| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দেশে ছুটিতে যাওয়ার কিছু দিন পর মা বলল উনার চশমা লাগবে, বললাম ঠিক আছে নিয়ে দিব। ইতিমধ্যে মাস শেষ হয়ে গেল যাব যাচ্ছি করে। একদিন আবার বলল তখন নিয়ে গেলাম, দেখি কম দামি প্লাস্টিকের ফ্রেমের চশমা পচন্দ করল, জিঙ্গাসা করলাম ষ্টিলের ফ্রেমের নেন না কেন, উত্তরে বলে এগুলি বাহিরে পড়ার কিন্তু আমিত সারাক্ষন ঘরে পড়বো। পরে দুটাই কিনে দিলাম। বাসায় একটা লুকিয়ে রেখেছে বাবা দেখলে রাগ করবে বলে। এর পর সারাক্ষন যখন মা কে চশমা পড়া আবস্তায় দেখতাম তখন নিজেকে একটু অপরাধি মনে হত দেরী হওয়ার জন্য। দুদিন আগে ফোনে মা অপরাধীর মত বলছে "আমার ছেলের এই অভাবের দিনে কি করে দুটি চশমা নিলাম" অথচ এত কোন দামি চশমা সেগুলি ছিল না যা আমাদের একবেলা বাহিরের খাবার বা পার্কে ঘুরার খরচ থেকেও কম। আমাদের ছোট বেলায় ইলেক্ট্রনিকস খেলনা খুব একটা ছিল না। একবার বাবার এক বন্ধু বিদেশ থেকে আমার জন্য একটা ব্যাটারী চালিত গাড়ি নিয়ে যায়, ছোট হলেও এখনও মনে আছে , মা খেলনাটা পেয়ে মনে হয় আমার থেকে বেশী খুশী হয়েছিল, কতবার যে বাবার বন্ধু কে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।
উনারা আমাদের চাহিদা গুলি না বলার আগেই মিটিয়েছেন আর আমরা উনাদের সামান্য প্রযোজন গুলি মাঝে মাঝে কি করে ইগনোর করি। উনারা কোন কিছু লাগলে দশবার ভাবে তারপর আমাদের বলে এরপরও কেন আমাদের ২বার বলতে হয়? কেন আমরা উনারা চাওয়ার আগে উনাদের সামান্য চাহিদা গুলি মিটাতে পারি না????
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৩
তাজ উদ্দীন সুমন বলেছেন: ব্যস্ততা বাহানা।, কোন কাজটা জরুরী সেটাই আসল কথা , জরুরী বলতে বুঝায় কোন কাজটা আপনার কাছে বেশী প্রাধান্য পায় সেটাই জরুরী। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
২|
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:১৫
মাকড়সাঁ বলেছেন: নাগরিক জীবনের সাথে কত স্মৃতি।
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৫
তাজ উদ্দীন সুমন বলেছেন: সত্যিই তাই, ব্রেইনের বেশীর ভাগই স্মৃতি..।
৩|
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:৩২
মাধব বলেছেন: মিটানো উচিত।
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৭
তাজ উদ্দীন সুমন বলেছেন: শতভাগ চাই কিন্তু কিছু কিছু অনইচ্ছাকৃত ভুল যে সব সময় হয়ে যায়।
৪|
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৯
সুমন কর বলেছেন: চেষ্টা করি এবং করা উচিত।
চমৎকার লিখেছেন।
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৮
তাজ উদ্দীন সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ সুমন দা , উৎসাহ দেওয়ার জন্য।
৫|
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:২৮
আরজু পনি বলেছেন:
একটু আগে মার সাথে ফোনে কথা বললাম ।
বাচ্চার পরীক্ষা থাকায় যেতে পারছি না মায়ের কাছে
অথচ গতরাতে আম্মার শরীরটা হঠাৎ করেই বেশ খারাপ হয়েছিল ।
নিজেকে কেমন যেনো অসহায় লাগছে ...
আপনার লেখাটা পড়ে মনটা আরো খারাপ হয়ে গেল ।
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৪
তাজ উদ্দীন সুমন বলেছেন: বলেছেন: দুঃখিত আপনার মন খারাপ করে দেওয়ার জন্য। সত্যি কথা কি এই যে মন খারাপ করাটাও ভালবাসার প্রকাশ। মা হয়ত জানবে না কিন্তু বারবার মাকে স্বরন কারও মাযের জন্য বড় পাওয়া।, জায়গা মত ঠিকই দোয়া পৌচে যাবে। সান্তনার বানী হল , আপনার খেয়াল রাখতে গিয়েও আপনার মাও হয়ত আপনার নানীর খোজ খবর ঠিক ভাবে নিতে পারেননি, তখন হয়ত আজকের মত ফোনের ব্যবস্তাও এত সুবিদাজনক ছিল না।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৭:৪১
মাহবুবুল আজাদ বলেছেন: নাগরিক জীবনের ব্যস্ততা আমাদের আবেগ গুলো কোন পথে নিয়ে যায় তার খেয়াল ই আমরা রাখতে পারিনা।