নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অপঘাত

নাহিদ হাসান রনি

নাহিদ হাসান রনি › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিশ্বাস করুন, আমরা বাংগালী!- ১ম পর্ব

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:৩৬

শুরুতে পাঠক দের একটা পরীক্ষা নেওয়া যাক। আচ্ছা বলুন তো বাংলাদেশের সব থেকে বেশি ব্যবহৃত পণ্য কোনটি?
... অনেকেই হয়ত ফেয়ার এন্ড লাভলী বা প্রসাধনী সামগ্রী থেকে শুরু করে টুথ ব্রাশ পর্যন্ত চলে গেছেন। কিন্তু সঠিক উত্তর আসলে এগুলো কোন কিছুই না। বাংলাদেশের সব থেকে বেশি ব্যবহৃত পন্য হল এ দেশের মুক্তিযুদ্ধ আর দেশের মানুষের মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্রিক চাতনা। অনেকেই হয়ত আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইবেন, যে কেন আমি মুক্তিযুদ্ধ কে একটা পণ্য বললাম। কিন্তু আপনি বিশ্বাস করুন আমি, আপনি থেকে শুরু করে দেশের প্রায় সকল মানুষ আমাদের স্বাধীনতার গর্ব, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ কে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করে আসছি। আর সব থেকে এগিয়ে আছে আমাদের রাজনৈতিক দল গুলো। যারা এ প্রজন্মের, তারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি। তাই তাদেরকে ঠিক যেভাবে মুক্তিযুদ্ধ কে দেখানো হচ্ছে, ঠিক সেভাবেই তারা গ্রহন করছে। আর রাজনীতিবিদরা এই সুযোগে তাদের এই পছন্দের পণ্য টিকে নিজেদের মত করে যতটা সম্ভব বিকৃত করে নতুন প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করছে। যেহেতু নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি সেহেতু তাদেরকে এই বিকৃত ইতিহাস ঠিক যেভাবে গিলানো হচ্ছে, তারা ঠিক সেভাবেই গিলছে। গুটি কতেক বই ছাড়া, এই ভেঝাল পন্য পরিশোধনের কোন যন্ত্র এই আধুনিক প্রজন্মের কাছে নেই।
কেবল রাজনীতিতেই ব্যবহার হচ্ছে না মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষাক্ষেত্রে আর চাকুরি খেত্রেও ব্যবহার হয়ে আসছে এ মুক্তিযুদ্ধ। শিক্ষাক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোঠার কথা আপনারা সকলেই জানেন। যেখানে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা অগ্রাধিকার পায়। এই কোঠার ফলশ্রুতিতে নতুন নতুন অনেক মুক্তিযোদ্ধার আবির্ভাব হয়েছে। যাদের মধ্যে কেউ আছেন যাদের আবার জন্ম মুক্তিযুদ্ধের পরে। আবার অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদের অভাবে কোঠা হারান। চাকরি খেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। অনেক রাজাকাররাও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নাম কামিয়েছেন। আরও কয়েক বছর এভাবে চলতে থাকলে হয়ত সব রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধার কোঠায় নাম লেখাবে আর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা বিনা চিকিৎসায় খড়কুটোর ঘরে মৃত্যুর স্বাদ নিবে।
সত্যি কথা বলতে কি, গত ৪৪ বছর এই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে এ দেশের মানুষ বেঁচে আছে। আমাদের গর্ব করার মত আর কিছুই নেই। এই অতীতকে আঁকড়ে ধরেই আমরা কোন মতে বেঁচে আছি। কিন্তু আর কতকাল আমরা অতীত কে নিয়ে এভাবে বেঁচে থাকব? এখনই উপযুক্ত সময় নতুন ইতিহাস গড়ার। সময় এসেছে নতুন আঙ্গিকে বাঁচতে শেখার।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৯

খোচা বাবা বলেছেন: কথা সত্য

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:২১

নাহিদ হাসান রনি বলেছেন: হুম। :-(

২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৩০

ইমরান আশফাক বলেছেন: লক্ষ নাকি মিলিওন এটা আগে জানতে চাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.