| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অপলক
তত্ত্ব, তথ্য ও অনুভূতি ভাগাভাগি করা আমার অভিপ্রায়। কারও যদি ইচ্ছে হয় তবে যে কেউ আমার এই ব্লগের যে কোন কিছু নিজের সংগ্রহে রাখতে পারে।
একটা মানুষ কতটা নির্লজ্জ হতে পারে, সেই সাথে ক্ষমতার+ টাকার+ সরকারী সুবিধাদী পাবার কাঙ্গাল হতে পারে, চুয়েটের ভিসি (Vice-Chancellor) কে না দেখলে জানতেই পারতাম না। এতদিন শুধু লোভী বলে বুবু কে দোষ দিয়েছি। আফসোস...
একজন বরেণ্য শিক্ষাবিদ (MSc in Electronics and Communication Engineering (ECE), Doctorate (Ph.D.) degree in an engineering discipline ), দেশের একজন আইকন (Pro-Vice-Chancellor of KUET + Community Leader + Member of IEB), যাকে একজন দুজন নয়, শত শত শিক্ষক এবং হাজার হাজার চুয়েটের শিক্ষার্থী চায় না। যার অপরাধের চাক্ষুস প্রমান সোসাল মিডিয়াতে প্রচার হচ্ছে, তবুও তার হুস হয় না। এক বিবেগহীন, নির্লজ্জ, কুশিক্ষিত অচেতন ব্যক্তি একটা প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়কে কি দিতে পারে। কি আশা করা যায়!!!
সরকার তার মধ্যে কি এমন পেল যে, ছাত্র সমাজ + শিক্ষক সমাজ এমন কি বহু বিজ্ঞজনের কথাও সরকার আমলে নিচ্ছে না? অবশ্য একজন কলেজ পড়ুয়া প্রধান মন্ত্রী এসবের মর্ম কি বুঝবে!!! আমাদের মহামান্য আদালত কেন নিশ্চুপ? গন আওয়াজ, গন অধিকার কি তবে জানুয়ারীর গনভোটে নতুন করে মারা গেছে?
আমি ব্যক্তিগত ভাবে ড. শরীফুল আলম উপাচার্যকে বলব: আপনি বাঙ্গালি জাতির একজন কলঙ্ক, শিক্ষক হিসেবে, মানুষ হিসেবেও। থাকুন উপাচার্যের চেয়ারে বসে। মাসোহারা পাবেন, সম্মান নয়। স্মৃতি থাকবে, ভালবাসার নয়। সরকার আপনাকে বসিয়েছে তার প্রয়োজনে, ঝেটিয়ে বিদায় দেবে একই কারনে। মাঝখান থেকে লোভে পরে জীবনের সকল অর্জন বিসর্জন দিয়ে ফেললেন । আপনি ড. জাফর ইকবালের চেয়েও এক ধাপ এগিয়ে। দু:খিত, ভাল কোন সমবেদনা জ্ঞাপন করতে পারলাম না।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সরকারের একদম নাক কাটা গেল।