মতোই।
প্রতিদিনই অফিসে আসা-যাওয়ার পথে বিচিত্র মানুষের দেখা পাই। মাঝে মধ্যে নিজেকেও বিচিত্রই মনে হয়। বাসে বসে ভাবি।
বিকল্পের ১-জে বাসটাতে উঠেছেন কেউ? যারা মিরপুর টু মতিঝিল রুটে যাতায়ত করেন তাদের সবার কাছেই এই বাসটি আরাধ্য। কারণ একটাই ঝামেলা কম। দাঁড়িয়ে থাকার বালাই নেই। সিট পাওয়া নিশ্চিত। তবে তার আগে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে ঘণ্টাখানেক। কখনো-সখনো একটু কম-বেশি হতেও পারে।
যাক কথা হলো মাঝে মধ্যেই দেখি বাসে অতিরিক্ত যাত্রী ওঠানো নিয়ে কাপঝাপ শুরু হয়। আর সবার লক্ষ্যব্যক্তি একজন তিনি হেলপার।
'ওই ব্যাটা তুই দুইজন দাঁড়াইয়া লইছস ক্যান, ভাড়া কিন্তু অর্ধেক পাইবি' কিংবা 'দাঁড়াইয়া লইছস তুই নাইম্মা যা, নইলে তোর কোলে লইয়া ব'।
আজও এমনই একটা ঘটনা ঘটেছে। এক লোক বেশ অয়েল ড্রেসড, গলায় টাই গিট মারা, সাদা স্ট্রাইপ শার্ট আর কালো প্যান্ট। জুতোও বেশ চকচকে। তবে সব চকচকে ভাব ছাপিয়ে বেশি চোখে পড়ছিল ঘামে ভেজা মুখখানা। বুঝতে বাকি রইলো না- তিনি কোনো প্রতিষ্ঠানের বিপণন কর্মকর্তা। বেশ তাড়া আছে। নতুন কোনো প্রডাক্ট গেলাতে হবে কাউকে!
বাসটি শেওড়াপাড়া পৌঁছার পর লাফ দিয়ে তিনি বাসে উঠে পড়েন। এর পর পরই শুরু হয় ভদ্র যাত্রীদের ... কথাবার্তা। এক পর্যায়ে ওই বিপণন কর্মকর্তা ক্ষেপে ওঠেন। কথা বলতে শুরু করেন ইংরেজিতে। অনর্গল। যাত্রীরা চুপ মেরে যান। কারো মুখে টু শব্দটি নেই। হয়তো তারা কিছুটা ভড়কেও গেলেন।
এবার আসল কথায় আসি। আচ্ছা বাঙালি রেগে গেলে ইংরেজি কিংবা দুর্ভোদ্য ভাষায় কথা বলে কেন? এটা শুধু বাঙালিরাই করে এমন নয়। কালে কালে দেখা গেছে সব জাতির মধ্যেই এ আচরণ।
মির্জা আসাদুল্লাহ খান গালিব- এর নাম শুনেছেন। বৃটিশ ঔপনেবিশক আমলের ভারত উপমহাদেশের চিরায়ত উর্দু এবং ফারসি কবি। তার সময়কালে মঘল সম্রাজ্য তার উজ্জ্বল্য হারায় এবং শেষে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ এর মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়, তিনি তার লেখায় এ ঘটনা বর্ণনা করেছেন। তিনি তার জীবনকালে বেশ কয়েকটি গজল রচনা করেছিলেন যা পরবর্তীতে বিভিন্ন জন বিভিন্ন আঙ্গিকে বিভিন্ন ভাবে গেয়েছেন। দক্ষিণ এশিয়ায় তাকে উর্দু ভাষার সবচেয়ে প্রভাবশালী কবি বলে মনে করা হয়। আজও শুধু ভারত বা পাকিস্তানে নয় সাড়া বিশ্বেই গালিবের জনপ্রিয়তা রয়েছে।
তাকে টেনে আনার উদ্দেশ্য হলো এই কবি ও গজলশিল্পী নিজেও তার কবিতায় কিংবা গজলে ফারসি শব্দ প্রচুর ব্যবহার করেছেন। কিছুটা দুর্ভোদ্য করার উদ্দেশ্যেই কী তিনি ফরাসি শব্দ ব্যবহার করতেন! আমি জানি না। হতেও পারে।
এবার কথা হলো আমরা বাঙালিরা কোনো কিছু দুর্ভোদ্য করার জন্য কিংবা ক্ষেপে গেলে কিংবা নিজেকে জাহির করার জন্য ইংরেজিতে কথা বলার চেষ্টা করি (পাত্রে-অপাত্রে)। ইংরেজদের ক্ষেত্রে এটা কী হতে পারে। কিংবা ফরাসিদের ক্ষেত্রে।
আমার মনে এই প্রশ্নটা আজ উঁকি মেরেছে। উত্তর জানি না।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২৩
এহেছান লেনিন বলেছেন: হতে পারে।
নিজেকে একটু ব্যতিক্রম করার উদ্দেশে অবচেতন মন এটা করে- এমনও হতো পারে। আবার এও হতে পারে তিনি যার সঙ্গে বলছেন তাকে কঠিন প্রতিপক্ষ ভাবছেন। সহজে জেতা সম্ভব নয়! হা. হা. হা.
ধন্যবাদ।
২|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:২৫
ডিস্কো ঘোড়া বলেছেন: জানিনা ![]()
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২৪
এহেছান লেনিন বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনি আমার গোত্রের লোক।
না জানাও একটা উত্তর!
৩|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:২৫
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: হে হে হে, অনেকে আবার কাশিটাও ইংরেজীতে দেয়
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২৭
এহেছান লেনিন বলেছেন: হাসিটাও কেউ কেউ দেয় ইংরেজিতে!
বাংরেজিতে দেয় আমাদের ডিজুস প্রজন্ম।
স্পাইক করা চুল আর কলার উচানো টি শার্ট পরে যখন বলে-- কিতারে কই গেলিলি, আই অ্যাম ওয়েটিং ফর ইউ ম্যান। বুল শিট। তাড়াতাড়ি যেতে হবে। হা হা হা।
৪|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:২৯
আহসান মোহাম্মদ ক বলেছেন: এর কারণ সম্ভবত: ক্ষেপে গেলে মানুষের মধ্যে নিজের বড়ত্ব প্রকাশের চাহিদা বেড়ে যায়। বাঙ্গালীর বড়ত্ব প্রকাশের একটি উপায় ইংরেজীতে কথা বলা।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২৮
এহেছান লেনিন বলেছেন: কথা হলো ইংরেজরা বড়ত্ব প্রকাশ করে কোন ভাষায়? জানলে উত্তরটা দিয়েন। বিশেষ চিন্তায় আছি। প্লিজ।
৫|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬
মহসিনা আখতার বলেছেন: আমার একখান বান্দুবী আছিল..... এইরাম !!!!!
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২৯
এহেছান লেনিন বলেছেন: এইরাম বন্ধু আমারও আছিলো মাগার (হিন্দি) হেয় সিধা হইয়া গেছে।
৬|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৪০
মিজান আনোয়ার বলেছেন: অনেকেই দেখি ইংরেজিতে কথা বলে।আবার দেখি ঐ কথা আবার বাংলায় ও বলে দেয় ।তা হলে ইংরেজি বলার দরকার কি।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৩০
এহেছান লেনিন বলেছেন: এই প্রব্লেমটা আমাদের সবার মধ্যে কমবেশি আছে। কারণ শুদ্ধ বলতে পারছি কিনা সেটা নিয়ে নিজের মধ্যে সন্দেহ থেকেই এইটা করি। হি হি হি।
৭|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪
শামীম আরা সনি বলেছেন: কতটুকু শুদ্ধ বলতে পারে এরা সেইটা একটু যাচাই করবেন এখন থেকে...
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৩০
এহেছান লেনিন বলেছেন: সেইটা যাচাই করার বিদ্যে আমার মতো অনেকেরই তো নেই!!! যাচাই করবো কীভাবে?
৮|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৪৯
অ্যাড.এরশাদুল বারী বলেছেন: রেগে গেলে অন্যের চেয়ে সে বড় --এটা বোঝানোর জন্য---অন্তত একটা ইংরেজি জানার দিক থেকে!
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৩১
এহেছান লেনিন বলেছেন: ধন্যবাদ। ঠিক বলছেন। আমিও এইটাই মনেকরি।
৯|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:০১
শরৎ চৌধুরী বলেছেন: উত্তরটা অনেকেরই পছন্দ হবে না মনে হয় তবে এর উত্তরটা আমি জানি। রেগে গেলে ক্ষোভ তৈরি হলে প্রথম যেটা ঘটে তা হল তার স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রিত প্রশান্ত অবস্থার চ্যুতি ঘটল। এর পেছনে সবসময়ই কাজ করে ভয়, সবচেয়ে বড় ভয়টা হল নিয়ন্ত্রণহীনতার, প্রথম নিজেকে ও দ্বিতীয়ত অপর ব্যক্তিটিকে। কোন জানা পদ্ধতির মধ্যে যোগাযোগের যে আর রাস্তা থাকছেনা সেটা রাগান্বিত ব্যক্তির অবচেতন সবার আগে টের পায়। আর এটা থেকে মানে এই ইনসিকিওর অবস্থা থেকে বের হবার জন্য সে যা করে তাহল প্রথমেই অপর ঘটনা বা ব্যক্তি থেকে নিজেকে বিযুক্ত করার চেষ্টা করে এবং এর পরবর্তী ধাপেই নিজেকে উচ্চতর, যুক্তিশীল, শ্রেয়তর একটা পজিশনে নিতে চায়। মানে ওপর ব্যক্তির চাইতে পাওয়ারফুল হওয়া তার জন্য আবশ্যক। ঠিক তখনি আসে ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকারের বিষয়...তার মনের ভেতরের ইতিহাসে ইংরেজি এত শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে আছে যে প্রথম অস্ত্র হিসেবে সেটাকেই গ্রহণ করে এবং নিজেকে আরো বেশি ন্যায্য প্রমাণের হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করে। খেয়াল করার মত বিষয় ভালো বাঙলা আয়ত্বে আছে যার তিনিও কিন্তু প্রমিত বাঙলায় জোরালো ভূমিকা নিতে পারেন। ঠিক একই বিষয় গালির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য...চুইদ্দা দিমু, ঢুকাইয়া দিমু এর সবগুলোই পুরুষের প্রবেশ ক্ষমতা ও সর্বপোরি পুরাসাধিপত্য চিহ্ন বহন করে। আমার মনে পড়ে গত কয়েক দশকে ওহ শিট, ফাক, ইয়াপ এই শব্দগুলো আমাদের জনজবানে এমনভাবে আত্মিকৃত হয়েছে যে এগুলো না জানা এবং ব্যবহার না করা পিছিয়ে থাকার নিদর্শন হিসেবে বিবেচ্য হয়। এটাও ক্ষমতার বহি:প্রকাশ আর তার বাহনের গল্প।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৩২
এহেছান লেনিন বলেছেন: আপনার মন্তব্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত।
১০|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:০৮
আল বেরুনী বলেছেন: বুচচি....ইংরেজিতে কইলে পাবলিকে ইংরেজিতে উত্তর দিতে পারব না...এই জন্যে....
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৩২
এহেছান লেনিন বলেছেন: হ ঠিক কইছেন...
১১|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২৭
কলমবাঁশ বলেছেন: নিজেকে টুইন টাওয়ারের লাহান বড় প্রমাণ করবার চায়।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৩৩
এহেছান লেনিন বলেছেন: আগেও বলছি, আবারও বলছি কথাটা সত্য।
১২|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৪
ম্যাকানিক বলেছেন: সুন্দর একটা বিষয় তুলে এনেছেন লেখায়।
আমার যেটা মনে হয় মানুষ ক্ষেপে গেলে তার সেই সময় যেই ভাষায় প্রতিপক্ষকে আক্রমন করা সহজ হবে বা কাউকে কিছু বোঝানো সহজ হবে সেটাই ফলো করে।
আমি যখন সৌদি্তে ছিলাম তখন কেউ কেমন আছেন জিজ্ঞেস করলে উত্তর অটোমেটিক হামদুলিল্লাহ হয়ে যেতো যা আরবরা ক্যায়ফাল হাল এর উত্তরে বলে।
আরেকবার দেশে গিয়ে বাবার সাথে খুব জটিল একটা বিষয়ে কথা বলার মানে ঝগরা করার সময়ে অটোমেটিক আরবী বাংলা মিশে যাচ্ছিল আর একটা কথার জবাব যখন আমার বাবা আরবীতেই দিলো তখন আশে পাশের বাদবাকি লোকজন আমাদের বাপ ছেলের দিকে হা করে তাকিয়েই ছিলো।
আমরা দুই জনই ফ্লুয়েন্ট এরাবিক স্পিকার।
আমার এরাবিক ভোকাবুলারী এখন অনেক কমে গেছে
অস্ট্রেলিয়া থেকে গতবার যখন দেশে গেলাম আমার ছোট ভাই গাড়ী চালাতে গিয়ে একদিন একসিডেন্ট করতে নিয়েছিলো
পাশে বসা আমি নগদের উপরে চিতকার দিয়ে ফেলেছিলাম
ফাকেন হেল মায়ট হোয়াড ইউ ডুইং
আপনার বাসের সেই ভদ্রলোকটি হয়তোবা কঠিন জিনিস এর সমাধান করা ইংরেজীতে শিখেছেন তাই কাউকে কঠিন কথা বলার জন্য ইংরেজীকেই বেছে নিয়েছেন।
অহ আরেকটা কথা বলা হয়নি আমাদের মহল্লায় মতি মিয়া না মজনু মিয়া নামে এক লোক থাকতো সে মদ খেয়ে মাতলামী করতো ইংরেজী গালাগালি করে ছোট বেলায় দেখা ঘটনা এখন হলে হয়তো যেয়ে জিজ্ঞেস করতাম কিন্তু বেচারা মারা গেছে বহু বছর আগে।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪
এহেছান লেনিন বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা বিনিময় করার জন্য ধন্যবাদ। ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
১৩|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮
মিঃ পলাশ বলেছেন: জটিল প্রশ্ন!
ইংরেজরা ক্ষেপলে কোন ভাষায় কথা বলবে?.........
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১১
এহেছান লেনিন বলেছেন: আমার তো মনে হয় তারা স্প্যানিশ ল্যাঙ্গুয়েজে কথা বলবে।...
১৪|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:০৯
সাদিক সাদাত বলেছেন: আমরা দাবী জানাইতে পারি... এখন থেকে ইংরেজ বা ফরাসীরা ক্ষেপে গেলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বাংলাতে কথা বলবে...! ! !
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫
এহেছান লেনিন বলেছেন: হা. হা. হা...
১৫|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৯
সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: অন্যমনস্ক শরৎ এর সাথে একমত। রাগ একটা আবেগ যার জন্ম নিজের ইনসিকিউরিটি থেকে, নিজের অস্তিত্বকে রক্ষা করার প্রয়োজন থেকে। নিজের ক্ষমতাটাকে অন্য সবার কাছে গ্রহনযোগ্য করে তুলতে হলে ইংরেজিতে কথা বলার ঐতিহাসিক যে কারনটা আছে তা আজ আমাদের সংস্কৃতির অংশ। সংস্কৃতি বা কালচার আমাদের এতোটাই আপন যে তা অনুসরন করার জন্য চেতনার প্রয়োজন হয় না, অবচেতন মস্তিস্কও তা অনুসরন করে।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৮
এহেছান লেনিন বলেছেন: সহমত।
১৬|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২
দ্যা ডক্টর বলেছেন: তাইলে শোনেন, একবার এক সুমালির উপর প্রচন্ড রেগে খাঁটি চিটাইংগা একটা গালি দিয়ে দিছিলাম কারন সে ইংরেজি বুঝেনা আর আমি আরবি গালি জানিনা..... সামনে এক মিশরি আমার ঐ গালিটা শোনার পর আমার ভুল ধরিয়ে দিয়ে বলে, "সে সুদানি নয়, সোমালি"!
সাথে সাথে রাগ চলে গিয়ে আমি হাসতে হাসতে শেষ.........
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৭
এহেছান লেনিন বলেছেন: হা... হা... হা... ভালো কইছেন।
১৭|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০০
পলাশমিঞা বলেছেন: ভালা বাংলা জানে না,
এই আকামটা আমিও মাঝে মাঝে করি
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৫
এহেছান লেনিন বলেছেন: জাইন্না করেন নাকি না জাইন্না?
১৮|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৭
মৃদুভাষী বলেছেন: তো তাতে আপনার কোন সমস্যা ? কি Problem ?
এগুলো এখানে বলছেন কেন ? Why ?
১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২২
এহেছান লেনিন বলেছেন: মজা পাইলাম। আই ফিল লজ্জা। বাট আই নো- লজ্জা ইস ভূষণ অব নারী। হা... হা.... হা...
১৯|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩০
রবিনহুড বলেছেন: ইংরেজরা আমদের একট জিনিস ভালো ভাবে শিখিয়ে দিতে পেরেছে, সেটা হলো অন্য জাতিকে অনুসরন করার মনোবৃত্তি।
নিজেকে জাতে তুলার জন্য আমার ইংরেজীতে কথা বলার চেষ্টা করি। ইংরেজী বলে বুঝাতে চেষ্টা করি আমরা শিক্ষিত।...
আমরা যে কতটা মাথা নিচু করা জাতি এটা তার একটা প্রমান। পৃথিবীর অন্য কোনো জাতি তার নিজের ভাষা ছাড়া অন্য ভাষা নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া ব্যবহার করে না। একমাত্র আমরাই অপ্রয়োজনে অন্য ভাষা বলার চেষ্টা করি।
পৃথিবীর অন্যান্য দেশে বিজাতীয়া ভাষা বলাটা ভালো চোখে দেখে না, আর আমাদের সমানে ইংরেজী বলাটা হলো সভ্য বা শিক্ষিত বলে প্রমানের চেষ্টা।
ধিক এই আমাদের মন মানসিকতা।
২৩ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:০৭
এহেছান লেনিন বলেছেন: বস,
ধন্যবাদ।
২০|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪০
শেষের_কবিতা বলেছেন: হোয়াট ক্যান আই সে ? এক্কেরে ফাটায়ে দিছেন ব্রাদার। প্লাস = যোগ ।
২৩ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:০৫
এহেছান লেনিন বলেছেন: ধন্যবাদ।
২১|
১৫ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:০৮
মিঃ পলাশ বলেছেন: ভাই রবিনহুড, এত বড় বড় কথা বললেন? দেখেন তো আপনার কোন খুত আছে কি না?
আমি বলে দিচ্ছি: আপনার নিক নামটা (রবিনহুড) কিন্তু ইংরেজ বীরের নাম! হা হা হা.......
(প্লিজ রাগ কইরেন না
)
২২|
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৫১
মানবী বলেছেন: বাংলা আমাদের প্রাণের ভাষা, এই ভাষায় রাগারাগি করে শুধু শুধু ভাষার অপব্যবহার না করে অন্য একটি ভাষা ব্যবহার করাই ভালো ![]()
জোকস এ্যাপার্ট(আবারও ইংরেজী শব্দ :-), আমার মন হয় বাংলা ভাষায় অশ্লীলতা বাদ দিয়ে যখণ ক্ষোভের প্রকাশ ঘটে, সেই ভাষাটার বিনম্র এবং রাগান্বিত, দুরকমের ভাব বহন করতে পারে, ইংরেজীতে সেক্ষেত্রে সুবধিা বেশি... যেমন, "হোয়াট দ্যা হেল ইজ দ্যাট!!!" এই বাক্যতে কোন নম্রভাবের অবকাশ নেই, অথচ, "এটা আবার কি!!" এই বাক্য ক্ষোভ এবং বিনম্র দুরকম ভাব বহন করে ![]()
আমার মতো অজ্ঞজনের ব্যাখ্যা অর্থহীন হবার সম্ভাবনা বেশি, তবু নিজের মতামত শেয়ার করতে ইচ্ছে হলো।
ভালো থাকুন এহেছান লেনিন।
২৩ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:০৩
এহেছান লেনিন বলেছেন: ধন্যবাদ মানবী।
আছেন কেমন? অনেকদিন পর ব্লগে আপনাকে দেখলাম। নাকি আমিই এলাম। হা... হা... হা...
২৩|
১৮ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৪৪
শামীম আরা সনি বলেছেন: ভাই রাগারিগি করে যারা পথেঘাটে ইংরেজী বলে,তাদের দেখলে করুনা হওয়া উচিত।ইংরেজী বলে নিজেকে রাস্তাঘাটে জাহির করার কি আছে!
একটা ছোট ঘটনা শেয়ার না করে পারছিনা..কিছুদিন আগে এক ছেলের সাথে ঘটনাক্রমে আমার কথা হ্য়।ছেলেটা দুইবছর লন্ডনে ছিল।কথা বলতেছিল ইংরেজীতে।শুনতে বিরক্ত লাগায় আমি বলেছিলাম ''বাংলায় কথা বলতে সমস্যা কি?'' উনি উত্তর দিলেন লন্ডন এ দুই বছর থেকে উনি ইংরেজীতে কথা বলতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন।এইটা শুনে আরও রাগ লাগলো,তখন আমি বলতে শুরু করলাম।ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে উনি বললেন ঠিক আছে আমরা না হয় বাংলাতেই কথা বলি।আমি ইংরেজীতেই প্রতিবাদ করে বললাম না আমি বাংলা বলবনা..উনি শেষে বাংলা আর আমি কিছুক্ষন ইংরেজীতে কথা বলে আলাপ শেষ করলাম।আচ্ছা প্যাদানি হয়েছিল ব্যাটার সেইদিন।
আর এদের মত মহাঙ্গানীদের এভাবেই প্যাদানি উচিত।
২৩ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:০৪
এহেছান লেনিন বলেছেন: মজা পাইলাম। মাগার আমার মতো মূর্খ-অশিক্ষতি তো প্যাদানি দিতে পারবে না। উল্টো ভড়কে যাবে।
ধন্যবাদ।
২৪|
২৯ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ৮:১৫
জাহাঙ্গীর কবীর বলেছেন: এখানকার সবাই হয়তো ভুলেই গেছে এই topic কথা।সবার মন্তব্যগুলো মজার ও যৌক্তিক লাগল।এমন পরিস্থতিতে আমার মতো যারা ইংরেজীতে দূর্বল তারা একটা কৌশল ব্যবহার করে তাদের প্রতি হতো করতে পারেন,নিচে একটা নমুনা দিলাম বাংলায়,আপনি এর ইংলিশ অনুবাদ করে সুফল পেতেও পারেন অথবা এখানকার সুন্দর সুন্দর মন্তব্য আছে ওগুলো ইংলিশে শুদ্ধ অনুবাদ করে মুখস্থ করলেও ভালো ফায়দা পেতে পারেন,
"আমি এবং আপনি উভয়ই বাংলাদেশী,আর এটা কোন আন্তর্জাতিক সম্মেলন নেয় যে আমাদের ইংরেজীতে কথা বলতে,আপনি যদি ব্রিটিশদের অবৈধ ক্রস না হয়ে থাকেন,তাহলে শুদ্ধ বাংলায় বলেন,শিক্ষিত হলেই সে সভ্য হবে এমনটা নয়।প্রবাসী সুইপারাও ভালো ইংলিশ বলতে পারে।ইংলিশ প্রয়োজনে শেখে ভাব নেবার জন্য নয়"
আমি একটা ধারণা দিলাম মাত্র,যারা আমার মতো ইংরেজিতে দূর্বল তারা এধরনের কথাগুলো সাজিয়ে,কারো সাহায্যে ইংলিশ লিখে মুখস্ত করতে পারেন,হয়ত কাজে দিতে পারে,চাইলে হিন্দীতেও শিখে রাখতে পারেন কখন যে কাজে লাগে বলা যায় না।
২৫|
২৯ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ৮:২৭
জাহাঙ্গীর কবীর বলেছেন: দুই স্টাইল লিখে রাখতে পারেন।এমন কিছু মানুষ আছে যাদের তীব্র ভাষার পরিবর্তে একটু মৃদু ভাষাতে সাইজ করার কিছু বাক্য।আমি নিজেও দুই ধরনের অনুচ্ছেদ সাজাবো যাতে ঐ পরিস্থিতিগুলো মোকাবেলা করতে পারি।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:২৫
বাংলাপ্রতিদিন বলেছেন: মজবুত করার জন্য।