| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ বিরোধীদের প্রতি খোলা চিঠি
১. নূরে মুজাসসাম, হায়াতুন নবী, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ তথা আগমন উপলক্ষে উনার ছানা-সিফত করা কোন্ কারণে বিদয়াত ও শিরক?
২. সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ তথা আগমন উপলক্ষে উনার উপর দুরূদ শরীফ পাঠ করা, তাসবীহ-তাহলীল করা, উনার মু’জিযা শরীফ সমূহ পাঠ করা, উনার জীবনী মুবারক আলোচনা করা, উনার মর্যদা-মর্তবা’র আলোচনা করা কোন্ কারণে বিদয়াত বা শিরক?
৩. মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফকে বিদয়াত ও শিরক প্রমাণের জন্য মীলাদ শরীফ বিরোধীতাকারীরা ‘প্রচলিত মীলাদ শরীফ ও কিয়াম শরীফ’ বলে একটা কথা বলে থাকে। এই ‘প্রচলিত আর অপ্রচলিত’ মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ কি?
৪. এই ‘প্রচলিত আর অপ্রচলিত’ মীলাদ শরীফ ও কিয়াম শরীফ-এর মাঝে কোনো পার্থক্য আছে কি? কোনো শরীয়তের খেলাফ কাজ আছে কি? কিংবা কোন অশ্লীল-অশালীন কাজ আছে কি? আর না থাকলে কোন্ কারণে আপনারা ‘প্রচলিত মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ’ বলেন? আর কোন্ কারণে এটাকে বিদয়াত-শিরক বলে থাকেন?
৫. কিয়াম শরীফে রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানে দাঁড়িয়ে সালাম পেশ করা হয়। কিন্তু মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ-এর বিরোধীতাকারীরা এটাকে হারাম বলতে বলতে শিরক পর্যন্ত বলে থাকে। আর এটাকে শিরক প্রমানের জন্য তারা বলে থাকে-
# নবীজী মারা গেছেন, তাই উনাকে দাঁড়িয়ে সালাম দেয়া যাবে না। নাউযুবিল্লাহ!
# নবীজীর রওজা অনেক দুরে, তাই উনাকে দাঁড়িয়ে সালাম দেয়া যাবে না। নাউযুবিল্লাহ!
# ছাহাবীগণ নবীজীকে দেখে দাঁড়ান নাই কিংবা নবীজী তাঁদেরকে দাঁড়াতে নিষেধ করেছেন। নাউযুবিল্লাহ!
# ছাহাবীগণ মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ করেননি, তাই এটা বিদয়াত, এটা করলে গুনাহ হবে। নাউযুবিল্লাহ!
# সম্মিলিত ভাবে মীলাদ পাঠ করা বিদয়াত? নাউযুবিল্লাহ!
# কেউ দুরূদ শরীফ পড়লে তাদেরকে শুধু দুরূদে ইব্রহীমই পাঠ করতে হবে, অন্য কোন দুরূদ শরীফ পাঠ করা যাবে না। নাউযুবিল্লাহ!
মূলতঃ তাদের উল্লিখিত প্রতিটি বক্তব্যই মনগড়া, মিথ্যা ও দলীলবিহীন। তারা তাদের উল্লিখিত বক্তব্যের স্বপক্ষে একটি নির্ভরযোগ্য দলীলও পেশ করতে পারবে না।
ঈমানদার মুসলমান ভাই ও বোনদের প্রতি আহ্বান-
যারা মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফকে হারাম, বিদ্য়াত ও শিরক বলে, আপনারা তাদের কাছে দলীল তলব করুন। তারা দলীল দিতে অস্বীকার করলে তাদেরকে চিহ্ণিত করে সমাজ থেকে বয়কট করুন। কারণ, যারা রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-সিফত করাকে হারাম, বিদয়াত, শিরক বলতে চায় তারা মহান আল্লাহ পাক উনার দুষমন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুশমন সর্বোপরি ইসলামের দুশমন।
মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ বিরোধীদের প্রতি
প্রকাশ্য বাহাছের চ্যালেঞ্জ (শর্ত সাপেক্ষে)
যে কোন স্থানে, যে কোন দিন, যে কারো সাথে আমরা বাহাছ করতে রাজি আছি। ইনশাআল্লাহ!
মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ বাস্তবায়ন কমিটি (চিলমারী, কুড়িগ্রাম)-এর পক্ষে-
আল্লামা মুহম্মদ নূরুল আমীন।
২|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫২
রাজবন্দীর জবানবন্দী বলেছেন: আজব ! আপনিই যুক্তি-দলিল ছাড়া কতগুলো কথা বলে ফেললেন !
রাজারবাগী কিনা !
বহছ করার এত সখ, ব্লগেই কয়েকটা দলিল লিখে দেন না (যদি পারেন) !
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০৬
পাগল হয়ে যাবো বলেছেন: হযরত ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি আরো বলেন,
وَمَنْ قَرَأَ مَوْلِدَ النَّبِىِّ صَلّٰى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلٰى دَرَاهِمَ مَسْكُوْكَةٍ فِضَّةٍ كَانَتْ اَوْ ذَهَبًا وَخَلَطَ تِلْكَ الدَّرَاهِم بِغَيْرِهَا وَقَعَتْ فِيْهَا الْبَرْكَةُ وَلا يَفْتَقِرُ صَاحِبُهَا وَلا تَفْرُغُ يَدُهٗ بِبَرْكَةِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَمَ.
অর্থ: “যে ব্যক্তি মীলাদ শরীফ পাঠ করে বা মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করে রৌপ্যের অথবা স্বর্ণের দেরহামসমূহের উপর ফুঁক দেয় অতঃপর তা অন্য জাতীয় মুদ্রার সাথে মিশায় তাহলে তাতে অবশ্যই বরকত হবে এবং এর পাঠক কখনই ফকীর হবে না। আর উক্ত পাঠকের হাত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর (মীলাদ শরীফ পাঠের) বরকতে কখনো খালি হবে না।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’য়ামাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
মুসলমানদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে বেশি কিতাব লিখেছেন, যিনি হিজরী দশম শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ও ইমাম, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন,
قَالَ سُلْطَانُ الْعَارِفِيْنَ الْاِمَامُ جَلالُ الدِّيْنِ السُّيُوْطِىُّ قَدَّسَ اللهُ سِرَّهٗ وَنَوَّرَ ضَرِيْحَهُ فِىْ كِتَابِهِ الُمُسَمّٰى الْوَسَائِلِ فِىْ شَرْحِ الشَّمَائِلِ" مَا مِنْ بَيْتٍ اَوْ مَسْجِدٍ اَوْ مَحَلَّةٍ قُرِئَ فِيْهِ مَوْلِدُ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِلا حَفَّتِ الْمَلٰئِكَةُ ذٰلِكَ الْبَيْتَ اَوِ الْمَسْجِدَ اَوِ الْمَحَلًّةَ صَلَّتِ الْمَلٰئِكَةُ عَلٰى اَهْلِ ذٰلِكَ الْمَكَانِ وَعَمَّهُمُ اللهُ تَعَالٰى بِالرَّحْمَةِ وَالرِّضْوَانِ واَمَّا الْمُطَوَقُّوْنَ بِالنُّوْرِ يَعْنِىْ جِبْرَائيلَ وَمِيْكَائِيْلَ وَاِسْرَافِيْلَ وَعَزْرَائِيْلَ عَلَيْهِمُ السَّلامُ فَاِنَّهُمْ يُصَلُّوْنَ عَلٰى مَنْ كَانَ سَبَبًا لِقَرَائَةِ مَوْلِدِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ: সুলত্বানুল আরিফীন হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘ওসায়িল ফী শরহি শামায়িল’ নামক কিতাবে বলেন, “যে কোন ঘরে অথবা মসজিদে অথবা মহল্লায় মীলাদ শরীফ পাঠ করা হয় সেখানে অবশ্যই আল্লাহ পাক-এর ফেরেশতাগণ বেষ্টন করে নেন। আর তাঁরা সে স্থানের অধিবাসীগণের উপর ছলাত-সালাম পাঠ করতে থাকেন এবং আল্লাহ পাক তাঁদেরকে স্বীয় রহমত ও সন্তুষ্টির আওতাভুক্ত করে নেন। আর নূর দ্বারা সজ্জিত প্রধান চার ফেরেশতা অর্থাৎ হযরত জিবরাঈল, মীকাইল, ইসরাফিল ও আজরাইল আলাইহিমুস সালাম মীলাদ শরীফ পাঠকারীর উপর ছলাত-সালাম পাঠ করেন।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’য়ামাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০৭
পাগল হয়ে যাবো বলেছেন: হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন,
مَا مِنْ مُسْلِمٍ قَرَاََ فِىْ بَيْتِهٖ مَوْلِدَ النَّبِىِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِلا رَفَعَ اللهُ سُبْحَانَهٗ وَتَعَالٰى اَلْقَحَطَ وَالْوَبَاءَ وَالْحَرْقَ وَالْغَرَقَ وَالاَفَاتِ وَالْبَلِيَّاتِ وَالْبَغْضَ وَالْحَسَدَ وَعَيْنَ السُّوْءِ وَاللُّصُوْصِ عَنْ اَهْلِ ذٰلِكَ الْبَيْتِ فَاِذَا مَاتَ هَوَّنَ اللهُ عَلَيْهِ جَوَابَ مُنْكِرٍ وَنَكِيْرٍ وَيَكُوْنُ فِىْ مَقْعَدِ صِدْقٍ عِنْدَ مَلِيْكٍ مُّقْتَدِرٍ.
অর্থ: “যখন কোন মুসলমান নিজ বাড়িতে মীলাদ শরীফ পাঠ করে তখন সেই বাড়ির অধিবাসীগণের উপর থেকে আল্লাহ পাক অবশ্যই খাদ্যাভাব, মহামারি, অগ্নিকা-, ডুবে মরা, বালা-মুছিবত, হিংসা-বিদ্বেষ, কু-দৃষ্টি, চুরি ইত্যাদি উঠিয়ে নেন। যখন উক্ত ব্যক্তি মারা যান তখন আল্লাহ পাক তাঁর জন্য মুনকার-নকীরের সুওয়াল-জাওয়াব সহজ করে দেন। আর তাঁর অবস্থান হয় আল্লাহ পাক-এর সন্নিধানে সিদকের মাক্বামে।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’য়ামাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
৩|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৩
শার্ক বলেছেন: y are minsinterpreting your own akida :-) one can stand and give salaam to anyone no problem but your akida is our prophet pbuh is present in your milad so u guys stand up and give salaam. if u think this is not bidah then i can quote many hadith ha ha. did our sahabi stand up after our prophet died. can u show a single hadith. bro why u are distrcting people and we make dua may Allah show yiu the correct path ameen.
৪|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৬
শার্ক বলেছেন: also u can meet me. inshallah i will show u the right thing based on quran and sahi hadith.
৫|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৩
সৈয়দ মোজাদ্দাদ আল হাসানাত বলেছেন: এতো দিন পর খুব ভালো একটা পোষ্ট পড়লাম । ভালো লাগলো ভাই । মিলাদ সম্পর্কে আরো লেখা চাই ।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২৬
পাগল হয়ে যাবো বলেছেন: ভাইজান! রাজবন্দীর জবানবন্দি ভাইয়ের কমেন্টের জবাব দুইটা পড়ুন।
আপনার ভালো লাগায় ধন্যবাদ।
৬|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৫
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: "ইন্নাল্লাজি আমানু ইউ সাল্লুনা আলান নাবিয়্যি; ইয়া আইয়্যুহাল্লাজিনা আমানু ইউ সাল্লুনা আলাইহি ওয়া সাল্লি মু-তাসলিমা "
এই আয়াতের পরে যে বা যারা হাদীস খুজে বেরায়- তারা হয় মূর্খ নয় কোরআন অস্বীকার কারী।
আল্লাহ নিজে যেখানে রাসূল সা: এর শানে এই আয়াত অবর্তীন করলেন- সেখানে আর কোন যুক্তি, জ্ঞান, ধারনা, শোনা কথা খাটে না।
এ আল্লাহর হুকুম। হে মুমিনরা তোমরাও উত্তম মজলিশ সহকারে আমার হাবীবের উপর দরুদ পাঠ কর।
যার মানার মানবে। যে আল্লাহকে ভয় করে না সে মানবে না।
আল্লাহ সবাইকে সত্য উপলদ্ধি করার তৌফিক দান করুন।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২৭
পাগল হয়ে যাবো বলেছেন: মীলাদ শরীফ বাস্তবায়ন কমিটির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।
৭|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৩৪
কান্টি টুটুল বলেছেন:
মিলাদ বলতে আমরা যা বুঝি সেটা আমাদের নবী ( সঃ ) এর জীবিত থাকা অবস্থায় উনার সাহচর্য লাভ করেছেন এমন কোন সাহাবা কি কখনো সেভাবে মিলাদ পড়িয়েছেন?
কিংবা আমাদের নবী ( সঃ ) কি উনার সাহাবাদের শিখিয়ে দিয়েছেন কিভাবে মিলাদ পড়তে হবে?
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০৪
পাগল হয়ে যাবো বলেছেন: মহান আল্লাহ পাক বলেছেন, "ইন্নাল্লাজি আমানু ইউ সাল্লুনা আলান নাবিয়্যি; ইয়া আইয়্যুহাল্লাজিনা আমানু ইউ সাল্লুনা আলাইহি ওয়া সাল্লি মু-তাসলিমা "
পবিত্র কুরআন শরীফ-এর আয়াত। অর্থ এবং ব্যাখ্যা করুন। ধন্যবাদ
৮|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫৫
এরেল বলেছেন: এইটা দেখেন
মিলাদ ও জন্মোত্সব - বিদআ'ত থেকে সতর্ক থাকা অপরিহার্য - ২য় পর্ব - Click This Link
পুরাই কনফিউজড হয়া গেলাম ![]()
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০৮
পাগল হয়ে যাবো বলেছেন: এরেল ভাই! আমি কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর বরাত দিয়েছি। আপনার যদি পছন্দ হয় করবেন না হয়.......
কারণ মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ-এ কোনো পাপ বা গুনার কাজ করা হয় না। বরং সেখানে কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা হয়, দরুদ শরীফ পাঠ করা হয়। নবীজির ছানা-ছিফত করা হয়। এটা কি করে বিদয়াত ও গুনাহের কাজ হতে পারে।
৯|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০৪
মুহাই বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:"ইন্নাল্লাজি আমানু ইউ সাল্লুনা আলান নাবিয়্যি; ইয়া আইয়্যুহাল্লাজিনা আমানু ইউ সাল্লুনা আলাইহি ওয়া সাল্লি মু-তাসলিমা " এই আয়াতের পরে যে বা যারা হাদীস খুজে বেরায়- তারা হয় মূর্খ নয় কোরআন অস্বীকার কারী। আল্লাহ নিজে যেখানে রাসূল সা: এর শানে এই আয়াত অবর্তীন করলেন- সেখানে আর কোন যুক্তি, জ্ঞান, ধারনা, শোনা কথা খাটে না। এ আল্লাহর হুকুম। হে মুমিনরা তোমরাও উত্তম মজলিশ সহকারে আমার হাবীবের উপর দরুদ পাঠ কর। যার মানার মানবে। যে আল্লাহকে ভয় করে না সে মানবে না। আল্লাহ সবাইকে সত্য উপলদ্ধি করার তৌফিক দান করুন।
১০|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৩৫
কান্টি টুটুল বলেছেন: "ইন্নাল্লাজি আমানু ইউ সাল্লুনা আলান নাবিয়্যি; ইয়া আইয়্যুহাল্লাজিনা আমানু ইউ সাল্লুনা আলাইহি ওয়া সাল্লি মু-তাসলিমা "
[56] আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।......সুরা আল আহযাব
=======================================
কোরআন শরীফের কোন আয়াতের ব্যাখ্যা হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) এর চাইতে আমরা বেশী বুঝি এরকম ধারণা একমাত্র বেকুবগন ই করতে পারেন...আশা করি এবিষয়ে আপনার কোন দ্বিমত নাই,
উপরের আয়াতের ব্যাখ্যা আপনি যেভাবে মিলাদের সমর্থনে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন সেভাবে ঐ আয়াতের ব্যাখ্যা আমাদের নবী হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) নিশ্চয়ই করেন নাই,
যদি করতেন তবে হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) জীবিত থাকা অবস্থায়ই উনার সাহচর্য লাভ করেছেন এমন কোন সাহাবা নিশ্চয়ই মিলাদ পড়াতেন,
কোরআন শরীফের কোন আয়াতের ব্যাখ্যা হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) এর চাইতে আমরা বেশী বুঝি এরকম ধারণা করা কখনই ঠিক হবেনা।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৪৩
পাগল হয়ে যাবো বলেছেন: আসলেই আমি মনে হয় বেকুব! কারণ উপরে কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস দিয়ে বুঝানোর পরও আপনার মতো বলদরে বুঝাইতে পারি নাই।
আচ্ছা এবার দেখুন তো বুঝেন কিনা-
আল্লাহ পাক সূরা আহযাব-এ আরো ইরশাদ করেন-
إِنَّ اللّٰهَ وَمَلائِكَتَهٗ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِىِّ يٰاَيُّهَا الَّذِينَ اٰمَنُوْا صَلُّوْا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيْمًا
অর্থ: “নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক এবং উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালামগণ হযরত নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি ছলাত তথা দুরূদ শরীফ পাঠ করেন। হে মু’মিনগণ! তোমরাও হযরত নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি ছলাত তথা দুরূদ শরীফ পাঠ করো এবং সালাম প্রেরণ করো প্রেরণ করার মত।” (সূরা আহযাব : আয়াত ৫৬)
আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসংখ্য হাদীছ শরীফ-এ ছালাত-সালাম পাঠ করার গুরুত্ব ও ফযীলত বর্ণনা করেছেন। এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে-
عَنْ اِبْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَوْلَى النَّاسِ بِىْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ اَكْثَرُهُمْ عَلىَّ صَلٰواةً.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “ঐ ব্যক্তিই ক্বিয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে নিকটে থাকবে, যে ব্যক্তি আমার প্রতি অধিক মাত্রায় ছলাত পাঠ করবে।” (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ, মায়ারিফুস সুনান, শরহুত ত্বীবী, আত তা’লীকুছ ছবীহ, মুযাহিরে হক্ব)
হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে-
عَنْ اِبْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالىٰ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ لِلّهِ مَلٰئِكَةً سَيَّاحِيْنَ فِى الاَرْضِ يُبَلِّغُوْنِىْ مِنْ اُمَّتِىَ السَّلامَ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন-এর কিছু সংখ্যক ফেরেশতা রয়েছেন, যারা পৃথিবীতে ভ্রমণ করে বেড়ান এবং আমার উম্মতের পাঠকৃত সালাম আমার নিকট পৌঁছে দেন।” (নাসায়ী শরীফ, সুনানুদ দারিমী, মিশকাত শরীফ, মিরকাত, লুময়াত, আশয়াতুল লুময়াত, শরহুত ত্বীবী, আত তা’লীকুছ ছবীহ, মুযাহিরে হক্ব।)
সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো যে, মীলাদ শরীফ পাঠ করা অর্থাৎ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ছানা-ছীফত করা ও উনার প্রতি ছলাত ও সালাম পাঠ করা কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এরই মুবারক নির্দেশ বা আমল।
১১|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫২
কান্টি টুটুল বলেছেন:
উপরে ১০ নং কমেন্টে আমার বক্তব্য স্পষ্ট,
আমার বক্তব্যের বিরুদ্ধে আপনার যুক্তি থাকলে সরাসরি বলেন,অযথা ত্যানা প্যাঁচানোর দরকার নাই।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২৮
পাগল হয়ে যাবো বলেছেন: ছলাত সালামের কথা বললাম গায়ে লাগলো না।
যদি আপনার বাবা আসে তাকে কি বসে ছালাম দেন?
যদি আপনার বাবাকে বসে সালাম দিলে বেয়াদবি হয় তাহলে যাঁকে সৃষ্টি না করলে কিছুই সৃষ্টি হতো না উনাকে বসে বসে ঝিমুতে ঝিমুতে ছালাম দিবে।
মাথায় কি কিছু আছে না সব আউট হয়ে গেছে?
১২|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫০
তারেক বলেছেন: @লেখক, ভাই নবীর প্রতি আপনার ভালবাসা দেখে খুবই ভাল লাগল।
১. রাজবন্দীর জবানবন্দী - এর কমেন্ট এর উত্তরে আপনি যা দিয়েছেন তা কোন কোরআন বা হাদিসের দলিল না। সবার আগে কোরআন ও হাদিসের দলিল তারপর অন্যদের উক্তি । কারন যাদের উক্তি আপনি পেশ করেছেন তারা সম্মানিত হতে কিন্তু আল্লাহ ও রাসুলের চেয়ে নিশ্চয় বেশী না। সুতরাং আপনি যে ওপেন চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন তার স্বপক্ষে কোরআন ও হাদিসের কোন দলিল দিতে পারলেন না।
২. বিদ্রোহী ভৃগু ৬ নং কমেন্টে যে কোরআনের আয়াত দিয়েছেন তাতে দরুদ পাঠ করার কথা বলা হয়েছে, যা ১০০% ঠিক। কিন্তু সেই দরুদ বর্তমানে যেভাবে মিলাদ পড়া হয় সেভাবে পড়তে হবে তার কোন প্রয়োজন নাই। এখানে আল্লাহ কখনই বলে নাই যে মিলাদ আকারে পড়তে হবে এবং মিলাদ শরীফে দাড়াতে হবে। সুতরাং এখানেও মিলাদ শরীফের কোন দলিল নাই।
অতএব বলা যায় , আপনি আপনার ব্লগে মিলাদ বিরোধীদের তাদের পক্ষে প্রমান দিতে বলেছেন কিন্তু সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো মিলাদের পক্ষে আপনার ব্লগে আপনি কোন প্রমান দিতে পারেননি।যাও বা দেয়ার চেষ্টা করেছেন সেটা কোন কোরআন বা হাদিসের দলিল না।কয়েকজন ব্লগার তাদের কমেন্ট আপনার কাছে দলিল চাইলে আপনি কোরআন , হাদিসের কোন দলিল দিতে পারেনি।
ব্লগার বিদ্রোহী ভৃগু তার কমেন্টে কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে দরুদ শরীফ পাঠের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন , কিন্তু উহা মিলাদ শরীফ সর্ম্পকিত কিছু নয়। দরুদ শরীফ আদবের সহিত যে কেউ যেকোন সময় পড়তে পারে। একা কিংবা একত্রে। কিন্তু উহা মিলাদ শরীফ নয়, যাহা আমাদের সম্মানিত মূর্খ লেখক বুঝাতে চেয়েছেন।
পরিশেষে, আমি লেখককে মিলাদ শরীফের সম্পরকিত আকিদা পরির্বতন করে সহী পথে আসার আহবান জানাচ্ছি।আর না বুঝে ইমানদার মুসলমাদেরকে আল্লাহর ও রাসুলে দুশমন বলা থেকে বিরত থাকুন।
আর কোন মুসলমানকে যদি আপনার দৃষ্টিতে পথভ্রষ্ট মনে হয়ে তবে তাকে বা তাদেরকে মনের দরদ দিয়ে সঠিক জিনিস বুঝান। তাদের জন্য মনে ব্যথা অনুভব করুন, তাদর জন্য নামাজ পড়ে দোয়া করুন। তাদেরকে বয়কট করে , সমাজ থেকে বের করে দিলে কি কোন ফায়দা আছে? তারা আমাদের মতোই মুসলমান। অবশ্য আপনি যদি বিদাত মুক্ত হয়ে থাকেন
তাই আপনাকে ওপেন চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি মিলাদের পক্ষে আমাদের কিছু যুক্তি দেখাতে। আগামী শুক্রবার বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিন পাশে আপনার শুভাগম কামনা করছি।এরপর শনিবার থেকে আমরা আপনাকে সামাজিকভাবে বয়কট করব ।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩৩
পাগল হয়ে যাবো বলেছেন: অন্তরে কি মহর পড়ছে নাকি। কুরআন শরীফ হাদীছ শরীফ-এর দলীল দিলাম তাও আপনার হলো না। আচ্ছা দাড়িয়ে ক্বিয়াম করা যাবে না এর কোনো দলীল আপনার কাছে আছে কি? থাকলে দিন তো একটা। তাহলে আমি মানবো মিলাদ পড়া যাবে না।
সাহস থাকলে মীলাদের বিপক্ষে একটা দলীল দিবেন।
১৩|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫৮
তারেক বলেছেন: ১০ নং কমেন্ট এর উত্তর সর্ম্পকে লেখককে বলছি, আরে বলদ তুই যে কোরআন ও হাদিস এর উল্লেখ করেছিস সেখানে কোথায় মিলাদের কথা বলা আছে? সেখানে তো দরুদ আর সালামের কথা বলা হয়েছে। না জেনে আজাইরা প্যাচাল করতে আইছস। বলদ কোথাকার!!
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২৪
পাগল হয়ে যাবো বলেছেন: আরে বলদ নামাজ যে পরিস কুরআন শরীফের কোথায় তোর বাপ-দাদা চৌদ্দ গোষ্টী নামাজ পাইছে? পাইছে তো ছলাত।
বলদের বাচ্ছা বলদ! তোর বাপ-দাদাদের জিজ্ঞাসা কর গিয়ে কোথায় রোযা পাইছে, পাইছে তো সাওম।
বলদের বাচ্ছা।
এখন একটা অশ্লিল সিনেমা, গানের কথা, নায়ক নায়িকাদের কথা, কোনো খেলোয়ারের কথা বললে প্লাস পাইতাম। যখনই ইসলামের কথা বললাম মাথায় মাল উইঠ্যা গোলো।
ওই সত্যি কইরা কতো তুই কি মুসলমান।
১৪|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২৭
ব্লুম্যাজিক বলেছেন: তারেক ভাইয়ের উত্তরে ঝাঁঝাঁ। আর লেখক ভাই কে বলব দয়া কুরে রাজারবাগি/ দেওানবাগি দেখানো বিদআত/শিরক থেকে নিজেকে মুক্ত করে সঠিক পথে চলে আসবেন। ধন্যবাদ।
১৫|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩২
নির্ভীকবেস্ট বলেছেন: যারা বিরধি তারা দলিল পেশ করুন।
যখন মুজিব, যিয়ার আলোচনা হয় কিম্বা মালাউন রবির আলোচনা হয় তখন প্রতিবাদ করেন্না কেন ?
১৬|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৪
নির্ভীকবেস্ট বলেছেন: @্তারেক , তোর নাম ,তোর বাপের নাম কোরান শরিফের কোথাও আছে ? তুই যেখানে পড়শ তার কথা লিখা আছে ? নেট ব্যবহার করস কোরানের কোথাও লিখা আচে ? গান সুনশ, চবি দেখস, খেলাধুলার করশ তার কথা লিখা আচে ? হারাম করতে তদের দলিল লাগেনা আর নেক কাঝে বাধা দিশ ।আরে বেকুব আল্লাহ পাক আদেশ করছেন পাঠ করার মত পাঠ কর ।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩৫
পাগল হয়ে যাবো বলেছেন: ধন্যবাদ
১৭|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৩
অসাদুল ইসলাম বলেছেন: rajarbagi vai balo asen
১৮|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১৬
ম্যানিলা নিশি বলেছেন: [56] আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।......সুরা আল আহযাব
উপরের আয়াতের উপর ভিত্তি করে হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) যদি উনার সাহাবাদের মিলাদ পড়ানোর কোন নির্দেশ প্রদান না করে থাকেন তবে আমরা কেন ঐ আয়াতের উপর ভিত্তি করে মিলাদ পড়াতে যাই,আমরা কি নবীর ( সঃ ) চাইতে বেশী বুঝি?
ঐ আয়াতে যদি মিলাদ পড়ানোর কোন নির্দেশ দেয়া থাকত,যেভাবে আমরা মিলাদ পড়ি,তবে তো হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) এর জীবিত থাকা অবস্থাতেই উনার সাহাবিগণ ঐভাবে মিলাদ পড়াতেন,এখানে না বোঝার কি আছে।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩৪
পাগল হয়ে যাবো বলেছেন: আচ্ছা মীলাদ শরীফ পড়লে আপনাদের অসুবিধা কি? এখানে কি কোনো খারাপ কাজ হয় নাকি?
১৯|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৫৮
ম্যানিলা নিশি বলেছেন: কোন আয়াতের ব্যাখ্যা হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) এর চাইতে আমরাই বেশী বুঝি এমনটা ভাবা নিশ্চয়ই খারাপ,
আচ্ছা মীলাদ শরীফ পড়লে আপনাদের অসুবিধা কি? এখানে কি কোনো খারাপ কাজ হয় নাকি?
এমন তো না যে সুরা আল আহযাব এর 56 নং আয়াত নাযিল হওয়ার সময় নবী ( সঃ ) জীবিত ছিলেন না,তিনি জীবিত ছিলেন কিন্তু ঐ আয়াতের ব্যাখ্যায় মিলাদ পড়তে বলেন নাই,এখন আমরা যদি মিলাদ পড়ি ঐ আয়াতের উপর ভিত্তি করে তবে সেটা অবশ্যই খারাপ,
আর মিলাদে খারাপ কাজ হয় কিনা?
মিলাদ ধর্মের জন্য ভাল বা প্রয়োজনীয় মনে হলে নবী ( সঃ ) ঐ আয়াতের উপর ভিত্তি করে নিশ্চয়ই মিলাদ পড়তে বলতেন,
যে বিষয়ে নবী ( সঃ ) সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সেই বিষয়ে আমাদের মাথা খাটানোর কোন জায়গা নাই।
২০|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৪৫
নির্ভীকবেস্ট বলেছেন: @ম্যানিলা নিশি , নবিজির শানে তো সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুমগন জতদিন পৃথিবিতে চিলেন ততদিন তো দরুদ শরিফ , কিয়াম শরিফ কইরা গেচেন । অনন্তকাল করতেই থাকবেন। মিলাদ শরিফ হল তা করার জন্য উম্মতের একটা মাধ্যম।
২১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:২৭
ম্যানিলা নিশি বলেছেন:
নির্ভীকবেস্ট @
মিলাদ পড়ানোর বর্তমান ধারা হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) এর সময় হইতে আসে নাই,এটি ভারতীয় উপমহাদেশ হইতে ছড়াইয়া পড়িয়াছে যেমন ছড়াইয়া পড়িয়াছে তুরাগ কেন্দ্রিক তাবলিগ ইজতেমা-যার উৎপত্তিস্থল হইল ভারত,যেখানকার যাকারিয়া ও ইলিয়াস নামক চাচা-ভাতিজা মওলানা দ্বয় এটি শুরু করেন,ইদানিং আবার জাকির নায়ক নামক একজন নাকি কিসব বলিয়া বেড়াইতেছেন
মূর্তি পূজক সমৃদ্ধ এই দেশটি আমাদের সুন্দর ধর্মকে ছাড়খার করিয়া দিল আর বেকুব গুলি ইয়াবার মতন দিন দিন মিলাদের নেশায় ঝিমাইয়া পরিতেছে,আফসোস.......
২২|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:২২
রাজবন্দীর জবানবন্দী বলেছেন: 'মিলাদ পূজারী'দের উদ্দেশ্যে,
১.কোরআনে নামাজ নেই, সালাত আছে, কিন্ত 'তাওয়াতুর' বা ধারাবাহিক সূত্রে নামাজের এই পদ্ধতি আমরা পেয়েছি ।
'দুরুদ ও সালামে'র যে ব্যখ্যা আপনারা দিয়েছেন, সেটা যদি সাহাবীগণ করেই থাকেন (!) , তাহলে যুগ পরম্পরায় 'এ'র সূত্র বর্ণনা করুন।
২৩|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩৬
তারেক বলেছেন: অবশেষে ব্লগার ব্লুম্যাজিক ,ম্যানিলা নিশি কে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনারা সত্য ও সঠিক জিনিসটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন।এটাকে একটা ইমানী দায়ীত্ব হিসাবে নিন।
২৪|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪৪
ম্যানিলা নিশি বলেছেন:
মিলাদ,পীর বাবা,খাজা বাবা,ওরস শরীফ এইসব হইল ভারত আর পাকিস্তানের প্রোডাক্ট,
ধন্যবাদ তারেক
২৫|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৭
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আল্লাহ পাক সূরা আহযাব-এ আরো ইরশাদ করেন-
إِنَّ اللّٰهَ وَمَلائِكَتَهٗ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِىِّ يٰاَيُّهَا الَّذِينَ اٰمَنُوْا صَلُّوْا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيْمًا
অর্থ: “নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক এবং উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালামগণ হযরত নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি ছলাত তথা দুরূদ শরীফ পাঠ করেন। হে মু’মিনগণ! তোমরাও হযরত নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি ছলাত তথা দুরূদ শরীফ পাঠ করো এবং সালাম প্রেরণ করো প্রেরণ করার মত।” (সূরা আহযাব : আয়াত ৫৬)
@লেখক এবং যারা উত্তেজিত হয়ে গালাগাল করছেন। সবাই শান্ত হোন। উপলদ্ধির চেষ্টা করেন। বিশ্লেষন করেন। তখন সব সহজ হয়ে যাবে।
মোটামুটি সকলের প্রশ্নে একটা কমন পাওয়া গেছে- মিলাদ আর দরুদের সাথে মিল কোথায়? বা দুটো ভিন্ন জিনিষ, এক নয়।
ভাল করে ভাবুন। দরুদ কি? দরুদ হল নবী সা: এর শান, প্রশংসা, স্মরন। ভাল করে যে কোন দরুদের অর্থ মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করুন- কি বলা হয়? উনার শান ও মান নিয়ে, তিনার পূর্ব ওভং উত্তর পুরুষে,তিনার কর্ম, জ্ঞান এবং দয়া, মহত্ব নিয়ে তিনার অবস্থিতি নিয়ে প্রশংসা করা, দয়া কামনা করা, উসিলা সন্ধান করা।
দরুদ শরীফ যে অনুষ্ঠানিকতায় পাঠ করা হয় তাকেই মিলাদ নামে অভিহিত করা হয়।
কেন এটাকে অনুষ্ঠান করে পালন করতে হবে?
কারণ আল্লাহর আদেশ। আয়াতটিতে লক্ষ করুন- আল্লাহ একা নন, ফেরেশতাদের নিয়ে দরুদ ও সালাম প্রেরণ করছেন নবীর শানে।
আবার ২য় আদেশটিও লক্ষ করুন- হে মুমিন গণ তোমরাও উত্তম (মু' তাসলিমা) মাহফিল, সম্মানজনক উপস্থাপনা, তাসলিম বা আদব এবং ইজ্জতের সহিত - পাঠ করার মতো পাঠ করো বা প্রেরণ করার মতো প্রেরণ কর।
তাগিদটি লক্ষ করুন- আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের উত্তম মাহফিল এর পরে মুমিনদেরকেও তাসলিমের সহিত দরুদ পাঠাতে বলেছেন।
এখন মুমিনরা সেই তা'সলিমে সম্মিলিত যে সমবেত হচ্ছে তা আল্লাহর আদেশেরই পালন। এবং কি করতে সম্মিলিত হচ্ছে?
দরুদ ও সালাম পাঠ করতে।
সেই আয়োজনকে আপনি কি নামে ডাকেন সেটা ভিন্ন। কাজটা কিন্তু কোরআনের আদেশ বৈ নয়।
এখন আপনি কিছু লোকের সমাবেশকে মিটিং বলতে পারেন, একটু ষ্টাইল বদল হলে আলোচনা সভা বলেন, আবার গোলাকার টেবিলে বসলে গোল টেবিল বলেন, আর একটু বেশী হলে সমাবেশ বলেন, তারচে বেশি হলে মহা সমাবেশ বলেন- তাতে কাজ কিন্তু হেরফের হয় না। বা তা অবৈধ হয় না।
এক্ষনে এই বিরোধীতাটা কেন?
দরুদ শরীফে রাসুল সা: এর শান বর্ণনা করা হয়। যদি একটু পিছনে ফিরে জান- ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়া কিন্তু এই শাণের খিলাফই ছিলেন। শুধূ ছিলেন না- তা ধ্বংস করতে ইমাম হোসাইন রা: কে শহীদ করেছে।
সেই ধারা কালপরিক্রমায় সত্য আর মিথ্যয় দুই ভাগ হয়ে গেছে। যদিও ইয়াজিদের সৈন্যবাহিনীর সকলেই দাড়ি, হিজাব, জুব্বা পরা ছিল তারা কিন্তু মুসলমান ছিল না। যার স্বাক্ষ্য ইমাম হোসাইন রা: এর শেষ আহবানে- তিনি ইয়াজিদ বাহিনীর উদ্দেশ্যে বলেছিলেন- তোমাদের মধ্যে কি একজন মুসলমানও নেই?
এই আহবানে প্রকৃত মুসলিমরা ইয়াজিদের দল ছেড়ে ইমাম হোসাইনের দলে যোগদিয়েছিল। বাকীরা ঠায় দাড়িয়েছিল ।
সেই সত্য মিথ্যার ধারায় আজও ইয়াজিদী বিশেষত সউদ পরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় অঢেল রিয়াল আর দানের লোভে কতিপয় টুপি, দাড়ি ওয়ালারা নবীজিকেও সাধারন স্তরের মানুষ বর্ণনার অপচেষ্টা সহ, তাঁর শান, দরুদ, এবং এ জাতীয় সকল আয়োজনের বিরোধীতা করে আসছে।
এখণ। আপনি ধীর মস্তিস্কে, সুস্থ ভাবে আয়াতটি অনুভব করুন। আর প্রচলিত ঠুনকো যুক্তি আর তর্ককে একপাশে রেখে অনুভব করুন-
আল্লাহর আদেশে দরুদ পাঠরত একদল রাসূল প্রেমিক -তাদের আয়োজনকে মিলাদ বলুন, সমাবেশ বলুন আর মাহফিল বলুন- তারা করছেটা কি? রবের আদেশ পালন করছে।
এখন সমস্যটা কোথায়? দাড়ানো আর বসা নিয়ে! কিয়াম করা নিয়ে!
একবার নিজে ভাবুনতো আপনি জাপানিদের কত প্রশংসাই না করেন তারা বিনয়ী বলে। তাদের বো করা আপনাকে কত আপ্লুত করে।
আর আমি যদি একজনকে সম্মান করে (উপস্থিত বা উপস্থিত নয় ভেবেই) তবে সমস্যটা কোথায়?
এতো বিনয়েরই প্রকাশমাত্র। নয়?
তো ঘটনা কি দাড়াল দরুদ ও সালাম পাঠের একটা আয়োজন যাকে আমরা মিলাদ বলি তা কি করে বিদআত হল?
অনেকে বরছেন সাহাবী রা: এমন করেন নি!
আপনি কোন স্বাক্ষ্যের উপর এত জোর দিয়ে বলছেন?
সিহাহ সিত্তার কয় পাতা কার পরা আছে?
আর যেখানে কোরআনের সরাসরি আদেশ তা সাহাবা করছে কি করেনি সেই ক্লজেও আবদ্ধ নয়- সেই স্থানে কি করে আমি সাহাবাদের নিমিত্ত করে তা অস্বীকার করি?
উত্তেজিত না হয়ে ভাবুন। তারপর বলুন।
২৬|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৯
ম্যানিলা নিশি বলেছেন:
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
অনেকে বরছেন সাহাবী রা: এমন করেন নি!
আপনি কোন স্বাক্ষ্যের উপর এত জোর দিয়ে বলছেন?
========================================
আমরা জানি হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) নামাজ পড়েছেন,উনার সাহাবারা নামাজ পড়েছেন,শুধু তাইনা নামাজ পড়ার পদ্ধতিতে চার মাযহাবে খানিকটা পার্থক্যও দেখা যায়-এসবই নামাজের স্বপক্ষে সাক্ষ্য বহন করে,
কিন্তু মিলাদ প্রসঙ্গে চার মাযহাব কি কোন নির্দেশনা দেয়?
কোন সাহাবা বসে আর কোন সাহাবা দাড়িয়ে মিলাদ পড়েছেন?
মিলাদ বসে নাকি দাঁড়িয়ে পড়তে হবে,এব্যাপারে কোন মাযহাব কি বলে?
মিলাদ শেষে মিষ্টি বিতরণের কোন আবশ্যকতা আছে কিনা?
কোন প্রকার মিষ্টি বিতরণে কত সওয়াব হাসিল হবে?
এসব বিষয়ে হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) বা উনার সাহাবাদের কাছথেকে আমরা কোন নির্দেশনা পাই না,এর একটিই কারণ সেটি হল হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) বা উনার সাহাবারা মিলাদ পড়েন নাই।
২৭|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪০
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: @ম্যানিলা নিশি বলেছেন.
>>কোন সাহাবা বসে আর কোন সাহাবা দাড়িয়ে মিলাদ পড়েছেন?
=কথায় কথায় সাহাবাদের সাথে তুলনা করা বোকামী নয় কি? তিনাদের জীবন পুরোটাই উৎসর্গিত ছিল আল্লাহ ও তার রাসূলের নামে।
তিনাদের নিজস্ব বলে কোন কিছূই ছিল না। আল্লাহ রাসূলের প্রেমে তাঁদের প্রতি মূহর্তই ছিল সালাত আর সালামে ভরপুর।
আর আমরাতো পাচঁ ওয়াক্তে কয় মিনিট লাগে তাই হিসাব করি!!!
তাই সাহাবায়ে আকরাম সাঃ গণের পুরা জীবনই ছিল সালাত, তাদের ঘুম, কর্ম, বিশ্রাম, ধ্যান, জ্ঞান সবই ছিল একাগ্রতায় নিমগ্ন। অন্য কিছূ সেখানে স্থানই পায় নি।
আর আমরা অন্য সবকিছুর পর সালাতের সময় খুজি আর সালাম তারা দিয়েছে কি দেয়নি, দাড়িয়ে না বসে দিয়েছে তাই নিয়ে তর্ক করে সময় হেলায় হারাই!!!! তাই এই প্রশ্ন বাতুলতা মাত্র।
>>মিলাদ বসে নাকি দাঁড়িয়ে পড়তে হবে,এব্যাপারে কোন মাযহাব কি বলে?
= আপনার কমন সেন্স কি বলে? সম্মানীতকে দেখেও বসে থাকা না ভদ্রতায়, বিনয়ে আর ভক্তি প্রেমে দাড়ানো!!
>>মিলাদ শেষে মিষ্টি বিতরণের কোন আবশ্যকতা আছে কিনা?
কোন প্রকার মিষ্টি বিতরণে কত সওয়াব হাসিল হবে?
=হাস্যকর হাকিকতে এসে পৌছালেন অবশেষে।
আপনার আলোচনা সভায়, মিটিংয়ে, আড্ডায়, অনুষ্ঠানে যখন অনেকে সমবেত হোন তখন কি সবাইকে খালি মুখে ফিরিয়ে দেন?
কিংবা কোন নিমন্ত্রনে, আয়োজনে খালি মুখে বিদায় দিয়েছেন কখনো??
মিষ্টতার কমন যে ইফেক্ট, ভালবাসা, আপ্যায়নের যে মধুরতা তা বুঝতেও কি ধর্মকেই লাগবে? সাধারন জ্ঞান কি লোপ পেয়েছ?
আর রইল বাকী সওয়াবের কথা! ঐ হরফে হরফে নেকি, বুঝে না বুঝে শুধু পড়লেই নেকি! মিষ্টিতে নেকি, ইমাম সাবরে দাওয়াত দিলে নেকি- ঐ রকম আনুপাতিক হারে ধরে নিয়েন ![]()
২৮|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:০০
ম্যানিলা নিশি বলেছেন:
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
আপনার কমন সেন্স কি বলে? সম্মানীতকে দেখেও বসে থাকা না ভদ্রতায়, বিনয়ে আর ভক্তি প্রেমে দাড়ানো!!
========================================
মিলাদ পড়ার সময় হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) হাজির আছেন মনে করে উনার সন্মানে দাঁড়িয়ে যাওয়া যদি আপনার কাছে এতটাই যৌক্তিক মনে হয় তাহলে হজ্বের সময় মক্কায় হাজির হওয়া বিভিন্ন দেশের মুসলিমদের জন্য মদিনায় নবীর ( সঃ ) রওজা জিয়ারত করা কি হজ্বের একটি অবশ্য পালনীয় কাজ হয়ে যেত না?
কিন্তু মদিনায় নবীর ( সঃ ) এর রওজা জিয়ারত করা হজ্বের কোন অংশই না,
তাহলে যারা হজ্ব পালন করতে যাচ্ছেন তারা কি নবীকে অসম্মান করার জন্যই মক্কায় যাচ্চ্ছেন?
কারণ মদিনায় নবীর ( সঃ ) রওজা জিয়ারত করা যদি হজ্বের অংশ মনে করেন তবে তো আপনার হজ্ব ই হবেনা।
আপনার উত্তরের ধরন দেখে অন্য প্রসঙ্গে কিছু বললাম না।
২৯|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:১৩
তারেক বলেছেন: @বিদ্রোহী ভৃগু আপনার ৩০ নং কনেন্টটা চমৎকার। আপনি খুব ঠান্ডা মাথায় ব্যাপারটা সবাইকে বুঝাতে চেয়েছেন। আমার ২টি প্রশ্ন:
১। কিছু লোক এটা মনে করে যখন মিলাদ পড়া হয় তখন হুজুর(স
সেখানে উপস্থিত থাকে।এজন্যই তারা মিলাদের মাঝখানে দাড়ায়। এখন যদি একই সময় ২০জায়গায় বা ৪০ টি স্থানে একই সময় মিলাদ হয় তবে হুজুর(স
কয় জায়গায় যাবেন?
২। যারা মিলাদ পড়ে না তারা গুনাহগার , অনেকেই এরকম মনে করেন। হুজুর (স
এর প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করার মিলাদই কি একমাত্র মাধ্যম? দরুদ পড়ার একমাত্র পদ্ধতি কি মিলাদ?
দরুদ পাঠে আল্লাহর হুকুম আছে, আপনি যে আযাত খানা উল্লেখ করেছেন তা থেকেই বুঝা যায়। কিন্তু এই দরুদ কি বর্তমানে প্রচলিত মিলাদের মতো পড়তে হবে? এটা কোথায় পাইছেন?
কোরআনে আল্লাহর যে হুকুম গুলো আছে তা কিভাবে পালন করতে হবে হুজুর(স
এবং সাহাবার তা করে দেখায়ে দিছেন। নামাজ আল্লাহর হুকুম। কিন্তু কিভাবে নামাজ পড়তে হবে তা কিন্তু কোরআনে কিন্তু উল্লেখ নাই। তাহলে আমরা যে নামাজ পড়ি তা কোথা থেকে পেলাম? হুজুর(স
ও ছাহাবাদের থেকে। উনারা যেভাবে নামাজ পড়েছেন আমাদেরও সেভাবে নামাজ পড়তে হবে। উনারা আল্লাহর হুকুম গুলো কিভাবে পালন করতে হবে তা দেখায়ে দিছেন। সেভাবেই কিয়ামত পর্যন্ত সমস্ত উম্মাতকে পালন করতে হবে। এটাই সঠিক নিয়ম।
এভাবে আর যত আল্লাহর হুকুম আছে সবগুলোই হুজুর (স
ও ছাহাবারা যেভাবে পালন করেছেন সেভাবেই করতে হবে। আল্লাহ দরুদ পাঠের কথা বলেছেন , আর তা কিভাবে পাঠ করতে হবে তা ছাহাবারা যেভাবে করেছেন সেভাবে করতে হবে। এখন বর্তমানে প্রচলিত মিলাদ কি ছাহাবার পালন করেছেন? দরুদ পাঠের জন্য ছাহাবারা কি মিলাদ করেছেন?
দেখেন ভাই , আল্লাহর হুকুমগুলো কিন্তু হুজুর(স
ও ছাহাবারা যেভাবে করেছেন সেভাবেই পালন করতে হবে। সেটা নামাজ হোক বা হজ্জ হোক বা রোজা হোক সব কিছুই। আল্লাহ শুধু হুকুম দিয়ে গেছেন। কিন্তু কিভাবে পালন করতে হবে হুজুর(স
। আর ছাহাবারা তা পুংখানুপুংখভাবে পালন করে দেখিয়েছেন। উনাদের অনুসরন ছাড়া আমাদের কোন আমলই সহী হবে না।
নামাজ আল্লাহর হুকুম। এখন এটা আপনি পালন কিভাবে করবেন? আপনিই বলুন। নিজের ইচ্ছা মতো করলে কি হবে। দরুদ পাঠের ব্যাপারেও তাই , নিজের ইচ্ছা মতো আল্লাহর এই হুকুম পালন করলে হবে না। ছাহাবারা দরুদ পাঠ করেছেন , এসর্ম্পকে অনেক হাদীসে বর্ণনা আছে। আল্লাহর হুকুমকে কিভাবে পালন করতে হবে সমস্ত উম্মতকে তারা তা করে দেখিয়েছেন। আমাদেরও সেভাবে করতে হবে। এখন ছাহাবারা কি মিলাদ আকারে দরুদ পাঠ করেছে? যদি না করে থাকে এটা কেন পালন করব। দরুদ পাঠ কিভাবে করব সেটা ওনারা দেখায়ে দিয়েছেন , আমাদেরও সেভাবেই করতে হবে। নিজেদের মন মতো ,ইচ্ছা মতো করলে হবে না। কারন ইসলামে নিজের মন মতো ইচ্ছা মতো কিছু করার অবকাশ নাই।
আপনি বলেছেন "কথায় কথায় সাহাবাদের সাথে তুলনা করা বোকামী নয় কি? "
আপনার এ কথাটা ঠিক না। আপনার লেখা দেখে মনে হচ্ছে আপনি ইসলাম ছাহাবাদের চেয়েও বেশী বুঝেন। ছাহাবাদের অনুসরন ছাড়া প্রকৃত ইসলাম পালন করা অসম্ভব। কারন তারাই আল্লাহর হুকুম গুলো কিভাবে পালন করতে হবে তা দেখিয়ে দিয়েছেন। চার মাযহাব কোথা থেকে এসেছে? ছাহাবারা হচ্ছে আকাশের তারকার মতো। ফেৎনা-ফাসাদের যামানায় একমাত্র তাদের অনুসরন দ্বারাই সঠিক পথে থাকা যাবে। তারা এমন লোক যাদের উপর আল্লাই এই দুনিয়াতে থাকতেই রাজী -খুশী হয়েছেন। তারা আল্লাহর হুকুমকে এমন ভাবে পালন করেছেন যে দুনিয়তে থাকতেই আল্লাহ তাদের উপর রাজী হয়ে গেছেন। সুতরাং অনুসরন করাটা বোকামী না বরং তাদের অনুসরন করাটাই সঠিক। সত্য ও সঠিক পথে থাকতে হলে তাদের অনুসরন করা ছাড়া কোন উপায় নাই।
৩০|
৩০ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:৫৫
জা বলেছেন: আপনাদের নলেজের কাছে নিজের নলেজ খুব ই সামান্য মনে হয়। আমি বেশী কিছু বুঝি না। তবে সবাইকে একটি কথা বলতে চাই। নিজের মতামতের উপর প্রতিষ্ঠিত না থেকে আল্লাহ্র কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি আসেন। নিশ্চয় আল্লাহ আমাদের কে পথ দেখাবেন।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমাদের ই মত একজন মানুয । তিনি ছিলেন আখেরী নবী এবং সর্বকালের বেস্ট বান্দা।
সুরা ফুসিলাত আয়াত- ৬
"বলুন, আমিও তোমাদের মতই মানুষ, আমার প্রতি ওহী আসে যে, তোমাদের মাবুদ একমাত্র মাবুদ, অতএব তাঁর দিকেই সোজা হয়ে থাক এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। আর মুশরিকদের জন্যে রয়েছে দুর্ভোগ, "
আসুন আমরা বাড়াবাড়ি না করি। আল্লাহ্র কাছে প্রারথনা করি তিনি যেন আমাদের হকের উপর কায়েম রাখেন। রাসুলুল্লাহ (সা
আল্লাহর কাছে এই দোয়া করতেন।
"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে এমন জ্ঞান থেকে আশ্রয় চাই যা কোনো উপকারে আসেনা।"
আমার স্বল্প নলেজে আমার কাছে মনে হচ্ছে যদি সাহাবীরা না করে থাকেন আমাদের ও মিলাদ মাহফিল না করা টাই উত্তম হবে। আল্লাহ আমাদের সবাই কে সিরাতুল মুস্তাকীম দান করুন। আমীন।
৩১|
৩০ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:৫৭
জা বলেছেন: এ কি। আমি লিখলাম রাসুলুল্লাহ (সা) আর তা হয়ে গেল.।.। কি?![]()
হুম বুজতে পেরেছি আমি ঃ এবং ) একসাথে লিখায় সম্ববত এমনটি হয়েছে।
৩২|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৩
পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: আমিও বাহাছের ডাক দিছিলাম
কিন্তু বিপক্ষ আল্লাহু আকবর কইয়া
পলাইল কিনা খুজ নাই ।
একমত ট্যাকলে স্মরণ লইয়েন
নবীজীর দিদার নছিব করাই দিমু
ইনশাল্লাহ , ভাল থাকা চাই
৩৩|
১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ১১:১৫
নড়াইলের ছেলে বলেছেন: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানাতেই মীলাদ শরীফ ছিলঃ
বর্তমানে প্রচলিত মীলাদ শরীফ কারো মনগড়া তৈরিকৃত কোন পদ্ধতি বা নিয়ম নয়। বরং এ নিয়ম স্বয়ং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানাতেই জারি ছিল এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনারা তা পালন করেছেন। অতঃপর সেখান থেকে পর্যায়ক্রমে এ নিয়ম পালিত হয়ে আসছে।
এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আবু দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আবু আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি উনার সন্তানাদি এবং আত্মীয়-স্বজন, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী, পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে নিয়ে আখিরী রসূল হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উনার ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছেন এবং বলছেন, এই দিবস; এই দিবস (অর্থাৎ এই দিবসে রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যমীনে তাশরীফ এনেছেন এবং ইত্যাদি ইত্যাদি ঘটেছে)। এতদশ্রবণে আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা উনার রহমতের দরজা আপনার জন্য উম্মুক্ত করেছেন এবং সমস্ত ফেরেশতাগণ আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছেন এবং যে কেউ আপনার মত এরূপ কাজ করবে, সেও আপনার মত নাযাত (ফযীলত) লাভ করবে।” সুবহানাল্লাহ! (আত তানবীর ফী মাওলিদিল বাশীর ওয়ান নাযীর- শায়খ হাফিয আবিল খত্তাব ইবনে দাহিয়্যা, মাওলূদুল কাবীর- লি-ইমাম হাফিয ইবনে হাযর মক্কী, দুররুল মুনাযযাম- লিল আল্লামা আবিল ক্বাসিম মুহম্মদ বিন উছমান, সুবুলুল হুদা ফী মাওলিদিল মুস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- ইমাম জালালুদ্দনি সুয়ূতী, ইশবাউল কালামি ফী ইছবাতিল মাওলিদি ওয়াল ক্বিয়ামি- মাওলানা সালামতুল্লাহ ছিদ্দীক্বী কানপুরী, হাক্বীক্বতে মুহম্মদী মীলাদে আহমদী- বেশারতুল্লাহ মাদানীপুরী)
এ সম্পর্কে হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি একদা উনার নিজগৃহে সমবেত ছাহাবীগণকে আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উনার ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছিলেন। এতে শ্রবণকারীগণ আনন্দ ও খুশি প্রকাশ করছিলেন এবং আল্লাহ পাক উনার প্রশংসা তথা তাসবীহ-তাহলীল পাঠ করছিলেন এবং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর (ছলাত-সালাম) দরূদ শরীফ পাঠ করছিলেন। এমন সময় রসূল-এ পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথায় উপস্থিত হলেন এবং (মীলাদ শরীফ পাঠের অনুষ্ঠান দেখে) বললেন: “আপনাদের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব।” সুবহানাল্লাহ! (আত তানবীর ফী মাওলিদিল বাশীর ওয়ান নাযীর- শায়খ হাফিয আবিল খত্তাব ইবনে দাহিয়্যা, মাওলূদুল কাবীর- লি-ইমাম হাফিয ইবনে হাযর মক্কী, দুররুল মুনাযযাম- লিল আল্লামা আবিল ক্বাসিম মুহম্মদ বিন উছমান, সুবুলুল হুদা ফী মাওলিদিল মুস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- ইমাম জালালুদ্দনি সুয়ূতী, ইশবাউল কালামি ফী ইছবাতিল মাওলিদি ওয়াল ক্বিয়ামি- মাওলানা সালামতুল্লাহ ছিদ্দীক্বী কানপুরী, হাক্বীক্বতে মুহম্মদী মীলাদে আহমদী- বেশারতুল্লাহ মাদানীপুরী)
খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম মীলাদ শরীফ পাঠ করার ব্যাপারে উৎসাহিত করেছেনঃ
মীলাদ শরীফ পাঠের জন্য খুলাফায়ে রাশিদীন উনার প্রথম চার খলীফাই উনাদের খিলাফতকালে বিশেষ উৎসাহ ও গুরুত্ব প্রদান করেছেন। যেহেতু আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানাতেই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ মীলাদ শরীফ উনার মাহফিল করেছেন এবং সে মাহফিলে স্বয়ং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপস্থিত হয়ে মীলাদ শরীফ পাঠকারীগণকে রহমত, মাগফিরাত, নাযাত ও শাফায়াত লাভের সুসংবাদ দান করেছেন। শুধু তাই নয়, ক্বিয়ামত পর্যন্ত যারা মীলাদ শরীফ পাঠ করবে তাদের জন্যও একই সুসংবাদ দান করেছেন। সেহেতু আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছাল শরীফ উনার পর খুলাফায়ে রাশিদীন উনার প্রথম চার খলীফাই উনাদের খিলাফতকালে মীলাদ শরীফ পাঠের জন্য বিশেষ উৎসাহ ও গুরুত্ব প্রদান করেন।
এ প্রসঙ্গে বিশ্বখ্যাত ইমাম মুহাদ্দিছ, মুফাসসির হযরতুল আল্লামা আহমদ শিহাবুদ্দীন হাইতামী (হাইছামী) শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লিখিত বিশ্ব সমাদৃত, সর্বজন স্বীকৃত ও সুপ্রসিদ্ধ মীলাদ শরীফ উনার কিতাব “আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম”-এ বর্ণিত রয়েছে,
হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহি সালাম বলেন, “যে ব্যক্তি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদ শরীফ পাঠ উপলক্ষে এক দিরহাম ব্যয় করবে, সে জান্নাতে আমার বন্ধু হয়ে থাকবে।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
হযরত উমর ফারূক আলাইহি সালাম বলেন, “যে ব্যক্তি নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদ শরীফকে বিশেষ মর্যাদা দিল, সে মূলত ইসলামকেই পুনরুজ্জীবিত করলো।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
হযরত উছমান আলাইহি সালাম বলেন, “যে ব্যক্তি নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদ শরীফ পাঠ উপলক্ষে এক দিরহাম খরচ করল, সে যেন বদর ও হুনাইন যুদ্ধে শরীক থাকলো।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহি সালাম বলেন, “যে ব্যক্তি নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদ শরীফ পাঠের কারণে বিশেষ মর্যাদা প্রদান করলো, সে ব্যক্তি অবশ্যই ঈমান নিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিবে এবং বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
অতএব যারা বলে যে, হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমাস সালাম উনাদের যামানায় মীলাদ শরীফ–এর কোনরূপ অস্তিত্ব ছিল না, তাদের সে কথা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা এবং এটা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের প্রতি মিথ্যারোপের কারণে কাট্টা কুফরী।
হযরত তাবিয়ীন রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণও মীলাদ শরীফ পাঠ করার ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছেনঃ
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের পরবর্তী তাবিয়ীনগণের যুগে এবং তৎপরবর্তী প্রত্যেক যুগেই অনুসরণীয় ইমাম-মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরামগণ মীলাদ শরীফ পাঠের ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছেন।
এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট তাবিয়ী হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি: যিনি শতাধিক ছাহাবায়ে কিরাম উনার সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন। যিনি ইসলামের চতুর্থ খলীফা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহি সালাম উনার খলীফা ও ছাত্র ছিলেন। তিনি বলেন . “আমার একান্ত ইচ্ছা হয় যে, আমার যদি উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ থাকতো তাহলে আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদ শরীফ পাঠ উপলক্ষে ব্যয় করতাম।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
মাযহাবের ইমামগণও মীলাদ শরীফ পাঠ করার ব্যাপারে উৎসাহ ও গুরুত্ব প্রদান করেছেনঃ
অনুরূপভাবে মাযহাবের ইমামগণও আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদ শরীফ পাঠের ব্যাপারে গুরুত্ব প্রদান করেছেন। যেমন বর্ণিত আছে, শাফিয়ী মাযহাবের ইমাম হযরত ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদ শরীফ উপলক্ষে লোকজন একত্রিত করলো এবং খাদ্য তৈরি করলো ও জায়গা নির্দিষ্ট করলো এবং উত্তমভাবে (তথা সুন্নাহভিত্তিক) আমল করলো তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে আল্লাহ পাক হাশরের দিন ছিদ্দীক্ব, শহীদ, ছালিহীনগণের সাথে উঠাবেন এবং তাঁর ঠিকানা হবে জান্নাতুল নায়ীমে।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
তরীক্বতের ইমামগণও মীলাদ শরীফ পাঠ করার ব্যাপারে উৎসাহিত করেছেনঃ
আল্লাহ পাক উনার বিশিষ্ট ওলী হযরত ইমাম মারূফ কারখী রহমতুল্লাহি আলাইহি মীলাদ শরীফ পাঠের ফযীলত বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন, “ যিনি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদ শরীফ উপলক্ষে খাদ্য প্রস্তুত করবেন এবং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদ শরীফ উনার সম্মানার্থে মুসলমান ভাইদের একত্রিত করবেন, (আলো দানের উদ্দেশ্যে) প্রদীপ বা বাতি জ্বালাবেন, নতুন পোশাক পরিধান করবেন, (সুগন্ধির উদ্দেশ্যে) ধূপ জ্বালাবেন এবং আতর-গোলাপ মাখবেন, ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ পাক তাঁর হাশর-নশর করবেন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণের প্রথম দলের সাথে এবং তিনি সুউচ্চ ইল্লীনে অবস্থান করবেন।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী হযরত সাররী সাক্বতী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “যে ব্যক্তি মীলাদ শরীফ পাঠ বা মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করার জন্য স্থান নির্দিষ্ট করল, সে যেন তাঁর জন্য জান্নাতে রওযা বা বাগান নির্দিষ্ট করলো। কেননা সে তা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত উনার জন্যেই করেছে।” (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
আর আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন- “যে ব্যক্তি আমাকে ভালবাসবে সে আমার সাথেই জান্নাতে থাকবে।” (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ, আন নি’মাতুল কুবরা)
সাইয়্যিদুত ত্বয়িফা হযরত জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “যে ব্যক্তি মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আয়োজনে উপস্থিত হল এবং উপযুক্ত সম্মান প্রদর্শন করলো। সে তাঁর ঈমানের দ্বারা সাফল্য লাভ করবে অর্থাৎ সে বেহেশতী হবে।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
অনুসরণীয় ইমাম, মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরামগণও মীলাদ শরীফ পাঠ করার ব্যাপারে উৎসাহিত করেছেনঃ
বিশ্বখ্যাত আলিমে দ্বীন হযরত ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “যে ব্যক্তি মীলাদ শরীফ পাঠ করে বা মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করে, লবণ, গম বা অন্য কোন খাদ্যদ্রব্যের উপর ফুঁক দেয়, তাহলে এই খাদ্যদ্রব্যে অবশ্যই বরকত প্রকাশ পাবে। এভাবে যে কোন কিছুর উপরই পাঠ করুক না কেন।” (তাতে বরকত হবেই)। সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
হযরত ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি আরো বলেন, “উক্ত মুবারক খাদ্য মীলাদ শরীফ পাঠকারীর বা মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপনকারীর জন্য আল্লাহ পাক উনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, এমনকি তাঁকে ক্ষমা না করা পর্যন্ত সে ক্ষান্ত হয়না।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
হযরত ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি আরো বলেন, “যদি মীলাদ শরীফ পাঠ করে বা মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করে কোন পানিতে ফুঁক দেয়, অতঃপর উক্ত পানি কেউ পান করে তাহলে তাঁর অন্তরে এক হাজার নূর ও রহমত প্রবেশ করবে। আর তাঁর থেকে হাজারটি বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ রোগ দূর হবে যে দিন সমস্ত ক্বলব (মানুষ) মৃত্যুবরণ করবে সেদিনও ঐ মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পানি পানকারী ব্যক্তির অন্তর মৃত্যুবরণ করবেনা।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
হযরত ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি আরো বলেন, “যে ব্যক্তি মীলাদ শরীফ পাঠ করে বা মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করে রৌপ্যের অথবা স্বর্ণের দেরহামসমূহের উপর ফুঁক দেয় অতঃপর তা অন্য জাতীয় মুদ্রার সাথে মিশায় তাহলে তাতে অবশ্যই বরকত হবে এবং এর পাঠক কখনই ফকীর হবে না। আর উক্ত পাঠকের হাত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার (মীলাদ শরীফ পাঠের) বরকতে কখনো খালি হবে না।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
মুসলমানদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে বেশি কিতাব লিখেছেন, যিনি হিজরী দশম শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ও ইমাম, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘ওসায়িল ফী শরহি শামায়িল’ নামক কিতাবে বলেন, “যে কোন ঘরে অথবা মসজিদে অথবা মহল্লায় মীলাদ শরীফ পাঠ করা হয় সেখানে অবশ্যই আল্লাহ পাক উনার ফেরেশতাগণ বেষ্টন করে নেন। আর তাঁরা সে স্থানের অধিবাসীগণের উপর ছলাত-সালাম পাঠ করতে থাকেন এবং আল্লাহ পাক তাঁদেরকে স্বীয় রহমত ও সন্তুষ্টির আওতাভুক্ত করে নেন। আর নূর দ্বারা সজ্জিত প্রধান চার ফেরেশতা অর্থাৎ হযরত জিবরাঈল, মীকাইল, ইসরাফিল ও আজরাইল আলাইহিমুস সালাম মীলাদ শরীফ পাঠকারীর উপর ছলাত-সালাম পাঠ করেন।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি আরো বলেন, “যখন কোন মুসলমান নিজ বাড়িতে মীলাদ শরীফ পাঠ করে তখন সেই বাড়ির অধিবাসীগণের উপর থেকে আল্লাহ পাক অবশ্যই খাদ্যাভাব, মহামারি, অগ্নিকা-, ডুবে মরা, বালা-মুছিবত, হিংসা-বিদ্বেষ, কু-দৃষ্টি, চুরি ইত্যাদি উঠিয়ে নেন। যখন উক্ত ব্যক্তি মারা যান তখন আল্লাহ পাক তাঁর জন্য মুনকার-নকীরের সুওয়াল-জাওয়াব সহজ করে দেন। আর তাঁর অবস্থান হয় আল্লাহ পাক উনার সন্নিধানে সিদকের মাক্বামে।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম)
এই উপমহাদেশে যিনি হাদীছ শাস্ত্রের প্রচার-প্রসার করেছেন, ইমামুল মুফাসসিরীন ওয়াল মুহাদ্দিছীন ওয়াল ফুক্বাহা হযরত শায়খ আব্দুল হক মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ দিবসকে তা’যীম করবে এবং সে উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করবে সে চির শান্তিময় জান্নাতের অধিকারী হবে।”
উপরোক্ত দলীলভিত্তিক আলোচনা দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার জন্য যেরূপ স্বয়ং আল্লাহ পাক বলেছেন, আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, খুলাফায়ে রাশিদীন, ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম-উনারাও পালন করেছেন ও পালন করতে বলেছেন তেমনি অনুসরণীয় ইমাম, মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণও মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন এবং পালন করার জন্য উম্মাহকে উৎসাহ প্রদান করেছেন।
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৯
শার্ক বলেছেন: i see y block the good comments. why u afraid.