| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মাহমুদা সোনিয়া
"মানুষ আমি আমার কেন পাখীর মতো মন.." "জীবন একটাই যদি হেরে যাই বাঁচব না; আর যদি বেঁচে থাকি তবে কখনোই হারব না, সৃষ্টি করে যাব কবিতার মত সুন্দর এক জনপদ____ "
ডঃ জনসন বলেছেন, ‘Some men will learn more in a country stage ride than others in a tour of Europe.’ ঘোড়ার গাড়িতে একটা গ্রাম ঘুরে একজন মানুষ অনেক অনেক বেশি জানতে পারে সেই লোকটির চেয়ে, যে ইওরোপ ঘুরে এসেছে। চোখ চাই, দর্শন চাই।এ সম্পর্কিত একটি গল্প- সবার জন্য।।
মরুভূমিতে দুই মহাজনের সাথে এক দরবেশের দেখা। দরবেশ কোথা থেকে যেন একাই আসছিলেন। দরবেশ সেই মহাজনকে প্রথমেই প্রশ্ন করলেন,’তোমাদের উট হারিয়ে গেছে, তাইনা?’
‘হ্যাঁ আপনি ঠিক ধরেছেন।
‘উটটার ডান চোখ কানা আর বাঁ পা-টা খোঁড়া!’
‘হ্যাঁ,ঠিক বলেছেন।‘
‘তার সামনের একটা দাঁত নেই।‘
‘ঠিক, ঠিক।‘ মহাজন দুজন ভাবতে শুরু করেছেন,উটটা তাহলে পাওয়া গেছে।
দরবেশের প্রশ্ন শেষ হয়নি। তিনি বললেন,’তার পিঠের এক পাশে ঝুলছে শস্যদানার বস্তা, আর এক পাশে মধু।‘
মহাজন দুজন লাফিয়ে উঠলেন, ’কোন সন্দেহ নেই। ঠিক দেখেছেন আপনি। তা, দয়া করে উটটা যেখানে আছে, সেখানে আমাদের নিয়ে চলুন।‘
দরবেশ হাসতে হাসতে বললেন, ‘তোমাদের উটের কথা এইমাত্র তোমাদের মুখেই শুনলুম, সেটাকে আমি চোখেও দেখিনি।‘
মহাজন দুজন দরবেশের কথা শুনে খেপে গেল। ব্যাটা চোর। দরবেশের বেশে ঘুরচে। ‘খুব ভাল গল্প শোনালে। উটের পিঠে কিছু সোনাদানাও ছিল, সেগুলো কোথায় গেল?’
দরবেশ শান্ত গলায় বললেন,’ভাই আমি তো আগেই বলেছি, তোমাদের উটটাকে আমি দেখিইনি, তোমাদের মণিমুক্তার খবর দেব কি করে!’
মহাজন দুজন নিঃসন্দেহ হলেন, লোকটা দরবেশ নয় তস্কর। তাকে ধরে নিয়ে গেলেন খলিফের কাছে, নিয়ে গেলেন তল্লাসির জন্য। তল্লাস করে দেখা গেল দরবেশের কাছে কিছুই নেই। এমন কোন প্রমাণও নেই যে তাকে অপরাধী বলা যাবে। মহাজন দুজন চিৎকার করতে লাগলেন, ‘লোকটা মায়া জানে। ঐন্দ্রজালিক! সেই অপরাধে এর শাস্তি হোক।‘
‘দরবেশ তখন এক কথায় সব চিৎকার থামিয়ে দিলেন, ‘মহামান্য,আমি দস্যু বা ঐন্দ্রজালিক কোনওটাই নই। আমার দেখার চোখ দুটো একটু অন্যরকম। এই মরুভুমিতে আমি একা থাকি। চারদিকে শুধু বালি। দেখার কিছু নেই। তাই যা দেখি, একটু খুঁটিয়ে দেখি, আর সে কারণেই আমাকে এখানে ধরে আনা হয়েছে বিচারের জন্য। এইবার শুনুন ব্যাপারটা কি হয়েছে।
‘আমি যে পথে আসছিলাম, দেখছি সেই পথ ধরে কোন সময়ে একটা উট চলে গেছে। বালিতে তখনও তার পায়ের ছাপ পড়ে আছে। আগে পিছে কোন মানুষের পায়ের ছাপ নেই। তার মানে ছাড়া উট। উটটা পালিয়ে এসেছে। এইবার দেখলুম কি, উটটার বাঁ দিকের একটা পায়ের ছাপ অস্পষ্ট, অর্থাৎ সেই পা-টা অকেজো! এইবার কেমন করে বুঝলুম, তার একটা চোখ কানা! উটটার পথের একপাশের ঝোপঝাড়ের পাতাই খেতে খেতে গেছে,আর একটা পাশের সব অক্ষত থেকে গেছে। সামনের একটা দাঁত নেই কেন? সে যেখানে যেখানে পাতা চিবিয়েছে,সেই সেই জায়গায় মাঝে মাঝে পাতা লেগে আছে। ছিঁড়তে পারেনি! এইবার কি দেখেছি! তার চলার পথের একদিকে পিঁপড়ের ভির,মানে সেই দিকের পিঠে ছিল শস্যের দানা, আর একদিকে মাছি, অর্থাৎ সেইদিকে ছিল মধু!’
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ৯:৪৭
মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার জন্যও শুভকামনা ![]()
২|
০৫ ই জুন, ২০১১ রাত ৯:৩০
বন্ধু তুহিন প্রাঙ্গনেমোর বলেছেন: ভালো হচ্ছে। লিখে যান।
০৫ ই জুন, ২০১১ রাত ৯:৫৬
মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ বন্ধু তুহিন। উৎসাহ দিন। যদিওবা এখনও প্রথম পাতায় যেতে পারিনি।। ![]()
৩|
১০ ই জুন, ২০১১ রাত ৯:৩৩
ইলুসন বলেছেন: শুধুমাত্র মনযোগ দিয়ে দেখেই অনেক কিছু বলে দেয়া যায়, এই জন্য সুফি দরবেশ বা জাদুকর হতে হয় না। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমরা মনোযোগ দিয়ে সব কিছু দেখি না। আমাদের একজন শিক্ষক বলেছিলেন রোগী হেটে আসছে এটা দেখেই কি রোগ তা অনেক সময় বলে দেয়া যায়! গল্পটা পড়ে ভাল লাগল। পোস্টে প্লাস।
২৬ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:০৯
মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন: ভালো লাগলো জেনে ামারো ভালো লাগল। ![]()
৪|
১৯ শে জুন, ২০১১ সকাল ৯:৩১
নাঈমুল হাসান বলেছেন: ভাল লাগলো।
২৬ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:১০
মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন: thank u gntlman ![]()
৫|
০২ রা আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:১৩
অচেনা মেয়ে আমি বলেছেন: বাহ !!!! মনযোগ দিয়ে দেখেই সব বলে দেয়া যায় !!!
পরে একসময় এপ্লা্ই করবো
ধন্যবাদ..
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ৯:৩০
বোরহান উদদীন বলেছেন:
নতুন হিসাবে
ভাল হয়েছে লিখে যান ,
শুভ কামনা রইল।