নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জেগে যেহেতু আছি , ভাবনা গুলো রেখে যাই...

একটা গাড়ী খুজছি , ব্যাক টু দ্য ফিউচারে যাওয়ার গাড়ীটা খুজছি / তথ্যের অংক , যুক্তির জ্যামিতি

দাসত্ব

১৯৭৬ প্রেসিডেন্ট জিয়া এ দেশটার জনসংখ্যা বিস্ফোরন নিয়ে যেভাবে ভেবেছেন বাকি এতগুলো বছর ধরে সেভাবে আর ভাবা হয়নি.......এখনো ভাবছেনা কেউ........ ডুবন্ত টাইটানিকের দশা হচ্ছে........ ডিসক্লেইমার : এই ব্লগের কোন প্রকার লেখালেখিতে কেউ

দাসত্ব › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : যার নিরেট দেশপ্রেমের স্বাক্ষী দেয় সিআইএ'র সিক্রেট টেলিগ্রাম ০৩২৫/০৯৫০Z.....এবং অনেক অজানা কথকতা.......

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০২







সিআইএ'র এই সিক্রেট টেলিগ্রামটি করা হয়েছিলো জানুয়ারী ১৯ , ১৯৭৬ এ....

জিয়াউর রহমান তখনো প্রেসিডেন্ট হননি , তৈরী হয়নি বিএনপি.....

যখন মাত্র ৭৫ 'র উত্তাল নভেম্বর পেরিয়ে বাংলাদেশে ধীরস্থিরতা ফিরে আসছে.....



বীরউত্তম জিয়াউর তার মায়ের মত দেশটাকে কতটুকু ভালোবাসতেন.....

তার যুদ্ধে ক্লান্ত - শত বছরের অত্যাচার শোষনে ক্লিষ্ট দেশটার মানুষের ভবিষ্যত নিয়ে কিভাবে চিন্তা করতেন .........

সেই নিরেট দেশপ্রেমের নীরব স্বাক্ষী দেয় এই সিক্রেট সিআইএ টেলিগ্রাম ০৩২৫/০৯৫০Z.....



জানুয়ারী ১৯ , ১৯৭৬ , সিআইএ টেলিগ্রাম নাম্বার ০৩২৫/০৯৫০Z :







ইমেজ -১







ইমেজ - ২



ইমেজ - ৩



ইমেজ - ৪



ইমেজ - ৫



ইমেজ- ৬







দল - মত - গোত্র - ধর্ম - আন্চ্ঞলিকতা নির্বিশেষে সবার কাছেই একটা সহজ প্রশ্ন রাখছি...

বলুনতো ... ইতিহাসের ক্ষর নদী আর পাথুরে রুক্ষ পথে উষ্ঠা খেতে খেতে নিঃশেষ প্রান আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশ কিভাবে তার আয়ু হারাচ্ছে ?

হারাচ্ছে বিশ্ব মানচিত্রে তার টিকে থাকার সম্ভাবনা ?



সহজ উত্তর :



প্রবল জনসংখ্যা স্রোতের তোড়ে......




গত ৩০ টা বছর ধরে ৩ স্টুপিড জনসংখ্যা স্রোত আটকানোর জন্য কোন শক্ত বাঁধ দেয়নি....

কারন তাদের অশিক্ষিত নাখা ভূখা জনগন প্রয়োজন ....

তবেই না বিশাল মহাসমাবেশের মাঠ ভরে যায়.....

প্রতিটা ভোটের আগে আগডুম বাগডুম বুঝিয়ে বস্তায় বস্তায় ভোট পাওয়া যায়.....



কিন্তু আজ থেকে ৩৪ বছর আগে একজন প্রানপণে চেয়েছিলেন এই জনসংখ্যা স্রোত আটকাতে.....

এই একজনটি হলেন .....





জিয়াউর রহমান....





ধুরন্ধর ইনফরমেশন ক্রিমিনাল প্রথম আলোতে প্রেসিডেন্ট জিয়াকে নিয়ে মিথ্যা প্রচার চালানো হয়েছিলো ফারুক- রশীদের অস্ত্র ক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে।



আমি নিজেই সেই সব বানোয়াট নির্লজ্জ সাংবাদিকতাকে উলংগ করেছিলাম একটি ব্লগে..............



সেখানে দেখানো হয়েছিলো জিয়াউর রহমান নাকি আমেরিকা থেকে অস্ত্র কেনার জন্য মুখিয়ে আছেন মুজিব মারা যাবার পর ভারতের আক্রমন ঠেকানোর জন্য.....



লালঘোড়া বাহিনীতে মজে থাকা মুজিবের কাছে অবহেলিত নিধিরাম সর্দার সেনাবাহিনীর জন্য জিয়া ঢাল-তলোয়ার-গোলা বারুদের যোগাড় করেছিলেন ঠিকই , তবে সেটা শুরুতে নয়....



ভাগ্যের চাকা ঘুরে ইতিহাসের ঘটনাচক্রে রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে এসে জিয়াউর রহমান সবার প্রথমেই আমেরিকার কাছে যে সাহায্যটি চেয়েছিলেন সেটি ছিলো ভিন্ন কিছু....





তাহলে কি চেয়েছিলেন জিয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিস বোস্টারের কাছে ৭৬'র জানুয়ারী মাসের কোন এক শনিবারে ?




সেটা জানা শুরু করুন ইমেজ- ১ থেকে :



লাইন ৩- ৫:



UPPERMOST ON HIS MIND , EVIDENTLY , WAS A DESIRE FOR US TO UNDERSTAND THAT THEY HAD REGISTERED OUR CONCERN THAT A REALLY EFFECTIVE ATTACK ON BANGLADESH'S POPULATION PROBLEM WAS LONG OVER DUE.



অনুবাদ :



তার (জিয়া) মনে সবার আগে যে চিন্তাটি চলছিলো , পরিস্কার ভাবেই বোঝা যাচ্ছিলো - তিনি (জিয়া) চাইছেন বাংলাদেশের জনসংখ্যা সমস্যা আটকানোর বিষয়টি যে অনেক দেরী হয়ে গেছে - এটা যেন আমরা (আমেরিকা)গুরুত্বের সাথে নেই





ইমেজ -২ , লাইন ৩-৬ :



ZIA OPENED OUR CONVERSATIONS BY REFERRING TO THE POINTS SENATOR MC GOVERN HAD MADE TO HIM LAST WEEK ABOUT BANGLADESH'S URGENT POPULATION PROBLEM AND SAID HE WANTED US TO KNOW THAT THEY UNDERSTOOD THIS WAS THEIR TOP PRIORITY.



অনুবাদ :



সিনেটর ম্যাক গভার্নের সাথে কি আলোচনা হয়েছিলো গত সপ্তাহে বাংলাদেশের জরূরী সমস্যা জনসংখ্যা নিয়ে সেটা নিয়েই জিয়া কথা বার্তা শুরু করেন এবং আমাদের জানাতে চান যে এটাই তাদের (বাংলাদেশের) টপ প্রায়োরিটি / সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার সমস্যা



লাইন ৭-৯:



THEY REALIZED THAT THEY COULD MAKE NO REAL PROGRESS IN SOLVING THEIR OTHER PROBLEMS AS LONG AS THEY MADE NO PROGRESS IN BRINGING DOWN THE RATE OF POPULATION GROWTH.



অনুবাদ :



তারা ( জিয়া ) এটি বুঝতে পারছে যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আটকাতে না পারলে অন্য সেক্টরগুলোতেও তারা সফল হবেনা ।





লাইন : ৯-১৪ :



HE SAID THEY HAD NOW DESIGNATED SATTAR , ONE OF THEIR BEST AND MOST EFFECTIVE PEOPLE , AS THE SECRETARY IN CHARGE OF POPULATION MATTERS AND EXPECTED THIS PROGRAM TO GET MOVING.



THEY WOULD ALSO ASSIGN MORE AND BETTER PEOPLE TO THIS WORK AND WOULD ALSO BRING IN MORE WOMEN.





অনুবাদ :




তিনি ( জিয়া ) আরো জানিয়েছেন যে তারা তাদের সেরা এবং সবচেয়ে কার্যক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের একজন সাত্তার কে জনসংখ্যা বিষয়ক কার্যক্রমের সচিব নিযুক্ত করেছেন এবং আশা করছেন যে এটা ফলপ্রসু হবে।



তারা আরো বেশী সংখ্যক এবং বেশী দক্ষ লোকবল নিয়োগ করবে এবং আরো বেশী সংখ্যক নারীকে এটার সাথে জড়িত করবে।




শুধু মার্কিন দলিলেই নয় , জিয়াউর রহমান জনসংখ্যা সমস্যার বিষয়টি কতটুকু সিরিয়াসলী নিয়েছিলেন সেটা খুজে পাওয়া যায় যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব মেরীল্যান্ড অ্যাট কলেজ পার্ক এর গভর্মেন্ট অ্যান্ড পলিটিকস এর ভেটেরান প্রফেসর মার্কাস ফ্রান্ডার রিসার্চ পেপারে যিনি MIT তে ইন্টারন্যাশনাল স্টাডী বিষয়ে ১০ বছর রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট ছিলেন :







জিয়াউর রহমান এতটাই স্ট্রিক্ট ছিলেন জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যা নিয়ে যে উনি নিয়ম চালু করেছিলেন ফ্যামিলি প্ল্যানিং / পরিবার পরিকল্পনা কর্মীদের কে স্থানীর সরকার অফিসের কাছ থেকে সনদ নিতে হবে এই মর্মে যে সে / তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে , অন্যথা বেতন বন্ধ রাখা হবে।



এবার বুঝলেনতো পাঠকরা ....

এই ছিলো জিয়াউর রহমানের দেশচিন্তা...



তথ্য অপরাধী প্রথম আলো যেখানে দিনের পর দিন মিথ্যা প্রচার করেছে জিয়া আমেরিকার কাছে অস্ত্র চেয়েছে মুজিবের মৃত্যুর আগে সেই জিয়া বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে এসে বন্দুক-গোলাবারুদ- ফাইটার প্লেন চায়নি শুরুতে ....



চেয়েছে প্রবল জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্রোতে বাঁধ দেয়ার জন্য ফ্যামিলি প্ল্যানিং এইড / পরিবার পরিকল্পনা এইড...

চোখ রাঙিয়েছে পরিবার পরিকল্পনা কর্মীদের কে বেতন বন্ধ রাখার যাতে তারা কাজে ফাঁকি না দেয়....



এটাই ছিলো দেশ নায়ক জিয়ার ভিশন....

১৯৭৬-৮১ পর্যন্ত জিয়া সারাদেশ চষে বেড়িয়ে মানুষকে বুঝিয়েছেন জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যা , বারবার বলেছেন জনসংখ্যা আমাদের ১ নম্বর সমস্যা....



মাত্র ৫ বছর ৬ মাসের শাসনকালে জিয়া বাংলাদেশের পরিবার পরিকল্পনা/ জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন কার্যক্রমকে যতদুর এগিয়ে নিয়েছিলেন ততদুর না করে গেলে আজ বাংলাদেশের জনসংখ্যা হতো ২৫ কোটি +......

অবস্থা দাড়াতো ভয়াবহ....



কারন জিয়ার পর আর কোন স্টুপিড গদাই লস্কর জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যার জন্য জিহাদী জোশে চেষ্টা করেনি.....





আসুন এবার অন্যদিকে চোখ ফেলি...........



বাংলাদেশের অন্য আরেকটি মরন সমস্যা ফারাক্কা নিয়ে জিয়াউর রহমান পানি ডাকাত ভারতের বিরুদ্ধে মাথা উচু করে কথা বলেছিলেন জাতিসংঘে......

তার সুবাদে ভারত পানি দিতে বাধ্যও হয়েছিলো...



কিন্তু তার মৃত্যুর পর ভারতের বিগ ব্রাদারদের কাছে খালেদা জিয়াও "ড্যাম কেয়ার" হয়ে গেছেন....



হাসিনাতো ১৯৭৬ থেকেই দিল্লীর নকরানী....যে কিনা ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কারের মত পিতলের টুকরো পেয়ে গদগদ হয়ে যায় , যেই ইন্দিরা গান্দ্ধী ফারাক্কার পানি লুটের নাটের গুরু....





সিআইএ'র আরেকটি ডিক্লাসিফায়েড ডকুমেন্ট থেকে জানুন দেশের ন্যায্য পানির হিস্যা আদায়ের জন্য জিয়ার মেরুদন্ড কতটুকু সোজা ছিলো :



সেপ্টেম্বর ৩ , ১৯৭৬ , মেমোরান্ডাম অফ রেকর্ড , সিআইএ , বোস্টার - সিদ্দিকী কনভারসেশন :








ইমেজ - ১



ইমেজ - ২



ইমেজ - ৩



১৯৭৬ এ ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ অ্যাম্বেসেডর এম আর সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশে মার্কিন অ্যাম্বেসেডর ডেভিস বোস্টারের ভেতরকার আলাপ আলোচনা যেটি এম আর সিদ্দীকী ওয়াশিংটন রওনা দেবার আগে হয়েছিলো।



ইমেজ -১ থেকে যেটা জানা যায় , এম আর সিদ্দীকীকে জিয়াউর রহমান নির্দেশ দিয়েছিলেন ওয়াশিংটন পৌছে কুটনৈতিক দেনদরবার করতে যাতে সামনের জাতিসংঘ অধিবেশনে গংগার পানিবন্টনের বিষয়টা উত্থাপন করার পর মার্কিন সরকারের সমর্থন পাওয়া যায়।



এম আর সিদ্দিকীর মেরুদন্ডের দুর্বলতা বেশ ভালো ভাবেই বোঝা যায় সেখানে।

এম আর সিদ্দিকী জাতিসংঘে ফারাক্কা বাঁধ / গংগার পানি ইস্যুটা তোলার বিপক্ষে ছিলেন , কারন তার ধারনা জাতিসংঘে কোন ফল না হলে বিষয়টা ভয়াবহ প্রতিকূল হয়ে যাবে বাংলাদেশের জন্য।



তিনি বোস্টার কে বলেছিলেন ভারত তার প্রয়োজন মত যথেষ্ট পানি পাওয়ার পরও কেন অতিরিক্ত পানি প্রত্যাহার/ডাকাতি/লুট করছে তিনি সেটা বুঝতে পারছেন না।



কিন্তু জিয়া ঠিকই জিতেছিলেন পানির ন্যায্য আদায়ের সেই কূটনৈতিক যুদ্ধে.....



আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ফেলে ইন্দিরার কাছ থেকে বছরে ৪০০০০ কিউসেক পানি আদায় করে নিয়েছিলেন সোজা মেরুদন্ডের জিয়াউর রহমান......



১৯৭৭ এর ডিসেম্বরে ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই জিয়ার সাথে ৫ বছর মেয়াদী পানিবন্টন চুক্তি করেন.......

এপ্রিল ১৬ - ১৮ , ১৯৭৯ তে মোরারজি দেশাই বাংলাদেশ সফরের সময়ই ভারত বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের রূপরেখা প্রণয়ণ হয়......





এম আর সিদ্দিকীর কাছ থেকেই যেটা জানা যায় ভারতের পানি ডাকাতীর ব্যাপারে জিয়ার হার্ডলাইন পলিসির আগ পর্যন্ত জিয়া যথেষ্ট সতর্ক ছিলেন ভারতের সাথে কূটনীতি বিষয়ে মে , ১৯৭৬ এর আগ পর্যন্ত , একটি বারের জন্যও ভারতের কোন সমালোচনা করেন নি।



মে , ১৯৭৬ এর পর থেকেই জিয়া কড়া অবস্থান নেন ভারতের ব্যাপারে , এর কারন সম্ভবত ফারাক্কা ইস্যুতে মে ২ , ১৯৭৬ এ সম্পূর্ন ব্যর্থ হওয়া ভারত - বাংলাদেশ কারিগরী সংলাপ ।



নীচের ছবিটি মে ১৬ , ১৯৭৬ এ মাওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক ফারাক্কা লং মার্চের :









আলোচনা - সংলাপের নামে এইসব কূটনৈতিক টাল্টি ফাল্টি দাদাগিরি " বিগব্রাদার " ভারত এখন আরো বেশী করেই করে....



যাই হোক , এখনো জানার বাকী অনেক কিছু .......



কৃষি নির্ভর বাংলাদেশের খাল খনন আর ওয়াটার রিসোর্স নিয়ে জিয়া ১৯৭৬ থেকেই কোমর বেঁধে লেগে পড়েন।



একই সংগে এমন একটি রুগ্ন সেনাবাহিনীকে সুস্থ সবল করার কাজ হাতে নেন যেই সেনাবাহিনীর যথেষ্ট ইউনিফর্ম পর্যন্ত ছিলোনা মুজিব শাসনে !



বলা হয় বিএনপি ভারত জুজু দেখিয়ে রাজনীতি করে....



সিআইএ'র জুলাই ২ , ১৯৭৬ এর ডকুমেন্টসটি থেকে জানুন দেশ কে নিয়ে জিয়া তখন কি ভাবছিলেন :



জুলাই ২ , ১৯৭৬ , মেমোরান্ডাম অব কনভারসেশন , সিআইএ , রিয়ার অ্যাডমিরাল এম এইচ খান - সেক্রেটারী কিসিন্জ্ঞার :







ইমেজ - ১







ইমেজ - ২



ইমেজ- ৩



সম্প্রতি ফালানী হত্যাকান্ড নিয়ে বিএসএফ এর বর্ডার ক্রাইম সবার নজরে পড়েছে.....

কিন্তু বিগ ব্রাদার ভারত যে ১৯৭৬ থেকেই বাংলাদেশকে বর্ডারে জ্বালিয়ে যাচ্ছে সেটা জানতে পারবেন ইমেজ - ১ .....



ঐসব ভারতের পোষা ভেড়া দালাল বুজিদের ও জানা প্রয়োজন নিচের তথ্যগুলো যাদের কাছে ফেলানি হত্যাকান্ড ফেলনা.....



ইমেজ - ২ থেকে কি জানা যায় ?



হেনরী কিসিন্জ্ঞার :



আপনারা কি আমাদের (আমেরিকা) কাছ থেকে ঋন নিয়ে সামরিক অস্ত্র কিনতে চান ?



এম এইচ খান :



আমরা আমাদের যা কিছু সম্পদ আছে পুরোটাই উন্নয়ন কাজে লাগাতে চাই , আমাদের সামরিক সহায়তা প্রয়োজন



হেনরী কিসিন্জ্ঞার :



এখন আপনাদের অস্ত্রগুলো কোথায় আছে ?



এম এইচ খান :



আমাদের কিছুই নেই , মুক্তিযুদ্ধের পর ১৫ টি জাহাজে করে সব অস্ত্র ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে



হেনরী কিসিন্জ্ঞার :



আপনারা অস্ত্র গুলো ফেরত পেতে চান ?



এম এইচ খান : [ইমেজ - ৩ থেকে শুরু]



হ্যাঁ চাই , আমি আপনাকে খুবই খোলামেলা ভাবে জানিয়েছি পরিস্থিতি কি ।

আমি গর্ব নিয়েই বলতে চাই যে আমরা নিজেদের রক্ষা করার সামর্থ নিয়ে স্বাধীন মানুষের মতই বাঁচতে চাই



হেনরী কিসিন্জ্ঞার :



আপনি কি চাইনিজ দের সাথে কথা বলেছেন ?



এম এইচ খান :



পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা আর সেচ প্রকল্পে চাইনিজদের সহায়তা দেবার আগ্রহের ব্যাপারে মাত্রই কথা শুরু হয়েছে



...... সংলাপ ৮ - ১১



হেনরী কিসিন্জ্ঞার :



আপনি তাহলে নাভাল রিভিউ তে আসছেন ?



এম এইচ খান :



হ্যাঁ



হেনরী কিসিন্জ্ঞার :




আমি ওয়েনরাইটে ( শিপের নাম ) থাকবো । আমি আপনার শিপের জন্য অপেক্ষা করবো । আপনার শিপটি কোন ধরনের ?



এম এইচ খান :



আমার কোন শিপ নেই , মিস্টার সেক্রেটারী । যদি আপনি আমাকে একটির ব্যবস্থা করে দিতে পারেন তবেই সম্ভব



আশা করি যারা বাংলা পড়তে পারেন তাদের কে বোঝানোর প্রয়োজন হবেনা কোন শোচনীয় পর্যায় থেকে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে মেরামত করা শুরু করেছিলেন ........





মিয়ানমার সফরে সেখাকার সামরিক অস্ত্র কারখানা পরিদর্শন করছেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান

[ছবি কৃতজ্ঞতা -সিরাজ সাঁই]



আজকের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়ে যারা গর্বিত তাদের প্রয়োজনে জানিয়ে রাখছি মুজিবের কাছে অবহেলিত সেনাবাহিনীর ডিভিশন ছিলো ৫ টি ....



জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ডিভিশন সংখ্যা করেন ৯ টি , সেনা সংখ্যা ৬০০০০ থেকে ৯০০০০ এ বৃদ্ধি করেন।







ফুল রেসোলিউশন ইমেজ পেতে ক্লিক করুন



শুধু সেনাবাহিনীই নয় , জিয়াউর রহমানই বাংলাদেশ পুলিশের সংখ্যা ৪০০০০ থেকে ৭০০০০ এ বাড়ি্যে তোলেন ।



দাংগা পুলিশ বলে পরিচিত রিসার্ভড আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এবং ঢাকার মেট্রোপলিটন পুলিশ উনিই চালু করেন ।



অনেকেই জেনে বোধহয় চমৎকৃত হবেন বাংলাদেশ মহিলা পুলিশ জিয়াউর রহমানই প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৭৬ সালের ৮ ই মার্চ ।



অথচ এই জিয়াউর রহমানকে মৌলবাদী নেতার অপবাদ দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি অপটিমাম শ্রদ্ধা দেখানোর কারনে.....



এই জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ মহিলা পুলিশ কে এয়ারপোর্টে রোডস অ্যান্ড স্ট্রীট ডিউটিতে ডেপ্লয় করেছিলেন.......



এই জিয়াউর রহমানই মাদ্রাসার সিলেবাসে সায়েন্স , ইংরেজী , সমাজবিজ্ঞান অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন.......



এমনকি কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়েও তার তেমন আগ্রহ ছিলোনা......



প্রফেসর মার্কাস ফ্রান্ডার রিসার্চ পেপার থেকে ....





ফুল রেসোলিউশন ইমেজ পেতে ক্লিক করুন



সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে কলম্বোতে জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন সম্মেলনে যোগদান করেন এবং বাংলাদেশ ৭ জাতি গ্রুপের চেয়ারম্যান পদে পদোন্নতি লাভ করেন।



১৯৭৬ সালেই তিনি উলশি যদুনাথপুর থেকে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন উদ্বোধন করেন।



আজকের আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দীন খান আলমগীর ছিলেন জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচীর সমন্বয়ক কর্মকর্তা....



কাজের বিনিময়ে খাদ্য / কাবিখা ,

কাজের বিনিময়ে নগদ মজুরী এইসব মেধাবী ধারনা দিয়ে খাল খননকে একটি সফল কৃষি বিপ্লবে রূপ দিতে পেরেছিলেন......



শুধু কৃষির প্রয়োজনেই নয় , বর্ষায় ভারতের বাংলাদেশের দিকে ছেড়ে দেয়া বন্যার পানিও যাতে সারা বছর কৌশলে রিসার্ভ রাখা যায় সেটাও ছিলো জিয়াউর রহমানের একটি বুদ্ধিমান পরিকল্পনা যেটি তিনি শিখেছিলেন চীন সফর থেকে....





[ছবি কৃতজ্ঞতা -সিরাজ সাঁই]



হয়েছিলো অসংখ্য গরিব মানুষের কর্মসংস্থান , মোট খাল কাটা হয়েছিলো ১৪০০ টি......







১০০ কোটি টাকার কৃষি ঋন চালু করছিলেন জিয়া ....

মানুষকে বাড়ীর পাশে ফল-সব্জীর গাছ লাগাতে উৎসাহ দিতেন সব সময়.......

রাস্তার দু - পাশে গাছ লাগানোর জন্য বলতেন গ্রামের যুবকদের যে গ্রামেই তিনি যেতেন..... যেখান থেকে শুরু হয় সামাজিক বনায়ন........

গনশিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছিলেন জিয়াউর রহমান , অক্ষর জ্ঞান পেয়েছিলো ৪০০০০০০ মানুষ.....



প্রাথমিক গনশিক্ষা , বয়স্ক শিক্ষা এগুলো জিয়াউর রহমানের অবদান সেটা নতুন করে বলতে হবেনা আশা করি।







যেই জিয়াউর রহমানকে " সাম্প্রদায়িক " গালি দেয়া হয় আওয়ামী বাম বুজিদের তরফ থেকে সেই জিয়াউর রহমানই সব ধর্মের ধর্মীয় উৎসবের অনুষ্ঠান জাতীয় টেলিভিশনে প্রদশর্নের ব্যবস্থা করেন।



এমনকি ভারতীয় সাংবাদিকরা যেই বিষয়টির প্রশংসা করেছিলেন - বাংলাদেশের মিডিয়াতে ভারতের হিন্দু মুসলিম দাংগার খবর খুব সাবধানে ছাপানো হতো , প্রচার হতো - যেটি জিয়াউর রহমানের মিডিয়া কর্মীদের প্রতি কড়া নির্দেশ ছিলো......



ভারতীয় সাংবাদিকরা অবাকও হয়েছিলেন যে এই স্বাধীন দেশটিতে এখনো পর্যন্ত কোন সাম্প্রদায়িক বিগ্রহ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠেনি......



হিন্দু / বৌদ্ধ / ক্রিশ্চিয়ান বাংলাদেশীদের উদ্দেশ্যে বলছি ..... আপনাদের এগুলো জানা প্রয়োজন......



জানা প্রয়োজন আপনাদের ঘর পুড়িয়ে কারা আলুপোড়া খায়.....

আপনাদের ভুল বোঝার কারনে স্থিতিশীল মধ্যমপন্থার রাজনীতি ভারসাম্য হারাচ্ছে.....



সত্য কি মিথ্যা ক্রিশ্চিয়ান তুখোড় স্কলার মার্কাস ফ্রান্ডার কাছ থেকেই জানুন :





ফুল রেসোলিউশন ইমেজ পেতে ক্লিক করুন











১৯৮০ তে জিয়াউর রহমান হিন্দুদের আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক সমস্যা এবং অর্পিত সম্পত্তি দাবী গুলোর জন্য একটি কমিটি গঠন করেন।

অসংখ্য হিন্দু উৎসবে উনি বক্তব্য রেখেছেন , এমন সব উৎসব যেখানে হিন্দু - মুসলিম সবাই অংশ নিতে পারে সেগুলোকে উৎসাহ দিয়েছেন.....



বলতে বলতে জিয়াউর রহমানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন একটি অবদানের কথা বলা হয়নি.....

যেটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ফুসফুসের সবচেয়ে বড় প্রকোষ্ঠ ....




মিডল ইস্টে শ্রম বাজার .....

আজকের বাংলাদেশ বেঁচে আছে মধ্যপ্রাচ্যের ৭০০০০০০ / ৭০ লাখ শ্রমিকের আয় করা বিদেশী মুদ্রায়......



শুধু দেশের হা ভাতে বেঁচে থাকা গরীব কৃষকের জন্যই খাল খোড়েননি জিয়া , দেশের বেকার দরিদ্র ছেলেদের জন্য আরো একটি খাল খুড়েছেন.....



মধ্যপ্রাচ্যে শ্রম বাজারের এই ENTRY CHANNEL টিও খুড়ে দিয়ে গেছেন জিয়াউর রহমান.....

১৯৭৬ এ প্রথম জিয়াউর রহমান ৬০০০ শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পাঠান....

সেই ৬০০০ হাজার আজ ৭০০০০০০০ !




বিশ্বাস না হলে দেখুন :



BMET কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো



আওয়ামী লীগ যদি ১৯৭৬ সংখ্যাটি এখন গায়েব করে দেয় তাই আরো একটি লিংক দিচ্ছি ..........



আগেই জেনেছেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বাধা আসায় জিয়াউর রহমান মহিলা পুলিশ কে রোডস অ্যান্ড স্ট্রীট ডিউটিতে ডেপ্লয় করেও পরে উইথড্র করেছেন.....



সুতরাং ১৯৭৬ পরিস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের দালালদের বিচারের বিষয়টা যে কতবড় কূটনৈতিক বাধার সামনে ছিলো সেটা সহজেই অনুমেয়
..........



এমনকি ওয়ার ক্রাইম ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির নির্বাহী ড: এম এম হাসানও ২০০৮ এর নির্বাচন পূর্ব আরটিভির রোড টু ডেমোক্রেসী অনুষ্ঠানে স্বীকার করেছিলেন মুজিব - জিয়ার রিজাইমে এই বিচার করা অত্যন্ত দুরহ ছিলো।



অথচ দালালদের কে ক্ষমা প্রসংগে কখনোই মুজিবের মত সমান ভাবে জিয়া মুল্যায়িত হননা...........



বরন্চ্ঞ মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক - পেট্রো ডলার এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন শ্রম বাজারের যে বিশাল প্রাপ্তিটি তিনি নিশ্চিত করেছিলেন সেটা অনালোচিত থাকে , ধামাচাপা দেয়া হয়.........



আজ যেই সব বামরা মুক্তাংগনে দাড়িয়ে জিয়া কে গালি গালাজ করে সেই মুক্তাংগন জিয়াই তৈরী করেছিলেন তার বিরোধীদেরকে স্বাধীন ভাবে কথা বলতে দেয়ার জন্য......



অথচ এইসব বামরা ৭২-৭৫ পুলিশ আর রক্ষী বাহিনীর ঠ্যাংগানি খেয়ে শহীদ মিনারে দাড়াতেই পারতোনা.......



শুধু সেটাই নয় , আগে ভাবতাম জিয়ার আমলের বাইরে কেবল গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রীটা ডেভেলপ করেছে.......



পরে জানলাম গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রীও জিয়াউর রহমানই শুরু করে দিয়ে গেছেন.....



১৯৭৯ তে বাংলাদেশ - সাউথ কোরিয়া জয়েন্ট ভেন্চ্ঞার শুরু হয় বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানীযোগ্য বস্ত্র শিল্প প্রতিষ্ঠান দেশ গার্মেন্টস...

এই বিষয়টা নিয়ে সাউথ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কাছে জিয়াউর রহমান অনুরোধ করেছিলেন তখন...........ক্লিক করুন এখানে





মানুষের জীবন মানের উন্নয়নে জিয়াউর রহমানের চেয়ে আধুনিক মনস্ক রাষ্ট্র নায়ক আর নেই বাংলাদেশের ইতিহাসে......







বিটিভির কালার ট্রান্সমিশন জিয়াউর রহমান চালু করেন যখন ভারতেও রঙীন সম্প্রচার শুরু হয়নি.....

বিখ্যাত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান " যদি কিছু মনে না করেন " নির্মাতা ফজলে লোহানী কে লন্ডন থেকে দেশের মাটিতে নিয়ে আসেন জিয়াউর রহমান ..............



বিটিভির ২য় চ্যানেল চালু করেছিলেন জিয়া যা এরশাদ বন্ধ করে দিয়েছিলো....

জিয়াউর রহমানের সরাসরি নির্দেশে নতুন কুড়ি , স্কুল বিতর্ক অনুষ্ঠান গুলো চালু হয় বিটিভিতে...



৯৬ তে ক্ষমতায় এসে হীনমন্যতার চরম উদাহরন দেখিয়ে শেখ হাসিনা নতুন কুড়ি অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়.....

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের একাংশে শাহবাগের জাতীয় শিশুপার্কটি জিয়াউর রহমান করে গেছেন.....



দেশে আজ হাজারটা ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রাম কাসেম টিভি - ময়না টিভিতে ,

নন্দন , ফ্যান্টাসী কিংডমের মত রিক্রিয়েশন পার্ক.......

এসব কিছুরই পথিকৃত জিয়াউর রহমান......







জাতীয় শিশু পুরস্কার , জাতীয় টেলিভিশন পুরস্কার , স্বাধীনতা পুরস্কার , একুশে পদক এগুলো জিয়াউর রহমান চালু করেছেন......







অনেকেই বোধহয় জানেন না যে ১৯৭৯ 'র আগ পর্যন্ত একুশের বই মেলা ছিলো গাছতলার ছন্নছাড়া মেলা.......

জিয়াউর রহমানই বইমেলাকে বাংলা একাডেমীর দায়িত্বে নিয়ে আসেন ১৯৭৯ তে......

সে বছর থেকেই একুশের বই মেলা রাষ্ট্রীয় ভাবে পালিত হচ্ছে......



এ বিষয়ে একটা মজার অভিজ্ঞতা বলি......

চ্যানেল আইয়ের ২১'র বইমেলা থেকে লাইভ টেলিকাস্ট হচ্ছিলো ২০০৯ এর কোন এক বিকেল বেলা.....

আমার নিজের দেখা সে অনুষ্ঠান......

বিভিন্ন লেখক কবি সাহিত্যিকদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন শেখ হাসিনার এক্কা-দোক্কা খেলার সাথী লূৎফর রহমান রিটন.....

তেমনি এক সাহিত্যিকের সাক্ষাৎকার নেয়ার সময় যেই ঐ সাহিত্যিক বলে বসলেন একুশের এই মেলা ৭৯ থেকে সুষ্ঠুভাবে রাষ্ট্রীর উদ্যোগে পালিত হচ্ছে ওমনি আওয়ামী চাটুকার রিটন "আপনাকে ধন্যবাদ" বলে পই পই পই করে ক্যামেরা ঘুরিয়ে অন্য দিকে চলে গেলেন !



এফ ডিসির জন্যও জিয়াউর রহমান গাজীপুরে জমি বরাদ্দ করে গেছেন .....

এটাও বোধহয় অনেকে জানেন না যে রাষ্ট্রীয় অনুদানে সুস্থ চলচ্চিত্র নির্মান করার বিষয়টা জিয়াউর রহমানই চালু করেছেন....



সেজন্যই আমরা পেয়েছি দীপু নাম্বার -টু , আগুনের পরশমনি , শংখনীল কারাগারের মত নান্দনিক চলচ্চিত্র......



বাঙালী কে ডেইরী ফার্ম , পোল্ট্রী ফার্ম , নার্সারী এগুলো জিয়াউর রহমান ই শিখিয়ে দিয়ে গেছেন...... এইসব জ্বলজ্বলে সত্য নতুন করে বলার কিছু নয়......




অনেকেই বোধহয় জানেনা বাংলাদেশ শিশু একাডেমী জিয়াউর রহমানেরই প্রতিষ্ঠিত



উদার রাষ্ট্রনীতিতে পথচলা জিয়াউর রহমান ব্যাংকক থেকে এবিএম মুসাকে দেশে নিয়ে আসেন....

কুচক্রীরা যখন জিয়ার কানে বিষ ঢালছিলো এবিএম মুসা আওয়ামী লীগ পন্থী -



তখন জিয়া এবিএম মুসাকে জিজ্ঞেস করেন :



"আপনি নাকি আওয়ামী লীগ করেন ?"



জবাবে এবিএম মুসা বলেন :



"আমি আওয়ামী লীগ করিনা , মুজিব লীগ করি"



শুনে জিয়া হেসে ওঠেন , ওনাকে বলেন যত দ্রুত সম্ভব জিয়ার প্রতিষ্ঠা করা বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিউটের মহাপরিচালকের দায়িত্ব নিতে যেই দায়িত্ব এবিএম মূসা জিয়ার মৃত্যুর পরও পালন করে গেছেন.......



[ সূত্র : দিগন্ত টেলিভিশনে এবিএম মুসার দেয়া সাক্ষাৎকার ]



জাতীয় প্রেস ক্লাবটিও স্থায়ী জমি বরাদ্দসহ জিয়াউর রহমান তৈরী করে গেছেন ....



বাকশালে চাকরী চ্যুত সাংবাদিকদের চাকরীর ব্যবস্থা করার জন্য রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন "দৈনিক বার্তা" যেখানে চাকরী করেছেন কামাল লোহানীও



ঘোরতর আওয়ামীপন্থী খুশী কবিরের বাবা আকবর কবীর ছিলেন জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য.......





সাবেক অর্থমন্ত্রী আওয়ামী লীগ নেতা শাহ এ এম এস কিবরিয়া ESCAP এর নির্বাহীসচিব হয়েছিলেন জিয়াউর রহমানের সময়ে।



আরশাদুজ্জামান হয়েছিলেন OIC 'র সহকারী মহাসচিব....... যেখানে জিয়াউর রহমানের আগে আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশ সম্মান পাওয়া তো দুরের কথা , সাহায্য প্রার্থী গরীব দেশ হিসেবেই গন্য হতো...........ডেইলী স্টার / মে ৩১ / ২০০৮







এভাবে বলতে বলতে সব বলা হবেনা , অনেক কিছু বলতে ভুলেও যাবো ........

তবুও শেষ হবেনা ......



তবুও উইকি থেকে শেষ বারের মত টুকলী ফাই করে যাই :



১. জাতীয় সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ১ম বারের মত নারী আসন বাড়ানো



২. গ্রামাঞ্চলে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা প্রদান ও গ্রামোন্নয়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) গঠন ।



জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ এর ভালনারেবল সামাজিক নিরাপত্তার বাংলাদেশে ভিডিপির মাধ্যমে ৫৫০০০ সদস্যকে রাইফেল প্রশিক্ষিত করে তোলেন।



আশ্চর্য বিষয় যেটি সেই ভিডিপি মুজিবের লালঘোড়া বাহিনী রক্ষী বাহিনীর মত কুখ্যাত হয়নি.....

বরন্চ্ঞ জিয়াউর রহমানের সময়েই গ্রাম গন্জ্ঞে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রনে আসে যেটি জিয়াউর রহমানের প্রবল জনপ্রিয়তার একটি কারন......



সেই ভিডিপি এখনকার আনসারের সাথে ফিউসড হয়ে আনসার-ভিডিপি আকারে আজও বেঁচে আছে.......



৩. অসংখ্য রাস্তা-ঘাট নির্মাণ



৪. ২৭৫০০ পল্লী চিকিৎসক নিয়োগ করে গ্রামীণ জনগণের চিকিৎসার সুযোগ বৃদ্ধিকরণ



৫. কলকারখানায় ৩ শিফট চালু করে শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি



৬. যুব উন্নয়ন মন্ত্রাণালয় ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুব ও নারী সমাজকে সম্পৃক্তকরণ



৭. ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রতিষ্টা করে সকল মানুষের স্ব স্ব ধর্ম পালনের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিকরণ



৮. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধন



৯. তৃণমূল পর্যায়ে গ্রামের জনগণকে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করণ এবং সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে দেশ গড়ার কাজে নেতৃত্ব সৃষ্টি করার লক্ষ্যে গ্রাম সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন



১০. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আসনলাভ



১১. তিন সদস্যবিশিষ্ট আল-কুদস কমিটিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি





১২. জনশক্তি রপ্তানি, তৈরি পোশাক, হিমায়িত খাদ্য, হস্তশিল্পসহ সকল অপ্রচলিত পণ্যোর রপ্তানীর দ্বার উন্মোচন



১৩. শিল্পখাতে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রের সম্প্রসারণ



১৪. উপজাতীয়দের জন্য কালচারাল একাডেমী গঠন



১৫. বড় পুকুরিয়ার কয়লা , মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলা জিয়াউর রহমানের সময়েই আবিষ্কৃত হয়




শুরুতেই আপলোড করা জানুয়ারী ১৯ , ১৯৭৬ , সিআইএ টেলিগ্রাম নাম্বার ০৩২৫/০৯৫০Z টির ইমেজ ৩ , ৪ , ৫ , ৬ পড়ে দেখুন।



কি দেখছেন সেখানে ?

স্কুল-কলেজের ছাত্রদের জন্য সুইমিং পুল , জিম , লাইব্রেরী এসবের জন্য জিয়া সাহায্য চেয়েছিলেন আমেরিকার কাছে.....



একেই বলে দেশ নায়ক.....





জিয়াউর রহমান তার মায়ের মত দেশটার আনাচে কানাচে কিভাবে ঘুরে বেড়িয়েছেন .......

কিভাবে খবর নিয়েছেন গোয়ালা থেকে কৃষক......

তাতি থেকে মুচি.......

আবাল - বৃদ্ধ - বণিতা সবার.....

তা জানা যায় মার্কাস ফ্রান্ডার কাছ থেকে.....











ফুল রেসোলিউশন ইমেজ -১



ফুল রেসোলিউশন ইমেজ -২



মাসের ১৫ দিনই জিয়া ঢাকার বাইরে থাকতেন , খুব ভোরে নাস্তা খেয়ে বের হতেন , সন্ধ্যা হওয়ার আগেই ফিরে আসতেন...... হেলিকপ্টারে করে দেশের আনাচে কানাচে ছুটে যেতেন.......কখনো জীপ গাড়ী ...... কখনো মাইলের পর মাইল হেঁটেছেন মুক্ত মাতৃভূমির সবুজ জমিনে পরমানন্দে.......







আর এভাবেই

৭১'র মেজর জিয়া ,

৭৬'র জেনারেল জিয়া ,

৭৮'র প্রেসিডেন্ট জিয়া কোমর ভাঙা নড়বড়ে মেরুদন্ডের মাতৃভূমিকে সুস্থ সবল করেছেন ।



১৯৮১ 'র ৩০ মে এই ক্ষনজন্মা রাষ্ট্রনায়কের মৃত্যুতে বিশ্বের ইতিহাসে বৃহত্তম শবযাত্রা হয়েছিলো ...... শুধু ঢাকার রাস্তায় ঢল নেমেছিলো ৩০ লাখ মানুষের.......









আজ ১৯ শে জানুয়ারী........

আজ এই দেশমাতৃকার এক বিরল সাহসী সন্তান কমলের জন্মদিন.......

আজ কিংবদন্তী রাষ্ট্রনায়ক বীরউত্তম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর শুভ জন্মদিন......









সেই স্মরন- শ্রদ্ধা থেকেই ব্লগটি উৎসর্গ করা হলো সকল "বাংলাদেশী"কে.......

মন্তব্য ২৭৯ টি রেটিং +১৮৬/-৭

মন্তব্য (২৭৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১৭

শিকারী বলেছেন:
-

জিয়া খুব খারাপ ছিলেন, তিনি যদি বিএনপি না বানাতেন তাহলে দেশ প্রেমিক আম্লীগ ও তাদের পোষা রামপন্হী বামরা মিলে দেশটাকে দাদাদের করদ রাজ্য পরিনত করে সুখের নহর বইয়ে দিত|

জিয়া আম্লীগের সেই দুধের ভাতে বিএনপি নামক এক মুঠো ছাই ঢেলে দিয়ে গেল :(


১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৪

দাসত্ব বলেছেন: থাক আজকে আর কোন কুস্তিতে না যাই , আওয়ামী লীগ কেমন দল সেটা মানুষ জানতেসে নতুন করে , ৭২-৭৫ এ একবার জানসিলো...

২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১৮

সাধারণমানুষ বলেছেন: পোষ্টে অনেক নতুন তথ্য পেলাম। এমন একটা ইনফরমেটিভ পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ :)

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৪

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ সাধারন মানুষ

৩| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৩

কেলকুলাস বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান যে কারণে মুক্তিযোদ্ধা না

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৭

দাসত্ব বলেছেন: করতে দেন আওয়ামী লীগ কে , এরা পতনের জন্যই লাফায়.....

৪| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৭

লুৎফুল কাদের বলেছেন: জিয়া যে দেশ প্রেমিক ছিল এতে কিছু বাকশালী ছাড়া আর কারো সন্দেহ নাই. কিছু লিঙ্ক কাজ করতেছেনা. ধন্যবাদ এবং প্রিয়তে.

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৮

দাসত্ব বলেছেন: কোন লিংক কাজ করতেসেনা , বিএমইটি 'র লিংক ?

৫| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৭

দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: হুম, প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাসনামলের বেশ কিছু পজিটিভ পদক্ষেপ তুলে ধরেছেন।

তবে, একটা জিনিস মনে রাখা উচিত, আজকে যদি বাংলাদেশে কোনভাবে স্বৈরশাসন সুরু হয়, আর স্বৈরশাসক যদি মোটামুটি মানের নেতাও হন, তাহলেও অনেক পজিটিভ পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যেগুলো হয়ত দেশের কোন "গণতান্ত্রিক" সরকার নেবেনা, বা, নেওয়ার সাহস পাবেনা।

তাহলে কী দাঁড়াল, স্বৈরশাসনই ভাল? মোটেও তা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে এইটা দেশের ক্ষতিই করে, আর একবিংশ শতাব্দিতে এসে গণতন্ত্র ছাড়া কোনভাবেই সামনে এগিয়ে চলা সম্ভব নয়।

জিয়া ভাল পদ্ক্ষেপ নেন আর নাই নেন, তিনি অবৈধভাবেই ক্ষমতায় এসেছিলেন, অত্যন্ত অ-গণতান্ত্রিক পথেই তার উত্থান। তখনকার হিসাবে দেশের কিছু সাময়িক সুবিধা হলেও, যখন লোকে ১০০ বছরের হিসাব নিকাশ করতে বসবে, তখন এটাকে পিছিয়ে যাওয়া হিসেবেই দেখবে।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৩

দাসত্ব বলেছেন: স্বৈর শাসকের জানাজায় লাখে লাখে মানুষের ঢল নামেনা.....

ক্ষমতায় আসতে জিয়ার বন্ধুক লাগে নাই ,
৫ বছর ৬ মাসের শাসনে তার প্রতি মানুষের ভালোবাসা বাড়তে বাড়তে কোন চূড়ায় গেছে সেটা তার মৃত্যুর দিন বোঝা গেছে.....

বিনা বাতাসে গাছ নড়ে নাই.....

জনসংখ্যা সমস্যা আর মিডল ইস্টের ম্যান পাওয়ার মার্কেটের কাজটা জিয়া না করে গেলে ২৫ কোটির বেশী জনসংখ্যা + ৭০ লাখ অতিরিক্ত বেকার মিলে বাংলাদেশ হতো গৃহযুদ্ধের এক পাগলা গারদ........ প্রতি সপ্তাহে কাউন্টেড যৌতুকের কেস হতো ২০০....

৬| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৮

লুৎফুল কাদের বলেছেন: @ কেলকুলাস জিয়া মুক্তিযোদ্ধা আছিলনা তুমি মুক্তিযোদ্ধা এইবার যাও বইয়া বইয়া ঘন্টা বাজাও.

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৩

দাসত্ব বলেছেন: কেলকুলাসকে আপনি ভুল বুঝছেন ...... কেলকুলাস আওয়ামী লীগের হীনমন্যতার বিপক্ষেই কথা বলতেসে....

৭| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩০

মোঃ জাকির হোসেন খান বলেছেন: উপরের সব ঠিক আছে। তারপরেও বলতে হয় জিয়া দেশপ্রেমিক ছিলেন বলেই তার জীবনদাতা কর্ণেল তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিলেন (ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেছিলেন)। এতবড় বিশ্বাসঘাতকতা ইতিহাসে বিরল। জিয়া দেশপ্রেমিক ছিলেন বলেই রাজাকার আজিজকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। জিয়া দেশপ্রেমিক ছিলেন বলেই মার্শাল ল দিয়ে ক্ষমতায় বসে ক্ষমতার লালসায় ক্ষমতা ছেড়ে না দিয়ে রাজনৈতিক দল গঠন করেছিলেন। জিয়া হচ্ছেন একজন দুধের ধোঁয়া তুলশি পাতা।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৬

দাসত্ব বলেছেন: তাহের এর বিষয়টা নিয়ে পোস্ট আসবে...... অস্থির হওয়ার কিসু নাই.... তাহের কি করতে চাইসিলো সেটা জানবেন , প্রমান সহ জানবেন.......

রাজাকার মোশতাক শেখ মুজিবের জানে জিগার ছিলো .....
খুনী ভুট্টো কে মুজিব চুমু খাইসেন.....
৭৩ 'র ইলেকশনে রাজাকাররা পর্যন্ত ক্যান্ডিডেট ছিলো.....

অনেক অজানা কিসুই জানার আছে.....

৮| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৭

শিকারী বলেছেন:
@দি ফিউরিয়াস ওয়ান :

জিয়ার কোন কোন কাজের দরুন আপনার মনে হয় দেশ ১০০ বছর পিছাইয়া গেছে......??


একটু লিষ্টি দেন....

৯| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৩

শিকারী বলেছেন:
@ মোঃ জাকির হোসেন খান :


তাহের জিয়াকে জীবন দিছে.......!! কস্কিরে মমিন, তাহের কি আল্লাহ-ভগবান ছিল না-কী?

কোন মাথা নষ্ট আম্লীগার কোলে বসাইয়া তোমারে এই ইতিহাস শুনাইয়া শুনাইয়া ঘুম পাড়াইছে, বল দেখি?


সিপাহী-জনতা সেদিন জিয়াকে বন্দি দশা থেকে মুক্ত করেছে, কোন তাহের নয়|

সেই বিপ্লবে লাখো জনতা ঢাকার রাস্তায় ট্যংকের উপড় সীপাহীদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে শ্লোগান তুলেছিল|

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ!
মেজার জিয়া জিন্দাবাদ!


১০| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৭

লুৎফুল কাদের বলেছেন: সেপ্টেম্বর 3rd, ১৯৭৬ ইমেজ ১ এবং জুলাই ২, ১৯৭৬ ইমেজ ২ লিঙ্ক কাজ করতেছেনা.

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫১

দাসত্ব বলেছেন: এই ২ টা লিংক না , আপলোডেড ইমেজ , ব্রোকেন কেন দেখাইতেসে বুঝতেসিনা , আমার এখানে সুন্দর দেখাইতেসে..

১১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৮

ইচ্ছে বলেছেন: বিশাল কাজ করছেন

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০১

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ ইচ্ছে...

১২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫১

পিটার প্যান বলেছেন: সিআইএ জিন্দাবাদ। সিআইএ ৭১এ দেশপ্রেমিক ছিনছিলো আবার ৭৬ এও দেশপ্রমিক ছিনছে। ওদের দেশপ্রেমিক চিনতে কখনও ভুল হয় না।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০৪

দাসত্ব বলেছেন: আপনি সাধারন মানুষের সাথেই পোস্টটা নিয়ে আলোচনা করুন.....

জেগে থেকে ঘুমানোর ভান মানুষের সাথে আলোচনা চলেনা.....

এই একই সিআইএ ডক গুলা যদি মুজিবের হতো তো ১০ টা পত্রিকা আর ১০ চ্যানেল মিলে ঢাক ঢোলা তো পেটাতেন ই , মিলাদ মাহফিল ও পড়াতেন.....

১৩| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫১

সাইক চৌধুরী বলেছেন: খুব ভালো লাগল । আপনার বিশ্লেষনের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:২৩

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ সাইক...

১৪| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: আপনার কথায়ই বুঝা যাচ্ছে জিয়া পরিবার পরিকল্পনা প্রোগ্রাম সৃষ্টি করেন নি, যাষ্ট ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছেন।
আর অস্ত্র চায় নাই বলছেন ... সেই নৌ প্রধান কে দিয়ে কান্নাকাটি করে সেই অস্ত্রই তো চাইলেন।
এই সব কাহিনী আর আগে-পরে মার্কিন লিংক তো সবারই জানা ।।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:২৯

দাসত্ব বলেছেন: পরিবার পরিকল্পনা পোগ্রাম আইয়ুব খানের আমলেও ছিলো....

কথা হচ্ছে এই সিআইএ ডকুমেন্ট সাক্ষী দিচ্ছে জিয়ার কাছে দেশের প্রধান সমস্যা ছিলো কোনটি......

এখানেই জিয়ার দেশপ্রেম বোঝা যায়......

আর অস্ত্রের ব্যাপারে যেটা বললেন আপনি কোন দেশের পক্ষে কথা বলছেন ঠিক বুঝলাম না.....

ব্লগে ট্যাগিং নিয়ে তোলপাড় হচ্ছে.....তাই সেভাবে কিছু বললাম না...

নিজের মাতৃভূমির অস্ত্রহীন সেনাবাহিনীকে "কান্নাকাটি" শব্দ দিয়ে যেই টিটকারীটা করলেন তাতে আবারো বোঝা গেলো আপনাদের মত লোকের কাছে দেশের চেয়ে আওয়ামী লীগ আর মুজিব বড়.....

আর কোথায় কি লিংক জানা আছে আপনার সেটা জাতিকে জানান অনুগ্রহ করে.....

১৫| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০১

রুটিন ছাড়া বলেছেন: ইন্টারেস্টিং পোষ্ট ........কর্নেল তাহের এর ব্যাপরে আপনার পোষ্ট এর অপেক্ষায় থাকলাম।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৩০

দাসত্ব বলেছেন: পোস্ট আসবে ...... হয়তো একটু সময় লাগবে... ধন্যবাদ

১৬| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০৩

শিকারী বলেছেন:
-

ওগো হাসান দাদা:

অন্যের পোষ্টে কমেন্ট করার আগে নিজের পোস্টের খবর নেন|

নিজের পোষ্টে কিন্তু বিরাট জুতা পেটা চলতাছে ....... ;)

১৭| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০৩

স্বাধীকার বলেছেন: তথ্য প্রমান ভিত্তিক পোস্টের জন্য লেখককে ধন্যবাদ। +++

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৩০

দাসত্ব বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

১৮| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০৬

রাকা ও আমি বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেক তথ্যবহুল পোষ্ট। অনেক কিছু জানলাম।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৩১

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ

১৯| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০৭

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++

“১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসে ভারত সরকারের সাথে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার প্রশাসনিক, সামরিক, বাণিজ্যিক, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে একটি সাতদফা গোপন সমঝোতা চুক্তি সম্পাদন করেন। চুক্তিগুলো নিম্নরূপ:
১. প্রশাসনিক বিষয়ক: যারা সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে শুধু তারাই প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে নিয়োজিত থাকতে পারবে। বাকীদের জন্য জায়গা পূরণ করবে ভারতীয় প্রশানিক কর্মকর্তাবৃন্দ।

২. সামরিক বিষয়ক: বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশে অবস্থান করবে। ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাস থেকে আরম্ভ করে প্রতিবছর এ সম্পর্কে পুনরীক্ষণের জন্য দু’দেশের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

৩. বাংলাদেশের নিজস্ব সেনাবাহিনী বিষয়ক: বাংলাদেশের নিজস্ব কোন সেনাবাহিনী থাকবেনা। অভ্যন্তরীণ আইন-শৃংখলা রক্ষার জন্য মুক্তিবাহিনীকে কেন্দ্র করে একটি প্যারামিলিশিয়া বাহিনী গঠন করা হবে।

৪. ভারত-পাকিস্তান সর্বাত্মক যুদ্ধ বিষয়ক: সম্ভাব্য ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে অধিনায়কত্ব দেবেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান। এবং যুদ্ধকালীন সময়ে মুক্তি বাহিনী ভারতীয় বাহিনীর অধিনায়কত্বে থাকবে।

৫. বণিজ্য বিষয়ক: খোলা বাজার ভিত্তিতে চলবে দু’দেশের বাণিজ্য। তবে বাণিজ্যের পরিমাণের হিসাব নিকাশ হবে বছর ওয়ারী এবং যার যা প্রাপ্য সেটা র্স্টার্লিং এ পরিশোধ করা হবে।

৬. পররাষ্ট্র বিষয়ক: বিভিন্ন রাষ্ট্রের সংগে বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রশ্নে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংগে যেগাগাযোগ রক্ষা করে চলবে এবং যতদুর পারে ভারত বাংলাদেশকে এ ব্যাপারে সহায়তা দেবে।

৭. প্রতিরক্ষা বিষয়ক: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিষয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করবে ভারত।

” (অলি আহাদ রচিত “জাতীয় রাজনীতি ১৯৪৫ থেকে ৭৫”, বাংলাদেশ কোঅপারেটিভ বুক সোসাইটি লি: প্রকাশিত, চতুর্থ সংস্করণ ফেব্রুয়ারী ২০০৪, পৃষ্ঠা-৪৩৩,৪৩৪)।

******************************
মুজিব ভারতীয় সেনাবাহিনীকে তাড়িয়েছিলেন কিন্তু চুক্তির অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই এড়াতে পারেন নি। এ কারণেই স্বাধীন বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী ছিল নখ-দন্তহীন বাঘ। শহীদ জিয়ার জন্যই বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী মজবুত ভিত্তির উপর দাড়াতে পেরেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও চীনের সাথে বাংলাদেশের সু-সম্পর্ক জিয়ার একক অবদান। আপনাকে ধন্যবাদ।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৩৩

দাসত্ব বলেছেন: মুজিব ভারতীয় সেনাবাহিনীকে তাড়িয়েছিলেন কিন্তু চুক্তির অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই এড়াতে পারেন নি। এ কারণেই স্বাধীন বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী ছিল নখ-দন্তহীন বাঘ। শহীদ জিয়ার জন্যই বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী মজবুত ভিত্তির উপর দাড়াতে পেরেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও চীনের সাথে বাংলাদেশের সু-সম্পর্ক জিয়ার একক অবদান।

সহমত

২০| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০৮

কেলকুলাস বলেছেন: @লুৎফুল কাদের , মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে সেক্টর কমান্ডার হিসাবে জিয়াউর রহমানের নাম নেই ।সেটা আমি সমালোচনা করেছি ব্লগে ।

উপরে আমার মন্তব্যের ঘরে আসলে সেই পোস্টের লিংক দেয়া ।

২১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:১০

ইউনুস খান বলেছেন: অসাধারণ! আপনাকে স্যালুট।

এই তথ্যবহুল পোস্টগুলো কয়জনেই বা দিতে পারে।

+++++++++++++++++

জিয়াউর রহমানকে জন্মদিনে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪১

দাসত্ব বলেছেন: জিয়াউর রহমানকে শুভ জন্মদিনে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরন করি....
ধন্যবাদ কমরেড

২২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:১৬

তাহ্িনয়া বলেছেন: onek totthobohul post. janlam. col taher er post er jonno wait korchi . boi akarey ber korun . amra jara muktijuddho , mujib , ziar shashonamol dekhini tara onek kichu janina . bhalo mondo shob shotti jantey chai.

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪২

দাসত্ব বলেছেন: হমমমমম..... দেখা যাক , ভবিষ্যতে হয়তো বই বের করতেও পারি......

২৩| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:২৫

জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: ...শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৭৫ তম জন্মবার্ষিকীতে তাকে স্মরন করছি পরম শ্রদ্ধার সাথে...দেশের ইতিহাসে তিনি একমাত্র রাষ্ট্রনেতা যিনি সকল ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধে নিজেকে স্থাপন করতে পেরেছিলেন...

ব্লগ এবং ব্লগারকে শুধু ধন্যবাদ দেয়া আসলে পুরস্কার নামের লজ্জা দেয়া। দাসত্ব যে কতবড় ব্লগার তার প্রমান সে ইতিমধ্যে রেখেছে। এই অসাধারন তথ্যসমৃদ্ধ ব্লগে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য দ্বিগ্বিজয়ী রাষ্ট্রনায়ক কে এই প্রজন্মের কাছে সে নিয়ে এসেছে তার জন্যে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদি বিশ্বাসী লোকজন তার কাছে অনেক ঋনি হবে বলেই আমার বিশ্বাস।

আর যারা কাল্টিজমের মাধ্যমে এখানে মাইনাস দিয়ে যাচ্ছে তাদের প্রতি রইল তীব্র ধিক্কার। এই দেশ কে নিয়ে যে তারা ভালো চিন্তা করতে পারেনা সেটাই প্রমান তারা রেখেছে।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪৪

দাসত্ব বলেছেন: শুভ ভাই , এদের দেশপ্রেমের নমুনা দেখেন , দেশের সেনাবাহিনীর জন্য অস্ত্র সাহায্য চাওয়া - এরা সেটার বিরোধীতা করে , এটা নাকি "কান্নাকাটি".......

এরা কোন দেশের মানুষ আসলে......

২৪| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪২

ইউনুস খান বলেছেন: জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন:বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য দ্বিগ্বিজয়ী রাষ্ট্রনায়ক কে এই প্রজন্মের কাছে সে নিয়ে এসেছে তার জন্যে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদি বিশ্বাসী লোকজন তার কাছে অনেক ঋনি হবে বলেই আমার বিশ্বাস।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪৬

দাসত্ব বলেছেন: নাহ , একটু বেশীই বলা হয়ে গেলো , এত বড় কিছু বোধহয় করি নাই..... যত টুকুই লিখসি নিঃস্বার্থ ভাবেই লিখসি......

ইউনুস ভাই , এগুলো একটু প্রচারের ব্যবস্থা করেন.....
নতুন প্রজন্মতো কিসুই জানেনা । মিডিয়া আওয়ামী লীগের পক্ষে....
ওরাও জানাবেনা ........

আমাদের কেই দায়িত্ব নিতে হবে....
যত অনলাইন ফোরামে আপনি আছে , নেটওয়ার্কিং সাইটে আছেন .. সব জায়গায় শেয়ার করেন......

২৫| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪৪

ইউনুস খান বলেছেন: বস এই পোস্ট টা একসময় দেখে নিয়েন -
Click This Link

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪৮

দাসত্ব বলেছেন: ঐ পোস্ট ভালো মত দেখবো পরে..... ওয়াচে থাকলো.....

২৬| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:০০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: পিটার প্যান একটা দারুন কথা বলেছেন:

সিআইএ জিন্দাবাদ।

সিআইএ ৭১এ দেশপ্রেমিক চিনছিলো।

আবার ৭৬ এও দেশপ্রমিক চিনছে।

ওদের দেশপ্রেমিক চিনতে কখনও ভুল হয় না।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৫১

দাসত্ব বলেছেন: এর আগেও একটা ব্লগে আপনার একই সমস্যা দেখলাম.....
আপনি ব্লগ পড়েন না , শিরোনাম দেখে কমেন্ট করেন......

ব্লগ পড়েন , তারপর কমেন্ট করেন , নইলে বিনোদনের খোরাক হবেন

২৭| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:০৫

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ পিটার প্যান ও হাসান আগে দেখেন;

হাসিনার নিজামী ও এরশাদের পাশে বসা কোন ব্যাপারই নাঃ যেখানে ২০০০ সালে হেনরী কিসিঞ্জার হতে পুরস্কার নেন

Click This Link

২৮| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: "কান্নাকাটি" শব্দ দিয়ে টিটকারী করিনাই

প্রসংগ ট আপনিই তুলেছিলেন।

প্রথম আলোকে সায়েস্তা প্রসংগে বলেছিলেন
সেখানে দেখানো হয়েছিলো জিয়াউর রহমান নাকি আমেরিকা থেকে অস্ত্র কেনার জন্য মুখিয়ে আছেন মুজিব মারা যাবার পর ভারতের আক্রমন ঠেকানোর জন্য.....

আসলে মুখিয়ে যে ছিলেন .. এটা তো প্রমানই হয়ে গেল।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৫৫

দাসত্ব বলেছেন: জিয়া শুরুতে বোস্টারের কাছে জনসংখ্যা সমস্যা আটকানোর কথা বলেছেন সেটা কি আপনি চোখে দেখেন নি ?

কি আজব এক লোক আপনি !

আর সেনাবাহিনীর জন্য সামরিক সহায়তাতো চাইতেই হবে , ভারত সব ১৫ টা জাহাজে করে নিয়ে যাওয়ায় আপনার কোন অনুভুতি হচ্ছেনা , অথচ নিজদেশের সেনাবাহিনীর জন্য অস্ত্র চাওয়ায় আপনার অসহ্য লাগতেসে......

এগুলো পাবলিক প্লেসে বলবেন না ,
আমি ভালোভাবেই বললাম , ট্যাগিংও করলাম না ,

পাবলিক প্লেসে এগুলো বললে অজ্ঞান হওয়ার মত গালিগালাজ শুনবেন

২৯| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১৭

সুরবিলাসী শাহরিয়ার বলেছেন: পোস্ট পড়ে ভাল লাগলো ।
আর কিছু জ্ঞানী,তবে অন্ধ লোকের মন্তব্য পড়ে বিনোদন পেলাম । B-)) B-)) B-)) B-))

যাহাই উপস্থাপন করা হউক না কেন, যত প্রমাণই দেখানো হউক না কেন, কোন লাভ নাই । প্রতিটি মানুষের প্রাপ্য সম্মান দিতে এদের বড় কুণ্ঠাবোধ । /:) /:)

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:২৬

দাসত্ব বলেছেন: যাহাই উপস্থাপন করা হউক না কেন, যত প্রমাণই দেখানো হউক না কেন, কোন লাভ নাই । প্রতিটি মানুষের প্রাপ্য সম্মান দিতে এদের বড় কুণ্ঠাবোধ


সহমত

৩০| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: ২০০০ সালে হেনরী কিসিঞ্জার নিজ হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

কিসিঞ্জারের ই লজ্জা হওয়া উচিত ছিল।

আততায়ীর হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলাম, আবার এই হাতেই তার কন্যা কে স্মমানিত !

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:২৮

দাসত্ব বলেছেন: আপনারই লজ্জা হওয়া উচিত ভুল জেনে , না জেনে তর্কে জড়াচ্ছেন...
চোখের সামনে প্রমান দলিল দেখানোর পরও কিসুই দেখেন না....

৩১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২৯

জাহাজী পোলা বলেছেন:
অনেক কিছু জানলাম। ভাল লাগলো।



অনেক পরিশ্রমের পোস্ট বুঝা যাচ্ছে।


ধন্যবাদ

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:২৭

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ জাহাজী পোলা

৩২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২৯

দি ব্লগার৪৪ বলেছেন: ব্যক্তিগত ভাবে আমি বিশ্বাস করি, তৎকালিন প্রেক্ষাপটে যদি জিয়ার আবির্ভাব না হত, তাহলে বর্তমান বাংলাদেশের অবস্থা হত উগান্ডা, রুয়ান্ডা, সোমালিয়ার চাইতেও ভয়াবহ। তথ্যবহুল চমৎকার এই পোস্টটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ! আপনার কাছ থেকে এধরনের আরো অসংখ্য পোস্টের অপেক্ষায়...........

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৩০

দাসত্ব বলেছেন: ব্যক্তিগত ভাবে আমি বিশ্বাস করি, তৎকালিন প্রেক্ষাপটে যদি জিয়ার আবির্ভাব না হত, তাহলে বর্তমান বাংলাদেশের অবস্থা হত উগান্ডা, রুয়ান্ডা, সোমালিয়ার চাইতেও ভয়াবহ।

১০০ % সহমত , থাম্বস আপ

৩৩| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২৯

দি ব্লগার৪৪ বলেছেন: ব্যক্তিগত ভাবে আমি বিশ্বাস করি, তৎকালিন প্রেক্ষাপটে যদি জিয়ার আবির্ভাব না হত, তাহলে বর্তমান বাংলাদেশের অবস্থা হত উগান্ডা, রুয়ান্ডা, সোমালিয়ার চাইতেও ভয়াবহ। তথ্যবহুল চমৎকার এই পোস্টটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ! আপনার কাছ থেকে এধরনের আরো অসংখ্য পোস্টের অপেক্ষায়...........

৩৪| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৩২

নষ্ট ছেলে বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট+++++++++++
অনেক অজানা তথ্য জানলাম :) আওয়ামী মিডিয়াতে যেগুলো কখনোই প্রচার করা হয় না।

কর্নেল তাহেরকে নিয়ে পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম...

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৫৮

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ নষ্ট ছেলে........
ব্লগে আরো একজন ন্যাশনালিস্ট নষ্টছেলে আছেন , আমি আপনাকে তার সাথে গুলায়া ফেলসিলাম....

আওয়ামী মিডিয়াতে প্রচার না হলেও আমরা বিএনপির লোকজন বসে আছি কেন , আপনি আপনার কিছু বন্ধু বান্ধবে কে , তারা আরো কয়েকজনকে জানাবে , এইভাবেই ছড়ায়া পড়বে.......

কর্নেল তাহেরের পোস্টটা একটু সময় নেবে......

৩৫| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৩৩

একলা একজন বলেছেন: ফিউরিয়াস ওয়ান, ১০০ বছর পর যখন ইতিহাস বিচার হবে বাংলাদেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করার জন্য মানুষ খুজে পাবে শুধু ৭১-৭৫, ৯৬-০১ আর চলমান বাকশালী শাসন। চোখ খুলুন।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:০০

দাসত্ব বলেছেন: আমার ধারনা ফিউরিয়াস ওয়ান আমার রিপ্লাই এর পটেনশিয়াল টা ক্যাচ করতে পারসেন , সেজন্য আর তর্কে জড়াচ্ছেন না।

৩৬| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৩৫

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: হেনরী কিসিঞ্জার নিজের ইচ্ছায় ঢাকায় আসেন নি, বরং হাসিনাই ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্যই নির্লজ্জ বেহায়ার মতন পিতৃ হত্যাকারীর হুকুম দাতা হেনরী কিসিঞ্জারকে ডেকে নিয়ে আসছেন। হাসিনা এমনই ক্ষমতা লোভী যে প্রয়োজন পড়লে মুজিব হত্যাকারী মেজর (অব) নূরের পা ধুয়ে পানি পান করতে কোন প্রকার দ্বিধা করবে না। যেমন নেত্রী তেমনই তার দলের সমর্থক, তাই এই কারণে হেনরী কিসিঞ্জারের হাত হতে পুরস্কার নেওয়ায় মুজিবের আত্না খুব হয়েছিল বলে মনে হচ্ছে :)

৩৭| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৩৬

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: দুঃখিত খুব খুশী হয়েছিল পড়তে হবে।

৩৮| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৫২

াঢারে ালো বলেছেন: বিএনপির মিডিয়া উইঙ খুবই দূর্বল,কতগুলা চোর-চাট্টা কয়েকটা টিভি চ্যানেল খুলে শুধু নিজেদের আখেরই গুছিয়েছে ৷ আপনার পোস্ট নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই,সরাসরি আমার শোকেসে নিলাম ৷ নতুন বাংলাদেশের "স্বপ্নদ্রষ্টা" শহীদ জিয়াকে তার জন্মদিনে গভীর শ্রদ্ধা

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:০১

দাসত্ব বলেছেন: " বিএনপির মিডিয়া উইঙ খুবই দূর্বল,কতগুলা চোর-চাট্টা কয়েকটা টিভি চ্যানেল খুলে শুধু নিজেদের আখেরই গুছিয়েছে ৷"

১০০ ভাগ সহমত , ধন্যবাদ আধারে আলো

৩৯| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৫৩

নষ্ট ছেলে বলেছেন: @হাসান কালবৈশাখী,
হাসিনার এতই যখন আত্মমর্যাদাবোধ তাইলে নিজের পোলায় কিভাবে আমেরিকা কামলা দেয়? বিয়াও করছে একটা আমেরিকান। আবার নিজের মাইয়ারে বিয়া দিছে এক রাজাকারের পোলার লগে!

তবে হ্যাঁ হাসিনা একটা জিনিস খুব ভাল পারে, সেটা হল অভিনয়। তার সাথে তুলনা দেওয়ার মত কোন অভিনেত্রী বাংলাদেশ পয়দা হয় নাই । কোন রিহার্সেল ছাড়াই তিনি এখন পর্যন্ত দারুন দক্ষতার সাথে অভিনয় করে যাচ্ছেন। কোন একটা ছবিতে অভিনয় করলে চোখ বন্ধ কইরা অস্কার পাইত।

৪০| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:০৯

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: ভাই নষ্ট ছেলে, কয়েকদিন আগে হাসিনা বলেছেন বাংলার ঘরে ঘরে হাসিনা হাসি ফুটিয়ে উনি মুজিব হত্যার বদলা নিবেন.............. আর সেই হাসিনাই কিনা হেনরী কিসিঞ্জার থেকা পুরস্কার নেয়! ইবলিশ হযরত আদম(আঃ)কে ধোকা দেওয়ার ঘটনাও এর কাছে ফেল :)

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:০২

দাসত্ব বলেছেন: ইবলিশ হযরত আদম(আঃ)কে ধোকা দেওয়ার ঘটনাও এর কাছে ফেল :)

৪১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৫৪

কালো-ভোমরা বলেছেন: মিশ্র কমেন্ট করতে চাই।

জিয়ার অনেক অনেক ভাল দিক রয়েছে। আপনি সেগুলো অনেক কষ্ট করে কম্পাইল করে দিয়েছেন। ভাল দিক গুলোও প্রশংসনী, আর সেগুলো দেয়াও প্রশংসনীয়। দলের ও নেতার ভাবমুর্তি বৃদ্ধিতে এ ধরনের পোস্ট কাজে লাগবে। প্লাস।

এই পোস্টের বাইরে সার্বিক ভাবে আপনি প্রায়শই মার্কিনী, ও সিআইএর দলিল দস্তাবেজ দিয়ে অনেক কিছু দেখাতে চাইছেন। এগুলোর ইমেজ আমরা দেখতে পেলাম। তবে লিংক দিলে আরো ভালো হয়। যদি কেউ চায় তাহলে যাতে ভেরিফাই করতে পারে, ব্যক্তিগত ভাবে আমার সময় নেই, আমি শুধু পয়েন্ট উঠালাম।

আমার ব্যক্তিগত ধারণা ও জানা শোনা অনুযায়ী, এ ধরনের সিক্রেট দলিল দস্তাবেজ অনেক ধরনের হতে পারে। কিছু সেট ডিক্লাসিফাইড হয়, কিছু সেট হয় না। আম জনতা অনেক ক্ষেত্রে সন্তোষ্ট হলেও অনেকের কাছে সন্দেহের অবকাশ রয়েই যাবে, তবু ভেরিফিকেশনের লিংক উপকারী হবে।

আর মার্কিনীদের ভুমিকা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও পরবর্তী সময়কালে বাংলাদেশের পক্ষে ছিল না। যখন তারা মার্কিনী সমর্থক শাসক এক্ষেত্রে মুশতাক ও জিয়াকে পেয়েছে তখন থেকে তারা কমবেশী সাহায্য করেছে। কাজেই তাদের রেফারেন্স গ্রহনযোগ্যতার নিরীক্ষে কতটুকু বিতর্কহীন সেটা ভাবার বিষয়।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:১৩

দাসত্ব বলেছেন: আমি মোটেই মার্কিনী দলিল দস্তেবেজ নিয়ে বিশেষ আগ্রহী নই।

সিআইএর'র দলিলের চাইতে শক্তিশালী দলিল খুব কমই আছে দুনিয়াতে , সেকারনেই সেগুলো কে অজানা তথ্যগুলো বের করে আনি।

এই সিআইএ'র নাম ভাঙিয়ে যখন প্রথম আলো মিজান জিয়ার বিপক্ষে ভুয়া রিপোর্ট ছাপায় তখন আপনার খুশীতে ডুগডুগি বাজান :
"সিআইএ বলেছে , সিআইএ বলেছে"

আর ইনেজ গুলোইতো সব আপলোড করে দিলাম , পুরো ইমেজ ,

আবার কিসের লিংক ?


আর মার্কিনীদের ভুমিকা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও পরবর্তী সময়কালে বাংলাদেশের পক্ষে ছিল না। যখন তারা মার্কিনী সমর্থক শাসক এক্ষেত্রে মুশতাক ও জিয়াকে পেয়েছে তখন থেকে তারা কমবেশী সাহায্য করেছে। কাজেই তাদের রেফারেন্স গ্রহনযোগ্যতার নিরীক্ষে কতটুকু বিতর্কহীন সেটা ভাবার বিষয়।

হেহেহে , আপনি অ্যাডভান্স জেনে ফেলেন সব ....
জিয়ার বিপক্ষে যখন পআলো মিজান রিপোর্ট করলো তখন গ্রহনযোগ্যতার দরকার হয় নাই ?

কিসু বুঝে না বুঝে সিআইএর একটা রিপোর্ট আওয়ামী লীগও নিজেদের ওয়েব সাইটে ঝুলিয়ে রেখেছে বাঙালকে হাইকোর্ট দেখানোর জন্য স্বাধীনতার ঘোষনা বিষয়ক......

অথচ আমি পরিস্কার দেখিয়েছি সিআইএ'র সেই রিপোর্টের ভুল ইন্টারপ্রিটেশন করা হয়েছে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ,
রাত ১ টা , রাত ১২:২০ , মোট ২ বার শেখ মুজিব কে ২৫ মার্চ রাতে বিদেশী সাংবাদিক ফোন করেছিলেন , শেখ মুজিব ফোনে কথা বলেছিলেন , কিন্তু কোন স্বাধীনতার ঘোষনা তিনি দেননি..... পুরোটা জানতে ........ এইখানে ক্লিক করুন

যাইহোক , সিআইএর দলিল তাদের জন্মের শত্রুও বিশ্বাস করে , কারন এরা যা ঘটে তাই জানায় , কোন উল্টা পাল্টা তথ্য রাখেনা।
এটা তাদের সিক্রেট সার্ভিস পলিসি......খুবই কড়া পলিসি.....
নইলে সিদ্ধান্ত ভুল আসতে পারে ইউএস গভ এর কাছ থেকে......

ধন্যবাদ

৪২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:০১

ফারযানা বলেছেন: তথ্য প্রমান ভিত্তিক পোস্টের জন্য লেখককে ধন্যবাদ। +++

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:১৩

দাসত্ব বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

৪৩| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:০৪

নীল_পদ্ম বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট, রেখে দিলাম।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:১৪

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ

৪৪| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:১৮

উরা-ধুর০০৭ বলেছেন: অনেক নতুন তথ্য জানলাম........

পোস্টে প্লাস এবং প্রিয়তে............

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:২০

দাসত্ব বলেছেন: অফলাইনে চলে গেসিলাম , যাইহোক কমেন্ট টা দেখে ফিরে আসলাম.....

পোস্ট প্রিয়তে যায় নাই .... :(

৪৫| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:৪৩

কালো-ভোমরা বলেছেন: প্রথম আলো, মিজান সাহেব, বা আওয়ামী লীগ যেই সিআইএ কে মুরুব্বী মানুক, আমার মন্তব্য একই।

তবে জবাবে দেয়া আপনার নিম্নোক্ত অংশ গুলো সত্যি অসত্য যাই হোক বেশ মজার হয়েছে। আমাদের ডানপন্থীদের শক্তিশালী সিআইএ কানেকশন, ভিতরের খবরাখবর, ও আস্থা এগুলোতে কমবেশী ফুটে উঠবে। :) তবে যে তথ্য রাখে তা বস্তুনিষ্ঠ না ব্যক্তিনিষ্ঠ এ নিয়ে কথা বাড়িয়ে বোধ হয় লাভ নেই।

"সিআইএর'র দলিলের চাইতে শক্তিশালী দলিল খুব কমই আছে দুনিয়াতে , সেকারনেই সেগুলো কে অজানা তথ্যগুলো বের করে আনি।"

"সিআইএর দলিল তাদের জন্মের শত্রুও বিশ্বাস করে , কারন এরা যা ঘটে তাই জানায় , কোন উল্টা পাল্টা তথ্য রাখেনা।
এটা তাদের সিক্রেট সার্ভিস পলিসি......খুবই কড়া পলিসি...."

ইমেজ গুলো যেখান থেকে এসেছে সেখানের লিংক দিয়ে দিন। যাদের দরকার তারা ভেরিফাই করে নিতে পারবে। পোস্টের গ্রহনযোগ্যতা আরো কয়েকগুন বেড়ে যাবে। কষ্টিপাথরে যাচাইযোগ্য পোস্ট হিসাবে প্রতিষ্ঠা পাবে।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৭

দাসত্ব বলেছেন: সমঝদারকে লিয়ে ইশারাই কাফি হ্যায় ;)

৪৬| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:৫৪

মোসাব্বির বলেছেন:
"এই একই সিআইএ ডক গুলা যদি মুজিবের হতো তো ১০ টা পত্রিকা আর ১০ চ্যানেল মিলে ঢাক ঢোলা তো পেটাতেন ই , মিলাদ মাহফিল ও পড়াতেন....."

১০০% সত্য এবং সহমত

অনেক তথ্যবহুল পোষ্ট, ধন্যবাদ

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:১৯

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ মোসাব্বির

৪৭| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:০৮

সবখানে সবাই আছে বলেছেন: ভাল লেখেছেন। শেখ মুজিবের একনিষ্ঠ ভক্ত আমি।
কিন্তু জিয়ার শাসনামল সম্বন্ধে আপনি যা বলেছেন তা এক বিন্দু মিথ্যা নয়।
আসলে এদের দুই জন এমনকি এরশাদ কেও ঘৃন্য বানানর জন্য দায়ি আম্লাতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এরা ভাল শাসক কেও খারাপ বানায় ফেলে। আর এখন তো এর থেকেও বাজে অবস্থা পার করছি আমরা। কারো ভাল কাজ করার ইচ্ছা থাক্লেও সচিবালয়ে এসে প্রধান্মন্ত্রীর নির্দেশও উলটে যায়।
এরশাদের আমলে যে পরিমান উন্নতি হয়েছিল তার ২৫% ও হয়নি অন্য কারো আমলে।
আসলে এক দেশ স্বাধীন করার জন্য দরকার ছিল শেখ মুজিব আর তাজুদ্দীনের।তারা করে দিয়ে গেছেন। মুজিবের কূটনৈতিক সাফল্য ছিল অসাধারন। কিন্তু বাজে সিদ্ধান্ত তাকে মৃত্যুর দিকে টেনে নিয়ে যায়। এরপর প্রতিক্রিয়াশীল(যারা তাহেরের গুনগান গায় তাদেরকে বলে রাখি তাহের মতবাদ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোন রাষ্ট্র পৃথিবীর বুকে দাঁড়িয়ে নেই) রা কিছু দিন মাসল্ম্যান হল। এরপর আবার জিয়া এসে দেশ টা কে গড়ার চেষ্টা করেন। তিনি শুরু করে দিয়ে যান। এরশাদ এসে তা চালাতে থাকেন। হয়ত বা আপনি কোন দলে সাপর্টার কিন্তু এখন পর্যন্ত গ্রামে গঞ্জে যে রাস্তা ঘাট দেখছেন তা কিন্তু এই লুল ব্যাটার সৃষ্টি। কিন্তু আবারো সেই মোটা বুদ্ধির আম্লারা তাকে দুর্নীতির পথঘাট চেনাল, তিনিও তো মানুষ।অতএব যা হবার তাই হল।
এরপর বাংলাদেশের ভাল যারা চায় না তারা বুদ্ধি কষে দেখলেন এদেশের জন্য দরকার নারী নেতৃত্ব। দুই জন আগে থেকে লাফাচ্ছিলেন ক্ষমতার জন্য। একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন এই দুই জনই কিন্তু জানেন দেশ নিয়ে চিন্তা করলে কি পরিনাম হবে। তাদের মনে এই ভয়টা আজো কাজ করছে।তাই তারা বুঝে শুনে চলার সিদ্ধান্ত নিলেন।
একটা ছোট উদাহরন দেই। সাবমেরিন কেবল দিয়ে ইন্টারনেট এর সংযোগ সেই সেই ১৯৯৪ এই হতে পারত। কিন্তু উপদেষ্টারা বুঝালেন দেশের সব গোপন সংবাদ বাইরে চলে যাবে। খালেদা জিয়া না করে দিলেন। সেই সাবমেরন কেবলের সাথে অবশেষে বাংলাদেশ যুক্ত হল। এল্কাটেল এর ৬ জন ইঞ্জিনিয়ার কে দৈনিক ২৫০০০ ডলার বেতন দিয়ে। এরকম উদাহরন হাসিনা খালেদার আমলে ভুরু ভুরি পাবেন। কারন তাদের মনে সেই ৭৫ ৮১ র ভয় এখন কাজ করে।
আর কালো বুদ্ধিজীবিরা তো আছেন আমাদের প্রজন্ম কে দুই ভাগে ভাগ করে ফেলতে। তার প্রমান এই ব্লগ এ একটু ঢু মারুন পেয়ে যাবেন। আমরা সবাই কাদা ছোড়া ছুড়িতে ব্যাস্ত।

আপনি ভাল লেখেছেন বলে প্লাস। আমি আবার ভাদা টাইটেল যুক্ত মানুষ এই ব্লগে। আমার সাথে মতের অমিল হতেই পারে। নো গালি গালায প্লিজ।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২৩

দাসত্ব বলেছেন: আওয়ামী পন্থীকে ভাদা বলিনা , মুজিব ভক্ত কে ভাদা বলিনা।
যারা ইন্ডিয়া- বাংলাদেশ ইস্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে জোর গলায় কথা বলেনা তাদেরকেই ভাদা সাসপেক্ট করি , তবে ট্যাগ করার অভ্যাস টা আমার নাই।

এদেশে যত ডেভেলপমেন্ট ....... এরশাদ , খালেদা , হাসিনার সময়ে .......
রাস্তাটা শিখিয়ে গেছেন জিয়াউর রহমান........ কেউ নতুন কিছু করেনি.......
জিয়াউর রহমান যা করেগেছেন , নতুন চালু করে গেছেন সেগুলোকে কন্টিনিউ করে আমাদের কে মন্দের ভালো একটা সার্ভিস দিয়েছে.......

ধন্যবাদ

৪৮| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:১৭

নেটপোকা বলেছেন: এই রকম পোস্ট আপনি কীভাবে পয়দা করেন! আপনাকে আমি ভীষণ ঈর্ষা করি! আপনি যখনই একটা পোস্ট দেন, তখনই আমার মনে আফসোস হয়ঃ আহারে, এই পোস্টটা তো আমিও দিতে পারতাম!

শুধু একটা পরামর্শঃ লেখায় আপনার নিজস্ব ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ আরো গভীর, বিস্তারিত, নৈর্ব্যক্তিক ও নিরপেক্ষ হলে এর গ্রহণযোগ্যতাও বেড়ে যাবে। আশা করি কিছু মনে করেন নি।

আপনার প্রয়াস সার্থক হোক। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২৫

দাসত্ব বলেছেন: ঈর্ষা করেন ?
:(

আমি আসলে খুব সরল টলটলে ভাষায় লিখে যাতে মানুষের ঘিলুতে সহজে ঢোকে.....
বেশী গভীর ব্যাখ্যা করতে গেলে "বুদ্ধিজীবি" মার্কা "গিয়ানঘর্ভ" পোস্ট হয়ে যাবে , মানুষ বিরক্ত হবে , আওয়ামীরা আরো বেশী ত্যানা প্যাচানোর সুযোগ পাবে.....

ধন্যবাদ নেট পোকা

৪৯| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৫১

গানচিল বলেছেন: জিয়া নামটার প্রতিই আওয়ামি লীগের হোমড়া চোমড়া তথা আওয়ামি কলমবাজদের একটা এলার্জি আছে। অথচ এই লোকটি দ্বারা প্রবর্তিত ২১শে পদক নিতে আগা চৌঃ মুনতাসীর মামুনরা আপত্তি করেন না, জিয়া প্রবর্তিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার গ্রহন করতে আওয়ামি ঘরানার কোন অভিনেতা/অভিনেত্রীরা আপত্তি করেন না।
তথ্যবহুল এই পোস্ট কুম্ভনিদ্রারত অনেক লোকের ঘুম থেকে জেগে উঠার জন্য কাজ করবে সন্দেহ নাই।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২৮

দাসত্ব বলেছেন: উনারা হচ্ছেন সেয়ানা পাগল .........
বামরা যে মুক্তাংগনে চেচায় সেটাই মনে করে দেখেন......

সেইম কেস

৫০| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:১৫

মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন: বাংলাদেশের সৌভাগ্য প্রেসিডেন্ট জিয়ার মতো একজন সৈনিক,রাস্ট্রনায়ক পেয়েছিলো আর বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য যে তাকে অকালে হারালো তবে আওয়ামী লীগের বোধহয় বড় হিংসা লাগে যখন দেখে এদেশে মুজিবের চেয়ে জিয়া বেশী জনপ্রিয়।তাই ওরা এমন করে।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২৯

দাসত্ব বলেছেন: আওয়ামী লীগের বোধহয় বড় হিংসা লাগে যখন দেখে এদেশে মুজিবের চেয়ে জিয়া বেশী জনপ্রিয়।তাই ওরা এমন করে।

হেহেহে , জায়গা মত টোকা দিয়েছেন

৫১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:২৯

কঠিনলজিক বলেছেন: অন্তর থেকে একটা ধন্যবাদ দিলাম আপনাকে ।
এর বেশী কিছু বলার নাই।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২৯

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ কঠিনলজিক

৫২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:১৪

সুরবিলাসী শাহরিয়ার বলেছেন: আসলে এক দেশ স্বাধীন করার জন্য দরকার ছিল শেখ মুজিব আর তাজুদ্দীনের।তারা করে দিয়ে গেছেন। মুজিবের কূটনৈতিক সাফল্য ছিল অসাধারন। কিন্তু বাজে সিদ্ধান্ত তাকে মৃত্যুর দিকে টেনে নিয়ে যায়। এরপর প্রতিক্রিয়াশীল(যারা তাহেরের গুনগান গায় তাদেরকে বলে রাখি তাহের মতবাদ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোন রাষ্ট্র পৃথিবীর বুকে দাঁড়িয়ে নেই) রা কিছু দিন মাসল্ম্যান হল। এরপর আবার জিয়া এসে দেশ টা কে গড়ার চেষ্টা করেন। তিনি শুরু করে দিয়ে যান। এরশাদ এসে তা চালাতে থাকেন। হয়ত বা আপনি কোন দলে সাপর্টার কিন্তু এখন পর্যন্ত গ্রামে গঞ্জে যে রাস্তা ঘাট দেখছেন তা কিন্তু এই লুল ব্যাটার সৃষ্টি। কিন্তু আবারো সেই মোটা বুদ্ধির আম্লারা তাকে দুর্নীতির পথঘাট চেনাল, তিনিও তো মানুষ।অতএব যা হবার তাই হল।


ব্লগ জগতে এর চেয়ে সরল এবং সত্য মতামত কখনোই দেখিনি । সম্মান যার প্রাপ্য, তাকে ততটুকুই দেওয়া উচিত, এবং আপনি সেটা করলেন ।
আপনার সাথে সম্পুর্ন একমত ।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৩০

দাসত্ব বলেছেন: আমিও খুব একটা আপত্তি করিনি

৫৩| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৩৭

দেখতেসি বলেছেন: ভাল হয়েছে ও প্লাস দিলাম,কিন্তু কেন জানি বিএনপিকে ভাল লাগে না।সব সুবিধাবাদীদের আখড়া।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৩২

দাসত্ব বলেছেন: পুরো দেশের রাজনীতিটাই তো পচে যাচ্ছে.....
আমাদের ক্ষেপতে হবে , নইলে অবস্থা তথৈবচ থাকবে.....

আপনার সাথে দ্বিমতে যেতে চাইনা , তবে পুরোপুরি সহমতও নয় ,
বিএনপি বেশ ভুল করেছিলো ২০০১-২০০৬ , ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছে ....
গ্যারান্টি , নেক্সট টার্ম দেখবেন

৫৪| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৪৮

তীর জোক বলেছেন:
উনি বেশ আধুনিক মানুষ ছিলেন বোঝা য়ায়।
সেক্টর কমান্ডার শহীদ মুক্তিযোদ্ধার জন্ম দিনে অন্তর দিয়ে শ্রদ্ধা আর সম্মান জানালাম।

++ অনেক কষ্ট করে তথ্য উপাত্ত তুলে ধরে পোস্ট দিয়েছেন।
আশা করি আওয়ামীলীগের কোন ব্লগার ৭১-৭৫ আমালের মুজিবের অবদান তুলে ধরে এমন পোস্ট দিবেন। সেখানে হবে সুস্থ আলোচনা।
ধন্যবাদ।

অট: পোলাগুলা এমুন চোর বাটপার হইলো কেন?

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৩৮

দাসত্ব বলেছেন: দেখেন তারেকের ব্যাপারে বলবো তারেক সংগ দোষে কিছু অন্যায় করসে , কিন্তু মিডিয়ার ঢাকঢোলে সেটা সুপারী থেকে নারকেল হয়ে গেসে.....

আর অনেক সুযোগ সন্ধানী বদমাইশ তারেকের নাম ভাঙায়া যা ইচ্ছা করছে , মিডিয়ার সব দোষ তারেকের উপর ফেলসে....

সব রাজনৈতিক প্ল্যান , তারেক বিএনপিকে ফিউচারে হোল্ড করবে , সো তারেককে টার্গেটে আনা হইসে.....
টিভি - পত্রিকা- বুজি- দেশী বিদেশী অর্গ সব ওয়েপন হাতে নিয়ে আওয়ামী লীগ তারেক কে টার্গেটে রাখসে....

লাভ নাই , এইসব কন্সপীরেসী টিকবেনা.....
মানুষ আওয়ামী লীগকে লাড্ডুটা খাইয়ে দেবে.....
প্রয়োজনে জুবাইদা জিয়া বিএনপির হাল ধরবে.......
তবুও আওয়ামী লীগকে ৭২ -৭৫ 'র মত করে ফাকা মাঠে গোল দিতে দেয়া হবেনা ।

হেইল ডেমোক্রেসী , হেইল বিএনপি.....

৫৫| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৫৩

আতিক একটেল বলেছেন: সিআইএর চোখে জিয়া ভালো থাকবেনা তো আমার আপনার চোখে থাকবে?

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪০

দাসত্ব বলেছেন: গাধা.......

সিআইএ আবার জিয়াকে ভালো বললো কোথায় ?

সিআইএ বলসে জিয়া আমেরিকার কাসে দেশের জন্য কি কি সাহায্য চাইসে সেটা ....

৫৬| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:২৭

স্বপ্নরাজ বলেছেন:
কট্টর আম্লীগাররা প্রায়ই কটাক্ষ করে জিয়ার মৃত্যুর পর ভাংগা সুটকেস আর ছিঁড়া গেন্জী রেখে গিয়েছিলেন বলে, তারা জানেনা এই ভাংগা সুটকেস আর ছিঁড়া গেন্জী দেশের একমাত্র দুর্নীতি মুক্ত রাস্ট্র নায়কের প্রতীক হয়ে গেছে।

এই দেশকে গড়তে হলে আরাকজন জিয়াউর রহমানের কোন বিকল্প নাই।
আর কি কখনও পাব আমরা?

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪২

দাসত্ব বলেছেন: জিয়া যদি আর ১০ টা বছর দেশ চালাতে পারতেন...... আমার খুব আফসোস হয় ,
মালয়শিয়াতে দেখেন , মাত্র ২০ বছর ক্ষমতায় থেকে মাহাথীর কোথায় নিয়ে গেসেন তার দেশকে , জিয়ার সামর্থ্য আরো বেশী ছিলো.....

জাতি হিসেবে মালয় দের থেকেও আমরা বেশী মেধাবী .....

৫৭| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:২৭

মাসুদ রানা সাব্বির বলেছেন: জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুযায়ী বিএনপি চললে তারা আজীবন রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকবে।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪৩

দাসত্ব বলেছেন: সহমত , সেই তীব্র জনপ্রিয়তাকেই আওয়ামী লীগ ভয় পায়

৫৮| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৩৮

নেয়ামূল হক বলেছেন: মুর্খ জাতীয়তাবাদী হিসেবে এটা আমার কাছে সিলেবাসের মত যা ছাড়া ছাত্রের ছাত্রত্ব অর্থহীন।

ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাই না।
স্যালুট রইল।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪৩

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ নেয়ামুল হক

৫৯| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:০১

পৌলমী বলেছেন: মিডল ইস্টে জনশক্তি রপ্তানী শুরু, খাল খনন, জাতীয়তাবোধ, আরো অনেক অনেক কিছু করেছেন মাত্র ৪ বছরে, বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত উনার মত কোন রাজনীতিবিদ জন্মে নি, আমাদের বড় দূর্ভাগ্য উনি আজ নেই, আমি যদি আপনার লেখাগুলো আপনার নামেই প্রচার করি, আপনার কোন আপত্তি আছে কি ?

পোস্টে প্লাস

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪৩

দাসত্ব বলেছেন: কোন আপত্তি নেই , প্রচার করতে পারেন নির্দ্বিধায়

ধন্যবাদ

৬০| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:০৯

নারনিয়া বলেছেন: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৭৫ তম জন্মবার্ষিকীতে তাকে স্মরন করছি পরম শ্রদ্ধার সাথে, পোস্ট প্রিয়তে নিয়ে গেলাম বরাবরের মত।প্লাস

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪৩

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ নারনিয়া

৬১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:২৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: জিয়া অনেক ভাল কাজ করেছিলেন কিন্তু তার অনেক অন্ধকার দিক ও আছে
জিয়া সুরু থেকেই ছিল ষড়যন্ত্রকারি।
ক্ষমতা দখলের পর পরই সুরু হয় পালাক্রমে সহকর্মি হত্যা। দু বছরের মধ্যে ১,৪০০ সহকর্মি আর্মি অফিসার-সৈনিক দের নির্বিচারে বা বিচারের নামে প্রহসনমুলক সংক্ষিপ্ত বিচারে হত্যা করে। এই ভাবেই তার ক্ষমতা সুসংহত করে।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫৩

দাসত্ব বলেছেন: আপনি আসলেই পোস্ট পড়েন না , মুজিব মার্ডারের বিষয়া নিয়ে আমার একটা পোস্ট আছে প্রিয় পোস্ট তালিকায় , সেটা পড়ে দেখেন , কোথায় কিসের ষড়যন্ত্র ছিলো না ছিলো সব বুঝতে পারবেন......

সেনাবাহিনীকে জিয়াই দাড় করিয়ে গেসেন , সেনাবাহিনীর ভেতরে জিয়ার জনপ্রিয়তকে আওয়ামী লীগ- হাসিনা প্রচন্ড ভয় পায়.....

সেই জিয়া কেন সেনা বাহিনীর ভেতরের কারো প্রতি কঠোর হবে ?
বিনা বাতাসে গাছ নড়ে নাই।
মেজর জারেল মঈনুল হোসেন চৌধুরী বীর বিক্রম মারা গেসেন কিছু দিন আগে।
উনার মত নিরপেক্ষ বীর দেশপ্রেমিক মানুষের কাছ থেকে জানতে পারতেন অনেক কিসু.......

জিয়ার ক্ষমতা কাদের দ্বারা সুসংহত ছিলো সেটা জিয়ার মৃত্যুর দিন বোঝা গেসে....
লাখে লাখে মানুষের ঢলেই জিয়ার ক্ষমতা সুসংহত ছিলো , এদেশের চিরপ্রতারিত ামনুষের মনের ভেতরেই এই সৎ মানুষটার ক্ষমতা সুসংহিত ছিলো.....

জিয়ার মৃত্যুর পর ১৯৮১ নভেম্বরের নির্বাচনে সাত্তার ১ কোটি ২৫ লাখের বেশী ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন , আওয়ামী লীগের হয়ে ড: কামাল পেয়েছিলেন ৫৬ লাখ + কিসু হাজার ভোট ....

৭৩ 'র পর সেই ইলেকশন ছিলো বাংলাদেশের একমাত্র অভিযোগ হীন ইলেকশন যেখানে সবাই বিনা দ্বিধায় ফলাফল মেনে নিয়েছিলেন , সেই ইলেকশনে জীবিত জিয়া নন , মরহুম জিয়ার হয়ে জিতেছিলেন সাত্তার.....

জিয়ার ক্ষমতা কোথায় সুসংহত ছিলো এটাই তার প্রমান।

৬২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০২

ম্যাকানিক বলেছেন: জিয়া অনেক ভাল কাজ করেছিলেন কিন্তু তার অনেক অন্ধকার দিক ও আছে
জিয়া সুরু থেকেই ছিল ষড়যন্ত্রকারি।
ক্ষমতা দখলের পর পরই সুরু হয় পালাক্রমে সহকর্মি হত্যা। দু বছরের মধ্যে ১,৪০০ সহকর্মি আর্মি অফিসার-সৈনিক দের নির্বিচারে বা বিচারের নামে প্রহসনমুলক সংক্ষিপ্ত বিচারে হত্যা করে। এই ভাবেই তার ক্ষমতা সুসংহত করে।

+
ক্ষমতা নেয়ার শুরুর দিকে রাজাকারদের সহায়তা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা নির্মুলে নেমেছিলেন জিয়াউর রহমান।
সেনাবাহিনী থেকে (ফোর্সড্ রিটায়রমেন্ট) রিতিমত উষ্ঠা দিয়ে বের করে দিয়েছেন জিয়ার নিজের আর্টিলারী ইউনিটের প্রায় সবাইকে।
সেনাবাহিনীর ভিতরেই ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বানিয়ে রিতিমত দৌড়ের উপরে রেখেছিলেন (কোর্ট মার্শাল এর সম্মুখিন করে) সবাইকে।
পাকিস্তান প্রত্যাগত সেনাবাহিনীর চামুচদের মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যদের উপর ছড়ি ঘোড়ানোর সাহস এবং ক্ষমতা নিজের হাতে তুলে দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান।
তবে হ্যা জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জন্য যেভাবে ভাবতেন ও দেশের জন্য যতটুকু করে গেছেন সেজন্য অবশ্যই তাকে শ্রদ্ধা করি।
উনার পরে বাংলাদেশে আর কেউ সেভাবে দাড়াতে পারেন নি।
এরশাদ কাগু ত শুধু ওয়ান ফর ইউ ওয়ান ফর মি কইরা দশ বছর পার করলেন।
তারপরে শহীদ জিয়ার বি এন পিরে মানুষ অনেক আশা নিয়ে ভোট দিছিলো কিন্তু বিএনপি সেই আশার গুড়ে বালি দিয়ে খালেদা জিয়া আর তার ছেলেদের মাতব্বরি করার পথ দেখিয়ে দিলো।
আজকের বিএনপি সেদিনের জিয়ার দেখানো স্বপ্ন ও পথ থেকে মোটামুটি এক চন্দ্র পথ দূরে আছে এবং এই দুরত্ব ঘুচানোর জন্য আপনার মত কিছু ডাইহার্ড সাপোর্টার ছাড়া স্বয়ং জিয়ার সহধর্মিনী খালেদা জিয়াও কিছু করছেন না।

একজন মানুষের ভালো এবং খারাপ দুটি দিকই আছে।
প্রায়ত রাস্ট্রপতি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জিয়া উর রহমানও একজন মানুষ।
দেশপ্রেমিক একজন নেতা হিসেবে উনাকে সবসময়ই শ্রদ্ধা করি।

বাংলাদেশী হিসেবে আমরা সাধারনত একজন মানুষের হয় ভালোটা দেখবো নয়তবা শুধু খারাপটা প্রিয় লেখক আপনি মন খারাপ করলেও বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আপনিও এর থেকে বের হতে পারেন নি।



১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫৬

দাসত্ব বলেছেন: ৬১ নং এর উত্তর দেখুন , নতুন করে কিছু বলার নেই।

একজন মানুষের ভালো এবং খারাপ দুটি দিকই আছে।
প্রায়ত রাস্ট্রপতি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জিয়া উর রহমানও একজন মানুষ।
দেশপ্রেমিক একজন নেতা হিসেবে উনাকে সবসময়ই শ্রদ্ধা করি।


এই অংশটুকুর জন্য আমিও আপনাকে শ্রদ্ধা জানালাম......
তবে কিছু শব্দে দ্বিমত করছি.....

মানুষ মাত্রেই ভুল , জিয়ারও ভুল থাকতে পারে।
"খারাপ" শব্দটাকে " ভুল " রিপ্লেস করলাম , ধন্যবাদ

৬৩| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০১

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: চীনের সাথে সম্পর্ক গড়া, জাতিসংঘে ফারাক্কা বাধের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্যই জিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় র সেনা-ক্যু ঘটানোর চেষ্টা করে তাই হাজার-হাজার বিদ্রোহীর মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়। নতুবা জিয়া ১৯৮১ সালের আগেই নিহত হতেন। শহীদ জিয়া সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রেরণা।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫৮

দাসত্ব বলেছেন: ভেরী গুড পয়েন্ট , জিয়ার মৃত্যুর আগের একটা ঘটনা ভবিষ্যতে টাইম ম্যাগাজিন থেকে জানাবো.....

তখন এই ফ্যাক্ট গুলোর ক্রেডিবলিটি আরো বাড়বে......

৬৪| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১৪

আকিক পাথর বলেছেন: আপনাকে সেলুট । ++++++++++++++++

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫৮

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ আকিক পাথর

৬৫| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪২

তাপু বলেছেন: অসাধারণ!

২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০০

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ তাপু

৬৬| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৮

সামদ বলেছেন:
ঠিক বলেছেন। সেই ৫৮ সাল থেকে ভারতের দালাল আওয়ামী বাকশালীদের হটানো চেষ্টা চলছে, কিন্তু 'র' ষড়যন্ত্রের জন্য আমাদের পাকি ভাই ও তাদের এইদেশীয় দোসররা তেমন সুবিধা করতে পারছে না।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০১

দাসত্ব বলেছেন: লাদানোর জন্য ধন্যবাদ

৬৭| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:১৪

এম আই টু বলেছেন: বিশাল পোষ্ট, অনেক তথ্য, প্রিয়তে রাখলাম, সময় করে পড়তে হবে। যতটুকু পড়লাম তাতে প্লাস দিলাম। এই সময়ে এইসব তথ্য বিরল

২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০৯

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ এম আই টু

৬৮| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৫৫

ডাঃ মাহমুদ মুন বলেছেন: প্রিয়ত!!!!!!!!!!!!!!+++++++++++++++++

২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০৯

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ

৬৯| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২৫

মানবী বলেছেন: দেশপ্রেমিক সাবেক রাষ্ট্রনায়কের জন্মদিনে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি। জিয়াউর রহমানের মতো এমন সৎ ও অসম সাহসী নেতা হাজার নয় লক্ষ্য বছরে হয়তো কোন জাতির ভাগ্যে জুটে।

শুধু নতুন কুঁড়ি রূপে শিশুদের ট্যালেন্ট হান্ট শো'র প্রবতর্ক নন, তিনি শিশু কিশোরদের মনন ও মেধা বিকাশের স্বার্থে "শিশু সংগঠন" নামে একটি বিশাল সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। দুঃখজনক ভাবে তাঁর মৃত্যুর সাথে সাথে(খুব সম্ভবতঃ এরশাদ ক্ষমতা দখলের সাথে সাথে) এই সংগঠনটিরও বিলুপ্তি ঘটে।

শেখ হাসিনা ও তারেক জিয়া, শেখ মুজিব ও জিয়াউর রহমানের অযোগ্য উত্তরসূরী। এই দুই মহান নেতার মাঝের দেশপ্রেমের ছিটেফোটা এদের মাঝে নেই, রাজনৈতিক দূর্নীতি বা পলিটিক্যাল করাপশনের যে অন্ধকার তাঁদের মাঝে ছিলো.. দুঃখজনক ভাবে শুধু সেটাকেই তাঁদের সন্তানরা ধারন করেছেন, সেই সাথে যোগ হয়েছে আরো সীমাহিন অনৈতিক ও হিংস্র আচরণ।

তথ্য সমৃদ্ধ চমৎকার পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ দাসত্ব।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১১

দাসত্ব বলেছেন: দ্বিমত করার কোন কিছুই পাচ্ছিনা আপনার মন্তব্যে।
ধন্যবাদ মন্তব্যটির জন্য

৭০| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১২

আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: ধন্যবাদ চমৎকার তথ্যবহুল এক পোস্টের জন্য। জিয়াউর রহমানের মত দেশ পরিচালনার দক্ষতা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কারও হয়নি। তলা বিহীন ঝুড়ি থকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ তিনিই গড়েছেন। বড় দুঃখ হয় এই মানুষ টা যদি অকালে চলে না যেত তাহলে আজ বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যেত

২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১৯

দাসত্ব বলেছেন: জিয়াউর রহমানের মত দেশ পরিচালনার দক্ষতা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কারও হয়নি। তলা বিহীন ঝুড়ি থকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ তিনিই গড়েছেন। বড় দুঃখ হয় এই মানুষ টা যদি অকালে চলে না যেত তাহলে আজ বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যেত


জাস্ট ইউ রীড মাই হার্ট......

ধন্যবাদ

৭১| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৯

গানচিল বলেছেন: লেখাটাতে আওয়ামি সমর্থকদের কিছু মন্তব্য আশা করেছিলাম। ২/১ ছাড়া কেউ তেমন একটা কমেন্ট করলোনা। কে জানে হয়তবা অফ লাইনে থেকে পড়ছে আর মনে মনে বলছে "সবই মানি তবে তালগাছটা আমার"।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩১

দাসত্ব বলেছেন: হাহাহা , হয়তো

৭২| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০৫

কালো-ভোমরা বলেছেন: জিয়া বা মুজিব বা হাসিনা বা খালেদার পুজা বা তেল মারা বন্ধ করে আপনার মতো সক্ষম লোকদের নতুন নেতা হওয়ার চেষ্টা করা উচিৎ নয় কি? ওদের আর উপরে তুলে লাভ কী, নিজেকে উপরে তুলে ওদেরকে প্রতিস্থাপিত করার চেষ্টা করা উচিৎ নয় কী? বিএনপিতে বুদ্ধি সুদ্ধি আলা জেনুইন লোক কম, সব এদল থেকে ও দল থেকে পল্টি দেয়া। সেক্ষেত্রে "দাসত্ব"কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিএনপির নেতা হিসাবে দেখতে পারলে তো ভালই হয় বলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ব্লগ দল মনে করে। এখন আওয়ামীলীগের মতো ৪০ বছরের এই অতীত নিয়ে মার্কিন/সিআইএর দলিল ঘেটে কি হবে, তার চেয়ে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিষয়ে জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার প্রকাশ ঘটানো ভাল নয় কি?ধরেন সবাই একদিন পোস্ট লিখবে "রাষ্ট্রপতি দাসত্ব, যার নিরেট দেশপ্রেম... যিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পূণর্জন্মের নায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মানেই দাসত্ব (এখন যেমন বলে জিয়া)।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:১৯

দাসত্ব বলেছেন: ওরে বাবা , এই কি বিশাল উচ্চতায় নিয়ে গেলেন .... B:-)

যাইহোক , নেটা যেই হোক , তাকে আমি আমার ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র পটেনশিয়াল দিয়ে সাহায্য করে যাবো।
কোন অন্যায় দেখলে সেটার সমালোচনাও করবো.....

এইভাবে আরো অনেক " দাসত্ব " কন্ট্রিবিউট করলে নেতা ঠিক কাজ না করে যাইবো কই?

ঠেলার একটা নাম আছে না ? ;)

৭৩| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:১৮

দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমার ধারনা ফিউরিয়াস ওয়ান আমার রিপ্লাই এর পটেনশিয়াল টা ক্যাচ করতে পারসেন , সেজন্য আর তর্কে জড়াচ্ছেন না।

কথাটা পড়ে একটু হাসলাম। কুস্তি করতে চাইলে কিন্তু করাই যায়, আমার মুখের শক্তি একেবারে কম না। এই পোস্টেই দেখেন আরেকজন শিকারী আমার কমেন্ট কিছু না বুইঝাই কুস্তিতে ডাইকা ফেলছেন।

কিন্তু কুস্তিতে যাই না, কারণ ব্লগে একটা বড় অংশ পাঠক আছেন, যারা কাদা ছোড়াছুড়ির মধ্যে থেকেও আসল যুক্তিযুক্ত কথাগুলো ঠিকই পড়ে নেন। তাদের কাছে কোন বক্তব্য পৌছানোর জন্য কুস্তি দেখানো লাগেনা।

আমার কমেন্টের জবাবে আপনি মূল পয়েন্ট এড়ায়া গিয়া অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা বললেন, এরপর আর কোন রিপ্লাই দেয়ার প্রয়োজন বোধ করি নাই। মনোযোগী পাঠক এইটুকুর মধ্যে থেকেই যা বোঝার বুঝে নিতে পারবে, তার জন্য আলাদা কুস্তিমূলক মন্তব্য দরকার হয় না।

এই মন্তব্যটারও দরকার ছিলনা, নেহায়েতই মনে হইল আপনি একটা ভুলের মধ্যে আছেন, তাই বললাম।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:২৪

দাসত্ব বলেছেন: মাথার সাথে কপাল অপ্রাসংগিক হয় কিভাবে ?
জিয়াউর রহমানকে ইভ্যালুয়েট করতে চাইলে......

১৯৭৫ পরিস্থিতিতে (যেরকম লেজে গোবরে অবস্থা ছিলো ) বাংলাদেশের
১. জিয়া দায়িত্ব নিয়েছেন ....... কি হয়েছে
২. জিয়া দায়িত্ব নেন নাই ....... কি হতে পারতো

এই ২ টা হাইপোথিসিস বিচার করতে হবে.....

তখনই সঠিক ফলাফলটা বের হয়ে আসবে

১০০ বছর না , আর মাত্র ১০ বছর পর যঝন জনসংখ্যা ২৫ কোটি হবে তখনই মানুষ জিয়ার কথা মনে করবে আরো বেশী করে।

ধন্যবাদ

৭৪| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪১

দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: আচ্ছা, আজকে ১৯ জানুরারী ২০১১ যদি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন মেজর জেনারেল হঠাৎ করে ঘোষণা দেন, যে, তিনি ক্ষমতা নেবেন, কারণ

বাংলাদেশ গভীর সংকটে নিপতিত, দেশে চলছে বাকশালী নির্যাতন, বর্ডারে চলছে বিএসফের হত্যা যেটা আ.লীগ বিএনপি কেউ বন্ধ করে নাই, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, এইভাবে চলতে থাকলে দেশ ২০ বছরেই অচল হয়ে যাবে----এই সবকিছু তিনি ঠিক করে দিবেন, দরকার হইলে সিআইএ-তে চিঠিও লিখবেন-----তাইলে কি আপনি তাঁকে ক্ষমতায় আসার জন্য সাপোর্ট করবেন, না করবেননা?

২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:২১

দাসত্ব বলেছেন: ইক্যুয়েশনে অনেক বড় একটা প্যারামিটার মিস করলেন :

" শক্তিশালী বিরোধী দল ".......


আশা করি সমঝদারকে লিয়ে ইশারাই কাফি হ্যায়

৭৫| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২৩

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: দাসত্ব ভাই আল্লাহর কাছে দোয়া করি আপনি দীর্ঘজীবি হৌন, সুস্থ সবল-সচল থাকেন এবং জীবনে স্ব-পেশায় প্রতিষ্ঠিত হন। আর আমরা আপনার ফ্যান হিসেবে পরিশ্রম ধর্মী, তথ্য বহুল-সত্য, যৌক্তিক লেখা নিয়মিত ভাবে কামনা করি। ধন্যবাদ।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:০৮

দাসত্ব বলেছেন: আপনার জন্যও শুভ কামনা রইলো .....
যতটুকু লিখবো সাধারন ব্লগারদের জন্যই লিখে যাবো যাতে আওয়ামী ইতিহাসের চর দখলের খপ্পরে ওরা ভুল না বোঝে
সাথে থাকবেন

৭৬| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৩৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: ১৯৭১ সালের মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগীয় সরকারি দলিলে এবং CIA এর disclosed classified information এ কোথাও পাকিস্তান ভাঙ্গার জন্য জিয়ার তথাকথিত ঘোষনার উল্লেখ নাই। আছে মুজিব কে একতর্ফা দায়ী করে একগাদা report.
অথচ আপনারা দাবি করেন এই ঘোষনার কারনেই পাকিস্তান ভাঙ্গার যুদ্ধ সুরু হয়েছিল। পুরো ১৯৭১ সালের মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগীয় এবং CIA এর রিপোর্ট তন্ন তন্ন করে জিয়ার কোন নামই পাওয়া যায় নাই।

পাকিস্তানি তত্কালিন গোয়েন্দা রিপোর্ট গুলো এবং বহুল আলোচিত হামিদুররহমান কমিশন রিপোর্টে কোথাও জিয়ার ঘোষনার উল্লেখ নাই। মুজিব এবং আওমিলিগকে কে একতর্ফা দায়ী করা হয়েছে।

কারন টা বুঝতে অসুবিধা হয়ার কথা না।
ঘোষনা দিয়ে ছিলেন on behalf of Mujib.
এম এ হান্নান বাংলায়, জিয়া ইংরেজিতে,
ঘোষনার পাঠক কারা কারা এটা তাদের কাছে কোন তাৎপর্য বহন করে নাই।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:১৬

দাসত্ব বলেছেন:



.........DOI - ১

.........DOI - ২

.........DOI - ৩

বাকীটা আপনার বুদ্ধিজ্ঞানের উপর ভরসা করছি

৭৭| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৪৯

শিকারী বলেছেন:
-

@হাসান:



আম্লীগের শিখানো ঘুম পাড়ানী ইতিহাস সবার কাছে বলা বন্ধ করেন|

আসল সত্য:

জিয়া সর্ব প্রথম নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে বর্ননা করে স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন| মুজিব বা আম্লীগের নির্দেশে তিনি সে কাজ করেন নি|
চরম লোভী আম্লীগের নেতারা পরে জিয়াকে পিড়াপিড়ি করে আবার ঘোষনা দিতে বাধ্য করেন যাতে জিয়া মুজিবের নামটা উচ্চারন করেন| নির্লোভ জিয়া সেদিন "অন বিহ্যাফ অব শেখ মুজিব " যোগ করে আবার ঘোষনা দেন|

বেঈমান আম্লীগাররা সেটা স্বীকার করতে চায় না|


২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:১৬

দাসত্ব বলেছেন: উনাকে সব প্রমান দেয়া হয়েছে

৭৮| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:০৭

আব্দুল্লাহ আফফান বলেছেন: জিয়া যদি বেচে থাকত তাহলে হয়তো আমরা আরো অনেক কিছু করতে পারতাম আরও অনেক এগোতে পারতাম

২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:১৬

দাসত্ব বলেছেন: নিখুত সত্যি কথা.......

৭৯| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৪৯

স্বপ্নরাজ বলেছেন: লেখক বলেছে :জাতি হিসেবে মালয় দের থেকেও আমরা বেশী মেধাবী .....


--- সেই সংগে নিজের ভাল বুঝতে অক্ষম , সব দ্রুত ভুলে যাওয়া এবং অন্ধ সমর্থনও আমাদের একটা বিশেষ বৈশিস্ট বটে।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:১৭

দাসত্ব বলেছেন: ভুল বলেননি

৮০| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৩৬

আশার রাজ্যে নিরাশার মেঘ বলেছেন: ম্যাকানিক বলেছেন: জিয়া অনেক ভাল কাজ করেছিলেন কিন্তু তার অনেক অন্ধকার দিক ও আছে
জিয়া সুরু থেকেই ছিল ষড়যন্ত্রকারি।
ক্ষমতা দখলের পর পরই সুরু হয় পালাক্রমে সহকর্মি হত্যা। দু বছরের মধ্যে ১,৪০০ সহকর্মি আর্মি অফিসার-সৈনিক দের নির্বিচারে বা বিচারের নামে প্রহসনমুলক সংক্ষিপ্ত বিচারে হত্যা করে। এই ভাবেই তার ক্ষমতা সুসংহত করে।
+
ক্ষমতা নেয়ার শুরুর দিকে রাজাকারদের সহায়তা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা নির্মুলে নেমেছিলেন জিয়াউর রহমান।
সেনাবাহিনী থেকে (ফোর্সড্ রিটায়রমেন্ট) রিতিমত উষ্ঠা দিয়ে বের করে দিয়েছেন জিয়ার নিজের আর্টিলারী ইউনিটের প্রায় সবাইকে।
সেনাবাহিনীর ভিতরেই ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বানিয়ে রিতিমত দৌড়ের উপরে রেখেছিলেন (কোর্ট মার্শাল এর সম্মুখিন করে) সবাইকে।
পাকিস্তান প্রত্যাগত সেনাবাহিনীর চামুচদের মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যদের উপর ছড়ি ঘোড়ানোর সাহস এবং ক্ষমতা নিজের হাতে তুলে দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান।
তবে হ্যা জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জন্য যেভাবে ভাবতেন ও দেশের জন্য যতটুকু করে গেছেন সেজন্য অবশ্যই তাকে শ্রদ্ধা করি।
উনার পরে বাংলাদেশে আর কেউ সেভাবে দাড়াতে পারেন নি।
এরশাদ কাগু ত শুধু ওয়ান ফর ইউ ওয়ান ফর মি কইরা দশ বছর পার করলেন।
তারপরে শহীদ জিয়ার বি এন পিরে মানুষ অনেক আশা নিয়ে ভোট দিছিলো কিন্তু বিএনপি সেই আশার গুড়ে বালি দিয়ে খালেদা জিয়া আর তার ছেলেদের মাতব্বরি করার পথ দেখিয়ে দিলো।
আজকের বিএনপি সেদিনের জিয়ার দেখানো স্বপ্ন ও পথ থেকে মোটামুটি এক চন্দ্র পথ দূরে আছে এবং এই দুরত্ব ঘুচানোর জন্য আপনার মত কিছু ডাইহার্ড সাপোর্টার ছাড়া স্বয়ং জিয়ার সহধর্মিনী খালেদা জিয়াও কিছু করছেন না।

একজন মানুষের ভালো এবং খারাপ দুটি দিকই আছে।
প্রায়ত রাস্ট্রপতি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জিয়া উর রহমানও একজন মানুষ।
দেশপ্রেমিক একজন নেতা হিসেবে উনাকে সবসময়ই শ্রদ্ধা করি।

বাংলাদেশী হিসেবে আমরা সাধারনত একজন মানুষের হয় ভালোটা দেখবো নয়তবা শুধু খারাপটা প্রিয় লেখক আপনি মন খারাপ করলেও বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আপনিও এর থেকে বের হতে পারেন নি।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:১৮

দাসত্ব বলেছেন: ৬১ নং এর উত্তর দেখুন , নতুন করে কিছু বলার নেই।

একজন মানুষের ভালো এবং খারাপ দুটি দিকই আছে।
প্রায়ত রাস্ট্রপতি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জিয়া উর রহমানও একজন মানুষ।
দেশপ্রেমিক একজন নেতা হিসেবে উনাকে সবসময়ই শ্রদ্ধা করি।


এই অংশটুকুর জন্য আমিও আপনাকে শ্রদ্ধা জানালাম......
তবে কিছু শব্দে দ্বিমত করছি.....

মানুষ মাত্রেই ভুল , জিয়ারও ভুল থাকতে পারে।
"খারাপ" শব্দটাকে " ভুল " দিয়ে রিপ্লেস করলাম , ধন্যবাদ

৮১| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:৪১

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: ইদানিং বাকশালীরা তাহেরকে নিয়ে খুব লাফাচ্ছে। দেশ পরিচালনায় পুরা ব্যর্থ হয়ে , মানুষের সামনে নিজেদের মুখোশ খুলে যাওয়ায় তারা এখন তাহেরকে নিয়ে লাফানোর চেষ্টা করছে নিজেদের বাঁচাতে। এ ব্যাপারে আপনার কাছ থেকে এরকম একটি অসাধারন পোষ্ট আশা করছি।


পোষ্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:১৯

দাসত্ব বলেছেন: তাহেরের বিষয়টা নিয়েও পোস্ট আসবে......হয়তো দেরি হবে
আপনাকেও ধন্যবাদ

৮২| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:০২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: আপনি বলছেন সেনাবাহিনীকে জিয়াই দাড় করিয়ে গেসেন। সেনাবাহিনীর ভেতরে জিয়ার জনপ্রিয়তকে আওয়ামী লীগ- হাসিনা প্রচন্ড ভয় পায়.....

মুজিব Military academy গঠন করেন যুদ্ধবিদ্ধস্ত একটি দেশে যখন চট্টগ্রাম বন্দর তখনো মাইনমুক্ত হয় নাই, রক্ষিবাহিনীর মত একটি এলিট বাহিনী থাকা সত্যেও তার বাড়ী পাহাড়ার জন্য আর্মিকেই দায়িত্ব দেন।

আর জিয়া কি করলেন
অর্ধেক সহকর্মি অফিসার দের খতম করলেন।

একটি দেশের নিয়মিত বাহিনী ভেতর ‘জনপ্রিয়তা’ ‘ভয়’ এই সব জিনিষ থাকবে কেন ?
তাহলে উনি সেনাবাহিনিকে কি দাড় করেয়ে গেলেন ?
বাহিনী ভেতর ‘জনপ্রিয়তা’ ‘ভয়’ এই সব থকার অর্থই হচ্ছে এই বাহিনী বিসৃখ্যল, এদের উপর আস্থা রাখা যায় না।

এটা প্রমানিত হল জনপ্রীয় দের হাতে প্রান দিয়ে।
কিন্তু জনগনের করের টাকা, সরকারি বেতনে পালিত রাষ্ট্র যাদের শপথ পড়িয়ে বিশ্বাস করে অস্ত্র তুলে দিয়েছিল দেশকে রক্ষা করার জন্য, তাদের যদি এই অবস্তা করা হয় ..........

২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:২০

দাসত্ব বলেছেন: তারা যে জিয়াকে খতম করতে (ক্যু) করতে চান নাই আপনি জানলেন কিভাবে ?

৮৩| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৫৩

এ কে এম ওয়াছিয়ুন হালিম বলেছেন: এতগুলা কমেন্ট পড়ে আর বেশি কিছু লিখতে পারছিনা, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের দায়িত্ব থেকে আপনি যেই পরিশ্রম করেছেন তা অবশ্যই প্রশংসার দাবীদার...

তথ্যগুলা জানা প্রয়োজন ছিলো, জানলাম...

ছোটবেলা থেকেই আমি শহীদ জিয়ার একান্ত ভক্ত, আর পরবর্তী জীবনে এসে তথ্য আর যুক্তির মাধ্যমে পোক্ত হচ্ছে মাত্র, আশা করি আপনাদের সহায়তায় সেটা আরো এগিয়ে যাবে...

অনেক লক্ষ্য করে দেখেছি অনেক নিবেদিতপ্রাণ বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের সৈনিক শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রকদের হটকারি, আদর্শচ্যুত, গনবিরোধী কর্মকাণ্ডে হতাশ হয়ে হাত গুটিয়ে বসে আছেন... :(

আর এই নিয়ন্ত্রক পরিষদে অনেকেই সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদ...
যারা আজ বিএনপি করছেন আপন কাল স্বার্থে আম্বালিক করবেন...

এই ইস্যুতে আমার বাস্তব কিছু অভিজ্ঞতা রয়েছে, যদিও আমি ভুক্তভোগী নই, অনেক ব্যাক্তিত্তসম্পন্ন ত্ত্যাগী নেতা আজ পর্দার আড়ালে চলে গেছেন বঞ্ছনার শিকার হয়ে... :(

কর্নেল তাহেরের ইস্যু নিয়ে পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম...

আগ্রহীদেরকে সংক্ষেপে বলে দিতে পারেন তাহের আসলে কি করতে চেয়েছেন আর সমাজ বাস্তবতায় এবং বিশ্ব পরিস্থিতিতে সেটা কতটা যুক্তিযুক্ত ছিল। শহীদ জিয়া কেন তার রক্তচক্ষু কালো চশমার আড়ালে নিয়ে বলেছেন,'আমি বুর্জোয়া সিপাহী, আমার কাছে বিপ্লব চাইতে এসোনা।' (মন্তব্যটা কিঞ্ছিত শব্দের ব্যাতিক্রম হতে পারে, তবে মূল কথা এমনি ছিলো)

ধন্যবাদ, সুন্দর একটা পোস্টের জন্য... :)
++ এবং প্রিয়তে (কমেন্ট পড়ার আগেই নিয়েছি)

২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:২৭

দাসত্ব বলেছেন: সেনাবাহিনীকে কামলা খাটানোর জন্য তৈরী করা হয়না।
সেনাবাহিনী দেশপ্রতিরক্ষার চূড়ান্ত বাহিনী।
বিডিআর কে দিয়ে কামলা না , জাস্ট চাল-ডালের মুদি দোকান চালিয়ে ফলাফল হইসিলো খুবই খারাপ.....

জিয়া কাউকে রক্তচক্ষু দেখানোর প্রয়োজন নাই.....
যেই তাহের কে এত সাধু দেখানোর চেষ্টা চলছে , বলা হচ্ছে জিয়ার প্রান রক্ষাকারী সেই তাহের কি করতে চেয়েছিলো সেটা জানাবো....

জিয়া অর্থনৈতিক কৃষি বিপ্লব চেয়েছিলেন , নিজেরঝাতে কোদাল ধরেছিলেন , কিন্তু সেনাবাহিনীকে তিনি সেটার ভেতরে জড়াননি....

বরং খাল খননের কাজটা তিনি সাধারন গরীব মানুষের ভেতরে দিয়ে তিনি কাবিখা / কাবি নগদ অর্থ এসবের মাধ্যমে কর্মসংস্থান করেছেন গরীব মানুষ গুলোর......

সবাই জিয়াকে খতম করতে চেয়েছে গায়ে পড়ে , জিয়া যতটুকু করেছে ঠেকায় পড়ে , উস্কানী মূলক আক্রমনের জবাব দিয়েছে মাত্র....

৮৪| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৫৫

এ কে এম ওয়াছিয়ুন হালিম বলেছেন: সংশোধনীঃ

আছে

আর এই নিয়ন্ত্রক পরিষদে অনেকেই সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদ...
যারা আজ বিএনপি করছেন আপন কাল স্বার্থে আম্বালিক করবেন...

হবে

আর এই নিয়ন্ত্রক পরিষদে অনেকেই সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদ...
যারা আজ বিএনপি করছেন কাল আপন স্বার্থে আম্বালিক করবেন...

৮৫| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:১৪

নেক্সাস বলেছেন: জিয়া তুমি অনন্য...

জিয়া তোমাকে ভালবাসি..

জিয়া তুমি মিশে আছ প্রতিটি দেশ প্রেমিক মানুষের রক্তে...



লেখক কে ধন্যবাদ

২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:২৭

দাসত্ব বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

৮৬| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:২৩

কামরুল হাসান শািহ বলেছেন: ধন্যবাদ এবং প্রিয়তে
১০০০১টা+

২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫১

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৮৭| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৫০

এ কে এম ওয়াছিয়ুন হালিম বলেছেন: ধন্যবাদ, জবাবের জন্য...

তাহের মিয়ার পোস্টের জন্য অপেক্ষায় রইলাম...

সময় নিয়ে লিখতে পারেন...

তাতে লেখা বেশি ভালো হবে...

ভালো থাকবেন...

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০০

দাসত্ব বলেছেন: আপনিও ভালো থাকবেন

৮৮| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৫৮

চন্দ্রগ্রহণ বলেছেন: আমার ইমেইল অ্যাড টা দিলাম। যোগাযোগ করলে খুশি হব।

[email protected]

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০১

দাসত্ব বলেছেন: ফেসবুকে আপনি আমাকে পাবেন .....
[email protected]

যাইহোক ... যোগাযোগ করবো সময় মত

৮৯| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:২৪

একজন আমি বলেছেন: কঠিনলজিক বলেছেন: অন্তর থেকে একটা ধন্যবাদ দিলাম আপনাকে ।
এর বেশী কিছু বলার নাই।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০২

দাসত্ব বলেছেন: স্বাগত চিত্তে ধন্যবাদ গ্রহন করা হইলো

৯০| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৪

প্রতািরত বলেছেন: আপনি বলেছেন জিয়া ছিল দেশপ্রেমিক, দেশপ্রেমিকের সংগা টা একটু ইয়াদ করিয়ে দিবেন কি?

৯১| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০৬

প্রতািরত বলেছেন: জিয়া যদি দেশপ্রেমিক দশদ্রোহী কে?

৯২| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২১

বিবেকহীন বলেছেন: অসাধারন এক পোস্ট। একটা অনুরোধ, আপনের পোস্ট গুলা গুগলের ব্লগার ডটকমে নিয়ে যেতে পারেন, পরে চাইলে সেখান থেকে আপনের ডোমেইনের আন্ডারেও নিয়ে যেতে পারেন। এতে ভবিষ্যতে পোস্টগুলোর একসেস পাওয়ার সুযোগ বেশি থাকবে। কারন আবাল বাঙ্গাল কৃত্রিম ইতিহাস ও স্মৃতিচারনে আক্রান্ত।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫৬

দাসত্ব বলেছেন: যেই সাজেশন দিলেন সেটা কিভাবে করা সম্ভব আমি ঠিক জানিনা।
ওয়ার্ড প্রেসে কিভাবে নিজের মনের মত করে একটা ব্লগ সাজানো যায় জানালে খুব খুশী হবো।
ধন্যবাদ

৯৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:৩৯

প্রতািরত বলেছেন: জিয়ার মরনোত্তর বিচার হতেই হবে। সব কুকির্তির হিসাব নেয়া হোক গুনে গুনে।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০০

দাসত্ব বলেছেন: তালগাছ টা যে আপনি ই নেবেন সেটা আমি শুরুর কমেন্ট থেকেই বুঝতে পারছিলাম....
আনুষ্ঠানিক ভাবেই দিলাম......



মুজিবকে সবার আগে মরনোত্তর বিচার এবং জবাবদিহিতার কাঠগড়ায় দাড় করানো উচিত....

৯৪| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৫

shapnobilash_cu বলেছেন: বিবেকহীন বলেছেন: অসাধারন এক পোস্ট। একটা অনুরোধ, আপনের পোস্ট গুলা গুগলের ব্লগার ডটকমে নিয়ে যেতে পারেন, পরে চাইলে সেখান থেকে আপনের ডোমেইনের আন্ডারেও নিয়ে যেতে পারেন। এতে ভবিষ্যতে পোস্টগুলোর একসেস পাওয়ার সুযোগ বেশি থাকবে। কারন আবাল বাঙ্গাল কৃত্রিম ইতিহাস ও স্মৃতিচারনে আক্রান্ত।

একজন আমি বলেছেন: কঠিনলজিক বলেছেন: অন্তর থেকে একটা ধন্যবাদ দিলাম আপনাকে ।
এর বেশী কিছু বলার নাই।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫৭

দাসত্ব বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

৯৫| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৩৮

বিজ্ঞান বলেছেন: আবার ও কয়েকদিন পরে চোখে পরলো পোষ্ট।



ধন্যবাদ দিয়া বড় করুম না । এই রকম পোষ্ট পাওয়া আমাদের আধিকার আর আপনার নৈতিক দায়িত্ব।


কিছু আবাল/ভাদারে সামলান ।

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:২২

দাসত্ব বলেছেন: আপনিতো আপনার দায়িত্বটা ভুলেই গেলেন..... ডকুটা পাঠাবেন বলে আর পাঠাইলেন না.....

সামনে DOI সিরিজের আরো ৩ টা পর্ব হবে......

৯৬| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:২০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: লেখক বলেছেন: তারা যে ক্যু করতে চায় নাই আপনি জানলেন কিভাবে ?

আচ্ছা বর্তমান সরকার প্রধান কে খতম করার জন্য অনেক আর্মি মনে মনে ইচ্ছা পোষন করেন। তাহলে কি প্রমান ছাড়াই তাদের হত্যা করা উচিত ?

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৩২

দাসত্ব বলেছেন: খতম করতে চাওয়া বলতে আমি "মনে মনে ইচ্ছা পোষন " নয় , ক্যু করা এবং ক্যু করার চেষ্টাকে বুঝিয়েছি.......

আপনি কিভাবে নিশ্চিত যে সেটা হয়নি ?

৯৭| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:১৯

দুরন্ত সাহসী বলেছেন: দল নেতা নিয়ে কথা বলছিনা কারন ইতি মধ্যে বেশ কিছু বোদ্ধারা বলে ফেলেছেন অনেক কথাই লেখক সেখানে সহমতের চেয়ে দ্বিমত পোষন করেছেন বেশি আর সব চেয়ে বড় কথা যাহা সত্য তাহা নিয়ে রাস্তায় নামা বোকামি,জিয়াউর রহমান দেশের জন্য অবদান রেখে গেছেন সেটারপক্ষে চুপ থাকা উচিৎ মিসিল নয়।

@শিকারী আপনার প্রতি আমার সহমর্মিতা রইলো,আপনার এমন চলে যাওয়া আমাকে মানসিক ভাবে স্বস্তির মধ্যে ফেলে দিলেও আমি কিছুটা উদ্বিগ্ন আছি যাহা হইলো প্রাপিষ্ঠ্য আত্মা গুলো নাকি বার বার ফিরে আসে এই নশ্বরে,আপনার প্রতি ব্লগের যথা যত আচরণ কে সাদুবাদ জানাই।

আপনি হলেন আমার দেখা ব্লগের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর ব্লগার যে নাকি আক্রমণ মুলক আচরণ করেন ৯০ভাগ,

ব্লগের বাইরে থাকুন সুস্থ্য ও সুন্দর থাকুন।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৩৬

দাসত্ব বলেছেন: মন্তব্যের ১ম প্যারায় আমার উদ্দেশ্যে যেটা বললেন সেটা পুরোই আগোছালো......
এখানে জিয়ার অবদান নিয়ে "চুপ থাকা" ও হয়নি , আবার "মিছিল" ও করা হয়নি......

প্রত্যেকটা তথ্যের যথাযথ প্রমান দেয়া হয়েছে......

৯৮| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৩২

বিজ্ঞান বলেছেন: আমার দায়িত্ব পারলন করলাম এই বার আপনারটার আপেক্ষায় ...

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৫৭

দাসত্ব বলেছেন: ইনশাল্লাহ...... অশেষ কৃতজ্ঞতা জিনিসগুলার জন্য.......

৯৯| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৫৮

অবলা পুরুষ বলেছেন: প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্পর্কে অনেক না জানা তথ্য জানলাম।
.........ধন্যবাদ এবং সোজা প্রিয়তে।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২১

দাসত্ব বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

১০০| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৪৪

অনিক আহসান বলেছেন: স্যালুট....এবং সাথে সাথে প্রিয়তে....

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪৮

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ অনিক আহসান , প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা

১০১| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:০২

রিফাত হোসেন বলেছেন: জিয়া দেশের জন্য অনেক করেছে স্বীকার করি । আমার আব্বার মুখেই শুনেছি ।

তবে নিজের ক্ষমতার জন্যও সে যে কিছু করে নাই তাও বলব না ।

দোষে হোক র্নিদোষে হোক এমনিতেই অনেক অফিসারকে সে হত্যা করেছে ।

বলতে পারেন গণহারে কিন্তু তারপরও সে সফল নায়ক ছিল ।

বঙ্গবন্ধুর হত্যায় যতটুকু শোক প্রকাশ করেছে তার থেকে জিয়ার মৃত্যুতে টোটাল বিডি শোক প্রকাশ করেছে ।
আমার আব্বার কাছে পেপার কাটিং আছে ।



আর শেখ মুজিব কিছুই করতে পারে নাই তার চেলা মুন্ডাদের জন্য ! মানে রক্ষী বাহিনী । তখনকার সময় আর্মিদের কেন জানি নিচু চোখে দেখা হত !


বি:দ্র: আমার আব্বা তখনকার সময় আর্মিতে অফিসার ছিলেন । উনি খুব কাছ থেকে প্রায় খ্যাতনামা(যাদের নিয়ে ইতিহাসে টানাটানি হয়) অফিসারদের সান্নিধ্য লাভ করেছেন । বড় কথা উনি ই এম ই কোরের এর চিফ ছিলেন ।


০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫৪

দাসত্ব বলেছেন: জিয়া কঝনো হিট ফার্স্ট করে নাই। আমি জিয়াকে নিয়ে যতটুকু স্টাডি করসি তাতে এটাই পাইসি।

সবাই জিয়ার ঘাড়ে কুড়াল চালাইসে।
সবাই জিয়ার সাথে গায়ে পড়ে লাগসে।
আত্নরক্ষা করার অধিকার অবশ্যই জিয়ার ছিলো।

আপনার মেইল অ্যাড্রেসটা আমাকে দেয়া যাবে?
১৯৭৫-১৯৮১ সামরিক বাহিনীর ভেতরের কিছু ঘটনা জানার ব্যাপারে আপনার বাবার অভিজ্ঞতাটা আমার শোনা দরকার।

১০২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০৫

বৈকুন্ঠ বলেছেন: এইসব ালফেলাইন্যা আলাপ দিয়া কার কি কাম? একজন হৈল "নিরেট দেশপ্রেমিক" আর আরেকজন "হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাংগালি"। কিন্তু দুইজনেই মৈরা গেছে। অতিত থেইকা বর্তমানে ফিরা আসেন মিয়ারা। মানলাম তারা দুইজনেই ভালো আছিল। কিন্তু এইটা দিয়া আমগো বর্তমানেতো কোনোকিছু আইতাছে যাইতাছেনা। তাগো ইমেজ বেইচ্যা আর কত জাতিরে ধোঁকা দেওয়া হৈব?
আর, একজন মানুষ ভালা হৈলেই যে তার বৌ-পোলাপান এমনকি সারা গুষ্ঠি ভালো হৈব এই ধারনাটাও ভুল। আমার পরিচিত একজন ভদ্রমহিলা, যিনি জীবদ্দশায় ছিলেন দারুনরকম নিষ্ঠাবতী, ধার্মিক এবং পর্দানশিন, উনার এক মেয়ে এখন বাংলাদেশেই উঁচুতালার কলগার্ল।
আমাদের এইমুহুর্তে একজন জীবন্ত দেশপ্রেমিক এবং ভাল (শত বা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ না হৈলেও চলবো) বাংগালীর দরকার। আছে আপনের খোঁজে এমুন কেউ?

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১২

দাসত্ব বলেছেন: আপনার কমেন্টটা খুব পছন্দ হইসে।
কাউকেতো খুঁজে পাইলাম না, আপাতত যারা আছে দেশের কান্ডারী এগুলাকে বাম্বু দিয়ে ভালো লাইনে রাখাটাই উপায় মনে হয়।

১০৩| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২১

লালু কসাই বলেছেন: আপনি মিয়া খারাপ লোক। আমার ৩ রা ফেব্রুয়ারি থেকে দেয়া পোষ্ট গুলি দেইখেন। তারপর কইয়েন কি বুঝলেন...এক বিরাট কাহিনী পাইবেন পোষ্টগুলায়। ধরতে পারা আপনার উপর ছাইড়া দিলাম।


এখন এই পোষ্টের কথা কই...কি কমু কন? কিছু কওনের নাই...পাবলিকরে জানানের বহুত দরকার আছিল। আইজকা এখানে আশার কারণ ষ্টিকি পোষ্ট। আশা করি খুব শীঘ্রই কিছু একটা পাব।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৬:২৬

দাসত্ব বলেছেন: আচ্ছা দেখবো......

" আশা করি খুব শীঘ্রই কিছু একটা পাব।"

ইনশাল্লাহ খুব শীঘ্রই পাবেন।
আশা করি ফেব্রুয়ারী পার হওয়ার আগেই পাবেন।
মাঝখানে আরেকটা পোস্ট ওয়েট করতে হবে।
মায়ের ভাষা নিয়ে কিছু কথা জমে আছে ভেতরে।
সেগুলো বলে নিয়ে হাঁফ ছেড়ে বাচি।

১০৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২২

লালু কসাই বলেছেন: আপনি মিয়া খারাপ লোক। আমার ৩ রা ফেব্রুয়ারি থেকে দেয়া পোষ্ট গুলি দেইখেন। তারপর কইয়েন কি বুঝলেন...এক বিরাট কাহিনী পাইবেন পোষ্টগুলায়। ধরতে পারা আপনার উপর ছাইড়া দিলাম।


এখন এই পোষ্টের কথা কই...কি কমু কন? কিছু কওনের নাই...পাবলিকরে জানানের বহুত দরকার আছিল। আইজকা এখানে আশার কারণ ষ্টিকি পোষ্ট। আশা করি খুব শীঘ্রই কিছু একটা পাব।

১০৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২৪

ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস বলেছেন: পোস্টখান শো কেসে নিয়া রাখছিলাম, তবে কমেন্ট করে হয় নাই। ফাটাফাটি। হাম্বারাতো দেখি পোস্টে খালি হাম্বা হাম্বা করলো। কাজের কথা তো কিছু বলতে পারলোনা

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৬:২৭

দাসত্ব বলেছেন: হুমমম , কাজের কথা বলতে গেলে তালগাছের মালিকানা ছাড়তে হবে

১০৬| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:০১

আরিয়ানা মিনু বলেছেন: অসাধারণ একটা লেখা। দাসত্ব ভাইয়া, আপনাকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা আর ধন্যবাদ।

এরকম একজন বিশাল জনদরদী দেশপ্রেমিক রাস্ট্রনায়ক বাংলাদেশের জন্য একটা ভাগ্য ছিলো। তার মতন মানুষকে নিয়ে বর্তমান সময়ে ক্ষমতাসীন দলের অনেক নিকৃষ্ট চাটুকার আর জ্ঞানপাপীরা এখন কুৎসা রটনায় লিপ্ত।

দেশের প্রতি তাদের ন্যুনতম শ্রদ্ধাবোধ থাকলেও চুপ করে থাকতো। এই লেখাটা পড়ে আমি নতুন করে অনুধাবন করলাম। জিয়াউর রহমানের মতন একজন নেতা ছিলো বলে বাংলাদেশ আজ এতখানি আসতে সমর্থ হয়েছে। নতুবা যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশের দুর্ভিক্ষপীড়িত আর রক্ষীবাহিনী কবলিত দেশে আসলে ভিক্ষুকের ঝাঁকই ঘুরে বেড়াতো।

আরেকবার ধন্যবাদ আপনাকে।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৬:৩৩

দাসত্ব বলেছেন: হুমমম , কথায় বলে বাঙালী কে কাঙাল রাখতে হয়।
তখন নাকি বাঙালীর মনে পড়ে পেটে ভাত জোটায় কে ।
জিয়া এদেশের ভাত জোটার ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছেন তো যাতে কাঙাল না থাকতে হয় সেজন্যই জিয়ার সাথে বেঈমানী - নিমক হারামী।

জিয়াও যদি অন্যদের মত কাঙাল রাখতেন বাঙালী কে তো এখন ব্লগে , মাইকে , পেপারে বড় বড় গলাবাজী বাদ দিয়ে কামলা খাটতে হতো দুবেলা পেটে ভাত জোটানোর জন্য।

ধন্যবাদ আরিয়ানা

১০৭| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৪৪

লিটল বয় বলেছেন: হাজার হাজার হাজার প্লাস +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৩১

দাসত্ব বলেছেন: হাজার হাজার খুশী :-)

১০৮| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:২৯

রিফাত হোসেন বলেছেন: সাহেব আমি আমার আব্বা কে বলেছি তার নিয়ে একট জীবনি রচনা করতে । বলতে পারেন আত্ন কথন । আমি এটা ছাপাব ।

সে চিন্তা করছে ।

যদিও সে যথেষ্ট বয়ষ্ক এখন । স্মৃতি শক্তি লোপ পাচ্ছে । :(

...........
তার কর্ম জীবনে সে খুবই দায়িত্ব বান ছিলেন তা বুঝা যায়, তার মেডেল দেখলে ও বর্তমানেও বিভিন্ন জায়গা থেকে অবসর প্রাপ্ত অফিসার কিংবা ব্রিগেডিয়ারদের প্রাইভেট অনুষ্ঠানের দাওয়াত আসলে ।

যদিও বাস্তব জীবনে সে তেমন কিছুই করতে পারে নাই !!!

আমাদের ভাই বোন এই নিয়ে একটু বিরক্ত পোষনই করি ।

যে লোক এরশাদ এর আমলে কোর্ট মার্শাল এর বিচারক ছিলেন !! তার এখন গ্রামের কয়েক বিঘা পৈত্রিক সম্পত্তি ছাড়া তেমন কিছুই নাই ???

সে বিনা বিচারে কাউকে ফাসিতে ঝুলায় নাই । সে জীবনে অনেককেই বিচারক হিসেবে ফাসি দিয়েছে । তবে অবশ্যই প্রমান হবার পর ।

এ জন্য মার মুখে শুনতাম যে, ঘরে অনেক উপঢৌকন আসত আর আব্বা সেগুলো ফিরিয়ে দেবার জন্য মা কে বলতেন ।

কেউ কেউ টাকার ব্রিফকেস নিয়েও আসত । তবুও আব্বা আইনের পথ থেকে সরে আসেন নি ।

যদিও তাদের সাথে জুরিও ছিল । :)

... যে লোক পাকিস্তান আমল থেকে আর্মি অফিসার তার অনেক কিছুই থাকার কথা ।


যাই হোক এই হল ব্যক্তিগত জীবনের কথা ।

মূল পোষ্ট থেকে দূর চলে যাবার জন্য দু:খিত ।


.. যদি বই ছাপাতে পারি, তাহলে একটা কপি আপনাকে দিব । সেখানে যদিও ঐ সব ব্যাপার সম্পূর্ণ থাকবে না । কারণ এগুলো আব্বা অনেকটা এরিয়েই চলেছেন ।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৩৮

দাসত্ব বলেছেন: আপনার আব্বার ব্যাপারে জানতে পেরে ভালো লাগলো।
সততার জন্য উনার প্রতি শ্রদ্ধাও রইলো।
আমিার আসলে যেটা ইমিডিয়েটলী প্রয়োজন সেটা হলো নভেম্বরের ৭ - ২৪ তারিখ , ১৯৭৫ , গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত তাহের কি কি করেছিলো ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে এবং বাইরে এটা আমি নিখুত ভাবে জানার চেষ্টা করছি।

কারন এই ফেব্রুয়ারীতেই আমি তাহেরের বিষয়টা নিয়ে পোস্ট করবো।

অনেক কিছুই জানা হয়েছে। সেটা দিয়েই পোস্ট করা যায়। তবে ইনফরমেশন ডেনসিটি যত বাড়ানো যায় ততই ভালো।

সেজন্যই বলেছিলাম। আপনার আব্বার সে সময়কার চাক্ষুস অভিজ্ঞতাটা কি আমাকে জানানো যায় ইমিডিয়েটলী ?
উনার এক্সপেরিয়েন্সটা যদি পিডিএফ , অডিও ক্লিপ , হাতে লিখিত যেকোন ভাবে আমাকে জানাতেন খুন খুশী হতাম।

নভেম্বর ৭- নভেম্বর ২৪ , ১৯৭৫..... এই জায়গাটাতে আমি আরো বেশী জানতে চাই , যদিও অনেক জানা হয়েছে।

যদি সাহায্য করতে পারেন খুব খুশী হবো।

আর সাহেব সম্বোধন করলেও আমি ছাপোষা মানুষ।
বইটা পেলেও অনেক উপকারে আসবে ।

ধন্যবাদ

১০৯| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৩২

স্বপ্নরাজ বলেছেন:
প্লাস।
কর্নেল তাহেরকে নিয়ে লিখলে রেফারেন্স সহ ডিটেইল লিখবেন।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪০

দাসত্ব বলেছেন: অবশ্যই..... ওয়েটিং টু পুল দ্য ট্রিগার

১১০| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:১৩

রিফাত হোসেন বলেছেন: বুঝলাম । কিন্তু এত টাইম এন্ড ডেইট মেইন টেইন্স করতে গেলে তো আব্বার ডায়রী অপেন করতে হবে । :) সেটা আদও আছে কিনা জানি না । যদিও আব্বার বাজারের ফর্দের লিস্টি প্রতিদিনই করত । :)

আমাকে এক সপ্তাহ সময় দিন । অন্তত আজকে থেকে ৭ দিনের মধ্যে একটা ফিড ব্যাক দিতে পারব । তবে হয়ত শক্তিশালী না । কারণ তথ্যগুলো আমাকে টাইপ করতে হবে কাজের ফাকে । আর আব্বাকেও ফোন করে পেতে হবে । বোঝাতে হবে । একটু সময়ের ব্যাপার ।

আশা করি ৭ দিনের সময় পাচ্ছি । ;)

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:১২

দাসত্ব বলেছেন: অফকোর্স , ৭ দিন নিতেই পারেন। জাস্ট ফেব্রুয়ারীর শেষ সপ্তাহের আগে হলেই বেঁচে যাই। এরই মধ্যে আমার একজন শুভাকাংখী মেইলে আমাকে অনেক দরকারী একটা ডকু পাঠিয়েছেন। হয়তো উনি ব্লগে কমেন্ট করেননি।

উনার কাছেও অনেক কৃতজ্ঞতা , আর আপনার বাবারটা পেলেতো কোন কথাই নেই।

[email protected]

১১১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:১৪

আরিফ১৯৭৮০০৭ বলেছেন: +++++++

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫২

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ

১১২| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:২৩

বদপুলা বলেছেন:


++++++++++++++++++++++++++++++++++

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৩

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ

১১৩| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০৪

রিফাত হোসেন বলেছেন: দু:খিত আমি অনেক চেষ্টা করেছি, তবে আব্বা অজ্ঞাত কারণে জানাতে দ্বিধা বোধ করেছেন ।

তবু অফিসার তাহের সম্বন্ধে কিছু না জানালেও তার সান্নিধ্য সম্বন্ধে তিনি জানান দিয়েছেন । সুতরাং.. কিছু একটা তিনি বুঝালেন, যা তিনি লুকিয়েছেন ।
----

তবে তার কথায় জিয়া সম্বন্ধে বুঝলাম যে সে নিষ্ঠাবান অফিসার ছিলেন তবে রাজনীতিতে তার অবস্থান সম্বন্ধে তিনি জানাতে চান নাই । তবে তার হত্যাকান্ডের কথা বললে তিনি সব কিছু না জানার ভান করে বলেন,সবই তিনি পত্রিকায় পড়েছেন !!! আমি নিজেও অবাক । আমি শতভাগ নিশ্চিত তিনি জানেন, তবুও এড়িয়ে যাচ্ছেন ।

আমার একটা ভুল ছিল যে, এই ডকুমেন্টারীর কথা তার কানে তুলে । :( হয়ত এই কারণেই তিনি জানাতে চান নি । শুধু এমনিই জানার উদ্দেশ্যে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানাতেন হয়ত ।

----
তার এই রকম ব্যবহারে আমি কিছুটা কষ্ট পেয়ে বললাম, স্বাধীনতার সময় আপনি কোথায় ছিলেন? কেন আসেন নি দেশের টানে ।

সে জবাবে বলে, সে একা নয় আরও অনেক বাঙ্গালী সামরিক বেসামরিক আটক ছিল । আর হাজার হাজার মাইল দূর থেকে দেশে সম্ভবপর ছিল না । আর যারা পেরে ছিল (অফিসার) তারা বর্ডার এর কাছে ছিল । এর মধ্যে তার পরিচিত মেজর মঞ্জুর (অফিসার জিয়া হত্যাকারী) পাকিস্তানের বর্ডার পার করতে পেরেছিল কারণ বর্ডার ছিল । আর বাংলাদেশী বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর ট্রেনিংরত অবস্থা থেকে পালাতে চেষ্টা করেছিল । তাও আকাশ পথে ।

তাছাড়া আরও কয়েক অফিসার পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশ বা জায়গার নাম বলল ঠিক চিনি না । যারা পালাতে গিয়ে ধরা পরে, অনেকে মারা যায় ।

আর একটা বিষয় শুনলে অবাক হবেন যে, তিনি বলেন অন্য কোথায় ব্যারেকে বাঙ্গালী অফিসার জেল থেকে বের হবার জন্য সুরঙ্গ তৈরী করে !!! যা আমাদের অজানা ছিল । তারা সফল হতে পারে নাই । তখন সময়ের ঘটনা ।

অনেকে সীমান্তেও গুলি খেয়ে লুটিয়ে পরে । তাদের কোন খোজ খবর রাখি নাই ।

তিনি একটা কথা বলেন যে, দেশী স্বাধীন করতে রাজাকার, আল বদল আল শামস ব্যতীত বাকি সব জনতা যুদ্ধ করেছে ।

অস্ত্র হাতে শুধু মুক্তিযুদ্ধ হয় নাই, কলমে, ভাতে, স্থানে হয়েছে । যে মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার দিয়েছে, যে জায়গায় দিয়েছে তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা । সুতরাং বিরশ্রেষ্ঠ আর বীর বিক্রম বীর উত্তম এগুলোর কোন মানে নাই ।

যেই বাঙ্গালীরা দেশ নেতা হিসিবে শেখ মুজিব আর অফিসার জিয়াকে চিনেছে তাদেরই খুন করেছে, !!! তারাই ছিল মুক্তিযোদ্ধা ।

সুতরাং শত শথ পাঞ্জাব অফিসার সৈন্যদের মধ্যে গুটি কয়েক বাঙ্গালী অফিসার বা সৈনিকদের কি রকম ভয়ে সময় কাটাতে হয়েছিল । তারা জানাত । তারা চেয়েছিল চলে আসতে, তাদের কাছে এটা জাহান্নামই রূপ নিচ্ছিল । কিন্তু কি অজুহাতে কিভাবেই পালাবে এটাই ভাববার বিষয় ছিল ।

পাকিরা চাইলেই প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে খুন করে ফেলতে পারত । ১৬ ডিসেম্বর এর আগেই । কিন্তু তারা করতে পারে নাই বাংলাদেশে বন্দী সোলজারদের কারনে ।

আর তাছাড়া পালাতে গিয়ে মেরে ফেলে তা ১৬ ডিসেম্বরের পরে অনেক ঘটে । যা ইতিহাসের নিচে চাপা পড়ে দিয়েছে । :(

---------------

মূল বক্তব্য যে, তিনি রাজনৈতিক ব্যাপারে কথা বলতে চান না । তার একটা কথা হাতের পাচঁ আঙ্গুল এক হয় না ।

আর্মিতে জয়েন করা অফিসারদের শতকরা ৮০ ভাগই নিস্বার্থ ও নির্ভীক হয় । কিন্তু তাদের প্রত্যেকের উপর থাকে আরেক জন্য হাত, মানে নিয়ন্ত্রণ তাই একজন নিষ্ঠাবান অফিসার, নিজ দায়িত্ব ছেড়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় সবোচ্চ অধিকারী হয়ে কি করবে তা নিজস্ব ব্যাপার ।

এখন যা পরিবর্তন হবে তা শুধু ক্ষমতাকে কেন্দ্র করেই । যেরকম এরশাদ সাধারণ অফিসার থাকতে যেরকমই ছিলেন তা তিনি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ধরে রাখতে পারেন নাই, এটা অফিসার জিয়া, শেখ মুজিব সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য ।

...........তাহেরকে হত্যা করেছে কারণ.. এক হাতে তালি বাজে না । ...... কি তালি বাজিয়েছে এটা জিজ্ঞাসা করতেই তিনি বলেন এসব থেকে আমাকে দূরে থাকার জন্য !!!!

..........-------,.,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,............ööööööööö

মূল কথা আব্বার বয়স হয়েছে । তাই আর চাপাচাপি করলাম না । তবে আব্বা এসবের সাথে নিশ্চিত জড়িত ছিলেন অথবা সত্য জানতেন । যা তিনি সবার সামনে তুলে ধরতে নারাজ ।

আর আব্বা পুরনো খবরের অনেক কাটিং এর কথা জিজ্ঞাসা করতেই তিনি বললেন ,, তিনি সব পুরিয়ে ফেলেছেন ??? !!!!

যদি এগুলো ভয়াবহ নাই হত তাহলে পুরিয়ে ফেলবার দরকার ছিল না ।

তবে এরশাদকে একটা ইত্তেফাকের আর্টিকেল আমি আব্বার ভান্ডার থেকে লূকিয়ে পড়েছিলাম । এটা আব্বা জানতেন না ।

এরশাদ আসলেই কঠিন লইচ্চা ছিল, আর দেশের টাকা অনেক সরিয়েফেলেছিল । যদিও আওয়ামী বি এন পি দুইটা তাই করে ।


না হলে এতবড় দল চালায় কিভাবে ?


যাই হোক ভাল থাকুন । জানাতে পারি নাই । তাই দু:খিত ।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:০১

দাসত্ব বলেছেন: কোন সমস্যা নাই রিফাত হোসেন , চেষ্টা করেছেন বলেই আপনার আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ।
আপনার বাবার প্রতো শ্রদ্ধা রইলো আবারো , আর উনার অবস্থানটা আমি বুঝি...
হাম্বাদের শিং এর গুতো কেউ এই অবসর বয়সে চাইবেননা...:)

১১৪| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:১৩

সুইট টর্চার বলেছেন: 'একজন প্রেসিডেন্ট খাল কেটে কোদালের পাশে মাটিতে বসে বিশ্রাম নিচ্চেন" ছোট সময় শুধু এই ছবিটা দেখেই আমি জিয়া'র ভক্ত হয়ে যাই। কিন্ত উনার সম্পর্কে এত কিছুই জানতামনা। আজ এই লেখাটা পড়ে আমার প্রিয় নেতা সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:০২

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ সুইট টর্চার ব্লগটা পড়ার জন্য

১১৫| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:১৮

মাশফিক হক বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট! জিয়াউর রহমানকে ছোটবেলা থেকে শ্রদ্ধা করি। দেশের একজন মহান নেতা।

খারাপ লাগে বর্তমান ২ প্রধান দল ২ জন মহান নেতাকে সন্মানহানী করে। অামাদের যোগ্য মানুষদের সন্মান করতেই হবে সে যেই দলই হোক না কেন।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১০

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ মাশফিক হক........
আশা করি আওয়ামী হীনমন্যদের গলাবাজীতে জিয়া কে ভুলে যাবেন না.....
এবং অনুরোধ রইলো নিজে যা জানলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্পর্কে সেটা অন্যদের কেও জানিয়ে দিন.......

১১৬| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:১৩

শিহাদ বলেছেন: জিয়াউর রহমান নিঃসন্দেহে খুব ভালো একজন লোক ছিল।
এইধরনের পোস্ট আরও আশা করছি।

১১ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১২:৩২

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ শিহাদ

১১৭| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:২৩

হরিণ বলেছেন: জিয়া বেঁচে থাকলে এতদিনে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া হতো। ধন্যবাদ

১১ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১২:৩২

দাসত্ব বলেছেন: সত্যি

১১৮| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৮

নুভান বলেছেন: জিয়ার যে জিনিস দুটো পীড়া দান করে সর্বাধিক তা হল, মিলিটারীদের বেসরকারী বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের প্রাতিষ্ঠানিক হেড (এমডি/জিএম) করে দিয়ে গিয়েছিলো, যে এখনও অব্যাহত আছে (সরকারী প্রতিষ্ঠান দুর্ণীতিগ্রস্থ হওয়ার এটা একটা প্রধান কারন)। আর, অপরটি হল দু'জন কুসন্তান রেখে যাওয়া।

১১ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১২:৩১

দাসত্ব বলেছেন: জিয়ার সময়ে যারা নিয়োগ পেয়েছিলেন সেই সব সেনা কর্মকর্তাদের বিপক্ষে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বরং জিয়া সিভিল -মিলিটারী বুরোক্রেসী চালু করে ব্যাপারটাকে কিসুটা ব্যালেন্স করেছেন।
এমন কয়জান পাওয়া যাবে যারা সিভিলদের কে আমন্ত্রন জানাবে ক্ষমতা হাতে থাকার পরও ?
সেই সময়কার পরিস্থিতিটাও সেরকম খারাপ ছিলো সিভিল বুরোক্রসীর কারনে।

তবে আপনি বর্তমান সময়ের যে বাস্তবতাটা তুলে ধরেছেন সেটাও স্বীকার করছি

১১৯| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:১১

শীতার্থ বলেছেন: যারা চলে গেছেন তাদের প্যান্ট খুললেই কি বড় হওয়া যাবে । যে কাপড়ে আছেন, চলুন, প্রয়োজনে আরো সাজিয়ে দেই। যাতে করে অম্লান হয়ে ধাকে যত দিন আমরা বাচি । মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমান এর অবদান যেমন মেনে নিতে হবে তেমনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা আমাদের মেনে নিতে হবে। তারা দুজন স্বল্প সময়ে যা স্বপ্ন দেখেছেন তা জনগনকে দিয়েছেন, স্বপ্ন দেখিয়েছেন। কিন্তু বর্তমান দুই নেত্রীর কাছ থেকে কি পাচ্ছি, আর কি থেকে বঞ্চিত হচ্ছি, তা নিয়ে কথা বললে বরং সবাই লাভবান হব। গঠনমূলক আলোচনা বা সমালোচনা করলে সবারই মুখ উজ্জ্বল হবে।

১১ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১২:২৬

দাসত্ব বলেছেন: বর্তমান নিয়েও ভাবি, বরং অনেক বেশীই ভাবি।
এটা শুধু একটা স্মৃতিচারনমূল পোস্ট

১২০| ০১ লা মার্চ, ২০১১ রাত ৮:৩৩

রমিত বলেছেন: অসাধারণ!
লেখক এত কষ্ট করে গুছিয়ে, এত কিছু লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
জাতি হিসাবে আমরা অকৃতগ্গ, যারা এই দেশের জন্য কিছু করেছে, তাদের অবদান আমরা স্বীকার করিনা। এজন্যই বোধহয়, এখন আর কেউ দেশের জন্য কিছু করতে চায়না।

১১ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১২:২৫

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ , উপরে আরিয়ানা মিনুর ১০৬ নং মন্তব্যের জবাব টা দেখুন।
একই কথা আপনাকেও বলবো

১২১| ০২ রা মার্চ, ২০১১ সকাল ৮:২৩

রমিত বলেছেন:
চেতনার সংকট
Click This Link

১১ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১২:২২

দাসত্ব বলেছেন: হ্যা পড়বো , ব্লগে খুব কমই সময় দেয়টা হয় । তাই অনেক দেরীতে জবাব দিচ্ছি।
তাও পড়বো

১২২| ০২ রা মার্চ, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১১

ভুডুল বলেছেন: প্রিয়তে

১১ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১২:২২

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ

১২৩| ০৩ রা মার্চ, ২০১১ সকাল ৯:২২

রমিত বলেছেন: আমি শিশু হিসাবে জিয়াউর রহমানকে দেখেছিলাম। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল উনার সাথে করমর্দন করার। শিশুদের জন্য উনি যা করে গিয়েছিলেন তা আমাদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। আপনি কিছু উল্লেখ করেছেন, আমি আরো কিছু উল্লেখ করতে চাই। তিনি ১৯৭৯ সালকে বাংলাদেশ শিশু বর্ষ ঘোষণা করেছিলেন। শিশু গ্রন্হাগার তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুলের মেধাবি ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে তিনি সাক্ষাৎ করেছিলেন। মেধাবি ছাত্রদের (ধনী-গরীব যেই হোকনা কেন) লালনের জন্য প্রতিষ্ঠিত ক্যাডেট কলেজের সংখ্যা ৪ টি থেকে ৮ টিতে উন্নীত করেছিলেন। মেধাবি ছাত্রদের সৃস্টিতে যারা সবচাইতে বেশী অবদান রাখেন সেই শিক্ষকদের তিনি পুরষ্কৃত করেছিলেন। শিশুদের নিয়ে অনেক সুস্হ চলচ্চিত্র তার সময়েই নির্মিত হয়েছিল (ডুমুরের ফুল, ডানপিটে ছেলেটি, অশিক্ষিত, এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী)। প্রতি রবিবার বাংলাদেশের টেলিভিশনের উইকএন্ড সম্প্রচার ছিল শিশুদের জন্য। এমন আরো অনেক কিছু................

১১ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১২:২১

দাসত্ব বলেছেন: সুস্থধারার সিনেমা নির্মানের জন্য অনুদান দেয়ার বিষয়টা পোস্টরে বলেছি।
শিশু বর্ষ আর শিশু গ্রন্থাগারের বিষয়টা জানতাম না , ক্যাডেট কলেজের তথ্যটাও নতুন জানলাম।
অনেক ধন্যবাদ এগুলো জানানোর জন্য

১২৪| ০৬ ই মার্চ, ২০১১ সকাল ১০:৪৩

এক রাশ তরঙ্গ বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট, সময় নিয়ে পড়তে হবে। ধন্যবাদ আপনাকে।

১০২ নং কমেন্ট এর সাথে পরিপূর্ণ সহমত।

১১ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১২:১৯

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ

১২৫| ০৭ ই মার্চ, ২০১১ বিকাল ৪:০১

মোহন কাজী বলেছেন: অধ্যাপক ইউনুস ও গ্রামীণ ব্যাঙ্ক বিতর্কে সত্যসন্ধান

ভূমিকা:
নোবেল লরিয়েট অধ্যাপক ইউনুসকে নিয়ে ইদানীং অনেক বিতর্ক চলছে । কারো কারো মতে অধ্যাপক ইউনুস একজন সৎ ও ভালো মানুষ এবং তার বিরুদ্ধে যারা কথা বলছেন তারা বিদ্বেষ বশত: তা করছেন । আবার কারো কারো ধারনা, অধ্যাপক ইউনুসের সবটাই ফাঁকিবাজি । আমরা দেখেছি, এই দুই দলের লোকের মতামতে আবেগ অনুভূতির বিষয় যতটা থাকে, যুক্তির বা তথ্যভিত্তিক কথা ততটা থাকে না । এমনকি অধিকাংশ লেখায় অধ্যাপক ইউনুসের “মাইক্রো-ক্রেডিট” ব্যবসাটা যে কি, তাও সাধারণ মানুষের বোধগম্য করে লেখা থাকে না । এর ফলে অনেক সাধারণ মানুষ মূল বিষয়টি ধরতে পারে না । স্বভাবতই অনেক সাধারণ মানুষ এ নিয়ে দ্বিধায় আছেন । এই লেখাটি মুলতঃ তাদের বোঝার জন্য সহজ করে লেখা। মূল আলোচনায় যাবার আগে আমরা কিছু প্রাসঙ্গিক বিষয় আলোচনা করবো ।

এনরন স্ক্যান্ডালঃ
যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৮৫ সালে কেনেথ লে-এর প্রতিষ্ঠিত এনরন কর্পোরেশন নামের একটি কোম্পানি এতটাই বাণিজ্যিক সাফল্য দেখিয়েছিল যে বিখ্যাত বাণিজ্যিক পত্রিকা “ফরচুন” পর পর ৬ বৎসর এটিকে “আমেরিকার সবচেয়ে আবিষ্কার ধর্মী কোম্পানি” বলে উল্লেখ করেছিল । প্রধান কারন, ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল সময়কালে এনরন তার এসেট ১৩.৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ১০০.৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করে । এই কোম্পানির অন্যতম প্রধান জেফ্রি স্কিলিং বলে বেড়াচ্ছিলেন, তারা কোন এসেট (বাস্তব ভাবে দৃশ্যমান সম্পদ) ছাড়াই আয় বাড়ানোর এক নতুন পদ্ধতি “আবিষ্কার” করেছেন । ২০০১ সালের অক্টোবর মাসে লক্ষ লক্ষ মানুষের হাজার হাজার কোটি টাকার লোকসান ঘটিয়ে এটি ইন্তেকাল করে । এনরন স্ক্যান্ডাল সম্বন্ধে বলা হয়, এই কোম্পানির তথাকথিত সাফল্য আনা হয়েছিল “প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে, নিয়ম মেনে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পরিকল্পিত হিসাবের কারসাজি” এর মাধ্যমে । ধ্বসটি শুরু হয় যখন বেথানি ম্যাকলিওন নামের একজন হিসেব কর্মকর্তা প্রকাশ করে দেন যে, এনরন কোম্পানিটি কোন রকম কাজ না করেই একটির পর একটি কোম্পানি খুলে যাচ্ছে, উচ্চতর মূল্যে তার শেয়ার বিক্রি করে ‘বাড়তি আয়’ দেখাচ্ছে, আর লোকজন পাগলের মতন তাদের শেয়ার কিনে যাচ্ছে ।
এ থেকে আমরা শিখতে পারি: (ক) অতি শিক্ষিত লোককেও এই যুগে ঠকানো যায়, (খ) বস্তু-তান্ত্রিক কিছু ছাড়া হাওয়া থেকে কিছু সৃষ্টি করা সম্ভব নয় এবং (গ) ফাঁকিবাজি একদিন না একদিন ধরা পড়তে বাধ্য ।

সাব-প্রাইম স্ক্যান্ডালঃ
সাব-প্রাইম স্ক্যান্ডাল সম্বন্ধে এখন সবারই কমবেশি জানা আছে । এটি এমন একটি স্ক্যান্ডাল যা আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের মতন দেশটিকে পৃথিবীর একনম্বর শক্তিধর অবস্থান থেকে টেনে নামিয়েছে এবং অন্য বহু কিছুর মধ্যে, দেশটির প্রেসিডেন্টকে বাণিজ্যিক সুবিধা লাভের জন্য ভারতের মতন দেশ ভ্রমণ করতে বাধ্য করেছে । যাদের জানা নেই তাদের অবগতির জন্য বলি, জমি বন্ধক রেখে টাকা ধার নেবার কথা আমরা জানি, এখানে টাকা শোধের জন্য দায়ী থাকে জমির মালিক । সাব-প্রাইম হচ্ছে এমন একটি নিয়ম যেখানে তৃতীয় একজন জমির মালিকের সঙ্গে বোঝাপড়া করে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিতে পারতো । স্বার্থপর লোকজন নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে সরকারকে যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে এই নিয়ম প্রবর্তন করেছিল । যুক্তিটি চমৎকার ; “এত সম্ভানময় জমি নিয়ে লোকটা বসে আছে কারন তার এটি উন্নয়ন করার ইচ্ছা বা ক্ষমতা নেই, যা আমার আছে । তাই আমাকে ঋণ দেয়া হোক” । ঋণ শোধ না হলে কিন্তু ধরা খাবে ‘জমি’। ব্যাঙ্ককে ‘খুশী” করে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেয়া হয় । পরে দেখা যায়, সবার (অথবা অধিকাংশের) জমি যখন এই পদ্ধতিতে উন্নত হচ্ছে তখন তার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বা ব্যবহার আর থাকছে না । ইতিমধ্যে ঋণ দিয়ে দিয়ে ব্যাংক কিন্তু খালি । বিভিন্ন প্রজেক্টের ব্যর্থতার কারনে ব্যাঙ্কের ঋণ আর শোধ হয় না এবং অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌছায় যে অনেক ব্যাঙ্ক লালবাতি জ্বালানোর অবস্থায় চলে যায় । সেই চরম অবস্থা ঠেকাতে সরকারকে নিজের চরম ক্ষতি করে ভর্তুকি বা অনুদান দিয়ে ব্যাঙ্কগুলিকে বাঁচিয়ে রাখতে হয়েছিল ।
এ থেকে আমরা শিখতে পারি: (ক) শিক্ষিত মানুষও কি মারাত্মক ধরনের ভুল করতে পারে, (খ) বস্তু-তান্ত্রিক কিছু ছাড়া হাওয়া থেকে কিছু সৃষ্টি করা সম্ভব নয় এবং (গ) নিয়মে ভুল থাকলে একদিন না একদিন তা ধরা পড়বেই ।


অধ্যাপক ইউনুসের মাইক্রো-ক্রেডিট:
ব্যাঙ্কের কাজ সুদের বিনিময়ে মানুষের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখা । এই টাকা উচ্চতর হারে ব্যবসায়ীদের ঋণ দিয়ে ব্যাংক লাভ করে থাকে । এই হচ্ছে ব্যাঙ্কের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবার মূল কথা। নিরাপত্তার খাতিরে ব্যাঙ্ক বিনা বন্ধকীতে ঋণ দেয় না । যুক্তিসঙ্গত কারনে ব্যাঙ্ক গরীব এবং অসৎ ব্যাক্তিকে ঋণ দেয়ার কথা চিন্তায়ও আনে না। এমতাবস্থায় ব্যাঙ্ক ন্যুনতম যে টাকা ঋণ দেয়া লাভজনক মনে করে তার চেয়ে কম টাকা ঋণ দেয়াকেই দীর্ঘকাল ক্ষুদ্রঋণ বলা হতো । বাণিজ্যিক ভাবে তেমন লাভজনক না হলেও প্রধানত: ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশের অনেক ব্যাঙ্ক প্রধানত: কৃষিজীবীদেরকে ফসল উৎপাদনে সহযোগিতার জন্য ক্ষুদ্রঋণ দিতো । প্রাক ব্রিটিশ ও ব্রিটিশ ভারতে ক্ষুদ্রঋণের প্রচলন ছিল । প্রধানত: ধনী ব্যক্তি বা মহাজনেরা নিম্নোক্ত দুই ভাবে এই ঋণ দিতো ।

(০১) বন্ধক রেখে: জমি, বাড়ী, গহনা এমনকি ব্যবহার্য্য ঘটি বাটিও বন্ধক রাখা হত ।
(০২) বন্ধক না রেখে: ক। সৎ লোককে কোন বন্ধক ছাড়াই ঋণ দেয়া হত।
খ। অসৎ ব্যক্তিকেও বন্ধক ছাড়া ঋণ দেয়া হত । এক্ষেত্রে মহাজনকে ভয়াল দর্শন লাঠিয়াল বাহিনী পুষতে হতো ।

এমনই এক পটভূমিতে বাংলাদেশের অধ্যাপক ইউনুস ক্ষুদ্র ঋণ বা মাইক্রো-ক্রেডিট এর এক নতুন ধারনা নিয়ে এলেন । ইতিপূর্বে এনরন বা সাব-প্রাইম এর সাফল্য সম্বন্ধে প্রচার কালে বিভিন্ন বিজ্ঞ ব্যক্তি যে ধরনের দুর্বোধ্য বা ভাববাদী শব্দ ব্যবহার করেছিলেন অধ্যাপক ইউনুসের ক্ষুদ্র ঋণ বা মাইক্রো-ক্রেডিট এর বিভিন্ন প্রচারপত্রেও তেমন অনেক কিছু আছে, যা তার প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত অসংখ্য পুস্তক পুস্তিকায় দেখা যেতে পারে । তবে তার সব প্রচারণার মূল কথা – “কোন বন্ধকী ছাড়াই ঋণ দেয়া” এবং “বাংলাদেশের মতন দেশে এভাবে দেয়া ঋণ সুদ সহ শতকরা একশত ভাগ ফেরত পাওয়া”র কাহিনী ।

বিনা বন্ধকীতে ঋণ দেয়া:
আগেই বলা হয়েছে, এই দেশেও বিনা বন্ধকীতে ঋণ দেয়া এবং সুদ সহ তা ফেরত পাবার কথা আমাদের জানা আছে । মানুষ সৎ হলে এটি হতে বাধা কোথায় ? আবার লাঠিয়াল বাহিনীর সাহায্যে একই কাজ করার কথাও আমরা জানি । তবে বাংলাদেশের মানুষের সাধারণ সততার যে মাত্রা তাতে অন্যকোন ভাবে এটিযে সম্ভব নয় তা সবাই বুঝতে পারেন । এমন বাস্তবতায় অধ্যাপক ইউনুস দাবী করলেন, তিনি একেবারে গরীব, এমন কি ভূমিহীনদের বিনা বন্ধকীতে ঋণ দিয়ে শতকরা ১০০% ভাগ টাকা উসুলের এক পন্থা উদ্ভাবন করেছেন ।

দেশে এ বিষয়ে তেমন প্রচারণা না চালিয়ে তিনি বিদেশীদের দেখালেন, এই ঋণ পেয়ে কিভাবে বাংলাদেশের গরীব মানুষ উপকৃত হয়েছে । অধ্যাপক ইউনুস বিদেশী সাহায্য পেলেন এবং কাজ চালিয়ে যেতে থাকলেন। বাংলা দেশের মানুষকে সাধারণ ভাবে অসৎ বলা যায়, যদিও ১০০০ মানুষের একটি গ্রামে ৫০ জন সৎ মানুষ সব সময়েই পাওয়া যাবে । প্রতিজ্ঞা ভঙ্গের ব্যাপারে ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার উদাহরণ সবারই জানা । এমন দেশে অধ্যাপক ইউনুস কি ভাবে এমন অসম্ভবকে সম্ভব করলেন ? এটা সাধারণ লোকের ভাবনা হলেও বিজ্ঞজনেরা তখনই বুঝতে পেরেছিলেন, ঘাপলা কোথাও একটা আছেই । অনেকে আবার একজন বাংলাদেশীর সন্মানের স্বার্থে সব বুঝেও চুপ করে ছিলেন । আজ এতদিন পরে মূল বিষয়টি পরিষ্কার হচ্ছে । তবে, আমরা এই ভেবে সান্ত্বনা পেতে পারি যে বাংলাদেশীরা নানা কথা বললেও এই গুমর ফাঁকের কাজটি তারা করে নি । বরং করেছে সে সব বিদেশীরা যারা অধ্যাপক ইউনুসের “অদ্ভুত তত্ব-কথা” বিশ্বাস করেছিল । সঙ্গে ইন্ধনের কাজ করেছে কিছু সাংবাদিকের অনুসন্ধান প্রবণতা, যা এখন পুরো দমে চলছে ।


অধ্যাপক ইউনুসের “অদ্ভুত তত্ব-কথা”ঃ
অধ্যাপক ইউনুসের “তত্ব-কথা”টি হচ্ছে, আমাদের দেশের বিদ্যমান স্তরের সততার “গরীব মানুষকে বিনা বন্ধকীতে ঋণ দেয়ার পরও ১০০% ঋণ ফেরত পাওয়া যায়” । আসলে অধ্যাপক ইউনুস এটি করেছেন বলে বিদেশীদের কাছে প্রমাণ পত্র দেখিয়েছেন । অবশ্যই তিনি তা করেছেন, তবে যে পদ্ধতিতে তা করেছেন তা ছিল ধোঁকাবাজি, আজকের যুগে ডিপ্লোম্যাটিক ভাষায় যাকে বলা হয় “স্টেজ ম্যানেজড” । অধ্যাপক ইউনুসের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ হচ্ছে, (ক) ঋণ পরিশোধের এমন চমৎকার উদাহরণ থাকা স্বত্বেও তিনি এই কার্যক্রম দেশে কেন আরও বাড়াচ্ছেন না, যেখানে বাংলা দেশে গরীবের কোন অভাব নেই, এবং (খ) ঋণ পরিশোধের জন্য কেন মাঝে মাঝে ঋণ গ্রহীতার উপর অত্যাচার করা হয় ।

যে পদ্ধতিতে অধ্যাপক ইউনুস তার কার্যক্রম চালান, তাতে আসলে সুদের, এমনকি আসল টাকার তার কোন প্রয়োজন নেই । বরং এই কাজটি করার জন্যই তিনি ঋণ গ্রহীতাদেরকে তার কয়েক গুন টাকা দেবার ক্ষমতা রাখেন । তবুও তাকে এসব করতে হয় তার ব্যবসার মূল পূঁজি ধরে রাখার জন্য। যাদু দেখাবার অভ্যাস যাদের আছে তারা জানেন, ‘ম্যাজিক ওয়ান্ড’-এর আসলে কোন ক্ষমতা থাকে না । কিন্তু এটি না রাখা হলে অনেক দর্শকই যাদুকরের কেরামতি ধরে ফেলত । আসলে ঋণ গ্রহীতার সংখ্যা না বাড়ানো এবং মাঝে মাঝে ঋণ পরিশোধের জন্য অত্যাচারও হচ্ছে অধ্যাপক ইউনুসের কার্যক্রমের পক্ষে ‘ম্যাজিক ওয়ান্ড’ ।

অধ্যাপক ইউনুস অনুসৃত পদধতিঃ
শতকরা ১০০ ভাগ ঋণ পরিশোধ নিশ্চিত করার প্রয়োজনে অধ্যাপক ইউনুস প্রধানত: দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করেন । এগুলি হলোঃ
(০১) গ্রামবাংলার বিপুল জনগোষ্ঠী থেকে ‘সৎ’ লোক খুঁজে বের করা এবং
(০২) ঋণগ্রহীতাকে ঋণ পরিশোধ করার জন্য সমষ্টিগত চাপ প্রয়োগের ব্যবস্থা করা ।

কিভাবে তা করা হয়:
বাংলাদেশের অনেক থানা হেড কোয়ার্টারেই গ্রামীণ ব্যাঙ্কের নিজস্ব ভবন আছে । এটি করা হয়েছে এমন সময় যখন সরকার নীতিগত ভাবে কোন ব্যাঙ্ককে এমনকি জেলা সদরেও নিজস্ব ভবন তৈরির অনুমতি দিত না । আসলে কিছুটা বিদেশী আশীর্বাদের কথা বলে অধ্যাপক ইউনুস বাংলাদেশের অনেক সরকারের কাছ থেকেই অনেক অতিরিক্ত সুবিধা আদায় করে নিয়েছেন । থানা হেড কোয়ার্টারে নিজস্ব ভবন প্রতিষ্ঠার বিশেষ অনুমতি থেকে শুরু করে রেলওয়ের ফাইবার অপটিক্স ব্যবহারের সুবিধা সহ অনেক কিছুই এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যায় ।

নিজস্ব ভবনের সুবিধা নিয়ে তার প্রতিষ্ঠানের উচ্চ বেতনভুক লোক দীর্ঘকাল ধরে গ্রামে পর্যবেক্ষণ করে বের করে, কারা সৎ, কাদের মুরুব্বির জোর নেই, কারা দেশত্যাগ করে চলে যেতে পারবে না ইত্যাদি । এর পর তাদের দিয়ে গ্রুপ বা দল তৈরি করা হয় । এই গ্রুপকে কম টাকায় একটি লাভজনক ব্যবসা বা কাজ বেছে নিতে বলা হয় । দলের সবাইকে নির্দিষ্ট হারে টাকা জমাতে হয়, যা একটি সাধারণ ফান্ডে রাখা হয় । তারপর সবার পছন্দনীয় একজনকে বাছাই করা কাজটি করার জন্য ঋণ দেয়া হয় । সে ভাল কাজ দেখালে তবেই দলের পরের লোকটি ঋণ পাবে । এদিকে ঐ ঋণের মধ্যে দলের সকলেরই কিছু না কিছু টাকা আছে । আসলে ঠিক এই কারনে প্রথম লোকটির ঋণ সময়মত পরিশোধের উপর দলের সবাই কঠোর দৃষ্টি রাখে। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে সে না পারলে দলের অন্য লোক তার হয়ে সময়মত ঋণের টাকা পরিশোধ করে । এই হচ্ছে অধ্যাপক ইউনুসের ১০০% ঋণ পরিশোধের কাহিনীর মূল কথা ।


উপরে যে ঋণের কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে কিন্তু ঐ দলের লোকদের টাকাও থাকে । এ থেকে গ্রামীণ ব্যাঙ্ক-এর সুদের একটি নতুন হার বের করা যেতে পারে । ধরা যাক, দলের সবাই এক বছরে ১০,০০০.০০ টাকা জমালো । গ্রামীণ ব্যাঙ্ক তাদেরকে ১০,০০০.০০ টাকা ঋণ দিল । এখন মোট ২০,০০০.০০ টাকার সুদ নেয়া হবে । ধরা যাক, সুদের হার ৩০% । ধরা যাক, এক বছরে যে ১০,০০০.০০ টাকা জমানো হল, গ্রামীণ তা থেকে কোন সুবিধা নিল না । এর পরে তারা কাজ চলাকালীন এক বছরে ২০,০০০.০০ টাকার সুদ নিল ৬,০০০.০০ । আসলে কিন্তু এই সুদ নেয়া হল ১০,০০০.০০ টাকার জন্য । সেক্ষেত্রে সুদের হার হবে ৬০% । যারা ৩০%কেই উচ্চহার বলে মনে করেন তারা এই হিসাবটি কষে দেখতে পারেন ।

বন্ধনহীন ঋণ সুদ সহ ফেরত পাবার কারনঃ
উপরে আমরা বন্ধনহীন ঋণ সুদ সহ ফেরত পাবার দুটি কারন দেখিয়েছি যা হল, সততা এবং লাঠিয়াল বাহিনী । আর অধ্যাপক ইউনুস এজন্য যা ব্যবহার করছেন তা হলোঃ সৎ লোক খুঁজে বের করা এবং ঋণ পরিশোধের জন্য দলের সকলের চাপ ব্যবহার করা ।
এই সমগ্র কাজে যে “স্টেজ-ম্যানেজড” বিষয় আছে তা হল: (০১) শতকরা ১০০% ঋণ পরিশোধ করার বিষয়ে একজন লোককে ঋণ দেয়া এবং তার সেই ঋণ পরিশোধ করে বলে ধরা হয় । প্রকৃত সত্য এই যে, ঋণ দেয়া হয় একজনকে, আর ঋণ পরিশোধ করে দলের সকলে মিলে ।
(০২) সুদের হার যা বলা হয় বাস্তবে তা এর চাইতে অনেক বেশী (উপরে যে কারন বলা হয়েছে সে জন্য এবং প্রতি সপ্তাহে কিস্তি আদায় করার জন্য) ।

এগুলি অসঙ্গতি হলেও আসল সমস্যা কিন্তু অন্য খানে । এটি হল, অধ্যাপক ইউনুস যেহেতু তার প্রতিষ্ঠানকে বিশেষায়িত ব্যাঙ্ক বলেন, তাই এটির লাভ লোকসান হিসেব করে এটি যে লাভজনক ভাবে চলতে পারে সেটা তার প্রমাণ করার কথা । এন-জি-ও-র হিসাব তার এই প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় । যেক্ষেত্রে তার প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র ঋণ দিয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে তার প্রতিষ্ঠানের আয় কত, আর ব্যয় কত এটা বের করা দরকার । তার আয় হবে যে টাকা গ্রামীণ ঋণ দেয় তার ৩০% (অন্তত কাগজে পত্রে তাই দেখানো হবে, যদিও আসল আয় তার চেয়ে বেশী । এই বেশী টাকাটি কোথায় যায় তা খুঁজে দেখা প্রয়োজন) । গ্রামীণের ব্যয় হচ্ছে, কর্মচারীর বেতন ভাতা ও অন্যান্য যাবতীয় খরচ । এই বিপুল খরচ তিনি তার “সাফল্যের নাটক দেখিয়ে বিদেশীদের কাছ থেকে পাওয়া টাকা” “রোলিং ফান্ড” এ রেখে তার সুদ থেকে নির্বাহ করে থাকেন । এটিকে কি কোন অর্থনৈতিক কাজ বলা যায় ? এইটিই হচ্ছে সেই মহামূল্যবান কারন যা আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থারই জানা এবং যার জন্য অধ্যাপক ইউনুসের নাম বেশ কয়েক বার অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য পাঠালেও তাকে তা দেয়া হয় নি।


তাছাড়া আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সমূহ বিভিন্ন সময়ে তার কাজের প্রশংসা করলেও বিপুল প্রাতিষ্ঠানিক খরচের কথা অনেক আগে তারা বলে এসেছে । যেমন, সেই ১৯৯৯ সালেই নরওয়ের এক মূল্যায়নে বলা হয়েছিল, “গ্রামীণের ষ্টাফিং খরচ এটির প্রাতিষ্ঠানিক এবং আর্থিকভাবে টিকে থাকার ক্ষমতা কমিয়ে দেবে এবং এটিকে দীর্ঘকাল অনুদান দেয়া হুমকির সম্মুখীন করবে ... “ (... But Grameen’s staffing costs may be weakening both organizational and financial sustainability, and thus pose a threat to the long term contributions of this highly impressive organization” – Ref : Enclosure 3: Conclusions from the joint evaluation carried out by Grameen Bank and Norway in 1998/1999) .

উপরে নরওয়ের যে মূল্যায়ন দেখানো হল তার ভাষা দেখলে বোঝা যায়, তারা জানেন, গ্রামীণ ব্যাঙ্ক একটি এন জি ও । অথচ দেশে তখন এটি স্পেসিয়ালাইজড ব্যাঙ্ক হিসেবে নিবন্ধিত । আসলে গ্রামীণের অধিকাংশ অনিয়মের এবং অধ্যাপক ইউনুসের বিপুল অর্থের আসল রহস্য নিহিত আছে, এই এন জি ও এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে গুলিয়ে ফেলার মধ্যে । এর অসংখ্য উদাহরণ দেয়া যেতে পারে । যেমন, গ্রামের মহিলাদের জনকল্যাণের নামে ফোন দেয়াকে যখন এন জি ও কর্মকান্ড হিসেবে দেখানো হয় তখন কিন্তু গ্রামীণ ফোন ছিল (এবং আছে) একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান । আসলে এটি ইচ্ছে করেই করা হয়েছিল । তদন্ত করলে দেখা যাবে, ঐ সময় এই প্রচারণার মাধ্যমে এন জি ও-র কর রেয়াতের সুবিধে নিয়ে অনেক যন্ত্রপাতি আনা হয়েছিল যা গ্রামীণ ফোনে ব্যবহার করা হয়েছে ।

গ্রামীণের কর্ণধারের আর্থিক সাফল্যের মুল কথা:
কোনরকম অর্থনৈতিক লাভ বা সুবিধা না থাকার পরেও যে কোন প্রতিষ্ঠান কর্মকান্ড চলতে পারে এবং অন্তত: কিছুদিন বা বেশ কিছু বৎসর টিকে থাকতে পারে উপরে এনরন এবং সাব-প্রাইমের উদাহরণ থেকে তা বুঝতে কষ্ট হয় না । ইতিমধ্যে অবশ্য এনরন এবং সাব-প্রাইমের অসারতা প্রমাণ হয়ে গেছে । “বাংলাদেশের গরীব লোকের সুদ সহ ১০০% ঋণ ফেরত দেয়া” আসলেই সত্য, না কি কোন ব্যক্তি বিশেষের আর্থিক সুবিধার জন্য সযত্নে প্রস্তুত সাজানো নাটক তা অদূর ভবিষ্যতে প্রমাণিত হবে ।

ব্যাঙ্ক তার ক্লায়েন্টকে দেয়া ও ক্লায়েন্টের কাছ থেকে নেয়া সুদের হারের ব্যবধানের মাধ্যমে যে টাকা লাভ করে তা দিয়ে তারা সকল ব্যয় নির্বাহ করে । অথচ গ্রামীণ ব্যাঙ্ক সুদের মাধ্যমে যা পায়, তা দিয়ে তার কোন খরচই নির্বাহ হয় না । খরচটা আসে,এই “নাটক”টি দেখিয়ে বিদেশ থাকে পাওয়া টাকার সুদ থেকে। যে কোন হিসেবে এটি অর্থনৈতিক কাজ বলে গণ্য না হলেও অধ্যাপক ইউনুসের জন্য এটি খুবই লাভজনক একটি কাজ । এখানে “নাটক” করার জন্য তার বেশ কিছু টাকা খরচ হয় বটে, কিন্তু তার কয়েক হাজার গুন পাওয়া যায় বিদেশীদের প্রশংসা মিশ্রিত করুণার দান থেকে। আর এই আয় থেকেই অধ্যাপক ইউনুস গড়ে তুলেছেন অনেকগুলি বড় বড় এন জি ও, কমার্শিয়াল কোম্পানি, যার অনেকগুলির মালিকানা তার নিজের বা পরিবারের । আসলে এই পরিপ্রেক্ষিতে সন্তর্পণে ঋণদান কর্মসূচীটি বন্ধ করে দিলেই হতো তার জন্য মঙ্গল । এদিকে এক ফান্ড থেকে অন্যত্র টাকা সরানোর একটি ঘটনা ধরা পড়ার পর সবার দৃষ্টি সেদিকে পড়েছে, এখন সাংবাদিকের অনুসন্ধানে সবই হয়তো বেড়িয়ে আসবে । ঐ ফান্ড থেকে টাকার খোঁজ পড়ার পরে এখন তিনি টাকা ফেরত দিয়েছেন । এতেই বোঝা যায় কাজটা অন্যায় ছিল । এখন টাকা ফেরত দিলেও তিনি যে অন্যায় বা ভুল করেছিলেন তা নিজেই প্রমাণ করে দিলেন। মূল টাকা ফেরত দিলেও এই টাকায় ঐ সময় যে কাজ করার ‘কমিটমেন্ট’ ছিল তা কি আর করা সম্ভব হবে ? এই প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাঙ্ককে অনেক টাকা দিয়েছে বলে তারা তার হিসেব রেখেছে এবং চুক্তি করেছে । আর তার ব্যতিক্রম হওয়ায় কিছু বলতে পেরেছে । কিন্তু যে অগণিত প্রতিষ্ঠান সরল বিশ্বাসে দেশের বা দরিদ্র জনগণের উপকারে জন্য কোটি কোটি টাকা দিয়েছে এবং কোন চুক্তি করেনি তাদের টাকা কোথায় গেছে ? এটা প্রায় চোখ বুজেই বলে দেয়া যায়, ঐসব টাকা যথেচ্ছ ব্যবহার না করা হলে অধ্যাপক ইউনুসের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলি এত শাঁসালো হত না ।

বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ঋণের অবদান:
সাধারণ মানুষ ও সরকারের সহানুভূতি এবং শক্তিশালী বিদেশী লবির সমর্থন থাকায় অধ্যাপক ইউনুস এদেশে তার কাজে অনেক সহায়তা, এমন কি অনেক সময় ‘অন্যায্য” সহায়তাও পেয়েছেন । কিন্তু এদেশে তার এই কাজের অবদানটা কি ? তিনি প্রচুর মানুষকে চাকুরী দিয়েছেন । কিন্তু তাদের এতো পরিশ্রম, কষ্ট এবং বিদেশীদের এতো টাকা কি সম্পদ সৃষ্টি করেছে ? অতি সামান্য সংখ্যক মানুষ ঋণ নিয়ে গরু কিনেছে । ধরা যাক, ৫ হাজার টাকার গরু ৩ বছরে ৮ হাজার দামের বা, ১ মন ওজনের গরু ২ মন ওজনের হয়েছে, কিছু গাছ, কিছু মাছ বেড়েছে । এর পরিমাণ কত, আর তিনি যে তার প্রকাণ্ড প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষকে খাটিয়ে লক্ষ কোটি টাকা খরচ করলেন, তার পরিমাণ কত ?

“আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশী” এমন বহু প্রতিষ্ঠান দেশে আছে । বৃহত্তর স্বার্থে পরিচালিত সরকারী প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয় বিবেচনায় আনা হয় না । বাংলাদেশের এন-জি-ও গুলির আয় ব্যয়ের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য । কিন্তু অধ্যাপক ইউনুসের গ্রামীণ ব্যাঙ্ক তো (স্পেসিয়ালিজড) ব্যাঙ্ক হিসেবে রেজিস্ট্রিকৃত ।

ধরে নেয়া যাক, তিনি বিদেশের দেয়া টাকা খরচ করেছেন, আমাদের লোক চাকরী পাচ্ছে, বেতন পাচ্ছে, তাই আমাদের অসুবিধাটা কি ? মেনে নিলাম, কিন্তু এতো বিপুল টাকা খরচ করে দেশ কি লাভ করছে ? এত টাকা খরচের খেলার মাধ্যমে অধ্যাপক ইউনুস অনেকগুলি কোম্পানি খোলার সুযোগ পেয়েছেন, কিন্তু বিদেশীদের এত অনুদানের বিনিময়ে দেশ বা দেশের মানুষ কি সম্পদ পেল ? যেসব বিদেশী তাকে টাকা দিয়েছে তারা তো এই দেশ বা দেশের মানুষকে তা দিয়েছে, কাউকে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান করার জন্য দেয় নি ।

গ্রামীণ ব্যাঙ্কের আয় ব্যয়ের হিসাব নিলে এক অদ্ভুত ব্যাপার দেখা যেতে পারে । হয়ত দেখা যাবে, মোট ব্যয়ের ৯০% খরচ হয় কর্মচারীদের বেতন ভাতা, অফিস ইত্যাদি খাতে, আর ১০% ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানে । আবার আয়ের ক্ষেত্রে দেখা যাবে, ক্ষুদ্র ঋণ বাবদ ব্যয়িত টাকার ২৯% আয় (যেহেতু সুদের হার প্রায় ২৯% এবং সবটাই আদায় হয়), যা কিনা মোট ব্যয়ের (দশমিক) ০.০২৯% ।

গ্রামীণ ব্যাঙ্ক ছাড়া এত বিপুল অর্থ ব্যয় করে এত কম উৎপাদনের দ্বিতীয় কোন উদাহরণ পৃথিবীতে পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ । আর এ ধরনের অন্য উদাহরণটি (এনরন) তো এখন ইতিহাস । কোন বিবেকবান মানুষ কি কারও ভুল পরিকল্পনায় অথবা কারও ব্যক্তিগত স্বার্থে এমন কাজ সমর্থন করতে পারে ? এতদিন বিষয়টি অনেকের চোখের আড়ালে ছিল, এখন বিদেশীরাই এ বিষয়ে জানতে আগ্রহী হয়েছে ।

উপসংহার:
একসময় গ্রামীণ ব্যাঙ্কের কর্মকান্ড নিয়ে দেশে বিদেশে প্রশংসার তুফান বয়ে যেত । অভিজ্ঞতা আমাদের শেখায়, এসব কিছু কিন্তু একটা অবাস্তব কর্মকাণ্ডের সত্যতা নির্ধারণ করে না । আমাদের ভুললে চলবে না যে, অতি ফালতু এবং জনসাধারণকে ঠকানোর পদ্ধতির জন্য এনরন কোম্পানিকে এক সময় বিশ্ববিখ্যাত বাণিজ্যিক পত্রিকা “ফরচুন” পর পর ৬ বৎসর “আমেরিকার সবচেয়ে আবিষ্কার ধর্মী কোম্পানি” বলে উল্লেখ করেছিল । অথচ তাদের উৎপাদন ছিল শূন্য ।


“এনরন” সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারনার জন্য পড়া যেতে পারে:
01. Bryce, Robert (December 17, 2008). Pipe Dreams: Greed, Ego, and the Death of Enron. PublicAffairs. ISBN 1-586-48201-7.

02. Collins, Denis (May 24, 2006). Behaving Badly: Ethical Lessons from Enron. Dog Ear Publishing, LLC. ISBN 1-598-58160-0.

03. Cruver, Brian (September 1, 2003). Anatomy of Greed: Telling the Unshredded Truth from Inside Enron. Basic Books. ISBN 0-786-71205-8.

04. Eichenwald, Kurt (December 27, 2005). Conspiracy of Fools: A True Story. Broadway Books. ISBN 0-767-91179-2.

05. Fox, Loren (December 22, 2003). Enron: The Rise and Fall. John Wiley & Sons. ISBN 0-471-47888-1.

06. Fusaro, Peter C.; Ross M. Miller (June 21, 2002). What Went Wrong at Enron: Everyone's Guide to the Largest Bankruptcy in U.S. History. John Wiley & Sons. ISBN 0-471-26574-8.

07. Salter, Malcolm S. (June 30, 2008). Innovation Corrupted: The Origins and Legacy of Enron's Collapse. Harvard University Press. ISBN 0-674-02825-2.

08. Swartz, Mary; Sherron Watkins (March 9, 2004). Power Failure: The Inside Story of the Collapse of Enron. Broadway Business. ISBN 0-767-91368-X.

09. Toffler, Barbara Ley; Jennifer Reingold (April 13, 2004). Final Accounting: Ambition, Greed and the Fall of Arthur Andersen. Broadway Business. ISBN 0-767-91383-3.

সাব-প্রাইম সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারনার জন্য পড়া যেতে পারে:
01. Fengbo Zhang (2008): 1. Perspective on the United States Sub-prime Mortgage Crisis , 2. Accurately Forecasting Trends of the Financial Crisis , 3. Stop Arguing about Socialism versus Capitalism .
02. Kolb, Robert (2010). “Lessons from the Financial Crisis: Causes, Consequences, and Our Economic Future” (Robert W. Kolb Series), Publisher: Wiley ISBN 978-0470561775
03. Demyanyk, Yuliya (FRB St. Louis), and Otto Van Hemert (NYU Stern School) (2008) "Understanding the Subprime Mortgage Crisis," Working paper circulated by the Social Science Research Network.
04. DiMartino, D., and Duca, J. V. (2007) "The Rise and Fall of Subprime Mortgages," Federal Reserve Bank of Dallas Economic Letter 2(11).
05. Reinhart, Carmen M., and Kenneth Rogoff (2008) "Is the 2007 U.S. Sub-Prime Financial Crisis So Different? An International Historical Comparison," Harvard University working paper.


গ্রামীণ ব্যাঙ্কের কাজ সম্বন্ধে এই প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য তাদের প্রকাশিত পুস্তক ও পত্রপত্রিকায় পাওয়া যাবে । তবে ইন্টারনেটে এই প্রতিষ্ঠান সম্বন্ধে ভিন্নমতের অনেক তথ্য পাওয়া যাবে ।

১১ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৩৩

দাসত্ব বলেছেন: জানলাম

১২৬| ১৬ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৪৭

মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: অসাধারন

১১ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৩৩

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ

১২৭| ২৩ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১২:৪০

মুসাফির রকস বলেছেন:

there is no option to select in prio +++++++++++++++++++

১১ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৩৬

দাসত্ব বলেছেন: স্টারে ক্লিক করুন

১২৮| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:১৬

অমানুষ বলেছেন:
"আর এভাবেই
৭১'র মেজর জিয়া ,
৭৬'র জেনারেল জিয়া ,
৭৮'র প্রেসিডেন্ট জিয়া কোমর ভাঙা নড়বড়ে মেরুদন্ডের মাতৃভূমিকে সুস্থ সবল করেছেন ।"
অসাধারন .

১১ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৩৭

দাসত্ব বলেছেন: হুম

১২৯| ২০ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:১৮

সাজিদস্টার বলেছেন: ++++++++++

১১ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৩৭

দাসত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ

১৩০| ২১ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৪৯

মুসাফির রকস বলেছেন:
Very nice and authentic post

১৩১| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:০৬

জীবনকেসি বলেছেন: আসলে এক দেশ স্বাধীন করার জন্য দরকার ছিল শেখ মুজিব আর তাজুদ্দীনের।তারা করে দিয়ে গেছেন। মুজিবের কূটনৈতিক সাফল্য ছিল অসাধারন। কিন্তু বাজে সিদ্ধান্ত তাকে মৃত্যুর দিকে টেনে নিয়ে যায়। এরপর প্রতিক্রিয়াশীল(যারা তাহেরের গুনগান গায় তাদেরকে বলে রাখি তাহের মতবাদ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোন রাষ্ট্র পৃথিবীর বুকে দাঁড়িয়ে নেই) রা কিছু দিন মাসল্ম্যান হল। এরপর আবার জিয়া এসে দেশ টা কে গড়ার চেষ্টা করেন। তিনি শুরু করে দিয়ে যান। এরশাদ এসে তা চালাতে থাকেন। হয়ত বা আপনি কোন দলে সাপর্টার কিন্তু এখন পর্যন্ত গ্রামে গঞ্জে যে রাস্তা ঘাট দেখছেন তা কিন্তু এই লুল ব্যাটার সৃষ্টি। কিন্তু আবারো সেই মোটা বুদ্ধির আম্লারা তাকে দুর্নীতির পথঘাট চেনাল, তিনিও তো মানুষ।অতএব যা হবার তাই হল।
লেখক পাঠক মন্তব্যকারী সকলকে প্রাণভরে ধন্যবাদ।
মুজিব জিয়া এরশাদ কারো বিরোধীতা নয়। শুধু বর্তমান প্রেক্ষাপটে যারা ঐ সকল মহান দেশপ্রেমিক দেরকে লজ্জা দিচ্ছে তাদের কে ধিক।
আরো লেখা চাই। শুধু ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাইনা। ভালোবাসা সকলকে।

১১ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৩৯

দাসত্ব বলেছেন: সত্যি বলেছেন

১৩২| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১০:৩৫

রিক্তের বেদন২০১০ বলেছেন: অসাধারণ ! আমরা নতুন প্রজন্ম আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহাসিক নায়কদের অবদান নিয়ে এখনও কত আধারেই না রয়ে গেছি !

লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ - বহু পরিশ্রম সাধ্য তথ্যবহুল এই পোস্টটা আমাদের উপহার দেয়ার জন্যে ।

১৩৩| ০৩ রা মে, ২০১১ রাত ১০:৫১

আদনান_ফিরদাউস বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আজও খারাপ লাগে যখন কোন বয়স্ক মানুষও বঙ্গবন্ধুর মৃত্যূর সাথে জিয়াকে জড়িত করেন। জিয়া, শেরে বাংলা এরা দেশের উন্নতির জন্য কতটা সচেষ্ট ছিলেন তা খালি চোখেই দেখতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে শেরে বাংলা বেঁচে থাকলে দেশের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রিকে তুলে আছাড় মারতেন শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন নতুন Experiment করে ছেলে-মেয়েদের জীবন বিষিয়ে তুলবার জন্য।

১৩৪| ০৬ ই মে, ২০১১ ভোর ৫:১৭

বৃষ্টি ভেজা শিকারী বলেছেন: তথ্য বহুল পোস্ট

১৩৫| ০৬ ই মে, ২০১১ ভোর ৫:১৯

বৃষ্টি ভেজা শিকারী বলেছেন: তথ্য বহুল পোস্ট

১৩৬| ১২ ই মে, ২০১১ রাত ৩:২৯

ঢাকা থেকে বলেছেন: হুম । বুঝা গেল আপনি জিয়ার একনিষ্ঠ মুরীদ।
যা দিলেন সত্য মিথ্যা পরে যাচাই। আপাতত সত্য বলে ধরে নিলাম।
কিন্তু বাকী রয়ে গেল তার কর্মের ৯৯,৯৯ ভাগ। যা মূলত: কুকর্ম হিসেবে গন্য।
জিয়া ছিল বাংলাদেশে ইতিহাসে সবচেয়ে চালবাজ লোক।
ধুরন্ধর শব্দের সমর্থক যদি শিয়াল হয় তবে এখন থেকে ধুরন্ধর শব্দের সমর্থক হিসেবে জিয়াকে গন্য করা যেতে পারে।

আপনার লেখায় আসেনি তার ক্ষমতায় আসার সেই নীল নকশা।
আসেনি জামাত রাজাকার, ধর্মব্যবসায়ী পুনর্বাসনের সেই অপকর্ম।
আসেনি শত শত আর্মি অফিসার গুমের কাহিনী।
আসেনি ওহাবী-সালাফী মতবাদ প্রচারের জন্য সহযোগীর সে কাহিনী।
আসেনি ক্ষমতা পকাপোক্ত করার জন্য আমেরিকার চামচামির সে কাহিনী।
আরো কত কি?
সময় মত একটা পোষ্ট দেব গুণি(!) এ শাসকের যতসব কীর্তি -কুকীর্তি নিয়ে।

১৩৭| ১৪ ই মে, ২০১১ রাত ৩:৪০

বোরহান উদদীন বলেছেন: আসলেই তথ্য বহুল পোস্ট। এই ধরনের পোস্টের জন্য অবশ্যই পুরুস্কিত করা উচিত। ধারুন লাগলো লিখাটা। ধন্যবাদ।

১৩৮| ১৬ ই মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৯

অলস রাজা বলেছেন: দেশ গঠনে জিয়ার অবদান সবারি স্বীকার করে নেওয়া উচিত।

১৩৯| ১১ ই জুন, ২০১১ রাত ৮:৫৯

মারভিন বলেছেন: Click This Link

১৪০| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ২:০৯

অন্তু বলেছেন: অনেক তথ্যবহুল লেখা। পড়ে ভালো লাগলো।

১৪১| ১৫ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:২৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ++++++++++++++++

১৪২| ২৯ শে জুন, ২০১১ ভোর ৪:০০

কালোমেঘ১৮ বলেছেন: ++++++++++++++++

১৪৩| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৪৪

নরসিংদীর পোলা। বলেছেন: মুজিব ভারতীয় সেনাবাহিনীকে তাড়িয়েছিলেন কিন্তু চুক্তির অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই এড়াতে পারেন নি। এ কারণেই স্বাধীন বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী ছিল নখ-দন্তহীন বাঘ। শহীদ জিয়ার জন্যই বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী মজবুত ভিত্তির উপর দাড়াতে পেরেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও চীনের সাথে বাংলাদেশের সু-সম্পর্ক জিয়ার একক অবদান।

সহমত

১৪৪| ০৯ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:১৬

কালো স্বপ্ন বলেছেন: অসাধারন পোস্ট।ধন্যবাদ এবং ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

১৪৫| ১৮ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১০:০৪

সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেছেন: +++++++++++++++++like kora dilam

১৪৬| ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:৩৯

এইতোআমি০০৭ বলেছেন: ++

১৪৭| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫০

সুলতান ব্লগস বলেছেন: oh sweet post

১৪৮| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৪৯

বৃষ্টি ভেজা শিকারী বলেছেন: learnt something new

১৪৯| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:২৪

রঙ্গভরা বঙ্গদেশী বলেছেন: @ ঢাকা থেকে,
জানিনা আপনি ঢাকা থেকে নাকি কোলকাতা থেকে। তবে একটি বিষয় খুবই স্পষ্ট যে বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ একাত্তুর থেকেই জিয়ার মুরীদ। তবে গুঠিকতক যে আপনাদের মতো বিজাতীয় পোষ্য নেই তা বলবোনা।

১৫০| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫০

মরূেবল বলেছেন: আপনাকে স্যালুট।

১৫১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:২৫

দ্রোহপর্বত বলেছেন: লাল সালাম!!

১৫২| ২৪ শে মে, ২০১২ দুপুর ১:৪৮

মরূেবল বলেছেন: আজ জিয়ার মত একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রয়োজন।

১৫৩| ৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০২

অগ্নি বলেছেন: কে বলেছে জিয়া নাই, জিয়া মদের ফালু ভাই....
http://www.youtube.com/watch?v=xdOumVBRKp8

১৫৪| ০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:২৮

এ কে সুমন বলেছেন: লেখক কে অনেক অনেক ধন্যবাদ। জিয়া আমার প্রিয় রাষ্ট্র নায়ক ।

১৫৫| ০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৩৮

আহলান বলেছেন: লীগের কিছু সাইকো ছাড়া কেউ জিয়াকে খারাপ বলতে পারে না ..

১৫৬| ১৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:১০

গেস্টাপো বলেছেন: রিয়েলি জিয়ার ভক্ত হয়ে গেলাম

১৫৭| ১৯ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:০৩

বাংলার হাসান বলেছেন: তথ্যবহুল

১৫৮| ১৯ শে মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:৩৭

রাজ হাসান বলেছেন: আমাদের ২ মহান নেতা,দুই রহমান এবং আমার মতামত।

১৫৯| ২৪ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৩:২৩

আশিক হাসান বলেছেন: ছোটবেলায় প্রেসিডেন্ট জিয়া কে দেখি যখন প্রথম আমি তখন একেবারেই শিশু শুধু মনে পড়ে আমার আশেপাশের মানুষদের চোখে মুখে সে কি আনন্দ যে আজ আমাদের এলাকায় তিনি আসছেন। আমার বাবা অন্যান্য মুরুব্বীদের দেখতাম তাকে নিয়ে সবসময় আলোচনা করতেন এবং এখন বুঝি তার অধিকাংশ ছিলো ইতিবাচক। আজও মনে পড়ে আমাদের পাড়ায় সেদিন অনেক মহিলা থেকে শুরু করে অনেক বয়স্কদের দেখেছিলাম প্রেসিডেন্ট জিয়ার মৃত্যুসংবাদে কাঁদতে চোখের পানি মুছতে। সেইসব স্মৃতি আজও আমার হৃদয়ে জ্বলজ্বল করছে। তারপর একটু বড় হয়ে দেখলাম ফজলে লোহানীর "যদি কিছু মনে না করেন" অনুষ্ঠানে তাঁর অনাড়ম্বর জীবনের ছবি। সেদিন থেকে শৈশবে তাকে ভালবেসেছিলাম। যখন আরেকটু বড় হলাম কৈশোরে বই ঘেঁটে মুরব্বীদের কাছে জানলাম বংগবন্ধুর কথা। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই দুই নেতাকে অন্তর দিয়ে শ্রদ্ধা করি । একজন মানুষ হিসেবে তাদের মধ্যে অনেক ভুলভ্রান্তি থাকতেই পারে সেটা কোন অস্বাভাবিক বিষয় নয় কিন্ত তাদের মধ্যে একটি বিষয়ে কোন অমিল ছিলোনা সেটি হল দেশপ্রেম আর দেশের মানুষকে ভালোবাসার মাঝে। আমরা বাংলাদেশীরা খুবই অদ্ভুত এক জাতি । আমরা আমাদের এই দুই মহান নেতাকে টেনে হিচঁড়ে দাড়িপাল্লায় এনে দাঁড় করিয়ে শুধু ক্ষান্ত হয়নি । আজ দুইভাগে সমগ্র দেশকে বিভক্ত করেছি শুধুমাত্র গুটিকয়েক ব্যক্তি আর দলের স্বার্থে। অথচ এর বদলে আমরা সাধারন জনগন হিসেবে পেয়েছি দারিদ্রতা আর অজস্র লাশের সারি। আর এই বিভক্তি কিছু মানুষকে করেছে অফুরন্ত সম্পদের মালিক। এই তথ্যবহুল পোস্ট টির জন্য লেখককে অনেক ধন্যবাদ ।

১৬০| ০১ লা জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:৫৭

এস এইচ খান বলেছেন: অনেকবার পড়েছি আজ আবারও পড়লাম। এই পোস্ট সামু এক দিন স্টিকি করতে বাধ্য হবে সেটি দেখার অপেক্ষায় থাকলাম! ভোল্ট পাল্টাতে অবশ্য শুরু করেছে মনে হয়! কয়েক দিন আগে দেখলাম ধীবরের পোস্ট নির্বাচিত পাতায় ;)

১৬১| ১৫ ই মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:০৬

রন৬৬৬ বলেছেন: Awesome post. Well written. I highly appreciate the writer to expose the truth in our country. POPULATION is the number one problem of Bangladesh. I studied, worked and lived in three foreign countries (India,UAE, Australia). I came to know about this truth. But unfortunately our corrupted politicians ( BNP, AL, JP) are not talking against population boom in Bangladesh. Always remember one thing in mind, ' Too many people, too many problem and it's a land of confusion.' At present, 47% of degree holders are unemployed! What's the use of over population? These highly educated people became burden of the society. Too many unproductive people creates least developing country (LDC) and nothing more. Look at our small GDP (in terms of PPP) only US$ 324 billion dollars (2013) whereas Vietnam's GDP is around US $ 364 billion dollars (2013). This particular country was way behind of Bangladesh during early 2000!

The bottom line is excess and unproductive population is a curse for a nation.

১৬২| ১৫ ই মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:১৯

রন৬৬৬ বলেছেন: @ Mr.Rifat Hossain: I salut to your father for his honesty in service life. My father was a DGM in Janata Bank (1960-1985) and after retirement he has gone back to his ancestral village (Daudkandi, Comilla) and died peacefully in 1997. He could have made more that Tk.100 corers during his tenure in the bank. We could have bank balances and three to four luxurious houses in Dhaka. He did not purchase land or house in Dhaka. After retirement he received Tk. 5 lacs from the bank. That was the only savings he had that time. Our family paid ultimate price for his dreadful honesty. My mom divorced him in 1975. Look at our present corrupted society, women are 100% responsible for corruption. We all are paying the price of corruption. In future, situation will be worse.

১৬৩| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:৩২

বাংলার ঈগল বলেছেন: এত সুন্দর একটা পোষ্ট ;) !! আর এত দেরিতে পড়লাম। =p~

জিয়াউর রহমানের খাল কাটা কর্মসূচী আবার এই বাংলাদেশে দরকার!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.