নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বদলে দিতে চাই না এই সমাজকে কিত্তু নিজেকে....

কেউ কি নিজেকে চিনতে পারে.......মনে হয় নিজেকে জানার পর আমরা শুধু নিজেকে ঘৃনাই করব এবং অঞ্ছত হলেও সত্য যে আমারা এই কথাটি জানি । তারপরও নিজের কাছে গোপন করি।ক্ষমা করবেন দী্‍‌রঘ লাইন লিখে আমিই ভণ্ডামি করলাম।আমি মোটেও সমাজ সচেতন নই,অনেক কিছু না বলে আসল কথাটিই ব

আমি আমার মত

আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যে নিজেকে নিয়ে ভাবতেও ভয় হয়

আমি আমার মত › বিস্তারিত পোস্টঃ

মধ্যবিত্ত-১

২৯ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৪

মধ্যবিত্ত এমন একটি শব্দ কিংবা অবস্থা যার অর্থব্যাপ্তি সামগ্রিক ভাবে মানুষের অসহায়ত্বকে প্রকাশ করে। মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্পগুলো খুব সাধারণ হয়ে থাকে। এই পরিবার গুলর চাহিদা শুধু সম্মান রক্ষার জন্য যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই। মধ্যবিত্ত এমন একটি পরিবেশ যেখানে খুব অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকার শিক্ষা দেওয়া হয় ছোটোদের।

দুপুরবেলা খেতে বসলে কোন অথিতি আসলে তাকে না খেয়ে বিদায় দেওয়ার কথা চিন্তাও করে না হিসেবি এই পরিবারগুলো। হয়ত রান্না নেই অথবা নতুন করে রান্না রাতের আহারেও টান ফেলবে তাইতো মা বলে উঠেন খিদে নেই। অতিথি সংখ্যার উপর ভিত্তি করে খাবার বিসর্জন দেওয়া সদস্য বাড়তে থাকে। এই না খেয়ে ও যে হাসি হাসি মুখ করে থাকা যায় তা শুধু মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোই জানে। এবং যত বড় বিদ্বানই হোক না কেন কখনই এই হাসির পিছনের কান্না দেখতে পারবে না। যদি দেখতে পায় তবে তা হল নির্ভেজাল অহংকার, যা শুধু ত্যাগের দ্বারা প্রাপ্ত।

মধ্যবিত্ত ছেলে গুলো সাধারণত খরচহীন আড্ডা গুলর প্রান হয়ে থাকে, জুতো জোড়া ছেঁড়া তবুও এমন ভাব করবে যে সে এটা ফ্যাশান হিসেবেই পড়ছে। এই ছেঁড়া জুতোর দিকে তাকালেই তার মনে হয় বাবার কষ্টের কথা, মাকে মনে হয় ছেঁড়া পাল দিয় জাহাজ চালানো সেই ক্লান্ত নাবিকের মত। ছেলেটি হয়ত নিজেকে সান্তনা দেয় পরবর্তী ঈদ এর কথা চিন্তা করে। এই ছেলেগুলো আড্ডা চায়ের দোকানের বাহিরে গেলেও মুখ কাল হয়ে যায় অযথা খরচের চিন্তায় । খেয়াল করলে দেখা যাবে এরা দামী খাবারের সামনে বসেও চিন্তা করছে বাসার ছোটবোনটার কথা। খেতে খেতে ভাববে মার হাতের রান্নাই অনেক ভাল।

একতরফা প্রেম সবচেয়ে বেশি করে মধ্যবিত্ত ছেলেরা । এরা একজনকে পছন্দ করলেও সহজে বলতে পারে না শুধুমাত্র মেয়েটি যদি না বলে দেয় সেই ভয়ে । কারও যদি এই ভয়টি কেটে যায় তখন আসে খরচের হিসেবে । যেহেতু তার মাঝে মধ্যবিত্ত রূপী অহংকার বিদ্যমান তাই সে তার খরচ হিসেব করবে সবচেয়ে ভাল জায়গাগুলোর। এই খরচের হিসেব শেষ হলেই ছেলেটি চিন্তা করবে তার মাসিক হাত খরচের কথা এবং এখানেই কিছু প্রেমের গল্প শেষ হয়ে যায়। যা কিছু বাকি থাকে তা হল তারা হয়ত একটা দুটো জায়গায় মেধা বিক্রির কাজ করে কোন রকমে কিছু সময় প্রেম নামক মহান কর্মটিকে সামনে নিয়ে যায় যতদিন না মেয়েটি বিবাহযোগ্য হয়ে যায়। বিবাহের সময় ছেলেটি ভাগ্যবান হলে মেয়েটির দু ফোঁটা চোখের জল পায় নিজের হৃদয়ের যন্ত্রণাকে প্রশমিত করতে না হলে এই যন্ত্রণা নিয়েই পার করে জীবনের বাকি দিনগুলো। অতি ভাগ্যবান কিছু মধ্যবিত্ত ছেলেই সব বাঁধা পেরিয়ে প্রিয় মানুষটিকে পায়।

এই পাওয়ার মাঝে শুরু হয় নতুন মধ্যবিত্ত এবং না পাওয়ার আনন্দের গল্প...

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৫:৫২

মেহেদী হাসান ভূঁঞা বলেছেন: শুভ জন্মদিন !:#P !:#P !:#P

২| ৩০ শে মে, ২০১৪ রাত ১২:০০

আমি আমার মত বলেছেন: ধন্যবাদ মেহেদী ভাই.

৩| ৩০ শে মে, ২০১৪ সকাল ৮:৫৪

সকাল হাসান বলেছেন: মধ্যবিত্ত যারা - তারাই জীবনটাকে ভালভাবে চিনে। তাদেরই উচ্চস্তর আর নিম্নস্তর সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকে।

অপরপক্ষে যারা উচ্চবিত্ত তারা শুধু উচ্চস্তরটাই দেখে আর নিম্নবিত্তরা দেখে শুধু নিম্নস্তরটাই।

মধ্যবিত্ত হওয়া অভিশাপ না আশির্বাদ। তবে বেশির ভাগ সময়ই মধ্যবিত্ত হওয়ায় আপনার পোষ্টে উল্লিখিত সমস্যাগুলোতে পড়া লাগে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.