| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শাশ্বত শান্তির যারা তারাও যুদ্ধে আসে
অবশ্য আসতে হয় মাঝে মধ্যে
নৈতিকতার প্রগাঢ় আহবানে ...
দেশে নেই বলে আসতে পারলামনা শাহবাগে কিন্তু সমগ্র অন্তঃকরণে, মনে ও মননে আছি "শাহবাগ ঘোষণা"র সাথে সহমত হয়ে! ছাত্রলীগের এই আন্দোলনের সাথে যুক্ত হওয়া নিয়ে কিছুটা অসস্থি আছে কিন্তু আমি বলব তারা আসুক সমস্যা নেই....মিছিলের সব হাত , কন্ঠ , পা এক নয় , সেখানে সংসারী থাকে , সংসার বিরাগী থাকে , কেউ আসে রাজপথে সাজাতে সংসার , কেউ আসে জালিয়ে বা জালাতে সংসার, কেউ আবার যুদ্ধবাজ হয়ে যায় মোহরের প্রিয় প্রলোভনে ....
ছাত্রলীগের "মোহরের প্রিয় প্রলোভন " হচ্ছে এই বিচারকে প্রলম্বিত করে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া ! এখানেই আমি চিন্তিত ! পাছে এই আন্দোলন-ও "সাগর-রুনির বিচার" নিয়ে ব্লগার ও সাংবাদিকদের করা আন্দোলনের মত কয়েকদিন পরেই স্থিমিত হয়ে যায়! কারণ আমরা দেখেছি ইনু, সাজেদার মত দুমুখী সাপ "যারা চোরকে বলে চুরি কর আর গৃহস্তকে বল পাহারা দাও " টাইপের চরিত্র ধারণ করে , তারা এসে আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে ।দুদিন পর তারাই হয়ত ধারাবাহিক আন্দোলনের কথা বলে এই আন্দোলনকে স্থিমিত করে দেবে , তারা চাইবে এই বিচারকে প্রলম্বিত করে আগামী নির্বাচনেও একে ইসু হিসেবে বেবহার করতে ! তাই এই আন্দোলনের মূল উদ্যোক্তা ব্লগার ও অনলাইন একটিভিস্টদের কাছে দাবি , "শাহবাগ ঘোষণা " র বাস্তবায়ন ছাড়া শাহবাগ ছেড়ে যাওয়া যাবেনা ! ১৯৭১ -এ রাজাকারেরা যেমন পাক সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছিল তেমনি ছাত্রলীগ-ও যেন এই ফেসিস্ট সরকারের এজেন্ডা যা হলো ১) বিচারকে প্রলম্বিত করে আগামী নির্বাচনে ইস্যু হিসেবে কাজে লাগানো ২) জামাতের সাথে আঁতাত করে শাস্থি কম করার ( ফাসির বদলে যাবজ্জীবন) বেবস্থা করা , এই দুই এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা করবে ।! আর যদি দাবি আদায় ছাড়া ঘরে ফিরে যাওয়া হয় তাহলে সরকারের দালাল ছাত্রলীগই আবির্ভূত হবে ২০১৩ -র মুক্তিযুদ্ধের রাজাকার হিসেবে!
রাজাকার নিপাত যাক!
বাংলাদেশ চিরজীবি হোক !!
©somewhere in net ltd.