নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি সাদামাটা মানুষ। ভালবাসার কাঙ্গাল। অল্পতেই তুষ্ট। সবাই আমাকে ঠকায়, তবুও শুরুতে সবাইকে সৎ ভাবি। ভেবেই নেই, এই মানুষটা হয়ত ঠকাবেনা। তারপরেও দিনশেষে আমি আমার মত...

অপলক

তত্ত্ব, তথ্য ও অনুভূতি ভাগাভাগি করা আমার অভিপ্রায়। কারও যদি ইচ্ছে হয় তবে যে কেউ আমার এই ব্লগের যে কোন কিছু নিজের সংগ্রহে রাখতে পারে।

অপলক › বিস্তারিত পোস্টঃ

যাদের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা: তাদের জন্যে আজকের পোস্ট

১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮

এমন এক সময় ছিল, ছেলে বা মেয়ে ডিভি লটারীতে স্বপ্নের দেশে গেছে, বাপ মায়ের পাড়া প্রতিবেশী গর্বে কথা বলাই মুশকিল। সেখানে গিয়ে OC(Office Cleaner) নাকি DC(Dish Cleaner) হবে তার নাই ঠিক। কিন্তু মাটিতে পা পরে না। সেকাল পেরিয়ে একালে ব্রেইন ড্রেন হয় বেশি, পেইড স্কলারশীপেও মানুষ যাবার জন্য পাগল। বিয়ের বাজারে এভাবে যোগ্যতা দেখা হয়, পাত্র কি করে? আমেরিকায় থাকে। ব্যাস.. আর কিছু লাগে না।



যাইহোক, আজ সেসব কথা বলে আর সময় নষ্ট না করি। আজকে নোট রাখবো এবং শেয়ার করব নেতিবাচক দিক দিয়ে আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্র) সর্ব বিষয়ে কতটা এগিয়ে।

শিশু নিখোঁজ: আমেরিকায় প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৪,৬০,০০০ শিশু নিখোঁজ বা হারিয়ে যাওয়ার তথ্য এফবিআই (FBI)-এর ন্যাশনাল ক্রাইম ইনফরমেশন সেন্টার (NCIC) এবং বিভিন্ন শিশু সুরক্ষা সংস্থায় জমা পড়ে। সেতুলনা বাংলাদেশে ১ বছরে মাত্র ১৫০০ জন প্রায়।

অপমৃত্যুর সংখ্যা: আমেরিকায় গড়ে প্রতিবছর কত লোক খুন হয় শুনলে চোখে ঝাপসা দেখি। সংখ্যাটা হল প্রায় ২০,০০০ মানুষ। অন্যদিকে প্রায় ৪৯হাজার মানুষ প্রতিবছর সুইসাইড করে। রোড এক্সিডেন্টে প্রায় ৩৯হাজার জন মারা যায়। সেরা দেশ অপমৃত্যুর বিশাল সংখ্যাতেও সেরা।

নারী ধর্ষণ: আমেরিকায় প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৪,৪০,০০০ (চার লাখ চল্লিশ হাজার) নারী ধর্ষণ ও গুরুতর যৌন নিপীড়নের (Rape and Sexual Assault) শিকার হন। আবার আমেরিকায় গড়ে প্রায় প্রতি পাঁচজন নারীর একজনই জীবনে কোনো না কোনো সময় ধর্ষণের শিকার হন। এর মধ্যে ১৮ বছরের আগেই প্রতি ৫ জনের ৩ জন নারী ধর্ষণের শিকার।

গৃহহীনের সংখ্যা: বৈধ আমেরিকানদের মধ্যে ২০২৬ সালে প্রায় ৮ লাখ মানুষ গৃহহীন, যারা রাস্তায়, ফুটপাত, পার্ক, পরিত্যাক্ত ভবন বা বিভিন্ন ব্রীজ বা নোংরা জায়গায় থাকে।

বেকারত্ব: আমেরিকায় ২০২৬ এ বেকারের সংখ্যা প্রায় ৭১ লাখ ১০ হাজার (৭.১১ মিলিয়ন)। বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার ৪.২ শতাংশ। বাংলাদেশে বেকারত্বের হার ৩.৬৬%। তবুও দেশের বেকাররা আমেরিকায় ছোটে। ২০ থেকে ৪০ লাখ টাকা খরচ করে সোনা চান পাখি, আমেরিকায় যাও। বেশি করে যাও।

ঋণখেলাপীর অনুপাত: আমেরিকায় ৩৪ কোটি মানুষের মধ্যে ছোট বা বড় মাপের ঋণখেলাপীর অনুপাত ২০%। অর্থাৎ প্রতি ৫ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে ১ জন ঋণখেলাপী সেখানে বাস করে। যারা আমেরীকার প্রবাসী বা আমেরিকান প্রবাসী তারা এই হিসেবের মধ্যে নেই।

পর্ন ইন্ডাস্ট্রী: আমেরিকায় পর্ণ বা অ্যাডাল্ট বিনোদন শিল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১ লাখেরও (১,০০,০০০) বেশি মানুষ কাজ করেন। নিবন্ধিত সক্রিয় পর্ণ পারফর্মার বা অভিনয়শিল্পীর সংখ্যা আনুমানিক ২২,০০০ জন। তবে ডিজিটাল মিডিয়া এবং সেলফ-কনটেন্ট প্ল্যাটফর্ম এ হিসেবের বাইরে। আমেরিকায় এই খাতটি বার্ষিক প্রায় ১৫ বিলিয়ন (১,৫০০ কোটি) ডলারের একটি বিশাল বাজার। বৈধ ব্যবসা হিসেবে এটি ফেডারেল সরকারকে প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার ট্যাক্স বা কর প্রদান করে থাকে।

যৌনপল্লী ও যৌনকর্মীর সংখ্যা: রেজিস্টার্ড যৌনপল্লীর (Brothel) সংখ্যা ১৯টি, যেখানে বৈধভাবে প্রায় ৫০০ জন নিবন্ধিত যৌনকর্মী কাজ করেন. তবে এই আইনি সীমানার বাইরে, পুরো দেশজুড়ে অবৈধ বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রায় ২০ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যৌনপেশার সাথে জড়িত রয়েছেন।

HIV positive patients: আমেরিকার CDC(Centers for Disease Control and Prevention) এবং HIV.gov লিস্টটেড রুগীর সংখ্যা প্রায় ১২ লক্ষ। বাংলার সোনার ছেলেরা, যাও আমেরিকায়। ওপেন সেক্সের দেশে। HIV পজিটিজ কোন ফাকে হবে, বুঝবাই না।

নেশাবস্তু বা Narcotic: আমেরিকায় ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে বর্তমানে প্রায় ৪ কোটি ৪৬ লাখ (৪৪.৬ মিলিয়ন) মানুষ মারাত্মকভাবে নেশাগ্রস্ত বা সাবস্ট্যান্স ইউজ ডিসঅর্ডারে (SUD) ভুগছেন। উন্নত দেশ হওয়া স্বত্তেও সেখানে নেশাবস্তুর ছড়াছড়ি। মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করতে দেশটি হিমসিম খায়।

চিকিৎসা ব্যবস্থা: আমেরিকায় যথাযথ সময়ে চিকিৎসা না পেয়ে প্রতি বছর গড়ে ৪৫,০০০ মানুষ মারা যান। চিকিৎসা সেবাও অত্যান্ত ব্যয় বহুল। অনেকেই ব্যয় বহন করতে পারে না বা সময় মত বীমার ব্যবস্থা হয় না। বাংলদেশে ক্যান্সার এবং কিডনি চিকিৎসায় প্রতি ৫ জন রুগীর ৩ জন চিকিৎসা খরচ কুলাতে না পেরে চিকিৎসা নেয়া বন্ধ করে মারা যায়। বিশ্বখ্যাত U.S. News & World Report-এর সর্বশেষ বৈশ্বিক সূচক অনুযায়ী, চিকিৎসা ব্যবস্থা, জনস্বাস্থ্য প্রস্তুতি এবং গড় আয়ুসহ সামগ্রিক স্বাস্থ্য মানদণ্ডে ১০০টি দেশের মধ্যে আমেরিকার অবস্থান ৩৩তম।

শিক্ষা: আমেরিকায় প্রাইমেরী স্কুল ও সেকেন্ডারীশিক্ষার মান বৈশ্বিক সূচকে ২০ থেকে ৩১তম স্থানের মধ্যে ওঠানামা করে। কিন্তু উচ্চতর বা ডক্টরেট ডিগ্রীর ক্ষেত্রে প্রথম। কারন বেশির ভাগ মেধাবীরা অন্য দেশ থেকে আসা। নেটিভ আমেরিকানরা পড়ালেখায় পারদর্শী নয়। মজার কথা হল, আমেরিকায় প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের মধ্যে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ সম্পূর্ণভাবে পড়তে বা লিখতে পারেন না, অর্থাৎ তারা সম্পূর্ণ নিরক্ষর।

ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল: সক্রিয় ট্রায়ালের সংখ্যা: যুক্তরাষ্ট্রে যেকোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজারটি সক্রিয় (Active বা Ongoing) ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলমান থাকে। বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব: ২৮%। এই বাজারের পরিধি এত ব্যাপক যে, সেখান থেকে ৪৬.২ বিলিয়ন (৩,০৮০ থেকে ৪,৬২০ কোটি) ডলার আমেরিকায় ঢোকে। আশ্বর্যের ব্যাপার হল, ওরা ধান, গম, ভুট্রা, কলার সহ অসংখ্য খাদ্যের জিনোম কোড পরিবর্তন করে সেগুলা সারা পৃথিবীতে রপ্তানি করে। সেগুলো গ্রহন করে মানুষ ক্যান্সার, কিডনি রোগ, ডায়াবেটিকস সহ নানা অনাকাঙ্খিত রোগের সুচনা হয়। আবার সেসব রোগের প্রতিরোধক ওষুধ তারাই সাপলায় দেয়। দারুন না ব্যাপার টা?

বেকারত্ব: মার্কিন শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BLS) সর্বশেষ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর অফিশিয়াল ডাটা অনুযায়ী, দেশের সামগ্রিক কর্মসংস্থান পরিস্থিতি যথেষ্ট খারাপ। বর্তমানে বৈধ স্থায়ী নাগরিকের মধ্যে বেকারের সংখ্যা প্রায় ৭১ লাখ ১০ হাজার (৭.১১ মিলিয়ন)। কাজেই যারা কাজের আশায় আমেরিকায় যেতে চাও, তারা দুবার ভেবো।

খাদ্যাভাব: আমেরিকায় (যুক্তরাষ্ট্রে) ২০২৫এ প্রায় ৪ কোটি ৭৯ লাখ (৪৭.৯ মিলিয়ন) মানুষ খাদ্য কষ্টে বা খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় (Food Insecurity) ভুগছেন। সংখ্যার হিসাবে এটি দেশটির প্রতি ৭ জন নাগরিকের মধ্যে প্রায় ১ জন। বর্তমানে সরকারী খরচ কমিয়ে আনায় এবং দাতা সংস্থা প্রজেক্ট বন্ধ করায় খাদ্য কষ্ট আরও প্রকট হয়েছে। তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বা খাদ্য কষ্টে আছে। কারন হল, প্রাকৃতিক দূর্যোগ, সরকারী পন্য আত্মসাত এবং ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস।

সুখী দেশের তালিকায় আমেরিকার অবস্থান: ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৬ (World Happiness Report 2026) অনুযায়ী, বিশ্বের সুখী দেশের তালিকায় আমেরিকার অবস্থান ২৩তম। আমার কাছে এই সংখ্যাটিও অবিশ্বাস্য মনে হয়। কারন এত এত নেগেটিভ উপাত্ত থাকার পরেও একটা দেশের মানুষ কি করে সুখী হতে পারে?

পাসপোর্টের অবস্থান: বিশ্বব্যাপী পাসপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা ও শক্তির দিক থেকে আমেরিকার (যুক্তরাষ্ট্র) অবস্থান ২০২৬ এ ১০ম। অথচ তারা সারা দুনিয়ায় মোড়লগিরি করে। আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে অনেক দেশ বড় ভাইয়ের জায়গায় বসিয়েছে।

কতটি যুদ্ধের সাথে জড়িত: আমেরিকা ১৭৭৬ সালের স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত ৩৬টিরও বেশি বড় ধরনের যুদ্ধ এবং প্রায় ৪৭০টির মতো সামরিক হস্তক্ষেপে (Military Interventions) জড়িয়েছে। ) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিগত প্রায় আড়াইশো বছরের ইতিহাসের মধ্যে আমেরিকা মাত্র ২২ থেকে ২৩ বছর সম্পূর্ণ শান্তিতে কাটিয়েছে। অর্থাৎ, নিজেদের অস্তিত্বের প্রায় ৯১% থেকে ৯২% সময়ই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো না কোনো যুদ্ধ বা সামরিক অভিযানের সাথে যুক্ত ছিল। বস্তুত: তারা যুদ্ধ লাগায় এবং সেই যুদ্ধ থামাতে সহযোগিতার হাত বাগিয়ে সুবিধা আদায় করে। তারা যুদ্ধকে ব্যবসার অংশ হিসেবে দেখে। যেমন, কুয়েত থেকে তারা তেল কিনত। ইরানে যুদ্ধ লাগিয়ে এখন কুয়েত আমেরিকা থেকে তেল কেনে। আবার বিশ্ব মহামারীতেও তারা ব্যবসা করে। যেমন, করোনা সময়ে, তারা ভ্যাকসিন সহ অনেক নিত্যা প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক্সের দাম বাড়িয়ে দিয়েছিল।

যুদ্ধ থেকে কত উপার্যন করে: বিশ্বের মোট অস্ত্র বাজারের প্রায় ৪০% এরও বেশি এককভাবে আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে। আমেরিকা সরাসরি যুদ্ধ পরিচালনা করে রাষ্ট্র হিসেবে মুনাফা বা অর্থ উপার্জন করে না, বরং যুদ্ধ ও বৈশ্বিক সংঘাতের কারণে আমেরিকার বেসরকারি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ (Defense Contractors) এবং জ্বালানি কোম্পানিগুলো ট্রিলিয়ন ডলার উপার্জন করে।

বিশ্বে নৈরাজ্য বা অশান্তি সৃষ্টিতে আমেরিকার অবস্থান কত: আমেরিকার নিজস্ব নিকটতম মিত্র দেশ যেমন কানাডা (৩৭%) এবং অস্ট্রেলিয়া (৩০%)-র সাধারণ মানুষের মতে, বিশ্বের শান্তি বিঘ্নিত করার পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই এক নম্বর দায়ী। স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রের ৫৫% নাগরিক মনে করেন যে তাদের নিজেদের দেশই বিশ্বশান্তির অন্যতম বড় হুমকি।

জীবানু অস্ত্র: ১৯৭২ সালের আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী আমেরিকা কোনো জীবাণু অস্ত্র তৈরি বা যুদ্ধের জন্য জমা রাখছে না, তবে সম্ভাব্য যেকোনো বিশ্বযুদ্ধ বা জৈব আক্রমণ থেকে বাঁচতে তারা বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রতিরক্ষামূলক প্রযুক্তির অধিকারী। অর্থাৎ জীবানু দিয়ে জীবানু প্রতিহত করার সামর্থ্য আছে। AI সে সব সংরক্ষিত উপাত্ব দিয়ে যাতে কোন অস্ত্র না তৈরী করতে পারে, তাই আমেরিকার সামরিক বাহিনী তাদের জৈব প্রতিরক্ষা নীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। এর দ্বারা জীবানু অস্ত্রের ব্যাপারে ওরা বিশ্বকে কি বোঝালো আমি ক্লিয়ার না।

পারমানবিক অস্ত্র : সর্বশেষ আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা যেমন স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SIPRI) এবং বুলেটিন অব দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস (Bulletin of the Atomic Scientists)-এর ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকার (যুক্তরাষ্ট্র) কাছে সর্বমোট ৫,০৪২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড (Nuclear Warhead) বা পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে যা পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি এবং মানবজাতিকে ৭ বার নতুন করে ধ্বংস করা সম্ভব। ৫,০৪২টার মধ্যে প্রায় ১,৩৪২টি পারমাণবিক অস্ত্র বর্তমানে অকেজো বা অবসরপ্রাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে, যা ধ্বংস বা নিষ্ক্রিয় করার (Dismantlement) অপেক্ষায় তালিকায় রয়েছে।

কতটি সাটেলাইট: মহাকাশে সচল বা সক্রিয় স্যাটেলাইটের (কৃত্রিম উপগ্রহ) সংখ্যার দিক থেকে আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্র) বিশ্বের মধ্যে ১ম স্থানে রয়েছে এবং বর্তমানে দেশটির আকাশে ১২,৫০০টিরও বেশি সচল স্যাটেলাইট পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরছে। বর্তমানে কক্ষপথে প্রায় ৩,০০০টি সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় বা মৃত স্যাটেলাইট ঘুরছে, যেগুলোর একটি বড় অংশই আমেরিকান সরকারের। বলা হয়, আমেরিকার যে কোন নদী যতনা দূষিত, তার চেয়ে মহাকাশের কক্ষপথ বেশী দূষিত।

গ্রীন হাউজ ইফেক্ট: গ্রীন হাউস ইফেক্ট (Greenhouse Effect) এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের (Global Warming) জন্য প্রাক-শিল্পায়ন যুগ থেকে আজ পর্যন্ত আমেরিকা একক দেশ হিসেবে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দায়ী। ১৮৫০ সাল থেকে আজ পর্যন্ত মানবজাতি বাতাসে যে পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড ছেড়েছে, তার প্রায় ২০% (এক-পঞ্চমাংশ) এককভাবে ছেড়েছে আমেরিকা। সংখ্যার হিসাবে এটি ৫০০ বিলিয়ন (৫০,০০০ কোটি) টনেরও বেশি CO₂ যা বাংলাদেশের তুলনা আনুমানিক ১৮২ গুন বেশী।

বৈধ নাগরিকের নাগরিকত্ব ত্যাগের পরিসংখ্যান: বিগত ৫ বছরে (২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে) আনুমানিক ৯ লাখ বৈধ মার্কিন নাগরিক স্থায়ীভাবে আমেরিকা ত্যাগ করেছেন। শুধু ২০২৫ সালেই রেকর্ড সংখ্যক প্রায় ১,৮০,০০০ মার্কিন নাগরিক পাকাপাকিভাবে দেশ ছেড়ে অন্য দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। আবার ২০২৬ সালে বিতাড়িত হওয়া অভিবাসীর সংখ্যা ২২ লাখ। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪৪ লাখ থেকে ৫৫ লাখ মার্কিন নাগরিক প্রবাসী হিসেবে বাস করছেন বিভিন্ন দেশে।


সব তথ্য আমেরিকার বিভিন্ন সাইট থেকে নেয়া। নেট ঘাটতে ঘাটতে হাফিয়ে গেছি। আজ এ পর্যন্তই। শেষে শুধু বলব, লাখ লাখ টাকা খরচ করে প্রবাসী হবার চেয়ে দেশেই কিছু করে দেখানোর চিন্তা করা দরকার।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৫২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:


সুযোগ দিলে বাংলাদেশের কয়েক কোটি মানুষ আজই আমেরিকা চলে যাবে।

২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৬

নিমো বলেছেন: আপনি কি সম্প্রতি ভিসা প্তত্যাখ্যাত হয়েছেন? আপনার পছন্দের ইউনূস ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তাঁবেদারি নিয়েও একটা পোস্ট দিয়েন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.