| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাকিবুল ইসলাম প্রতীক
আমি রাজনীতি অপছন্দ করি না,কারন আমি গনতন্ত্রে বিশ্বাস করি।
আজকালকার দুনিয়ায় স্টার,বুদ্ধিজীবি,বিশ্লেষকদের সংখ্যা প্রচুর।এত বুদ্ধিজীবিদের ভিতরে নিজের আলাদা জায়গা করে নেওয়ার জন্য ভিন্নধর্মী কিছু করা অত্যাবশ্যক।অনেকেই বেছে নেয় নাস্তিকতাকেও।
যার যার বিশ্বাস তার তার কাছে,যদি কারোর ধর্মে বিশ্বাস না থাকে ,সেটা তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার।কিন্তু অন্যদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা খুবই ন্যাক্কারজনক কাজ।আজকের দুনিয়ায় কোন কিছুই গোপন থাকে না।অনেকেই ব্লগিং জগতে বা সামাজিক মাধ্যম গুলোতে নিজেদের প্রোফাইলে ইসলাম নিয়ে,নবীজিকে নিয়ে অনেক কটূক্তি করেন,এর কারণ কি?আমার কাছে এর একটাই কারণ আছে বলে মনে হয়।সস্তা পরিচিতি লাভ।
আসিফ মহিউদ্দীনের নাম আমি প্রথম জানতে পারি গত বছর,একজন বন্ধু তার একটা স্ট্যাটাস শেয়ার করে এবং অনুরোধ করে তাকে রিপোর্ট করতে।সেই স্ট্যাটাসে তিনি রাসুল(সাঃ) কে নিয়ে কটূক্তি করেছিলেন।আমার মত অনেকের কাছেই তার পরিচয়,ওটাই।তিনি নাস্তিক।উনি নিজের কাছে হয়ত সঠিক,কিন্তু আমরা যারা ধর্মে বিশ্বাস করি,তাদের কাছে তিনি ঘৃণ্য।সেইসাথে পরিচিতও বটে।আলাদা করে পরিচিতি পাওয়ার মত তার কোন যোগ্যতা আছে বলে আমার মনে হয়না,কিন্তু নাস্তিকতা দিয়ে তার পরিচিতি বেড়েছে,এতে কোন সন্দেহ নেই।উনি ও উনার মত যারা ইসলামকে নিয়ে কটূক্তি করেন তারা নিশ্চয়ই নিজেদের ভদ্রলোক ভাবেন।একজন ভদ্রলোক কখনই অন্যের অনুভূতিকে আঘাত করে না।তাই তাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে,বিশ্বাস না থাকলে সমস্যা নেই,কিন্তু যাদের আছে,তাদেরকে আঘাত করবেননা।
২|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২৩
হাসানুল বান্না পথিক বলেছেন: ভাইরে এদের একটা পরিচয় দরকার। সেটা সস্তা না দামি এইটা দেখার টাইম আছে নাকি।
৩|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩৯
রাকিবুল ইসলাম প্রতীক বলেছেন: আসলেই
৪|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:২২
সংগ্রামী অলস বলেছেন: 'নাস্তিক' আর ইসলাম বিদ্ধেষীর মধ্যে অবশ্যই পার্থক্য আছে। 'থাবা বাবা' কে আমি নাস্তিক বলতে রাজি নই। সে ইসলাম বিদ্ধেষী। এতগুলো মানুষকে যারা বোকা বানাল, যারা সত্য লুকাল তাদেরই বড় একটি অংশ শাহবাগে নেতৃত্ব দিচ্ছে বলে মনে করি। তারা একি সাথে 'থাবা বাবার আদর্শ' আর শাহবাগে চেতনাধারী মানুষগুলোর সাথে মুনাফেকী করল।
শাহবাগে চেতনা এখন সম্পূর্ণ জামাত ও একটি বিশষ দলের সুবিধা কেন্দ্রীক। অথচ এটিকে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে কাজে লাগানো যেত। বিশেষ করে দুইটি বড় দলের লাগামহীন ওপেনসিক্রেট দুর্নীতি বিরুদ্ধে গনজাগরনের খুব দরকার ছিল। বাংলাদেশের তরুন প্রজন্মকে কানের জন্য চিলে পিছনে ঘুরানো হচ্ছে। মাতাল বানানোর কাজে মিডিয়ারও একটি বিষ্ময়কর ভুমিকা রয়েছে। শাহবাগের গনজাগরনে বাম শক্তির অবশ্যই একটি পজেটিভ ভুমিকা আছে, কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য এতটাই নেরো হয়ে গেছে যে তাদের কার্যকলাপ ধর্মকেই জাতীয় সমস্যার মুল হিসাবে তুলে ধরছে। জামাতের কোন নেতা কারাগারে আটক থেকেও মিডিয়ার সামনে 'থামজ আপ' দেখানোর সাহস দেখাচ্ছে এটা নিয়ে তারা রাজনীতি করে। অথচ পদ্মাসেতু, শেয়ার বাজার, হলমার্ক দূর্নীতি সহ আরো চরম ওপেন সিক্রেট দেশ বিধ্বংসী দূর্নীতির বিরুদ্ধে তাদের চেতনা জাগেনি, তরুন প্রজন্মও তাদের হুজুগে চেতনা নিয়ে মেতে আছে। তাদের নীতি-নৈতিকতা এখন জামাত আর ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধকরনেই সীমাবদ্ধ। এজন্য তারা সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য বা সত্য গোপনের কাজও তাদের নৈতিকতার অংশ করে নিয়েছে। মনে হয় না সত্য চাপা থাকবে। ধামাচাপার সকল চেষ্টা সত্ত্বেও দেশের সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সত্যের নাটকীয় প্রতাবর্তের সেরা উদাহারন। শাহবাগীদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে নবজগরনের অপেক্ষায় ...........
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৫৭
হতাশা বলেছেন: কঠিন ভাবে সহমত।