| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রুদ্র ও রোদেলা কাব্য
না । কিছুই বলবো না !!!!!!!!
বৈশাখ মাস আসছে। ধান কাটা নিশ্চয় শুরু হয়ে গেছে। এতিম, হত দরিদ্র শুকনো মুখের কতগুলো ছেলে বস্তা নিয়ে গ্রামে গ্রামে ছুটবে ধান তোলার জন্য। এরা সবাই কওমী মাদ্রাসার ছাত্র। এসব দানে খয়রাতে এরা টিকে আছে। এদের জন্য বিদেশি এনজিওরা টাকা দেয়। সব টাকা যায় বিরাট ভুড়িওয়ালা হুজুরদের পেটে। এই এতিম ছেলেগুলোকখনো স্বাবলম্বী হয় না। মাদ্রাসাথেকে বের হয়ে এরা কোথাও ইমামতি করবে, কোথাও মুয়াজ্জিন হবে, কাউকে পানি পড়া দেবে। চলবে মানুষের কাছ থেকে দু'চার টাকা করে তোলা চাঁদারটাকায়।
এসব মাদ্রাসায় সরকারের কোন কর্তৃত্ব নেই বললেই চলে। ডিজিটালবাংলাদেশের কার্যক্রম ওদেরকে কতটুকু স্পর্শ করছে জানি না। তবে এতটুকু জানি ০.০১ শতাংশ মাদ্রাসা ছাত্রেরও ফেসবুক ব্লগে আইডি নেই, ওরা ইন্টারনেটে যোগাযোগ করে না।বড়জোর মোবাইলে একটি মাইক্রো এসডিমেমোরি কার্ড রাখে। যার ভেতরে থাকে এটা ওটা সেটা। ওদের কাছে ডিজিটাল বাংলাদেশ এখনো ওই পর্যায়ে আছে।
এখন পর্যন্ত মাদ্রাসা শিক্ষাকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মনস্ক করতে পারেনি সরকার। করতে পারেনি সৃজনশীল। দেশের নাগরিকদের উল্লেখযোগ্য একটা অংশ মূলস্রোত থেকে কয়েকশ বছর পিছিয়ে আছে। এটা একটা সমস্যা। বড় সমস্যা হচ্ছে ওরা এগোতে চায় না, কেউ এগিয়ে নেয়ার জন্য জোরও করে না। ওদের মগজকে বনসাই করে রাখেছে সবাই মিলে।
ওরা নিজেরা ভালো থাকে না, অন্যকেওভালো রাখে না। ওদের মনন ভরা দারিদ্রতার ক্ষোভ, নান্দনিকতার আক্ষেপ, অপ্রাপ্তির বিতৃষ্ণা। প্রযুক্তি, সৃজনশীলতা, নান্দনিকতার অবকাঠামোগত সুবিধা নাগালের বাইরে থাকায় এ ক্ষোভ, আক্ষেপ ও বিতৃষ্ণা ওদেরকে বানায় ধ্বংসাত্বক মনোভাবের।
যেকোন ভাবে হোক ওদেরকে মূলস্রোতের কাছাকাছি নিয়ে আসতে হবে। নইলে ওরা চিরকাল ধর্মব্যবসায়ীদের হাতে ব্যবহৃত হবে। ব্যবহৃত হতে হতে এরাও একেকজন ধর্মব্যবসার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হবে, হচ্ছে। এসব ব্যবসা বাণিজ্যের লাভের গুড়টা শয়তানের গোলায় যায়। বাংলাদেশের তাতে দুঃখই বাড়ে।
©somewhere in net ltd.