নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্বাগতম আমার ব্লগে

ভালো লাগে লিখতে তাই লিখি..............

সুমাইয়া মুনিরা

এত কথা আছে, এত গান আছে, এত প্রাণ আছে মোর...এত সুখ আছে, এত সাধ আছে , প্রাণ হয়ে আছে ভোর

সুমাইয়া মুনিরা › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিধাতার বিধান

০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২১



আকাশী নীল আবছা আলোয়,
খুব সহজ কি জীবনের ঠিক বেঠিক নির্ণয় ?
তুমি হাঁটছো যে পথে, সেই গন্তব্য যে আমারো হবে
বলো কতটুকু সত্যতা আছে এই ভাবনায় ?

বিশাল দিন শেষে তুমি রাত্রিতে আছো,
আমার সকাল যে তখনও বাকি ।
শীতের শেষে তুমি বসন্তের সুরভী মাখো,
আমার গ্রীষ্মের প্রখরতা তখনও খাঁটি ।

জন্ম-মৃত্যুর সময়ক্ষন-ই যদি না থাকে, এক সাথে নিধারিত
তবে একই পথে চলতে না পারায়, মনে কিসের এত দৈন্য?

আলোর বেগের আগেও নয়, ইহজাগতিক পৃথিবীর অন্তেও নয়
মিলন হবে প্রাপ্তির সাথে বিধাতার বিধান, লিখিত ঠিক যখনটায় !

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: সহজ সরল সুন্দর কবিতা।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৩

সুমাইয়া মুনিরা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

২| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বিশাল দিন শেষে তুমি রাত্রিতে আছো,
আমার সকাল যে তখনও বাকি ।
শীতের শেষে তুমি বসন্তের সুরভী মাখো,
আমার গ্রীষ্মের প্রখরতা তখনও খাঁটি ।
এ সাম্য সব সময় এক হয়না, তবে মনের সাম্যতা থাকলে একসাথে পথ চলতে অসুবিধা হবেনা।

বিধাতার বিধান একটি প্রথম শ্রেণীর কবিতা। প্লাস দিয়ে গেলাম।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৬

সুমাইয়া মুনিরা বলেছেন: এত বড় প্রশংসা পেয়ে সত্যই ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। অসংখ্য ধন্যবাদ অনুপ্রাণিত করার জন্য ।

৩| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০৭

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: রাত আর সকালের পার্থক্য, গ্রীস্ম - বসন্তের পার্থক্য থেকে দুটো মানুষের মধ্যেকার সময়ের পার্থক্য বুঝা যায়।
তবে সঠিক, বেঠিক নির্ধারণ করা বেশ কঠিন। আজ যেটা সঠিক মনে হয়, কাল সেটা সঠিক মনে না ও হতে পারে। অর্থাৎ এটা আপেক্ষিক।

সব ভাবনার শেষে বিধাতা বা ভাগ্যের উপর ছেড়ে দেওয়াই স্বস্তির।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৩

সুমাইয়া মুনিরা বলেছেন: অবশ্যই আল্লাহপাক সমস্তকিছু ভালো জানেন ।

৪| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩০

নীল আকাশ বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে মনে হলো আপনি এই বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না। আপনি সহ যারা জানে না তাদের জন্য এটার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলাম নীচে-

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। এই মহাবিশ্বে যা কিছু ঘটবে আল্লাহ তাআলা কর্তৃক তাঁর পূর্বজ্ঞান ও প্রজ্ঞা অনুযায়ী সেসব কিছু নির্ধারণ করে রাখাকে তাকদীর বলা হয়। তাকদীরের প্রতি ঈমান চারটি বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

এক: এই ঈমান আনা যে, আল্লাহ তাআলা প্রত্যেকটি বিষয় সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে ও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানেন। তাঁর এ জানা অনাদি ও অনন্ত -তাঁর নিজ কর্ম সম্পর্কে অথবা বান্দার কর্ম সম্পর্কে।

দুই: এই ঈমান আনা যে, আল্লাহ তাআলা লওহে মাহফুজে সবকিছু লিখে রেখেছেন।
এ দুটি বিষয় সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন: “তুমি কি জান না যে,নভোমণ্ডলে ও ভুমন্ডলে যা কিছু আছে আল্লাহ সবকিছু জানেন। নিশ্চয় এসব কিতাবে লিখিত আছে। নিশ্চয় এটা আল্লাহর কাছে সহজ।”[সূরা হজ্জ, আয়াত: ৭০] সহিহ মুসলিমে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে- তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনি বলেন: আল্লাহ তাআলা সৃষ্টিকূল সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর আগে সৃষ্টিকূলের তাকদীর লিখে রেখেছেন।”

তিনি আরো বলেন: “আল্লাহ তাআলা প্রথম সৃষ্টি করেছেন কলম। সৃষ্টির পর কলমকে বললেন: ‘লিখ’। কলম বলল: ইয়া রব্ব! কী লিখব? তিনি বললেন: কেয়ামত পর্যন্ত প্রত্যেক জিনিসের তাকদীর লিখ।”[ আবু দাউদ (৪৭০০)] আলবানি সহিহ আবু দাউদ গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন।

তিন: এই ঈমান রাখা যে, কোন কিছুই আল্লাহর ইচ্ছার বাইরে ঘটে না। হোক না সেটা আল্লাহর কর্মের সাথে সংশ্লিষ্ট অথবামাখলুকের কর্মের সাথে সংশ্লিষ্ট। আল্লাহ তাআলা বলেন: “আপনার পালনকর্তা যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং (যা ইচ্ছা) মনোনীত করেন।”[সূরা কাসাস, আয়াত: ৬৮] তিনি আরো বলেন: “এবং আল্লাহ যা ইচ্ছা সেটাই করেন”[সূরা ইব্রাহিম, আয়াত: ২৭] তিনি আরো বলেন: “তিনিই মাতৃগর্ভে তোমাদেরকে আকৃতি দান করেন যেভাবে ইচ্ছা করেন সেভাবে।”[সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৬]

বান্দার কর্ম সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন: “আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে অবশ্যই তাদেরকে তোমাদের উপর ক্ষমতা দিতে পারতেন। যাতে তারা নিশ্চিতরূপে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারত।”[সূরা নিসা, আয়াত: ৯০] তিনি আরো বলেন: “তোমার রব যদি ইচ্ছা করত, তবে তারা তা করত না”[সূরা আল-আনআম, আয়াত: ১১২] অতএব, সকল ঘটনা, সকল কর্ম, সকল অস্তিত্ব আল্লাহর ইচ্ছাই হয়। আল্লাহ যা চান সেটাই হয়, তিনি যা চান না, সেটা হয় না।

চার: যাবতীয় সবকিছুর জাত, বৈশিষ্ট্য, গতি ও স্থিতি সব আল্লাহর-ই সৃষ্টি। আল্লাহ তাআলা বলেন: “আল্লাহ সবকিছুর স্রষ্টা এবং তিনি সবকিছুর তত্ত্বাবধায়ক।” [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ৬২] তিনি আরো বলেন: “তিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছেন এবং প্রত্যেককে যথোচিত আকৃতি দান করেছেন।” [সূরা ফুরকান, আয়াত:২] তিনি নবী ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম সম্পর্কে বলেন তিনি তাঁর কওমকে উদ্দেশ্য করে বলেন: “অথচ আল্লাহই তোমাদেরকে এবং তোমরা যা কর তা সৃষ্টি করেছেন?”[সূরা আস্‌-সাফ্‌ফাত, আয়াত:৯৬]

যে ব্যক্তি এ বিষয়গুলোর প্রতি ঈমান এনেছে সে তাকদীরের প্রতি সঠিকভাবে ঈমান এনেছে। এতক্ষণ আমরা তাকদিরের প্রতি ঈমান আনার যে বিবরণ দিলাম সেটা কর্মের ক্ষেত্রে বান্দার ইচ্ছাশক্তি থাকা ও ক্ষমতা থাকার সাথে সাংঘর্ষিক নয়। বান্দার ইচ্ছাশক্তি রয়েছে। বান্দা ইচ্ছা করলে কোন নেক কাজ করতে পারে এবং ইচ্ছা করলে তা বর্জন করতে পারে। ইচ্ছা করলে কোন গুনাহর কাজ করতে পারে এবং ইচ্ছা করলে তা বর্জন করতে পারে। শরিয়তের দলিল ও বাস্তব দলিল বান্দার এ ইচ্ছাশক্তি সাব্যস্ত করে।

শরয়ি দলিল হচ্ছে- আল্লাহ তাআলা বলেন: “ঐ দিনটি সত্য। অতএব যার ইচ্ছা সে তার রবের নিকট আশ্রয় গ্রহণ করুক।”[সূরা নাবা, আয়াত: ৩৯]

তিনি আরো বলেন: “সুতরাং তোমরা তোমাদের ফসলক্ষেতে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে গমন কর”[সূরা বাকারা, আয়াত: ২২৩] তিনি বান্দার সক্ষমতা সম্পর্কে বলেন: “অতএব, তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় কর”[সূরা তাগাবুন, আয়াত: ১৬] তিনি আরো বলেন: “আল্লাহ কোন ব্যক্তিকে তার সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না। সে যা অর্জন করে তা তার-ই জন্য এবং সে যা কামাই করে তা তার-ই উপর বর্তাবে।”[সূরা বাকারা, আয়াত: ২৮৬]

এ আয়াতগুলো সাব্যস্ত করে যে, মানুষের ইচ্ছাশক্তি ও ক্ষমতা রয়েছে। এ দুটির মাধ্যমে সে যা ইচ্ছা তা করতে পারে এবং যা ইচ্ছা তা বর্জন করতে পারে।

ধন্যবাদ।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০০

সুমাইয়া মুনিরা বলেছেন: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। ধন্যবাদ এত সুন্দর করে রেফারেন্স দিয়ে বিষয়টির উপর আলোকপাত করার জন্য । অবশ্যই বান্দার কৃতকর্মের সাথে তার ফলাফল সর্ম্পকিত । বান্দা ভালো বা মন্দ দুটির যেকোনটিই তার ইচ্ছাশক্তি দ্বারা বাছাই করতে পারে । বান্দা কোন পরিস্থিতিতে কোন পথটি নির্বাচন করবে, এবং তার কমর্ফল কি হবে সেই বিষয়ে সর্বজ্ঞানী মহান আল্লাহু রাব্বুল আলামিন আগে থেকেই জ্ঞাত।

৫| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩০

নীল আকাশ বলেছেন: সম্ভবত আপনি আমার লেখা আগে পড়েন নি।
ব্লগে আমিই সবাইকে ইসলামী বিষয়ে লেখার সময় সহী সনদ ছাড়া লিখতে নিষেধ করেছি।
সময় থাকলে পড়ে আসুনঃ
ব্লগে পোস্ট দেয়া বিভিন্ন ধর্মীয় বিষয় নিয়ে লেখার ব্যাপারে কিছু অপ্রিয় সত্যকথা
লিখেছেন নীল আকাশ, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৫
https://www.somewhereinblog.net/blog/nilakas39/30280480

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.