নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রুপা আহমেদ

রুপা আহমেদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

"বিদ্যানন্দ" - প্রচারণা নয়, কাজটাই বড়

২০ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ৮:৪৬

বিদ্যা + আনন্দ = বিদ্যানন্দ । আনন্দের সাথে বিদ্যার্জন। খুব চমত্কাের না বিষয়টা?

অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যার্জনকে যেখানে যমের মত ভয় পায়, সেখানে আনন্দের মাঝেজ্ঞানের এক অভিনব দরজা উন্মোচন করেছে বিদ্যানন্দ (http://www.facebook.com/Bidyanondo) নামক একটি প্রতিষ্ঠান। বিদ্যানন্দের মূল থীম –“পড়ব, খেলব, শিখব”।

বিদ্যানন্দের আত্মপ্রকাশ হয় খুব সাধারন একজন বাঙালির (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ব্যর্থতার মধ্যে। অভাবের তাড়নায়যার শিক্ষার দ্বার বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম, দুর্বল স্মৃতিশক্তি নিয়ে “মনোযোগের অভাব”স্বীকৃতি জুটেছিল ছাত্র হিসেবে।কৈশোরের ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে প্রতিষ্ঠিতের উঁচু স্তরে অবশেষে পৌঁছালেও তিনি ভুলে যাননি ব্যর্থতার অতীতকে। নিজের জীবনের বাধাটুকুপরবর্তী প্রজন্মের জন্য উন্মুক্ত করার মনস্থে জীবনের সকল সঞ্চয়েজন্ম দিলেন "বিদ্যানন্দ"।এইদাতব্য প্রতিষ্ঠানটিসমাজের আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল অমুল্যায়িত মেধাবীদের মধ্যে প্রাণের সঞ্চার করে। এর সকল সুবিধা সম্পূর্ণ উন্মুক্ত এবং বিনামূল্যে। সিজনাল সমাজসেবী প্রতিষ্ঠান না গড়ে এটি বছরের প্রতিটি দিন সেবা দিয়ে থাকে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত।

ডিসেম্বর, ২০১৩ইং নারায়নগঞ্জে ২২ জন ছাত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করে বিদ্যানন্দ নিজস্ব ক্যাম্পাসে পূর্ণকালীন শিক্ষক দিয়ে। বর্তমানে বিদ্যানন্দের তিনটি সুপরিসর শাখায় (নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম এবং ঢাকা) তিন শতাধিক ছাত্রের মেধা বিকাশের কাজ চলছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কোচিং-এর মত দুরূহ কোর্স দিচ্ছে বিনামূল্যে ৮৫ জন মেধাবী ছাত্রকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী এবং প্রচারবিমূখ স্বেচ্ছাসেবকরা প্রতিদিন শিডিউল করে শ্রম দিয়ে যাচ্ছে নিভৃতে। প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষাকে দূরে রেখে আনন্দদায়ক উপকরনের মাধ্যমে মৌলিক জ্ঞান বিকশিত করে শিক্ষার ভীতিকে দূরীভূত করাই মূল উদ্দেশ্য।

একাডেমিক পড়াশুনার বিষয়গুলোকে সহজবোধ্যভাবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেয়ার জন্য বিদ্যানন্দ ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরির কাজ করছে, যা সিডি করে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে গ্রামাঞ্চলে।সমৃদ্ধ গ্রাম গড়ে তুলতে জ্ঞান-বিজ্ঞানচর্চা জোরদার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞানস্পৃহা জাগাতে বিদ্যানন্দের এই পদক্ষেপ।

এছাড়াও বিদ্যানন্দের আছে সর্বসাধারণের জন্য ৭,০০০ বইয়ের তিনটি বিশাল লাইব্রেরী,যা ব্যবহারের জন্য কোন রেজিস্ট্রেশন লাগে না। জ্ঞানচর্চা বিকশিত করার জন্য এইপাঠাগার সপ্তাহের সবদিন খোলা থাকে আপনার অপেক্ষায়।বিভিন্ন সামাজিক পদক্ষেপেও বিদ্যানন্দ পিছিয়ে নেই। শুধুমাত্র এই মাসেই বিদ্যানন্দ বিতরণ করেছে শতাধিক ছাত্রের মধ্যে পোশাক, শিক্ষা উপকরণ এবং বই। স্বেচ্ছাসেবকগণ নিজেদের ভুক্তভুগি জীবনের সকল অভিজ্ঞতা থেকে সৃষ্টি করছেন নতুন নতুন পদক্ষেপ প্রতিদিন।



যেতে হবে অনেকদূর। “” - এই মূলনীতি মেনে চলে বিদ্যানন্দ একটি সুন্দর পরিবর্তনের সূচনা করে চলেছে শিক্ষাঙ্গনে। এত বড় কর্মযজ্ঞ বিদ্যানন্দের প্রতিষ্ঠাতা নিজের অর্থায়নেই শুরু করে চালিয়ে গেলেও অদূর ভবিষ্যতে আপনার সাহায্য ছাড়া এই প্রতিষ্ঠান এগুতে পারবে না।আসুন, আমরাও সাথী হই প্রচারবিমুখ এই মহত্‍ উদ্যোগের। সমাজের উঁচু নিচু ভেদাভেদকে ভুলে গিয়ে গোটা জাতিকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে এগিয়ে আসি আপন দায়িত্বে।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ৯:০৬

আলম 1 বলেছেন: চমৎকার উদ্যোগ।

২| ২০ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ৯:৪৩

শরৎ চৌধুরী বলেছেন: ইন্টারেস্টিং উদ্যোগ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.