| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সায়াহ্নের কাব্য
আমি ভবিতব্যের মেহেদীর ডানহাত, আমি সবিশেষে আসা যীশুর আশির্বাদ, আমি কলিযুগে আসা কৃষ্ণের অবতার, আমি শেষে পূর্ণতা দূর করি অনাচার, আমি সীমাহীন, আমি মানিনাকো ভেদাভেদ, আমি পৃথক করিনা দীন-ধনী, কালো-শ্বেত, আমি উদ্দাম প্রাণ, অশুভ শক্তি দহি, আমি নগ্ন কলমে নজরুল, বিদ্রোহী…!!! তবু পিতৃপ্রদত্ত একটা নাম আছে। বাবার মাথায় সম্ভবত কাব্যপ্রীতির ভূত ছিল। হয়্তো তাই আমি জালাল উদ্দীন রুমী..….…
দেখতে যে সে পরীর মতো একথা বলব না। খুব একটা সাদাসিদে মুখ আর সদা হাস্যোজ্জ্বল দৃষ্টিভঙ্গি, সবটা মিলিয়ে মুহূর্তেই এক অভাবনীয় মুগ্ধতায় আবদ্ধ করে ফেললো। প্রকৃতির মত নিষ্পঙ্কিল একটা আভা আছে বলেই কি ওর নাম #প্রকৃতি? একদিন বসে ভাবতে হবে। আরে! আমি ওকে নিয়ে ইদানিং এত ব্যস্ত হয়ে পড়েছি কেনো? ওকে আমি ভালো...................? এমনটাই ভাবছিলাম ক্যাম্পাসের ফার্স্ট গেইট দিয়ে বেরোবার পথে হাটতে হাটতে। হঠাৎ পেছনে #জিতুর ডাক শোনা গেল। ফিরে তাকালাম, হ্যাঁ, গায়ে অ্যাশ কালারের শর্ট পাঞ্জাবী আর ফ্রেঞ্চ কাট দেয়া মুখে পরিচিত হাসি নিয়ে জিতুই এগিয়ে এল। কিরে কি খবর? একটু হাসল ও। আমাকে একটা হেল্প করবি 'কবি'?..... আরে হেল্প বলিস কেন? কি করতে হবে তাই বল, বললাম আমি। .....একটা চরম রোমান্টিক কবিতা লিখে দিতে হবে। ...সে আর কি? কালই পাবি কিন্তু সে কে রে? এবার একটা পার্টি না হলে ছাড়া হবে না, সম্মতি ও আবদার একবাক্যে জানালাম আমি। .....আরে সব হবে আগে তো মিশনে নামতে দে নাকি? আসছে রবিবার প্রপোজ করব। আর মেয়েটাও দূরের কেউ নয়,আমাদের ডিপার্টমেন্টের প্রকৃতি।
২|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ৮:৩২
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: হুম! শুভেচ্ছা
৩|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৩:৩১
কলমের কালি শেষ বলেছেন: আহারে ।
৪|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:৩২
সায়াহ্নের কাব্য বলেছেন:
শুভেচ্ছা কেন? অপূর্ণ…
৫|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৩
সায়াহ্নের কাব্য বলেছেন: ধন্যবাদ.... কলমের কালি
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১২:২৮
সায়াহ্নের কাব্য বলেছেন: সম্মোহিতের মতো অনর্গল বলে চলল ও। কিন্তু সত্য বলছি এর পরের একটা কথাও আমি শুনতে পারিনি।ভাবনাগুলো কক্ষচ্যূত ধূমকেতুর মতো লক্ষহীন ছুটাছুটি করতে লাগলো।কোথায় ডুবেছিলাম, কেনো ডুবেছিলাম জানিনা। জিতুর ঝাঁকুনিতে চেতন ফিরল। .....কিরে! এখনি যাবি? চা টা খাই না? ...না দোস্ত, তুই খা, আমার একটু তাRa আছে।কাঠ হয়ে থাকা কণ্ঠ দিয়ে বড় কষ্টেই কথাটা বের করলাম। .....আরে কিছুক্ষণ পরেই তো ভার্সিটির বাস যাবে। ...তা থাক বলেই সামনের অটো লক্ষ্য করে দৌড়ালাম। পেছনে জিতুর কণ্ঠস্বর শোনা গেলো _"মনে থাকে যেন"। হ্যাঁ, মনে থাকবে। বেশ ভালোভাবে মনে থাকবে। একটা না বরং দুটি কবিতা লিখতে হবে। জিতুর জন্য মিলনাত্মক মাত্রাবৃত্ত ছন্দ আর আমার জন্য বিরহাত্মক অক্ষরবৃত্ত ছন্দ। কেন? সেটা অসংজ্ঞায়িত, অসংজ্ঞায়িতই থাকুক।