| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মূকতাদির সাকিন
লিখার চেয়ে লিখা পড়তেই বেশী ভালো লাগে ।
রিকশা থেকে নেমে
পকেটে হাত
দিয়ে মানিব্যাগটা
বের করলাম আমি।
হাতটা ধরে বাধা দিল
তুস্কা।
– এই আমি দেই। আমার
কাছে ভাংতি আছে।
মানিব্যাগ রেখে দাও।
– আমার কাছেও
ভাংতি আছে।
– চুপ। কম কথা বল।
আমি দিচ্ছি না? এত
কথা বল কেন?
আমি চুপ
করে মানিব্যাগ
রেখে তুস্কার দিকে মুখ
তুলে তাকালাম। নীল
রঙের একটা ড্রেস
পরে আছে তুস্কা।
দেখেই বোঝা যায়
অনেক দামি ড্রেস। খুব
সুন্দর লাগছে দেখতে।
তুস্কার
পাশে নিজেকে মাঝে
মাঝে খুব বেমানান
লাগে। আমার
জুতা জোড়াও ছেঁড়া।
নিউ মার্কেট এর
সামনে থেকে সস্তায়
কিনেছিলাম
জুতা জোড়া। কিন্তু
কয়েকদিন না যেতেই
শেষ। সেই
কবে থেকে একই
জামা কাপড়
পরে দেখা করতে আসি তুস্কার সাথে।
আর
তুস্কাকে এখন পর্যন্ত এক
ড্রেস ২ দিন
পরতে দেখেছি বলে
মনে হয় না। এমন
কি জুতাগুলোও মনে হয়
প্রতিদিন নতুন নতুন।
তুস্কা কখনও
জিজ্ঞাসা করেনি
প্রতিদিন একই ড্রেস
পরে আসে কেন? করবেও
না কখনও। কিন্তু আমি
নিজে থেকেই বলি–
জানো? আমার এই
জামাটা অনেক প্রিয়।
খুব ভাল
লাগে জামাটা পরতে।
জামাটা পরলে
নিজেকে হিরো
হিরো মনে হয়। দেখ
দেখ, এখনও কালার একদমই
ডিসকালার হয়নি। সেই
আগের মতই আছে।
তুস্কা হাসে কথাগুলো
শুনে। আর বলে – আসলেই
তোমাকে অনেক সুন্দর
লাগে এই ড্রেস এ।
মেয়েটা অনেক ভাল।
সব কিছু কত
সহজে মেনে নেয়।
ভাবতেই ভাল লাগে।
ইচ্ছা করলেই আমার
চেয়ে অনেক ভাল
ছেলের সাথে প্রেম
করতে পারে। কিন্তু না,
এই অপদার্থের সাথেই
পড়ে আছে।
মেয়েটা একটু বোকাও
মনে হয়।
তবে তুস্কা ভাবে
আমি অনেকটা বোকা।
দুনিয়ার অনেক কিছুই
বুঝিনা আমি। মাঝে মাঝে তুস্কা বলে,
বোকা হই, পাগল
হই,অসম্ভব সুন্দর
একটা মন নাকি আছে আমার। তাতেই চলবে।
বেশি কিছু দরকার নেই।
রেস্টুরেন্টের
দিকে যেতে দেখে
আমি হাত
ধরে থামালাম তুস্কাকে।
থামিয়ে বললাম– কই যাও?
– সকাল থেকে কিছু
খাইছ বলে তো মনে হয়
না। ঘুম থেকে উঠেই
চলে আসলা। চল কিছু
খাওয়া দাওয়া করে
আসি।
– না।
খেয়ে আসছি সকালে।
এখন ক্ষুধা নাই।
– আবার মিথ্যা বলে।
আমি মোবাইল দিলাম
আর চলে আসলা। আর
বলে কি খেয়ে আসছি।
– এই রেস্টুরেন্টেই
যাবে?
-হ্যাঁ।
– আসলে কি জানো,
তোমাকে বলতে লজ্জা
লাগছে। বলব
কি করে বুঝছি না।
– এত লজ্জায় লাল হবার
কিছু হয়নি।
ছেলে মানুষ, এত লজ্জার
কি আছে? বল কি হইছে?
– আমার loose motion কাল
রাত থেকে। এর
মধ্যে যদি এই ফাস্টফুড
খাই, নির্ঘাত
মারা যাব। এমন
কি রেস্টুরেন্টেও কাজ
করে দিতে পারি।
তুস্কা নাকটা উঁচু
করে আমার
দিকে তাকাল।
পরক্ষনেই স্বাভাবিক
হয়ে বলল – ছিঃ , কি সব
কথা বল তুমি। loose motion
মানে? সকাল
থেকে তুমি আমার
সাথে। একবারও
তো যাও নাই।
– আসলে ব্যাপারটা হল,
সকাল থেকে emotion এর
মধ্যে আছি তো , তাই
loose motion কাজ
করছে না।
তুমি পাশে থাকলে
আমার emotion
বেড়ে যায়।
তুস্কা মিষ্টি একটা
হাসি দিয়ে বলল- হইছে।
খুব বুঝছি। এখন চল।
আমি খাইয়ে দিব। so
emotion এর মধ্যে থাকবা।
loose motion এ প্রবলেম
হবে না। চল।
আমার
হাতটা ধরে টেনে
নিয়ে যাচ্ছে তুস্কা।
আমি একটা দীর্ঘ
নিঃশ্বাস
ফেলে তুস্কার
সাথে গেলাম।
আসলে loose motion না,
পকেটের অবস্থা খুব
একটা ভাল না। তাই
আসতে চাচ্ছিলাম
না । সত্যিই খুব
সমস্যা চলছে
ফ্যামিলিতে।
বাসা থেকে যতটা সম্ভব
বাহিরে থাকা যায়,
তাই থাকছি আমি।
ঘরে এলেই এটা নাই,
ওটা নাই, এই সমস্যা , ঐ
সমস্যা,
হাজারটা ঝামেলা।
উফ!! বাবা খুবই কম
বেতনের
একটা চাকরি করেন।
তার উপর কয়েক মাস
ধরে বেতন পাচ্ছেন না।
নিজেকে মাঝে মাঝে
কাপুরুষ মনে হয়।
পরিবারের কাছেও
একটা অপদার্থ, তুস্কার
কাছেও।
রেস্টুরেন্টে খাবার পর
তুস্কা বলল –
আমি বিলটা দিয়ে
দিচ্ছি। আমার
কাছে টাকা ভাংতি
নাই তো।
টাকাটা ভাংতি করা
দরকার।
আমি আবারও অসহায়
এর মত তাকিয়ে আছি।
জমানো টাকাগুলো
নিয়ে আসলেই হত।
কিন্তু ঐ টাকা তো অন্য
কাজের জন্য রেখেছি।
মেয়েগুলো হয়ত তুস্কার
মত এত ভাল হয় না। এত
সহজে সব কিছু
মেনে নেয় না।
তুস্কা জানে
আমার
ফ্যামিলিতে সমস্যা
চলছে একটু। তাছাড়া ছ'মাস পর পর আমার আবার রক্ত চেইঞ্জ করতে হয়, অনেকটাই খরচ।তাই
একেকটা অজুহাতে
আমার
টাকাগুলো বাঁচিয়ে
দিচ্ছে। বাসায় আসার
ভাড়াটাও দিয়ে দিল
তুস্কা। তখন খুব বেশিই
লাগল নিজের
আত্মসম্মানে আমার।
তাই বলেই ফেললাম
তুস্কাকে –
কি ব্যাপার ? কি শুরু করছ
তুমি?আমার
কাছে ভাড়া দেওয়ার
টাকাটাও নাই নাকি?
আমাকে এভাবে অপমান
করার মানেটা কি ?
আবারও তুস্কা সেই
মিষ্টি হাসি মুখে
নিয়ে বলল- উহ। এত
বুঝে ছেলেটা। বিয়ের
আগ পর্যন্তই তো mutual
খরচপাতি। বিয়ে হোক
তারপর থেকে সব
তোমার। আমার
থেকে ১ টাকাও বের
করতে পারবা না।
জামাই
হয়ে বউয়েরটা নিবা?
তা হবে না। এখন
তো ভালবেসে দিচ্ছি।
আর তখন কিছু
না পেলে ঝাড়ু
দিয়ে পিটাব।
বাচ্চাকাচ্চা বউ
সংসার সব তোমাকেই
দেখতে হবে। তুমি শুধু
দিবা আর
আমরা বসে বসে খাব।
হি হি হি হি।
কি সরল হাসি মুখে। আর
কিছু বলার পেলাম না আমি।
বাসে করে চলে আসলাম
বাসায়। আসার সময়
জানালা দিয়ে দেখলাম
তুস্কা হাত
নেড়ে যাচ্ছে এখনও।
বাসের
শব্দে শোনা যাচ্ছে না
কি বলছে। হয়ত
টাটা বাই বাই।
রুমে এসে ঢুকার পরই
মায়ের ডাক,
– সারাদিন
থাকিস কই তুই? বলেও
যাস না। তুই
তো আগে এমন
ছিলি না।
কিছু না বলে বিছানায়
গিয়ে শুয়ে পড়লাম।
কথা বলতে গেলেই
মায়ের
সাথে ঝগড়া বেধে
যাবে। ইদানীং খুব
খিটখিটে মেজাজ
হয়ে যাচ্ছে। অল্প
কিছুতেই রাগ উঠে যায়।
পরশু বার্থডে তুস্কার।
জমানো টাকাগুলো
বের করলাম আমি।
কয়েক মাস ধরেই
জমাচ্ছি টাকাগুলো।
রিকশাতে না গিয়ে
হেঁটে গিয়েছি।
একটা কিছু খুব
খেতে ইচ্ছা করল,
না খেয়ে টাকাটা
রেখে দিয়েছি। অনেক
দিনের শখ, একটা ভাল
ব্রান্ড এর
বডি স্প্রে কিনব
আমি।কিন্তু তাও
কিনিনি। আগে তুস্কার
বার্থডেটা যাক তারপর।
মেয়েটা অনেক ভাল।
কখনও ভাল কোন গিফট
দেয়নি আমি।শুধু কিছু
গোলাপ ছাড়া।
সেই গোলাপ নিয়েই
মেয়েটা কত খুশি। কখনও
মুখ বাঁকিয়ে বলে না,
তুমি তো আমাকে কিছুই
দাও না।
অন্য মেয়ে হলে কবেই
ভেগে যেত। আমি জমানো
টাকাগুলো গুনলাম।
না খারাপ হয়নি।
তুস্কাকে পিংক
কালারের ড্রেস এ খুব
মানায়। ওকে একটা সুন্দর
দেখে ভাল পিংক
কালারের ড্রেস
কিনে দিবে আমি।
বার্থডে গিফট।
অসাধারণ লাগবে সেই
ড্রেস পরলে ওকে।
আমি হঠাৎ
হেসে উঠলাম।
মনে পড়ছে যে
আমার
বার্থডেতে তুস্কা
একটা কবুতরের
বাচ্চা এনে আমাকে
ধরিয়ে দিয়ে বলেছিল
– Happy Birthday To You,
জান। এই নাও,
বার্থডে গিফট। তোমার
গায়ে তো রক্ত কম।
দেখেই বোঝা যায়।
কবুতরের বাচ্চা রোস্ট
করে খাবা। গায়ে রক্ত
বাড়বে, শক্তিও বাড়বে।
একটু
তো মোটাসোটা হও।
এরপর তুস্কা ব্যাগ
থেকে কত্তগুলা আপেল
বের করে বলল- নাও,
এগুলাও খাবা।
শক্তি বাড়বে।
বাসায় এসে কবুতরের
বাচ্চা মাকে দিয়ে
বলেছিলাম- আম্মু,
এটা রান্না কর। আমার
বন্ধু এটা উপহার
দিছে আমার জন্মদিনে।
এটা খেলে নাকি
অনেক
শক্তি পাওয়া যায়,
শরীরে রক্ত বাড়ে।
এরপর ঘরে এসে এক এক
করে সবগুলো আপেল
একসাথে খেয়েছিলাম
আমি। ১০ টার মতন
হবে। সবগুলো।
শক্তি বাড়াতে হবে
শরীরে তাই।
তুস্কা এত কিছু দিল। আর তুস্কাকে একটা কিছু
দেব না, তা কি হয়?
তাই তো সেই
কবে থেকে টাকা
জমাচ্ছি। মনটা অনেক
ফ্রেশ লাগছে। কাল
পছন্দ মতন
ড্রেসটা কিনব
আমি।
মা ঘরে হাতে একটা
প্লেট নিয়ে ঢুকল।
আমার
কাছে এসে বলল-
মুড়ি মাখলাম। পেঁয়াজ
মরিচ দিয়ে। আয়
তোকে খাইয়ে দেই।
কতদিন তুই আমার
হাতে খাস না।
মা খাইয়ে দিচ্ছে
আমাকে। খুব
কান্না পাচ্ছে। সবাই
এত ভাল কেন?
মা টা না পাগল একটা।
ভেবেছে আমি রাগ
করে আছি।
আমি
মাখানো মুড়ি খাচ্ছি
আর গাল
বেয়ে পানি পড়ছে।
মা পানি মুছে দিয়ে
বলল- কাঁদিস ক্যান
বাবা ? মানুষের
অবস্থা সবসময় একরকম
থাকে না। আমাদেরও
থাকবে না। তোর কষ্ট হয়
বুঝি। তোর
যা লাগবে চাবি।
যেভাবে হোক
আমরা জোগাড়
করে দিব। তুই আমাদের
এত আদরের ছেলে।
আমার
কান্না থামার
পরিবর্তে আরও
বেশি পাচ্ছে।
বুকটা খাঁ খাঁ করছে।
নিজেকে খুব অসহায়
লাগছে। এই মানুষগুলোর
ভালবাসা ফেরত
দেবার মতন ক্ষমতা নেই
আমার।
কেঁদে মিথ্যা সান্ত্বনা
দেওয়া আর কি! সব ঠিক
হয়ে যাবে।
মা বলল- আজও
বাড়িওয়ালা এসেছিল।
মানুষগুলোকে যে আর
কত ঘুরাব!! তোর
বাবা বেতনও
পাচ্ছে না। আর
যে কয়টা টাকা বেতন
পায় তাতে কিছুই হয়
না।
– মা,
আমি একটা কথা বলি?
-বল, বাবা।
– আমার কাছে কিছু
জমানো টাকা আছে।
তুমি নিবে সেগুলো ?
আমি তো কিছুই
করতে পারি না। অন্তত
এক মাসের ঘর
ভাড়াটা দিয়ে দাও
তা দিয়ে।
– আরে না। কি বলিস?
তোর
জমানো টাকা দিয়ে ঘর
ভাড়া দিব কেন? তুই বড়
হইছিস। এখন তোর
একটা হাত খরচ
আছে না?
তোকে তো ওভাবে
টাকা আর দেওয়া হয়
না। তোর
টাকা রেখে দে।
কি একই শার্ট
পরে ভার্সিটিতে যাস
প্রতিদিন। তার চেয়ে ২
টা শার্ট কিনিস।
জুতাটাও
ছিঁড়ে গেছে দেখলাম।
কম দামের
মধ্যে একটা জুতাও
কিনিস। তোর
বাবা বেতন পেলেই ঘর
ভাড়া দিয়ে দিব। আর
এতদিন
ধরে থাকি আমরা
এখানে।
বাড়িওয়ালাকে একটু
বুঝিয়ে বললেই বুঝবে।
আমার ছলছল
চোখে তাকিয়ে আছে
মায়ের দিকে। হঠাৎ
মায়ের পায়ের
কাছে পরে বলল – মা,
আমাকে মাফ করে দাও
না। আমি তোমাদের
অনেক কষ্ট দিছি।
আমি অনেক খারাপ।
টাকাটা নাও না।
না নিলে আমার ভাল
লাগবে না।
আমি তোমাদের অনেক
ভালবাসি। এই
কথাটা অনেকদিন
বলতে চাইছি,
বলতে পারিনি।
আমার নতুন জামা কাপড়
জুতা কিছু লাগবে না।
আমি বড় হয়ে যখন
চাকরি করব তখন আর কষ্ট
থাকবে না আমাদের।
তখন
ভুরি ভুরি জামা কাপড়
কিনতে পারব।
– এই,এই।
কি হইছে বাবা?এই
তাকা এইদিকে।
কি হইছে? এমন
পাগলামি করতেছিস
কেন?আচ্ছা দে।
নিচ্ছি টাকা। তোর
বাবা বেতন পেলে নতুন
জামা কাপড়
কিনে দিব
তোকে আচ্ছা?
আমি চোখ
মুছে মায়ের
হাতে টাকাটা দিয়ে
বলল- নাও, ঘর
ভাড়া দিয়ে আসো।
মা আমার
কপালে একটা চুমু
খেয়ে চলে গেলেন।
জানালার
পাশে এসে বসলাম আমি।
হালকা হালকা হাওয়া
বইছে। চোখের
পানিগুলো শুকিয়ে
যাচ্ছে সেই হাওয়ায়।
নিজেকে প্রথম বারের
মতন মানুষ
বলে মনে হচ্ছে। তুস্কার
জন্য গিফট কেনা হল
না এবারও।
মেয়েটা অনেক অনেক
ভাল। হয়ত রাগ
করবে না কিছু
না দিলেও। হঠাৎ চোখ
পড়ল শার্টটার দিকে।
একটু
খানি ছিঁড়ে গেছে
শার্টটা।
কিভাবে ছিঁড়ল
কে জানে!!! ছোট্ট
একটা নিঃশ্বাস ছাড়লাম। মনে মনেই
ভাবলাম,প্রেম ভালবাসা,
তুস্কা,
এগুলো নিম্নবিত্তদের
জন্য না। এদের সুখ ঐ
মা বাবার একটু হাসি।
অল্প কিছু টাকা,
বেঁচে থাকার জন্য।
ছেঁড়া শার্ট সেলাই
করে পরা। সস্তা জুতা। ২
বেলা পেট ভরে ভাত
খাওয়ার মধ্যেই।
ভালবাসা সবার জন্য
না হয়ত। তুস্কা ভাল
মেয়ে অনেক। কিন্তু
কতটা দিন
এভাবে মানিয়ে
নিবে? একটা সময় হয়ত
ক্লান্ত হয়ে যাবে।
নিম্নবিত্তদের
ছেঁড়া শার্টের
সাথে তুস্কার মত
মেয়েদের
মানানো আসলেই খুব
কঠিন..!!!
২৮.১২.১৪
২|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০০
মূকতাদির সাকিন বলেছেন: আমি মনে হয় আপনাকে বোঝাতে পারিনি।
আমি আসলে হেয় করিনি। বলেছি, তুস্কার মত অনেক মেয়েরাই আছে ভালোবাসাটাকেই প্রাধান্য দেয় বেশি। প্রেমিকের অর্থ নয়।
আর,লেখক মনে মনে নিজেকেই দোষারোপ করছে এই ভেবে যে,আমার মত দরিদ্র কেন এরকম উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়েকে শেষমেশ কেনই বা আর্থিক কষ্ট দেবে। সবগুলোই মনের ভাবনা।
আসলে,তুস্কা-র মত মেয়েরা প্রকৃত প্রেমিকা। এটাই বোঝাচ্ছি, হেয় করছি না।
৩|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১২:৪২
আমি অথবা অন্য কেউ বলেছেন: রিয়েল টাচি ওয়ান। লাইকড ইট লাইক হেল। আমার তুস্কারে আমি শেই কবে মেরে ফেলসি, সরি বলার ইচ্ছা থাকলেও সামর্থের সবটুকু দিয়েও সেটা আর জানানো সম্বব না। প্লাস প্লাস
৪|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:৩৭
মূকতাদির সাকিন বলেছেন: ভুলতো হতেই পারে।
নতুন করে জীবন শুরু করুন।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:০৫
নুর ইসলাম রফিক বলেছেন: মেয়েদের এভাবে দোষারোপ করার কোন কারন খুজে পেলাম না আপনার লেখাতে।
তো এতো হেয় করে বললেন কেন শেষ অংশে।