নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সুখী মানুষ

....

ইমরান হক সজীব

--\\\\n--\\\\n--\\\\n--\\\\n--\\\\n--\\\\n--\\\\n--\\\\n--\\\\n--\\n--\\n--\\n--\\n--\\n--\\n--\\n--\\n--\\n--\\n--\\n--\\n--\\n--\\n --\n--\n--\n--\n-\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--\n--ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া ।

ইমরান হক সজীব › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিবিসি বাংলার ৭০তম বার্ষিকী

১২ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১৩

১১ই অক্টোবর বিবিসি বাংলার সত্তরতম বার্ষিকী।



সত্তর বছরের দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বিবিসি বাংলার অনুষ্ঠানের বিবর্তন নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন।



বিবিসি বাংলা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মূলত সংবাদভিত্তিক অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে।



নিরপেক্ষ, নির্ভরযোগ্য এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও সংবাদ বিশ্লেষণ বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় এক কোটি শ্রোতার কাছে পৌঁছে দিচ্ছে বিবিসি বাংলা।

শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার বিবিসি বাংলায়



লন্ডনে বিবিসি বাংলার স্টুডিওতে ২০০৭-এর মে মাসে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার নেন সাবির মুস্তাফা



কিন্তু কীভাবে সংবাদ বিবিসি বাংলার মূল উপজীব্য হয়ে উঠল?



১৯৪১ সালের ১১ই অক্টোবর যাত্রা শুরুর লগ্নে প্রতি সপ্তাহে প্রচারিত হোত একটি মাত্র অনুষ্ঠান যা ছিল মূলত একটি নিউজলেটার। অনুবাদ করে তা পড়তেন বিভিন্ন জন।



এরপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ লগ্নে ভারত থেকে অনুষ্ঠান প্রযোজনার জন্য এলেন কমল বোস আর রেখা আলী।



তাঁদের পরিবেশনায় ভারতীয় বাংলাভাষী শ্রোতাদের জন্য শুরু হল বিচিত্রা নামের একটি ম্যাগাজিন।



এরপর ১৯৪৯ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাংলাভাষী শ্রোতাদের জন্যও তৈরি হল আঞ্জুমান নামে আলাদা একটি অনুষ্ঠান। সেটিও ছিল বিচিত্রার ঢঙে- সংবাদ সেখানে গুরুত্ব পেত না। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনার জন্য নিয়ে আসা হল নাজির আহমেদকে।



সেসময় বাংলা বিভাগে যেসব গুণীজন কাজ করতেন, তাদের সাংবাদিকতার কাজে উদ্বুদ্ধ করা এবং একদল নতুন সাংবাদিক টিমে নিয়ে আসার মধ্যে দিয়ে নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে সম্পূর্ণ হয় এই বিবর্তন।'



সৈয়দ মাহমুদ আলী, সাবেক প্রধান, বিবিসি বাংলা



১৯৬৫ সালে বিবিসি বাংলার সম্প্রচারে প্রথম যুক্ত হল সংবাদ। ৬৫তে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের সময় বাংলা অনুষ্ঠানের শ্রোতারা দাবি করলেন হিন্দি আর উর্দুর মত বাংলাতেও প্রতিদিন বিবিসি থেকে তারা যুদ্ধের নির্ভরযোগ্য আর নিরপেক্ষ খবর চান। তাদের যুক্তি ছিল জাতীয় বেতারে তারা শুধু কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত খবরই পাচ্ছেন। এই দাবির মুখেই শুরু হল খবর।



১৯৬৯ সালে বিবিসি তার দেশভিত্তিক সম্প্রচার নীতি পাল্টিয়ে চালু করল ভাষাভিত্তিক সম্প্রচারনীতি। শুরু হল সম্মিলিত সম্প্রচার। আর ঠিক হল অনুষ্ঠানের পরিকল্পিত একটা কাঠামো।



নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত বাংলা বিভাগের সম্প্রচারে ছিল কিছু সংবাদ আর নানাধরণের বিনোদন অনুষ্ঠানের মিশ্রণ। বাংলা বিভাগের জন্য সংবাদ সংগ্রহের কোন নেটওয়ার্ক সেসময় তৈরি হয়নি। আন্তর্জাতিক খবরাখবর মূলত অনুবাদ করে সম্প্রচারিত হোত। ঢাকা থেকে বিবিসি বাংলার জন্য খবর দিতেন আতাউস সামাদ।

বাংলাদেশ সংলাপ



২০০৫ থেকে বিবিসি বাংলার বেতার ও টিভি অনুষ্ঠান বাংলাদেশ সংলাপ ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।



নব্বইয়ের দশকে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের তৎকালীন পরিচালক জন টুসা নির্দেশ দিলেন সব ভাষা বিভাগকে তাদের নিজস্ব সাংবাদিকতা আরো প্রসারিত করতে হবে। বিশ্ব রাজনীতির পটভূমিতে সংবাদকে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। সৈয়দ মাহমুদ আলী তখন ছিলেন বাংলা বিভাগের প্রধান।



''সেসময় বাংলা বিভাগে যেসব গুণীজন কাজ করতেন, তাদের সাংবাদিকতার কাজে উদ্বুদ্ধ করা এবং একদল নতুন সাংবাদিক টিমে নিয়ে আসার মধ্যে দিয়ে নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে সম্পূর্ণ হয় এই বিবর্তন।'' বলেন সৈয়দ মাহমুদ আলী।



সাবির মুস্তাফা বিবিসি বাংলার প্রধান হলেন ২০০১ সালে। তখন থেকে বাংলা অনুষ্ঠানের চেহারা অনেক বদলেছে। বেতারের পাশাপাশি টিভিতে বাংলাদেশ সংলাপ অনুষ্ঠান সম্প্রচারের মাধ্যমে সাংবাদিকতার একটা নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বিবিসি বাংলার জন্যে।



বেতার অনুষ্ঠানে এখন শ্রোতাদের সরাসরি সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। তারা ফোন ইন অনুষ্ঠানে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নানা বিষয়ে তাদের মতামত রাখতে পারছেন।



সাবির মুস্তাফা, বিবিসি বাংলার প্রধান



''বেতার অনুষ্ঠানে এখন শ্রোতাদের সরাসরি সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। তারা ফোন ইন অনুষ্ঠানে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নানা বিষয়ে তাদের মতামত রাখতে পারছেন।'' বলেন সাবির মুস্তাফা।



মিঃ মুস্তাফা বলেন বেতার ও টিভি ছাড়াও এখন বাংলাদেশে মোবাইল ফোনে এখন প্রতি ঘন্টা খবর আপডেট করা হয়, যা শোনা যায় বাংলাদেশের যে কোন মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে ১৬২৬২ ডায়াল করে।



এছাড়াও ডাব্লিউ ডাব্লিউ ডাব্লিউ ডট বিবিসি বাংলা ডট কমে যে কোন সময়ে শোনা যাচ্ছে বিবিসি বাংলার খবর ও ফিচার।



সাবির মুস্তাফা বলেন যতদিন বাংলাদেশে বিবিসি বাংলার সংবাদ ও সংবাদ বিশ্লেষণের চাহিদা থাকবে ততদিন যে কোনভাবে শ্রোতাদের কাছে সেসব খবর তুলে দেবার দায়িত্ব পালন করে যাবে বিবিসি বাংলা। সূত্র View this link

মন্তব্য ২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জুলাই, ২০১২ রাত ৩:০৫

আমি তুমি আমরা বলেছেন: আপনার ব্লগে প্রথম প্লাস আর দ্বিতীয় কমেন্ট দিয়ে ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলাম। B-) B-)

০৫ ই জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:৪৫

ইমরান হক সজীব বলেছেন: :-B আপনেই প্রথম কমেন্ট করলেন। আগের কমেন্টা আমার প্রথম পোষ্টে আমি নিজেই করেছিলাম :)

তই আমার একটা ফেক আইডি আছে সেটাই অনেক কমেন্ট পেয়েছি :#)

ইদানিং আর ফেক আইডি ব্যাবহার করতে ভালো লাগছে না, এটাতেই নিয়মিত হব ভাবছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.