নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সুন্দরতর ও শ্রেষ্ঠতর আগামীকালের অপেক্ষায়...

সমুদ্র কন্যা

তিথি প্রীতিভাজনেষু, ঠিক এইরকমই একটা রাত, যার কৈশোর কেটে গেছে দূরন্ত অবহেলায়, এখন যার দূর্দান্ত যৌবন...তোকে দেয়া গেল। সঞ্জীবদার নিজের ছায়া, বাড়িয়ে দেয়া হাত, এবং তার নিরব হাতছানি উপেক্ষা করার অনিচ্ছুক সাহস- আর সেই ভলভো বাসটার দ্রুত চলে যাওয়া- দেখতে দেখতে অনেকটা পথ অতিক্রান্ত আজ! সময়ের দাবী বন্ধুত্ব আজ নিত্য অভ্যাস কিনা সে ভাবনা নিন্দুকের ঘাড়ে চাপিয়ে চল পেরিয়ে যাবো অবহেলার হিমালয়। কোন কথা আজ নয়, কারণ আমরা আজ জেনে যাবো আগের মত কিছু নেই। আজ গানের তালে হাওয়ার নাচ, বুকে স্বাধীনতার স্বপ্ন.....এইসবসহ বেরিয়ে যাবো সমুদ্র-স্নানে। মুক্তি আজ আমাকে ইশারায় অভিসারের আহবান জানাচ্ছে। একবার যদি সুযোগ পাই, আমিও আলিঙ্গন করবো মুক্তির স্বাদ। নীলাচলের পাদদেশে বাধা ঘরের ধারটায় আজ ফুটেছে অনেক রঙমাতাল অর্কিড আর তার খুব কাছে একটা মাত্র ক্যাকটাস! কিন্তু আমি আজ উপলব্ধি করি কাঁটা বাদ দিলে ক্যাকটাসের ফুলের তোড়ায়ও ভালবাসা হয়। একদিন বহুদিন পরে যদি একটা দিন আমার হয়, কথা দিচ্ছি সেই দিনটা তোদের...শুধু রাতটুকু আমার নিজস্ব। কারণ তোরাতো অন্তত জানিস, ভালবাসা পেলে-আর একবার যদি ভালবাসা পাই তাহলে আমি আকাশ ছুঁবো! কারণ বুকে আমার সাগরদোলার ছন্দ। তবুও ভাবনার গভীরে একটা অক্টোপাস এমনভাবে জড়িয়ে রাখে, আমি শ্বাস নিতে পারি না। তবুও জানি একদিন এই চাঁদের সঙ্গী রাতটার মত হারতে হারতে জিতে যাবো আমি, তুই, সে, তারা অথবা আমরা সবাই.......................

সমুদ্র কন্যা › বিস্তারিত পোস্টঃ

বই এর পাতার স্বপ্নপুরুষেরা

২৮ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৩:২৬

স্কুলের পড়া আর সারা বিকেল হই হই খেলার মাঝে যদি আরো কিছু বিনোদনের ব্যবস্থা থাকতে হয়, তাহলে সেই সময় সেটা ছিল বিটিভি'র বিভিন্ন অনুষ্ঠান। তবে টিভি দেখার, এবং টিভিতে নিজের পছন্দের অনুষ্ঠান দেখার সময়টা ছিল খুব সীমিত। তাই এরও বাইরে যে অভ্যাসটা গড়ে উঠেছিল, তা হল বই পড়া। বই আর বই...যখন যা পেতাম হাতের কাছে, তাই গপাগপ গিলতাম। এই বইগুলো বড়দের, এগুলো পড়া যাবে না...এমন কোন বিধি-নিষেধ ছিল না। তাই পড়তে পারতাম সব বই-ই। আর পড়তে পড়তেই কোন কোন চরিত্রকে এত ভাল, অনেক ভাল, অনেক বেশি ভাল লেগে যেতো... সে ভাল লাগার আর কোন সীমা-পরিসীমা নেই! দেখা যেতো কয়টা দিন আমি এক্কেবারে ঘোরের মধ্যে, বইয়ের সেই যাদুময় মানুষটার প্রেমে একেবারে হাবুডুবু। :P বইয়ের সাদা পাতায় ছোট ছোট কাল অক্ষরে যেসব মানুষ যাদুকরী হয়ে উঠে আমার কল্পনার জগৎকে রাঙিয়ে তুলেছিল, তাদের কথাই আজ লিখবো। :)



ধ্রুব



শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের 'দূরবীন' বইয়ের অন্যতম প্রধান চরিত্র ধ্রুব। আমার পরিচিত বেশিরভাগ মেয়েকেই দেখেছি ধ্রুব'র প্রেমে পড়েছে। ভীষণ দাম্ভিক, গোল্লায় যাওয়া, পাগলাটে, ক্ষ্যাপাটে ধ্রুব; যে কিনা রেমি বা ধারার মত সুন্দরী, আকর্ষণীয় নারীর ভয়ংকর ভালবাসা, প্রবল আকর্ষণকে কে বিনা দ্বিধায় ছুঁড়ে ফেলে দিতে, অবহেলা করতে পারে। ওই উন্নাসিক, দাম্ভিক, দিশেহারা ধ্রুব'র প্রেমে যে কি ভয়ংকরভাবে পড়েছিলাম! বহু বহুদিন সেই জায়গাটা আর কেউ দখল করতে পারেনি। ভীষণ ঈর্ষা হতো আমার রেমিকে; মনে মনে খুব চাইতাম ঠিক ওইরকম কেউ আসুক আমার জীবনে; আর কিচ্ছু চাই না।



অর্ক



কালপুরুষ এর অর্ক, সমরেশের অসাধারণ তিন সৃষ্টি উত্তরাধিকার, কালবেলা, কালপুরুষ...বাবা অনিমেষের তুলনায় ছেলে অর্ক খুব একটা উজ্জ্বল না হলেও আমি অর্ক'র প্রেমেই পড়েছিলাম। অর্ক অনেকটা ধ্রুব'র মতনই, সারাক্ষণ প্রচন্ড আক্রোশে ফুসছে কিছু একটা করবার জন্য; কিন্তু কিছুতেই ঠিক করে উঠতে পারছে না, খুঁজে পাচ্ছে না সঠিক পথটা। দাম্ভিক, ক্ষ্যাপাটে, উচ্ছন্নে যাওয়া অর্ক।

বইটা আমি পড়েছিলাম যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি। ক্যাডেট কলেজে ভর্তির জন্য কোচিং করতাম তখন, খুব পড়ার চাপ ছিল। তাই টিভি দেখা, গল্পের বই পড়া কিছুদিনের জন্য একেবারে হারাম হয়ে গেছিল। কত কাহিনী করে যে অর্ক'র সাথে আমার প্রেমটা চালিয়ে গিয়েছিলাম! (মানে বইটা পড়ে শেষ করেছিলাম আর কি :P)



হেমাঙ্গ



পার্থিব বইটা পড়ে আমি প্রায় এক সপ্তাহ একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম। কি সুন্দর! কি যে অদ্ভুত সুন্দর লেগেছিল আমার। শীর্ষেন্দু কিভাবে যে এত গভীর অনুভূতিগুলো তাঁর লেখায় ফুটিয়ে তোলেন, পড়লে গা শিরশির করে ওঠে, মাথা ঝি ঝি করতে থাকে, সারা পৃথিবী কেমন যেন ওলোট পালোট! (আমার কাছে তাই লাগে আর কি :))

পার্থিবের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র ছিল হেমাঙ্গ। ওই আলাভোলা, উদাসীন, লাজুক, সুন্দর মানুষটা যেন যাদু করেছিল। কি যে মায়া লাগতো আমার ওর জন্য! আহা বেচারা, সবাই শুধু বকে আর বিপাকে ফেলে। সে কিনা চায় একলা, নিরিবিলি, নির্বিঘ্ন একটা জীবন কাটাতে। কিন্তু সেটা হবে কেন! তার ওপরেই যত ঝঞ্ঝাট আর সে বেচারার জলে পড়া, অসহায়, দিশেহারা মুখ। বড্ড ভালবেসে ফেলেছিলাম এলেবেলে এই লোকটাকে।



সূর্য



'একা এবং কয়েকজন' বইটার সবচেয়ে তেজী চরিত্রটা, ঠিক যেন নিজের নামের মতই। প্রবল আক্রোশে ফুসছে সারাক্ষণ, কিছু একটা করতে হবে; কিন্তু বেচারার জানাই ছিল না সেই কিছু একটা যে কি! কোন পথটা ঠিক। তাই সে ছুটল কেবল দিগ্বিদিক, আর শেষ পর্যন্ত মারা গেল খুব করুণভাবে।

এইরকম প্রবল পুরুষদের প্রতি আমার সীমাহীন আকর্ষণ! ভালবাসবো, ঝড়ের মত...উদ্দাম কালবোশেখী এল আর উড়িয়ে নিয়ে গেল। অবহেলা করবো, তাও সেটা রাজকীয়।

এই ক্ষণজন্মা পাগলা ঝড়টাকে পাগলের মত ভালবাসতে ইচ্ছা হতো আমার।



কবি নিতাইচরণ



তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী বই 'কবি'। ডোম বংশের ছেলে নিতাইচরণ, যার বংশের ধারা হল ডোমের কাজ করার পাশাপাশি ডাকাতি করা; সেই ছেলেই কিনা একদিন হয়ে উঠল কবি।

অত্যন্ত নিরীহ, ভীষণরকম ভালমানুষ, রোমান্টিক, কল্পনাবিলাসী, অসাধারণ একজন গায়ক, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একজন প্রেমিক, নম্র স্বভাবের অথচ দৃঢ় এই মানুষটিকে ভালবেসে ফেলেছিলাম খুব। তার খুব বড় একটা বৈশিষ্ট্য ছিল সে একজন জন্ম নি:সঙ্গ মানুষ, আকর্ষণ করবে সে সবাইকেই, এমনকি নিজেও চাইবে বাঁধনে জড়াতে কিন্তু তারপরও কিসের বাধায় তার আর বাঁধনে জড়ানো হয় না। কেবল ঘুরে বেড়ায় এ দ্বার থেকে সে দ্বারে।



কুমুদ



পুতুর নাচের ইতিকথা'র একখানা পুতুল হল কুমুদ। কলেজ জীবন থেকেই ছন্নছাড়া কুমুদ পথ ছেড়ে চলতে চলতে শেষ পর্যন্ত যাত্রাদলেই নাম লেখায়, শুধু পথে পথে চলবে বলে। সেই কুমুদই কেমন করে যে গ্রামের মেয়ে মতির প্রেমে পড়ে যায়, নিয়ে যায় তাকে বিয়ে করে। সবচেয়ে সুন্দর লেগেছিল যে জিনিসটা তা হল বিয়ে করে সে সংসারী বা থিতু না হয়ে উল্টে মতিকেও শেখায় কিভাবে উড়তে হয় বাধাহীন হয়ে।

এই সমাজটার উটকো সব নিয়ম ভেঙে নতুন পথের যারা পথিক হয়, তাদের কি যে ভাল লাগে! আর উদাসীন, ছন্নছাড়া মানুষদের জন্য আমার টানটা বরাবরই একটু বেশি। তাই অবধারিতভাবেই প্রেমে পড়েছিলাম কুমুদের। :)



কর্ণমল্লিক



আবারও শীর্ষেন্দু, বই 'ফুলচোর'। হেমাঙ্গ'র মতনই কর্ণমল্লিক নিরীহ, গোবেচারা, আলাভোলা, উদাস একজন মানুষ। জগৎ সংসার সম্পর্কে যার বিন্দুমাত্র ধারণা নেই, নিজের মনেই বাস। বেচারা, আহা বেচারা! কি অদ্ভুত মায়া যে তৈরি হয়েছিল তার জন্য! ! কেমন ঘোর ঘোর ভাল লাগা, ভালবাসাও বটে :P



হেরম্ব



জগৎ সংসার সম্পর্কে উদাসীন আরেকজন মানুষ, ভীষণ যার আকর্ষণ; কাছে টানবে কিন্তু নিদারুন অবহেলায় আবার দূরে ঠেলে দিবে। কখনো জড়াবে না বাঁধনে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'দিবারাত্রির কাব্য' বইতে যার কথা বলা হয়েছে, সেই হেরম্ব। কেন যে চিরকাল সব তেজস্বিনী নারী হেরম্বের মত কুলাঙ্গারকে উজাড় করে দিয়েছে নিজের সমস্ত অনুভূতি, আমি সেই রহস্যের কোন কূল-কিনারা পাই না। হেরম্ব তার স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য দিয়ে আকৃষ্ট করেছিল আমাকেও, বলাই বাহুল্য!



বাপী তরফদার



আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের বই 'সোনার হরিণ নেই'; বাপী সেই বইয়েরই মূল চরিত্র। ভীষণরকম জেদী, আত্মবিশ্বাসী এই ছেলেটিকে ভালবেসেছিলাম এইজন্য যে তার মত নিবেদিত একজন প্রেমিক কমই দেখা যায়। এক মিষ্টি অর্জনই ছিল বার বছর বয়স থেকে তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। আর সেই মিষ্টি অর্জন করতে কত যে চড়াই সে পার হয়েছে! আহা, এমন ভাল যদি কেউ বাসতো! :P



পাভেল ভ্লাসভ



আমার জেদী, গোঁয়ার, বিদ্রোহী প্রেমিকদের মধ্যে ইনিই একমাত্র যে কিনা শেষ পর্যন্ত ঠিক পথটি খুঁজে পেয়েছিল। কিছু একটা করতে হবে, ভেঙে ফেলতে হবে নিয়মের শৃঙ্খল, করতে হবে নতুন দিনের সূচনা...টগবগ করে রক্তে ফুটতে থাকা এই আগুনকে সে ঠিকই কাজে পরিণত করেছিল।

ম্যাক্সিম গোর্কির 'মা' বইতে জার এবং পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ দানা বেঁধেছিল মজুর শ্রেণীর মধ্যে, পাভেল ভ্লাসভ তা সংগঠনের অন্যতম একজন। তার হাতেই পয়লা মে'তে বিপ্লবীদের মুক্তির ঝান্ডা ওড়ে।

একরোখা, গম্ভীর, সংকল্পে অটল, প্রবল ব্যক্তিত্ববান একজন মানুষ; চোখ বুজে, নির্দ্বিধায় যার ওপর ভরসা করা যায়।



মাসুদ রানা



টানে সবাইকে কিন্তু বাঁধনে জড়ায় না......বইয়ের শুরুতে এই একটা কথাতেই তো একেবারে কুপোকাত! :P মাসুদ রানাকে ভালবেসেছিলাম বটে, তার এই বৈশিষ্ট্যের জন্যও হতে পারে...হতে পারে তাকে অতটা বীরোচিত, নায়কোচিত করে উপস্থাপনের কারণে। সব দোষ কাজীদা'র, আমি কি জানি! :P







আপাতত: এই ক'জনকেই মনে করতে পারছি। ঝড়ের মত, কোই পরোয়া নেই মানুষগুলো যেমন আকর্ষণ করতো ভীষণ; তেমনি আলাভোলা উদাসী বেচারা মানুষগুলোকেও ভালবেসেছি খুব। হয় নিয়ে নাও সবটুকুর দখল, আর নয়তো সমর্পণ করো নিজেকে- আদি ও অন্ত। মাঝামাঝি কিছু নেই।



আমার সেলিব্রেটি প্রেমিকদের মতনই বইয়ের পাতার এই স্বপ্নপুরুষেরা দখল করে রেখেছে আমার স্বপ্ন আর কল্পনার জগতের অনেক বিরাট একটা অংশ। :)

মন্তব্য ১৫৩ টি রেটিং +২৬/-০

মন্তব্য (১৫৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৩:৩১

টিনটিন` বলেছেন: কুয়াশার প্রেমে পড়েননি? আর কিশোর পাশা? কমিক চরিত্র টিনটিনের প্রেমেও তো পড়লে পারতেন। :P

২৮ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৩:৩৪

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: কুয়াশা আমার ভাল লাগেনি তেমন। আর কিশোর পাশাতো বাচ্চা ছেলে :P আর টিনটিন হল আমার সবচেয়ে পছন্দের কমিক। প্রেমে যে কেন পড়লাম না (ব্যাপক মাথা চুলকানোর ইমো :P )

২| ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৩:৩৮

রাইসুল জুহালা বলেছেন: জীবনে যে কয়টা জিনিস আমি কোনদিন বুঝতে পারব না, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মেয়েদের মধ্যে ধ্রুব নাম স্টুপিডটা কেন এত জনপ্রিয়। এই চরিত্রটা আমার কাছে এতই বিরক্তিকর আর অসহ্য লেগেছিল যে বইয়ের মাঝামাঝি যাবার পর আমি ধ্রুবর অংশটা পড়া পুরোপুরি বাদ দিলাম। এখন পর্যন্ত তাই আমি দূরবীন পুরোটা পড়ি নাই। আই জাস্ট হেইট হিম। বিশেষ করে যে অংশটাতে ধ্রুবর বন্ধুরা এসে রিমির ভাইকে গালাগালি করে যায়, এরপর ধ্রুব শ্বশুরবাড়িতে রিমিকে নিতে আসে আর রিমিও ভাইয়ের সম্মানের দিকে না তাকিয়ে ধ্রুবর সাথে চলে যায়, এমনকি রিমির বাবা যে ধ্রুবকে খুব সমীহ করে বলে রিমির এক ধরনের গর্ব হয় - এই অংশে এসে রিমির ছ্যাবলামির কারনে আমার কাছে রিমিকেও অসহ্য মনে হওয়া শুরু হল। এত ব্যক্তিত্বহীন কোন মেয়ে হতে পারে? আপনার পছন্দের একটা চরিত্রের এত চাঁছাছোলা সমালোচনা করার জন্য দুঃখিত, বাট দিস ইজ ওয়াট আই ফেল্ট।

যাই হোক, আমি জীবনে প্রেমে পড়েছিলাম দুটো চরিত্রের - সোহানা (মাসুদ রানা সিরিজ) এবং রঙ্গময়ী (দূরবীন)।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩৪

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: আপনার দু:খিত হওয়ার কিছুই নাই রাইসুল জুহালা। অনেক অনেক ধন্যবাদ যে আপনি আপনার মতামত জানিয়েছেন।

এখানে যা লিখেছি তা হল বইগুলো পড়ার পর পরই আমার প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া। প্রথমবার পড়ার আরো প্রায় চার বছর পর আমি যখন বইটা পড়তে গেলাম, তখন চোখ বন্ধ করে অনেক সময় নিয়ে ভেবেছিলাম ধ্রুব'র মত একজন দাম্ভিক, গোঁয়ার, সবচেয়ে বড় কথা দায়িত্বজ্ঞানহীন একজন মানুষকে কি আমি কখনো ভালবাসবো? এবং যেটা জানতে পেরেছিলাম তা হল, কখনো নয়...স্বামী হিসেবে তো দূরের কথা, প্রেমিক হিসেবেই এমন একজন মানুষকে কোনদিন আমি চাইবো না, মেনে নিবো না।

বরং ওই সময় হেমকান্ত'র চরিত্র আমাকে বেশি আকর্ষণ করেছিল। উদাসী, বিরাগী, কল্পনা বিলাসী, একইসাথে রোমান্টিক একজন মানুষ।

এই কথাগুলো পোস্টেই এ্যাড করে দিবো প্রথমে ভেবেছিলাম। কিন্তু পরে সেটা করিনি এ কারণেই যে এখানে প্রথম প্রতিক্রিয়াই আমি দেখাতে চেয়েছি।

রঙ্গময়ী সত্যি পছন্দ করার মত একটা ব্যক্তিত্ব। তার প্রতি আমার মধ্যে এক ধরনের সমীহ কাজ করে। দৃঢ়, ঋজু........আই উইশ, আই কুড বি লাইক হার! কিন্তু দু:খের বিষয়, আমি তা নই।

শুভকামনা রাইসুল জুহালা। স্বাগতম আমার ব্লগে।

৩| ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৩:৩৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: একটা ব্যাপার উল্লেখ করার মত, সেটা হল এই লিস্টে মাসুদ রানা ছাড়া বাঙলাদেশী কোন লেখকের তৈরী চরিত্র নাই। বাঙলাদেশী লেখকেরা কি তৈরী করতে পারেনাই নাকি তুমি কম পড়েছো নাকি ভারতীয় লেখকদের লেখা অনেক বেশি উপাদেয় এই প্রশ্নগুলা চলে আসে।

ক্যারেকটার যেগুলা কমন পর্সে তাদের মধ্যে একজনই ফেভারিট, সে হল বাপী তরফদার। সেইরকম। বাকিদের চেয়ে অনেক বেশি ভালো লাগসে আমার তাকে।

বই পড়ে কোন চরিত্রের প্রেমে পড়িনাই কখনও। তাই অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারলাম না। দুঃখিত।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫০

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ভারতীয় লেখক, সবার লেখাই উপাদেয় সেটা আমি কখনোই বলবো না। তবে কিছু কিছু বই আমার কাছে ঘোরলাগা মনে হয়েছে। আমার অবশ্য খুব অল্পেই যেকোন কিছু ভাল লেগে যায়। আর বাংলাদেশী লেখকরা তৈরি করতে পারে নাই, এমন কথা আমি কখনো বলতে পারি না। আসল ঘটনা হল আমি পড়েছি অনেক কম। আমার বই পড়ার যে নেশাটা ছিল, বিশেষ করে কলেজ লাইফ পর্যন্ত...সেটা কেন যেন খুব দ্রুতই কেটে গিয়েছিল। আমি যা পড়তাম তা হচ্ছে অন্যদের কাছ থেকে যোগাড় করে করে পড়া। যার কাছে যেমন পেতাম। নিজে কিনে পড়েছি খুবই কম। তাই দেখা গেছে একটা বিশেষ টাইপই আমার পড়া হয়েছে সবসময়।

আমার মত অল্পতেই আপ্লুত বা ঘোর খুব কম মানুষেরই লাগে। এজন্যই হয়তো তুমি বইয়ের কোন চরিত্রের প্রেমে পড়ো নাই। সেটা হওয়াই স্বাভাবিক। :)

ধন্যবাদ হাসান।

৪| ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৩:৩৯

মুখোশে ঢাকা আমি মুকিত বলেছেন: প্রেমের লিস্টটা ভালই বড়। প্রতিটা বই পড়া। আমি প্রেমে পড়েছিলাম গর্ভধারিনীর জয়িতার,
সাতকাহনের দীপাবলীর, মানবজমিনের মনিদীপা আর তৃষার।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫৫

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: জয়িতা, দীপাবলী, মনিদীপাকে আমার বেশ লাগে...তবে তৃষাকে ভাল লাগে নাই।

হ্যাঁ লিস্টি বড় হওয়াই ভাল। একজনের জন্য তাইলে বেশিদিন কষ্ট পাওয়া লাগে না। :P আমার সেলিব্রেটি প্রেমিকের লিস্টিটা দেখতে পারেন। উপরে লিংকু আছে। :)

৫| ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৩:৪২

বড় বিলাই বলেছেন: কালো যদি মন্দ তবে চুল পাকিলে কান্দ কেনে


এত নাম মনে রাখলেন কিভাবে? আমি তো যেদিন বই পড়ি পরের দিনই নাম ভুলে যাই। :P

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০১

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: কাল যদি মন্দ কবে কেশ পাকিলে কাঁদো ক্যানে
কাল কেশে রাঙা কুসুম হেরিল কি নয়নে


ওখানে কেশ হবে আপু :)

সব বইয়ের সব চরিত্র কি আর মনে থাকে! আমার অভ্যাস হল যে বইগুলো আমার বেশি ভাল লাগে সেগুলো বারবার বারবার পড়ি। পড়তে পড়তে প্রায় মুখস্থ হয়ে গেছে বলে লিখতে পেরেছি। :)

৬| ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৩:৫৪

সাকিন উল আলম ইভান বলেছেন: মাসুদ রানার হ্যাকার পড়লাম এই মাত্র অসাধারন ........

আর আপুর পোষ্ট এ ও দেখি আমার অনেক প্রিয় আরেক চরিত্র রয়েছেন। পোষ্টে পিলাচ :)

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৪

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: থ্যাংকু ইভান।

মাসুদ রানা তো একজন হল। অনেক প্রিয় আরেকজন কে? :)

৭| ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:০১

অনিমেষ হৃদয় বলেছেন: কালবেলার মাধবীলতা... কোনদিন ভুলবনা ওকে। অন্তত দু সপ্তাহের ঘুম হারাম করেছিল আমার! এই কাল্পনিক চরিত্রটিকে যতোটা ভালবেসেছি, বাস্তবেও মনে হয় কাউকে ততোটা পারব না। মাধবীলতার কোন ধারেকাছের তুলনাও আমি এখন পর্যন্ত পাইনি! "বিপ্লবের আরেক নাম মাধবীলতা" কথাটা পৃথিবীতে শুধু ওর জন্যেই।

আপনি অর্কর প্রেমে পড়েছেন, অনিমেষের প্রেমে পড়েননি? :P মাধবীলতার পর আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র (নিজের নামের আগ দিয়েও তাই নামটা লাগিয়ে নিয়েছি ;)

আরও আছে হ্যারি পটারের ডাম্বলডোর, টোয়ালাইটের বেলা, হুমায়ূন আহমেদের শুভ্র, সত্যজিতের প্রফেসর শঙ্কু...

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১২

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: অনিমেষ না হয়ে অর্ক হওয়ার সম্ভবত খুব বড় একটা কারণ হল বইগুলো আমি পড়েছিলাম শেষ থেকে...প্রথমে কালপুরুষ, আরো পরে কালবেলা, তারপরে উত্তরাধিকার...মানে এভাবেই হাতে এসেছিল আর কি :P
আর বললামইতো কত কষ্ট করে আমি অর্কর সাথে আমার প্রেম চালিয়ে গেছি। বইটা ছিল পাশের বাসার এক আন্টির। প্রথমে বাসায় এনেছিলাম। ধরা খেয়ে ফেরত দিতে হয়েছে। কিন্তু শুরু করে পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত ছয় মাস কি করে অপেক্ষা করি! তাই প্রতিদিন বিকালে যে একটু খানি সময়, বড়জোর আধাঘন্টা হবে, ছাদে ঘুরতে যেতাম, আন্টির কাছ থেকে বইটা নিয়ে পড়তাম। আবার সন্ধ্যায় ফেরার আগে ফেরত দিতাম। চার-পাঁচদিন পরে উনি মহা বিরক্ত! পড়লে বাসায় নিয়ে একবারে পড়ো। আবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বইটা বাসায় নিয়ে আসলাম, উহ্ ! :)

ধন্যবাদ অর্কর বাবা। :)

৮| ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:০৪

বাল্মীকি বলেছেন: পুতুল নাচের ইতিকথার কুসুম, শরতচন্দ্রের বিজয়া(উপন্যাসের নাম মনে নাই, চিকন বই), রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প স্ত্রীর পত্রের তেজী বউটা যে শেষে সব ছেড়েছুড়ে চলে যায়(বউ এর নাম মনে নাই), লরা ইংগলস ওয়াইল্ডার এর ফার্মার বয় এর ছোট মেয়েটা(ছোট বোন, এটারও নাম মনে নাই), হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের মন্টেজুমার মেয়ের মন্টজুমার মেয়ে(কোন নামই মনে পড়তেছে না), হুমায়ুন আহমেদ এর পেন্সিলে আঁকা পরীর পতিতা মেয়েটা(নাম মনে নাই), তিন গোয়েন্দার জিনা, আরও আরও............

ছেলে ক্যারেক্টার এর নাম দিলাম না, কইতে শুরু করলে শেষ হবে না। তবে ঐগুলারো নাম মনে নাই, আমার মেমরি খারাপ।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৫

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: হা হা আসলেই দেখি আপনার মেমোরির অবন্থা করুণ :P

তিন গোয়েন্দার জিনা ছাড়া বাকি সবাইকেই আমারও বেশ ভাল লাগে।

ধন্যবাদ বাল্মিকী :)

৯| ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:০৮

হা...হা...হা... বলেছেন: দুরবীন বইটি সম্ভবত ৯৮/৯৯ এর দিকে পড়েছিলাম। সেই থেকে আজ পর্যন্ত রিমির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছি।

আমার অবশ্য আপনার মতো এত ঘন ঘন প্রেমের পড়ার অভ্যাস নাই। :P :P :P খুব বেশী প্রেমিকা বদল আমার হয়নি। :P :P :P সেই রিমিতেই আছি এখনো। তবে ভাল লেগেছিল অনেককেই। এর মধ্যে অন্যতম মারিয়া রেমার্ক এর A Time to Love and a Time to Die বইয়ের এলিজাবেথ।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৯

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: বাহ আপনিতো তাহলে 'ওয়ান উইম্যান ম্যান' দেখি। দ্যাটস গুড! :)

ঘন ঘন প্রেমে পড়ার একটা সুবিধা হল একজনের জন্য বেশিদিন কষ্ট পাওয়া লাগে না। মনের উপরে চাপ কম পড়ে। :P

A Time to Love and a Time to Die এই বইটা পড়া হয় নাই। পড়তে হবে। থ্রি কমরেডসের প্যাটকে আমার বেশ লাগছিল। :)

১০| ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:১৩

অপাংক্তেয় বলেছেন: গর্ভধারিণীর সুদীপ এর প্রেমে পরেন নি??? আপনার তালিকা দেখে তো মনে হল সুদীপ এর অবশ্যই থাকা উচিত...

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২২

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: পড়লাম নাতো। কি করবো! :| :P

গর্ভধারিণীর চারটা চরিত্রই আমার অনেক ভাল লেগেছিল। আলাদা বা বিশেষ করে কাউকে না। :)

১১| ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:১৪

ঘুমন্ত আমি বলেছেন: আপনার পছন্দের চরিত্রের সাথে আমার কোন মিল নেই শুধু ব্যতিক্রম কবি বইয়ের নিতাইচরন তারচেয়ে প্রিয় এই লাইনটি জীবন এতো ছোট কেনে

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫১

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: এই খেদ আমার মনে-
ভালবেসে মিটল না সাধ, কুলাল না এ জীবনে!
হায়- জীবন এত ছোট কেনে?
এ ভূবনে?


এই বইটা পড়ার পরে কতদিন ধরে যে আমার মন খারাপ ছিল! অসাধারণ অসাধারণ একটা বই।

১২| ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:২৬

আমি সুফিয়ান বলেছেন: ধ্রুব চটিত্রটা এত ভালো লাগে!!!! আজব !!! আমার পড়া সবচেয়ে ফালতু ক্যারেকটার, সাইকোপ্যাথ.....

মাধবীলতা চরিত্রটা যখন পড়েছিলাম, তখন অসাম লেগেছিলো(৭ম শ্রণী)
পরে বুঝলাম এইটা পুরা ফাজলামো.... শরৎ এর নারী চরিত্রের ই আধুনিক ভার্ষন

আমি প্রেমে পড়েছিলাম "এ লিটল হঔজ অন প্রেয়রীর" লরার ;
কোথাও কেউ নেই এর মুল চৈত্রের " নাম মনে নেই :("
প্রথম আলোর ভুমিসুতা কে

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৫

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ধ্রুব চরিত্রের ব্যাপারে যা বলার ২ নং কমেন্টের উত্তরেই বলেছি, বুঝতেই পারছেন...ছোট ছিলাম :)

শরৎ এর নারী চরিত্রের আধুনিক ভার্সন হতে পারে, তারপরও মাধবীলতা চরিত্রটা পছন্দ হওয়ার মতই। আমার অন্তত তাই মনে হয়েছে।

ধন্যবাদ সুফিয়ান।

১৩| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪৩

ফাইরুজ বলেছেন: আপনার পোস্টের উল্লেখিত স্বপ্ন পুরুষ গুলো আমারো খুব পছন্দের।
তবে আমার বই এর পাতায় পড়া চরিত্র গুলোর মধ্যে যাকে কখনো ভুলতে পারিনা সে হচ্ছে সাতকাহনের দীপাবলি। একটা সময় আমার খুব দীপাবলি হতে ইচ্ছে করত। দীপার সাহষ, বড় হওয়ার সংগ্রাম আমাকে মুগ্ধ করে এখনো।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৩

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: হুম দীপাবলীকে আমারও ভাল লেগেছিল...তবে রঙ্গময়ীকে তারচেয়ে বেশি। দীপাবলি হতে ইচ্ছে করেনি আমার কখনো, তবে অনেকখানিই ওর মত হয়েছি বটে। স্বাধীন, অন্যায়কে মেনে না নেয়া :)

ভাল থেকো ফাইরুজ।

১৪| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫১

রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: ধ্রুব X(

অর্ক 8-| B:-/


মাসুদ রানা B-) B-) B-) B-) B-)

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৬

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ধ্রুব :(( :((

অর্ক...অর্ক... :#> :P

মাসুদ রানা B-) B-) B-)




:) :)

১৫| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫৫

রাইসুল জুহালা বলেছেন: আপনি ঠিক আমার মন্তব্যের উত্তর দেয়ার আগে দিয়ে পোস্ট ড্রাফট করে ফেলেছিলেন। আমি আশংকা করছিলাম, বোধহয় আমার মন্তব্যে বিরক্ত হয়ে এই সিদ্ধান্ত। ঈদের ব্যাপার শেষ হলে আপনাকে জিজ্ঞেসও করব, ভাবছিলাম। এখন মনে হচ্ছে ড্রাফটের পেছনে অন্য কারন ছিল যাই হোক। সমালোচনা স্পোর্টিংলি নেবার জন্য এবং পোস্ট ফিরিয়ে আনার জন্য ধন্যবাদ। :)

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩৭

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: নাহ বিরক্ত কেন হবো? আপনি আপনার মতামত জানাতেই পারেন, আর এটাও খুব স্বাভাবিক যে একেকজনের পছন্দ একেক রকম হবে। :)

হ্যাঁ, অন্য কারণ ছিল।

শুভেচ্ছা রাইসুল।

১৬| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৮

ত্রাতুল বলেছেন:
মাঝখানে ড্রাফট করেছিলেন কেন?

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪০

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: এইজন্য :P :P

বকা দিয়েন না, পোস্ট পড়েন। আর আপনার প্রেমিকাদের কথা শেয়ার করেন আমাদের সাথে :)

১৭| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩১

রাজসোহান বলেছেন: :) :) অনেক কিছু মনে পড়ল, অনেক....আহ! একসময় কি বই পড়া নিয়ে কতকিছু হলো এখন? ছুঁয়েই দেখা হয় না, অথচ আমার জীবনের বিশাল অংশ জুড়ে আছে!

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫৮

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: আমার খুব পছন্দের বইগুলো আমি এখনও মাঝে মাঝে খুলে খুলে পড়ি। আমার খুব ভাল লাগে। কিন্তু বই পড়াটা এত কমে গেছে! :(

১৮| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২০

অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: সবগুলো চরিত্রই পছন্দের । এছাড়া আমার আরো দুটো পছন্দের চরিত্র বলি , যেগুলো নিয়ে একটা সময়ে ফ্যাসিনেটেড ছিলাম প্রায় -

রাজকুমার ( চতুষ্কোণ )

অমিত ( শেষের কবিতা )


এবার আমি বরং উলটো কিছু নাম বলি !


মাধবীলতা (কালবেলা )

কুর্চি ( মাধুকরী )

কুসুম ( পুতুল নাচের ইতিকথা )

বিনোদিনী ( চোখের বালি )


নাইস এন্ড নস্টালজিক পোস্ট !


অ ট - আর ও আছে -

সোহানা , রূপা , অ্যানি উইসপার , রেবেকা সাউল ( মাসুদ রানা ) ! :P :P

আর কলেজে থাকতে ছিলো আমাদের কমন প্রেমিকা ছিলো কপিলা , রীতিমতো মারামারি হইতো এই নিয়ে ! :)

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:২৯

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: চতুষ্কোণ পড়া হয় নাই, কার? অমিত, অমিতের চেয়ে আমার 'গোঁড়া'র মূল চরিত্রটা বেশি ভাল লেগেছিল। নাম ভুলে গেছি।

মাধবীলতা (হুম), কুর্চি (কুর্চি...কুর্চি...হালকা মনে পড়ছে, বইটা অনেক আগে পড়া), কুসুম (আমার খুবই খুবই প্রিয় একটা চরিত্র...কুসুমের একটা ডায়ালগ ছিল এমন "মেয়েরা এরকম হয়, ওরকম হয়, অনেক রকম হয়..শুধু মনের মত হয় না, তাই না?" কি তীব্র একটা কথা! কি ভীষণ শ্লেষ!) [এরসাথে আমার আরো দুইজনকে মনে পড়ল, নাগিনীকন্যার কাহিনী বইয়ের নাগিনীকন্যা শবলা আর পিঙলাকে; এমনি তীব্র, দৃঢ়, বিদ্রোহী দুটো চরিত্র], বিনোদিনী (আই কুডন্ট লাইক হার)। মাসুদ রানা'র চরিত্রদরে মধ্যে আমার ভাল লেগেছিল মণিকাকে (শ্বাপদ সংকুল), আরেকজন, খুব সম্ভবত লীনা (শ্বেত সন্ত্রাস)

আচ্ছা, শেষ পর্যন্ত কপিলা কারে বলছিল, 'আমারে নিবা মাঝি লগে?' :P আমার অত্যন্ত প্রিয় একটা ডায়ালগ। :)

১৯| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩৮

সায়েম মুন বলেছেন: বেশীরভাগ নায়করে চিনছি---------------

এই নায়কগুলারে লাইক করতেন শুইনা ভাল লাগলো। পরিচিত নায়ক কিনা :P

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:১৭

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: আচ্ছা! তা নায়িকাদের কথাও শুনি একটু... :P

২০| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪২

মহাবিশ্ব বলেছেন:
সমুদ্রকন্যা, খুব ভালো লাগলো এলোমেলো কথন। আসলে ভালো লাগা উপন্যাস গুলো এমন ভাবে চেতনার সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যায় যে তার চরিত্রগুলি উঠে আসে বইয়ের পাতা থেকে, হেঁটে যায় পাশে পাশে! খুব ছোট থেকে বইয়ের পোকা ছিলাম। সব রকম বই পড়ে ফেলতাম একটানে। এখন খুবই কম সময় পাই। আমার প্রথম ভালো লাগার চরিত্র ছিল পাগলা দাশু, সুকুমার রায়ের রচনা থেকে। তারপর বিভূতিভূষণের অপু। কতদিন যে অপু হয়ে ঘুরে বেড়াতাম সবুজের বুক চিরে। আপনার কথিত স্বপ্নপুরুষদের সাথে আমারও ভালো লাগা রইল।
ঈদ মুবারক, সুন্দর আলোকিত হয়ে থাকুক আগামী দিনগুলি। শুভকামনা একগুচ্ছ। ভালো থাকবেন সমুদ্রচারী কন্যে!

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:২৪

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ঠিক বলেছেন গৌতম দা'...চরিত্রগুলো যেন সত্যি হয়েই পাশে পাশে হেঁটে বেড়ায়।

পাগলা দাশুতো পাগলা দাশুই, আমি প্রথম পড়ি চিনে পটকার কাহিনীটা...পন্ডিত মশাই বললেন, 'আর তুমি কি করছিলে তখন?' দাশুর নির্বিকার উত্তর, 'আমিতো চিনে পটকায় আগুন ধরাচ্ছিলাম!' হা হা হা.......

অপুকে ভাল লেগেছে, আমার আরেকজনকেও ভাল লেগেছিল বেশ। দৃষ্টি-প্রদীপের জিতু। খুবই কল্পনাবিলাসী, উদাসী, দু:খী একটা চরিত্র...যার দৃষ্টিতে মাখামাখি হয়ে থাকে স্বপ্নরা।

অনেক ধন্যবাদ গৌতম দা'। শুভেচ্ছা আপনাকেও।

২১| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:২১

রাজামশাই বলেছেন:
নিজেরে নায়ক নায়ক মনে হইতাছে ;)

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩১

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: তাই নাকি রাজামশাই, তা আপনার রাণীদের বিবরণও একটু দিয়ে যান...আমরা শুনি :)

২২| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:০৪

অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: চতুষ্কোণ মানিকের লেখা , রাজকুমার চরিত্রটাকে অনেকেই দেখতে পারেন না অবশ্য !

অমিতের মতো ক্লাসি আর স্টাইলিশ চরিত্র আমার কাছে খুবই আছে । এখন অবশ্য অমিতে এতোটা ডুবে নেই , কিন্তু অমিত ইজ অমিত ! দ্য গ্রেট অমিট রায়ে !

আর গোরা এর মূল চরিত্রের নাম গৌরমোহন । :)


হুম নাগিনীকন্যা পড়া হয় নি , পড়তে হবে ।

মণিকা আর লীনার কথা মনে পড়তেছে । খুব একটা টানে নাই। /:) /:)

আর কপিলার এই ডায়ালোগ ভুললেন কিভাবে ??? X( X( X( X( কুবের কে বলছিলো !

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫৭

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: কপিলার ডায়ালগ ভুলি নাই বাচ্চা...না বুঝেই মুখ লাল কইরো না...

আমি কেবল জানতে চাইছিলাম যে, তোমাদের মধ্যে কে ছিল সেই সৌভাগ্যবান যাকে কোন এক কপিলা এমন আকুল হয়ে মাঝি সম্বোধন করছিল? :P

২৩| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:২৭

শায়মা বলেছেন: অর্কের জন্য মায়া মায়া......

সূরর্য্যের বীরত্বে মুগ্ধ হওয়া..........।

আর ধ্রুব শয়তানটাকে একবার হাতের কাছে পেলে মজা দেখাতাম সব গোয়ার্তুমি আর শয়তানী অহংকার করার।

রেমির জন্যই সবচেয়ে বেশী কষ্ট আর মায়া।:(

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৪২

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: রেমি একটা বোকা মেয়ে, বিরক্তিকর ধরনের বোকা মেয়ে...ওর জন্য কষ্ট আমার কোনদিন হয় নাই।

অর্ক আর সূর্য....এই দুইজনকে অসম্ভব ভাল লেগেছিল।

২৪| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৪২

রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: আহ! কপিলা!
ওহ ইয়েস! কপিলা! :P :P :P


আমার লিস্টি কইতে গেলে আরেকখান পোস্ট হবে। বাদ্দিই, কি কউ?

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০১

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: বাদ্দিবা ক্যান? দিয়া দেও। পরে এইখান থেকে কপি কইরা পোস্টটা দিয়া দিও :D :D

২৫| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৫১

পাপতাড়ুয়া বলেছেন: একটা ব্যপার খেয়াল করলাম।

তোমার সবগুলো প্রেমিকের সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য আছে।

জেদী, ঘরছাড়া, ভেঙে ফেলার প্রতি আকৃষ্ট, স্বাধীনচেতা।


০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০৬

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: জেদী, ঘরছাড়া, একরোখা, উদাসী, স্বাধীনচেতা, অথবা আলাভোলা, স্বপ্নবিলাসী, সৃষ্টিশীল..............এই বৈশিষ্ট্যগুলো আমাকে প্রবলভাবে আকর্ষণ করে।

সাধারণ এই বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণেই তো এদেরই প্রেমে পড়েছি :)

২৬| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০৯

আরিয়ানা বলেছেন: হা হা হা আমিও বই পড়তে পড়তে ঘোরের ভেতর চলে যাই, আর নায়কের প্রেমে পড়ে হাবুডুবুটুবু সবই খেতে থাকি।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২১

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: হাবুডুবুটুবু! হা হা হা :D :D

বই পড়ে যদি ঘোরের মধ্যেই না গেলাম তাহলে কি করে অনুভব করবো সাদা কাগজের টুকরোকে কাল কাল অক্ষরে যাদুময় করা কথাগুলো!

ভাল থাকবেন আপু।

২৭| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৪৩

আকাশটালাল বলেছেন: আপনার লিষ্টের অনেকের সাথে পরিচয় নাই :(

এটার কারন আমি ডিটেকটিভ বইয়ের পোকা ছিলাম। সমরেশ, শীর্ষেন্দু, তারাশঙ্কর, আশুতোষের গল্পের সাথে অতটা সম্পৃক্ত ছিলাম না। তাই আপনার পছন্দের ক্যারেকটারগুলোর সাথে বন্ধুত্ব হয়ে উঠেনি।

তয় আপনার লিষ্টিটা বড় করটে আপনারে হেল্প করতে পারি। ডিটেকটিভ মাসুদ রানার যদি প্রেমে পরেন তাহলে কনফার্ম ফেলুদা, বোমক্যাশ, কিশোর অথবা রবিন (মুসা কিন্তু না :P), কিরীটি, শার্লক হোমস, এরকুল পোয়রো কারো না কারো পড়বেন শিউর ;)

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩১

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ইনাদের সবার সাথেই আমার পরিচয় আছে বটে, তবে মাসুদ রানা ছাড়া আর কেউ আমাকে আকর্ষণ করেন নি। :)

ধন্যবাদ আকাশটালাল।

২৮| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫৬

ত্রিনিত্রি বলেছেন: ইশ, সবাই কি এদেরই প্রেমে পড়ে নাকি আপু!!! মাইনাস মাইনাস!!

এক মাসুদ রানা আর আর বাপী তরফদার ছাড়া সবাই প্রেমেই হাবুডুবু খেয়েছি। বিশেষ করে ধ্রুব--সে সবার নাম্বার এক এ থাকবেই। শীর্ষেন্দু সৃষ্টি করেছিলেন বটে এক চরিত্র! আর সূর্যও।

পুরনো (এবং কিছু ক্ষেত্রে এখনো) ভালোবাসাদের একসাথে দেখে অনেক ভালো লাগলো!

উত্তম ঝাঝা!

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫২

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: মাইনাস! তোমারেও মাইনাস!! :D :D

বাপী তরফদার ভাল লাগেনি! এই একটা চরিত্রই সফল হয়েছিল শেষ পর্যন্ত...আর পাভেল ভ্লাসভ...

থ্যাংকু ত্রিনিত্রি। :)

২৯| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৬

শায়মা বলেছেন: আরিয়ানাআপু, ত্রিনিতি, ফাইরুজ, বড়বিলাই আপুনি আর কন্যা চলো সবাই মিলে বই এর পাতা থেকe শয়তান ধ্রুবকে টেনে বের করে কেটে কুটি কুটি করে ফেলি।:X(

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৪

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ধ্রুব'র একটা ডায়ালগ আমার খুব পছন্দ আপু..."আমি শালা লোককে ক্ষমা করতে ভালবাসি। প্রতিদিন কত লোককে ক্ষমা করে দিই!"

থাকগে আপু, ক্ষমাই করে দিলাম না হয়। :)

৩০| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:১৯

জাফরিন বলেছেন: কী বলব! অনেক কথাই মনে পড়ে যাচ্ছে।
এই বইগুলো পড়েছি এমন সময়ে, যখন হয়তো পড়া উচিত হয়নি। তবে কিছু কিছু বই আমার জীবনে অনেক প্রভাব ফেলেছে। আজ আমি যা, তার পেছনে অনেক অবদান আছে বিভিন্ন বই, উপন্যাস এবং উপন্যাসের চরিত্রগুলোর। অনেক অল্প বয়সে ভারী ভারী বই পড়ার কারণেই হয়তো সহপাঠী বন্ধুদের চেয়ে আলাদা হয়ে গিয়েছিলাম। যেন এক ঘোরের জগতে বাস করতাম! ভাবুক আর কল্পনাবিলাসী স্বভাবটা ওই সময় থেকেই পাওয়া।
খুব অদ্ভুত ছিল দিনগুলো। বাস্তব দুনিয়ার চেয়ে উপন্যাসের মানুষগুলোই ছিল বেশি চেনা।.............মনে পড়ে যাচ্ছে.........

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪৩

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: বই পড়ার কোন বয়স নেই আপু। যেকোন বয়সেই যেকোন বই পড়া যেতে পারে। যে কারণে আমাকে কখনো বাধা দেয়া হয় নি বই পড়াতে। আর বই অবশ্যই মানসিকতা গঠনে অনেক অনেক বড় ভূমিকা রাখে। বইয়ের চেয়ে বড় বন্ধু আর কি হতে পারে!

ভাল থাকবেন আপু।

৩১| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:২১

লেডি বার্ড বলেছেন: আমার তো কারো নাম মনে থাকে না। এই দিক দিয়া পড়ি ঐ দিক দিয়া ভূলে যাই। /:) আপনের স্বপনের পুরুষ আমারও কয়টা কমন পরছে। B-)

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১২

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: কমন পরে যাওয়াতে চিমটি চিমটি চিমটিইইইই!!! :P :P

যাদের বেশি ভাল লেগে যায় তাদের আমি সহজে ভুলি না। :)

আমার ব্লগে স্বাগতম লেডি বার্ড। শুভেচ্ছা অনেক।

৩২| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:০০

অর্ক হাসনাত কুয়েটিয়ান বলেছেন: প্রথম প্রেম তুষারকন্যা :!> :!> ।

আহা সে কি ভালুবাসা ছিল :#> :#> :#> ।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৭

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: তুষারকন্যা! :P

কোন ক্লাসে ছিলেন তখন? নার্সারী? কেজি?
তুষারকন্যা কিন্তু অত্যন্ত সুন্দরী ছিল। :)

৩৩| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৩৪

লজ্জাবতী বলেছেন: পোস্টের শিরোনাম দেখে ঢুকি। সবটা পড়ার আগে মনে মনে হেমাঙ্গর কথা ভাবছিলাম। ৩ নাম্বার এ এসে দেখি আপনার লিস্টে সে আছে।
পার্থিব বইটা পড়তাম যখন শুধু অপেক্ষা করতাম কখন হেমাঙ্গর কথা আসবে। ঐ অংশটুকু পড়া হয়ে গেলে আবার পড়তাম।
হেরম্ব ও আমার অনেক পছন্দের একটা চরিত্র। তবে আমার মনে হতো হেরম্ব আনন্দকে ঠিক সেভাবে ভালোবাসেনা, যতটুকু ভালোবাসলে সারাজীবন আগলে রাখা যায়।

শেষের কবিতায় অমিত আর লাবণ্য দুজনই আমার সমান পছন্দের। এই একটি মাত্র উপন্যাস আমি যে কেন বার বার পড়ি জানি না। একদিন আমার ভাই জিজ্ঞেস করেছিলো কি আছে এই উপন্যাসে? কেন বার বার পড়ি, আমি বলতে পারিনি কি আছে! জীবনের খুব কষ্টের একটা মুহূর্তে এই বইটা আমাকে সঙ্গ দিয়েছিলো। তখন মনে হয়েছিলো এত চমৎকার একটা সঙ্গী থাকলে জীবনে আর কাউকে প্রয়োজন নেই। বিশেষ করে লাবণ্যের চরিত্রের দৃঢ়তা আমাকে খুন টানত।

অনেক ভালো লাগল সমুদ্র কন্যা। আপনি একদম মনের কথাটাই লিখেছেন

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০১

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: আমিও পার্থিব পড়ার সময়ে হেমাঙ্গ'র অংশটুকুর জন্য বিশেষভাবে অপেক্ষা করতাম। :)

আর হেরম্ব...আমার মনে হয়েছে হেরম্ব আসলে কাউকেই ভালবাসেনি। কিছু কিছু মানুষই থাকে এমন, যে শুধু নিজেকেই বোঝে...শুধু নিজেকেই জানে। আর কারো খুব একটা মূল্য তাদের কাছে নেই। সুপ্রিয়া বা আনন্দ, দুজনেই ছিল শুধু হেরম্ব'র মনের খোরাক জোগানোর এক একটি উপাদান মাত্র। তাদের এমন কি সে মানুষ হিসেবেও বিবেচনা করে নি। নির্দিষ্ট সময় পরে হারিয়েছে সব আকর্ষণ।

খুবই আশ্চর্যজনক একটা ব্যাপার হল 'শেষের কবিতা' আমার ভাল লাগে নি। প্রথমবার শুরু করে শেষ করতে পারি নি। আরো বছরখানেক পরে আবার পড়ি, শেষ করার জন্য। দ্বিতীয়বারও পড়েছিলাম। কিন্তু আর না। হয়তো সেই গভীরতাই আমার মধ্যে নেই। দেখি, আরো একবার চেষ্টা করে...এর গভীরে যেতে পারি কিনা।

অনেক ধন্যবাদ লজ্জাবতী।

শুভেচ্ছা।

৩৪| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৬

জিসান শা ইকরাম বলেছেন: ভাল লাগলো পোস্টের বিষয়বস্তু। গল্পের বই পড়া হয়েছে তবে সেভাবে কোন চরিত্রের নাম মনে নেই। মাসুদ রানা কে বেশ লাগত।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৩

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

ভাল থাকবেন। :)

৩৫| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫১

সরলতা বলেছেন: ভালোলাগা আগেই দিয়ে গিয়েছিলাম। নিজের স্বপ্নপুরুষদের কথা বলতে আবার আসলাম। :!> :!>

ঠিক স্বপ্নপুরুষ না,প্রথমেই যে চরিত্রটা আমার অসম্ভব পছন্দ সেটা হচ্ছে সাতকাহনের দীপাবলী। দীপাবলীর প্রতি দ্বিতীয় পর্বে খুব রাগ হয়েছিল। বিয়ে করে ফেলার জন্য। ছোট ছিলাম তো,তখন মনের মত করে দীপাবলীকে সাজাতে চেয়েছিলাম। এখন মনে হয়,আমি ও দীপাবলীর জায়গায় থাকলে তার মত-ই জীবনের একটা পর্যায়ে আর একা থাকতাম না। দীপার ঠাকুমার চরিত্রটিও আমার বড় পছন্দের।

ধ্রুবকে প্রথমবার খুব ভাল লেগেছিল। পরের বার পড়ার সময় আগের সেই টানটা থাকেনি। বরং বহুদিন মনে থাকবে সূর্য্য্-র কথা। :)

পুরুষ চরিত্রগুলোর চেয়ে মনে হয় নারী চরিত্র আমাকে আকৃষ্ট করে বেশি। :| :| শরৎচন্দ্রের চরিত্রহীনের কিরণময়ী চরিত্রটি আমার বড় পছন্দের। সাধারণ কিন্তু তারপর ও অন্য চরিত্রগুলোকে ছাপিয়ে যায় ব্যক্তিত্বগুনে।

হূমায়ন আহমেদের হিমুকে ভাল লাগে। ঠিক হিমুকে না,হিমুর কথাগুলো। :)

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৮

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: জীবনের একটা পর্যায়ে এসে একা থাকা সত্যি কঠিন। ঠাকুমার অংশটুকু খুব সামান্য হলেও, তাঁর চরিত্রের দৃঢ়তা আমার দীপাবলীর চেয়ে বেশি মনে হয়েছে।

ধ্রুবর ক্ষেত্রে আমারও একই ব্যাপার হয়েছিল। সূর্য্যকে ভাল লেগেছিল খুব। হিমু আমার একটুও ভাল লাগে না।

কিরণময়ী পছন্দ করার মতই একটি ব্যক্তিত্ব। পছন্দের নারী চরিত্র নিয়ে ভাবছি আরেকটা পোস্ট দিবো। নিশ্চিত থাকো, লিস্টি ঢের বেশি লম্বা হবে তখন। :)

৩৬| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৯

মনিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন: দুর্দান্ত একটি পোস্ট

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩৯

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ধন্যবাদ বাবু।
শুভ রাত্রি!

৩৭| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:২৬

লজ্জাবতী বলেছেন: শেষের কবিতা যখন প্রথম পড়ি তখন আমি নিজেও বুঝিনি। পড়ে বুঝেছি। আর এখন মন খারাপ হলেই বার বার পড়ি।

একটা জিনিস লক্ষ করবেন অমিত এবং লাবণ্য তাদেরকেই বিয়ে করেছে যারা তাদেরকে ভালোবাসত। লাবণ্য শোভন কে আর অমিত কেতকী কে।


অমিত লাবণ্যকে কতটা ভালোবাসত সেটা বোঝা যায় এবং কেতকীর প্রতি ছিলো অমিতের কোন এক সময়ের মোহ যা কেতকী ভালোবাসায় রূপ দিয়েছিলো। অমিতের এই কথা থেকেই বোঝা যায়_____
কেতকীর সঙ্গে আমার সম্বন্ধ ভালোবাসারই; কিন্তু সে যেন ঘড়ায়-তোলা জল, প্রতিদিন তুলব, প্রতিদিন ব্যবহার করব। আর লাবণ্যর সঙ্গে আমার যে ভালোবাসা সে রইল দিঘি; সে ঘরে আনবার নয় আমার মন তাতে সাতাঁর দেবে।

লাবণ্যর কবিতা সবটা পড়ে দেখেন কতটা গভীর ছিলো তাদের ভালোবাসা। আমি অল্প কিছুটা বলি__

মোর লাগি করিয়ো না শোক-
আমার রয়েছে কর্ম, আমার রয়েছে বিশ্বলোক।
মোর পাত্র রিক্ত হয় নাই,
শূণ্যেরে করিবে পূর্ণ এই ব্রত ভিব সদাই।
উৎকন্ঠ আমার লাগি কেহ যদি প্রতীক্ষিয়া থাকে
সেই ধন্য করিবে আমাকে।




সত্যিকার অর্থে আমার মনে হয় প্রেমের উপন্যাসের মধ্যে শেষের কবিতা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নয় সর্বযুগের সর্বকালের। কখনো পুরনো হয় না।
সবটা বই জুড়ে অমিতের মানসিক চঞ্চলতা অস্থিরতা এবং লাবণ্যকে পেয়ে নিজেকে নিজের ভালোবাসাকে বোঝা। এবং লাবণ্যের নীরবে ত্যাগ করা। অসাধারণ লাগে!!

সত্যিকারের প্রেমত এমনি। ভালোবাসলে তা আজীবন মনের মধ্যে রয়ে যায়। কখনো ফুড়িয়ে যায় না।

কিন্তু এখনকার ভালোবাসা মানে হচ্ছে একটা গেম, কে জিতবে কে হারবে। ভিডিও ছবি অসহ্য! আজকে দেখলাম একজন পোস্ট দিয়েছে প্রেমিকাকে কিভাবে শায়েস্তা করবে। বড় আজব! আপনিই বলেন কি বলবেন ওদের!

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:১৭

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: হয়তো............আবার পড়তে হবে................জানি না কতটুকু বুঝতে পারবো।

কিন্তু একটা ব্যাপার লজ্জাবতী অমিত এবং লাবণ্য তাদেরই বিয়ে করেছে যারা তাদের ভালবাসতো। অমিত ও লাবণ্যও তো পরস্পরকে ভালবাসতো, তাই না? অনেক অনেক বেশি। তাহলে তারা বিয়ে করল না কেন! এই জায়গাটায় আমার খুব রাগ হয়ে যায়। গিফট অব দ্য মেজাই টাইপের রাগ.............

সত্যিকার ভালবাসা, বিশ্বাস, নির্দ্বিধায় সমর্পণ এবং সফল পরিণতি এখনো নেই তা নয়। তবে আমি ঘৃণা করি ভালবাসার নামে খেলাকে, কে কার থেকে এগিয়ে থাকল সে প্রতিযোগিতাকে। এমনও শুনেছি 'স্টিল ভার্জিন' শুনে টিনএজার বন্ধুরা একজন অন্যজনকে অবজ্ঞা করছে।

এদের দেয়ার মত কোন বিশেষণ আসলে বাংলা অভিধানে এখনো নেই।

শুভেচ্ছা লজ্জাবতী।

৩৮| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫৪

সরলতা বলেছেন: আপু,আরেকটা কথা বলতে ভুলে গেছিলাম। যখন মনে পড়ল,ততক্ষণে পিসি অফ করে দিয়েছি। শায়মা আপুর খোকাভাই-ও আমার খুব প্রিয় চরিত্র। :!>

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:১৮

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: শায়মাপু'র খোকা ভাই চরিত্রটা আমারও ভাল লাগে বেশ। একটুখানি সূর্য্য'র সাথে মিল আছে, আবার কিছুটা হেমাঙ্গ'র মতও। :)

৩৯| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১১

ত্রাতুল বলেছেন:
কত মানুষের কত প্রিয় চরিত্র!! আমি যখন যেটা পড়ি সেটাই ভাল লাগে। পরে আর মনে করতে পারি না। আসলে যেই বয়সে মুগ্ধতা বেশি কাজ করে বিশেষ করে স্কুল জীবনে তখন খুব বেশি বই পড়ি নি। তাই বাড়াবাড়ি রকম মুগ্ধতা কখনোই ঐভাবে কাজ করে নি। এখন তালিকা তৈরি করতে চাইলে ভাবতে হবে। চোখ বুজে কারোর কথা বলতে বললে সেটা পারবো না। আর তালিকা করে ফেললে সেটা অনেক বড়ই হবে মনে হয়। তাই কারোর কথা আর না বলি। তাছাড়া এত জ্ঞানী গুণী পাঠকদের মধ্যে কোনটা বলে আবার কোন বিপদে পড়ে যাব তাই বা কে জানে!! :|

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৪

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: তালিকা বড় হলে তো ক্ষতি নেই ত্রাতুল, আছে কি? আর এত জ্ঞানী গুণী পাঠক! আপনি কি পাঠক নন? পড়েননি বই? এত বিনয় না করলেই কি নয়! X(

মোট কথা গোপন কথা বলতে চাইছেন না, তাইতো? ঠিক আছে, কোন সমস্যা নেই। যখন ইচ্ছা এসে বলে যাবেন। :)

৪০| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৪৫

anisa বলেছেন: ধ্রুব রেমি এষ এমনি সব নাম ।
খুব ছোট বেলা থেকেই বই পড়ার নেশা সারাবেলা এখনো কাটে বই পরে ।
অফিসে কাজের ফাঁকে বই ।
কিন্তূ ওগো সমুদ্র কন্যা আমি যে বই পড়ি তার নামেই মনে থাকেনা
খুব ভালো কাজ করলে দিদি ।
উফফ মাসুদ রানা ! এখনও আছে অফিসে লুকিয়ে পড়ি নতুন বার হলেই কিনে আনি ।
সেই অনিরুদ্ধ অবিনাশ আর কত নাম । কিন্তু বই এর নাম মনে নেই এক বই বার বার কিনি পড়ি ।
ভাল লাগল
শুভ দুপুর

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৯

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: এষা সম্ভবত মাধুকরীতে ছিল, তাই না আপু? আজকাল বই পড়ার আগ্রহটা কমে গেছে। পড়া হয় না তেমন। কিন্তু যখন স্কুলে পড়তাম দেখা যেতো পড়ার বইয়ের নিচে লুকিয়ে গল্পের বই পড়ছি। আর ধরা পড়লে তো............. :P

আপনার ভাল লেগেছে দেখে ভাল লাগছে খুব। :)

শুভ সন্ধ্যা আপু্!

৪১| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৩

মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: ধ্রুব আর সূর্য ব্যাপকভাবে মিলে গেলো :!> আর পাভেল ভ্লাসভ নামে কাউকে তো চিনলাম না, তবে পাভেল কোরচাগিনকে আমার সেইরকম লাগতো ('ইস্পাত' এর মূল চরিত্র পাভেল কোরচাগিন)।

পোস্টের কন্টেন্টের চেয়েও বেশি ভালো হয়েছে আইডিয়াটা। জোস!

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩৮

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: পাভেল ভ্লাসভ ছিল ম্যাক্সিম গোর্কির 'মা' বইতে। ইস্পাতের চেয়ে মা আমি ঢের বেশি বার পড়েছি। আর করচাগিনের চেয়ে আমার ভ্লাসভ (পাশা)কেই বেশি ভাল লেগেছে। তবে দুটো বই-ই অসাধারণ!

ধন্যবাদ ভেবু। :)

৪২| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: অর্কর উপর আমার খুব রাগ লাগে তার চাইতে ওর বাবার ছেলে বেলাটা ভাল লাগতো।

তোমার লিস্টটার সাথে মিলে গেলো আমার পছন্দও, এছাড়া আরও যাদের ভাল লাগে কালবেলার অনিমেষ, প্রথম আলোর গৌরাঙ্গ, পূর্বপশ্চিমের অতিন (যদিও প্রথম নায়িকাকে ছ্যাকা দেয়ার রাগ উঠেছিল) আর ফেলুদা এবং অর্জুন এই দুই গোয়েন্দাকে। হুমায়ূন আহমেদের শুভ্র আর হিমুকে এক সময়ে ভাল লাগতো, এখন আর লাগে না! ছোট বেলা টম স্যায়ার কে ভাল লাগতো অনেক।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪২

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: প্রথম আলো এবং পূর্ব-পশ্চিম দুর্ভাগ্যজনকভাবে বইগুলো আমার পড়া হয় নি। :(

হুমায়ুন আহমেদের এই চরিত্রগুলো আমি কখনো ভাল লাগাতে পারি নি। আর টম সয়্যারকে তো খুবই কিউট লাগতো। বিশেষ করে বেকি থ্যাচারের সাথে ওর প্রেমের ব্যাপারটা। :!> :)

সোহামনির প্রিয় চরিত্রদের কথাও জানিয়ো আপু। :)

৪৩| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২১

শায়মা বলেছেন: সরলতা বলেছেন: আপু,আরেকটা কথা বলতে ভুলে গেছিলাম। যখন মনে পড়ল,ততক্ষণে পিসি অফ করে দিয়েছি। শায়মা আপুর খোকাভাই-ও আমার খুব প্রিয় চরিত্র।


লেখক বলেছেন: শায়মাপু'র খোকা ভাই চরিত্রটা আমারও ভাল লাগে বেশ। একটুখানি সূর্য্য'র সাথে মিল আছে, আবার কিছুটা হেমাঙ্গ'র মতও।



:) :) :)


এত এত প্রিয় প্রিয় মানুষদের মাঝে আমার খোকাভাই!!!!


খুব খুব অবাক আর অনেক অনেক আনন্দিত হইলাম বইনেরা।:):) :)


সত্যি সত্যি কিন্তু। :) :) :)


আসলেই মনে হয় সূর্য্য আর হেমাঙ্গের সাথে মিল আছে আমার খোকাভাই এর। :) :) :)

আসলে খোকাভাইকে বানাবার সময় আমার ভেতরে কারা কারা লুকিয়ে ছিলো তা আমি এত ভেবে দেখিনি তবে অবশ্যই খোকাভাই এর চেহারা লুকানো আছে আমার মনের ভেতরে। :P

তার চেহারা কেমন আর কই কই থেকে এসেছে সেসব দৃশ্যগুলি যা আমি আমার লেখা গুলোয় এনেছি সেসব লিখবো এইবার আমি।:) :) :)


আর সরলতামনি আর কন্যাকে অনেক অনেক থ্যাংকস আমার এই ভাবনাটাকে জাগিয়ে তোলার জন্য। :) :) :)


০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৯

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: সূর্য্য ভালবেসেছিল তার কাজিনকে, কিন্তু প্রথা ভাঙতে পারেনি বলে নি তাদের মিলন হয়ে উঠেনি। অথচ সূর্য্য সারাক্ষণ টগবগ করে ফুটতো। ওইসব ফালতু নিয়েমের কিচ্ছু তোয়াক্কা করতো না। অন্যদিকে খোকাভাই ছিল অভিমানী, চুপচাপ, নির্বিরোধী...একদম হেমাঙ্গর মতন। এই মিলগুলোই খুঁজে পাই আমি। :)

লিখে ফেল আপু। আবার রচিত হোক ইতিহাস নতুন করে। অপেক্ষায় রইলাম তার। :)

৪৪| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪১

ত্রাতুল বলেছেন:
খোকাভাই এর কথা কিন্তু বলেছি আমি আমার পোস্টে। আর পেছনের গল্পও মনে হয় একটু একটু জানি, কিন্তু বলা যাবে না। :P

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৪

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: পেছনের গল্প! এ্যাঁ, স্ক্যান্ডালের গন্ধ পাচ্ছি মনে হচ্ছে! :P

ভালয় ভালয় বলে ফেলেন দেখি কাহিনীটা কি? :-0 :P

৪৫| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫২

ত্রাতুল বলেছেন:
আয়হায়! স্ক্যান্ডাল আবার কিসের!!
বললাম খোকাভাই এর পেছনের গল্প একটু একটু জানি মনে হয়।
তাতে স্ক্যান্ডালের কি হল!!

আর ব্যাক্তিগত জীবনে আমার মত গোবেচারা নির্বিরোধী মানুষ খুব কম আছে।
একদম স্ক্যান্ডাল ফ্রি টপ টু বটম। B-) :P
থাক আর মধ্যরাতে নিজের ঢোল না পেটাই। :#>

শুভ রাত্রি। :)

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:২৯

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: জ্বী ঠিকই বলছেন। আর পিটায়েন না, ফেটে যাইতে পারে :P :P :)

ভাল থাকবেন ত্রাতুল।

৪৬| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩১

মিঠাপুর বলেছেন: ওহো কি সেই সব দিন গুলো---আমাদের স্কুলের দোতলায় একটা পুরোনো লাইব্রেরি ছিল। এক দিন পিয়ন কে চা-নাসতা খাইয়ে-স্কুল ছুটির পর আমি ঐ রুমটাতে গিয়েছিলাম।তালাটাতে জং ধরে গিয়েছিল।

পাশের দোকানের কেরোসিনের চুলা থেকে কেরসিন তেল নিয়ে গিয়ে তালাটা খুলেছিলাম।
আমি যেন এক নতুন রাজ্য প্রবেশ করেছি---- বেশ বড় রুম ছিল। ৭ টা বিশাল বিশাল সেলফে রাখা শুধু গল্পের বই---

কেমন যে লাগছিল --সে অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মত না--

সেই থেকে শুরু--

সাতকাহন এর দীপাবলি দিয়ে আমি মোটা উপন্যাস পড়া শুরু করি.........।
আর যা হয় --প্রথম দেখায় প্রেম--- দীপার প্রেমে আমি ডুবে ছিলাম অনেক দিন---

২য় পর্বে দীপার বিয়ে করাটা মানতে পারছিলাম না----আমি চরম বকা দিয়েছিলাম --ঐ লাইন টা পড়ে :(( :((

এর পর হাজার বছরের টুনিকে ----
নিখাদ গ্রাম্য প্রেম।

আর এখন রানিং চলছে রুপার সাথে------------হিমুর যেমন রুপা আছে , আমার ও লাইভ একটা রুপা আছে :P

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪১

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: মোটা মোটা উপন্যাস আমি শুরু করি বঙ্কিমকে দিয়ে, সবার আগে শেষ করেছিলাম বঙ্কিম উপন্যাসসমগ্র, ক্লাস সিক্সের কথা। দীপার বিয়েতে আমি কিন্তু খুশিই হয়েছিলাম। কারণ জীবনের একটা সময়ে মানুষের সঙ্গী দরকার হয়, অবলম্বন করবার মত অন্য একজন মানুষ। আর সেটা স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কেউ হতে পারে না, পারে না সেই পরিপূর্ণতাটুকু দিতে। বরং কষ্ট হয়েছিল সম্পর্কটুকু শেষ পর্যন্ত পূর্ণতা পায়নি বলে।

আপনার রূপার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

ভাল থাকবেন দুজনে মিঠাপুর।

৪৭| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩৪

মিঠাপুর বলেছেন: আমার লিস্টা অনেক বড়---- সব কইতে পারতাম না---লিখতে ইচ্ছা করে না--- :(( :((

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪২

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ঠিক আছে, মিঠাপুর। কষ্ট করতে হবে না, আমরা বুঝে নিলাম। :)

৪৮| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫২

নীল-দর্পণ বলেছেন: আপু দূরবীন বইটা পড়ার পরে তোমার মতই ভেবেছিলাম ধ্রুব র মত কেউ আসুক জীবনে :P (যদিও ধ্রুব র উপর খুব রাগ রেমীকে কষ্ট দেবার কারনে)

দূরবীন বইটার কিছু অংশ পড়ার পরে আমি শুধু ধ্রুব-রেমীর অংশ টুকুই পড়েছিলাম। আর দূরবীন কিনে ব্যাগের টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় হেটে এসেছিলাম বাসায় :P

কালপুরুষের অর্ক-অনিমেষ-মাধবীলতা সবাইকেই ভাল লেগেছে অনেক :)

আর ইদানিং পড়েছি মাসুদ সাহেবের প্রেমে :#>

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৪৯

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ইদাদিং!! আহা নীলু আমাদের কবে বড় হবে! এতদিন বাদে মাসুদ রানার প্রেমে পড়েছে :)

তখন চাইতাম বটে, কিন্তু কিছুদিন পরেই, মানে বেশ কিছু বছর পরে আমার ধ্রুব মোহ কেটে গিয়েছিল। আমি কখনো চাই না ধ্রুবর মত কেউ আমার ধারে কাছে আসুক। এই এগার জনের মধ্যে থেকে যদি বেছে নিতে বলা হয়, তাহলে আমি হেমাঙ্গকে বেছে নিবো। :)

৪৯| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫১

জুন বলেছেন: আপনার এই পোস্টে তৃতীয় বারের মত কমেন্ট করছি সমুদ্র কন্যা। বই পড়া আমার প্যাশন। বই পড়ার জন্যই আমার নেটে আসা। জ্যাক লন্ডনের দ্যা সী উলফের নায়ক ভ্যান ওয়েডেন আমার এক প্রিয় চরিত্র সেই সাথে ওলফ লারসেনও।
আমার আরেকজন প্রিয় লেখক শীর্ষেন্দুর মানবজমিন বইটা আমার ভীষন প্রিয়। সেই সাথে দীপ আর মনিদীপা।
বাকীদের ও ভালোলাগে :)

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:০৯

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: দীপ আর মণিদীপা দুইজনকেই আমার বেশ লাগে। একদম পারফেক্ট জুটি। তারপরও কেন যে মিলল না!

তৃতীয়বারের মত আপু.... :( সামুর এইসব ডিস্টার্ব কবে যে ঠিক হবে! :(

অনেক ধন্যবাদ আপু।
ভাল থাকবেন।

৫০| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৭

শত রুপা বলেছেন:
+

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৭

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ধন্যবাদ শতরূপা।

৫১| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৮

শত রুপা বলেছেন:


আমারওআরেকজন প্রিয় চরিত্র
লেখক শীর্ষেন্দুর মানবজমিনের মনিদীপা।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৮

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: মনিদীপা এবং দীপ দুজনকেই আমার বেশ লাগে :)

৫২| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১৫

শায়মা বলেছেন: আমাকে নিয়ে তোমরা কি বলছো সব কিন্তু শুনে ফেলছি।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৫

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: আমি কিচ্ছু বলি নাই আপু। সত্যি...:)

সব ত্রাতুলের দোষ। :P :P

৫৩| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২২

সকাল রয় বলেছেন:
অর্ক
ভালো লেগেছিলো

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৮

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: অর্ক
অনেক ভাল লেগেছে।

৫৪| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৩

সুদীপ0718 বলেছেন: আমিও সুদিপ

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৮

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: হ্যালো সুদীপ...নাইস টু মিট ইউ... :)

৫৫| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫৪

রিমঝিম বর্ষা বলেছেন: আরো আরো চরিত্র আশা করেছিলাম। সাথে পড়া না পড়া ভুলে যাওয়া বই এর নাম। দারুন একটা পোস্ট আপু। তোমার পছন্দটাও কিন্তু জানা হোল। সেই পছন্দ জীবনের সাথে মিললো কিনা এই কৌতুহল কিন্তু থেকেই গেল। :)

দুরবীন পড়েছিলাম অনেক অনেক আগে। ধ্রুব ছাড়া বাকী সব ভুলে গিয়েছিলাম। তার মানে গতানুগতিক ব্যাপারটা আমার মধ্যেও ঘটেছিলো। কিন্তু এবার পড়া শুরুর আগেই আমার কেন জানি মনে হয়েছিলো ধ্রুবর জন্য সেই প্রেম এবার আর হবেনা। পড়া শুরু করলাম। ধ্রুবর প্রতিটা কথা, আচরণে রেমির মত আমিও দিশাহারা হতে লাগলাম আর ভাবতে লাগলাম "কেন ভালোবাসি? কেন ভালোবাসবো?" সময়ের অভাবে বইটা অসম্পূর্ন রেখে ভেতরে ভেতরে অস্থির অপেক্ষা রাখি আবার যাওয়ার...ধ্রুবরই কাছে; জানার............ধ্রুবকেই।

ধ্রুবর মত করে আর কোন চরিত্রই আমাকে তেমন আকৃষ্ট করেনি......এখনও। তবে আমি নিজেকে খুঁজে পেতাম "সাতকাহন" এর দীপাবলী-র মধ্যে। মেয়ে চরিত্রগুলো নিয়েও লেখা দাও একটা।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৫

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ধ্রুব'র মত করে বহুদিন কোন চরিত্রই আকর্ষণ করেনি যদিও, তবে যতদিন গেছে আমার পছন্দ, রুচি বদলেছে। এখন যদি আমাকে বলা হয় কেমন মানুষ চাও জীবনে...আমি হেমাঙ্গ'র মত কাউকে চাইবো।

মেয়ে চরিত্র নিয়েও লেখা দেবার ইচ্ছা আছে। দেখি, সময় করতে পারলে দিবো হয়তো।

ভাল থেকো বর্ষা।

৫৬| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:১০

রিমঝিম বর্ষা বলেছেন: রাইসুল ভাই এর কমেন্টের প্রেক্ষিতে.........


ধ্রুব কিন্তু রেমি-কে ভালোবাসে। তার ভালোবাসার প্রকাশ আর দশটা পুরুষের মত না মোটেই। ইনফ্যাক্ট ধ্রুবর মধ্যে স্বাভাবিক কোন কিছু নেই বলেই ও এত বেশি টানে। আমার কাছে ওর ন্যাকামি-ছ্যাবলামি প্রেমভাবের অনুপস্থিতি, স্পষ্টতা, ওর অহংকার, যা কিছু ঠিক তার স্বীকারোক্তি এসব খুব ভালো লেগেছে। এমন মানুষ খুব কিন্তু হয়না। ওর নেশা নেই। তবু ও মদ খায়। কোনকিছুই ওকে গিলে খাওয়ার ক্ষমতা রাখেনা। রাজা (ধ্রুবর কাজিন) র মত ছেলেকেই কিন্তু ভালোবাসার কথা প্রায় মেয়ের। ভালোবাসেও তাই। কিন্তু ধ্রুব!! আসলে বোঝানো যাবেনা। তবে রাগ-ও যে হয়না তা কিন্তু না। ওকে ছেড়ে চলে যেতে ইচ্ছে করে। ওকে ওর দেয়া আঘাতের চাইতেও শতগুন বেশি আঘাত করতে ইচ্ছে করে। তারপরেও ওকেই চাই (রেমির মতই)।

হেমকান্ত আমার কাছে অসহ্য। কাপুরুষটাইপ। আর রঙ্গময়ী!! কিছু বলার নেই।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:০৬

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: হেমকান্তকে আপাত দৃষ্টিতে কাপুরুষ মনে হতেই পারে। প্রথমবার পড়ে আমার তাই মনে হয়েছে। কিন্তু পরে যখন আবার পড়ি, আমি তার মধ্যে খুব দৃঢ় একটি ব্যক্তিত্ব দেখেছিলাম। ভাল লেগেছিল আমার।

আর বই পড়ার সুবিধাই হল যতটুকু লেখা থাকে কাল হরফে সাদা পাতায়, তার হাজারগুণ বেশি কল্পনা করে নেয়া যায়। তাই একই চরিত্র তুমি যেভাবে ব্যাখ্যা বা অনুভব করছো, অন্যজন তা নাও করতে পারে। এ কারণেই কিছুটা দ্বিমত, আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক.......তা সেটাও খারাপ না, কি বলো? :)

শুভ দুপুর!

৫৭| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:২৯

ঢাকারআশিক বলেছেন: খুব শক্তিশালী নারী চরিত্র পাই নি আমি।

এমঙ্কি লাবণ্যকেও বিরক্ত লেগেছে কিছু অযৌক্তিক ইমোশনের কারণে।

যাই হোক,ভাল লেগেছে অনেক চরিত্র।তবে প্রেমিকা বানাতে পারিনি কাউকেই।

কে জানি না।আমি খুব কমই কোন চরিত্রকে প্রেমিকা হিসেবে কল্পনা করেছি রাতে ঘুমের সময়।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৩২

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: এখানে একটা কথা মুখে চলেই আসে, অনিচ্ছাকৃতভাবেই যে বেশিরভাগ চরিত্রই, পুরুষ অথবা নারী, পুরুষেরই সৃষ্টি। সুতরাং তাদেরকে একটা সীমায় বেঁধে রাখার প্রয়োজনীয়তা ছিল বটে!

একটি কাল্পনিক চরিত্র, যার কোন অস্তিত্বই নেই তাকে প্রেমিকা বানানো সত্যি কঠিন ঢাকার আশিক। তবে আমার কাছে এটাও পরিস্কার হল না যে কোন চরিত্রকে প্রেমিকা হিসেবে কেবল রাতে ঘুমের সময়ই কল্পনা করতে হবে কেন! :-* :|

যাই হোক, ভাল থাকুন।

৫৮| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:২২

রিমঝিম বর্ষা বলেছেন: হুম তাইতো। বই পড়া শেষ হলে আরেকজনের সাথে যদি আলোচনা-সমালোচনায় মেতে ওঠা না যায় তবে তো বই পড়ার আনন্দটাই অর্পূর্ন থেকে যায়।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৩৪

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ঠিক, আমি শেয়ার করতে খুবই পছন্দ করি। যেকোন পছন্দের বই, বা মুভি, বা গান...............:)

৫৯| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৮

রিমঝিম বর্ষা বলেছেন: তবে আমার কাছে এটাও পরিস্কার হল না যে কোন চরিত্রকে প্রেমিকা হিসেবে কেবল রাতে ঘুমের সময়ই কল্পনা করতে হবে কেন! :-* :|




=p~ =p~ =p~

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৪

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: হিহিহি :P :P =p~ =p~ =p~

৬০| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৩৬

মাইশাআক্তার বলেছেন: আমার ব্রেইন ও বড় বিলাই আপুর চেয়ে ভাল না বরং আরো ও করুন অবস্হা। অনেক বই পড়েছিলাম, কিন্তু নাম ভুলে যাই। তবে তোমার সাথে মিল আছে কিছু কিছুতে। এত্তগুলো মেয়ে এই চরিত্রগুলোকে ভালবেসেছিল বা এখনও বাসে, কথাটা ভাবতেই অবাক লাগতেছে।

পোস্টে ++++

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৮

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: মিল আছে জেনে ভাল লাগছে মাইশা।

ধন্যবাদ অনেক।

শুভেচ্ছা।

৬১| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:০৮

ত্রাতুল বলেছেন:
ধ্রুব'কে নিয়ে কিছু বললেই অনেক মেয়ে কেন যেন কষ্ট পায়। মেনে নিতে পারে না। কি আজব এক ব্যাপার!! আমার চিন্তায় অনেক কিছুই ধরে না তার মধ্যে এই বিষয়টা একটা। মেয়েরাযে আসলেই রহস্যময়ী আর কিছু ক্ষেত্রে জেনেশুনেও বোকামী করে তার অনেক বড় একটা উদাহরণ মনে হয় এটা। আর যখন ঠকে যায় তখন ঘৃণাটা উগড়ে দিতে চায় পুরা পুরুষজাতির উপরে। কিছু বলার নাই আসলে, ব্যাখ্যাতীত। :|

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১০

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: সত্যি ত্রাতুল, ব্যাখ্যাতীত। ভালবাসা বা আবেগ ব্যাপারটা এত ব্যাখ্যাতীত একটা ব্যাপার যে খামোখা এর ব্যাখ্যা খুঁজতে যেয়ে মাথা নষ্ট করার কোন মানে হয় না। :)

৬২| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:০৮

মেহবুবা বলেছেন: বেশ কিছু কমন আছে দেখছি , সূর্যকে জানা হয় নি ।

লিখতে ইচ্ছে করছে কিছু স্বপ্নপুরুষ আর স্বপ্নের কথা ।

এখন বাস্তব সময় দেয় না ছাড় ।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২১

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: সূর্য খুব দিশেহারা একটা চরিত্র। কিছু একটা করতে হবে, সব ভেঙে-চুরে ফেলতে হবে, এই নিয়ে অস্থির থাকতো...শুধু ঠিক পথটা খুঁজে পেল না।

লিখে ফেলেন আপু। শেয়ার করেন আমাদের সাথে। :)

ভাল থাকবেন।

৬৩| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৫

আহাদিল বলেছেন: নাহ! বই পড়ে কোন পুরুষ চরিত্রের প্রেমে পড়ি নি আমি, প্রেমে যে পড়ে কেউ তাও জানতাম না! ভার্সিটিতে পড়ার সময় অনিন্দিতা যখন ওর প্রিয় চরিত্র ধ্রুব আর সূর্যের কথা বলেছিল, একটু টাশকিতই হয়েছিলাম!
নাহ! বড্ড বেশী রসকসহীন আমি! :(

তবে এডমায়ার করার মতো কয়েকটা নারী চরিত্র পেয়েছিলাম- কালবেলা-র মাধবীলতা, গর্ভধারিণীর জয়িতা, পল্লীসমাজ-এর রমা, প্রথম প্রতিশ্রুতি-র সত্যবতী, দহন-এর ঝিনুক ইত্যাদি! :)

লেখাটা ইন্টারেস্টিং! তোমার এবং অনিন্দিতা-র পছন্দের বেশ মিল পেলাম!

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৯

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: আমি খুব দ্রুতই প্রেমে পড়ে যেতে পারি, আবার উঠেও পড়তে পারি টুপ করে। একজন আদর্শ লিও :P :)

শায়মাপু'ও কাল এমনই একটা লেখা দিল। ওখানে নারী চরিত্রদের কথাও বলা হয়েছে। পড়ে দেখতে পারো। :)

৬৪| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৩

শায়মা বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি খুব দ্রুতই প্রেমে পড়ে যেতে পারি, আবার উঠেও পড়তে পারি টুপ করে। একজন আদর্শ লিও

এক্কেবারেই ১০০% খাঁটি কথা বলেছো কইন্যা।:)

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৮

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: আমিতো বরাবরই ঠিক কথা বলি আপু :)

৬৫| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৮

আহাদিল বলেছেন: হু! দেখলাম! সত্যিকার অর্থে ওইটার লিঙ্ক ধরেই এটিতে আসা! তবে তার আর আমার নারী চরিত্রের প্রশংসা-র মাঝে বিশেষ ফারাক আছে- চরিত্রে ভিন্নতা এবং পছন্দের কারণেও ভিন্নতা!

শামা'পুর চরিত্রেরা রোমান্টিক সুন্দর আদর্শ চরিত্র, যাদের মতো হওয়ার একটা স্বপ্ন আপুর সব সময়ই ছিল! :)

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০১

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: হু...আমি একটা সময় জয়িতা হতে চেয়েছিলাম...হয়তো এখনো চাই...

কিভাবে তুমি বুঝতে পারবে আশা করছি :)

৬৬| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৪

আহাদিল বলেছেন: হায় রে! লিও দের চরিত্রের এই অবস্থা! ভাগ্যিস আমি পুরাপুরি লিও না! :-0
লিও আর ক্যান্সারের মাঝামাঝি- দুইটা তীব্র বিপরীত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য একই সাথে বিরাজ করে আমার মধ্যে- আগুন আর পানি-র একই সাথে থাকার মতো! /:)
শামা'পু, কেমন আছেন?

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১০

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: শুনো আমিও লিও আর লিব্রার মাঝামাঝি বুঝলা? তারপরও আমি তীব্রভাবে লিও...কারণ এটা হোল একটা রাজকীয় রাশি! হুউউউ... :-0 :-0

৬৭| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৬

শায়মা বলেছেন: আহাদিল আপুনি! দেখিনা কেনো আজকাল???


আমি ভালো আছি তুমি কেমন আছো???


শুনো লিওরা খুবই ভাগ্যবতী হয় জানো? :P

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১৩

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ঠিক কথা আপু, লিওরা খুবই ভাগ্যবতী হয়...ক্যান্সারের সাথে ভাগাভাগি করলে সেটা আহাদিল বুঝবে কি করে! :P

৬৮| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৭

শায়মা বলেছেন: শামা'পুর চরিত্রেরা রোমান্টিক সুন্দর আদর্শ চরিত্র, যাদের মতো হওয়ার একটা স্বপ্ন আপুর সব সময়ই ছিল!

আরে ছিলো আবার কি???


আমি বুঝি সেইটা না?? :P

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১৮

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: তুমিতো সেইটাই আপু। তোমার লেখাগুলো পড়লেই যে কেউ বুঝতে পারবে :)

৬৯| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১১

আহাদিল বলেছেন: ঢোকা হয় না অনেক দিন ব্লগে! আজ আপনাদের সেলিব্রেটি নিয়ে টানাটানি দেখে কমেন্ট করতে ইচ্ছে হলো! :>

শামা'পু তো খুবই রোমান্টিক একজন মানুষ, এই ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই; আর আমি রোমান্টিকতা থেকে কয়েক হাজার হাত দূরে!

আমার কী হবে! আমি না লিও, না ক্যান্সার! :((

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২০

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: আহারে তোমার জন্য সমবেদনা :( :(

৭০| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২০

শায়মা বলেছেন: কন্যামনি :P


আহাদিল :P :P

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২১

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: আপুউউউ :P :P

৭১| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৭

হানিফ রাশেদীন বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো। এরকম পোষ্ট অনেকে দিলে, অনেক হলে আমরা অনেকেই জানাশোনার মধ্য দিয়ে যাবো; যা আমাদের জন্য খুবই ভালো হবে। যে বইগুলো আমাদের পড়া হয়নি, সেই বই সম্পর্কে এখান থেকে আগ্রহ তৈরি হতে পারে। আমার তো পড়া বইগুলো সম্পর্কে যথন এখানে প্রতিক্রিয়া দেখলাম (কবি ও মা) অনেক ভালো লাগা বয়ে গেল মোর প্রাণে।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:১০

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: এইরকমই একটা পোস্ট শায়মাপুও দিল। আমি ভেবেছিলাম আলাদা করে পরে নারী চরিত্রদের নিয়েও একটা পোস্ট দিবো। এখন আর তার দরকার পড়ছে না। :)

অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনিও আপনার ভাল লাগা বই আর চরিত্রগুলো নিয়ে একটা পোস্ট দিয়ে দেন না। :)

৭২| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৩

লাবণ্য ও মেঘমালা বলেছেন: অনেক লেখা জমে গেছে দেখি, বাকিগুলোতে পরে সময় নিয়ে কমেন্ট করবো। এটা আগেই পড়া ছিল তাই বলেই যাই।

আমি কেন যেন ওই বয়স থেকেই কখনোই বই এর পাতার চরিত্র বা সেলেব্রিটিদের প্রেমে পরি নি। হয় বেশি ম্যাচিউর্ড ছিলাম বা বোঝারই ঘাটতি ছিল।

যাইহোক, ধ্রুব কে আমি কখনোই পছন্দ করিনি। তার থেকে ধ্রুব র বাবা কৃষ্ণকান্ত (?) আর রঙ্গময়ি আমার পছন্দের চরিত্র এখানে। আমি সব সময়ই প্রবল ব্যাক্তিত্ত এবং প্রবল আবেগ এই দুইটা ব্যাপার খুঁজে ফিরি চরিত্র গুলোতে।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১৬

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: বেশি ম্যাচিউরড! উমম না মনে হয়...তুমি বুঝতা কম... :P :P

কৃষ্ণকান্ত না, আমার বরং হেমকান্তকে ভাল লেগেছে বেশি।

তোমাকে আবার ফিরতে দেখে ভাল লাগছে। জমানো লেখাগুলো ঝটপট পড়ে ফেল। আর নিয়মিত হও আবারো। ভাল থেকো। :)

৭৩| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০১

রাত্রি২০১০ বলেছেন: ওমা কমন পড়ে গেল সব! এখন কি চুলোচুলি--কে বেশি ভালবাসি? হিহিহি


ফেলুদাকে বাদ দিলে কেন? আর "গয়নার বাক্স" এর নায়কের নাম কি ছিল? আমি তার প্রেমেও হাবুডুবু খেয়েছি কিছুদিন!

আছ কেমন?

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১৮

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ফেলুদাকে ভাল লাগেনি যে! আর "গয়নার বাক্স" আমি পড়িনি। কত কিই যে পড়া হয়নি এখনো! :(

নাহ চুলোচুলি করার কিছু নেই। সব্বাইকেই নিয়ে যাও তুমি। স্বত্ত্ব ত্যাগ করে দিয়ে দিলাম। :)

এইতো আছি...তোমার কি খবর? তুমিতো একদম উধাও হয়ে গেছো!

৭৪| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৭:১৬

অধরা নীল বলেছেন: আপু তোমার প্রেমিকদের অনেকেই আমারও খুব ভাল লাগে.......

তবে আমার সবচেয়ে বেশী মুগ্ধতা রাশেদে(আমার বন্ধু রাশেদ)। যখন প্পথম পড়েছিলাম তখন অনেক কেঁদেছিলাম।
হুমায়ুনের তৈরি হিমু, শুভ্র, মিসির আলি তিনটি চরিত্রই খুব প্রিয়। হিমুকে ভাল লাগে ওর পাগলামীর জন্যই। মিসির আলির যুক্তি আমাকে মুগ্ধ করে। শুভ্রের শুভ্রতা খুব টানে।হিমুর রূপাকেও ভাল লাগে......
দূরবীনের ধ্রুবতে মুগ্ধ হলেও কিছুটা বিরক্তিও আছে। পার্থিবের হেমাঙ্গে শুধুই বিমোহিত.....
অর্কের চেয়ে অনিমেষ ভাল লাগে বেশী। কালপুরুষে তার চরিত্র অমন দেখানোয় সমরেশের উপর এখনও অনেক রাগ.... X(
পাভেল ভ্লাসভে সবসময় একরাশ মুগ্ধতা.....পথের পাঁচালির অপুর চরিত্র খুব টানে......অবশ্য অপুর বোনের চরিত্রটা(নাম ভুলে গেছি) সবচেয়ে ভাল লাগে......
সেইসব দিনগুলোর গঙ্গানারায়ন আর বিন্দুবাসিনী আনেক প্রিয়....প্রথম আলোয় ভরতকে তত ভাল না লাগলেও নায়িকাকে(আবারও ভুলে গেছি) অনেক ভাল লেগেছিল.......
আপনার পছন্দের মাসুদ রানাকেও ভাল লাগে....কিন্তু ব্যাটা বড়ই লুল........ :P

আরও কত ভাল লাগা যে আছে.......যাই পড়ি তাতেই কাউকে না কাউকে ভাল লেগে যায়.....

১৮ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১০:৫৪

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: বাহ অধরা নীল এত কিছু মিলে যাওয়ায় বেশ ভাল লাগছে!

হুমায়ুনের চরিত্রদের কেন যেন আমার ভাল লাগেনি কখনো। তবে বাকিদের কথাতো বলাই বাহুল্য। :)

শুভেচ্ছা অধরা। ভাল থাকবেন।

৭৫| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৯

ড্রাগন ফ্লাই বলেছেন: বেশ ভাল লাগছে আপু।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৯

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ধন্যবাদ ড্রাগন ফ্লাই।

৭৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৯:১৩

শহুরে আগন্তুক বলেছেন: মন খুলেই বলে ফেলি ।

ধ্রুবকে আমার কাছে মনে হয়েছে নাক ওঁচা অথর্ব গোত্রীয় কোন ছেলে আর হেমাঙ্গকে ব্যাক্তিত্বহীন, বৈঠা ছাড়া পালের নৌকা যে নিজের ইচ্ছামতো চলার ক্ষমতা রাখে না ; বাতাসের ধাক্কা যেদিকে নেই , সেদিকেই যায় ।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১২:২৫

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ধ্রুব চরিত্রটা আসলে এমনই। কিন্তু বেশিরভআগ টিনএজ মেয়ের এমন অহংকারি, নাক উঁচু ছেলেই কেন যেন পছন্দ। তারা উপেক্ষা পেতেই ভালবাসে। বয়সের সাথে সাথে অনেক কিছুই বদলে যায়। আগে যেমন প্রায় প্রায়ই ওই বইটা নিয়ে ধ্রুবর অংশগুলো পড়তাম, এখন আর পড়ার ইচ্ছে জাগে না। হয়তো এখন আর ধ্রুব চরিত্রটা আমাকে টানে না।

৭৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৯:১৪

শহুরে আগন্তুক বলেছেন: যেদিকে নেয়*

২০ শে অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১২:২৫

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: আচ্ছা।

৭৮| ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১:২২

মহামহোপাধ্যায় বলেছেন: শায়মা আপুর পোস্টের লিঙ্ক ঘুরে আপনার পোস্টে আসলাম। খুব ভালো লাগলো এই চরিত্রগুলোকে এখানে দেখে। আসলে ওদের তো রক্তে মাংসের মানুষই মনে করতাম। কাউকে কাউকে খুব হিংসা হতো।


নস্টালজিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গেলাম :(

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:০৬

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: হেমাঙ্গ ছাড়া আর কাউকে রক্ত মাংসের মানুষ হিসেবে ভাবি নি। পেতে চাই নি। ওই আলাভোলা লাজুক লোকটাকে এত ভাল লাগতো!

ধন্যবাদ মহামহোপাধ্যায়।


শুভেচ্ছা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.