নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

যুক্তি হোক মুক্তির সোপান

'কাটায়ে উঠেছি ধর্ম আফিম নেশা/ধ্বংস করেছি ধর্ম যাজকী পেশা,/ভাংগি মন্দির ভাংগি মসজিদ/ভাংগি গীর্জা--গাহি সংগীত' - নজরুল

লাইটহাউজ

নেই স্বর্গলোভ কিংবা কল্প-নরকের ভয়,/অলীক সাফল্যমুক্ত কর্মময় পৃথিবী আমার৷ চর্মচোখে যা যা দেখি, শারীরিক ইন্দ্রিয় যা ধরে,/তাকেই গ্রহন করি৷ জানি, নিরাকার অপ্রত্যক্ষ/শুধুই ছলনা, বিশ্বাস করি না ভাগ্যে, দেবতার বরে৷ আমার জগৎ মুগ্ধ বাস্তবের বস্তুপুঞ্জে ঠাসা,/তাই সে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য, অতীন্দ্রিয় নয়৷/অন্ধতার বধ্যভূমি আমার হদৃয়৷ সেই শ্রেষ্ঠ মানব-সন্তান, যার মন মুক্ত ভগবান৷/আমার মস্তক নিত্য নত সেই নাস্তিকের তরে৷ নাস্তিক - নির্মলেন্দু গুণ

লাইটহাউজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৭

তার সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী বলেছেন, "কি পশ্চিম বাংলা কি বাংলাদেশ সবটা মেলালে তিনি শ্রেষ্ঠ লেখক।" লিখেছেন, "ইলিয়াস-এর পায়ের নখের তুল্য কিছু লিখতে পারলে আমি ধন্য হতাম।" আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলাদেশী কথা সাহিত্যিক। একজন স্বল্পপ্রজ লেখক। দু’টি মাত্র উপন্যাস - চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭) ও খোয়াবনামা (১৯৯৬) বাংলা সাহিত্যে তাঁর অক্ষয় আসনটি নির্মাণ করে দিয়েছে।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৪৩ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি গোটিয়া জেলার গাইবান্ধা গ্রামে মামা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি বগুড়া জেলায়। ম্যাট্রিক পাস করেন বগুড়া জিলা স্কুল থেকে (১৯৫৮) এবং ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন ঢাকা কলেজ থেকে (১৯৬০) । এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্স ও মাস্টার্স পাস করেন (১৯৬৪)। তাঁর কর্মজীবন শুরু হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগদানের মাধ্যমে। পরবর্তীতে ঢাকা কলেজের বাংলার প্রফেসর ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭ সালের ৪ঠা জানুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পুরস্কার পেয়েছেন অনেকগুলো। উল্লেখযোগ্য হল বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৩) এবং একুশে পদক (মরণোত্তর) (১৯৯৯)।

রাজনীতি আমাদের জীবনের একটি প্রধান নিয়ামক হলেও আমাদের সাহিত্যে সরাসরি রাজনৈতিক প্রসঙ্গিক প্রসঙ্গ ব্যাপকভাবে বিবেচিত হয়নি। রাজনীতির সঙ্গে লেখকরা সবসময়ই নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখেছেন। ইলিয়াসই প্রথম এতটা সার্থক শিল্পসম্মতভাবে প্রধান দুটি আন্দোলনকে তার দুই উপন্যাসে ধারন করলেন। চিলেকাঠার সেপাই উপন্যাসে তিনি উপজীব্য করেছেন এ দেশের রাজনীতির পাকিস্তান পর্বের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আন্দোলন ঊনসত্তরের গণআন্দোলনকে। এটি অবলম্বনে পরবর্তীতে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। তার শেষ ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস খোয়াবনামার মূল প্রসঙ্গ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি জনপদে পাকিস্তান আন্দোলনের প্রভাব। এই উপন্যাসের জন্য তিনি পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৪

পুতুল বলেছেন: আমি জানতাম না যে তিনি প্রয়াত। এই তো সপ্তাহ হল তার দুধভাতে উতপাত পড়লাম। চিলেকোঠার সেপাই অনেক আগে পড়েছি। তেমন কিছু স্বরনে নেই। ব্লগে স্বাগতম। স্বরণীয় এটি পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। উপন্যাস দুটির কোন লিংক জানা থাকলে শেয়ার করার দাবী থাকল।

২| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৭

লাইটহাউজ বলেছেন: উপন্যাস দুটি পিডিএফ ফরম্যাটে পাওয়া যাবে না।
এ দুটি উপন্যাস একই মলাটের ভেতরে পাবেন মাওলা ব্রাদার্স হতে প্রকাশিত তার রচনাসমগ্র - ২ তে।

৩| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৯

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: হুমমম

৪| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২২

মানচুমাহারা বলেছেন: উপন্যাস দুটি অনেক বার হাতের কাছে পেয়েছে কিন্তু সময় করে পড়া হয়নি। ধন্যবাদ পোস্টের জন্য

৫| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪২

ভাইপার বলেছেন: আমার প্রিয় একজন লেখক। পড়েছি প্রায় সবই। "চিলে কোঠার সেপাই" পড়ে অন্যরকম স্বাদ পেয়েছি। চিলে কোঠার সেপাই নিয়ে সিনেমা হয়েছে জানতাম না। সিনেমাটার নাম কি? হাড্ডি খিজির কে মনে পড়ছে খুব।

৬| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৫

ভাইপার বলেছেন: ইলিয়াস যখন মারা যান তখন তাকে নিয়ে ফরহাদ মযহার একটি কবিতা লিখেছিলেন। পত্রিকাতে দেখেছিলাম। খুবই সুন্দর একটি কবিতা। সংগ্রহে নাই। ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।

৭| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০২

আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: আখতারূজ্জামান ইলিয়াস প্রায় সব লেখাই পড়েছি।তার মত লেখক আধূনিক বাংলা সাহিত্যে আর আসবেনা।৫।

৮| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৫

জেনারেল বলেছেন: আখতারূজ্জামান ইলিয়াস আমার শ্রদ্বেয় শিক্ষক ছিলেন।
এখনও সব স্মৃতি স্পষ্ট কিভাবে তিনি কথা বলতেন আর কিভাবে পড়াতেন

৯| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৯

মিরাজ বলেছেন: আখতারুজ্জামান ইলিয়াসকে শিক্ষক হিসাবে পাবার সুযোগ আমার হয়েছে। ঢাকা কলেজে পড়াকালীন বাংলায় আমাদের শিক্ষক ছিলেন ইলিয়াস স্যার এবং আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ স্যার।

অসাধারণ দুই ব্যক্তিত্ব, ভিন্ন ধর্মী কিন্তু সংস্পর্শে আসা মানুষদের উপর অসম্ভব রকমের প্রভাব রাখতে সক্ষম ।

তার লেখা গদ্যের সমমানের গদ্য এখন বাংলা ভাষায় দুর্লভ ।

১০| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৫৬

রাজীব বলেছেন: বস লেখক, এত বড় দুইটা উপন্যাস, পড়ার পড় আমার মনে হয়েছে পুরা উপন্যাস দুইটার কোনটা থেকেও একটা লাইনও বাদ দেয়া সম্ভব না। তবে পড়তে হলে প্রচুর ধর্য নিয়েই পড়তে হবে।
আর একটা জিনিস, ইলিয়াসের কোন লেখা শেষ করে , সেটা কোন ছোট গল্প বা উপন্যাস যা-ই হোক না কেন, সাথে সাথে আমি অন্য কোন বই শুরু করতে পারিনি। সময় নিতে হয়েছে কয়েক দিন।

১১| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:১১

রাশেদ বলেছেন: আমরা তখন কেবল সেকেন্ড ইয়ারে উঠি তখন উনি মারা যান, ওনার ক্লাস পাই নাই।



ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।

১২| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৩

সোহানের রোজনামচা বলেছেন: ৫ পোস্টের জন্য। ইলিয়াসের লেখা অসাধারণ। অসাধারণ। আমার সংগ্রহে আছে। পড়েছি এবং মাঝে মাঝেই পড়ি। বাংলা সাহিত্য জগতে এত ভাল লেখক একজন আমাদের ছিলেন, কিন্তু ওনার কাজ গণ মানুষের কাছে কেন যেন তত বিখ্যাত হয়নি যতটা হয়েছে হুমায়ুন বা মিলন । খুব সম্ভবত সস্তা লেখা লেখেননি বলেই।

১৩| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:১১

বিপিন চন্দ্র পাল বলেছেন: অসাধারণ লেখক।

১৪| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৪০

নরাধম বলেছেন: সোহান, ভাল লেখা বিচার করার মত বাংলা সাহিত্যে এখন খুব কমই আছে। আমি নিশ্চিত রবীন্দ্রনাথ, নজরুলরা এখন জন্মগ্রহন করলে না খেয়ে মরতে হত। আহমদ ছফার লেখা কেউ পড়েনা, হুমায়ুন আহমেদের আবালীয় লেখাগুলা দেদারছে বিক্রি হয়।

পোস্টে ৫.......

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.