নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

প্রত্যাশা প্রমিতি সিদ্দিক

প্রত্যাশা প্রমিতি সিদ্দিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভাবনায় জর্জরিত

২৫ শে মে, ২০১৪ রাত ২:১১

কয়েকদিন ধরে ভাবছি একটা বিষয় নিয়ে..ভাবনাটাও যে খুব সুখের তা না বরং বলা যায় ভীষণ অস্বস্তিকর। কিন্তু যতই চাচ্ছি ভাবনাটাকে সরিয়ে দিতে উল্টো আরও কেমন যেন জেঁকে বসছে।

ভাবনা নিয়ে বলার আগে আমার নিজের সম্পর্কে একটু বলে নেয়া দরকার। আমি এমন একজন মানুষ যে বুদ্ধিমান কোনোভাবেই না, কিন্তু বোকাও না...আর দশজনের মত নিজের ভালটা যেমন বুঝি, খারাপটাও বুঝি। তথাকথিত স্মার্টনেসের অভাব থাকলেও সেদিকটা ভাবার মত সময় একেবারেই হয়না..আমি আমার পরিবার আর বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে ছোট্ট একটা জগতে বাস করি...মোটামুটি স্বনামধন্য একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ই আমার সমগ্র পরিধি।

হ্যাঁ, মানছি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা হয়তো টেনে আনাটা বাঞ্ছনীয় মনে না হতেই পারে। কিন্তু আনলাম..কারন প্রথমে বলা ভাবনাটার বিষয় আসলে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গটা থেকেই এসেছে.। কারন বিশ্ববিদ্যালয় ,বিশেষ করে পাবলিক যেগুলো সেগুলোকে বলা হয় মানুষ গড়ার কারিগর..ইদানিং খুব বেশি করে খেয়াল করছি এই মানুষ গড়ার কারিগর গুলোতে মনে হয় মানুষ বানানোর জন্যে নারী পুরুষের সমতাকে খুব জোর দিলেও বিশেষ একটি গোত্র নারীদের তাদের সমান ভাবতে পারছে না..বিশেষ গোত্র বলার কারন শুধু পুরুষ না যারা নারীদেরকে তাদের সমান ভাবতে পারছে না তাদের আমি মানুষ হিসেবেও মানতে রাজী না। বিশেষ গোত্র বলার আরেকটি অন্যতম কারন এরা বিদ্যা অর্জন করতে আসলেও নারীদেরকে মেয়েলোক বা ভোগ্যপণ্য ছাড়া মানুষ হিসেবেও ভাবতে পারছেনা।

.এভাবে বলার জন্যে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কারন আমি পাঠক হিসেবে সার্থক হলেও লেখালেখি করে মনের ভাব প্রকাশের দিক থেকে একেবারেই আনাড়ি। শুধুমাত্র ভাবনা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যেই এই লেখা।

এবার প্রসঙ্গে ফিরে যাই.. ভোগ্যপণ্য কনসেপ্ট থেকে এই বিশেষ গোত্র কেন বের হতে পারছেনা তা জানিনা, কিন্তু খুবই দু:খের সাথে খেয়াল করছি আমার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া অতি পছন্দের বন্ধুরাও এর থেকে বের হয়ে আসতে পারছে না...একজন সুন্দর মেয়ে যখন পাশ দিয়ে হেঁটে যায় তখন হতে পারে হয়তো সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু কিন্তু তারমানে এই না যে তাকে দেখে বিশ্রী অঙ্গভঙ্গি করতে করতে হবে। এর প্রতিবাদ করলে আবার এটাও শুনতে হবে 'আরে এটাতো ফান...এত সিরিয়াসলি নেয়ার কি'...অথবা 'আরে আমরা পুরুষ না!' ইত্যাদি ইত্যাদি...খুব ঘেন্না চলে আসে তখন সত্যি যখন তাদের মুখে শুনতে হয় এটাই নাকি এই যুগের ফ্যাশন,,,এটাই নাকি কালচার....আর এই হচ্ছে মানুষ তৈরি হওয়ার কারখানা...এই যদি হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর সার্বিক পরিস্থিতি তাহলে এখান থেকে অর্জিত শিক্ষা আমাদের জাতিকে কতটুকু জাগিয়ে তুলছে অনিয়ম থেকে বের হয়ে অাসতে,,,দেশপ্রেম কে উদ্বুদ্ধ করতে!

থুতু দেই এই বিশেষ গোত্রকে..

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.