নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি \'স্মৃতিকাতরতা \' নামক ভীষণ এক রোগগ্রস্ত, সেই সাথে বিষাদগ্রস্থ মানুষ। আমার চিকিৎসার প্রয়োজন।

স্বপ্নবাজ সৌরভ

উপসাগরীয় যুদ্ধ টিভিতে দেখে, খেয়েছে মানুষ রাতের খাবার রোজ - গনহত্যার ছবিগুলো মনে রেখে, এসেছে শান্তি ঘুমের ওভার ডোজ।

স্বপ্নবাজ সৌরভ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাশিয়ান শৈশব : বাবা যখন ছোটো - ১

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২২


বাবা যখন ছোটো : আদরের মেয়ের জন্যে লেখা বাবার বই।
লেখক : আলেক্সান্দর রাস্কিন
অনুবাদ : ননী ভৌমিক

রঙিন বল

বাবা যখন ছোটোটি , থাকতো পাভলভ-পসাদ নামে এক ছোট্ট শহরে , তখন ভারি সুন্দর, মস্ত একটা বল সে উপহার পেয়েছিলো। ঠিক যেন সূর্যের মতো বলতে। বলতে কি , সূর্যের চেয়েও সুন্দর। কেননা সূর্যের দিকে চোখ না কুচঁকে তো তাকানো যায় না , আর এ বলটাকে চেয়ে দেখতে হলে চোখ কোঁচকাবারও দরকার হতো না। কাঁটায় কাঁটায় ঠিক চারগুণো সুন্দর সূর্যের চেয়ে – কেননা চার রঙে জ্বলজ্বল করত সেটা। আর সূর্যের তো কেবল একটা রং , তাও সেটা দেখা মুশকিল। একটা দিক লেডিকেনির মতো গোলাপী , আরেকটা দিক সবচেয়ে মিঠে চকলেটের মত খয়েরি , ওপরটা আকাশের মতো নীল , আর তল টা ঘাসের মতো সবুজ।
এমন বল সে শহরে কেউ কখনো দেখে নি। কিনে আনতে হয়েছিল একেবারে খোদ মস্কো থেকে। আর মস্কোতেও এমন বল কম বলেই আমার ধারণা। দেখতে আসত শুধু ছোটোরা নয় , বড়রাও।
‘একটা বলের মতো বল!’ বলতো সবাই।
সত্যি খাসা বল। বাবার বাড়ি গর্ব ছিল তাই নিয়ে। এমন ভাব করে যেন নিজেই সে বলত ভেবে ভেবে বানিয়েছে , চার রঙে রাঙিয়েছে খেলবার জন্যে বলটা নিয়ে গরব ক'রে বেরলেই ছুটে আসত সব ছেলেরা। বলত :
‘বাঃ , কি সুন্দর বল ! আয় না খেলি !’
বাবা কিন্তু বল আঁকড়ে ধরে বোলত:
‘দেবো না ! আমার বল ! এমন বল কারো নেই ! মস্কো থেকে কিনে এনেছে জানিস ! সরে যা! আমার বল কেউ ছুঁবি না বলে দিচ্ছি !’
ছেলেরা বলতো :
‘ইশ, কি হিংসুটে দ্যাখ ভাই !’
তা শুনেও বাবা কিন্তু বলটি আর দিত না। খেলতো একা একা। তবে একা একা কি খেলা জমে। আর হিংসুটে বাবা কিন্তু ইচ্ছে করেই বলতে খেলত ঠিক ছেলেগুলোর কাছাকাছি , যাতে হিংসে হয় ওদের।

ছেলেরা তখন বোলত :
‘ভারি কিপটে ছেলেটা। ওর সঙ্গে আমাদের বাড়ি !’
দু’দিন আড়ি চলল। তিন দিনের দিন ছেলেরা বললে :
‘বলটা তোর মন্দ নয় , তা ঠিক। বেশ বড়ো, খাসা রং করা , কিন্তু এতো চাল দেখাচ্চিস কিসের ? মোটর গাড়ি চাপা পড়লে যে কোনো বাজে বলের মতোই ফেটে যাবে। ’
‘কখখোন ফাটবে না !’ গর্ব করে বলে বাবা, অহংকারে ততদিনে তার মাটিতে আর পা পড়ে না , শুধু বল ই নয় , নিজেও যেন সে চার রঙে রাঙা।
‘ ফট করে ফেটে যাবে রে , ফেটে যাবে !’ হেসে ইঠল ছেলেরা।
‘না ফাটবে না !’
ছেলেরা বললে , ‘ ওই তো মোটর আসছে। কী , ছুড়ে ফ্যাল দেখি ? নাকি ভড়কে গেলি ?’

ছোট্ট বাবা বল ছুড়ে দিলে গাড়ির নিচে। এক মিনিট আড়ষ্ট হয়ে রইল সবাই। সামনের দুই চাকার তল দিয়ে গলে পেছনের ডান চাকার ধাক্কা খেলে বলটা। খানিক কেমন পিছলে গিয়ে বলটা ফেলে এগিয়ে গেল গাড়িটা। কিছুই হল না বলটার।

‘ ফাটে নি , দেখলি তো , ফাটে নি !’ চিৎকার করে বাবা ছুটে গেল বলটার দিকে। কিন্তু ঠিক সেই সময়েই এমন জোরে শব্দ হল যেন কামানের তোপ পড়লো। বল ফাটার আওয়াজ আর কি। বাবা গিয়ে দেখলে পড়ে আছে ধূলোমাখা রবারের এক ন্যাতা , একেবারে সুন্দর নয় দেখতে। কেঁদে বাড়ি ছুটল বাবা। ছেলেরা একেবারে আকাশ ফাটিয়ে হাসতে লাগল।

‘ ফেটেছে ! ফেটেছে ! যেমন কিপটে, ঠিক হয়েছে তোর !’
বাবা বাড়িতে গিয়ে যখন বললে সে নিজেই অমন সুন্দর বলটা মোটরের তলে ছুঁড়ে দিয়েছিল , তখন প্রথম চড় খেলে ঠাকুমার কাছে। সন্ধ্যায় ঠাকুর্দা কাজ থেকে ফেরার পর আরো একদফা। ঠাকুর্দা বললেন :
‘ বলটার জন্যে মারছি না , মারছি তোর বোকামির জন্য ! ‘
অমন সুন্দর বল, গাড়ির তলে ফেলল কি বলে – এই ভেবে এর পরেও অনেক দিন সবাই অবাক হয়ে যেত।
একেবারে নেহাত আহাম্মুক না হলে কি আর কেউ এমন করে।
সবাই জ্বালাত বাবাকে , জিজ্ঞেস করতো :
‘কি রে , তোর সেই নতুন বলটি কোথায় ?’

হাসাহাসি করে নি কেবল জেঠু। গোড়া থেকে সব ঘটনাটা সে বাবার কাছ থেকে খুঁটিয়ে শুনলে। তারপর বললে ;
‘ না , বোকা তু্ই নোস্!’
শুনে ভারি আনন্দ হচ্ছিল বাবার।
‘ কিন্তু ভারি হিংসুটে তুই , অহংকারী , ‘ বললে জেঠু , ‘ তোর পক্ষে তার ফলতা কখনো ভালো হবে না। নিজের বল নিয়ে যে একা একা খেলতে চাইবে , তার সব ই যাবে। সেটা যেমন ছোটোদের বেলায় . তেমনি বড়োদের বেলাতেও। তোর স্বভাব না বদলালে সারা জীবন ই তোর এই হবে। ’
তখন ভারী ভয় পেয়ে গেল বাবা , ডাক ছেড়ে কাঁদলে , বললে হিংসুটেপনা করবে না সে , জাঁক করবে না। অনেকক্ষন ধরে কাদঁলে বাবা, তাই বাবার কথায় বিশ্বাস করে নতুন বল কিনে দিলে জেঠু। সে বল অবিশ্যি তত সুন্দর নয় , তবে পাড়ার সব ছেলেই সে বল নিয়ে খেলতে খেলা জমত চমৎকার , বাবাকে কেউ আর হিংসুটে ব'লে খোঁচাতো না।


পোষ মানানো

বাবা যখন ছোট , তখন একবার সে যায় সার্কাস দেখতে। অদ্ভুত অদ্ভুত সব কটি কান্ডকারখানা। তবে সবচেয়ে তার ভালো লাগল বুনো জন্তুর খেলোয়াড়কে। যেমন সুন্দর তার সাজ পোশাক তেমনি সুন্দর তার নাম , বাঘ সিংহ সবাই তার ভয়ে থরহরি। সঙ্গে পিস্তল ছিল তার , হাতে চাবুক , কিন্তু সেগুলো সে প্রায় চালাচ্ছিল না। রঙ্গমঞ্চ থেকে সে ঘোষণা করলে :
‘ জানোয়ারে যে ভয় পায় , সেটা আমার চোখকে ! আমার চাউনি – এই হল আমার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ! বুনো জানোয়ার মানুষের চাউনি সইতে পারে না !’

সত্যি ই , সিংহের দিকে শুধু একবার চাইছে মাত্র , সিংহ ও অমনি টুলে বসছে , লাফিয়ে যাচ্ছে পিপের ওপর , এমন কি মড়ার মতো শুয়ে পড়ছে , চাউনি ওর সইতে পারছে না।
অর্কেষ্ট্রায় ঝংকার উঠলো , লোকে হাততালি দিলে , সবাই চেয়ে রইল খেলোয়াড়ের দিকে :
লোকটা বুকে হাত রেখে চারিদিকে মাথা নুইয়ে অভিবাদন করলে। একেবারে জমজমাট ব্যাপার ! বাবারও ইচ্ছে হল সে বুনো জন্তু পোষ মানাবে।
ঠিক করলে প্রথমে এমন কোন জন্তুকে চোখ দিয়ে বশ করা যাক , যে ও হিংস্র নয়। বাবা তো তখন ছোট , বাঘ সিংহের মতো বড়ো বড়ো জানোয়ার কে এঁটে ওঠা যে তার সাধ্যের বাইরে সেটা বাবা জানতো। শুরু করা ভালো কুকুর দিয়ে , তাও খুব বড় কুকুর হলে চলবে না। কেননা বড়ো কুকুর মানে তো প্রায় ছোট্ট এক সিংহই। তাই ছোট্ট এক কুকুর হলেই সুবিধা

শিগগির ই তেমন একটা সুযোগ মিলল.
ছোট্ট শহর পাভোলভ – পসাদ , ছোট্ট একটা পার্ক ও ছিল সেখানে। এখন সেখানে অবিশ্যি মস্ত এক সংস্কৃতি ও বিরাম উদ্যান , কিন্তু ঘটনা যে অনেক দিন আগের। আর ছোট্ট বাবাকে সঙ্গে নিয়ে এই পার্কে একদিন বেড়াতে গেলেন ঠাকুমা। বাবা খেলছে , ঠাকুমা বই পড়ছেন , একটু দূরে সাজসজ্জা ক’রে ব’সে আছেন এক মহিলা , সঙ্গে কুকুর। উনিও বই পড়ছিলেন। কুকুরটা ছোট্ট , সাদা রং , বড়ো বড়ো কালো চোখ , বড়ো বড়ো সেই চোখ দিয়ে যেন ছোট্ট বাবার কাছে মিনতি করছিলো কুকুর টা, ‘ ভারি বশ মানার সখ আমার ! এই ছেলে, বশ মানাও না আমায়। লোকের চাউনি আমি একেবারে সইতে পারি না !’



ছোট্ট বাবাও অমনি গোটা পার্কটা পাড়ি দিলে কুকুরকে বশ করতে। ঠাকুমা বই পড়ছিলেন , কুকুরের গিন্নিও বই পড়ছেন , কেউ সেদিকে নজর করে নি। বেঞ্চের তলে শুয়ে ছিল কুকুরটা , বড়ো বড়ো কালো চোখে হেঁয়ালি নিয়ে চেয়ে ছিল ছোট্ট বাবার দিকে।
ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছিলো বাবা ( তখন তো বাবা খুব ই ছোট্ট ) , ভাবছিলো , ‘ নাঃ , আমার চাউনিতে দেখছি কুকুরটার কিছু হচ্ছে না ...সিংহ দিয়ে শুরু করলেই কি তাহলে ভালো হতো ? কুকুরটা দেখছি বেশ মানাবে না ঠিক করেছে। '

ভারি গরম পড়েছিলো সেদিন , বাবার পরনে হাফপ্যান্ট , পায়ে স্যান্ডেল। এগিয়ে আসছে বাবা , আর চুপ ক'রে শুয়েই আছে কুকুরটা। কিন্তু একেবারে কাছে আসতেই হঠাৎ লাফিয়ে উঠে কুকুরটা কামড়ে দিলে বাবার পেটে। ভয়ানক হৈচৈ বেধে গেল চারিদিকে। বাবা চিৎকার করছে , ঠাকুমা চিৎকার করছেন , কুকুর গিন্নিও চিৎকার জুড়েছেন। আর সেই সঙ্গে প্রচন্ড ঘেউ ঘেউ শুরু করেছে কুকুর ।
বাবা চেঁচাচ্ছে :

‘উহুরে , কুকুরে কামড়েছে আমায়!’
ঠাকুমা চেঁচাচ্ছেন :
‘ওই মাগো , কুকুরে কামড়েছে ওকে !’
আর কুকুরের গিন্নি চ্যাঁচাচ্ছেন :
‘ও কুকুর যে একেবারেই কামড়ায় না ! কুকুরকে জ্বালাতন করছিলো ছেলেটা !’
আর কুকুরটা যে কি করছিল সে তো বুঝতেই পারছো।
যত রাজ্যের লোকজন ছুটে এসে চ্যাঁচাতে লাগল :
‘কি জঘন্য ব্যাপার ! কি জঘন্য ব্যাপার !'
এই সময় পাহারাওয়ালা এসে হাজির হল , জিজ্ঞেস করলে :
‘ কি রে খোকা , কুকুরটাকে খোঁচাচ্ছিলি ?’
‘ না তো,’ বাবা বললে , ‘ আমি ওকে বেশ করছিলাম !’


সবাই হেসে উঠল . পাহারাওয়ালা বললে :
‘ কিন্তু বশ করছিলি কি দিয়ে ?’
বাবা বললে :
‘ একদৃষ্টে ওর দিকে তাকিয়ে এগিয়ে আসছিলাম। দেখছি মানুষের চাউনি ও সইতে পারে না। '
ফের হেসে উঠলো সবাই .
মহিলাটি বললেন :
‘দেখলেন তো , ছেলেটার নিজের ই দোষ। কে ওকে বলেছিল আমার কুকুর কে বশ করতে ?'
আর আপনাকে ,’ ঠাকুমার দিকে ফিরে বললেন , ‘ জরিমানা করা দরকার আপনাকে , ছেলেমেয়েদের সামলে রাখতে পারেন না !’
ঠাকুমা এমনিতেই অবাক হয়ে গেলেন যে কিছুই বললেন না , একেবারে থ’মেরে গেলেন।
পাহারাওয়ালা তখন বললেন:

‘দেখছেন তো , নোটিশ ঝুলছে : কুকুর আনা নিষেধ ! যদি নোটিশে থাকতো : ছেলেমেদের আনা নিষেধ ! তাহলে ছেলের মাকেই জরিমানা করতাম।অতএব এবার আপনাকেই জরিমানা দিতে হবে। সরে পড়ুন কুকুরটি নিয়ে। ছেলেরা খেলছে , কুকুর কামড়াচ্ছে। খেলা করা এখানে চলবে , কিন্তু কামড়ানো চলবে না ! তবে খেলতেও হয় বুদ্ধি ক'রে । কেন তুই কুকুরটার দিকে এগুচ্ছিলো সেটা তো আর কুকুরটা জানে না। বলা তো যায় না , তুই হয়ত কামরাতেই আসছিস , কুকুরটা তো আর সেটা জানে না , বুঝেছিস ?’
বাবা বললে :

‘ বুঝেছি। ' জানোয়ার বশ করার কোনো সাধ ই আর তখন তার ছিল না। আর পাছে কিছু আবার একটা হয় এই ভেবেই বাবাকে যে সব ইনজেকশন দেয়া হয়েছিল তার পরে তো বাবার একেবারেই ও পেশায় ঘেন্না ধরে গিয়েছিল।
আর মানুষের দৃষ্টি সইতে পারে না পারা নিয়ে বাবার তখন একেবারেই অন্য মত। পরে একটা ছেলের সঙ্গে দেখা হয়েছিল বাবার। দুজনের মতের কোনো গরমিল দেখা যায় নি। মস্ত এক বদরাগী কুকুরের চোখের পাতার লোম চেরার চেষ্টা করেছিল সে। কুকুরটা যে ছেলেটার পেটে কামড় দেয় নি , তাতে কিছু এসে যায় না , কেননা সঙ্গে সঙ্গেই সে তার দুই গালেই দাঁত বসায়। ছেলেটার মুখের দিকে চাইলে সেটা দিব্যি বোঝা যায়। তাহলেও ইনজেকশন কিন্তু তার পেটেই দেয়া হয়েছিল।
------------------------------------------------------------------------------------------------------

আটাশটা গল্প নিয়ে ' বাবা যখন ছোটো ' বইটা। ধীরে ধীরে পোস্ট করার ইচ্ছা আছে।

মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪০

কিরমানী লিটন বলেছেন: প্রথম প্লাস - দুপুর টাইম, চা নয় - ভাত দেন....++++(

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: প্রিয় ভাই , ব্লগ ডে তে একসাথে ভাত খাবো। কথা দিলাম।
মন্তব্য আর ভালো লাগায় ভালোবাসা জানবেন।

২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




স্বপ্নবাজ সৌরভ ভাই,
আপনি কি রাশান কালচারের ষ্টুডেন্ট ছিলেন? গল্প বরাবর সুন্দর থেকে সুন্দর জমা করছেন। সবচেয়ে ভালো কাজ করেছেন - যা, তা হচ্ছে লেখক ও অনুবাদকের নাম উল্লেখ করেছেন যা অনেকে ভুলেও সে দিকে পা মাড়াতে চান না। নিজের বলে চালিয়ে দিতে চান।

শুভ কামনা রইলো।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

প্রিয় শ্রদ্ধেয় ,
আপনাকে একটা অনুরোধ করবো ভেবেছি কয়েকদিন আগে।আমার কেন জানি মনে হয় আপনার বয়স ষাটের উপরে । কেন মনে হয় জানি না। এটা একটা ধারণা বলতে পারেন। আমার আরো একটা ধারণা ছিল যে আপনি দেশের বাইরে থাকেন। আমার নামের সাথে ভাই শুনতে খুব লজ্জা লাগে। :)

আপনি কি রাশান কালচারের ষ্টুডেন্ট ছিলাম না। তবে ছোটবেলা থেকে ঢাকায় স্থায়ী হলে এই সুযোগ ছাড়তাম না। আসলে আমাদের অনেক রাশিয়ান বই ছিল, আমার আব্বা কিনে দিতেন। । বেশ কিছু এখনো আছে। শৈশব চলেছে আমার রাশিয়ান বইয়ের উপর দিয়ে। স্মৃতি আর শৈশব মিলে আমার একটা জগৎ এই রাশিয়ান সাহিত্য কে ঘিরেই। ভালো থাকবেন। শ্রদ্ধা রইলো।

৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




কিরমানী লিটন ভাইকে আপনার জন্য গরম গরম ধোঁয়া উঠা ডাবল প্লেট ভাত আর শীতের সবজি নিরামিষ, সাথে দুইটা কাঁচা মরিচ। চলবে কি?

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

আমার ই তো লোভ লাগছে !! শীতের সবজি খুব পছন্দ। আমাদের বাড়ির আঙিনায় আব্বা শীতের সবজি লাগাতেন। গাজর , ফুল কপি , পালং শাক , মুলা, শালগম। পেঁয়াজ , মরিচ , বেগুন তো থাকতোই। আব্বা স্কুল থেকে এসে আমাকে সাথে নিয়ে গাছে পানি দিতেন। শুক্রবারে ভুয়া পরিষ্কার করতাম আর অল্প অল্প করে সবজি তোলা হত। সেই সবজি আমরা খেতাম আর প্রতিবেশী দের দেয়া হতো। :)
শীত আসলেই সেই অনুভূতি সাড়া দেয়।

৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৬

শায়মা বলেছেন: আমারও খুব খুব প্রিয় ছিলো রাশিয়ান গল্পগুলো!

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ভীষণ প্রিয়। +++
মন্তব্যে ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আহা কোল্ড ওয়ারের ভয়াল দিনগুলোতে বীরশ্রেষ্ঠের সাহস নিয়ে পড়া আমাদের ছোট বেলার গল্প ! অনেক স্বপ্নদিনের সৌরভের কথা মনে করিয়ে দিলেন স্বপ্নবাজ !গোল রুটির গল্পটা বলবেনতো কখনো । আর ব্যাঙরাজকুমারীর গল্পটাও ।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩০

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: গোল রুটি , ব্যাঙ রাজকুমারী সব আসবে ধীরে ধীরে।টাইপ করতে সময় লাগে , কষ্টও হয়।ভালো থাকবেন আপনি। শুভকামনা।
মন্তব্যে অজস্র ভালোবাসা পেলাম।

৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: কুকুর নিয়ে তো ভয়াবহ অবস্থা!

মনে পড়ে গেলো ছোটবেলায় একবার কুকুর দৌড়ানি দিয়েছিল। উফ একটুর জন্য বেঁচে গেছি। অবশ্য পেন্টের পেছনের পকেট টা কুকুর কামড়ে ছিড়ে ফেলেছিল। আমি দৌড়ে বেশ ভালো। তাই কুকুর কামরটা বসাতে পারে নি।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আমার পোষা কুকুর তা একবার পিঠে আঁচড় দিয়েছিলো। আমি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত কুকুর টা ভাত খায় নি। খাবার সামনে নিয়ে বসে থাকতো।

৭| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




স্বপ্নবাজ সৌরভ ভাই,
একজনকে তার প্রাপ্য সম্মান দিয়ে কেউ কখনো ছোট হয়না। আপনাকে ভাই বলি এটি আপনার প্রাপ্য সম্মান। আপনার ধারণা সঠিক। সরকারী চাকুরী থেকে অবসরের পর আমি একটি বিদেশী এনজিওতে ছিলাম বেশ কয়েক বছর তার পর ব্যাবসা শুরু করি। আমি সামান্য নগণ্য মানুষ তারপরও জীবনে বড় বড় মানুষ দেখার সুযোগ হয়েছে সর্বক্ষেত্রে যাদের অবদান বড়। তেমনি অনেককে চিনি যাদের মান্থলি অনারিয়ান সেলারি বাংলাদেশী টাকায় পঁচাত্তর লক্ষ থেকে এক কোটি বা তারো উপর। তাঁদের কাউকে আজ পর্যন্ত দেখিনি কাউকে তুমি করে বলতে! সম্মানের অপর নাম ভালোবাসা।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: সম্মানের অপর নাম ভালোবাসা। +++

৮| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৪

কিরমানী লিটন বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




কিরমানী লিটন ভাইকে আপনার জন্য গরম গরম ধোঁয়া উঠা ডাবল প্লেট ভাত আর শীতের সবজি নিরামিষ, সাথে দুইটা কাঁচা মরিচ। চলবে কি?

আহা! সেই ছেলেবেলার শীতের সকালে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন। নতুন পেঁয়াজ পাতা বাদ পড়েছে- দামের তেলেসমাতির কারনেই হয়তো পেঁয়াজমুখো হন নি? যদি কোনদিন দেখা হয়- আপনাকে মনে করিয়ে দেবো।


লেখক বলেছেন: প্রিয় ভাই , ব্লগ ডে তে একসাথে ভাত খাবো। কথা দিলাম।
মন্তব্য আর ভালো লাগায় ভালোবাসা জানবেন।

- ভাই ব্লগডেতেতো বিরানি টিরানি - ভাতের কথা বলে রুচি নষ্ট করার পাঁয়তারা নাতো ভাই !! =p~ :-P

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ওই ভাত ই ধরেন বিরিয়ানি !!

৯| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৬

জাহিদ হাসান বলেছেন: গল্পগুলো মজার।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। ভালো থাকবেন।

১০| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




কিরমানী লিটন ভাই,
পেঁয়াজের নাম নিতেও ভয় করে। পেঁয়াজ নিয়ে একটি পোষ্ট দিবো ভাবছি কিন্তু সময়ে ও সুযোগ করতে পারছি না। আপাতত পেঁয়াজ বিহীন খাওয়া অভ্যাস করুন। নয়তো দেশে শনি আছে মনে হচ্ছে!

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: পেঁয়াজের জন্য গোটা মসুরের ডালের খিচুড়ি খেতে পারছি না।


সাথে পেঁয়াজ আর শুকনা মরিচ ভর্তা

১১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

হাবিব বলেছেন: সবাই দেখি খা্ওন চাইছে। ইয়ে, আমার জন্য কি কিছু আছে?

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আপনার খাবার গ্রুপে পোস্ট দিয়েছি কিন্তু ।

১২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

জুন বলেছেন: রুশ উপকথাগুলো বাদ দিয়ে অন্যান্য রুশ গল্প উপন্যাস গুলো বুঝতে অল্প বয়সে এক্টু কষ্ট হতো। কিন্ত বোঝার বয়সের পর যখন পড়েছি তখন মনে হয়েছে কত সমৃদ্ধ, কত গভীরতা রয়েছে তাদের লেখালেখিতে। যাই হোক কিশোরী বয়সে মা এর কাছ থেকে পাওয়া ভেরা পানোভার "পিতা পুত্র" বইটি যতবার পড়তাম ততবারই আমার চোখে পানি আনতো সেরিওজার কষ্টে।
আপনি লিখতে থাকুন সাথে আছি।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: পিতা ও পুত্র অসাধারণ । কাশতানকা পরেও কেঁদেছি।
শিশু সাহিত্য গুলো শৈশব শিশু সাহিত্য ভেবেই পড়েছি কিন্তু বড় হবার সাথে সাথে মনে হতে লাগলো এটা আসলেই শুধু মাত্র শিশু সাহিত্য ?
ধন্যবাদ জুন আপু।

১৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বইটি আমার কাছে আছে, চমৎকার বই।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: সত্যিই চমৎকার । ধন্যবাদ লিটন ভাই ।

১৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন হবে সিরিজটি :)

++++

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০১

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: এই সিরিজ টা নিয়ে ধীরে ধীরে এগুবো। সপ্তাহে বড়জোর একটা। কারণ আমার নিজের লেখা আর অন্যান্য রাশিয়ান শৈশব তো ঘাড়ে উঠে আছে।
ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন।

১৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২৫

সুনীল সমুদ্র বলেছেন: আপনার 'রাশিয়ান শৈশব'-এর লেখাগুলো বারবার আমাকে নস্টালজিক স্মৃতিতে আক্রান্ত করে তোলে। বইগুলোতে ছড়িয়ে আছে ছোটবেলার অনেক অনেক স্মৃতি ..।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ওই 'নস্টালজিক স্মৃতিতে আক্রান্ত' হয়েই তো 'রাশিয়ান শৈশব' এর প্রকাশ ! ধন্যবাদ প্রিয় ব্লগার। আসুন স্মৃতিকাতরতা নামক ভীষণ এক রোগে রোগগ্রস্ত হই। ধন্যবাদ আপনাকে। শুভকামনা।

১৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৭

নুরহোসেন নুর বলেছেন: আপনার শৈশবের রাশিয়ান গল্পের সংকলন মানেই,
আমার পছন্দের খোরাক!
আন্তরিক ভালবাসা নিবেন, আরেকটি চমৎকার লেখা উপহার দেওয়ার জন্য।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: রাশিয়ান শৈশব আপনাকে আকৃষ্ট করেছে জেনে খুব ভালো লাগছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। এগিয়ে যাওয়ার রসদ কুড়াই অবিরত। ভালো থাকবেন।

১৭| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: কুকুর এক অদ্ভুত প্রানী।
কুকুর তার মালিকের প্রতি সীমাহীন ভালোবাসা রাখে।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: হুমম , আমার পোষা কুকুর নিয়ে অনেক গল্প আছে। ফিরে আসায় ধন্যবাদ জানবেন। ভালো থাকবেন।

১৮| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২১

মিরোরডডল বলেছেন: জুন আপুর মতন আমারও সেই শৈশবে রুশ গল্প পড়া হয়েছে ।
পিতা পুত্র উপন্যাসটা অনেকি পসন্দের ছিল ।
সবচেয়ে ভালো লাগতো অনেক নাইস ফটো থাকতো সেই বইগুলোতে ।
Well writing. Keep it up.

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: রাশিয়ান গল্প আর ছবি দুটোই অসাধারণ !!
রাশিয়ান শৈশবে স্বাগতম। ভালো থাকবেন। মন্তব্যে ভালো লাগা।

১৯| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৩

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: দারুণ! চলতে থাকুক। এগুলোর বই কি এখন পাওয়াই যায় না?

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: এখন আর পাওয়া যায়না। আমি পুরোনো বইয়ের দোকানে খোঁজ করি। নীলক্ষেতে প্রতি খোঁজ করি পাই না। একটা মজার ব্যাপার কি জানেন , এই বইয়ের প্রতিটা গল্প মনে হয় আমি লিখেছি মানে আমি ই হচ্ছি বাবা। বাবা যখন ছোট ! খুব ইচ্ছা আছে এমন একটা বই আমি লিখবো......

মন্তব্যে ধন্যবাদ আর প্রেরণা। ভালো থাকবেন।

২০| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৫

শামছুল ইসলাম বলেছেন: অধীর আগ্রহ নিয়ে বাবা যখন ছোটো - এর জন্য অপেক্ষায় থাকব। বুঝতে পারছি, বাবা হলেও এখনো আমি ছোটোই রয়ে গেছি।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: এইটাই প্রকৃত উপলব্ধি ! ছোটোই আছি বলেই রাশিয়ান শৈশব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করি।

ভালো থাকবেন আপনি। অনেক ধন্যবাদ।

২১| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৪

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ছোটবেলায় পড়া প্রিয় একটা বই। একসময় বহু রাশিয়ান বই পড়েছি। রাশিয়ান বইগুলো আসলেই অতুলনীয় !

পোস্টটা দারুণ হয়েছে :)

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: বাবা যখন ছোটো শুরু করার সময় আপনার কথা মনে হয়ে ছিল। :)

অনেক ধন্যবাদ নিন। আচ্ছা আপনি কি দেশে ?

২২| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৩

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: হুমম.... দেশে।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: দেখা হচ্ছে তো ২০.১২.১৯ তে ?

২৩| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: না এবারো হবে না। বড্ড ব্যস্ত !

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: :(

২৪| ১২ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৭:১২

ইমরান আশফাক বলেছেন: ধারাবাহিকভাবে পোষ্ট করতে থাকুন। গতকালই আমার ছোট্ট মেয়েটাকে এই বইয়ের গল্পটা শুনাচ্ছিলাম ঘুমানোর সময়। ছোটবেলায় আমার প্রিয় বইগুলির একটি ছিল এটি। অজস্র ধন্যবাদ আপনাকে।

১২ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:১৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আমার অন্যান্য পোস্টের পাশাপাশি 'আমার সোভিয়েত শৈশব ' পোস্ট করে যাবো। বাবা যখন ছোট - এর দুইটা পোস্ট আছে। ধীরে ধীরে পোস্ট করবো। তাছাড়া অন্যান্য রাশিয়ান গল্প / ছড়া আছে ওই গুলো দেখতে পারেন।
মন্তব্যে অনেক প্রেরণা পেলাম। ভালো থাকবেন। ছোট্টমেয়েটার জন্য ভালোবাসা রইলো।
ছোট্ট একটা উপহার ওর জন্য ---
ঝলমলে সোভিয়েত শৈশব: বিপদ তারণ পাঁচন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.