| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মিজানুর রহমান মিলন
জয় হোক মানবতার ও মুক্তিকামী মানষের যারা নব্য উপনিবেশবাদের বলির পাঠা হতে চায় না ।
ছবিটি তুলেছেন ব্লগার অর্ক মুরাদ ।
একসময় বিশ্বের বেশিরভাগ দেশগুলি শাসিত হত রাজা বাদশাহ দ্বারা অর্থাৎ যুগ যুগ ধরে একটি পরিবার কোন দেশ শাসন করত আর সেই দেশ একটু দুর্বল হলেই তার পার্শ্ববর্তী বা দুরবর্তী কোন দেশ দ্বারা আক্রান্ত হত এবং মাসের পর মাস সেই দেশে চলত ভয়াবহ লুটপাট । চেঙ্গিস খান কর্তৃক চীন, হালাকু খান কর্তক বাগদাদ, সুলতান মাহমুদ ও নাদির শাহ কর্তৃক ভারত আক্রমন ছিল অন্যতম কিন্তু কালক্রমে সময়ের বিবর্তনে এই ধারনার পরিবর্তন হয়ে হয়েছে উপনিবেশবাদ ( যেমন ভারতীয় উপমহাদেশে দুই শত বছর ব্যাপি ইংরেজ শাসন) আর উপনিবেশবাদ থেকে হয়েছে নব্য উপনিবেশবাদ। নব্য উপনিবেশবাদ মতবাদে কোন পরাশক্তি কোন দেশ সহজেই দখল করে না বা করলেও সরাসরি নিজেরা শাসন না করে সেই দেশে পুতুল সরকার বসিয়ে পরোক্ষভাবে শাসন ও শোষন করতে থাকে । এই নব্য উপনিবেশবাদ মতবাদ অনুসারে বিশ্বের মাত্র হাতে গোনা কয়েটি দেশ স্বাধীন যেমন ইরান, নর্থ কোরিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকার কিছু দেশ যেমন কিউবা,ভেনেজুয়েলা ও হালের বলিভিয়া ।
আর এই নব্য উপনিবেশবাদে আমাদের বাংলাদেশও বাইরে নয় যদিও আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি ১৯৭১ সালে কিন্তু শাসকের পরিবর্তনই শুধু হয়েছে শাসন যন্ত্রের কোন পরিবর্তন হইনি।ব্রিটিশরা আমাদের যেভাবে শাসন ও শোষন করে গেছে এবং পাকিস্থানীরাও ঠিক সেই ভাবে আমাদের শাসন ও শোষন করে গেছে আর আমাদের বাঙ্গালী শাসকগণও সেই ব্রিটিশ ও পাকিস্থানীদের অনুসরন করে যাচ্ছে।হাজার হোক উত্তরাধীকারী বলে কথা !
আজকে যখন পত্রিকার পাতায়, ফেসবুকে, খবরের ওয়েব পেজে দেখি এই প্রচন্ড শীতে মানুষের গায়ে দেওয়ার মত একটি বস্ত্রও নেই, তারা ঘুমায় গাছের তলে, প্লাস্টিকের চাদর (!) মাথায় দিয়ে তখন উপরোক্ত কথাগুলি স্মরণ না হয়ে পারে না ।
তারপরেও কথা থেকে যায়, ‘দ্য গার্ডিয়ান’ পত্রিকায় প্রকাশ ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের অর্থনীতি পশ্চিমা দেশগুলোকেও ছাড়িয়ে যাবে।খুবই আশার কথা এবং দেশপ্রেমিক মাত্রই উৎফুল্ল না হয়ে পারে না কিন্তু পশ্চিমাদের সবকথা বিশ্বাস করতে নেই । তারা উদ্দেশ্য ও ষড়যন্ত্রবিহীন কোন কথা বলে না । এটা সর্বজন বিদিত যে বাংলার মাটি হচ্ছে বিশ্বের বুকে সবচেয়ে উর্বর মাটি। ভৌগলিক দিক দিয়েও বাংলাদেশ তথা বাংলা বিশ্বের পরাশক্তিদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠতেছে কারন একদিকে উদীয়মান একক পরাশক্তি চীন আর অন্যদিকে উদীয়মান পরাশক্তি ভারত এর সঙ্গে যুক্ত যুক্তরাস্ট্র ।তাই তো কয়েক মাস আগে মার্কিন পররাস্ট্রমান্ত্রী হিলারীর বাংলাদেশ হয়ে কোলকতা টু দিল্লি সফর এই আশংকাই তুলে ধরে।
তারপরেও বাংলাদেশের যে প্রবৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের যে অগ্রগতি এটাও বা কম কিসের যদিও এই অগ্রগতিতে আমাদের শাসকের অবদান শূন্যের কোঠায়। প্রবাসী, গার্মেন্টশিল্পের শ্রমিকসহ অন্যন্য ক্ষেত্রের শ্রমিক ও সাধারন জনগণের অবদানই মুখ্য। দু’দল আমাদের শাসন করতেছে পর্যায়ক্রমে কিন্তু তাদের মধ্যে সাপে নেউলে সম্পর্ক আবার এই দু’দলই দেখা যায় সাম্রাজ্যবাদী শক্তিদের তোষামোদ করতে সবসময় এক। সেখানে নেই তাদের কোন বিভাজন। এর মূল কারন হল আমাদের গণতন্ত্র জনগণের মঙ্গলের জন্য নয় । এই গণতন্ত্র হল আমাদের রাজনৈতিক নেতা নেত্রীর পর্যায়ক্রমে ক্ষমতা আহরনের গণতন্ত্র। তারা যতটা না জনগণকে বিশ্বাস করে তারচেয়ে হাজারগুণে বিশ্বাস করে তাদের প্রভূ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিদের। সবচেয়ে ধ্রুব সত্য হল আমাদের দেশের মত দেশের রাজনৈতিক নেতাগণ কখনো ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহন করেন না । বেন আলী, মোবারকদের সময় শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে পশ্চিমাবিশ্ব। এমনকি ঘনিষ্ঠ বন্ধু ফ্রান্সও জায়গা দেয়নি বেন আলীকে। পশ্চিমাবিশ্বের স্বার্থ ফুরিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা হত্যা করেছে সাদ্দামকে, গাদ্দাফিকে, হত্যা করেছে মোবারকের ডান হাত ওমর সুলাইম্যানকে। আমাদের শাসক গোষ্ঠী শিক্ষা নেয়নি ৯০ এর গণঅভ্যূত্থান থেকেও।
বাংলাদেশ একটি জাতিরাস্ট্র এবং আমাদের মধ্যে নেই কোন জাতিভেদ এবং নেই কোন ধর্মীয়ভেদ যা আছে আরব বিশ্বে শিয়া, সুন্নি, কুর্দিসহ ও অন্যান্য পর্বতপ্রমান সমস্যা যেমন আছে মালয়শিয়ায়,ভারতে, যুক্তরাস্ট্রে, ব্রিটেনে বিভিন্ন জাতির বসবাস কিন্তু তারপরেও আমরা বিশ্ব থেকে এত পিছিয়ে কেন ? ভিয়েতনাম আমাদের পরে স্বাধীন হওয়ার পরেও আমাদের থেকে তারা আজ অনেক এগিয়ে অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে।
হ্যাঁ, বিশ্বের অনেক উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের চেয়ে আমরা অন্তত একটি ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে বাক স্বাধীনতা ও সংবাদ পত্রের স্বাধীনতায় দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া। চীন, ইরান, কিউবা, পাকিস্থান, নর্থ কোরিয়া, ভেনেজুয়েলা এই দেশগুলি আমাদের চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে থাকলেও বাক স্বাধীনতা ও সংবাদ পত্রের স্বাধীনতায় আমরাই শীর্ষে। আমাদের গণতন্ত্রের এটাই সবচেয়ে বড় অর্জন হোক না সেটা তথাকথিত গণতন্ত্র। আজকের বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে কোন রাস্ট্রই আর তার জনগণকে তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ ব্যবহার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না সেটা আজ হোক আর কাল হোক। বাক স্বাধীনতা ও সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা অব্যহত থাকলে যেমন জন্ম হয় না ভিন্নমতাবলম্বীর ( Dissident) তেমনি জন্ম নিতে পারে না উগ্রবাদের। সবার এটা মনে রাখা উচিৎ রাস্ট্রযন্ত্র ( রেজিম) ও রাস্ট্র দুটোই আলাদা প্রতিষ্ঠান । রাস্ট্রের সমালোচনা করা অবশ্যই দেশদ্রোহীতা কিন্তু রাস্ট্রযন্ত্রের আলোচনা ও সমালোচনা করা প্রত্যোকটি নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার।
কিন্তু মানুষের মৌলিক চাহিদা পুরন না হলে কি করবে সে বাক স্বাধীনতা দিয়ে ? যাদের সারাদিনের একবেলা ভাত জোগাড় করতে হিমশীম খেতে হয় যারা শীতের রাতে বস্ত্র ছাড়াই প্লাস্টিকের চাদর দিয়ে রাত্রীযাপন করে তাদের কাছে সংবাদপ্রত্রের স্বাধীনতা আর বাক স্বাধীনতার মূল্য কতটুকু ? কিইবা বুঝে তারা এর অর্থ ? বুজলাম যারা ফেসবুক, পত্রিকায় ও ব্লগে লেখালেখি করেন তাদের তো ব্যাসিক চাহিদার পুরন হওয়ার কারনেই এখন তাদের নজর সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার দিকে কিন্তু আমরা এখন সেটা পুরোমাত্রায় ভোগ করার পরে ক’জন ভাবি দেশের ১৬ কোটি মানুষের যার অধিকাংশেই দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করে তাদের নিয়ে ? ভাবলে কি দেশে দেশে নব্য উপনিবেশবাদীরা আমাদের শাসন ও শোষন করতে পারত ? এখানেই নব্য উপনিবেশবাদের মূল ভিত্তি। বাক স্বাধীনতা এখন একটা অস্ত্রে পরিণত হয়েছে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিদের। ইরাকী জনগণকে তথাকথিত মুক্তির স্বপ্ন দেখিয়ে তারা ধ্বংসস্তুপে পরিণত করল ইরাককে আবার অন্যদিকে সৌদি ও স্বৈরাচারী রাজা বাদশাহদের প্রতক্ষ্য ও পরোক্ষভাবে সমর্থন করে যাচ্ছে পশ্চিমাবিশ্ব যদিও সেইসব দেশে বাক স্বাধীনতার নূন্যতম লেশমাত্র নেই।
উপরের যে দেশগুলির কথা বললাম মানে চীন, ইরান, কিউবা, পাকিস্থান, নর্থ কোরিয়া, ভেনেজুয়েলা তারা আমাদের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও বাক স্বাধীনতায় আমাদের চেয়ে পিছিয়ে কিন্তু সেইসব দেশেও এখন বাক স্বাধীনতা ও সংবাদ পত্রের স্বাধীনতার জন্য থেমে থেমে হলেও আন্দোলন চলছে। হয়তো তারা অচিরেই একদিন সফলকাম হবে এবং সেদিন তারা আমাদের চেয়ে আরো এগিয়ে যাবে কয়েকগুণে বা কয়েকশত গুণে। তাই খাদ্য, বস্ত্র,বাস স্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা যেমন মানুষের মৌলিক অধিকার তেমনি বাক স্বাধীনতাও মানুষের মৌলিক অধিকার অবশ্য মানুষের বাক স্বাধীনতা থাকবে সামাজিক ভাবে মার্জিত গ্রহন যোগ্য ভাষায়। ।এই অধিকারগুলো পুরন না হলে কোনদেশকেই সভ্যদেশ বলা যায় না।বিশ্বের শাসকগণ এটা যত তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবে আমাদের জন্য ও তাদের জন্য তত তাড়াতড়ি মঙ্গল বয়ে আনবে।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৭
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: শিক কাবাব ভাই, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপনি এক পরিবারের ১০ জনের কথা বললেন । খুব যুক্তির কথা আর আমিও একমত। কিন্তু ১০ জন যখন ইনকাম করতে যাবে তখন নিশ্চয় কাজের ক্ষেত্র লাগবে । সেই ক্ষেত্রটা কে তৈরি করবে ? অবশ্যই সরকার কিন্তু হ্যা সেটা জনগণের সহযোগীতায়।এর জন্য দরকার রাজনৈতিক স্তিথীশীলতা তেমনি দরকার বিচক্ষন নেতা কিন্তু আমরা সেরকম পেয়েছি কি ?
“আপনি ভাল করেই জানেন মালয়শিয়া একসময় কি ছিল এবং ৬০ এর দশকে তাদের দেশে ভয়াবহ একটা জাতিগত দাঙ্গা হয়েছিল কিন্তু এক মাহাথিরই সব ঠান্ডা করে দিয়েছে । মাহাথির সবদেশেই থাকতে হবে এমন কোন কথা না কিন্তু একটি দেশে এগিয়ে যাবে সেই দেশের নেতাদের পরিকল্পনা মোতাবেক। থাকতে হবে দীর্ঘমেয়োদী পরিকল্পনা । সরকার চেন্জ হলেও সেই পরিকল্পনার কোন ব্যাত্যয় ঘটবে না কিন্তু তা্ হচ্ছে কি ?
”যখন যখন বেশী টাকা কামায় তখনই সরকারের টাকা বাড়বে। জনগন একত্র করেইতো সরকার। সরকারতো হচ্ছে যাস্ট কন্ট্রোলার। যাকে হিন্দীতে বলে হুকুমাত, আরবীতে হুকুমা, ইংরেজীতে গভার্মেন্ট। গভার্ণ মানে নিয়ন্ত্রণ করা। সরকারতো আর আলাদীনে চেরাগ নয় !”
না, এটা ঠিক বললেন না । তাহলে তো দেশে দেশে এত বিপ্লব হয় কেন ? কেন সরকার পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন হয় ? কেন সমাজতন্ত্র, পুজিবাদ, ইসলামের লড়াই হয় ? কেন ইরানে ১৯৭৯ সালে বিপ্লব হল ? কেন রুশ বিপ্লব হয়েছিল ? কেন ৯০ এ আমাদের দেশে গণঅভ্যূত্থান হয়েছিল ? কেন ৭১ এ যুদ্ধ হল ?
একটি দেশেকে উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে চাইলে দরকার সুশিক্ষত জনগোষ্ঠী, দরকার যোগ্য নেতৃত্ব।
”বাংলাদেশে বলেন আর অন্য দেশে বলেন যে গরীব, যে ধনী সকলই হচ্ছে যার যার কর্মফল।”
আপনার এই কথাটা ব্যক্তিপর্যায়ে হয়তো ঠিক আছে কিন্তু রাস্ট্রীয় পর্যায়ে কতটুকু যৌক্তিক ? আজকে ইরাকের যে অবস্থা বা আফগানিস্থানের আপনি কি বলবেন সেই দেশের জনগণ পুরোপুরি দায়ী ? তাদের সাদ্দাম সরকার বা তালেবান সরকারের কোন ভূমিকা ছিল না ? ইরাকের কথা যদি বলি তাহলে বলব সাদ্দামের এক অদুদর্শি সিদ্ধান্তের কারনে আজকে ইরাকের এই অবস্থা । আবার দেখুন সেই ইরাকে কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে এক মাত্র ছিল প্রগ্রেসিভ রাস্ট্র ।
”একটু চিন্তা করুন। আমাদের দেশে জনসংখ্যা মাত্র ২ কোটি। তাহলে বিস্তির্ন এলাকা জুড়ে ধান পাট ফসল চাষ হবে। মাছ মুরগী গরু পালন হবে। দেশের সকলে খেয়ে বিদেশেও রফতানি। আমরা ২ কোটি সকলেই শিক্ষিত। চাইনিজদের ন্যায় নিজেরা ইলোক্ট্রোনিকস, গাড়ি বানাবো, বিদেশে বেচবো ....।”
কিন্তু একসময় তো আমাদের দেশের জনসংখ্যা দুই কোটি ছিলই ? সেসময় তো আমরা ইংরেজদের দ্বারা শাসিত হয়েছি। আর ৭৬ এর মন্বনতর আর ৭৪ এর দুর্ভিক্ষ কি শাসক গোষ্ঠী দায়ী ছিল না ?
আর বিশ্বের মধ্যে তো ২ কোটি ধারী জনসংখ্যার দেশ নেহাৎই কম নয় কিন্তু তাদের মধ্যে উন্নত কয়টি ?
উন্নত জাপানের চেয়ে আমাদের এখনো আবাদী জমির পরিমান অনেক বেশি । তারপরেও জাপান বিদেশে চাল রপ্তানী করে আর আমরা এখনো বাইরে থেকে কিনি ?
”জনসংখ্যা রিডিউস এর কোনো বিকল্প নাই।”
অবশ্যই একমত কিন্তু এটা একমাত্র বিকল্প নয়। শুধু জনসংখ্যা কমালে হবে না আর দরকার নিত্যনতুন দীর্ঘমেয়েদী পরিকল্পনা ।
২|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৯
মুশাসি বলেছেন: অবশেষে ঘোড়া পাহাড়ের নিচে আসলো...আপনি এই বিষয়ের লেখায় এক্সপার্ট চালিয়ে যান।
আপাতত মন্তব্য রেখে গেলাম। রাতে এসে সময় নিয়ে পড়বো।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৯
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: হা হা হা হা হা...।ধন্যবাদ মুশাসি। ওকে পড়লে খুব খুশি হব।
৩|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫১
আজমান আন্দালিব বলেছেন: বাক স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দিয়ে কি করবে দরিদ্র জনগণ যদি দু'বেলা দু'মুঠো খাবার আর নিরাপদ আশ্রয় না জোটে? সৌদি আরবের বাক স্বাধীনতা নেই কিন্তু তাদের আছে মৌলিক চাহিদা পূরণের সমস্ত সুযোগ। আমাদের ষোল কোটি জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা করে বাক স্বাধীনতা উঠিয়ে নেওয়া হোক। আমরা নিরবে তা মেনে নেব।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্রে কারা গদিনশীন? গলার রগ ফুলিয়ে নেতার চাটুকারিতায় যারা পটু, হাতের পেশি ফুলিয়ে নেতার আনুগত্য প্রদর্শনে যারা মাস্তানি করতে পারে তারাই। পত্রিকার বাক স্বাধীনতার দিকে তাকান। তারা কর্পোরেটের প্রতিভূ। তাদের স্বার্থে তারা বাকবাকুম করে। এটা বাক স্বাধীনতা না।
দ্য গার্ডিয়ান যদি বলে থাকে ২০৫০ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি পশ্চিমা বিশ্বকে ছাড়িয়ে যাবে- এটা তাদের দৃষ্টিতে হতেও পারে। তারা কয়েকদিন পর পর এরকম তত্ত্বকথা কেন ছাড়ে তা তারাই জানে। কিছুদিন আগে তারা বলেছে বাংলাদেশ হচ্ছে সবচেয়ে সুখী দেশ। আপনার পোস্টের প্রথমে যে ছবিটি দিয়েছেন তাতে দেখা যাচ্ছে শীতে পলিথিন মুড়ি দিয়ে রাস্তায় সুখে বিভোর হয়ে ঘুমোচ্ছে কেউ একজন। এ ছবিটি যদি সুখের প্রতীক হয়ে থাকে তবে পশ্চিমাদের মূল্যায়ন ঠিকই আছে। এরকম মূল্যায়ন তারা ২০৫০ সালের জন্যও রেখে দিয়েছে কিনা কে জানে!
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৩২
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আপনার সাথে আমি একমত কিন্তু বাক স্বাধীনতাও মানুষের একটা মৌলিক অধিকার।কিন্তু প্রশ্ন সেটা হল মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাস স্থান, শিক্ষা পুরুন হওয়ার পর তার আগে নয়। যখন এগুলো পুরন হবে তখন আপনি আমি আন্দোলনে নামব বাক স্বাধনিতার দাবীতে। দেখুন, উপরে যার ফটোটা আছে তিনি কিন্তু কোনদিন বাক স্বাধীনতার আন্দোলনে নামবেন না । তার দরকার তিনবেলা খাদ্য, আর একটু আশ্রয়।
বাক স্বাধীনতার কথা কেন উঠাতে বলবেন ? এটা তো আমাদের একটা অর্জন যেটা আমরা আগে ভাগেই অর্জন করেছি । এই অর্জনকে ধরে রেখে আমাদের মানুষের বেসিক চাহিদার দিকে নজর দিতে হবে।
সৌদিরা নিশ্চিৎ আমাদের চেয়ে সুখে আছে কিন্তু তেল ফুরে গেলে ঐ সুখ আর বেশিদিন স্থায়ী হবে না । শীঘ্রই সেখানেও বসন্তের হাওয়া বইবে।
গার্ডিয়ান বিষয়ে আপনি যথার্থই বলেছেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।
৪|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৬
জাকারিয়া মুবিন বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০২
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: ধন্যবাদ ভ্রাতা। ভাল থাকবেন সবসময়।
৫|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০৭
রীতিমত লিয়া বলেছেন: উপনেবেশিকবাদ থেকে মুক্তি পেয়েছি বহুকাল আগে। তবে বাক স্বাধীনতা পাইনি আজও। চমত্কায় পোস্ট আপনাকে ধন্যবাদ
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫৭
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: আপু, উপনিবেশবাদ থেকে মুক্ত হয়েছি কিন্তু নব্য উপনিবেশবাদ থেকে মুক্ত হয়নি আজো আর আমাদের বাক স্বাধীনতা আছে । আপনি তো লিখেছিলেন আমার লেখার স্বাধীনতা ।
৬|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৩৭
শিক কাবাব বলেছেন: অবশ্যই একমত কিন্তু এটা একমাত্র বিকল্প নয়। শুধু জনসংখ্যা কমালে হবে না আর দরকার নিত্যনতুন দীর্ঘমেয়েদী পরিকল্পনা ।
আমাদের দেশ এখন সবকিছুতেই আউট অব কন্ট্রোলে চলে গেছে। যখন দেখলেন মুরগির খোয়াড়ের দরজা ভাঙ্গা তখন মালিক (সরকার) ও মুরগী (জনগন) মিলে দরজার ব্যাপারে চিন্তা করা উচিৎ। না হলে শিয়াল আসবে। মালিক ও চিন্তা করে নাই, মুরগীও চিন্তা করে নাই, দরজা যখন ভেঙ্গেই গেছে শিয়ালতো আসবেই। এখন আর কিছুই করার নাই। কন্ট্রোলের বাইরে। ৭১ এ স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু, জিয়া, এরশাদ, হাসিনা, খালেদা, সকলেইতো ৪০ বছর দেশ চালালো। কি হল? বঙ্গবন্ধু ছিল লোভি, রাষ্টক্ষমতার জন্য পাকির বিরুদ্ধে......। জিয়া এলে আমরা ৫০% জনগন সাপোর্ট দিলাম। বঙ্গবন্ধু থেকে ভালো। এরশাদ এল। সে-ও ভালো। ৫ বছর মার খাওয়ার পর আমরা হাসিনাকে ভোট দেই না। আবার ৫ বছর মার খাওয়ার পর খালেদাকে ভোট দেই না। গত ২০ বছর একেক জন একেক টার্ম করে পাচ্ছে। পরপর ২ বার কেউই পায় নাই। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, বাংলাদেশের এই অবস্থার জন্য জনগন হচ্ছে ৯০% দায়ি। তারা ভালো মন্দ চিনে না।
তো, আগামী ১০/২০ বছরে হয়ত দেশ পরিবর্তন হয়ে যাবে না, দীর্ঘ সময় প্রয়োজন। রাতারাতি পরিবর্তন চাইলে জনসংখ্যা কমানো হচ্ছে একমাত্র উপায় (আমার মতে)। তা না হলে দেখবেন আগামী ১ বছর পর, তার ১ বছর পর, তারো ১ বছর পর, মানে বছরে বছরে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, কাকে মেরে কে খাবে ভাব, বাড়তেই থাকবে। আর স্বাভাবিক ১ খাদ্যে জন্য যখন ২ জন প্রতিযোগীতা তখনতো ১ জনকে মারলেই আমার কপালে জুটবে। যখন ২ খাদ্য ১ জনকে খেতে হয় তখন আর মেরে খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫৭
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: যা বলেছেন এটাই হল বর্তমানে আমাদের দেশের বাস্তব চিত্র।এর আপনি বলেছেন আমি যা বলেছি তা গল্প । না গল্প নয় সত্য এবং তা ইতিহাসের আলোকে সংক্ষেপে নব্য উপনিবেশবাদের সাথে আমাদের মত দেশগুলির সম্পর্ক। যেমন ফখরুদ্দিনকে সরকার প্রধান কে করেছিল ? আপনি আমি তাকে কয়জন চিনতাম ? আবার ফখরুদ্দিন যখন উদ্যেগ নিল পরিবর্তনের তখন তাকে সরে যেতে কে বলল ?
আমাদের দুদর্শার জন্য আমরা দায়ী তা ঠিক আছে কিন্তু সেটার ইন্দন না থাকলে তো আর হবে না । সেই ইন্দনদাতারাই হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি। এখন বলতে পারেন তারা যা করতেছে তা তো তাদের স্বার্থেই আর সেটাই তো স্বাভাবিক । অবশ্যই কিন্তু এরজন দরকার বিশ্ব ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন যেমন পাঁচটি বিশ্ব শক্তির জাতিসংঘে ভেটো ক্ষমতা বিলোপ করতে হবে জানে এটা সম্ভব নয় এজন্য মহাদেশ অনুসারে আনুপাতিক হারে ভেটো ক্ষমতার দেশ বাড়াতে হবে।
আমাদের দেশে পরবির্তন হয়তো একদিন হবে বা হবে কিন্তু সেটা রাতারাতি নয়। বিপ্লব হওয়ার মত অবস্থাও নেই কারন এ পর্যন্ত যা বিপ্লব হয়েছে সব স্বৈরাচরী, রাজা বাদশাহ , ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে । আর আমাদের দেশে তো গণতন্ত্রের আড়ালে পরিবারতন্ত্র ও স্বৈরাচারী শাসন চলতেছে। তারপরেও একটা পরিবর্তন সেটা হাসিনা খালেদার প্রজন্ম নয় তার পরের কোন প্রজন্মে হতে পারে।
জনসংখ্যা পরিবর্তনের কথায় আবার আসি । এটাতে মনে হয়না কেউ দ্বিমত পোষন করবে । একসময় জনসংখ্যারোধ করার জন্য টিভিতে অ্যাড দেওয়ো হত, স্কুলে প্রচারনা চালানো হত, গ্রাম গন্জে টোকিও দেখানো হত এবং তার সুফল পাওয়া গিয়েছিল।কিন্তু এখন কি এসব হচ্ছে ? কেন হচ্ছে না ?
কারন সে সময় সেসময় সরকার এসব উদ্যেগ নিত আর এখন নিচ্ছে না । কেন নিচ্ছে না ? কারন এখন আর এই খাতের জন্য বিদেশী সাহায্য পাওয়া যায় না । যখন পাওয়া গেছে তখন তারা কিছু খেয়েছে কিছু কাজও করেছে।কিন্তু সরকার যদি দেশপ্রেমিক হত তাহলে জনসংখ্যা কমানোর প্রচারণা চালানো অব্যহত রাখত।
৭|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫৪
যুবায়ের বলেছেন: চমতকার বিশ্লেষণ করেছেন ভাই।
পোষ্টে প্লাস++++
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১৯
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: ধন্যবাদ পোস্টে প্লাসের জন্য।
৮|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫৯
যুবায়ের বলেছেন: মানুষের মৌলিক চাহিদা পুরণ করার সাথে উন্মক্ত মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে হবে তবেই একটি জাতী রাষ্ট্র মাথা উচু করে দাড়াতে পারবে।
৯|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৩৮
শিক কাবাব বলেছেন: শেষ কথা না বললে বিষয়টা অপূর্ণ থেকে যায়। আজকের উন্নত মালয়শিয়ায় ২০১০ সালের জনসংখ্যা মাত্র ২.৫ কোটি (আড়াই কোটি)। তাহলে মাহাথিরের আমলে কত কোটি ছিল? এখনো সময় আছে, দরকার হলে গলা টিপে টিপে মেরে ফেলুন।
মালয়শিয়ার আয়তন : ১ লক্ষ ৩০ হাজার বর্গমাইল। আমাদের, ৫৫ হাজার। আমাদের থেকে প্রায় ৪ গুন বড়।
এর পরও কি বলতে চান, জনসংখ্যা কোনো ফ্যাক্টর নয়?
কেউ যদি মনে করে, দেশ নিয়ে ভাবার দরকার নাই। মোটামুটি টাকা কামাই, বাজার করি, দুবেলা খেয়ে মনের সুখে ঘুমাই। দেশ নিয়ে ভাবার দরকার কি? কিন্তু আপনিতো কষ্ট করে কামালেও খেতে পারবেন না। রাস্তা দিয়ে ধরবে। চান্দা না দিলে ছেলেকে ধরে নিয়ে যাবে ....। কষ্ট্ করে একটা দোকান দিলেন। পরের দিন এসে হাজির হবে চান্দা দাও। নইলে জানটা হারাতে হবে। তাই শুধু কামাই করা আর খাওয়া নিয়ে মেতে থাকলে চলবে না। দেশ নিয়েও ভাবা দরকার।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:০০
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: হ্যাঁ, দেশ নিয়ে সবার ভাবা দরকার । আপনি কেন একটা জায়গায় আটকে আছেন বলেন তো ? শুধু জনসংখ্যা কমলেই কি উন্নতি হবে ? তাহলে দেশের সব হাসপাতালগুলি ধ্বংস করা হোক তাহলে কয়েকবছরের মধ্যে জনসংখ্যা অর্ধেকের নিচে নেমে আসবে। না, এটা কোন বোকামি কথা নয় আপনার কমেন্টর প্রেক্ষিতে গলা টিপে মেরে ফেলতে বললেন তো তাই ।
বিশ্বের কিন্তু কম জনসংখ্যা এবং বাংলাদেশের চেয়েও বেশি আয়তনের দেশ আছে যেমন ইরাকের আয়তন ৪ লক্ষ ৩৭/৩৮ হাজার বর্গ কিলোমিটর আর লোকসংখ্যা হল আড়াইকোটিরমত কিন্তু উন্নত নয়। আমাদের প্রতিবেশী নেপাল তো আয়তনে আমাদের দেশের মতই কিন্তু জনসংখ্যা ২ কোটি ৭১ লক্ষ আর আফ্রিকা মহাদেশের তো এরকম ভুরি ভূরি উদাহরন দেওয়া যাবে।
আর আমার উপরের কমেন্টে জনসংখ্যা রিডিউসের ধারনাটা পরিষ্কার করেছি।সেটাতো তো কেউ দ্বিমত পোষন করবে না কিন্তু কথা হল কমবে টা কিভাবে ? আপনা আপনি ? নাকি কোন পরিকল্পনার মাধ্যমে ? এক্ষেত্রে চীনের কথা বলা যায়....সরকার যদি চীনের মত কোন এক বা দুই সন্তান নীতি করে তাহলে আমি মিলন বলছি কেউ সমর্থন করুক আর নাকরুক আমি করব। আর এর প্রচারনা চালালে মনে হয় সংখ্যাগরিষ্ঠই করবে।
শুধু এই একটা দিক নিয়ে ভাবলে হবে না । আমাদের অন্যদিকগুলোও তো ভাবতে হবে । নবপ্রজন্মকে কিভাবে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করা যায় সেটাও কাজে লাগাতে হবে । কিন্তু এ ধরনের পরিকল্পনা কেন নেওয়া হয় না বা কেন করা হচ্ছে না এ নিয়ে কি কারো মাথা ব্যাথা আছে ?
১০|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫৮
zahir বলেছেন: মিলন ,
এক নজরে যে তুটুকু দেখা যায় ,তাই দেখলাম। পাঠকের সুন্দর মন্তব্য গুলো সব পড়ে উঠতে পারলাম না। ব্লগের বিষয় বিস্তৃত না হয়ে কেন্দ্রিভুত হলে ভাল হয়।
আমি আমার আলোচনা এই কথার মধ্যে সিমাবদ্ধ রাখব ।
"আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি ১৯৭১ সালে কিন্তু শাসকের পরিবর্তনই শুধু হয়েছে শাসন যন্ত্রের কোন পরিবর্তন হইনি"।
যে আইনওবিধির দ্বারা বিদেশী শাসকরা শাসন করে ,সেটা তাদের স্বার্থের জন্য প্রণিত ও প্রয়োগ হয়। সেই আইন ও বিধিকে বদলিয়ে নিজেদের উপযোগী শাসন ব্যাবস্থা প্রতিষঠা করাই হল স্বাধীনতার মুলকাথা। বিদেশী শাসক বদলিয়ে দেশীয় শাসকদের ক্ষমতায় বসিয়ে পুরনো শাসন ব্যবস্থা বজায় রেখে দেশ পরিচালনা এক ধরনের পরাধীনতা।আমরা একে অভ্যন্তরীন পরাধীনতা বলে থাকি।
বাসযোগ্য স্বদেশ পেতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে । অভ্যন্তরীন পরাধীনতা থেকে মুক্ত হতে হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে ।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৪
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: ধন্যবাদ স্যার আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
”বাসযোগ্য স্বদেশ পেতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে । অভ্যন্তরীন পরাধীনতা থেকে মুক্ত হতে হবে।”
১১|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:১০
মাহতাব সমুদ্র বলেছেন: মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে স্বাধীনতা
১২|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৩৫
মতিউর রহমান চরিয়া বলেছেন: "ব্রিটিশরা আমাদের যেভাবে শাসন ও শোষন করে গেছে এবং পাকিস্থানীরাও ঠিক সেই ভাবে আমাদের শাসন ও শোষন করে গেছে আর আমাদের বাঙ্গালী শাসকগণও সেই ব্রিটিশ ও পাকিস্থানীদের অনুসরন করে যাচ্ছে।"
- একদম সত্য কথা, এবং আমাদের প্রধান সমস্যা এখানেই। তাই বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়া সত্তেও জনগণ এখনো স্বাধীন হয়নি। আমরা শুধু শাসিত হচ্ছি, জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। সেজন্য প্রথমেই দরকার ঔপনিবেশিক আমলের শাসন কাঠামো, আইন ও পুলিশ প্রশাসনের পরিবর্তন করে স্বাধীন রাষ্ট্রের উপযোগী সিস্টেম প্রবর্তন করা, সব ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, এবং পার্লামেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী বিভাগ ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য বিধান করা এবং সরকারের প্রধান তিনটি শাখার পারস্পরিক হস্তক্ষেপের পথ বন্ধ করে একটি সুসামঞ্জস্য নীতিমালা প্রণয়ন করা। সেইসাথে কেন্দ্রীয় প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ এবং তৃণমূল জনগণের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে স্বায়ত্তশাসিত, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর এবং পূর্ণ নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী নির্বাচিত স্থানীয় সরকার (উপজেলা ও জেলা পরিষদ) প্রতিষ্ঠা করা। তারপর উপযুক্ত শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করলে এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক নীতি মালা গ্রহণ করে সুষ্ঠুভাবে দক্ষ নেতৃত্বের পরিচালনায় দেশ তর তর করে এগিয়ে যাবে, বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে। কিন্তু এটা করবে কে? বর্তমান কোনো রাজনৈতিক দল দিয়ে তা সম্ভব নয়। প্রয়োজন এখন সম্পূর্ণ নতুন রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে তৈরী একটা নতুন রাজনৈতিক দল এবং দক্ষ ও প্রতিভাবান নেতৃত্ব। কে কে আছেন, সেরকম একটা উদ্যোগের সাথী হতে?
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:০৩
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনাকে বলার মত নতুন কিছু নেই।
”বর্তমান কোনো রাজনৈতিক দল দিয়ে তা সম্ভব নয়। প্রয়োজন এখন সম্পূর্ণ নতুন রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে তৈরী একটা নতুন রাজনৈতিক দল এবং দক্ষ ও প্রতিভাবান নেতৃত্ব। ”
সেই নেতৃত্ব আমাদের গড়ে তুলতে হবে । এগিয়ে যেতে হবে সামনে। তবেই না জাতি মুক্তি পাবে।
১৩|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৮:৪৩
ইউসুফ আলী রিংকূ বলেছেন: আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি ১৯৭১ সালে কিন্তু শাসকের পরিবর্তনই শুধু হয়েছে শাসন যন্ত্রের কোন পরিবর্তন হইনি।
চমতকার বিশ্লেষণ করেছেন মিলন ভাই ++++++++
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৩
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই। ভাল থাকবেন সবমসয়।
১৪|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৫
আমি বাঁধনহারা বলেছেন:
খুব সুন্দর ও সত্য কথা বলেছেন।আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি ঠিকই।কিন্তু কাঙ্খিত মুক্তি এখনও পাই নাই।আর এ কাঙ্খিত মুক্তির জন্য আমাদের আরও যুদ্ধ ও সংগ্রাম করতে হবে।
এই কবিতাটি পড়ে দেখবেন:প্রমাণ করো তোমরাই দ্বিগিজয়ী মুসলমান!!
ভালো থাকবেন
মনে রাখবেন!!!
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৮
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: আপনাকে আর বলার কিছু নেই ভাই । আপনার দেওয়া লিংকে একটা কমেন্ট করেছি । আশা করি কমেন্টটা পড়বেন। পড়তে যেন ভূলে না যান।
১৫|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:০৫
রীতিমত লিয়া বলেছেন: প্রথম প্রিয়তে।
আপনি তো লিখেছিলেন আমার লেখার স্বাধীনতা ।
আমি জানি না কতটুকু পেয়েছি। নিজে তৈরি করে নেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে কিছুদিন আগেও পত্রিকায় বিভিন্ন নিউজ পড়ে এটা নিশ্চিত হলাম বাক স্বাধীনতা ব্যপারটা এখনো তৈরি হয় নি। যেমন বুয়েটের এক শিক্ষকের একটি ফেসবুক স্টেটাসের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা কতটা যুক্তিযুক্ত ছিল?
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৪
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: হুম...যা বললেন এরকম ঘটনা আমাদের দেশেও ঘটতেছে কিন্তু সামগ্রীকভাবে বলা যায় আমাদের বাক স্বাধীনতা আছে । যেমন চীনে, কিউবায় কেউ গণতন্ত্রের দাবী বা গণতন্ত্রের কথা বলতে পারে না । সেখানে চলে একদলীয় শাসন আবার কিছু কিছু দেশে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে যেমন আমাদের দেশে বন্ধ করা হয়েছে ইউটিউব ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৩
শিক কাবাব বলেছেন: আপনি যে কথাগুলি বললেন সবই সত্য। আপনি শুধু স্টোরী (গল্প) বলে গেলেন। কিন্তু সমাধান দিলেন না। এক পরীবারে ১০ জন ছেলে মেয়ে। বাবার একমাত্র ইনকাম। বাবার একমাত্র ইনকাম দিয়ে ১০ জনের মুখে দুবেলা ভালো খানা তুলে দেয়া সম্ভবতো হচ্চেই না, অভাব আর অনটন লেগেই রয়েছে (প্লাস্টিকের কম্বল গায়ে)। এই ১০ জনকে যদি জনগন না হয়ে জনবল বানানো যায় তাহলে অবস্থা হবে অন্যরকম। ১০ জনের ইনকামে ১০ জনের মুখে ভালো খানা উঠবে এবং ধীরে ধীরে জমাজাটি ও হবে।
পুরা বাংলাদেশ চিন্তা করুন। সরকার কি করবে? সরকার কি সরকারী টাকায় সবাকে খাওয়াবে? সরকার কি সরকারী টাকা সবাইকে ঔষধ কিনে দিবে? সবাইকে কম্বল দিবে? রাস্তা ঘাট বানাবে? এটাতো বিশ্বের উন্নত দেশগুলিতে করে না।
যখন যখন বেশী টাকা কামায় তখনই সরকারের টাকা বাড়বে। জনগন একত্র করেইতো সরকার। সরকারতো হচ্ছে যাস্ট কন্ট্রোলার। যাকে হিন্দীতে বলে হুকুমাত, আরবীতে হুকুমা, ইংরেজীতে গভার্মেন্ট। গভার্ণ মানে নিয়ন্ত্রণ করা। সরকারতো আর আলাদীনে চেরাগ নয় !
বাংলাদেশে বলেন আর অন্য দেশে বলেন যে গরীব, যে ধনী সকলই হচ্ছে যার যার কর্মফল। আমি পড়ালেখা করেছিলাম। ছাত্রজীবনে সিনেমা দেখি নাই, আড্ডা মারি নাই। আজকে ৫০ হাজার টাকা বেতনে এসির নিচে ম্যানেজারী করতেছি। কিন্তু ধুর শালা, পড়ালেখা দিয়ে কি হবে ..... ফলাফল : প্লাস্টিকের কম্বল।
একটু চিন্তা করুন। আমাদের দেশে জনসংখ্যা মাত্র ২ কোটি। তাহলে বিস্তির্ন এলাকা জুড়ে ধান পাট ফসল চাষ হবে। মাছ মুরগী গরু পালন হবে। দেশের সকলে খেয়ে বিদেশেও রফতানি। আমরা ২ কোটি সকলেই শিক্ষিত। চাইনিজদের ন্যায় নিজেরা ইলোক্ট্রোনিকস, গাড়ি বানাবো, বিদেশে বেচবো ....।
কিন্তু বাস্তব সত্য কি? ১৬ কোটি মানুষের চাউল যোগানোর যথেষ্ঠ যায়গা নেই, মাছ চাষ করার পুকুর নেই। ১ কোটি একটু স্বচ্ছল হলেও বাকি ১৫ কোটিই ভাতের জন্য যুদ্ধ করতে হচ্ছে। ফলে দেশে বিসৃংখলা বাড়ছে। কাকে মেরে কে আগে খাবে - এই দশা।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন। জনসংখ্যা রিডিউস এর কোনো বিকল্প নাই।