| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রনজুকলারোয়া
দেনার বোঝা কান্ধে লইয়া ঘুইরা মরি এহন মুই কি করি কি করি কি করি রে
হায়রে পদ্মা সেতু! তোর কর্মচারী/কর্মকর্তারা পায় না কোনো প্রজেক্ট ভাতা, পায় না কোনো ইনক্রিমেন্ট। তোর কর্মচারী কর্মকর্তাদের নির্ধারিত (Fixed) বেতনে চলতে হয়। বছর পার হলেও এদের এক টাকা বেতনও বাড়ে না, যে যে পদে, যত টাকার বেতনে নিয়োগ পেয়েছে ঠিক সেই টাকাতেই তার চাকরীজীবন/প্রজেক্টকালীন সময় শেষ হবে, তাতে দশ/বিশ বছর যাই হোক না কেন। ভগবান সত্যি উঁচু তলার পল্লীতে বাস করে। স্নাতোকোত্তর ধারীদেরকে ডিপ্লোমাদের সাথে এক করে এখানে ডিপ্লোমাদের দেয়া হয় ডিপিপি-র সৃষ্ট পদে অর্থাঁৎ সাব এসিটান্ট ইঞ্জিনিয়ার, আর দিকে হতভাগা স্নাতোকোত্তর ধারীরা এখানে পায় ডিপিপি-র সৃষ্টহীন পদ উপ সহকারী পরিচালক,অর্থাৎ এদের অবস্থান ডিপিপিতে নেই। এদেরকে না ডাকা হয় কোনো মিটিং-এ,না দেয়া হয় কোনো মূল্য। এদের কথা কেউ মনে রাখে না, আর মনেই বা রাখবে কেন –কেউ জানে বলে তো মনে হয় না্। সাংবাদিক আসে সাংবাদিক যায় কত কি রিপোট হয় কত ঘুষ দুর্নীতির কথা প্রকাশ পায় কিন্তু এ হতভাগাদের কথা কেউ বলে না।সত্যিই সেলুকাস। হায়রে মোদের পদ্মা সেতু,আর দিবে কত ঠেলাগুতো ?
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:৪১
আঁধার রাত বলেছেন: মাফ চেয়ে নিচ্ছি পূর্বেই কারন একটু মুখ খারাপ করব। আমার এক বড় ভাই বলেছিলেন যে প্রজেক্টে চাকুরী করে সে একটা ভোদাই আবার যে প্রজেক্টের চাকুরী ছেড়ে দেয় সেও একটা ভোদাই। আমি জিঙ্গাসা করেছিলাম ভাই দুই দল একই সাথে ভোদায় কেমনে হয়। উত্তরে তিনি বলেছিলেন। প্রজেষ্টে চাকুরী করলেন আশায় আশায় একদিন পদ স্থায়ী হবে শেষে পদ বিলুপ্ত ও প্রজেক্ট ও বিলুপ্ত হল তো আপনি তখন ভোদাই। আবার চাকুরী ছেড়ে দিলেন কয়েক দিন পর প্রজেক্ট রাজস্ব খাতে গেল সে ক্ষেত্রে ও আপনি ভোদাই।