| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, আর যারা তা দেখে এবারের মেডিক্যাল এক্সামে সিলেক্ট হয়েছে -তাতে ক্ষতির কিছু হয়নি! যেটা হয়েছে সেটা হলো - "ইনজাষ্টিজ"! সবাই প্রশ্ন পেলে ভালো হতো! যেগুলো না টেকার সেগুলো প্রশ্ন মুখস্থ করেও টিকত বলে মনে হয়না।
যারা সিলেক্ট হয়েছে, তারা যে আগামী ৬/৭ বছর পড়াশোনা করে ভালো ডাক্তার হতে পারবে না- এটা আমি বিশ্বাস করিনা। তবে যেভাবে জাত গেল জাত গেলো রব উঠেছে, সেটা হাস্যকর। আমার খুব প্রিয় কিছু ফেসবুক সেলিব্রেটিরাও দেখছি একই কথা বলছেন। তাদের কথার সারমর্ম হলো, এবার যারা ভর্তি হয়েছে, তারা ডাক্তার হবেনা, হবে কবিরাজ। ব্যাপারটা এমনভাবে দেখা হচ্ছে, যারা ভর্তি পরীক্ষায় সততার সাথে উত্তীর্ণ হয়, তারা এক একজন আইনস্টাইন। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কিছু ছেলে পেলে কে চিনি যারা স্কুল কলেজে টপ করে, ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ এর মধ্য থেকে পরবর্তীতে ভর্তি হয়ে বাকী জীবন গাঞ্জা আর নবাবগঞ্জের ডাইল খেয়ে কাটিয়ে দিয়েছে।
পড়াশোনার আসল স্তর শুরু হবে এখন! সুতরাং চুরি করে ভর্তি হলেও এই ছেলেপেলেগুলোর মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার যোগ্যতাটুকু আগে থেকেই ছিলো, এখন শুধু চুরি ছ্যাঁচড়ামি বাদ দিয়ে পড়াশোনাটা ভালোভাবে করতে হবে!
তবে চুরি হওয়া প্রশ্নে পাশ করার মূল সমস্যা হল - এরা শুরুতেই শর্টকাট শিখে ফেলেছে, লং রানে যেটার প্রভাব হতে পারে ভয়াবহ। এখান থেকে তারা কীভাবে বের হয়ে আসবে সেটা তাদের ব্যাপার।
ডি আই জি সাহেব কালিহাতিতে নির্বিচারে গুলি চালাতে বলেছেন! দেশের অন্যতম বিদ্যাপীঠের সাবেক প্রধান ড. আনোয়াড় হোসেন বলেছেন, নোবেল কমিটির দীনহীণতায় নাকি আমাদের প্রাণপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী নোবেল পাননি! এদেশে এত চমৎকার সব কিউটের ডিব্বা টাইপ মানুষ আগে থেকেই আছেন, সুতরাং চুরি করা প্রশ্নে সুযোগ পেয়ে যারা ভবিষ্যতে ডাক্তারি করবেন - এদের চেয়ে বেশী কিউট তো আর হবেন না!
অযথাই এগুলো নিয়ে নিউজফিড গরম রাখার কোনো মানে নাই। তার চেয়ে বরং ৬৪০০ কোটি টাকা দিয়ে যুদ্ধবিমান কিনে আমাদের কি লাভ হলো সেটা নিয়েও কথা বলা যায়। বেসিক জিনিসের মধ্যে ঘাপলা রেখে আমরা কিনছি যুদ্ধবিমান। হায়রে দেশ, হায়রে দেশের মাথা!
২|
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৫৮
নাজমুল হাসান নাঈম বলেছেন: ভাইরে আমাদের দেশে সৎ ভাবে পরীক্ষা দিয়ে সৎ হয় - এমন উদহারণ কোথায়! আমি প্রশ্নপত্র ফাঁসের সম্পূর্ণ বিপক্ষে, তবে এটা নতুন কিছু না! আর মানুষ বিরোধিতা করলে ফাঁসের বিরোধিতা করুক, কিন্তু এই ব্যাচের সবাই এক একটা চোর হবে এটাও বা কেমন কথা!
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৭
দরবেশমুসাফির বলেছেন: যারা সিলেক্ট হয়েছে, তারা যে আগামী ৬/৭ বছর পড়াশোনা করে ভালো ডাক্তার হতে পারবে না- এটা আমি বিশ্বাস করিনা। তবে যেভাবে জাত গেল জাত গেলো রব উঠেছে, সেটা হাস্যকর।
যারা এখন ফাঁস প্রশ্ন পেয়ে পরীক্ষা দিয়েছে তারা যে ভবিষ্যতে পেশাগত জীবনে সৎ থাকবে কিভাবে আশা করেন???
পড়াশোনার আসল স্তর শুরু হবে এখন! সুতরাং চুরি করে ভর্তি হলেও এই ছেলেপেলেগুলোর মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার যোগ্যতাটুকু আগে থেকেই ছিলো।
হ্যাঁ কিন্তু মানুষ হওয়ার যোগ্যতা ছিল না।