| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আস্সালামুআলাইকুম। আমি সামু ব্লগের সাথে যুক্ত আছি ২০০৯ সাল থেকে। মাঝে বেশ বড় একটা গ্যাপ হয়ে গেছে। বিভিন্ন চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আবার আসলাম লেখালিখির জগতে।
আমি মোটরসাইকেল চালাতে পারি ১৯৯৯ সাল থেকে। আমার বাবার একটা ইয়ামাহা মোটরসাইকেল ছিল সেটা দিয়েই হাতে খড়ি। তারপর ২০১০ এ এসে প্রথম নিজের টাকায় মোটরসাইকেল কিনি। তারপর থেকেই এই মোটরসাইকেল আমার নেশায় পরিণত হয়। আস্তে আস্তে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে আমার আনাগোনা শুরু হয়। মোটরসাইকেল নিয়ে প্রথম লম্বা ট্যুরে বের হই ২০১৪ সালে। গন্তব্য ছিলো চট্টগ্রাম। প্রিয় মেশিনটার জন্য অনেক কিছুই করতাম কিন্তু কখনো নিজেকে স্যাটিসফাই করতে পারতাম না। সবসময় মনে হতো নিরাপত্তা ঠিক মতো দেয়া হচ্ছে না। রাতে ঘুম খুব অল্প হতো। কোথাও গিয়েও শান্তি পেতাম না। কারণ ২০১৫ - ১৬ সালের দিকে হুট্ করে মোটরসাইকেল চুরি অনেক বেড়ে যায়। বিভিন্ন গ্রুপে, নানা জনের পরামর্শে ২০১৬ সালে খোঁজ পাই Tasslock এর। তারা ক্লেইম করে এটা মিলিটারী গ্রেড মোটরসাইকেল সিকিউরিটি। তো শো রুমে কথা বলার পর আমি Tasslock এর প্রথম মডেলটা বাইকে ইন্সটল করি। সত্যি বলতে এরপর আর মোটরসাইকেল এর নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে হয় নি। আমার মোটরসাইকেল মাস্কট প্লাজা থেকে একবার চুরি ঠেকিয়ে দিয়েছিলো Tasslock। তারপর আরেকদিন যমুনা ফিউচার পার্কে বাইকের চাবি ফেলে চলে গিয়েছিলাম। ১ ঘন্টা পর কোমরে হাত দিয়ে আত্মরাম খাঁচাছাড়া হয়ে গিয়েছিলো। দৌড় দিয়ে বাইকের কাছে এসে দেখি আমি না থাকা সত্ত্বেও মূল চাবি দিয়ে বাইক স্টার্ট করতে পারেনি চোর। আসুন Tasslock এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করি।
১। অটোমেটিক ইম্মোবিলাইজার: মোটরবাইকের চাবি অফ করার সাথে সাথে ইঞ্জিন ইম্মোবিলাইজ হয়ে যায়। মূল রিমোট বাইকের ৫ মিটারের মধ্যে না থাকলে মূল চাবি দিয়েও স্টার্ট করা যায় না। প্রথম ইন্সটল করার পরদিন আমার ঘাম ছুটে গিয়েছিলো।
২। উচ্চ শব্দের এলার্ম: যদি কেউ বাইক টাচ করে বা চুরি করার চেষ্টা করে তাহলে বাইকে ১২৫ ডেসিবেল এর এলার্ম বাজে। সাথে রিমোটে এলার্ম ও ভাইব্রেশন হয়। মাস্কট প্লাজার ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় আমার রিমোটে ক্রমাগত এলার্ম আসে। পরে আমি নিচে এসে দেখি একটা ছেলে বাইকে বসে ইগনিশন দেয়ার চেষ্টা করছে।
৩। বাইক ও রিমোট মোবাইলের মতোই সাইলেন্ট করা যায় যাতে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং বা নামাজের ব্যাঘাত না ঘটে।
৪। সবচাইতে মজার ফাংশন হচ্ছে মূল চাবি ছাড়াই বাইক চালানো যায়।
৫। ডিসট্যান্স লক এর দূরত্ব চেঞ্জ করা যায়। আমি আমার পছন্দ মতো দূরত্ব সেট করতে পারি ১ - ৫ মিটার এর মধ্যে।
৬। অ্যালার্ম রেঞ্জ প্রায় ৫০০ মিটার। এডিশনাল GPS লাগিয়ে নিলে মোবাইলে কল ও আসে।
৭। একটা স্মার্ট লুক আছে রিমোটের।
এছাড়াও আরো অনেক ফিচার আছে যা মোটরসাইকেলকে নিরাপদে রাখে। আজকে এই পর্যন্তই। আগামী ব্লগে সিকিউরিটির বিস্তারিত আলোচনা করবো।
আল্লাহ হাফেজ।
২|
২৮ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ১২:২০
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: লিখার জন্য ধন্যবাদ। আগামী লিখা যেন আবার ১১ বছর পর না আসে সে দিকে লক্ষ্য রাখার অনুরোধ থাকছে। ![]()
২৯ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ১২:৫১
ফুনসুখ ওয়াংড়ু বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। এবার ইনশাআল্লাহ গ্যাপ পড়বে না। সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো নিয়মিত লিখার।
৩|
২৮ শে অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:০৫
সৈয়দ মোজাদ্দাদ আল হাসানাত বলেছেন: আমার মোটর সাইকেল নাই, এ লকটা ব্যবহার করার জন্য মটর সাইকেল কিনতে ইচ্ছা করছে ।
২৯ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ১২:৫৩
ফুনসুখ ওয়াংড়ু বলেছেন: ভাইয়া মোটরসাইকেল একটা ভালোবাসা। যে একবার এর প্রেমে পড়েছে তাকে কোনোভাবেই ফেরানো সম্ভব না।
৪|
২৮ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ১১:৪৪
রাজীব নুর বলেছেন: মোটরসাইকেল ওলারা দুষ্ট হয়। তাঁরা কোনো নিয়ম মানে না। এজন্য তাদের আমি পছন্দ করি না।
২৯ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ১২:৫৫
ফুনসুখ ওয়াংড়ু বলেছেন: ভাইয়া এখানেই বাইকার ও রাইডার এর মধ্যে পার্থক্য। একজন বাইকার কখনোই নিয়ম অমান্য করবেন না। আমরা যখন রাইড করি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিয়েই করি। DOT সার্টিফাইড বা ECE সার্টিফিকেশন ছাড়া হেলমেট ব্যবহার করি না। এমনকি এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে রিক্সায় উঠতে গেলেও মাথায় হাত চলে যায় হেলমেট এর জন্য।
৫|
০১ লা নভেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৪৯
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ২০০২/৩ সালের দিকে মাত্র কলেজ পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যায়ে উঠেছি। আমার ছোট চাচার একটা ডেটাবেইজের কাজ করে দিয়ে ৭৫০০০ টাকা কামিয়ে আমার পকেট গরম গরম অবস্থা। আলো কিছু টাকা কালেকশান করে বাংলা মোটরের উত্তরা মোটরস এর শোরুম থেকে প্রথম মডেলের বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি কিনে ফেললাম ৯৩,৫০০টাকা দিয়ে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য আরো ১৫ হাজার দিতে হলো। সমস্যা হলো ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই, চালাতেও জানি না। দু'দিনের মধ্যে বন্ধু কে নিয়ে মিরপুরের স্টাফ কোয়ার্টার আর বর্তমান র্যাব ৪ এর অফিস এরিয়ায় বাইক চালানো শেখা হলো। এর পর আমাকে আর পায় কে! কলেজ যাওয়া ছাড়া আর কোন প্রয়োজন না হলেও তিন বছরের মধ্যে প্রায় ২৫ হাজার কিলো চালানো হয়ে গেলো। বহু স্মৃতি জড়িয়ে আছে, আজও অনেক কিছু মনে পড়ে। সময় করে একদিন বিস্তারিত লিখবো আশা করছি। আমার সময় অবশ্য এতকিছু নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিলো না। শুধু লকই ভরসা। ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ১২:১৮
উদারত১২৪ বলেছেন: হুম