নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সমাজ বদলাতে হবে। অনবরত কথা বলা ছাড়া এ বদ্ধ সমাজ বদলাবে না। প্রগতিশীল সকল মানুষ যদি একসাথ কথা বলতো তবে দ্রুতই সমাজ বদলে যেতো। আমি ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে, বর্ণবাদের বিরুদ্ধে, নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে অনবরত বলতে চ

মুজিব রহমান

মুক্তচিন্তা ও বিজ্ঞানমনষ্ক মানুষ

মুজিব রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ড. হুমায়ুন আজাদের জীবনী ১৯তম পর্ব

১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:১৬

প্রথাবিরোধী ও বহুমাত্রিক



প্রথাবিরোধী ও বহুমাত্রিক শব্দ দুটি বললে হুমায়ুন আজাদকেই বুঝাতো। মানব সভ্যতার প্রতিটি অগ্রযাত্রা হয়েছে প্রথা ভেঙ্গে। কিন্তু প্রথাভাঙ্গাকে প্রচলিত সমাজ কখনোই স্বাভাবিকভাবে মেনে নেয় নি। প্রথাবিরোধী ও বহুমাত্রিক শব্দ দুটির মধ্যে হুমায়ুন আজাদের নামটি মিশে গিয়েছিল। তিনি ছিলেন প্রধান প্রথাবিরোধী, সত্যনিষ্ঠ ও বহুমাত্রিক লেখক। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ভাষাবিজ্ঞানী, সমালোচক, রাজনীতি ভাষ্যকার ও কিশোর সাহিত্যিক। তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রেই সৃষ্টি করেছেন একটি ভিন্ন ধারা। ৭০ টির বেশি বই লিখেছেন কিন্তু কোন অর্থহীন লেখা লিখেন নি।

হুমায়ুন আজাদের লেখায় এবং ভাষ্যে মূল সুর ছিল প্রচলিত প্রথার বিরোধিতা করা। মৃত্যুর মধ্য থেকে জীবনে ফিরে আসার পরে ২ জুলাই ০৪ তাকে ভাগ্যকুল ও রাড়িখালে সংবর্ধনা দেয়া হয়। তিনি সংবর্ধনার জবাবে কাব্যময় ঢঙ্গে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, আমি সেই শৈশব থেকে শুনে আসছি তোমরা সীমা লংঘন করো না। রাড়িখাল ছিল আমার সীমা। সেই সীমা লংঘন করেই আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হয়েছি। আজ যে ছেলেরা জাপান, ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছে তারাও তাদের সীমা লংঘন করেই দেশ ছেড়েছিল। যে সব প্রথা সমাজের অগ্রযাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে তিনি সেই প্রথা ভেঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহবান জানান। তিনি প্রচলিত প্রায় সব বিশ্বাসকেই অস্বীকার করেছেন। তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ছিলেন সাহিত্যের ছাত্র। অধ্যাপক ছিলেন সাহিত্যের । কিন্তু তাঁর চেতনা জুড়ে ছিল বিজ্ঞান মনস্কতা।

উপন্যাস লেখা শুরু করার পরে তিনি নিয়মিত গ্রামে আসা শুরু করেন। ফেলে আসা ফুলের গন্ধময় গ্রামকে নতুন করে চিনতে থাকেন, সুক্ষ¥ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। ভাগ্যকুলের তরুণদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেন। লেখার জন্য তথ্য সংগ্রহ করেন। তাঁর লেখার প্রধান উৎস যদিও তাঁর শৈশব। শৈশবের স্মৃতি নিয়ে লেখা শিশুতোষ গ্রন্থ 'ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না'-এ সেই সময়ের বিক্রমপুরকে তুলে এনেছেন জীবন্ত করে। বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের পথের পাঁচালীর পরে আর কেউ গ্রামকে এভাবে তুলে আনতে পারেন নি। ডালিম ফুল, মাছরাঙা, সরপুঁটি, কচুরিফুল, লাউডগা, খেজুর গাছ, আড়িয়াল বিল, পদ্মার ইলিশ ইত্যাদি নিয়ে লিখেছেন অসাধারণ উপমা যা বাংলা সাহিত্যে নতুন সংযোজন।

হুমায়ুন আজদের প্রথম প্রকাশিত বই 'অলৌকিক ইস্টিমার'(১৯৭৩) কবিতার হলেও এরপর ভাষাবিজ্ঞান চর্চায় বেশি গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি চলতে থাকে কবিতা সৃজন। তিনি কবিতা প্রেমীদের দৃষ্টি কাড়েন এবং অন্যতম প্রধান কবি হিসাবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। শুধু ভাষাবিজ্ঞান নিয়ে লিখলেও তিনি আরো খ্যাতিমান হতে পারতেন কিন্তু তা তিনি চান নি। সাহিত্যের সর্বক্ষেত্রে তিনি অবদান রাখতে চেয়েছেন।

১৯৯১ সালে প্রবন্ধের বই নারী প্রকাশিত হলে তিনি মৌলবাদীদের রোষানলে পড়েন। বইটিতে নারীর প্রতি যুগে যুগে নিপিড়নের কথা বলা হয়েছে। এ সময় তাঁর প্রকাশিত প্রবন্ধের বইগুলোতে প্রতিক্রিয়াশীল ও স্বাধীনতা বিরোধী মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে প্রচুর লিখেন। তাঁর ‘প্রবচন গুচ্ছ’ সত্যনিষ্ট ও যৌক্তিক হলেও তা নিয়ে একটি শ্রেণী বিদ্বেষ ছড়ায়। ১৯৯৪ সালে তিনি ঔপন্যাসিক হিসাবে আÍপ্রকাশ করেন। প্রথম উপন্যাস 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' আলোড়ন তোলে এবং বিপুল সমাদৃত হয়। উপন্যাসের মাধ্যম্যেও তিনি তাঁর চেতনার প্রকাশ ঘটাতে থাকেন। এরপরে অন্যান্য উপন্যাস একে একে প্রকাশিত হতে থাকে এবং প্রগতিশীল পাঠকদের কাছে বিপুল প্রশংশিত হতে থাকে। এরসাথে কবিতা, প্রবন্ধ ও ভাষাবিজ্ঞানের বইও প্রকাশিত হয়। তাঁর রচনার পরিমাণ বিপুল- যাতে তিনি প্রথার বিরাধিতা করেছেন সর্বত্র।

রাজনীতিবিদগণ উপন্যাসে তিনি আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামাতের রাজপরিবারতন্ত্র নীতির তীব্র কটাক্ষ করেছেন। ২০০৩ সালে প্রকাশিত তাঁর আরেকটি প্রবন্ধের বই 'আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম' এ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর পুতিগন্ধময় নোংরামি তুলে ধরেছেন। এসব লেখায় সবচেয়ে নিকৃষ্টভাবে উপস্থাপন করা হয় জামায়ত ইসলামী বাংলাদেশকে। এরপর ধুয়ে দেন বিএনপি ও জাতীয় পার্টিকে। আওয়ামীলীগকেও তাঁদের অপকর্মের চিত্রের সামনে দাঁড় করিয়ে দেন। 'নারী' থেকে 'আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম' পর্যন্ত লিখিত প্রবন্ধগুলোতে মৌলবাদের বিরুদ্ধে তীব্র চাবুক মেরেছেন। তাদের অপরাধ, প্রতারণা, ভণ্ডামী, নিষ্ঠুরতা, মূর্খতা নিয়ে লিখেছেন বিরতিহীনভাবে। পরিণতিতে উগ্র প্রতিক্রিয়াশীল চক্র হুমায়ুন আজাদকে তাদের প্রতারণার পথে বাঁধা হিসাবে চিহ্নিত করে প্রধান শত্রু হিসাবে ধরে নেয়।

২০০৩ সালে দৈনিক ইত্তেফাকের ঈদুল আযহা সংখ্যায় এবং ২০০৪ সালে গ্রন্থাকারে একুশে বই মেলায় 'পাক সার জমিন সাদবাদ' প্রকাশ পায়। বিবেকের তাড়নায় তিনি বইটি লিখেন। বইটিতে লেখক মৌলবাদীদের মুখোশ খুলে দেন। এটি উপন্যাস হলেও এর মধ্যে মানুষ মৌলবাদীদের স্বরূপ দেখতে পায়। তাদের জীবন যাপন, উপার্জিত অর্থের উৎস, যৌন জীবন, মিথ্যার ও প্রতারণার বেসাতি, ধর্মের নামে ধোঁকার রাজনীতি সবকিছুই উন্মোচিত হয়ে পড়ে। ফলে এটা আর উপন্যাস থাকে নি- হয়ে উঠেছিল মৌলবাদীদের জীবন যাপনের দলিল। মৌলবাদীরা সংঘবদ্ধ হয়ে পড়ে। নিজেদের মধ্যেকার হাজারো বিভেদ ভুলে গিয়ে ধর্মাশ্রয়ী দলগুলো সকলেই সমস্বরে একটা খুনের স্বপ্ন দেখতে থাকে। ওদের অস্তিত্ব বিনাশকারী হিসাবে চিহ্নিত করে তাঁর প্রাণ সংহারে উঠেপরে লেগে যায়। উগ্রপন্থী মৌলবাদীরা প্রকাশ্যে হত্যার হুমকী দিতে থাকে। একজন সাংসদ সংসদে দাঁড়িয়ে তাঁকে হত্যার জন্য উষ্কানী দেয়। তাঁকে বহুলোক এ সময়ে সাবধানে চলতে বলেন কিন্তু হুমায়ুন আজাদ ছিলেন নির্ভিক, তিনি স্বভাবিক চলাফেরা করতেই থাকেন।

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +১০/-৭

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:২৬

ধীবর বলেছেন: প্রথাবিরোধি মানে কি ভাই? সবাই হাত দিয়ে ভাত খেলে উনি পা দিয়ে ভাত খেতেন? নাকি সবাই ভাত খেলে উনি শুধু তরকারি খেতেন? বাকি সবাই গরমে পাখা এবং শীতে কম্বল ব্যাবহার করে, কিন্তু উনি উল্টোটা করতেন? একটু বুঝিয়ে বলেন ভাই।

১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:০১

মুজিব রহমান বলেছেন: আপনি প্রথাবিরোধীতার এসব বাজে ব্যাখ্যা কোথায় পেলেন? কিছু প্রথা আমাদের সমাজে গেথে রয়েছে যা বিজ্ঞান চেতনা পরিপন্থী, যা কুসংস্কারাচ্ছন্ন, যা সমাজে বিভিন্ন বাধার সৃষ্টি করে তিনি সেসব প্রথার বিরুদ্ধে ছিলেন। তিনি অনেক বেশি প্রথাবিরোধী ছিলেন। এ বিষয়ে তার ব্যাখ্যা রয়েছে। তাকে পড়ুন।

২| ১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৪৩

হরিসূধন বলেছেন:
প্রথাবিরুধী জিনিষটা মানুষে গায়ে দেয় নাকি পিন্দে?

হুমায়ূন আজাদে প্রথা অনুযায় বিয়া করে নাই! পোলা মাইয়া ও উৎপাদন করে নাই!
আবার তার স্বজনেরা তারে প্রথা অনুযায় মাটির মইধ্যে কবর দেয় নাই!

বাংলার সব মানুষ প্রথা অনুযায় সব কিছু করে করলো কিন্তু এক হুমায়ূন ছাড়া :((

আপসুস

১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:০৫

মুজিব রহমান বলেছেন: আপনি জানেন না প্রথাবিরোধী কী জিনিস? তাকে পড়ুন বুঝবেন জানবেন। তিনি বহুসামাজিক প্রথাকে ভালো মনে করেন নি বলে তা পালন করেন নি। তিনি ধর্মীয় জীবন যাপন করতেন না। তিনি বিয়ে করেছিলেন ইংল্যান্ডে থেকে টেলিফোনে তাঁর সহপাঠিনীকে।

৩| ১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৪৭

সৈকত পোদ্দার বলেছেন: প্রথার মধ্যেই অধিকাংশই তো কুসংস্কারাচ্ছন্ন,সেই গুলোর বিরোধী তো হতেই হবে।

১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:০৬

মুজিব রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। সহজ বিষয়টাকে অজ্ঞ-মূর্খরা বুঝে না। ওরা বুঝে হুমায়ুন আজাদকে বিরোধীতা করতে হবে অন্ধভাবে।

৪| ১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:২১

হরিসূধন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আপনি জানেন না প্রথাবিরোধী কী জিনিস? তাকে পড়ুন বুঝবেন জানবেন। তিনি বহুসামাজিক প্রথাকে ভালো মনে করেন নি বলে তা পালন করেন নি। তিনি ধর্মীয় জীবন যাপন করতেন না। তিনি বিয়ে করেছিলেন ইংল্যান্ডে থেকে টেলিফোনে তাঁর সহপাঠিনীকে


>> আইচ্চা আমি কিছুই জানি না!!:( আপনিই কন প্রথা জিনিষটা কি? আর তারে পড়তে হইলে তো কবর থেইকা তুলতে হৈবো :( রক্ত মাংস তো পাওয়াই যাবে না আস্ত কিছু হাড্ডি ছাড়া :-* সে হাড্ডি গুড্ডি নিয়ে পড়া কি ঠিক হবে? প্রথা বিরুধীরা মাইনা নিবো? তিনি বহু সামাজিক প্রথা কে ভালো মনে করেন নি!! কিন্তু নিজে ঠিকই করেছেন! ১. বিয়া ( সেটা ফুনে হোক আর লাইভ হোক), আর সহপাঠিনী কে বিয়া করবার-ই বা কি দরকার ছিলো? ডাইরেক্ট লিভটুগেদার ছাড়া? ২. পুলা মাইয়া উৎপাদন ৩. মাটির মইধ্যে মুসলমানের মতো কবর। ... তার পোলা মাইয়ারা কি বাপের প্রথাবিরুধী চেতনা মাইনা নিবো?


আপনার লেখার প্রথম লাইন টা কি?

প্রথাবিরোধী ও বহুমাত্রিক শব্দ দুটি বললে হুমায়ুন আজাদকেই বুঝাতো।

প্রথাবিরুধী শব্দটা মনে অয় সব প্রথা কে বুঝায় রাইট? অথচ স্বংয় সে প্রথা অনুযায় কিছু কাম করছে। এই গুলা বাদে অন্য প্রথার বিরুধীতার কথা কইতে গেলে কিন্তু... এভাবে কইতে হৈবো.... "কিছু কিছু প্রথার বিরুধী( বহুমাত্রিক শব্দটা বহুগামীর মতো মনে অয়:( কিছু জানি না তো) হুমায়ূন আজাদ কে বুঝায়। কিন্তু তার গুরু আহমদ শরীফের কি হৈবো?

১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:৩৩

মুজিব রহমান বলেছেন: প্রথাবিরোধী মানে জীবন যাপনের সমস্ত অভ্যাস বদল করা নয়। যেসব সামাজিক প্রথা, ধর্মীয় প্রথা দেশের মানুষ অপ্রয়োজনীয়, অকল্যাণকর, অবৈজ্ঞানিকভাবে মেনে চলে তিনি তার বিরোধিতা করেছেন।

৫| ১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:২৪

হরিসূধন বলেছেন:
আপনার প্রোফাইলের ছবিটা দেখে আমাদের বিখ্যাত ব্লগার আকন্দ ভাইয়ের কথা মনে পইরা গেছে:(

১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:৩৫

মুজিব রহমান বলেছেন: ব্লগে বিভিন্ন কারণে ব্লগারগণ নাম ও ছবি গোপন রাখেন। আমি মনে করি সত্যপ্রকাশে ভয় পাওয়া এবং নিজের ভিতর-বাহির এক না হওয়ার কারণে কেউ কেউ এ কাজটি করেন। অনেকে আত্মপ্রচার না করতে চেয়েও করেন- তারা অধিকতর মহৎ। আমি আমার একটি সাধারণ ছবিই দিয়েছি প্রয়োজনীয় পরিচয়সহ।

৬| ১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:৪৭

নিউটন বলেছেন: হরিসূধন বলেছেন:
আপনার প্রোফাইলের ছবিটা দেখে আমাদের বিখ্যাত ব্লগার আকন্দ ভাইয়ের কথা মনে পইরা গেছে


অরে আবাল হরি, হ্যায় তো নিজের ফটুক লাগাইছে তুইতো তার সাহসও পাইস না। হুমায়ুন আজাদের সম্পর্কে মন্তব্য করার আগে ১০ বার জন্মাইয়া আসিস। প্রথা কি কাহাকে বলে সেটা বুঝলে কি আর এই কমেনট করতি রে হরিচুদন।

১৪ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:০৩

মুজিব রহমান বলেছেন: হরিরা শুধু হরি নামে মুগ্ধ থাকে। অবুঝ।

৭| ১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:৪৮

হরিসূধন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: প্রথাবিরোধী মানে জীবন যাপনের সমস্ত অভ্যাস বদল করা নয়। যেসব সামাজিক প্রথা, ধর্মীয় প্রথা দেশের মানুষ অপ্রয়োজনীয়, অকল্যাণকর, অবৈজ্ঞানিকভাবে মেনে চলে তিনি তার বিরোধিতা করেছেন


>> তাহলে আপনার প্রথম লাইনের প্রথম শব্দের আগে অপ্রয়োজনীয় শব্দটা লাগাইয়া দেন। আর মানুষের জন্য কোন টা প্রয়োজনীয় আর কোনটা অপ্রয়োজনীয় সেটা স্বংয় প্রত্যেক মানুষই কইতে পারে না! হুমায়ূন আজাদ ও মানুষ ছিলো তারও সেই ক্ষমতা নাই বা ছিলো না। শুধু কইলে যে সব হয় না! সেটা তার ব্যাক্তি জীবনের মধ্যেই আছে।

উনি কি বিগ্গানী ছিলেন? কোন সামাজ বিগ্গান নাকি প্রথাবিরুধী বিগ্গান। বিগ্গান জিনিষটা কি চির স্হির নাকি প্রতিনিয়ত গবেষনা চলছে?

১৪ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪

মুজিব রহমান বলেছেন: উনি ভাষা বিজ্ঞানী ছিলেন; ছিলেন কবি, উপন্যাসিক, কিশোর সাহিত্যিক, সমালোচক, রাজনৈতিক ভাষ্যকার। তার লেখাগুলো মূল্যবান। তাঁর রচনা দিয়েই তাকে মূল্যায়ন করা উচিত। আপনি প্রথাবিরোধী শব্দটার মধ্যেই তাকে মূল্যায়ন করতে চাচ্ছেন। তার রচনাতেই তার প্রথাবিরোধীতার মনোভাব প্রকাশ করেছেন। দেশের বহু বুদ্ধিজীবী যখন দালালীতে ব্যস্ত তখন হুমায়ুন আজাদ দালালীকে ঘৃণা করেছেন। দেশের কেউ যখন ধর্ম বিষয়ে মন্তব্য করতে ভয় পেতেন, তখন তিনি সাহসিকতার সাথে মন্তব্য করেছেন। প্রথাবিরোধী হওয়ার জন্য শতভাগ প্রথার বিরুদ্ধে যেতে হবে কেন?

৮| ১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:৫২

হরিসূধন বলেছেন:

নিউটন@ আরে চাগল তুই কি লাগাইচোচ? তোর নাম ছবির চেগু সবই কেপি।

বেটা কারো ছবি দেখে কি কারো কথা মনে পড়তে পারে না?

আর তুই উত্তর দেওন ুদাচ ক্যা? তোর সাথে কি আলাপ দিছি? ছাগল কুনহানকা।

১৪ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬

মুজিব রহমান বলেছেন: নিউটন একজন সচেতন ও জনপ্রিয় ব্লগার। তাকে সম্মান করুন। আলোচনায় তৃতীয় কেউ আসতেই পারে। এটা পারিবারিক বিষয় নয়।

৯| ১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:৫৫

হরিসূধন বলেছেন:
@নিউটন.....

তোর বাপ হুমায়ূন কয়বার জন্মাইচে? সেটা ক....

আর আমারে যদি দশ বার জন্মাইতে হয় এই হুমায়ূনের জন্য তা ও সে নিজে ও বিশ্বাস করতো না....., এটা ও তো অবৈগ্গানীক হইয়া যাইবো :-*

সে কি চেটের বাল লেকছে যেটার জন্য আমারে কয়েকবার জন্ম নিতে হৈবো?

তবে হাঁ তোদের মতো ছাগলদের জন্য সে দেবতা হৈতে পারে তবে আমার কাছে.. মুত ও না।

১৪ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:৩৮

মুজিব রহমান বলেছেন: আপনি তার লেখা পড়েন নি। তিনি বাঙলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছেন। আপনি ভিন্নমত পোষণ করুন সমস্যা নেই। গালাগালি করবেন না। যারা ঈশ্বর বিশ্বাস করে না তাদের কাছে ঈশ্বরের মূল্য নেই; বিজ্ঞান ঈশ্বরকে প্রমাণ করতে পারে না। আপনি হুমায়ুন আজাদকে বুঝতে হলে তার সমস্ত রচনা পড়ুন এবং বুঝুন।

১০| ১৪ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:১৭

রহস্য বলেছেন: হরিসূধন বলেছেন: তবে হাঁ তোদের মতো ছাগলদের জন্য সে দেবতা হৈতে পারে তবে আমার কাছে.. মুত ও না।

১৪ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯

মুজিব রহমান বলেছেন: হরিসূধনদের কাছে পীর ফকিরদের মূল্য থাকে; জ্ঞানীদের মূল্য থাকে না।

১১| ১৪ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:১৭

রহস্য বলেছেন: হরিসূধন বলেছেন: তবে হাঁ তোদের মতো ছাগলদের জন্য সে দেবতা হৈতে পারে তবে আমার কাছে.. মুত ও না।

১৪ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:৪০

মুজিব রহমান বলেছেন: কিছু মানুষ আছে, জানে না; জানার চেষ্টা করে না; কিন্তু উল্টাপাল্টা বলতে পারে। হরিসূধনরা যেদিন বুঝবে সেদিন দেশ আরো আগানো থাকবে।

১২| ১৪ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:৩১

তোরাশ বলেছেন: প্লাস

ধর্মান্ধদের মাইনাস

১৪ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:০২

মুজিব রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ। ওদের সাথে বিতর্ক করা অর্থহীন। ওরা ১শ বার জন্মালেও বুঝবে না। ওরা বিশ্বাস আর বিজ্ঞানের পার্থক্য বুঝে না।

১৩| ১৪ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৩১

সজীব আকিব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ও +

১৪ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:২৮

মুজিব রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

১৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৫:১৭

বিগ মব বলেছেন: ছফা'র বর্ণনায় হুমায়ূন আজাদ-১: হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) ---- By সাদাত হাসান

১৪ ই মে, ২০১১ দুপুর ১:০৬

মুজিব রহমান বলেছেন: আহম্মদ ছফা এবং হুমায়ুন আজাদের মধ্যে একটা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ছিল; এধরণের দ্বন্দ্ব আরো কয়েকজন লেখকের সাথেও ছিল। ছফা তীব্র আক্রমণ করেছিলেন আজাদের উপর।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.