| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কিভাবে তাকে আটকাবে।তোমাকে সে পেয়ে বসবে।বয়সকে আটকানো যায়না।
আয়নার সামনে কথাগুলি তুমি ভাবছো-পাক ধরা চুলে চিরুনীর জয়যাত্রা।
আয়নায় তোমার-আমার প্রতিরুপ(প্রতিবিম্ব)।কৃষ্ণগহ্বরের অপরপ্রান্তে মহাবিশ্বের প্রতিরুপ(?)
শুক্রাণুর দৌড় শেষে যোনীদ্বারের কাছে উৎকন্ঠিত মুখ-প্রতিরুপ(?)
ছোট্ট সোনা
ভাই
স্বামী
পিতা
বুড়া
প্রতিরুপ।
সিঁড়ি দিয়ে উঠছি।উঠছি।সুনীল...
চারিদিকে এত শোরগোল।সবাই কথা বলছে।আর কথা বলতে বলতে
মুখ দিয়ে ফেনা তুলে, অতঃপর রুমাল দিয়ে বেশ সুন্দরভাবে মুছে নিচ্ছে।
ঠিক প্রস্রাব শেষে পুরুষ মানুষ যেভাবে কুলুপ করে।কেউ কেউ অবশ্য
মাটির ঢেলা দিয়ে...
স্বপ্নে সব নারীই উত্তেজক ভঙ্গিতে সামনে চলে আসে। যদিও
ওমন বয়স এখন আমার নেই।তাই কল্যাণপুরের রাস্তা দিয়ে আসার সময়
কসাইখানায় বাঁধা গরুটিকে দেখি।দেখি তার ম্লান চোখ।চোখ নয়
আসলে আমি টুকরো টুকরো গরুর মাংস...
যারা ছেড়ে যায় জন্মবাড়ি-যারা যায় তারা বুঝে
শুধু কি জন্মবাড়ি-জন্মনাড়ি কি নয়?
এই যারা চলে যায়-কিম্বা যেতে হয়।কিসের আশায়?
প্রাণের ভয়।–শুধুই কি প্রাণের ভয়-আর কিছু নয়
উন্নত জীবন!-মা বুঝি সন্তানেরে রেখেছিল অবহেলায়?
না কি সন্তান...
দুঃসহ সুন্দর তুমি।প্রতিদিনই যেন নতুন
আমি এক পরিব্রাজক।পথিক এক।ভ্রমণ করি ওই শরীরে
শুধু কি শরীরে?নয় কি হৃদয়ে?
দূরে থেকেও কাছে থাকা যায়?চিন্তায়, ভাবনায়
তোমার উপস্থিতি কিভাবে এড়িয়ে চলি?-তুমি কি পারো?
আমি জানি।তুমিও জানো গোপন কথা।থাক...
জল যত ছিল বুকে,-কষ্ট বৃষ্টি হয়ে ঝড়ে পড়ে।
সে আমার সামনেই ছিল আর বলছিল কি পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে তাকে যেতে হচ্ছে।
চোখের নীচের পুরু কালির রাজত্বে রাজ্যের উৎকন্ঠা-
না পাওয়ার তীব্র বেদনা।
একটি বনের...
তারা সকলে সম্মত হয় আর শিশুদের হাতে তুলে দেয়।
একটির পর একটি দরজা খুলে যায়।অবশ্য দরজায় খিল দেওয়া ছিলনা
শিশুরা তো শিশুর মতই।যা দেওয়া যায় তাই হাতে নেয়।
একটির পর একটি দরজা খুলে...
রাজাকার আর ফাঁসির দড়ি যদি পরিণত হয় পাথরে
তবে শহীদ শব্দটি চোরাবালিতে নয় কবরের গায়ে আটকে থাকে
আমরা যারা বাঙ্গালী একদিন বুঝতে শিখি আয়নায় অন্য কারও প্রতিবিম্ব।
চেতনায় যথেষ্ঠ মরিচা পড়েছে...
রাতের আঁধার জড়িয়ে ধরে আলোকে।বলছে সে,- ভালোবাসি
তোমার সিক্ত ওষ্ঠে আমি এখন এক ডুবুরী।সংগ্রহ করি-
প্রেমের মনি-মুক্তা।অথবা লুন্ঠনকারী।যে কিনা লুট করে ভালোবাসা।
তুমি কি কখনো শুনেছো গর্জন,- বারি ভরা মেঘের?
এখন,তোমার- আমার শরীরে বিদ্যুৎ...
গল্পের শুরু খুবই স্বাভাবিক
যুদ্ধে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়ে গেলে কিছু শকুন মারা যায়,কিছু শকুন
পালিয়ে যায়। বড্ড চেনা ঘটনা তারপর ঘটতে শুরু করে বাংলার বুকে
পলাতক অবস্থায় শকুনগুলির পালক ঝরে পড়ে।আর সেই পালকগুলি...
আমাদের মস্তিষ্ক সুন্দরভাবে ধ্বংস করে দিল।
যে ছুরি জবাই করেছিল,- শীতল নিষ্ঠুরতায়
যে বেয়োনেট এফোঁড় ওফোঁড় করেছিল তাদের উন্মাদ নিষ্ঠুরতায়
অথবা তপ্ত বুলেট,
না তারা কেউ হত্যা করেনি
তাদের পেছনে যে মস্তিষ্ক তাদের কথা...
দরজা খুলে দিয়ে আমাকে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়
অনেকটা মৃত শরীরকে কবর দেবার মত
ঘরে শুধু বাস করার অনুমতি রয়েছে
প্রাণের অস্তিত্ত্ব নেই
যেহেতু আমি মৃত ব্যক্তি নই,তাই সময়ের মূল্য অর্থে মিটিয়ে পথে নেমে...
হাতিটি চোখের সামনেই ছিল
তবু আমি দেখতে পাইনি
যদিও আমি কানা নই।চোখের দৃস্টিশক্তি এখনো ভালই আছে।
সবকিছু সহ ধরা পড়লো লুঙ্গী ফরহাদ
তবু আমি জানলাম তাকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল।
আমি যা দেখি,আসলে আমি তা দেখিনা
আমি...
©somewhere in net ltd.