| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নর্দমার কিট
নিজেকে খুজে ফিরি বাহিরে ভিতরে,বাস্তবে অবাস্তবে,শহরে অরণ্যে।এই খোজা-খুজিতেই দিনগুলো কেটে যাচ্ছে আর হ্যাঁ যতদিন নিজেকে খুজে না পাই ততদিন,আমি আমিই।
কেউ মারা গেলে তার জন্য কান্নাকাটি করার মানুষের সংখ্যা নির্ভর করে মানুষটি কতটা দরকারি ছিল তার উপর।পুরোটাই স্বার্থ নির্ভর।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটি মারা গেলে কান্নার প্যাটার্ন হবে একরকম।একবারে হাউমাউ-আর্তনাদ পুরো গ্রাম মাথায় তুলা কান্না।প্রবাসী উপার্জনক্ষম ছেলেটি মারা গেলেও একি কান্না হবে।কারণ এখানে পরবর্তী দিনগুলো পরিবারটি কি করে কাটাবে সে দুচিন্তা কান্নার বেগকে আরও বাড়িয়ে দিবে।
৬০ ঊর্ধ্ব বৃদ্ধ মারা গেলে কান্নার প্যাটার্ন হবে একরকম।এই প্যাটার্ন আবার দুভাগে ভাগ করা যায়।প্রথমটি যদি বৃদ্ধ তার সম্পত্তি তার সন্তানাদির মধ্যে বিলি বন্ঠন করে দেয় তাহলে কান্না কাটি চলবে গা ছাড়া ভাবে।স্থায়িত্ব হবে অত্যন্ত কম।
দ্বিতীয়টি বৃদ্ধ যদি তার সম্পত্তি ভাগ করে না দেয় তাহলে কান্নাকাটির মধ্যে একটা দুশ্চিন্তার ছাপ থাকবে।মৃতের বাড়িতে সন্তানাদির মধ্যে স্নায়ু যুদ্ধ চলবে।একসময় মৃতের থেকে ফোকাস সম্পত্তির দিকে চলে যাবে।
কেউ আত্মহত্যা করলে কান্নার মধ্যে ভিতি,মানুষিক চাপ,খাটি ইংলিশে যাকে বলে শক এই ব্যাপারটা কাজ করবে।প্রথম কয়েক মিনিট মৃতের অত্যন্ত কাছের মানুষ শক পেয়ে উন্মাদের মত কান্নাকাটি করবে।পরে ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।আলোচনা মৃত থেকে মৃত কেন আত্মহত্যা করলো এই দিকে চলে যাবে।এ অবস্থায় মৃতের আশেপাশে উৎসুক জনতার ভীর বেশী থাকে।দূর দুরান্ত থেকে লোক দেখতে আসে।বিষয়টা সার্কাসের পর্যায়ে চলে যায়।
শিশু মারা গেলে কান্না কাটি করার লোকের পরিমান একবারে হাতে গোনা হয়।মা,নানি আর দাদি সাধারনত এই তিন জনই কান্না কাটির দায়িত্বটা নেয়।শুনতে খারাপ লাগবে তাও বলি এখানে মানুষ মারা গেছে এই বিষয়টা একবারেই কাজ করে না,যা কাজ করে তা হচ্ছে পরিবারটা একটা পুতুল হারিয়ে ফেললো যা নিয়ে তারা প্রতিদিন খেলতো।শিশুর বয়স এবং কিউটনেস অনুযায়ী শোক দীর্ঘায়িত হবে।
১৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩২
নর্দমার কিট বলেছেন: আপনার সমালোচনা শিরোধার্য।এটা প্রজ্ঞাপন,এর থেকে বেশী কিছু না।প্রগার বস্তুবাদী দিক থেকে লিখাটা লিখেছি তাই ভাববাদটা উহ্য গেছে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:২৭
হাসান মাহবুব বলেছেন: লেখার মধ্যে অতি নেতিবাচকতা। এরকম হয়তো হয়, তবে সবখানে না। বিশেষ করে শিশুর মৃত্যুর ব্যাপারটা একেবারেই মেনে নিতে পারলাম না।