| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মূকতাদির সাকিন
লিখার চেয়ে লিখা পড়তেই বেশী ভালো লাগে ।
ঢাকা ট্রিবিউনের রিপোর্টঃ
রিপোর্টারঃ
আহমেদ জাইফ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ছাত্র,শিক্ষক
এবং নিরাপত্তা কর্মীরা বলেছেন,” আন্দোলনরত
শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে কোন রকম সহিংসতার ঘটনায়
জড়িত ছিলনা । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বার ভর্তিচ্ছু
১৬ জন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ২১
শে ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর ,
ক্ষতি সাধনের “মিথ্যা মামলায়” কারাগারের লৌহ কপাটের
পেছনে বন্দী আছে। ১৪ই অক্টোবর ,
২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শেষের ঠিক
কয়দিন পরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘোষণা দেয়,
“আগামী ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ হতে শুধুমাত্র সদ্য
এইচএসসি পাশ
করা শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবে” ।
এবছর ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারী কিছু
শিক্ষার্থী এই সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য
আন্দোলনের রুপায়ন করে । তারা অনশনের
কর্মসূচী, র্যা লি এবং রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ,
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং উপাচার্য আ আ ম স
আরেফীন সিদ্দিক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে ।
পুলিশের অনবরত হামলা সত্ত্বেও তারা ১৭ অক্টোবর
থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে । ২১
শে ডিসেম্বর , ২০১৪ তে পূর্ব ঘোষিত
কর্মসূচী অনুযায়ী উপাচার্যের সাথে সকাল ১০:০০
টা নাগাদ দেখা করার উদ্দেশ্য তারা রাজু ভাস্কর্যের
সামনে জড়ো হতে শুরু করে । প্রক্টোরের
তত্ত্বাবধানে শাহাবাগ থানা পুলিশ রাজু ভাস্কর্যের নিকট
হতে ৮ জন, টিএসসি’র আশেপাশে থেকে ৪ জন
এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হতে ৭
জনকে গ্রেফতার করে ।তারা ৩
জনকে পরে ছেঁড়ে দিলেও ১৬
জনকে আটকে রাখে ।
দুপুর ১২.৩০ নাগাদ , বামপন্থী সংগঠনগুলো “
প্রগতিশীল ছাত্র জোটের”
ব্যানারে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির
দাবীতে এবং ক্যাম্পাসে তাৎক্ষনাত
পুলিশকে সরে যাওয়ার জন্য মিছিল বের করে ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা এস
এম কামরুল আহসান শাহাবাগ থানায় বিশ্ববিদ্যালয়য়ের
নামে মামলা দায়ের করেন । রিপোর্টের প্রথম
তথ্য অনুযায়ী,”... অবৈধভাবে বহিরাহগত
শিক্ষার্থীরা টিএসসি এবং প্রশাসনিক ভবনের
চারপাশে লাঠিসেটা, ইট-পাটকেল নিয়ে জমায়েত
করে এবং প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে ভাঙচুর
এবং একটি কেচি গেটকে ধাক্কা ও আঘাত
করে ক্ষতিসাধন করে । এছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয়য়ের
বিভিন্ন স্থাপনায় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ক্ষতিসাধন
করে এবং ক্ষয়ক্ষতির মূল্য ৫ লাখ টাকার
উপরে বলে বলা হয় । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের একজন
শিক্ষার্থী “অনুপ কর্মকার” ২১ শে ডিসেম্বরের
ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন ,তিনি ঢাকা ট্রিবিউবনকে বলেন,”
১০০ জনের বেশী পুলিশ সেদিন টিএসসি এর
চারপাশে অবস্থান
করে এবং শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু
করলে তাদের গ্রেফতার করে” ।
তিনি আরও বলেন, “তারা তো প্রশাসনিক ভবনের
দিকে যেতেই পারে নাই, তাহলে তারা ধ্বংসযজ্ঞ
কীভাবে চালাল??”
উপাচার্য অফিসের নিরাপত্তাকর্মী “আব্দুর রহমান”
ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “১ টার নাগাদ কিছু
শিক্ষার্থী স্লোগান দিতে দিতে মিছিল
নিয়ে এগিয়ে আসে এবং প্রশাসনের
নির্দেশে গেট লক করে দেই”
“আমি তাদের হাতে কোন লাঠিসেটা, কিংবা তাদের ইট-
পাটকেল ছুঁড়তেও দেখিনি””তারা শুধু গেটের
লকটি ভেঙে ফেলে ভবনের
ভেতরে প্রবেশের জন্য” । যখন রিপোর্টার লক/
তালাটি দেখার জন্য বললেন তখন “দিলিপ চন্দ্র সরকার”
নামক আরেকজন নিরাপত্তাকর্মী তালাটি নিয়ে আসেন
। কিন্তু যখন তারা ভাঙ্গা অবস্থায় তালাটিকে দেখানোর
চেষ্টা করছিল, তখন
আমি(রিপোর্টার)সেটা একেবারেই ভাঙ্গা অবস্থায়
দেখিনি । হতবাক এবং হতভম্ব
হয়ে তারা বলেলন,“তাদের মনে হয়েছিল
এটা ভাঙ্গা !” যখন প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কামরুল
আহাসানকে শিক্ষার্থীদের দ্বারা ভাংচুর,ক্ষয়ক্ষতির
ব্যপারে জিজ্ঞেস করা হয়
তিনি আমতা আমরা করতে থাকেন এবং কি কি জিনিসের
ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তিনি বলতে সক্ষম হননি ।
তিনি অতঃপর রিপোর্টারকে প্রোক্টরের
সাথে যোগাযোগ করতে বলেন এই
মর্মে যে “উনি প্রোক্টরের
কার্যালয়ে প্রোক্টরের নির্দেশে এফআইআর
লিখেন । এবং কোথায় কি ক্ষতিসাধন হয়েছে সেটাও
জিজ্ঞেস করতে বলেন” । “মোহশিদা সুলতানা”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান এবং ইনফর্মেশন
সিস্টেমের সহকারি অধ্যাপক
ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন,”গ্রেফতারকৃত ছাত্ররা কোন
ধরণের সহিংসতা করেনি তাই প্রশাসন তাদের
বিরুদ্ধে কোন প্রমাণ দিতে সক্ষম হয়নি।”
“এটা শুধুমাত্র একটি মিথ্যা মামলা”
“তাদেরকে আগামীবার পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ
দেওয়া উচিৎ কেননা তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের
এরুপ ঘোষণার ব্যপারে আগে অবগত করা হয়নি”
যখন প্রোক্টর “আমজাদ আলী”র সাথে যগাযোগ
করা হয় তিনি রোববারের আগে এ ব্যপারে কোন
মন্তব্য করতে পারবেন না বলেন ।
তিনি আরো বলেন, “তার কার্যালয় থেকে কোন
ধরণের অনুমতি সাপেক্ষ এই মামলা দায়ের করা হয়নি !”
link: http://www.dhakatribune.com/education/
2014/dec/27/16-du-second-time-admission-see
kers-jail
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:২৪
মূকতাদির সাকিন বলেছেন: মাননীয় ব্লগার ভাই এবং বোনেরা,
উপরোক্ত রিপোর্টটি আপনারা বিভিন্ন ওয়েবে শেয়ার করবেন দয়া করে। ব্যাপারটা সম্পর্কে অনেকেরই ভুল ধারণা রয়েছে। তাছাড়া, আমাদের ১৬ জন বন্ধু বিনাদদোষে জেলে কারা ভোগ করছে।
এই সঠিক ব্যাপাড়োটা সমন্ধে সবাই জানতে পারলে হয়তবা একোটা প্রটেষ্ট গড়ে উঠবে। আর আমাদের বিনাদোষে জেলাকৃত বন্ধুদের মুক্তি মিলবে।
আল্লাহ আমাদের সহায় হউন।
নিবেদক,
মূকতাদির সাকিন।
ফেসবুক সূত্রঃ তাহ্ফীর সাকিন