নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মূকতাদির সাকিন

আমি বিধাতারই রঙে আঁকা এক অস্পষ্ট ছবি, আমি তারই কবিতা!!

মূকতাদির সাকিন

লিখার চেয়ে লিখা পড়তেই বেশী ভালো লাগে ।

মূকতাদির সাকিন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাস্তবিক চেহারার রহস্য

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:২৯

হুমায়ূন আহমেদের 'হিমু'-র একাংশের মত আমারও চেহারায় খুব সম্ভবত 'I am at your service ' জাতীয় ব্যাপার আছে। আমিও লক্ষ করেছি প্রায় সব বয়সী মেয়েরা আমাকে দেখলে টুকটাক কিছু কাজ করিয়ে নেয়। তার জন্য সামান্য অস্বস্ত্বিও বোধ করে না।



-নিতান্ত অপরিচিত মহিলা নির্বিকার ভঙ্গিতে আমাকে বলবে-'এই ছেলে, এই চশম্যাশ,একটা রিকশা খুঁজে দাও তো। রিক্সা না পেলে বেবীটেক্সি।। ভাড়া ঠিক করে এনো।

এই ধরনের কাজ আমিও আগ্রহের সাথে করি। দরদাম করে রিকশা ঠিক করি,জিনিসপত্রও মাঝে মাঝে তুলে দেই।খট করে রিকশাওয়ালার হুড তুলি। এবং সবশেষে প্রিয়জনদের উপদেশ দেবার মত সামান্য উপদেশ দেই-- 'শাড়ি টেনে বসুন।চাকার সঙ্গে পেঁচিয়ে যেতে পারে! হ্যাঁ এইবার হয়েছে। '

শেষ উপদেশ রিক্সাওয়ালাকে দেখেশুনে যাবে। NO ঝাঁকুনি। যার জন্য এসব কাজ করা হয় তিনি খুব স্বাভাবিক থাকেন। আর সুন্দরী হলে তো নো কথা__শুধুই ভাব।।। অবশ্য সুন্দরী ললনা না পেলে এতটুকু কষ্ট আমি করি না। পাশ কাটিয়ে কিংবা অজুহাত দেখিয়ে বেশিরভাগ সময়ই হাওয়া হয়ে গেছি দু'সেকেন্ডে।যাইহোক তবে রিক্সা পাবার পরও বেশিরভাগ ললনার বিন্দুমাত্রও বিস্মিত নন। মনে করেন তার জন্য এটা স্বাভাবিক,অন্যদিকে ধন্যবাদ তো বাদই দিলাম। ললনা ধরেই নেন সুন্দরী হিসেবে অপরিচিত কোন লোকের কাছ থেকে পাওয়া এই সেবা তার প্রাপ্য। রিকশা চলতে শুরু করলে আমার দিকে তাকিয়ে ভদ্রতার হাসি কেউ কেউ দেন। বেশিরভাগই দেন না। উদাস হয়ে থাকেন। আফসোস করেন, আহা রে বিনা পয়সার এক পোষা বাবু ফেলে আসলাম।



রহস্যটা আসলে চেহারায়। কিছু কিছু ললনার চেহারাই থাকে মিথ্যুকের মতো। তারা নির্ভেজাল সত্যি কথা বললেও সবাই হাসে এবং মনে মনে বলে-' মায়ের কাছে খালাম্মার গল্প'। মিথ্যার ব্যাবসা আর কত করবে? এইবার ক্ষান্ত দাও না?



মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.