| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মূকতাদির সাকিন
লিখার চেয়ে লিখা পড়তেই বেশী ভালো লাগে ।
আমার। অনেকটা বছর, অনেকটা মুহূর্ত,অনেকটা সময়, কিছু ভালোলাগাকে ছেড়ে এসেছি।
- ২০১৪ আমার জন্য ছিল একধরনের মানসিক রোগীদের মতই জীবনযাপন। পারিবারিক কলহের মাঝে আমি বড় হয়েছি বলেই এটা ছিল কম্পলসারি। পড়াশুনার ব্যাপারটা আর নাইই বললাম। এটা নিয়ে হতাশা আসবে আবার চলে যাবে, ব্যাপার না!
-আসলেই আমি হ্যাপি। ২০১৪ আমাকে নিয়ে যাই খেলুক,যেভাবেই খেলুক আমি হ্যাপি ছিলাম।
তবে,নতুন এক বন্ধু হয়েছে আমার। বাস্তবে তিনি মানুষের ভাষা বোঝেন না। তাঁর মন মৃত। আসলে বন্ধু নয় বান্ধবী। তাঁর নাম 'তুস্কা'। তাঁর অনেকগুলো নাম আছে। এই তুস্কা নামটির সাথে যেই চরিত্রগুলো আছে সেগুলো আমার পছন্দের। তাই বান্ধবী বানিয়ে নিয়েছি। অবশ্য আমার মায়ের জীবনাংশের কিছুটা সময়ের সাথে তাঁর জীবনাংশের অনেকটা মিলে। এখানেই তাঁর প্রতি টানটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। সত্যিকার অর্থে, বাস্তবে 'তুস্কা' বলে কেউ নেই। আমার কল্পনায় এ চরিত্র। তিনি কথা বলতে পারেন না,আহার করতে পারেন না, নিঃশ্বাসবদ্ধ একজন।
তবুও সে আমার বান্ধবী। মানসিক বয়সটা আমার থেকে অনেকটা বেশি...
আসলে,
'বান্ধবী তোর বয়স,
আমার মনের মত নয়।
কেননা তোর জানলা খুললে,
কদম্ব গাছ বার্তা পাঠায়-
ভাংতি নেই,মাফ করবেন।'
সবশেষে,২০১৪ থেকে পাওয়া বলতে এই একজন অবাস্তবিক বান্ধবীকেই পেয়েছি। আর হারাবার প্রশ্ন আসলে এটাই মনে পড়ে,
'জীবনটা একটা ট্রেন গাড়ি। ট্রেনের প্রতিটি কামরা জীবনের এক একটি মুহূর্ত। প্রতিটি ষ্টেশন যেন এক একটি সুখ আর দুঃখ। ট্রেন একটার পর এক ষ্টেশনে এসে থামবে, কিছু জীবন্ত লাশ নামিয়ে দিয়ে আবার চলা শুরু করবে। এটাই নিয়ম। ঝালমুড়িওয়ালা,চা-ওয়ালা,চানাচুরওয়ালা কত লোকের সাথে পরিচয় হবে,বন্ধুত্ব হবে আবার ভেঙ্গে যাবে। এখানে আমি ঐ জানলার পাশে বসে গাছপালা দেখা ভাঙা কাঁচের লোক। যাদের সব কিছুই ভাঙা। ভালোবাসা,ভালো লাগা, ব্যাক্তিত্ব,অস্তিত্ব সবই নড়বড়ে। তাই কখনো ইচ্ছে হয় না,জোর করে ট্রেনটাকে থামিয়ে দেবার। '
০১.০১.১৫
২|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:০৫
মূকতাদির সাকিন বলেছেন: ধন্যবাদ।
৩|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:২২
অনি বড়ুয়া বলেছেন: দারুণ লিখেছেন বস......
আমার মনের কথাগুলাই বলেছেন।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১০:৫৮
পলক শাহরিয়ার বলেছেন: ভাল লিখেছেন।