| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !
...................................................................
মানচিত্রের আঁকাবাঁকা রেখায় তারে পাবেনা,
সে নদী তো চেনা কোনো ঠিকানায় যাবে না।
তার কোনো কূল নেই, নেই কোনো ঘাট,
সে বয়ে চলে একা, বুক জুড়ে থমথমে রাত।
সে এক অদ্ভুত নদী, হিজিবিজি তার নাম,
যেখানে থমকে দাঁড়ায় শহরের সব ধুমধাম।
হৃদয়ের এক কোণে, গোপনে যে পথ হারায়,
সেখানেই এই নদী রূপালী মায়াবী ঢেউ ছড়ায়।
অগোছালো যত ভাবনা, আর না-বলা যত গান,
এই নদীর জলে খুঁজে পায় তার নিজস্ব প্রাণ।
তুমি যদি কখনো যেতে চাও , চলমান নদীর হৃদয় ছুঁতে,
ডুব দিও মন-পাহাড়ের শান্ত কোনো আলো-আধাঁরেতে।
(নোট : নদীর ম্যাপ চেয়েছিলো যেজন, বহিছে অশ্রুধারা জেনেছে কজন ? )
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৪:৩৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মন যখন উদাশ থাকে, তখন যেতে হয় নদীর ধার কাছে !
২|
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:১৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সুন্দর কবিতাটি পাঠ করলাম । মন্তব্য কোথা হতে শুরু করব তাই ভাছি।
তবে মনে হলো হিজি বিজী নদীর ওপার হতে প্রতিধ্বনি করলে কেমন হয় ।
যে ভাবনা সেই কাজ , আমার কলম লিখেছে প্রতিধ্বনি সেরকম ভাবেই ।
সব নদী সমুদ্রের দিকে যায় না
কিছু নদী বয়ে যায় মনের গোপন ঘরে
কোনো মানচিত্রে যার চিহ্ন থাকে না
শুধু জেগে থাকে নীরবতার নীল অন্ধকারে।
সেখানে হারানো পথেরা ফিরে আসে
কথারা হয়ে যায় শিশিরভেজা ঘাস
যে স্বপ্নটিকে ফেলে এসেছিলে বহু দূরে
সেই স্বপ্নই কখনো হয়ে ওঠে নিঃশব্দ আকাশ।
কেও যদি একদিন ক্লান্ত হয়ে থেমে যায় আর
জলের কাছে রাখে তার সমস্ত না-বলা কথা
হয়তো কোনো অচেনা ঢেউ এসে
তার হৃদয়ে লিখে যাবে ফিরে আসার ব্যাকুলতা।
শুভেচ্ছা রইল
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৪:৩৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সেখানে হারানো পথেরা ফিরে আসে
কথারা হয়ে যায় শিশিরভেজা ঘাস
যে স্বপ্নটিকে ফেলে এসেছিলে বহু দূরে
সেই স্বপ্নই কখনো হয়ে ওঠে নিঃশব্দ আকাশ।
..............................................................................................
সুন্দর , এইসব সুন্দর ভাবনাগুলো বেঁচে থাকার প্রানশক্তি ফিরিয়ে আনে ।
৩|
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:০৬
রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: কবিতা সুন্দর হয়েছে। গান শোনেন ওগো নদী আপন বেগে পাগলপারা
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৪:৩৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বহতা নদীর গান আর কলতান
এই নিয়ে বেঁচে থাকি আজীবন !
৪|
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:১৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ঠিকই বলেছেন সুন্দর ভাবনাগুলি বেঁচে থাক ।
যেমন
নদী যেখানে থামে, সেখানেই জেগে ওঠে পথ
জলের গোপন কথারা ছুঁয়ে যায় নীরব রাত
যে স্বপ্ন ভেসে গিয়েছিল দূরের কোনো স্রোতে
সেই স্বপ্নই ফিরে আসে নদীর মতো অবিরত।
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৩৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
......................................................................
গাছের মতো ছড়িয়ে শাখা,
ধারণারা মেলল ডানা,
বাতাসেতে শব্দ ওড়ে,
নেইকো তাহার সীমানা।
৫|
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:০৯
জুল ভার্ন বলেছেন: চমৎকার!
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৩৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
......................................................
গল্প ছাড়া কেবল কিছু,
শব্দ শুধু আজকে রয়,
মনের যত গোলকধাঁধা,
নিমেষে তা করছে জয়।
রং আর কালির ছোঁয়ায়,
চমকে ওঠে আজকে মন,
কেমন করে ভাবি আমরা,
দেখায় সে তা অনুক্ষণ।
৬|
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:২৩
আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: নদী এক রহস্যময়
এই হাটু জল আবার গলা মাথা,
দুঃখটা এটাই বালুচর
তবু পেয়ে যায় উজান ভাটা
ঠিকানা তার ঘরবাড়ি
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
....................................................................
আড়ালে লুকানো তার গভীর সে ডর,
সব মুছে জেগে রয় ধু-ধু বালুচর।
যেখানে নদী নেই, নেই কোনো জল,
মিছে এই জগতের মরীচিকা দল।
৭|
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০১
রাজীব নুর বলেছেন: হিজিবিজি নদীর মালিক আপনি।
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: হিজিবিজি নদীর মালিক আপনি
..............................................................
নদী কারো নয়
===================
নদী কখনো বন্দী হয় না
কারো কেনা গোলাম নয়,
সীমানা দিয়ে আটকে রাখা
নদীর বুকে স্বভাব নয়।
নদী তো এক মুক্ত ধারা
বয়ে চলাই তার জীবন,
ব্যক্তিগত মালিকানায়
বাঁধবে তারে কোন সে জন?
সবুজ মাঠ আর তৃষ্ণার্ত বুক
সবাইকে সে ছোঁয়ায় সুখ,
তাহার জলে সবার অধিকার
মুছে দেয় সে সবার দুখ।
মানুষ হাসে, মানুষ কাঁদে
নদী শুধু বয়েই যায়,
প্রকৃতির এই আপন সৃষ্টি
আপন ধারায় চলতে যে চায়।
৮|
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:০৯
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ভালইতো চলছে নদীর গান
নদী কারও সম্পত্তি নয়
নয় কারও দাস
পাহাড় পেরিয়ে ছুটে চলে
ভেঙে আঁধার-পাশ।
নদী মানে চলার সুর
নদী মানে প্রাণ
তারই জলে তৃষ্ণা মেটে
ফসল ভরে ধান।
কেউ যদি তার পথ রোধে
তুলে দেয় প্রাচীর
নদী তখন পথ খুঁজে নেয়
সে তো চির অধীর।
জেলে, কৃষক, পথের মানুষ
পাখি, গাছ আর মাছ
নদীর বুকে সবারই তো
সমান ভালোবাসা।
কখনো নদী শান্ত হাসে
কখনো ওঠে ঢেউ
দুঃখ-সুখের কত কাহিনি
বয়ে নিয়ে যায় সে।
মানুষ আসে, মানুষ যায়
থামে কত আয়োজন
নদী শুধু শিখিয়ে যায়
চলাই জীবনের পণ।
তাই তো নদী মুক্ত থাকুক
মুক্ত থাকুক জল
নদীর স্রোতে বেঁচে থাকুক
পৃথিবী অনন্তকাল।
১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৫৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
তাই তো নদী মুক্ত থাকুক
মুক্ত থাকুক জল
নদীর স্রোতে বেঁচে থাকুক
পৃথিবী অনন্তকাল।
................................................................
চমৎকার,চমৎকার,চমৎকার,চমৎকার,চমৎকার,
আমি অত্যন্ত প্রীত হইলাম আপনার প্রতি কাব্যে !
লহ লহ লহ মোর শহস্র সালাম !!!
৯|
১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৬
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
.................................................
চলাই জীবন, থমকে মরণ,নদীর এটাই গান,
ঢেউয়ের বুকে,হাসিমুখে, সঁপেছে সে প্রাণ।
স্বাধীনতার, এক লহমার, গান গেয়ে যায় শুধু,
সাগর পানে, মিলন টানে, ছুটছে মরু-ধুধু।
১০|
২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫২
মেহবুবা বলেছেন: হিজিবিজি নদী নিয়ে কত কাব্যময়তা! নামটা বড্ড বেমানান।
তার চেয়ে অমরাবতী নদী হলে বেশ হোত!
২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: হিজিবিজি নদী নিয়ে কত কাব্যময়তা!
................................................................
নামটা যে দিয়েছে তার অনেক মায়া বুঝি ?
তার কোন জেন্ডার নেই, তবে
অমরাবতী সুন্দরী নারীর অবয়ব ফুটে উঠে
তাহলে কাব্যের মাঝে ভালোবাসা প্রাধান্য পেয়ে যেত
এত সুন্দর তার গতিময়তা আসতনা ।
...................................................................
তাহলে এবার থাকল :-
অমরাবতীর নদীর কাব্য গান
===============================
কুয়াশা-ঘেরা নিথর পাহাড়, উচ্চে জাগে চূড়া,
আনাইমালাইয়ের প্রাচীন কোলে জন্ম নিল ধারা।
রূপালী এক সুতো যেন, শান্ত হিল্লোল,
দক্ষিণেরই প্রভাতী সুর দিচ্ছে দোলাদোল।
গিরিপথের বাধা পেরিয়ে, পাহাড়-প্রাচীর টুটে,
পালনি পাহাড়ের বুক বেয়ে সে ঝর্ণা হয়ে ছোটে।
উর্বর সেই পলিমাটির ডাক এসেছে কানে,
ছুটে চলে সে আপন বেগে তৃষ্ণার্তদের পানে।
দেখেছে সে চেরার রথ, চোল রাজাদের বল,
তার বুকেতেই ছায়া ফেলেছিল তাঁদের পতাকা দল।
কৃষকদের সেই চিরন্তন লোকগাথারই গান,
আজো নদীর কলতানে পায় নতুন এক প্রাণ।
কোঙ্গু দেশের হৃদয় জুড়ে ছড়াল তার মায়া,
ধূসর মাটির বুকে নামল সবুজ ধানের ছায়া।
পাহাড়-নদীর অফুরান ঐ আশীষ-সুধা ঢেলে,
বাঁচিয়ে রাখল জনপদকে আপন ডানা মেলে।
আধুনিক এই পাথুরে বাঁধ আজকে জলের টানে,
আটকে রাখে নদীর ধারা তৃপ্ত মাঠের পানে।
তবুও নদীর বুক জুড়ে রয় গোধূলি আলোর রেশ,
মানুষের এই হাতের ছোঁয়ায় সুন্দর তার বেশ।
কারুর জেলায় পথের শেষে শান্ত তাহার কায়া,
পবিত্র এক গর্ব নিয়ে বিলীন করে মায়া।
নিজের নামের অস্তিত্বকে সঁপে দিয়ে শেষে,
মিশে গেল সে কাবেরী নদীর উত্তাল রাজবেশে।
( পাদটীকা : অমরাবতী নদী হলো দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী, যা বিখ্যাত কাবেরী নদীর দীর্ঘতম ও প্রধান শাখা নদীগুলির একটি। এটি কেরালা ও তামিলনাড়ু সীমান্তের কাছে আনমালাই ও পালনি পাহাড়ের মধ্যবর্তী অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়েছে এবং কারুর জেলায় কাবেরী নদীর সাথে মিশেছে।
চোল রাজবংশ ও অমরাবতী নদী অঞ্চলের ইতিহাসদক্ষিণ ভারতের ইতিহাসে চোল সাম্রাজ্য (খ্রিস্টীয় ৯ম থেকে ১৩শ শতাব্দী) ছিল অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রভাবশালী রাজবংশ।
অমরাবতী নদী এবং এর সংলগ্ন অঞ্চল (বিশেষ করে কারুর ও কোঙ্গু নাড়ু) চোলদের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সামরিক কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
১. কারুর অঞ্চলের অধিকার ও কৌশলগত গুরুত্বঅমরাবতী নদীর তীরে অবস্থিত কারুর (Karur) শহরটি প্রাচীনকালে 'আণপোড়ুনাই' নামে পরিচিত ছিল। এটি প্রথমদিকে চেরা রাজবংশের রাজধানী থাকলেও, পরবর্তীতে মধ্যযুগীয় চোল শাসকরা এই অঞ্চলটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন এবং দীর্ঘদিন শাসন করেন। এই নদী উপত্যকাটি ছিল চোল, চেরা এবং পাণ্ড্য রাজাদের সংঘাতের একটি প্রধান রণক্ষেত্র।
২. উন্নত কৃষি ও সেচ ব্যবস্থাচোল রাজারা তাদের উন্নত সেচ ব্যবস্থাপনার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তারা অমরাবতী এবং কাবেরী নদীর জলকে নিখুঁতভাবে ব্যবহারের জন্য অসংখ্য খাল ও বাঁধ নির্মাণ করেন। এর ফলে এই শুষ্ক অঞ্চলটি শস্য-শ্যামল হয়ে ওঠে, যা চোল সাম্রাজ্যের অর্থনীতিকে মজবুত করেছিল।
৩. বাণিজ্য ও রাজকীয় মহাসড়ক (Rajakesari Peruvazhi)চোল আমলে অমরাবতী নদী সংলগ্ন কোঙ্গু নাড়ু (Kongu Nadu) অঞ্চলটি রোমান সাম্রাজ্যসহ বিভিন্ন বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র ছিল। চোল সম্রাটরা এই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে 'রাজকেশরী পেরুবাঝি' (Rajakesari Peruvazhi) নামক একটি বিখ্যাত চোল মহাসড়ক নির্মাণ করেছিলেন, যা অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক বাণিজ্যকে সংযুক্ত করেছিল。 কারুর অঞ্চলে খননকার্যের ফলে চোল মুদ্রার পাশাপাশি প্রচুর রোমান মুদ্রা পাওয়া গেছে।৪. স্থাপত্য ও লিপিচিত্র (Inscriptions)চোল শাসকরা অমরাবতী নদীর অববাহিকায় বেশ কিছু চমৎকার মন্দির নির্মাণ করেন। কারুর ও তার আশেপাশের পাহাড়ে (যেমন শঙ্করনমালাই) তৃতীয় কুলোতুঙ্গ চোল (Kulothunga Chola III) এর আমলের বহু লিপিচিত্র বা শিলালিপি পাওয়া গেছে। এই লিপিগুলি থেকে চোল আমলের কর ব্যবস্থা, মন্দিরের অর্থনীতি, ভূমিদান এবং কারুশিল্পীদের সামাজিক মর্যাদা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়। প্রথম রাজরাজ চোলের রাজত্বকালে বিখ্যাত সাধক 'কারাভুর থেভার' এই অঞ্চলেই বাস করতেন। )
https://www.shutterstock.com/image-photo/beautiful-amaravati-river-view-tribatary-600nw-1751334341.jpg
১১|
২১ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:২৯
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবারও এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:২৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: একজন ব্লগার নদীর নাম " অমরাবতী" দিতে চাইছেন ।
তাই ঐ নদীর কিছু তথ্য দিলাম, আপনার কেমন লাগল
তার মন্তব্য দিতে পারতেন ।
১২|
২১ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:১৮
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
সে বয়ে চলে একা, বুক জুড়ে থমথমে রাত।
===================
দারুণ!!!
কিন্তু, 'থমথমে' না হয়ে 'আনন্দময় রাত' হতে পারতো কি?
কিংবা, 'আলোক ঝলমলে রাত'"?
অন্ততঃ 'মায়াবী রাত' হওয়ার দাবী রাখে 'হিজিবিজি'!!!
২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:২৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: হা হা হা
আপনি দারুন মজা নিচ্ছেন কবিতা থেকে ।
.........................................................................
রাতের বহতা নদী চাঁদের আলিঙ্গনে মায়াবী হতে পারে ।
আর আনন্দময় রাত হবে, যখন আমরা একঝাঁক তরুন
নদীর পাড়ে পিকনিক করতে যাই, আশা করি আপনিও
অংশগ্রহন করবেন ।
১৩|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০৩
নাহল তরকারি বলেছেন: কিছু নদী আসলে বাইরে বয়ে যায় না, মানুষের ভেতর দিয়ে বয়ে চলে। তাদের কোনো মানচিত্র নেই, কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যও নেই। সেখানে জমে থাকে অগোছালো চিন্তা, পুরোনো স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন আর কিছু না-বলা কথা।
হয়তো মানুষ যখন খুব একা হয়ে যায়, তখন সে নিজের ভেতরেই এমন একটি নদী খুঁজে নেয়। সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে বসে থাকা যায়, নিজের সঙ্গে কথা বলা যায়। তারপর আবার ফিরে আসা যায় এই কোলাহলময় জীবনে—একটু হালকা হয়ে।
হিজিবিজি নদী হয়তো সেই মনেরই নাম, যার ঠিকানা কেউ জানে না।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:২২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে বসে থাকা যায়, নিজের সঙ্গে কথা বলা যায়।
তারপর আবার ফিরে আসা যায় এই কোলাহলময় জীবনে—একটু হালকা হয়ে।
.........................................................................................................
অত্যন্ত বাস্তব কথা,
নদীর কোন রাজনীতি নাই,
মানুষের শান্তির জন্য তার বয়ে চলা, বিরামহীন
অজানার পথে ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কবিতাখানি পাঠ করিলাম ।