| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
`আমি প্রথার বাইরে' এই কথা দাবী করার আগে আমাদের প্রথমে বুঝতে হবে প্রথা কি। প্রথা'র আভিধানিক অর্থ রীতি, প্রচলিত আচার, নিয়ম ইত্যাদি। এখন কথা হলো, `প্রথা ভাঙছি' বললে প্রকৃত অর্থে প্রথা ভাঙা সম্ভব কি না, তা আলোচ্য বিষয়। আর কেউ যদি বলেন আমি প্রথার বাইরে থেকে সাহিত্য সৃষ্টি করছি তা হলে তা কতটুকু গ্রহনযোগ্য? দাবী করা আর কার্যকর হওয়া এক জিনিষ নিশ্চয় নয়। এক কবিকে যদি আরেক কবি বলেন-`আপনারাতো প্রথাসিদ্ধ কবি। আমি নিজেকে এর বাইরে স্থাপনে উৎসাহবোধ করি।' তখন আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই তার সাহসের জন্য। তবে তাকে বলতে চাই-প্রথা ভাঙা, নতুনত্ব নিয়ে আসা আর বাইরে থাকা এক জিনিষ নয়। আমরা শোনা কথা বলতে গিয়ে প্রায়ই ভুল কথা বলি। বিষয়টা এরকম যে, এক মাহফিলে সবাই হাসছে। একজনকে জিগ্যেস করা হলো, ভাই হাসছেন কেনো? সে পাশের একজনকে দেখিয়ে বললো, ওনি হাসছেন তাই। এভাবে আমরা অনেকে বক্তব্য দিয়ে থাকি দেখদেখা কিংবা শোনশোনা। সাহিত্যে প্রথা ভাঙার বক্তব্য এরকমেরই একটি কথা। সাহিত্য, সংস্কৃতি, সভ্যতা যেখানে ধারাবাহিক ক্রমবিকাশের সাথে সম্পর্কিত সেখানে বাইরে থাকার কথা বলা বেমানান। নতুন সাজে সাজানো আর বাইরে থাকা নিশ্চয় এক কথা নয়। ভেঙে যে আমরা সাজাই, তা কিন্তু পুরাতনের ভেতরেই কাজ করি। এখানে মূল ধাতু কিন্তু পুরাতন-ই থেকে যায়। আর বাইরে বললে, একেবারে স্পর্শহীন হতে হবে। সাহিত্যে প্রথার বাইরে গিয়ে কিছু সৃষ্টি করা যায় না। কারন, এখানে ভাষা, শব্দ, পদ্ধতি ইত্যাদিকে ধারনের ব্যাপার রয়েছে। এখানে মূল প্রথায় থেকে নতুন নতুন সাজে সাজানো যায়। এই সাজানোটাও কিন্তু প্রথার বাইরে গিয়ে নয়। আপনি যে সাজেই সাজান না কেনো দেখবেন পৃথিবীর কারো না কারো সাথে ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় মিলে যাচ্ছে। কারন, আপনার পাঠের নির্জাস হলো আপনার সৃষ্টি। আপনি মিক্স কিংবা রিমিক্স করে ভিন্ন স্বাদ দিতে পারেন, কিন্তু এই যে জিনিষগুলো মিক্স কিংবা রিমিক্স করছেন, তা কিন্তু প্রথা থেকে ধারণকৃত। বাংলা সাহিত্য নয়, পৃথিবীর যে কোন সাহিত্যের আদি থেকে আজ পর্যন্ত চোখ হাটালে যে কোন পাঠকের সামনে বিষয়টি পরিস্কার হয়ে উঠবে। আমি যদি আমাদের চর্যাপদ থেকে চণ্ডিমঙ্গল হয়ে রামমোহন, বঙ্কিম, মধু, রবি, নজরুল, প্রমথ চৌধুরী, জীবনান্দ, ফররুখ, শাসসুর রহমান, আল-মাহমুদ হয়ে নব্বই এবং শূন্য দশকের কথা বলি তবে নতুনত্ব পাবো, কিন্তু প্রথার বাইরে কাউকে প্রতিষ্ঠিত করা যাবে না। কেউ যদি চর্যাপদ পাঠ শেষে রবীন্দ্রনাথ পাঠ করেন তবে তার কাছে দু'এ আকাশ-পাতাল ব্যবধান মনে হবে। কিন্তু যদি ধারাবাহিকভাবে একেরপর এক পাঠ করে আসেন তবে দেখা যাবে এখানে পরিবর্তনের ক্ষেত্রে চেইন অফ কামান্ড রয়েছে। আবার পাশাপাশি যদি আমরা বিশ্ব সাহিত্যকে সামনে নিয়ে আসি তবে দেখবো কোথাও না কোথাও কারো না কারো সাথে রবীন্দ্রনাথের মিল রয়েছে। এমনি যদি আমরা উর্দু সাহিত্যে শরফ উদ্দিন গঞ্জেশেকর থেকে গালিব, তকি মীর, ইকবাল হয়ে ফয়েজ আহমদ ফয়েজ পর্যন্ত দেখি তবে দেখবো একই রীতির ভেতর ক্রমবিকাশ ঘটেছে যুগে যুগে। হিন্দি সাহিত্যের আদিকাল, ভক্তি কাল, রীতি কাল, আধুনিক কাল যদি আমরা পর্যালোচনা করি তবে দেখবো একটা ধারাবাহিকতা রয়েছে। হিন্দি সাহিত্যের আদি কবি গোরনাথ থেকে কবির, রহিম, সাইম্বো, সমদাট সুরী, সারংদার, নীলা সিং, গুরু নানক, ধর্মদাস, মালিক মুহাম্মদ জৈসী, সুন্দর দাস, রমা, কৃষ্ণ প্রমূখ হয়ে যদি আমরা ক্রমধারা গুলো আলোচনা করি তবে দেখবো ক্রমবিকাশটা সর্বদা-ই এগিয়েছে প্রথাকে একটু একটু সংস্কার করে। প্রথার বাইরে গিয়ে নয়। আবার এই ক্রমবিকাশের মধ্যেই উর্দু এবং হিন্দি ভাষার অস্তিত্ব। তেমনি যদি ইংলিশ সাহিত্যে উইলিয়াম ল্যাংল্যাগু থেকে জেফরি চসার, রুপার্ট ব্র“ক, জুলিয়ান গ্রেনফেল, এলিয়ট, পাউন্ড, ইয়েটস প্রমূখ পর্যন্ত ক্রমবিকাশটা দেখি তবে নতুনত্ব প্রচুর পাবো, কিন্তু কাউকে প্রথার বাইরে দাঁড় করানো যাবে না। এখন কথা হলো, যদি কেউ ইতিহাসের মধ্যখান থেকে কোন পর্ব বাদ দিয়ে আলোচনা করেন তবে তাঁর পাঠক বিভ্রান্ত হতে পারে, কিন্তু আলোচনাকে সত্য বলা যাবে না। ইতিহাসের একটা ক্রমবিকশের ঘটনা আছে। মধ্যখান থেকে একটা পর্ব বাদ দিলে আর ক্রমবিকাশের ধারাবাহিকতা থাকে না। প্রথার বাইরে থাকার কথা বলে কেউ কেউ আতলামী করেন। কিন্তু তা করেন মূলত ইতিহাসের অজ্ঞতার কারনে। সাহিত্যে যে বিভিন্ন যুগ আমরা দেখি তা কিন্তু রাতারাতি সৃষ্টি হয়নি। কবিতা কিংবা সাহিত্যে মূলত কোন যুগের অস্তিত্ব দিন-তারিখ দিয়ে পৃথক করা অসম্ভব। এটা গবেষকরা গবেষনা করে বের করেছেন একটু এদিক-সেদিক করে। কিন্তু আমরা যদি যুগগুলোর সাহিত্যকে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করি তবে দেখবো পরিবর্তনগুলো নদীর স্রোতের মতো একটা ধারাবাহিক নিয়মে হয়েছে এবং আগামীতেও হবে।
আমার লেখা পড়ে কারো মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, আমি প্রথা ভাঙার বিপক্ষে? না, আমি ভাঙার বিপক্ষে নয়। বরং আমি প্রথা ভেঙে নতুন কিছু করার পক্ষে। কিন্তু ভেঙে নতুন যা হচ্ছে তাও যে প্রথার বাইরে যাচ্ছে না। একটি বেতকে নীচ থেকে দেখলে যা, উপর থেকে দেখলেও তা। আবার এর উপর আপনি যতই রঙ দেন, তা বেত-ই থেকে যাবে। আপনি চেয়ার, টেবিল, বিছানা, আলমারি ইত্যাদি সবই বানাতে পারেন বেত দিয়ে, কিন্তু তা বেত-ই থেকে যাবে। আমরা এটাকে এক নামে বলি-বেতের মাল। তাই বলি প্রথা ভেঙে নতুন করে যা তৈরী হয় তা প্রথার ভেতরেই থাকে। প্রথার বাইরে মানুষ যায় না। দর্শনে একটা কথা আছে-যাওয়া বলে কিছু নেই, বরং ঘুরে ফিরে আসা। এই হলো মূল কথা। আমরা যদি জর্মান দার্শনিকদের ইতিহাস পড়ি তবে দেখবো হেগেলের পর একদল দার্শনিক তৈরী হলেন হেগেলকে অস্বীকার করে। তারা হেগেলকে মানেন না, মানবেন না। তারা হেগেল থেকে বেরিয়ে যাবেন। এই সময়ে হেগেল অচল। এই গ্র“পে স্বয়ং কার্ল মার্কসও ছিলেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য তারা হেগেলের বাইরে যেতে পরেননি। ইতিহাসে তারা নিউ হেগেলিয়ান নামে পরিচিত। কার্ল মার্কস খুব চিন্তক মানুষ ছিলেন, তিনি যখন দেখলেন হেগেলকে আস্বীকার করার নামে মূলত হেগেল চর্চাই হচ্ছে, তখন তিনি আবার স্বীকার করেনিলেন-হেগেলকে গুরু বলে। রবীন্দ্রনাথের প্রথা ভেঙেছেন নজরুল, কথাটা ঠিক। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ-নজরুল কেউ প্রথার বাইরে যেতে পারেননি। বলয় ভাঙা, প্রথা ভাঙা আর প্রথার বাইরে যাওয়া এক কথা নয়। এই নিয়ে কারো সন্দেহ থাকার কথা নয় যে, আমি প্রথা ভাঙার পক্ষে না বিপক্ষে। প্রথা যদি আমরা না ভাঙি তবে নতুন প্রথা সৃষ্টি হবে না। তাই আমাদেরকে প্রথা ভাঙতেই হবে। কিন্তু কেউ যখন প্রথা ভাঙাকে প্রথার বাইরে থাকা বলে ঘোষনা করেন তখন আমার আপত্তি দেখা দেয়। কারন, প্রথা ভেঙে প্রথা তৈরি করা যায়, কিন্তু প্রথার বাইরে একটি মূহুর্তও দাঁড়ানো যায় না। মানুষকে কোন না কোন প্রথায় থাকতে হয়। এটা মানুষের জন্মগত বাধ্যতামূলক বিষয়। এটা আদি থেকে আজ পর্যন্ত চলছে এবং চলবে অন্ত পর্যন্ত। মানুষ যখন তার মূর্খতার কারনে বুঝলো যে, ইতিহাস সে নিজে সৃষ্টি করছে তখনই এই প্রথার বাইরে দাঁড়িয়ে ইতিহাস সৃষ্টির স্বপ্ন তার ভেতরে মিসাইলের মতো দ্রুত চলতে থাকে। অথচ ইতিহাস কোনদিন মানুষ সৃষ্টি করতে পারে না। মূলত ইতিহাসই মানুষকে বাহন বানিয়ে সামনে এগিয়ে যায়। মানুষ মূলত ইতিহাসের উপাদান।
২|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩
অারমান বলেছেন: রথে চেপে এলাম বলেছেন: গোছানো লেখা।
আমারো তাই মনে হয়,খুব গোছানো লেখা পড়তে ভালো লাগলো,
৩|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪০
শাহনাজ সুলতানা বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট, একেবারে ঝরঝরে লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন পরাণের শহরে।
৪|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯
রোদেলা খাতুন বলেছেন: সৈয়দ মবনু, আমার কথার রেশ ধরেই যখন আপনি পোস্ট করেছেন তাহলে বলি, আমি বলেছি 'উৎসাহবোধ করি'। এই উৎসাহবোধের অপব্যাখ্যা আপনি করেছেন।
বোঝা গেলো খামখা বকবক করার অভ্যাস আপনার ধাতে আছে। করে যান আমার কোনো ক্ষতি হবে না। স্পষ্ট করে বলছি- আমি এখনও উৎসাহবোধ করি। এই প্রচেষ্টাকে যে লালন করবে না তার লেখালেখি করার কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
ধন্যবাদ দীর্ঘ কাসুন্দির জন্য।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৪
সৈয়দ মবনু বলেছেন: সোনা সখি তুমি রেগে গেলে দেখি? উৎসাহবোধ করতেই পারেন আপনি। আপনি নিজের দেহে পাংকা লাগিয়ে আকাশে উড়ার উৎসাহবোধ করলে আমি আরো খুশি হবো, কারন আপনি কবি। কিন্তু সোনার ময়না পাখি আমার, আমি অপব্যাখ্যা কি করলাম? আর বকবককে ভেঙে যদি বলি বক+বক তবে খাদ্যটা খারাপ না। মনদিয়ে আমার লেখাটা পড়ুন, জীবনে কাজে লাগবে। রাগাম্বিত হয়ে ভাল খাদ্য প্রত্যাখ্যান করলে একদিন আফসুস করতে হবে। আপনার সাথে আমার কোন হিংসা নেই যে আপনার ক্ষতি করবো। বরং আপনাকে আমি ভালোবাসি। কারন, আপনি লেখক কিংবা লেখিকা। তবে রোদেলা নামটার কিছু প্রভাব আছে আপনার মাথায়। আপনি খুব দ্রুত ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন এবং অন্যের গায়ে নখ বসিয়ে দেন। এটা কিন্তু সাহিত্যের জন্য বেমানান। আপা, দয়া করে আপনার নখটা একটু কেটে সুন্দর করুন।
৫|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬
আহমদ আবদুল হালিম বলেছেন: আপনার লেখাটা খুব গোছানো মনে হলো । আমি অনেক আগে আপনার কবিতার বই " ঝরা পাতার শব্দ" (পুরোপুরি মনে নেই- ভুল হতে পারে) নামক কবিতার বই পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম। আজকের লেখাটাও প্রিয়তে নিলাম। আপনার সাথে আমি পুরোপুরি একমত হতে পারলাম না। কারন, প্রথাভাঙ্গার আপনি যে ব্যাখ্যা দিলেন তা যে পুরোপুরি সঠিক ? আপনি বলুন ! যদি বলেন ১০০ ভাগ সঠিক তাহলে আপনার সাথে তর্ক নয় । যদি বলেন পুরোপুরি সঠিক নাও হতে পারে তাহলে এমন প্রথা ভাঙ্গতে চাই। আমি মনে করি আপনার লেখাটা ১০০ ভাগ সঠিক নয়। যেমন নজরুল এবং রবীন্দ্রনাথকেই ধরুন রবীন্দ্রনাথ যে বলয় গড়ে তুলেছিলেন নজরুল তা ভেঙ্গে নতুন এক বলয় গড়ে তুলেছিলেন । তাই নয়কি বন্ধু ! আমরা গত শতাব্দির তিশ এবং বিশের দশকে তা দেখতে পাই। ভাল থাকুন বন্ধু ।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৪
সৈয়দ মবনু বলেছেন: বন্ধু, আমার প্রথম কাব্য গ্রন্থ `ঝরাপাতার শূন্য সময়'। আপনার ভিন্ন মতকে আমি সম্মান করি। কিন্তু বলয় আর প্রথা এক জিনিষ নয়, তা আপনাকে মানতেই হবে। আমি বলছিনা যে প্রথা ভাঙা যাবে না। আমি বলছি প্রথার বাইরের কথা। আমি স্পষ্ট বলেছি, ভাঙলে কিন্তু বাইরে হয় না। বাইর বলতে একেবারে বাইর। ভাঙলে ধাতু কিন্তু একই থেকে যায়। আর ভাই আমি তো আল্লাহ নই যে কথা একশ ভাগ সঠিক হবে। আমার কথায় বিতর্ক হতে পারে। আপনি আমার কথার সাথে পুরোপুরি দ্বিমত হলেও আপনার প্রতি আমার ভালোবাসা হ্রাস পাবে না। আমি বলেছি প্রথার বাইরে যাওয়ার ব্যাপারে। আপনি বলছেন প্রথা ভাঙার ব্যাপারে। জর্মানের নিউ হেগেলিয়ানরা হেগেলের বিরুদ্ধে কথা বলেও ইতিহাসে নিউ হেগেলিয়ান ছাড়া অন্যকোন নামে পরিচিত হতে পারেননি। আপনি শতাব্দী বলুন আর দশক, ধারাবাহিকভাবে পাঠ করে দেখুন পরিবর্তনের গতি কতটুকু। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন। ভালোবাসা রইলো।
৬|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
আবদুল হক বলেছেন: মাফ করবেন, আমি কোনো ভাঙাভাঙিতে নেই!
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৯
সৈয়দ মবনু বলেছেন: হক কথা বলুন হক সাহেব। মাফ চাইয়া লজ্জা দিবেন না। ভাঙবেন কেনো, গড়েন।
৭|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৬
আহমদ আবদুল হালিম বলেছেন: বন্ধু ! মনে রাখবেন, আকাশে বিমান উড়ে তা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নয় , কিন্তু যখন উড়তে গিয়ে আক্রান্ত হয় তখন পৃথিবীর সবাই জানতে পারে। এরকম নাম ফলানো প্রথা ভাঙ্গায় আমি নেই।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৩
সৈয়দ মবনু বলেছেন: বিমান যদি অবতরন করে তবে ভালো হয় না বন্ধু? আমি অবতরনের পক্ষে। পৃথিবীর মানুষকে জানাতে গিয়ে আত্মহত্যা করার পক্ষে আমি কেনো, কোন সভ্য মানুষই যেতে পারে না। ভয় নেই। ভাঙতে জানলেই গড়া হয়।
৮|
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১৮
রোদেলা খাতুন বলেছেন:
আমাকে রাগের কথা বলে উল্টো আপনিই তো দেখি আতঙ্কগ্রস্থ হলেন। শব্দের প্রতি দরদী হোন, বুঝবেন আমি কী বলছি।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৭
সৈয়দ মবনু বলেছেন: আতঙ্ক মানে কি? আমি তো একমাত্র রাধাকে ভয় করি যখন আমি কৃষ্ণ হই। আপনি কি আমার রাধা হতে ইচ্ছুকই নতুবা আতঙ্কের কোন কারন নেই। আমার ভদ্রভাষাকে যদি আপনি দুর্বলতা মনে করেন তবে বড়ই ভুল হইবে দিদি। আর আপনি দেখি আমরা দেশের রাজনৈতিকদের মতো বড়ই মুখবাজ। আপনি দয়া করে আমার লেখাটা মন দিয়ে পড়ুন, দেখবেন শব্দের প্রতি দরদী থেকেই আমি কথা বলছি। আপনি প্রথার বাইরে যেতে ইচ্ছুক। আমি ইতিহাস থেকে আপনাকে বললাম অপচেষ্টা করে সময় নষ্ট না করে চেষ্টা করলে এগিয়ে যেবেন। শেকড় না বুঝলে আগাছার মতো ভেসে যাবেন।
৯|
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৪
ইমন সরওয়ার বলেছেন:
আপনি কীসব প্রথাটথা নিয়ে লেখালেখি শুরু করেছেন। বালিকাদের কথাবার্তা নিয়ে বালকসুলভ আরচরণ ঠিক নয়।
মঙ্গলময় থাকুন।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৪৯
সৈয়দ মবনু বলেছেন: ধন্যবাদ বন্ধু আপনাকে। তবে দর্শনের একটা কথা আছে--শিশুদেরও একটা বুঝ আছে। বড়দের উচিৎ শিশুদের এই বুঝকে গুরুত্ব দেওয়া। আর বালক হয় বয়ঃসন্ধিকালে। এই সময়-ই মানুষ বিপথগামী হয় শুধু বুঝের অভাবে। শিশুকালে সন্তান থাকে মা-বাবার পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রনে। বালক হলেই তারা ভাবে আমরা তো এখন কম নয়, শুরু হয় অবাধ্য হওয়া। আর এই সময়ই সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ ঘটে। সাহিত্য জগতে তখন একদল আতেল এই বালক-বালিকাদেরকে ফালতু কথা বলে বিভ্রান্ত করে দেয়। ঐ ফালতু মানুষগুলো নিজেরাও কিছু করতে পারে না, অন্যদেরকেও কিছু করতে দেয় না। শুধু তারা হাওয়া ভাঙে।
১০|
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০০
কাইয়ুম আবদুল্লাহ বলেছেন: মবনু ভাই! স্বদেশ-স্বজাতির ভিড়ে কেমন কাটছে দিন? আশাকরি ভালোই কাটছে, সারক্ষণ সৃজন সান্নিধ্যে। তাই হোক।
তথ্যবহুল লেখাটি দারুণ হয়েছে। আমাদের সবার উপকারে আসবে। ভালো থাকুন নিরবধি।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২০
সৈয়দ মবনু বলেছেন: কাইয়ূম ভাই, ভাল আছি নিজের স্বর্গে। দোয়া করবেন।
১১|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১১
শাহরিনা রহমান বীথি বলেছেন: ভালো লাগলো । কেমন আছেন?
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৫
সৈয়দ মবনু বলেছেন: ভালো আছি। তোমার খবর কি?
১২|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৬
গোপাল ভাড় বলেছেন:
হুজুর কেমন আছেন?
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৮
সৈয়দ মবনু বলেছেন: বাবু আমি মঙ্গলেই আছি
১৩|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১১
গোপাল ভাড় বলেছেন: মঙ্গলেই থাকা উত্তম পন্থা। তয়, আপনের চারপাশের মহলবাজদের কী কিছু খবরটবর রাখেন? নাকি শুধুই পরামর্শ দিয়েই চলেছেন। কোনো কোনো পরামর্শদাতাদের আবার অনেক সমস্যা রয়েছে। তারা সবাইকে ছাত্রভাবেন। নিজেকে বুজুর্গ ভেবে কোনো কিছুই আমলে নিতে চান না। আপনি কি সেই তরিকার মধ্যে পড়েন? না পড়লেও ভাবসাব সেরকমই।
জয় গোপালভাড়।।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৩
সৈয়দ মবনু বলেছেন: বাবু, আমার চারপাশের মহলবাজ কারা আমি জানিনা। ক্ষমা করবেন আমাকে। আমিতো দাদা পরামর্শদাতা নই। আমি একটু আলোচনার বিশ্বাসী। সবাই আমার ছাত্র এইটা আপনি সত্য কইছেন, তবে আরেকটা কথা ভুলিয়া গেছেন, আমিও যে সবার ছাত্র। একটু এগিয়ে বলতে পারেন, আমি সবার প্রেমিক, সবাই আমার প্রেমিক। বুজুর্গ মানে বুড়া। আমি বুজুর্গ হতে পারিনি। আমি এখনও বাবা-মার ঘরের অবুঝ সন্তান। আমাকে খুব জানেন মনে হয় দূর থেকে। আপনি আমার প্রেম মহলে আসেননি। একদিন আসবেন। কোন বেয়াদবী হলে বাবু মাফ করেবন। ভালোবাসা রইলো।
১৪|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩
রোদেলা খাতুন বলেছেন: অনেক দিন পর এস সুলতানা আপুর ব্লগে গিয়েছিলাম, শেষ পোস্টের কবিতাটি পাঠ করে কিছুটা আপ্লুত হয়েই মন্তব্য করতে চেয়েছিলাম। সঙ্গে যে দু-একটা সমালোচনা থাকবে না তা কী করে বলি। কিন্তু এসব সইবার আগেই তিনি আমাকে ব্লক করে দিয়েছেন। আমি হয়ে গেলাম তার ঘরে এক নিষিদ্ধ জন্তু। যদিও এটা সম্পূর্ণ তার নিজস্ব বিষয়, কিন্তু কবি বলে একটা কথা আছে তো, তা তিনি মান্য করতে খানিকটা অপারগই হলেন মনে হলো।
তসলিমা নাসরিনের একটি উক্তি এ মুহূর্তে মনে পড়ছে, নারীর শত্রু নারীই। এক্ষেত্রে অনেকটা সত্যই বলে মনে হচ্ছে।
এস সুলতানা আমাকে ব্লক করার একটি কারণ যদি উপস্থাপন করতে পারেন তাহলে ব্লগে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইবো। (আমি সচেতনভাবে যুক্তিসঙ্গত কারণ দাবী করিনি, কেবল কারণ হলেই চলবে)। আমি তাতেই মেনে নেবো।
কবিদের জয় হোক।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
সৈয়দ মবনু বলেছেন: আমার খুব কষ্ট লাগছে। আমি সত্যি মর্মাহত শাহনাজ সুলতানা আপনাকে ব্লক করায়। তবে সে ব্লক করলো কেনো? এটা আমার জানা নেই। তার সাথে ব্লগের বাইরে আমার তেমন যোগাযোগ নেই। তবে আমি বিশ্বাস করি মুক্ত আলোচনার। আমাকে কেউ গালি দিলেও আমি তাকে সম্মান করতে চেষ্টা করি। মুক্ত আলোচনা আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণের জন্য। এই যে তুমি আমার সাথে তর্ক করেছো বারবার। এতে আমি রাগ করিনি। বরং খুশি হয়েছি তোমাকে বন্ধু ভেবে। কারন, আমার দৃষ্টিতে সমালোচকরাই আসল বন্ধু। জনিনা, আমার বন্ধু শাহনাজকে তুমি কি বলেছো, যাতে সে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। আমি তাকে বলবো, ক্ষুব্ধ না হয়ে আলোচনার উত্তর দিতে, কিংবা মুছে ফেলতে। কিন্তু ব্লক না করতে। আর তোমাকে বলবো একটু নরম ভাষা ব্যবহার করবে। অবশ্য আমার বাড়িতে এসে তুমি যে কোন ভাষায় কথা বললেও আমি তোমাকে ব্লক করবো না। আমার একটা বিশ্বাস, পাত্রে যা থাকে পাত্র থেকে তাই বের হয়। সুগন্ধ থাকলে সুগদ্ধ, দুর্গন্ধ থাকলে দুর্গন্ধ।
১৫|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৯
আবু মকসুদ বলেছেন:
মবনু ভাই এতো ভোরে ঘুম ভেঙ্গে গেলো! আপনি বড়ো জটিল বিষয় নিয়ে এগুচ্ছেন। তবে প্রথাগত পথে আপনিও যে হাঁটেন না তাও আমরা জানি!
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫২
সৈয়দ মবনু বলেছেন: আবু মকসুদ ভাই, আমি খুব সকালে উঠি প্রতিদিন। কিন্তু ব্লগে আসি না। ব্লগ আমার অনেক সময় নষ্ট করে। তবু ভালো লাগে আপনাদের সাথে দেখা হয় বলে। মাঝেমধ্যে কিছু লেখা আমাকে উপকৃত করে। প্রথা বিষয়ক কথায় মানুষের বুঝার ভুল আছে, মানুষের পাঠের সীমাবদ্ধতা আছে। প্রথা দু' রকমের হয়। একটা হলো সুপ্রথা, একটা হলো কুপ্রথা। আমি কুপ্রথার বিপরীতে হাটি সত্য। এই যে আপনি লিখলেন_
রঙ বদলানো অনিবার্য নয়
আত্মরক্ষার তাগিদে চন্দ্রবুড়োও
বৃক্ষনিবাসে, সহবাসে মাতে
দিগন্তে উড়ে গেলে পাখির সন্তান
সনাতন দৃশ্যেও দেখি জল কোলাহল।
এটা কিন্তু প্রথার কথাই ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় বলেছেন। আমার গোটা প্রবন্ধ আপনার এই এতটুকু কবিতায় এসেগেছে। আপনি প্রথাকে স্বীকার করেছেন এই কবিতায়। আপনি প্রথার বাইরে যেতে পারবেন না প্রথাকে স্বীকার করুন, আর নাই করুন। আর যদি মনে করেন নতুন প্রথা শুরু করবেন তবে পৃথিবীকে ভেঙ্গে নতুন করে সাজাতে হবে। কারন, আদি থেকে আজ পর্যন্ত পৃথিবী চলছে ধারাবাহিক একটা ঐতিহাসিক গতীতে। স্মরণ রাখবেন ইতিহাস মানুষ সৃষ্টি করে না। বরং মানুষকে ইতিহাস বাহন হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। ধন্যবাদ। ভালো থাকুন। মঙ্গলে থাকুন।
১৬|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১৬
সৈয়দ মবনু বলেছেন:
আমার লেখা পড়ে কারো মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, আমি প্রথা ভাঙার বিপক্ষে? না, আমি ভাঙার বিপক্ষে নয়। বরং আমি প্রথা ভেঙে নতুন কিছু করার পক্ষে। কিন্তু ভেঙে নতুন যা হচ্ছে তাও যে প্রথার বাইরে যাচ্ছে না। একটি বেতকে নীচ থেকে দেখলে যা, উপর থেকে দেখলেও তা। আবার এর উপর আপনি যতই রঙ দেন, তা বেত-ই থেকে যাবে। আপনি চেয়ার, টেবিল, বিছানা, আলমারি ইত্যাদি সবই বানাতে পারেন বেত দিয়ে, কিন্তু তা বেত-ই থেকে যাবে। আমরা এটাকে এক নামে বলি-বেতের মাল। তাই বলি প্রথা ভেঙে নতুন করে যা তৈরী হয় তা প্রথার ভেতরেই থাকে। প্রথার বাইরে মানুষ যায় না। দর্শনে একটা কথা আছে-যাওয়া বলে কিছু নেই, বরং ঘুরে ফিরে আসা। এই হলো মূল কথা। আমরা যদি জর্মান দার্শনিকদের ইতিহাস পড়ি তবে দেখবো হেগেলের পর একদল দার্শনিক তৈরী হলেন হেগেলকে অস্বীকার করে। তারা হেগেলকে মানেন না, মানবেন না। তারা হেগেল থেকে বেরিয়ে যাবেন। এই সময়ে হেগেল অচল। এই গ্র“পে স্বয়ং কার্ল মার্কসও ছিলেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য তারা হেগেলের বাইরে যেতে পরেননি। ইতিহাসে তারা নিউ হেগেলিয়ান নামে পরিচিত। কার্ল মার্কস খুব চিন্তক মানুষ ছিলেন, তিনি যখন দেখলেন হেগেলকে আস্বীকার করার নামে মূলত হেগেল চর্চাই হচ্ছে, তখন তিনি আবার স্বীকার করেনিলেন-হেগেলকে গুরু বলে। রবীন্দ্রনাথের প্রথা ভেঙেছেন নজরুল, কথাটা ঠিক। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ-নজরুল কেউ প্রথার বাইরে যেতে পারেননি। বলয় ভাঙা, প্রথা ভাঙা আর প্রথার বাইরে যাওয়া এক কথা নয়। এই নিয়ে কারো সন্দেহ থাকার কথা নয় যে, আমি প্রথা ভাঙার পক্ষে না বিপক্ষে। প্রথা যদি আমরা না ভাঙি তবে নতুন প্রথা সৃষ্টি হবে না। তাই আমাদেরকে প্রথা ভাঙতেই হবে। কিন্তু কেউ যখন প্রথা ভাঙাকে প্রথার বাইরে থাকা বলে ঘোষনা করেন তখন আমার আপত্তি দেখা দেয়। কারন, প্রথা ভেঙে প্রথা তৈরি করা যায়, কিন্তু প্রথার বাইরে একটি মূহুর্তও দাঁড়ানো যায় না। মানুষকে কোন না কোন প্রথায় থাকতে হয়। এটা মানুষের জন্মগত বাধ্যতামূলক বিষয়। এটা আদি থেকে আজ পর্যন্ত চলছে এবং চলবে অন্ত পর্যন্ত। মানুষ যখন তার মূর্খতার কারনে বুঝলো যে, ইতিহাস সে নিজে সৃষ্টি করছে তখনই এই প্রথার বাইরে দাঁড়িয়ে ইতিহাস সৃষ্টির স্বপ্ন তার ভেতরে মিসাইলের মতো দ্রুত চলতে থাকে। অথচ ইতিহাস কোনদিন মানুষ সৃষ্টি করতে পারে না। মূলত ইতিহাসই মানুষকে বাহন বানিয়ে সামনে এগিয়ে যায়। মানুষ মূলত ইতিহাসের উপাদান।
১৭|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৪
নদি০০৭ বলেছেন: খুব গোছানো লেখা পড়তে ভালো লাগলো,
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৯
সৈয়দ মবনু বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৯
সৈয়দ মবনু বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৪০
সৈয়দ মবনু বলেছেন: ধন্যবাদ।
১৮|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০৮
কাজল রশীদ বলেছেন:
আপনার ই-মেইম।
[email protected]
রোদেলা খাতুন পুরুষ?
ছেক খাইলেন!
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২১
সৈয়দ মবনু বলেছেন: ছেক কি আপনি দিলেন বন্ধু? কে এই রোদেলা খাতুন? তিনি রোদেলা কেনো? এটাতো পুরুষালী নাম। না তিনি প্রথার বাইরে যাচ্ছেন? আমার ধারণা হয়তো ভুল নয়। তবে ভুল হলে থুক্কু। তিন থুক্কু।
কেমন আছেন? ঘরের বাকিদের খবর কি? মঙ্গলে থাকুন।
১৯|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫
সুশান্ত দ্রবিণ বলেছেন:
কাজল দাদা কি কয় ছেক খাইলেন?
রোদেলার প্রথা ভাঙতে পারলেন না বুজি?
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪
সৈয়দ মবনু বলেছেন: মাগো আমার কাজল ভরা কাজলা দিদি কৈ? সে তো বাঁশ বাগানে মাথার উপর চাঁদ উঠার আগেই নাই। কমপক্ষে জসিম উদ্দিন খুঁজে পাননি। কি কন ঠিক কইলাম না দাদা? রোদেলার প্রথা ভাঙনের শক্তি কি আমগো আছে? সে তো সার্বক্ষনিক রোদেলা। কাজল আমাকে ছেক দিলো, তাইলে সে জানে এই নিকের নীচে কে লুকিয়ে আছে? আমার জীবনের একটা মজার ঘটনা বলি, একবার এক মেয়ের বাবা আমাকে বললেন তার মেয়ে নাকি কোন ছেলের সাথে প্রেমে জড়িয়ে গেছে। আমার একটু অনুসন্ধ্যান করতে হবে। আমি খুঁজে পাই না কি করবো। আমার হাতে সময় নেই এই মেয়ের পিছু নিয়ে দেখবো কে এই ছেলে। আমি করলাম অন্য কাজ। একিদন আমি মেয়েটির কাছে একটা প্রেমপত্র দিয়ে বসলাম। অতপর এই পত্র নিয়ে যে ছেলে আমার সামনে আমাকে শাসন করতে এলো সে হলো ঐ মেয়ের প্রেমিক। গর্তে সর্প আছে কি না ধরতে হলে জল ডালতে হয়। এখন কাজল দাদা পড়ছেন এই ফাঁকে। তিনি যদি রোদেলা খাতুনের পরিচয় না দেন তবে আমরা মনে করবো তিনি কিংবা তাঁর কেউ রোদেলা নিকে কাজ করছেন। এখন বিচারের দায়িত্ব আপনার হাতে। মঙ্গলে থাকুন। প্রার্থনায় স্মরণ রাখবেন।
২০|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৮
সময়ের ঘড়ি বলেছেন:
এই পোষ্টে বেজাল আছে।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫
সৈয়দ মবনু বলেছেন: কোনটাতে?
২১|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
কাজল রশীদ বলেছেন:
জানের জান আমাকে এত নিজে নামালেন।
উনিতো জাতে সৈয়দা খাতুন ভাবমাল হয়তো আপনার পড়শী হবে।
আর সুযোগ পেলে ভালই হইতো, নিরানন্দ আমি এক রুপের পূজারী।
পটীয়ান বন্ধু আমার ভালো থাকবেন হিজলের ছায়ায়।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১২
সৈয়দ মবনু বলেছেন: জানের জান, পরানের পরান, যে বড় সে বড়ই থাকে। আমার কি সাধ্য আছে বড় কে ছোট করার। আমিতো এক সাধারন মানুষ। কথার লগের বার্তা দিয়েছি মাত্র। রোদেলা যে সৈয়দা তা আমার জানা ছিলো না। এটা আপনি জানলেন কি ভাবে? আমার পরশী হলে লুকাতাম না। তবে কাছে থাকতে পদ্মা নদী লালন যদি মরি জলের তৃষ্ণায় তবে বড়ই দুঃখের কাহিনী, বুঝলায়নি সজনী। পটীয়ান তুমিতো সজনী কম নয়। খুব রাগ করলেন মনে হয়। মাফ করবেন কষ্ট পেলে।
২২|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৫
শাহনাজ সুলতানা বলেছেন: নতুন লেখা কবে আসছে?????????????????????
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
সৈয়দ মবনু বলেছেন: তুমি পড়ে নিবে নতুন লেখা। আর জানাবে তোমার মনের কথা।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৭
রথে চেপে এলাম বলেছেন: গোছানো লেখা।