নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ব্লগের স্বত্বাধিকারী সামিয়া

সামিয়া

সৎ, সাদাসিধা মানুষ। একটু স্বাধীন টাইপ। পড়তে ভাললাগে, লিখতে ভাললাগে, ছবি তুলতে ভাললাগে, মানুষের মুখে হাসি দেখতে ভাললাগে।

সামিয়া › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেনো আমাদের দেশে জনপ্রিয় লেখক হওয়া আর কেয়ামতের দিন পুলসীরত পার হওয়া সমান কথা?

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৯





কেনো আমাদের দেশে জনপ্রিয় লেখক হওয়া আর কেয়ামতের দিন পুলসীরত পার হওয়া সমান কথা?
প্রথমত আমরা দেশ জাতি করে করে মুখে রক্ত তুলে ফেলি আর মুগ্ধ হই ট্রাম্পের দেশ দেখে, ট্রাম্পের দেশের মানুষ, মানুষের বাসা বাড়ি
খাবার, এমন কি ওয়াশ রুমেও মুগ্ধতার শেষ নাই। আর সেই দেশের মানুষ, সেই দেশের কুকুর, বিড়াল, কাক, সেই দেশের মাইনাস
ডিগ্রী তাপমাত্রা , ডিপ ফ্রিজ এর ভেতর জমে থাকা বরফের মতন দিগন্ত জোড়া বরফের চেয়ে সুন্দর এই তামাম দুনিয়ায় তাদের চোখে আর কিছুতে নেই।

এর সাথে জনপ্রিয় লেখক হবার সম্পর্ক কি? সম্পর্ক আছে, মনে করেন সব সম্পর্ক ওইখানেই , বিদেশের কুকুর আর ওয়াশরুম এর মুগ্ধতায় বধির আমজনতার কাছে সেই দেশের মানুষ একমাত্র প্রতিভাধর, বাংলাদেশের মানুষের মাথায় তো মাটি, সেই মাথা মোটা মাটিরা কি করে লেখক হয়! এই চিন্তা চেতনা আমাদের রক্তে ছড়িয়ে গেছে, আমরা শুধু একে অপরকে ভালো লিখেছেন বলে তার গোষ্ঠী উদ্ধার করে ফেলেছি মনে করি, এবং ভেতরে ভেতরে এই মত পোষণ করি যে ওই ডা কোনো লেখকের মধ্যেই পড়ে নাহ।

সন্মান ভক্তি করলেই শুধু মাত্র তা ফিরে আসে, ভক্তি নাই লেখার প্রতি আগ্রহ নাই ভালো লাগা নাই। শুধু নিজের লেখার প্রতি একপাক্ষিক মুগ্ধতা ওইখানেই রাখে যেখানে আমরা অন্যদের রাখি। ভাইয়া ভাইয়া করে মুখে রক্ত তুলে সংকীর্ণ পরিসরে জনপ্রিয় হয়ে গেছি এই জাতীয় পাগলের সুখ মনে মনে দিনে বসে তারা গোণে এক জাতীয় গণক হওয়া সম্ভব মাত্র।

কোন লেখক এক বছরে এগারোটা বই লিখছে , কেমন করে লিখছে, আসলে সে লিখে নাই, আসলে সে কপি করেছে, এই জাতীয় চিন্তা না করে, যদি কিউরিসিটি অতিরিক্ত হয়, তাহলে আমি বলবো ইউ সুড ট্রাই টু কালেক্ট হিজ বুক এন্ড রিড। এরপর ডিসাইড করেন কেমনে সে এক বছরে এগারোটা বই লিখছে, কি লিখছে, লেখাগুলো মৌলিক কিনা, মানসম্পন্ন কিনা, যদি কপি না করে থাকে কিন্তু মানসম্পন্ন না ও হয় তবে উৎসাহ দেয়া আপনার আমার কর্তব্য।

শেষ কথা উনি লন্ডন আমেরিকার সাদা চামড়ার কেউ হইলে নিশ্চিত তার এই কর্মকাণ্ডে জয়জয়কার করতেন বিনা দ্বিধায়, কারণ তারা রিচ, কারণ তাদের ক্ষমতা অনেক, কারণ তাদের চামড়া সাদা, কারণ তারা ইংলিশে কথা কয় :) :)

শেষ লাইন লিখে প্রচুর হাসলাম।

মন্তব্য ৫২ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৫২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৩

প্রিন্স হ্যামলেট বলেছেন: আপনি কি লেখক ?? যদি লেখক হন তবে বলুন, কেন লিখেন ??? জনপ্রিয়তার জন্য কি লিখেন ???

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫১

সামিয়া বলেছেন: কি জন্য লিখি সেটা নিয়ে তো কথা হচ্ছে না। প্রশ্ন টপিকের বাইরে।

২| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে পোষ্ট দিয়েছেন বোন।
আমাদের দেশে সাহিত্য চলে গেছে দুষ্টলোকদের হাতে। এখন এই দুষ্ট লোকেরা ঠিক করে কে লেখক আর কে লেখক না।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৬

সামিয়া বলেছেন: ১০০% রাইট

৩| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: কলকাতার বইমেলাতে নতুন লেখক মূলত ব্লগারদের বই না পাওয়াতে আমি হতাশ।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:২৫

সামিয়া বলেছেন: হুম

৪| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০৮

হাবিব বলেছেন: নতুনদের সুযোগ না দিলে সাহিত্যচর্চার প্রতি তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:২৫

সামিয়া বলেছেন: ঠিক

৫| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:২৯

আরোগ্য বলেছেন: ব্যক্তিগতভাবে আমি পুরানো লেখকদের লেখা পড়তে পছন্দ করি কারণ তাদের লেখায় জাগরণী স্পৃহা অনেক বেশি। সামাজিক দুর্বলতা ও বিদ্রোহী লেখা তারা যেভাবে লিখতো আজও তা যুগপোযোগী। কিন্তু নতুন লেখকরা এতোটা নিবেদিত নয়।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

সামিয়া বলেছেন: হুম

৬| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৭

জাহিদ হাসান বলেছেন: গতানুগতিক হাবিজাবি গল্পে উপন্যাস লিখলে তো এমন হবেই।

এমন এক উপন্যাস লিখুন যা পড়ার পরে মানুষের মুখে মুখে ফিরবে । জহির রায়হানের হাজার বছর ধরে কিংবা শাহ ওয়ালীউল্লাহর লালসালু এর মত।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

সামিয়া বলেছেন: আমাকে অ্যাটাক করার কিছু নাই, আমি জনপ্রিয় হতে চাই না গো ভাইজান, আমি বলছি সবার কথা।

৭| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

কানিজ ফাতেমা বলেছেন: ইহাদের ইগনোর করা ছাড়া আর কি উপায়?

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

সামিয়া বলেছেন: চাইলেও ইগনোর করতে পারবেন না এরা কাঁধে চড়ে থাকবে। :)

৮| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৪

মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী বলেছেন: চমতকার বলেছেন। সত্যি তাই কিন্তু!

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:০০

সামিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ

৯| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:



আমাদের দেশে লেখক হিসেবে পরিচিতি পাওয়া অনেক সহজ; লেখককে পাঠকের কথা লিখতে হবে।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:০১

সামিয়া বলেছেন: বলেছি জনপ্রিয়তা নিয়ে

১০| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৬

আখেনাটেন বলেছেন: বিকাশের আগেই প্রকাশ হলে যা হয়। আর বিকাশের জন্য যে সাধনা দরকার সেটা আমাদের বর্তমান শিক্ষা, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ কি যোগান দিচ্ছে?

এমনি এমনি তো আর লেখক হওয়া যায় না। ক্রিয়েটিভিটিও চর্চার ফল। অলৌকিক কোনো বিষয় নয়। আর তাই এদেশে বেশির ভাগ লেখায় শুধু কোয়ানটিটি বাড়াচ্ছে, আর কোয়ালিটির অবনমন ঘটাচ্ছে।

আর সে কারণেই সমালোচনাটাও বেশি। তবে কিছু কিছু লেখক সত্যিই ভালো করছে। সময়ের সাথে উনারা ঠিকই জনপ্রিয় হবেন উনাদের কোয়ালিটি লেখা দিয়ে।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:০২

সামিয়া বলেছেন: হুম

১১| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: সাহিত্যের বারোটা :( :(

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:০২

সামিয়া বলেছেন: হুঁ

১২| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: সামিয়া,





আমরা শুধু একে অপরকে ভালো লিখেছেন বলে তার গোষ্ঠী উদ্ধার করে ফেলেছি মনে করি, এবং ভেতরে ভেতরে এই মত পোষণ করি যে ওই ডা কোনো লেখকের মধ্যেই পড়ে নাহ।

............ভক্তি নাই লেখার প্রতি আগ্রহ নাই ভালো লাগা নাই। শুধু নিজের লেখার প্রতি একপাক্ষিক মুগ্ধতা ওইখানেই রাখে যেখানে আমরা অন্যদের রাখি। ভাইয়া ভাইয়া করে মুখে রক্ত তুলে সংকীর্ণ পরিসরে জনপ্রিয় হয়ে গেছি এই জাতীয় পাগলের সুখ মনে মনে.........................।

ঠিক বলেছেন।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৩৭

সামিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ

১৩| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৯

কনফুসিয়াস বলেছেন: ভাল লিখেছেন?

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৩৮

সামিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ?

১৪| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:১৩

আলমগীর কাইজার বলেছেন: সুন্দর লেখা। মরার পরেও অনেকে লেখক হওয়ার সৌভাগ্যের অধিকারী হন। আর এদেশে লেখা নয় বরং কে লিখেছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৩৮

সামিয়া বলেছেন: হুম

১৫| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৫৬

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: একদম সত্যি বলেছেন। তেলমারার জাতিতে আমরা পরিনত হতে যাচ্ছি।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১০

সামিয়া বলেছেন: Thanks

১৬| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:০২

অলিভিয়া আভা বলেছেন: আমরা শুধু একে অপরকে ভালো লিখেছেন বলে তার গোষ্ঠী উদ্ধার করে ফেলেছি মনে করি, এবং ভেতরে ভেতরে এই মত পোষণ করি যে ওই ডা কোনো লেখকের মধ্যেই পড়ে নাহ। - একদম আমার মনের কথাই লিখেছেন। খুব খুব ভালো লাগলো আপনার লেখাটা।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

সামিয়া বলেছেন: Thanks

১৭| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৪২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
তবে আগের মতো বই কেউ আর পড়ে না। আগে লুকিয়ে লুকিয়ে পড়ার ফাঁকে ফাঁকে নানান ধরনের বই পড়তাম।
এখন কেউ পড়তে্ চিায় না।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

সামিয়া বলেছেন: হুম , ধন্যবাদ

১৮| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:১২

ঢাবিয়ান বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: কলকাতার বইমেলাতে নতুন লেখক মূলত ব্লগারদের বই না পাওয়াতে আমি হতাশ।[/sb

পদাতিকদার এই একটাা কথাতেই স্পষ্ট ওপার বাংলার বাঙ্গালী এবং এপার বাংলার কবি , সাহিত্যিকে গিজ গিজ করা বাঙ্গালীর মাঝে পার্থক্য।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১২

সামিয়া বলেছেন: হুম

১৯| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:২০

রাফা বলেছেন: কি লিখছে ,কেনো লিখছে ,কার জন্য লিখছে -এই বোধই যদি না থাকে তাহলে লেখক বা লেখিকা হবে কি করে ?
তবে ব্যাতিক্রমও আছে ,যদিও সংখ্যায় খুবই নগন্য।

অল্প কথায় ভালোই বুঝিয়েছেন,সামিয়া-ধন্যবাদ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১২

সামিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ

২০| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:২৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ভালো লেখা হলে মানুষ এখনো বই পড়ে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে পাঠককে আকর্ষণ করার মতো বই প্রায় নেই বললেই চলে। অন্যান্য সকল ক্ষেত্রের মতো লেখালেখির ক্ষেত্রেও ভাটার টান চলছে।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১৩

সামিয়া বলেছেন: হুম ধন্যবাদ

২১| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:২০

তারেক ফাহিম বলেছেন: প্রজন্ম এখন পর্ণ আশক্তি,

স্মার্ট ফোন থাকতে বই দিয়ে কি হবে :(


আমার মনে হচ্ছে সকল কিছুই ব্যবসার অর্ন্তভুক্ত হয়ে গেছে।
আমরা লেখকদের দেখা-দেখি পছন্দ করি, পরিবার, বন্ধু মহল যাদের আশক্ত আমরাও তাদের আশক্ত হই।

আমি মনে করি নতুনদের প্রানিত করার লক্ষ্যে প্রত্যেককে নতুন লেখকদের বই পড়া দরকার।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১৪

সামিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ

২২| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



খুব সুন্দর একটি টপিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। ভাল মানের লেখক আর জনপ্রিয় লেখক দুই কিসিমের। আপনি পৃথিবীর সেরা সাহিত্যিকদের জীবন পর্যালোচনা করলে দেখবে তাঁদের শতকরা ৯০% মৃত্যুর পর জনপ্রিয় হয়েছেন; বাকি ১০% কপাল গুণে নিজের জনপ্রিয়তা দেখে গেছেন। সাহিত্য হচ্ছে একটি দেশ, একটি জাতি, একটি সংস্কৃতির একটি নির্দিষ্ট সময়ের অর্কাইভ। আর এই অর্কাইভটির দরকার পড়ে লেখনির অন্তত ৫০ বছর পরে সমাজে বিভিন্ন পরিবর্তন যখন আসে। এজন্য সাহিত্যিকরা বেঁচে থাকতে তাদের কর্ম তেমন আলোচিত হয় না। কারণ, বর্তমান সবার কাছেই বর্তমান।

আর জনপ্রিয়তা অন্য বিষয়। কখনো মিডিয়া, কখনো বা পাঠক বুঝে না বুঝে অনেক অখ্যাত লেখককেও পরিচিত করে তুলেন। তাদের বইও দেদারছে বিক্রি হয়। এজন্য লেখবেন এরা একটি বছরে যে পরিমান বই লিখেন প্রকৃত সাহিত্যিকরা সারা জীবনেও সে পরিমাণ বই লেখতে পারেন না। এসব লেখকরা টাকার পেছনে ছুটেন বলে তাদের বইয়ের গভীরতা কম থাকে; যা সাহিত্যের মানদণ্ডে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে না।

এজন্য এসব লেখকদের একশোটি বই খুঁজলেও পাঁচটি ভাল মানের বই পেতে কষ্ট হয়। সাহিত্য হলো সাধনার বিষয়। যিনি টাকার পেছেন, জনপ্রিয়তার পেছেনে ছুটেন তাদের সাহিত্যে স্থায়ীত্ব খুব কম দিন থাকে। এদের কাছে টাকাটাই আসল; সাহিত্য সাধনার কোন গুরুত্ব নেই।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১৪

সামিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ

২৩| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:১২

রাকু হাসান বলেছেন:

হাহাহা শেষ দিকে ব্যাপক বিনোদন পেলাম । আহমেদ জী এস ,আখেনাটেন,কাওসার চৌধুরী ভাইয়া ভালো মন্তব্য করেছে ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১৫

সামিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ

২৪| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০৫

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: লেখালেখির পুর্ব শর্ত হল পড়া। খালি হাযার হাযার শব্দের একটা আবোল তাবোল লিখে ভরিয়ে দেয়া হয়, সেটা আমার চোখে টাকার শ্রাদ্ধ আর বেগার খাটুনি ছাড়া আর কিছু নয়। আর যাই হোক সাহিত্য হতে পারে না। আমি লেখালেখিকে সব সময় একটা সাধনা হিসাবে মনে করি। যা একটা চলমান প্রক্রিয়া। এটাকে নিরন্তর চর্চার মাধ্যমে আয়ত্ব করতে হয়। তাছাড়া বড় বড় আর নামী-দামী লেখকদের লিখিত বই পড়তে হয়। কিন্তু আমরা সচরাচর সেটা না করে, দুই চার লাইনের ১০-২০টা কবিতা লিখে,প্রশান্তির ঢেকুর তুলে লেখক সেজে বসি। আমি কাউকেও ছোট করছি না। সবার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই যে, আমাদের নূতনদের মাঝে ও বেশ প্রতিভাবান অনেক লেখক দেখেছি। তবে এখন আমাদের কাজ হবে তাদের জায়গা করে দেয়া। বাংলা একাডেমি তে আমি দেখেছি নতুন লেখকদের জন্য ট্রেনিং এর ব্যবস্থা আছে। নতুন লেখকদের ওখানে গিয়ে ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশ নেয়া উচিত।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১৭

সামিয়া বলেছেন: বাংলা একাডেমীতে কমেন্ট শেখার ট্রেনিং এর ব্যবস্থা ও আছে নিশ্চয়ই?

২৫| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:৪৬

সোহানী বলেছেন: প্রিয় সামিয়া,

খনার একটা বচন আছে, তিনমাথা যার বুদ্ধি নিবে তার। মানে নিশ্চয় জানো তারপরও আবার বলি। এর মানে হলো বয়স এবং অভিজ্ঞ ব্যাক্তির কাছ থেকে বুদ্ধি নিতে হয়। আর দ্বিতীয় পয়েন্ট হলো দেশের গন্ডি যারা পেরিয়েছে তার মানে সে দেশ যেমন দেখেছে তেমনি বাহির বিশ্ব ও দেখেছে। সেটা ট্রাম্পের দেশ হোক বা ডিপ ফ্রিজের মতো বরফের দেশই হোক। আর তাই তুলনাটা চোখে পড়ে তাই সেধরনের ব্যাক্তি যখন পোস্ট লিখে তখন তাতে সেসব তুলনামূলক বিষয় আসবেই। আর দেশের আম জনতা সে সব ওয়াশরুম বা কুকুর বিড়ালের পোস্টে পড়ে সে সম্পর্কে জানার জন্য।

দেশে থাকতে আমাকে প্রায় সারা বছরই অফিসের প্রয়োজনে দেশের বাইরে যেতে হতো। আর আমি সবসময়ই সে দেশ সম্পর্কে জানতাম ব্লগ পড়ে। কারন সত্যিকারের দেশ সম্পর্কে তথ্য গুগুলে পাওয়া যায় না যা আমাদের দরকার। এ কারনে এখন যখন যে দেশে থাকি সে দেশ সম্পর্কে লিখার চেস্টা করি। এটা শুধু আমার বেলায় নয় সবার বেলায় প্রযোজ্য।

আর তাদের প্রতি আম জনতার মুগ্ধতা আছে আর বাকিদের বেলায় নেই তা আমি একমত হচ্ছি না। দেশের বাইরে যারা নিয়মিত লিখছে তাদের প্রতি আম জনতার যেমন মুগ্ধতা আছে ঠিক তেমনি আছে দেশে লেখকদের। কে প্রতিভাবান লেখক তার দু'একটি লেখা পড়লেই বোঝা যায়। প্রতিভা এমনই জিনিস এটাকে না চাইলেও সেটার আলো ছড়িয়ে পড়বেই। আর মোটামুটি কারো লিখাতেই কেউই জানায় না যে সে বিদেশ থেকে লিখছে। যেমন তুমি শিখার কথা বলো, ও যে বাইরে থাকে তা মাত্র ক'দিন আগে জেনেছি। আর কাওসার সম্পর্কে জানি কারন ওর লেখায় ব্রিটিশ সম্পর্কে তুলনামূলক চিত্র দেখায় যায় বলে। আর আমি এখন কানাডায় থাকি বলে সে সম্পর্কে লিখি। আমার পুরোনো লিখা দেখলে দেখতে পাবা সুইজারল্যান্ড, জার্মান সহ আরো কয়েকটা দেশ নিয়ে লিখেছিলাম।

আর যারা ভাইয়া বলে মুখের ফেনা তুলছে বলে তুমি যে মন্তব্য করছো সেটা তার নিজস্ব স্টাইল। প্রত্যেকেরই তার নিজস্ব স্টাইল আছে সেটা যার যার ব্যাক্তিগত স্টাইল। এবং সে যদি তা দিয়ে জনপ্রিয় হতে পারে তাতে কি কোন সমস্যা আছে?

আর যারা বছরে এগারোটা বই লিখেছে তাদের সম্পর্কে চমৎকার একটা লিখা লিখেছে চাঁদগাজী ভাই। সেটা পড়লে তুমি স্ট্যাটিক্সটা পাবা। সেখানে কোন লন্ডন আম্রিকা বা সাদা চামড়া কিংবা ইংরেজীর কোন কিছুর লিংক পাইনি।

যাহোক, যেকোন বিতর্কিত লেখা আমি এড়িয়ে চলি কিন্তু কেন যেন মনে হলো উপরে যারা কমেন্টস্ করেছে তারা ঠিক তোমার লিখাটা ঠিকভাবে বুঝতে পারেনি।

অনেক ভালো থাকো।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২২

সামিয়া বলেছেন: আপনি ছাড়া কেউ আমার লেখা বুঝতে পারেনি!! I'm wondering how intelligent you are!!!!!

২৬| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০২

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: বিখ্যাত হওয়ার জন্য বা জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য লিখে কি লেখক হওয়া যায়? লেখক কি দেশ, জাতি, সময়ের গন্ডিতে আটকে থাকতে পারে? লেখকের মুগ্ধতা বা সমালোচনা কি স্বদেশ বা বিদেশ বিবেচনা করে শব্দে প্রাণ পায়? কষ্ট করে বিস্তারিত উত্তর দিবেন আশা করি। স্পর্শকাতর একটা বিষয়ে কিছু লিখলে কিছু দায়িত্বশীলিতা চলে আসে অবশ্যই। উপরের সব কয়টা মন্তব্য প্রতিত্তর দেখে কথাটি বললাম।

লিখুন নিজের জন্য, নিজের আত্মসন্তুষ্টি অর্জনের জন্য, বিখ্যাত হওয়ার জন্য নয়। বলে কয়ে কেউ বিখ্যাত হয় না। আর যারা হয় বা হয়েছে, যোগ্যতা বলেই তা ঘটে।

হ্যাপী ব্লগিং।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৪০

সামিয়া বলেছেন: আমি তো জনপ্রিয় হওয়া একজন লেখকের জন্য জরুরি কিংবা জরুরি নয় সেসব নিয়ে কথা বলছিনা, কিংবা একজন লেখন জনপ্রিয় হবার জন্য লিখে এই জাতীয় মন গড়া কথাও লিখিনি, বিদেশ দেশ হিসেবে একজন লেখক শব্দ চয়ন করেন সেসব কিছু বলিনি। আমি বলেছি একদল জনগোষ্ঠীর মনের সার্বিক অবস্থা, যে জন্য আমাদের দেশে লেখক অথবা গুণের কদর নেই। টপিকের বাইরে কেউ কমেন্ট করলে আমি সেই কমেন্ট এর জবাব দিয়ে সময় নষ্ট করার দলে না, আমি কথা কম কাজ বেশি করা মেয়ে,কাজেই আমার রিপ্লে এমন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.