নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্বপ্নের খোঁজে দেখি তোমায় /বাঁধি সীমাহীন ভালোবাসায়/দাও কিছু সুখের বৃষ্টি / ভিজি আমি /উড়াই দিগন্তের নীলিমায় তোমার নামে / স্বপ্নের এক বিশাল ঘুড়ি।

স্প্যানকড

আমি হারিয়ে ফেলি নিজেকে ফিরে ফিরে পাই এক চিলতে হাসিতে।

স্প্যানকড › বিস্তারিত পোস্টঃ

অন্ধকারের আলোকবর্তিকা

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬




একটা দেশ যখন শিক্ষিত চাপাবাজ, ক্ষমতার দরবারে নতজানু বুদ্ধিজীবী এবং মুখোশধারী ডাকাতদের হাতে পড়ে, তখন সেই দেশ আর মানচিত্রে থাকা একটি ভূখণ্ড থাকে না, হয়ে যায় আলীবাবার চল্লিশ চোরের লীলাভূমি। আবার যখন শিক্ষিত সমাজই চাটার দলের পোষ্য হয়ে ওঠে, তখন রাষ্ট্রের সবই ধ্বংসের দিকে গড়ায়।

এখন আসল কথায় আসি। দেশের কবি সাহিত্যিকদের বলা হয় আলোকবর্তিকা, যারা অন্ধকারে পথ দেখান। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তারা কি সত্যিই আলো বহন করে, নাকি ক্ষমতার অন্ধকারে নিজেদের ছায়া বড় করে?

ধরুন, আনিসুল হকের কথা। নিঃসন্দেহে তিনি শব্দের কারিগর, কিন্তু সেই কারিগরি যেন অনেক সময় ক্ষমতার দরবারে সাজানো প্রদর্শনী হয়ে ওঠে। যখন তিনি লিখলেন, মেঘের উপর মেঘ, তার উপর বত্রিশ নম্বর বাড়ি।

এই কবিতাটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই বোঝা গেল, হামাস-ইসরাইলের মিসাইল ভুল নিশানায় আঘাত করতে পারে, কিন্তু আনিস সাহেবের পদক পাওয়া মিস হবে না। পদক যেন তার জন্য অপেক্ষায় ছিলো, যেন রাষ্ট্রের পুরস্কার নীতির গোপন দরজায় তার নাম খোদাই করা আছে। হয়েছেও তাই।

দেশে মদখোর, জুয়াখোর, নারীখোর যেমন আছে, তেমনি আছে পদকখোর। এই শ্রেণী দিনকে দিন ফুলে ফেঁপে উঠছে। প্রশ্ন হলো, বত্রিশ ভাঙার আগে বা পরে তিনি কি কোনো অবস্থান নিয়েছিলেন? কোনো শব্দ উচ্চারণ করেছেন? নীরবতা ছাড়া আর কিছুইতো দেখা যায়নি।

এখন কেনো উনি বেগম মুজিব বন্দনা করেন না? আগে তো করতেন। কারণ খুব সহজ। এখন লিখলে মব হতে পারে, কিছু বললে, তাওহীদি জনতা আপনার --- --- ছিঁড়ে ফেলতে পারে। এত ভয় থাকলে লেখালেখির পথ বেছে নিলেন কেনো? সাহসতো দেখছি তসলিমার ধারে কাছেও নেই।

আপনি কখনোই হুমায়ূন আহমেদের মতো লিখতে পারবেন না তুই রাজাকার! এই উচ্চারণের সাহস আপনার নেই। আপনার কলমে আছে শুধু তেল মারার নৈপুণ্য, আছে ধরি মাছ না ছুঁই পানি এ ধরনের সতর্কতা। আপনার কাছ থেকে এর বেশি আশা করাও ভুল।

আপনি এবং ফারুকী গং মিলে দেশের সংস্কৃতিকে এমনভাবে বলাৎকার করেছেন যে, তা এখন ক্ষমতার পোষ্য সংস্কৃতি। যেখানে শিল্পের স্বাধীনতা নেই, আছে শুধু অনুমোদিত অভিনয়। আপনার সাধু সাজা দেখে বিস্ময় লাগে!

যখন হামে হাজার শিশু মরছে, তখন আপনি টাকি মাছের মতো গর্তে লুকিয়ে আছেন। এ নিয়ে কি লিখেছেন? কোনো অবস্থান নিয়েছেন? ফারুকীকে বলেননি কেনো এ নিয়ে একটি চলচ্চিত্র বানাতে?

আপনাদের মতো মেরুদণ্ডহীন সুশীলদের কারণেই দেশ আজ নানাভাবে বিভক্ত এবং দিশেহারা। আপনারা নৈতিকতার মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দেন কিন্তু বাস্তবে নৈতিকতা আপনাদের কাছে শুধু পুরস্কারের সিঁড়ি।

রুদ্র মোহাম্মদের কথায় শেষ করি

“বেশ্যাকে তবু বিশ্বাস করা চলে!
আপনাদের নয়"



ছবি- ইন্টারনেট।








মন্তব্য ১১ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সুশীল ও বুদ্ধিজীবীদের কারণে দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে ।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:২৫

স্প্যানকড বলেছেন:



একদম কথা সত্য, ধন্যবাদ।

২| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যখন শিক্ষিত সমাজই চাটার দলের পোষ্য হয়ে ওঠে,
তখন রাষ্ট্রের সবই ধ্বংসের দিকে গড়ায়।

..........................................................................
কথায় আছে মাছের পচন শুরু হয় মাথা থেকে,
আর সমাজের পচন শুরু হয় উপরের সমাজের মাথা থেকে ।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:২৯

স্প্যানকড বলেছেন:



পচন শুরুতেই ছিলো, তবে ২৪ এসে মুখোশ খুলে দিয়েছে।
সহমত পোষণ করছি। ধন্যবাদ।

৩| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৩৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: স্প্যানকড,




আমাদের কালচারড (?), সংস্কৃতিবান (?) মানুষগুলো শুধু দই নম্বরিই নয় আত্ম-প্রতারকও। আপনি ঠিকই বলেছেন- এদের সাধু সাজা দেখে বিস্ময় লাগে।
এরা নিজেদের নাম ভাঙিয়ে ফায়দা লোটার আশায় দেশের সংস্কৃতিকে নিজেদের সুবিধা মতো কেবল বলাৎকারই করছেনা, গলা টিপে মেরেও ফেলছে।
আসলে আমরা আম-পাবলিকই হলুম জঘন্য মূর্খ এবং অন্ধ, এদেরই মাথায় তুলে নাচি, মাথা থেকে নামিয়ে দু'চারটে আছাড় দিয়ে ছুঁড়ে ফেলার কাজটি করিনে।
রুদ্র মোদ্দা কথাটি বলেছেন - বেশ্যাকে বিশ্বাস করা যায়, এসব তথাকথিত সুশীল ও বুদ্ধিজীবীদের নয়।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৩১

স্প্যানকড বলেছেন:



আছাড় দেয়ার সময় আসছে। সাধারণ ক্ষমা আর হবে না এবার।
ধন্যবাদ।

৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬

শায়মা বলেছেন: ছবিটা দেখে আর লেখাটা পড়ে সত্যিই চিন্তায় পড়লাম ভাইয়ু!!!

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৩৪

স্প্যানকড বলেছেন:



আপু, অনেক চিন্তা হয়েছে। এইবার কিছু করার সময় এসেছে।
ধন্যবাদ,ভালো থাকবেন।

৫| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩২

মেহবুবা বলেছেন: তোষামোদী, স্বার্থপর, অহংকারী, পরশ্রীকাতর, লোভী হতে পারলে সার্থক জনম বটে!

বিবেক, মনুষ্যত্ব, মানবিক দায়িত্ববোধ উৎকৃষ্ট মানের প্যাকেটজাত করা হচ্ছে যাদুঘরে থাকবে বলে, একেবারে ফেলে দেয়া কেমন দেখায়!

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৩৮

স্প্যানকড বলেছেন:



যখন আমার গানের পাখি
শুধু আমাকেই দিয়ে ফাঁকি
সোনার শিকল ধরা দেয় গিয়ে
আমি শূন্যতা ঢাকি
যখন এ ঘরে ফেরেনা সে পাখি...
যখন এ ঘরে ফেরেনা সে পাখি
নিষ্ফল হয়ে শত ডাকাডাকি
খুজে নিয়ে মন নির্জন কোন
কি আর করে তখন
স্বপ্ন! স্বপ্ন! স্বপ্ন!
স্বপ্ন দেখে মন।

নচিকেতার এই গানটি আপনার জন্য।

ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।

৬| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:১৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: তোষামোদি, খোশামোদি বহুকাল ধরেই রাষ্ট্রীয় আচারে পরিণত হয়েছে। তবে কিছুটা স্বস্তির কথা, সম্প্রতি এর থেকে বের হয়ে আসারও কিছুটা লক্ষণ দেখা গেছে।
শিক্ষিত সুশীলরা যখন এ রোগে আক্রান্ত হন, তখন রোগটি দ্রুত ছড়ায় এবং এক পর্যা্য়ে মহামারী আকার ধারণ করে। এখন পর্যন্ত এ রোগের বিরুদ্ধে কোন টিকা আবিষ্কৃত হয়নি।
তবে, আপনি হঠাৎ করে কবিতার পরিবর্তে এমন একটি বিস্ফোরক বিষয়ে কলম ধরতে আগ্রহী হলেন কেন, জানতে পারি কি?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.